HR Associates

HR Associates

Share

A renown local institution for Online Support & Legal Consultation located in Beanibazar.

01/03/2021

প্রিয়জনের কাছে টাকা পাঠানো কেবল লেনদেন নয়, এ যেন মানুষের আবেগ আর অনুভূতির প্রকাশ!

আর টাকা পাঠানোর প্রতিটি মুহুর্তকে আরো আনন্দময় করতে বিকাশ তার ৫ কোটি গ্রাহকের পরিবারের সবার জন্য নিয়ে এলো ৫ টি প্রিয় নাম্বারে ফ্রি টাকা পাঠানোর সুবিধা। বিকাশ অ্যাপ থেকে বা *২৪৭ # ডায়াল করে আপনার ৫টি প্রিয় নাম্বার সেট করুন আর প্রতি মাসে ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত সেন্ড মানি করুন ফ্রি।

15/01/2021

আপনার সন্তানের জন্ম-নিবন্ধন নিয়ে ভাবছেন?
#প্রবাসে থাকেন,
#ইউনিয়ন_অফিস অনেক দূরে
#ছুটির_দিন ইউনিয়ন অফিসও বন্ধ থাকে। এখন উপায় কি?

No Tension! অনলাইন সার্ভিস দোকানে বা নিজ মোবাইলে ঘরে বসে আপনি আপনার নিজের বা শিশুর জন্ম নিবন্ধন করতে পারবেন।

আর নয় অফিসের বারান্দায় ঘুরাঘুরি!
এখন ঘরে বসেই নিজে নিজে অথবা আমাদের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন নতুন নিবন্ধন, সংশোধন বা প্রিন্ট কপির জন্য।

জন্ম নিবন্ধন তথ্য সংশোধন আবেদন

[http://bdris.gov.bd/br/application](http://bdris.gov.bd/br/application?fbclid=IwAR0w4RnoOJtPpjTE7NvltKuAmYG2JmAxLLR47FE0vWQ5EaTBxcP5hy26boE)

নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন

[http://bdris.gov.bd/br/correction](http://bdris.gov.bd/br/correction?fbclid=IwAR1JKsi65Rxk4bBr0QVPDBqt2ufPrF6IW-WPU3F2yMjs_Dm-aAwklVfKqoE)

জন্ম নিবন্ধন তথ্য অনুসন্ধান

[http://bdris.gov.bd/br/search](http://bdris.gov.bd/br/search?fbclid=IwAR0jknZW-8umZ36kAfBnIF90R0A3F4ZI-W7P_ltUY6MAnOE_eB5WzCetxwI)

জন্ম নিবন্ধন আবেদনের বর্তমান অবস্থা

[http://bdris.gov.bd/br/application/status](http://bdris.gov.bd/br/application/status?fbclid=IwAR0u58I9btPooyFIC3WiTe1CVX1tsnwARAJ6NokivFQZoaVV3vFersitofw)

জন্ম নিবন্ধন আবেদন পত্র প্রিন্ট

[http://bdris.gov.bd/application/print](http://bdris.gov.bd/application/print?fbclid=IwAR2DHETumrixYP78Iup0kBKxlk0COlfqBUDo70bNqOj9zjoirG9i8WfGtes)

জন্ম নিবন্ধন সনদ পুনঃ মুদ্রন

[http://bdris.gov.bd/br/reprint/add](http://bdris.gov.bd/br/reprint/add?fbclid=IwAR3zkZz539Q0A2k686pr_VnHeCT44_6y2xKsXQyOjXlE5bsHMStHaTWdjFk)


অথবা আমাদের ইনবক্স করুন।

12/01/2021

অ‌নে‌কেই EFT এর তথ্য ছক পুরন করার জন্য বেতন কো‌ডের ধাপ সম্প‌র্কে জান‌তে চে‌য়ে‌ছেন-
যখন কোন চাকু‌রিজী‌বি বেতন স্কেল প্রাপ্ত হন তখন প্রার‌ম্ভিক বে‌সিক হ‌লো তার বেতন কো‌ডের প্রথম ধাপ এরপর প্রার‌ম্ভিক বে‌সি‌কের সা‌থে প্রতি বছর ৫% ইন‌ক্রিমেন্ট যোগ হ‌য়ে বেতন কো‌ডের ধাপ বাড়‌তে থাক‌বে। যেমন- বেতন কোড-৯ এর ক্ষে‌ত্রে
প্রথম ধাপ হ‌লো ২২০০০/-
দ্বিতীয় ধাপ হ‌লো ২২০০০+৫% =২৩১০০/-
তৃতীয় ধাপ হ‌লো ২৩১০০+৫%=২৪২৬০/-
চতুর্থ ধাপ হ‌লো ২৪২৬০+৫%=২৫৪৮০/-
এভা‌বে সর্বশেষ ধাপ‌টি হ‌লো ৫৩০৬০/-
এভা‌বে ধাপ নির্ণয় কর‌া হয়।বর্তমা‌নে অ‌নেকে আমরা চতুর্থ ধা‌পে অবস্থান কর‌ছি।

11/01/2021

মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে নয়, বিদ্যমান সরকারি ব্যাংক অ্যাকাউন্টেই যাবে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন ভাতা। সরকারি কর্মচারীদের মতো ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটির) মাধ্যমে শিক্ষকদের বেতন ভাতা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে।
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন তুলতে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমাতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ নিয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় ব্যাংক অ্যাকাউন্টে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা পাঠাতে শিক্ষকদের এনআইডি নম্বর, ইন্ডেক্স নম্বর এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর ইন্টারফেসিং করে একটি ডাটাবেজ তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোমিনুর রশিদ আমিন।

অতিরিক্ত সচিব জানান, ইএফটির মাধ্যমে শিক্ষকদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি বেতন ভাতা পাঠনোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। শিক্ষকদের এনআইডি নম্বর, ইন্ডেক্স নম্বর এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর ইন্টারফেসিং করে একটি ডাটাবেজ তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এজন্য একটি ট্যাক্টিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। আশা করছি ১ মাসের মধ্যে এ ডাটাবেস তৈরির কাজ শেষ হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে অতিরিক্ত সচিব মোমিনুর রশিদ আমিন আরও বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন-ভাতা পরিশোধের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির কোনো হস্তক্ষেপ থাকবে না। ইএফটির মাধ্যমে সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে শিক্ষকরা বেতন পাবেন। যদি শিক্ষক কোন অন্যায় করে থাকে (সাময়িক বরখাস্ত হলে) তা অন্যভাবে দেখা হবে।

07/01/2021

তিন দিনেই মিলবে ১০ বছর মেয়াদি ইলেকট্রনিক্স পাসপোর্ট


ইলেকট্রনিক্স পাসপোর্ট (ই-পাসপোর্ট) পেতে অতি জরুরি ফি জমা দিলে ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই তা হাতে পাবেন গ্রাহক। এর মেয়াদ করা হয়েছে ১০ বছর। এই ই পাসপোর্টে সত্যায়ন পদ্ধতি থাকছে না। তবে আগের নিয়ম অনুযায়ী পুলিশ ভেরিফিকেশনের পরই গ্রাহক তার পাসপোর্ট হাতে পাবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ইলেকট্রনিক্স পাসপোর্টের মেয়াদ, আবেদন ফরম ও ফি নির্ধারণ-সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করা হয়েছে। পরিপত্র থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, দ্রুতই ই-পাসপোর্ট চালুর জন্য সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা পরিপত্র এবং পাসপোর্ট অধিদপ্তর সূত্র জানায়, ই-পাসপোর্ট ৪৮ ও ৬৪ পৃষ্ঠার হবে। ৪৮ পৃষ্ঠার ই-পাসপোর্টে ভ্যাট ছাড়া সাধারণ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে পাঁচ বছর মেয়াদের জন্য সাড়ে তিন হাজার টাকা এবং ১০ বছরের জন্য পাঁচ হাজার টাকা। পাঁচ বছরের জন্য জরুরি ফি সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা এবং ১০ বছরের জন্য সাত হাজার টাকা। পাঁচ বছরের অতি জরুরি আবেদনের ক্ষেত্রে সাড়ে সাত হাজার টাকা এবং ১০ বছরের জন্য নয় হাজার টাকা ফি দিতে হবে।

এদিকে পাঁচ বছর মেয়াদের ৬৪ পৃষ্ঠার পাসপোর্টের জন্য ভ্যাট ছাড়া সাধারণ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা এবং ১০ বছর মেয়াদের জন্য সাত হাজার টাকা। একই পৃষ্ঠার পাসপোর্টে জরুরি ফি পাঁচ বছরের জন্য সাড়ে সাত হাজার টাকা এবং ১০ বছরের জন্য নয় হাজার টাকা। ৬৪ পৃষ্ঠার পাঁচ বছর মেয়াদি অতি জরুরি পাসপোর্ট পেতে হলে গ্রাহককে ফি দিতে হবে সাড়ে ১০ হাজার টাকা এবং ১০ বছর মেয়াদের পাসপোর্ট পেতে হলে ফি লাগবে ১২ হাজার টাকা।

এদিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের বহিরাগমন শাখা-১ থেকে গত ১ আগস্ট জারি করা পরিপত্রে বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের ই-পাসপোর্ট পেতে ‘সাধারণ আবেদনকারী’ এবং ‘শ্রমিক ও শিক্ষার্থী’ নামে দুই ক্যাটেগরিতে ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকরা সাধারণ ও জরুরি পাসপোর্ট পেলেও তারা অতি জরুরি আবেদন করতে পারবেন না।

সাধারণ আবেদনকারীকে পাঁচ বছর মেয়াদের ৪৮ পৃষ্ঠার পাসপোর্ট পেতে ১০০ মার্কিন ডলার এবং জরুরি পাসপোর্ট পেতে দেড়শ ডলার ফি দিতে হবে। একই পৃষ্ঠার ১০ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট পেতে খরচ করতে হবে ১২৫ মার্কিন ডলার ও ১৭৫ মার্কিন ডলার বা সমমূল্যের মুদ্রা। ৬৪ পৃষ্ঠার পাঁচ বছর মেয়াদি পাসপোর্টের জন্য সাধারণ ফি ১৫০ ডলার এবং জরুরি ফি ২০০ ডলার। একই পৃষ্ঠার ১০ বছর মেয়াদি পাসপোর্টের জন্য বিদেশে বসবাসকারী বাংলাদেশি নাগরিককে সাধারণ ফি বাবদ ১৭৫ ডলার এবং জরুরি পাসপোর্ট বাবদ ২২৫ মার্কিন ডলার বা সমমূল্যের মুদ্রা দিতে হবে। তবে বিদেশে অবস্থানরত শ্রমিক ও শিক্ষার্থীদের জন্য এই ফি কমানো হয়েছে।

বিদেশে অবস্থানরত শ্রমিক বা শিক্ষার্থীদের পাঁচ বছর মেয়াদি ৪৮ পৃষ্ঠার পাসপোর্ট পেতে সাধারণ আবেদনে ৩০ ডলার ও জরুরি ক্ষেত্রে ৪৫ ডলার এবং ১০ বছর মেয়াদে ৫০ ডলার ও ৭৫ ডলার ফি দিতে হবে। ৬৪ পৃষ্ঠার পাসপোর্ট পেতে এ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে পাঁচ বছরের জন্য ১৫০ ডলার ও ২০০ ডলার এবং ১০ বছরের জন্য ১৭৫ ডলার এবং ২২৫ ডলার বা সমমূল্যের মুদ্রা। তবে সাধারণ বসবাসকারী, শ্রমিক বা শিক্ষার্থীদের এসব ফির সঙ্গে দূতাবাস প্রদত্ত সারচার্জও যুক্ত হবে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, ই-পাসপোর্ট আবেদনের ক্ষেত্রে কোনো কাগজপত্র সত্যায়ন করা লাগবে না। অত্যাধুনিক এই পাসপোর্টের ফরমে প্রার্থীর কোনো ছবি সংযোজনও করতে হবে না। অপ্রাপ্তবয়স্ক আবেদনকারী অর্থাৎ যার জাতীয় পরিচয়পত্র নেই, তার বাবা এবং মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর সংযুক্ত করতে হবে। ১৮ বছরের নিচের আবেদনকারীদের জন্ম নিবন্ধন সনদ জমা দেওয়া গেলেও ১৮ বছরের হলে জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ দিয়ে আবেদন করা যাবে। কিন্তু ১৮ বছরের ওপরের আবেদনকারীদের অবশ্যই জাতীয় পরিচয়পত্র লাগবে।

মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট ফরমের ব্যক্তিগত তথ্য অংশে শুধু বাবা, মা, অভিভাবক, নির্ভরশীলের নাম, পেশা ও জাতীয়তার তথ্য চাওয়া হতো। তবে ই-পাসপোর্টের জন্য নির্ধারণ করা আবেদন ফরমে দেখা যায়, এ ক্ষেত্রে প্রত্যেকের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরও চাওয়া হয়েছে।

06/01/2021

একটি সার্টিফিকেট ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষাজীবনের সব থেকে বড় অর্জন। অনেক কষ্টার্জিত ফলাফল যদি হারিয়ে যায় তাহলে মনের অবস্থা কি হতে পারে বোঝানো দায়। একটি সার্টিফিকেট আপনার জীবনের ভবিষ্যত । তাহলে কি দাঁড়ালো আপনার ভবিষ্যত হারিয়ে গেলো? না, সমাধান রয়েছে। সার্টিফিকেট বা মূল্যবান শিক্ষাসংক্রান্ত কাগজপত্র হারালে বা নষ্ট হয়ে গেলে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। যা করতে হবে তা নিয়েই এই আলোচনা-

প্রথমে যা করণীয়

সার্টিফিকেট, নম্বরপত্র বা প্রবেশপত্র হারিয়ে গেলে দেরি না করে প্রথমে আপনার এলাকার নিকটবর্তী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে হবে। জিডির একটি কপি অবশ্যই নিজের কাছে রাখতে হবে। এরপর যেকোনো একটি দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে নাম, শাখা, পরীক্ষার কেন্দ্র, রোল নম্বর, পাসের সাল, বোর্ডের নাম এবং কিভাবে আপনি সাটিফিকেট, নম্বরপত্র অথবা প্রবেশপত্র হারিয়েছেন তা সংক্ষেপে উল্লেখ করতে হবে।

থানায় জিডি ও পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর আপনাকে যেতে হবে যে বোর্ডের অধীনে পরীক্ষা দিয়েছেন সেই শিক্ষা বোর্ডে। শিক্ষাবোর্ডের ‘তথ্যসংগ্রহ কেন্দ্র’ থেকে আবেদনপত্র সংগ্রহের পর নির্ভুলভাবে পূরণ করতে হবে। এরপর নির্ধারিত ফি সোনালী ব্যাংকের ডিমান্ড ড্রাফটের মাধ্যমে বোর্ডের সচিব বরাবর জমা দিতে হবে। টাকা জমা হওয়ার পর আবেদন কার্যকর হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে মূল ব্যাংক ড্রাফট, পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির কাটিং ও থানার জিডির কপি জমা দিতে হবে।

আবেদনপত্রে যা পূরণ করতে হবে

আবেদনপত্র পূরণের ক্ষেত্রে প্রথমেই উল্লেখ করতে হবে আপনি কোন পরীক্ষার (মাধ্যমিক না উচ্চমাধ্যমিক) কী হারিয়েছেন এবং কী কারণে আবেদন করছেন। আবেদনপত্রের বিভিন্ন অংশে ইংরেজি বড় অক্ষরে এবং বাংলায় স্পষ্ট অক্ষরে পূর্ণ নাম, মাতার নাম, পিতার নাম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম, রোল নম্বর, পাশের বিভাগ/জিপিএ, শাখা, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, শিক্ষাবর্ষ এবং জন্মতারিখ সহ বিভিন্ন তথ্য লিখতে হবে।

পরবর্তী অংশে জাতীয়তা, বিজ্ঞপ্তি যে দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে সেটির নাম ও তারিখ এবং সোনালী ব্যাংকের যে শাখায় ব্যাংক ড্রাফট করেছেন সে শাখার নাম, ড্রাফট নম্বর ও তারিখ উল্লেখ করতে হবে। আবেদনপত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানের সুপারিশের প্রয়োজন হবে। এতে তার দস্তখত ও নামসহ সিলমোহর থাকতে হবে। আর প্রাইভেট প্রার্থীদের আবেদনপত্র অবশ্যই গেজেটেড কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও নামসহ সিলমোহর থাকতে হবে।

নষ্ট হয়ে যাওয়া সনদপত্র/নম্বরপত্র/একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্টের অংশবিশেষ থাকলে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে না বা থানায় জিডি করতে হবে না। এ ক্ষেত্রে আবেদনপত্রের সঙ্গে ওই অংশবিশেষ জমা দিতে হবে। তবে সনদে ও নম্বরপত্রের অংশবিশেষে নাম, রোল নম্বর, কেন্দ্র, পাশের বিভাগ ও সন, জন্ম তারিখ ও পরীক্ষার নাম না থাকলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। আর বিদেশি নাগরিককে ব্যাংক ড্রাফটসহ নিজ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।
:
Contact us for further information and support.

04/01/2021

জাতীয় পরিচয়পত্রে ভুল.?
জন্ম তারিখের ফরমেট ঠিক নাই??
ঠিকানা ভুল আসছে???

No Tension!
এখন অনলাইনে নিজেই নিজের আবেদন করতে পারবেন জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)'র যেকোনো ভুল সংশোধনের জন্য।

তাইলে আর দেরি নয়। এবার শুরু করা যাক!

প্রথমে রেজিষ্ট্রেশন করতে এই লিংকে https://services.nidw.gov.bd/registration যান।

* On the warning page, click I Understand the Risks.https://services.nidw.gov.bd/registration

* Click “Add Exception‘…. The Add Security Exception dialog will appear.

* Click “Confirm Security Exception” ক্লিক করুন সাইট চলে আসবে। এরপর-

১. প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী পূরণ করে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।

২. আপনার কার্ডের তথ্য ও মোবাইলে প্রাপ্ত এক্টিভেশন কোড সহকারে লগ ইন করুন।

৩. তথ্য পরিবর্তনের ফর্মে তথ্য হালনাগাদ করে সেটির প্রিন্ট নিয়ে নিন।

৪. প্রিন্টকৃত ফর্মে স্বাক্ষর করে সেটির স্ক্যানকৃত কপি অনলাইনে জমা দিন।

৫. তথ্য পরিবর্তনের স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় দলিলাদি কালার স্ক্যান কপি অনলাইনে জমা দিন।

এবার ‘রেজিষ্ট্রেশনফরম পূরণ করতে চাই’ ক্লিক করুন।

এবার ফরমটি সঠিক ভাবে পুরণ করুন-

* এন.আই.ডি নম্বরঃ (আপনার এন.আই.ডি নম্বর যদি ১৩ সংখ্যার হয় তবে অবশ্যই প্রথমে আপনার জন্মসাল দিয়ে নিবেন উদাহরণঃ আপনার কার্ড নাম্বার ১২৩৪৫৬৭৮৯১০০০ ও জন্মসাল ১৯৯০ আপনি এভাবে দিবেন১৯৯০১২৩৪৫৬৭৮৯১০০০)

* জন্ম তারিখঃ (কার্ড দেখে সিলেক্ট করুন)

*মোবাইল ফোন নম্বরঃ (আপনার সঠিক মোবাইল নাম্বার দিন কারণ মোবাইলে ভেরিফাই কোড পাঠাবে)

* ইমেইলঃ (ইচ্ছা হলে দিতে পারেন না দিলে সমস্যা নাই, ইমেইল আইডি দিলে পরবর্তীতে লগইন করার সময় ভেরিফাই কোড ইমেইলে সেন্ড করতে পারবেন যদি মোবাইল হাতের কাছে না থাকে)

* বর্তমান ঠিকানা: বিভাগ জেলা উপজেলা/থানা সিলেক্ট করুন ভোটার হবার সময় যা দিয়েছিলেন।

* স্থায়ী ঠিকানা: বিভাগ জেলা উপজেলা/থানা সিলেক্ট করুন ভোটার হবার সময় যা দিয়েছিলেন।

* লগইন পাসওয়ার্ড: পাসওয়ার্ড অবশ্যই ৮ সংখ্যার হতে হবে বড় হাতের অক্ষর ও সংখ্যা থাকতে হবে যেমনঃ InfoPedia71

এবার সঠিক ভাবে ক্যাপচার পূরণ করুন ছোট হাতের বড় হাতের অক্ষর বা সংখ্যা যা দেওয়া আছে তাই বসান তবে স্পেস দিতে হবেনা । এবার “রেজিষ্টার” বাটন ক্লিক করে দ্বিতীয় ধাপে চলে যান।

ফরম টি সঠিক ও সফল ভাবে রেজিস্টার করার পর দেখুন আপনার মোবাইলে ভেরিফাই কোড এসেছে ও ব্রাউজারে ঐ কোড সাবমিট করার অপশন এসেছে, নিচের ছবির মত স্থানে আপনার মোবাইলের ভেরিফিকেশন কোড বসান ও রেজিস্টার বাটনে ক্লিক করুন।

(২ মিনিটের মধ্যে মোবাইলে কোড না আসলে পুণরায় কোড পাঠান (SMS) ক্লিক করুন)

সঠিক ভাবে কোড প্রবেশ করার পর আপনার Account Active হয়ে যাবে এবার একটি পেইজ আসবে আপনাকে লগইন করতে বলা হবে অথবা লগইন লিংক https://services.nidw.gov.bd/login

লগইন করতে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর (১৩ সংখ্যার হলে অবশ্যই প্রথমে আপনার জন্মসাল দিয়ে নিবেন) জন্মতারিখ ও আপনার দেওয়া পাসওয়ার্ড দিয়ে ভেরিফাই কোড কিভাবে পেতে চান তা সিলেক্ট করতে হবে।

রেজিস্ট্রেশন করা মোবাইল নাম্বার আপনার হাতের কাছে থাকলে মোবাইলে তা না হলে ইমেইলে সিলেক্ট করুন।

এবার “সামনে” ক্লিক করুন।

এবার আপনার সিলেক্ট করা অপশন মোবাইলে বা ইমেইল থেকে ভেরিফাই কোড বসিয়ে লগইন করুন।

দুই মিনিটের মধ্যে যদি কোড না আসে তবে “পুনরায় কোড পাঠান” বাটনে ক্লিক করুন।

নির্বাচন কমিশনের কাছে থাকা আপনার ডাটাবেজের সব তথ্য দেখা যাবে এবার। নিচের যেকোনো অপশনে চাহিদা অনুযায়ী ক্লিক করুন আর তথ্য হালনাগাদ করুন। এভাবেই আপনি আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সংশোধন কিংবা ছবি পরিবর্তন করতে পারবেন খুব সহজেই।


Feel free to knock further information & support.

Want your school to be the top-listed School/college in Sylhet?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address

College Road, Beanibazar
Sylhet
3100