১. লোক চক্ষুর আড়ালে তুমি তোমার জীবনকে সুন্দর করো, তাহলে আল্লাহ তোমার প্রকাশ্য জীবনকে সুন্দর করে দেবেন।
২. তুমি তোমার এবং আল্লাহর মধ্যকার সম্পর্কের ব্যাপারে যত্নবান হও, তাহলে আল্লাহ তোমার এবং লোকদের সাথে সম্পর্ককে ঠিক করে দেবেন।
৩. পরকালের জন্য আমল করো তাহলে আল্লাহ তোমার দুনিয়াবী চাহিদা পূরণ করবেন।
৪. আখেরাতের বিনিময়ে তুমি তোমার দুনিয়াকে বিক্রি করো, তাহলে উভয় জগতে তুমি লাভবান হবে।
৫. দুনিয়ার বিনিময়ে তুমি আখেরাতকে বিক্রি করোনা, তাহলে উভয় জগতে তুমি ক্ষতিগ্রস্থ হবে।”
— সুফিয়ান আস-সাওরী (রহি’মাহুল্লাহ)
[হিলইয়াতুল আওলিয়াঃ ৭/৩৫]
Haji Vuru Mia Jame Masjid
” প্রচার করো, যদি একটিমাত্র আয়াতও হয় ”
(সহীহ বুখারিঃ ৩৪৬১)
আরাফার দিনের ৪ করণীয়
11/07/2021
জিলহজ মাসের আর মাত্র এক দিন বাকি । এটি রামাদান-এর মত পরিপূর্ণ একটি মাস নয়। খুবই সংক্ষিপ্ত ও দ্রুত অতিবাহিত একটি সময়। অবহেলা ও শৈথিল্যের কোনো সুযোগ নেই। রামাদান-এর মতো এ দিনগুলোতে শয়তানকে শৃঙ্খলে আবদ্ধও রাখা হয়না। এ কারণে এই লক্ষ্য ও প্রতিযোগিতা বেশি কঠিন। একই কারণে এই পথের পথিকও সংখ্যায় অনেক কম ও নগন্য। কিন্তু এই ত্যাগ ও পরিশ্রমের সাওয়াব অনেক মহান, এর পুরস্কার অধিক মূল্যবান।
অধিকাংশ মানুষই জিলহজের মাসের প্রথম দশদিন সম্পর্কে বেখবর। এ দিনগুলোতে তাহাজ্জুদ আদায় করা হয়না, কুরআন পাঠের প্রতিযোগিতাও তেমনিভাবে হয়না, যেমনটি রামাদানে করা হয়। কেননা, রামাদান-এর মত ইবাদাত-এর উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা এ মাসে তেমন দেয়া হয়না।
অথচ মহান আল্লাহ এই দিনগুলোর সম্মান ও মাহাত্ম বৃদ্ধি করে দিয়েছেন, শপথ করেছেন স্বয়ং সেসব রাত্রিগুলোর নামে।
আল্লাহ তা’আলা বলেন: “কসম ভোরবেলার। কসম দশ রাতের।” [সূরা ফাজর : ১-২]
ইবনে কাসীর রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন: এই আয়াতে 'কসম দশ রাতের’ বলে যিলহজের প্রথম দশকের প্রতিই ইঙ্গিত করা হয়েছে।
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, 'মহান আল্লাহর কাছে বছরের অন্যান্য দিনে কৃত উত্তম আমল ততটা প্রিয় নয়, যতটা প্রিয় আইয়্যামে আশর তথা জিলহজ মাসের প্রথম দশটি দিনের নেক আমল। [সহিহ বুখারী- ৯৬৯]
শয়তানকে পরাজিত করার, আপনার ঈমান ও তাকওয়ার যে ক্ষতিসাধন সে সারাবছর করেছে, তার প্রতিশোধ নেয়ার এটাই অন্যতম বড় সুযোগ।
হে দুঃসাহসী বীর ! এ দিনগুলো আপনার।
------------------------
বই : জিলহজের উপহার
লেখক : ড. খালিদ আবু শাদি
[কিঞ্চিৎ সংযুক্ত]
যিলহজের প্রথম দশকের গুরুত্ব, তাৎপর্য ও ১০ করণীয়
১। বেশি বেশি আল্লাহর যিকর
২।সাধারণ নেক আমল (সালাত, মানুষের উপকার)
৩।বিশেষভাবে গুনাহ থেকে বেচে থাকা
৪।হজ ফরজ হলে হজ করা
৫।কুরবানি করা
৬।জিলহজের চাঁদ উঠা থেকে কুরবানি করা পর্যন্ত চুল, নখ না কাটা
৭।বেশি বেশি তাকবির, তাহমিদ, তাহলিল (আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহির হামদ)
৮। ৭ নং তাকবির আরাফার দিন (৯ জিলহজ) ফজরের নামাজ থেকে ১৩ তারিখ আসর পর্যন্ত প্রতি ফরজ নামাজের পর
৯।আরাফার দিন রোজা রাখা
১০।ঈদের দিনের সুন্নত পালন
09/07/2021
উম্মে সালামাহ (রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা) থেকে বর্ণিত, রাসুল ﷺ বলেছেন,
তোমাদের মাঝে যে কুরবানী করার ইচ্ছে করে সে যেন যিলহজ মাসের চাঁদ দেখার পর থেকে চুল ও নখ কাটা থেকে বিরত থাকে।
[মুসলীম হা/৫০১১-৫০১৫]
ইসলামের দৃষ্টিতে তাবিজ ব্যবহার করা জায়েয নাকি হারাম?
মসজিদ-ই-নববীর আজকের জুম‘আর খুৎবার বাংলা অনুবাদ
৯-ই শাওয়াল ১৪৪২হিঃ, ২১-শে মে ২০২১ইং
বিষয়:- “সৎ আমলকে সংরক্ষণ করা”
খত্বীব:- শ্যায়েখ “আব্দুল্লাহ্ বিন আব্দুর রহ্মান আল-বু‘য়াইজান” (হাফিয্বাহুল্লাহ্)
অনুবাদক:-শ্যায়েখ “শেখ সা'দী বিন আব্দুর রশিদ” আল-মাদানী, হাফিয্বাহুল্লাহ্ (পি.এইচ.ডি. গবেষক, মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়)
শাওয়াল মাসের ৬ নফল রোজা রাখার নিয়ম-শায়খ আহমাদুল্লাহ
রোজা কবুল হয়েছে বুঝবেন কিভাবে_ _ ইবাদত কবুলের আলামত গুলো কি_
_শায়খ আহমাদুল্লাহ।
পা ছুয়ে সালাম বনাম ঈদের সেলামী।
--শায়খ আহমাদুল্লাহ
13/05/2021
ঈদ উপলক্ষে পরস্পরে শুভেচ্ছা বিনিময় করা:
______________
মুসলমানগণ পরস্পরে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করাতে অসুবিধা নেই। কারণ সাহাবীগণও ঈদ উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময় করতেন। তারা এই বলে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করতেন,
تقبل الله منا ومنكم
উচ্চারণ - ”তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম”
অর্থাৎ আল্লাহ আমাদের এবং আপনার (ইবাদত-বন্দেগী) কবুল করুন।
(বায়হাকী (২/৩১৯)-সনদ হাসান)।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Website
Address
Sylhet
3100