আজ সকাল ১০:৩০ মিনিটে সবাইকে উপজেলা মাঠে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা হলো। ফিলিস্তিনের সমর্থনে আগামীকাল উপজেলা থেকে সকল প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা একত্রিত বের হবে সাথে বড় ভাইয়েরা সহ সাধারণ জনতা ও থাকবে। সবাইকে যথা সময়ে উপজেলা মাঠে উপস্থিত হওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হল।
Meghai E.U.I High School, Kazipur
Meghai eusuf uddin islamia high school is a most oldest and very popular high school in Kazipur Sirajgonj Bangladesh.
আপনার কন্যা সন্তানকে রক্ষা করতে নিচের নীতিগুলো মেনে চলুন!
১। ২ বছরের বেশি বয়সের সন্তানের সামনে পোশাক পরিবর্তন করবেন না।
২। প্রাপ্ত বয়স্ক কোন ব্যক্তি যখন আপনার সন্তানকে মজা করে বলে, তুমি আমার বউ হবে? এটা কখনোই প্রস্রয় দিবেন না
৩। আপনার কন্যাকে কখনোই কোন ব্যক্তির কোলে বসতে দিবেন না, সে যেই হোকনা কেন।
৪। কখনো কারো বাড়িতে একা যেতে দিবেন না।
৫। যখনই আপনার সন্তান নিজের বন্ধুদের সাথে বাইরে যায়, আপনি লখ্য রাখবেন তারা কি ধরনের খেলা খেলছে।
৬। সময় সময় আপনার বাচ্চার মোবাইলের ব্রাউজিং হিস্টোরি চেক করুণ, যে সে গুগলে কি সার্চ করছে।
৭। নিজের সন্তানকে সর্বনিন্ম ২ টি ফোন নাম্বার মনে রাখতে বলবেন, এবং আপনি নিজেও মনে রাখবেন।
৮। পরিবারের সবার সাথে খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করুণ এবং সেই সময় মোবাইল এবং টিভি বন্ধ রাখুন।
৯। কোন খারাপ ধরনের চলচিত্র দেখতে না দিয়ে সব সময় প্রেরনাদায়ক ছবি দেখার জন্য, সন্তানকে উৎসাহিত করুণ।
১০। কোন রকম জাংকফুড বা ফাষ্টফুড খাওয়ানোর অভ্যাস করাবেন না। স্কুলে পাঠালে বাড়িতে বানানো খাবার টিফিন বক্সে দিয়ে পাঠান।
১১। কোন প্রকার নেশার প্রতি যাতে আসক্ত না হয়, সেই দিকে খেয়াল রাখুন।
১২। আপনি নিজেও বাচ্চাদের সামনে যে কোন ধরনের নেশা করা থেকে বিরত থাকুন, এমনকি ধুমপান!
১৩। সাচ্ছন্দবোধ করছে না এমন কারো সাথে যেতে আপনার কন্য সন্তানকে জোড় করবেন না।
১৪। একটি বিষয় লক্ষ্য রাখুন। আপনার সন্তান বিশেষ কোন প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষের ভক্ত হয়ে উঠছে কি না।
১৫। আপনার মেয়েকে পুরষ আছে এমন কোন বাড়িতে খেলতে যেতে দিবেন না।
১৬। নিজের সন্তানের সাথে বন্ধুসুলভ আচরন করে, ফ্রি হবার চেষ্টা করবেন।
১৭। নিজের বাড়িতে লাঠি জাতীয় কোন বস্তু অবশ্যই রাখুন, এবং আপনার সন্তানকে কোন ফাকা যায়গায় বা ছাদে সেই লাঠি চালনা করতে বলুন, যাতে বিপদের সময় প্রয়োগ করতে পারে।
১৮। পারিবারিক কোন অনুষ্টানে গেলে আপনার সন্তানকেও সাথে নিয়ে যান, এতে তার মানুষিক বিকাশ ঘটবে।
১৯। মেয়েদের উপযুক্ত বিয়ের বয়স 15-18। এই বয়সের মধ্যেই মেয়ে বিয়ে দেয়ার জন্য নিজে মানুষিক এবং আর্থিকভাবে প্রস্তুত করুণ।
২০। আপনার কন্যা সন্তানের বয়স কত? কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না।
পোষ্টটি বেশি করে শেয়ার করে দিন!
খুব দরকার
দ্রুত একটি দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি,
অন্তত আসিয়ার জন্য!
মেয়েরা এবং তাদের বাবার বাড়ি
পাঁচ বছরের মেয়ে বাজারে ফুচকা খেতে বায়না ধরেছিল। বাবা ফুচকা বিক্রেতাকে জিজ্ঞাসা করলেন, "কত করে দিচ্ছ ভাই?"
ফুচকা বিক্রেতা বলল, "১০ টাকায় ৮টা পাবেন।"
বাবার মুখে চিন্তার রেখা ফুটে উঠল। তাঁর কাছে মাত্র ১৫ টাকা ছিল। বাকিটা বাড়ির প্রয়োজনীয় জিনিস কেনায় খরচ হয়ে গিয়েছিল। গ্রামের বাড়ি শহর থেকে অনেক দূরে, এবং ১০ টাকা বাসভাড়ায় লাগবে।
তিনি বললেন, "না ভাই, ৫ টাকার ১০টা দাও, নাহলে নেব না।"
মেয়ে অভিমানে মুখ ফুলিয়ে নিল। বাবা তার মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন, "চলো, এত দাম দিয়ে খাওয়ানো যাবে না।"
ফুচকা বিক্রেতা বলল, "সাহেব, খাওয়ান না। আপনার মেয়ে এখন আপনার সাথে আছে, বায়না ধরতে পারে। কাল যখন ও অন্য বাড়ির হবে, তখন আপনি তার এই ছোট ছোট ইচ্ছেগুলোর জন্য হাহাকার করবেন।"
ফুচকা বিক্রেতার এই কথা বাবার মনে গভীর দাগ কাটল। তাঁর বড় মেয়ের কথা মনে পড়ল, যার বিয়ে তিনি তিন বছর আগে অনেক স্বপ্ন নিয়ে দিয়েছিলেন।
শুরুর দিকে সব ঠিকঠাক ছিল। কিন্তু কিছুদিন পর জামাই এবং তার পরিবারের পক্ষ থেকে ছোট ছোট বিষয় নিয়ে তিরস্কার শুরু হয়। দুই বছর ধরে বাবা তাঁর জমানো টাকা দিয়ে তাদের চাহিদা পূরণ করেন, কিন্তু তাদের লোভ বেড়েই চলেছিল। শেষে একদিন বাবা মেয়ের মৃত্যুর খবর পেলেন।
আজ বাবা ভাবেন, ইশ যদি মেয়ে ফিরে আসত! তিনি তার প্রতিটি ইচ্ছা পূরণ করতেন। কিন্তু সেটা আর সম্ভব নয়।
ফুচকা বিক্রেতার ডাক বাবার চিন্তার জগৎ ভেঙে দিল। তিনি বললেন, "একটু দাঁড়াও ভাই। আমি এখনই আসছি।"
কাছের মুদির দোকান থেকে তিনি কেনা চিনি থেকে এক কেজি ফেরত দিয়ে ৪০ টাকা হাতে পেলেন।
বাবা ফিরে এসে বললেন, "এখন খাওয়াও ভাই। কিন্তু ঝালটা একটু কম রেখো, আমার মেয়ে খুব নরম মনের।"
মেয়ের চোখে খুশির ঝিলিক ফুটে উঠল। সে বাবার হাত শক্ত করে ধরল। ফুচকা খেয়ে আনন্দে লাফিয়ে উঠল।
মেয়েরা এবং তাদের বাবার বাড়ি
মেয়েরা খুব অদ্ভুত। যখন শ্বশুরবাড়িতে থাকে, তখন বাবার বাড়ি যাওয়ার জন্য হাপিত্যেশ করে। ভাবে, "মাকে এটা বলব, বাবাকে ওটা চাইব, বোনের সাথে মজা করব।" কিন্তু বাবার বাড়ি পৌঁছানোর পর যেন সব চুপ হয়ে যায়।
তারা কিছু চায় না, শুধু মা-বাবা, ভাই-বোনদের সাথে কাটানো মুহূর্তগুলো মনে মনে জমিয়ে রাখে। বাবার বাড়ির যে শান্তি, তা আর কোথাও নেই।
শ্বশুরবাড়িতে যতই ভালোবাসা থাক, বাবার বাড়ির একফোঁটা হাসির জন্য মেয়েরা প্রাণপণ অপেক্ষা করে। বাবার বাড়িতে তারা কখনও কাঁদে না, কারণ তাদের একফোঁটা চোখের জল মা-বাবার মন ভেঙে দিতে পারে।
মেয়েরা: পরিবারের বন্ধনের সেতু
মেয়েরা ঈশ্বরের সবচেয়ে দামী উপহার। তারা দুই পরিবারকে একত্রিত করে। তাদের হাসি আর ভালোবাসা দিয়ে ঘরে সুখ এনে দেয়।
আপনি যদি মেয়ের বাবা হন, তাহলে তাকে অফুরন্ত ভালোবাসা দিন। তার প্রতিটি ছোট-বড় ইচ্ছার প্রতি যত্নবান হোন। এবং এই কথাও মনে রাখুন, আপনার স্ত্রীও কারো মেয়ে। তিনি তাঁর বাবার বাড়ি ছেড়ে আপনাকে সঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়েছেন।
তাঁকে সম্মান করুন, ভালোবাসুন, এবং তাঁর অনুভূতির যত্ন নিন। কারণ সুখী পরিবারের মূলমন্ত্র হলো ভালোবাসা, সম্মান, এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া।
আমাদের প্রার্থনা
আমরা প্রার্থনা করি, পৃথিবীর সব মেয়েরা, তারা যেখানেই থাকুক, বাবার বাড়ি হোক বা শ্বশুরবাড়ি, সবসময় হাসিখুশি থাকুক। তাদের জীবন ভালোবাসা ও স্বাধীনতায় ভরে উঠুক।
সংগৃহিত
নিজের প্রিয় ও পছন্দনীয় জিনিস থেকে দানই উত্তম দান।
—আনাস ইবনে মালেক (রা); বোখারী, মুসলিম
বউ:এই জামা কাপড় গুলো একটু কেচে দাও তো
স্বামী উঠে হনহন করে বেড়িয়ে যাচ্ছিল।
বউ:এই ঘুম থেকে উঠে কোথায় যাচ্ছো?
স্বামী : আমি উকিলের বাড়ি যাচ্ছি, আমার ডিভোর্স চাই।
কিছুক্ষনপর স্বামী বাড়ি এসে চুপচাপ কাপড় কাচতে বসলো।
বউ:কী ব্যাপার কথা হলো উকিলের সাথে?
স্বামী :গিয়ে দেখি উকিল বাসন মাজছে।
15/11/2024
ঐতিহাসিক ঢেকুরিয়া বাজার কাজিপুর সিরাজগঞ্জ এর ওয়াজ মাহফিল প্রাঙ্গণ প্রস্তুত হয়েছে।
আজকে প্রথম দিন।
আজ, আগামীকাল এবং পরশু এই তিন দিন চলবে। আপনারা আমন্ত্রিত
অনেকে বলে, প্রাচুর্য এলে মানুষ আল্লাহকে ভুলে যায়
এটা কি ঠিক?
09/09/2024
এ যাবৎকাল সেন্টমার্টিন উম্মুক্ত থাকার পরেও যারা কোনদিন সেন্টমার্টিন ঘুরতে যায় নাই, তারাও আজ সেন্টমার্টিন ঘুরতে রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে এই ভাবানায় খুবই টেনশিত আর দেশ আমেরিকা হয়ে যাচ্ছে বলে খুবই উদ্বিগ্ন। যদিও এই তথ্যের কোন সত্যতা পাওয়া যায় নাই।
একপক্ষ বলে দেশ পাকিস্তান হয়ে যাবে..
আবার কেও বলে দেশ বুঝি আমেরিকা কোলে করে নিয়ে যাবে।
আসলে কি, আমরা আমরাই। আমাদের জাতীয়তা বাংলাদেশি। আমাদের নিজস্ব একটা মানচিত্র আছে। আমরা বাঙ্গালী , আমরা বাঙ্গালী-ই থাকবো।
আত্মবিশ্বাসের সহিত এই কথা কি কেউ বলার নাই? আমরা কি এতটাই মেরুদণ্ডহীন? কারো না কারো লেজ ধরে আর কতদিন আমাদের বাঁচতে হবে?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Sylhet
6810
Opening Hours
| Monday | 08:30 - 16:30 |
| Tuesday | 09:00 - 17:00 |
| Wednesday | 09:00 - 17:00 |
| Thursday | 08:30 - 16:00 |
| Saturday | 09:00 - 17:00 |
| Sunday | 09:00 - 17:00 |