17/01/2021
সকলের উপস্থিতি ও সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন
২০/০১/২১ রোজ বুধবার
বৃহত্তর সিলেটের সর্বপ্রাচীনতম ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি বিদ্যাপীঠ ঝিংগাবাড়ী ফাযিল (ডিগ্রী) মাদরাসা কানাইঘাট সিলেট এর ১৪৬তম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল।
[বি. দ্র. মাও. এম হাসিবুর রহমান (বা'দ যোহর)
মাও. খুরশিদ আলম সাহেব (বা'দ মাগরিব)]
05/01/2021
বৃহত্তর সিলেটের প্রাচীনতম মাদরাসার
মহতি মাহফিলে উপস্থিত হয়ে অশেষ সওয়াব হাসিল করুন।
19/07/2020
যার ক্ষমতা ও সম্পদ যতো কম, তার
হিসাব ততো সহজ!
গল্পের মাধ্যমে বুঝানোর চেষ্টা করতেছি,
গল্পটি পড়েন বুঝতে পারবেন।
এক ছাত্র তার উস্তাদকে প্রশ্ন করলো,
হুজুর! কিয়ামতের হিসাবনিকাশ কিভাবে হবে?
ছাত্রের প্রশ্ন শোনে উস্তাদ কিছুক্ষণ নিশ্চুপ বসে থাকলেন। তারপর, জুব্বার পকেট থেকে কিছু টাকা বের করে ছাত্রদের মধ্যে বণ্টন করে দিলেন।
বণ্টনের প্রক্রিয়া যেমন ছিলো,
১ম জনকে ১০০ টাকা।
২য় জনকে ৭৫ টাকা।
৩য় জনকে ৫০ টাকা।
৪র্থ জনকে ২৫ টাকা।
৫ম জনকে ১০ টাকা।
৬ষ্ট জনকে ৫ টাকা।
এবং যে ছাত্র প্রশ্ন করেছিলো তাকে দিলেন
১টাকা।
প্রশ্নকারী ছাত্র উস্তাদের এমন বণ্টনে অত্যন্ত মনঃক্ষুণ্ণ হলো, এবং ভিষণ কষ্ট পেলো।
সে ভাবলো উস্তাদ তাকে সবার সামনে অপমানিত করলেন, সবার সামনে ছোট করলেন।
টাকা বণ্টনের পর উস্তাদ মুচকি হেসে ছাত্রদের দিকে
তাকিয়ে বললেন,
আজ তোমাদের ছুটি। তোমরা এই টাকা পুরোপুরি খরচ করবে এবং আগামী সাপ্তাহিক বন্ধের দিন মাদরাসার
রান্নাঘরে সকাল ১০ঘটিকায় তোমরা উপস্থিত হয়ে খরচের হিসাব দিতে হবে।
সাপ্তাহিক বন্ধের দিন ছাত্ররা মাদরাসার রান্নাঘরে
উপস্থিত হয়ে দেখলো,
উস্তাদ আগে থেকেই সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
সবাই আসার পর উস্তাদ ছাত্রদেরকে চুলায় উপর তাকা গরম 'তাওয়া' দেখিয়ে বললেন,
তোমরা একজন একজন করে এই তাওয়ায় দাঁড়িয়ে আমার দেয়া টাকার খরচের হিসাব দেবে।
প্রথমে এগিয়ে এলো যে ছাত্রকে ১০০টাকা দিয়েছিলেন সে এসে তাওয়ায় দাঁড়ানোর পর উস্তাদ প্রশ্ন করলেন,
আমার দেয়া টাকা তুমি কিভাবে খরচ করেছো হিসাব দাও?
এমনিতে আগুনে উত্তপ্ত গরম তাওয়া,
তার উপর খালি পা! ছাত্র এক পা নামায় তো এক পা তুলে, এভাবে অনেক কষ্টে তাওয়ায় দাঁড়িয়ে খরচের
হিসাব দিতে লাগলো,
৫টাকা দিয়ে এটা কিনেছি,
১০টাকা দিয়ে ওটা খেয়েছি,
২০টাকা দিয়ে ঐ জিনিস কিনেছি।
এইভাবে অনেক কষ্ট সহ্যকরে সে সম্পূর্ণ হিসাব দিলো। তারপর এলো যাকে ৭৫ টাকা দিয়েছিলেন সে।
এভাবে ধারাবাহিকভাবে একে একে সবাই নিজেদের টাকা খরচের হিসাব উত্তপ্ত তাওয়ায় দাঁড়িয়ে দিয়ে গেলো।
সবার শেষে এলো যাকে ১টাকা দিয়েছিলে সে, অর্থাৎ যে
ছাত্র 'কিয়ামতের হিসাবনিকাশ' নিয়ে প্রশ্ন করেছিলো।
সে হাসিমুখে দৌড়ে এসে তাওয়ায় দাঁড়িয়ে তার ১টাকা খরচের হিসাব দিয়ে উস্তাদের সামনে দাঁড়ালো।
বাকিরা যখন নিজেদের তাওয়ায় পুড়া পায়ে পানি ডালছে, তখন সে দাঁড়িয়ে হাসছে।
সবার হিসাব দেয়া শেষে উস্তাদ ছাত্রদের, বিশেষকরে প্রশ্নকারী ছাত্রকে উদ্দেশ্য করে বললেন- এই হলো কিয়ামতের হিসাবনিকাশের ছোট একটি নমুনা মাত্র।
যার ক্ষমতা ও সম্পদ যতো কম, তার হিসাব ততো সহজ।
প্রশ্নকারী ছাত্র ছলছল নয়নে উস্তাদের দিকে তাকিয়ে মনেমনে তার প্রতি উস্তাদের ভালোবাসার কথা ভাবতে
লাগলো এবং উস্তাদের প্রতি নিজের আগের ধারণার জন্য অনুতপ্ত হতে লাগলো।
হে রাব্বে কারিম আমাদের দুনিয়ার জীবনকে পবিত্র রাখুন। কিয়ামতের হিসাবনিকাশ সহজ ও সুন্দরভাবে দেয়ার তৌফিক দিন।
আপনার মনোনীত দ্বীনের উপর অটল ও অবিচল থাকার তৌফিক দান করুন।
আমাদের ক্ষমা করুন, আমাদের উপর
রহম করুন।
আমিন
লেখকঃ- মিজানুর রাহমান চৌধুরী হাবীব
সাবেক ছাত্র, ঝিংগাবাড়ী ফাযিল (ডিগ্রী) মাদরাসা
24/06/2020
আমি বিস্মিত হই তাদের ব্যাপারে ... !
০১. যারা ঈমানদার হয়েও নিজেদের 'মুসলিম' পরিচয় চেপে রেখে হানাফি, সালাফি, আহলে হাদিস, শিয়া, সুন্নি, ব্রেলবি ইত্যাদি সংকীর্ণ গোষ্ঠীগত পরিচয়ে পরিচিত করতে পছন্দ করে। অথচ মহান আল্লাহ তায়ালা তাঁর রাসুল (সা)কে নির্দেশ দিয়েছেন নিজেকে 'মুসলিম' বলে পরিচয় দিতে।
(দেখুন- আল কুরআন ০৬: ১৬১-১৬৩)
০২. যারা মানুষকে 'এক আল্লাহ্র' দিকে দাওয়াত না দিয়ে গোষ্ঠীগত ধ্যানধারণার দিকে দাওয়াত দেয়। যেমন 'সহি আকিদার' দিকে, বিশেষ 'মাযহাবের দিকে', বিশেষ ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর তরিকার দিকে দাওয়াত দেয়া হয়। অথচ মহান আল্লাহ তায়ালা তাঁর রাসুল (সা)কে নির্দেশ দিয়েছেন মানুষকে এক আল্লাহর দিকে দাওয়াত দিতে। (দেখুন- আল কুরআন ১২: ১০৮)
০৩. যারা মুসলিমদের মাঝে গ্রুপিং, ফেরকাবাজি, বিভক্তি ও দলাদলি সৃষ্টি করে বেড়ায়। এমনকি এক গ্রুপ অপর গ্রুপকে ইসলাম থেকে খারিজ ঘোষণা করতেও দ্বিধাবোধ করেনা। অথচ আল্লাহ পাক মুসলিমদের ফেরকাবাজি না করার এবং অটুট বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। (দেখুন- আল কুরআন ০৩: ১০৩)
০৪. যারা মুসলিমদের ঐক্য বিনাশ করার জন্যে পরস্পরের বিরুদ্ধে তুচ্ছ বিষয়েও ফতওয়াবাজি করে বেড়ায়। অথচ রসুলুল্লাহ (সা) তাঁর সাথীদের মাঝে মুনাফিকরাও অবস্থান করছে -এটা সুস্পষ্টভাবে জানা সত্ত্বেও নিজে তাদের কখনো মুনাফিক বলেননি, এমনকি নিজের জামায়াত থেকেও তাদের খারিজ করে দেননি।
এমনকি হারুণ এবং মুসা আলাইহিমাস সালাম তাঁদের জামায়াতে মূর্তিপূজারি গোষ্ঠীর অবস্থানকেও বরদাশত করে নিয়েছিলেন কেবলমাত্র দলবিভক্তির ভয়ে।
(দেখুন- আল কুরআন ২০: ৮৮-৯৪)
আমার প্রিয় মুসলিম ভাইয়েরা!
আসুন, নিজেরা নিজেদের পরস্পরের বিরুদ্ধে
বিদ্বেষ ছড়ানোর মাধ্যমে বিভেদ সৃষ্টি না করি।
বরং -
আসুন উপদেশ ও অসিয়তের মাধ্যমে ইসলাহ ও সংশোধনের কাজ করি। আসুন, পরস্পরের নসিহাহ ও কল্যাণ কামনা করি।
আসুন, মুসলিমদের মাঝে পারস্পরিক সৌহার্দ্য সৃষ্টির কাজ করি।
আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে সঠিক বুঝ দান করুন। আমাদের চেষ্টাগুলোকে কবুল করুন।
19/06/2020
update: 19/06/2020 Friday
New cases: 3243
New deaths: 45
Total cases: 105535
Total deaths: 1388
Source: DGHS