গোটা বিশ্বের সাথে সাথেই ফ্রিল্যান্সিং-এর জনপ্রিয়তা বাড়ছে আমাদের দেশেও। ২০১৮ সালের গোড়ার দিকে পেপ্যাল প্রকাশিত রিপোর্ট জানাচ্ছে, ভারতের ফ্রিল্যান্সারদের গড় বার্ষিক আয় ২০ লক্ষ টাকার কাছাকাছি এবং তাদের সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ফ্রিল্যান্সারদের মধ্যে ২৩ শতাংশের বার্ষিক ফ্রিল্যান্সিং আয় ৪০ থেকে ৪৫ লক্ষ টাকা। মনে করা হচ্ছে, ২০২৫ সালের মধ্যে ভারতীয় ফ্রিল্যান্সারদের মার্কেট সাইজ দাঁড়াবে ২,০০০ থেকে ৩,০০০ কোটি মার্কিন ডলার।
ফ্রিল্যান্সিং-এর সবথেকে বড় সুবিধা হল এখানে আপনি নিজেই আপনার বস্। আপনি নিজেই ঠিক করবেন কার সঙ্গে আপনি কাজ করবেন বা কতটুকু কাজ করবেন। ১০টা – ৫টার ডিউটি নেই, রোজ নাকে মুখে গুঁজে অফিস ছোটা নেই, বসকে সন্তুষ্ট করতে ওভারটাইম কাজ করা নেই।
কিন্তু আপাতভাবে সহজ ও বেশ লোভনীয় মনে হলেও অন্য আর পাঁচটা ব্যবসার মতোই ফ্রিল্যান্সিং-এরও নিজস্ব কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে, রয়েছে অনিশ্চিয়তাও। তবে উপরের পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে, একবার ব্যবসা দাঁড়িয়ে গেলে অনায়াসেই অন্যান্য অনেক ফুলটাইম চাকরির থেকে বেশি আয় করা সম্ভব ফ্রিল্যান্সিং-এ, ঘরে বসেই।
Freelancer Society
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Freelancer Society, Sylhet.
06/06/2021
জেফ বেজোস এর জীবনী: কিভাবে তিনি পৃথিবীর সেরা ধনী হলেন
বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ধনী জেফ বেজোস একজন আমেরিকান উদ্যোক্তা। তিনি বিশ্বের সেরা অনলাইন শপ আমাজন ডট কম এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও, এবং ওয়াশিংটন পোস্ট এর বর্তমান মালিক।
১৯৯৫ সালের ১৬ই জুলাই ৩০০ জন বন্ধুকে বেটা টেস্টিং এর জন্য ডেকে সাইট উদ্বোধন করেন। সাইটের নাম দেয়া হয় দক্ষিন আমেরিকার বহুশাখা বিশিষ্ট নদী আমাজন এর নামে।
পত্রপত্রিকায় কোনও রকম বিজ্ঞাপন দেয়া ছাড়াই প্রথম ৩০ দিনেই আমাজন আমেরিকা সহ আরও ৪৫টি দেশে বই বিক্রী করে ফেলে। দুই মাসের মধ্যেই আমাজনের সাপ্তাহিক বিক্রয়ের পরিমান ২০,০০০ ডলারে পৌঁছায়। জেফ বেজোস ও তাঁর টিম নিজেরাও এত কম সময়ে এতটা সাফল্য আশা করেননি।
১৯৯৮ সালে বেজোস তাঁর প্রতিষ্ঠানের সেবা শুধু মাত্র বইয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না রেখে সিডি ও ভিডিও টেপ বিক্রী শুরু করলেন। তারপর বড় বড় খুচরা বিক্রয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে চুক্তির মধ্যদিয়ে একে একে পোশাক, ইলেক্ট্রনিক্স, খেলনা ও অন্যান্য পন্যও যোগ হল।
বেজোস ২০০১ সালে ‘Kindle Fire’ বাজারে ছাড়ার মাধ্যমে ট্যাব মার্কেটে প্রবেশ করেন। পরবর্তী সেপ্টেম্বরে তিনি নতুন কিন্ডলে ফায়ার এইচডি’র ঘোষণা দেন, যেটির ডিজাইন করা হয়েছিল এ্যাপলের আই প্যাডের সাথে প্রতিযোগীতা করার জন্য।
২০১৩ সালের আগস্ট মাসের পাঁচ তারিখে বিশ্বখ্যাত পত্রিকা ওয়াশিংটন পোস্ট এর সমস্ত প্রকাশনা কিনে নিয়ে পৃথিবীর প্রায় সবগুলো বড় নিউজ এজেন্সীর খবরের শিরোনামে উঠে আসেন বেজোস।
২০১৩ সালের ডিসেম্বরে বেজোস আমাজনের প্রকল্পের কারনে আবার আলোচনায় উঠে আসেন। প্রকল্পটির নাম “আমাজন প্রাইম এয়ার”। এই প্রকল্পের অধীনে বেজোসের কোম্পানী এমন কিছু রিমোট কন্ট্রোল চালিত ড্রোনকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করে, যেগুলো নির্ভুল ভাবে ক্রেতাদের কাছে পন্য পৌঁছে দিতে পারে।
২০১৮ এর জানুয়ারিতে ব্লুমবার্গের হিসেব মতে তাঁর মোট সম্পদের পরিমান গননা করা হয় ১১৮.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার – অর্থাৎ প্রায় এগারো হাজার দুইশো কোটি মার্কিন ডলার । তাঁর আগে পৃথিবীর ইতিহাসে হাতে গোণা কয়েকজন মানুষ এত সম্পদের মালিক হতে পেরেছেন।
বেজোস যদি তাঁর চাকরি আর নিশ্চিত জীবনের নিরাপত্তা ছেড়ে আমাজন শুরু করার ঝুঁকি না নিতেন, তাহলে তাঁর নিজের জীবন তো বটেই, পৃথিবীর চেহারাটাও হয়তো অন্যরকম হত।
আপনার জীবনের সেই মুহূর্ত কখন আসবে যখন আপনিও ধনীদের কাতারে চলে আসবেন?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Culinary Team
Attire
Contact the school
Website
Address
3100