STUDY সাধারন জ্ঞান

STUDY সাধারন জ্ঞান

Share

জ্ঞান অর্জন মানুষের জন্য অপরিহার্য।

16/10/2021

শুভ সকাল

10/08/2020
19/02/2020

১০০টি গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি শর্ট ডায়ালগ, কথা বলতে যা প্রায় প্রায় ব্যবহার হয়


✪ As if – যেন, কি যে হতো ✪ My goodness! – একি! ✪ How come – কি ব্যাপার? ✪ Damn it! – চুলায় যাক! ✪ Definitely – অবশ্যই ✪ Let it pass – ছেড়ে দিন। ✪ Obviously – স্পষ্টত, সম্ভবত ✪ I’m off – আমি গেলাম। ✪ What a surprise!- হটাৎ যে! ✪ Go to the devil! – গোল্লায় যাক! ✪ What about you? – তোমার খবর কি? ✪ What’s up – কি খবর? ✪ Carry on – চালিয়ে যাও ✪ Wow – বাহ, দারুন তো ✪ What a mess! – কি এক ঝামেলা! ✪ Oh s**t – ধ্যাত্তেরি ✪ Yes, go on – হ্যা, বলতে থাক ✪ Oh dear! – বলো কী! ✪ Hi guys – হ্যালো বন্ধুরা ✪ Good job! – সাবাশ! ✪ So what? – তাতে কি? ✪ Oh, no! – এ হতে পারেনা! ✪ Pay attention! – মনোযোগ দিন! ✪ It’s your turn – এবার তোমার পালা ✪ I’m at a loss – কি বলব ভেবে পাচ্ছিনা! ✪ Heiya! It is you I see – আরে তুমি যে! ✪ Oh! come on – আহ! একটু বুঝতে চেষ্টা করো ✪ so so – মোটামোটি ✪ So be it – তবে তাই হোক ✪ Who cares! – কার কি যায় আসে! ✪ Excuse me – এই যে শুনুন ✪ Not a bit – একটুও না ✪ That’s fantastic – এটা সত্যি চমৎকার ✪ Next to nothing – বলতে গেলে কিছুই না ✪ Mind your language – ভাষা সংযত করো ✪ Come to the point – আসল কথা বল ✪ That’s right – ঠিক বলেছেন ✪ To be frank – খোলাখুলি ভাবে বলতে গেলে। ✪ Really pleased – সত্যি আনন্দিত ✪ I am delighted- আমি আনন্দিত ।

✪ So kind of you! – আপনার দয়া। ✪ Anybody home? – বাড়িতে কেউ আছেন? ✪ Keep quiet – চুপ কর ✪ No entrance – প্রবেশ নিষেধ ✪ It’s enough – যথেষ্ট হয়েছ ✪ What happened – কি হয়েছে ✪ What an idea! – কি বুদ্ধি! ✪ Well done – সাবাশ ✪ Indeed! – সত্যি! ✪ How peaceful! – কি শান্ত! ✪ Get lost – বিদায় হোন। ✪ Let me see – আমাকে দেখতে দাও ✪ Oh sure – ও নিশ্চয়ই ✪ Who knows! – কে জানে! ✪ Bulls**t! – বাজে কথা ✪ But who cares! – কে ধারধারে! ✪ No more buts – আর কোন কিন্তু নয় ✪ How so – তা কি করে হয়? ✪ I think so – আমি তাই মনে করি ✪ Calm down – শান্ত হও ✪ Let’s have a look – চল দেখি ✪ Let’s run away – চলো এক্ষুনি পালাই ✪ I am getting wet – আমি ভিজে যাচ্ছি ✪ I don’t care! – আমার কিছু যায় আসেনা! ✪ How else – আর কিভাবে? ✪ Little by little – ক্রমান্বয়ে। ✪ Is it so! – তাই নাকি! ✪ If you do case – যদি আপনি চান ✪ Have a good day – ভাল একটি দিন কাটাও। ✪ Let’s sit somewhere – চল কোথাও বসি ✪ So far so good – এ পর্যন্ত সবই ভালো ✪ I tend to think – আমার কেন যেন মনে হয়। ✪ I suppose so – আমিও সেটা ধারণা করছি। ✪ I don’t mind – আমি কিছু মনে করি না। ✪ If so, so what – যদি তাই হয় তাতে কী ✪ Keep your word – তোমার কথা রেখো। ✪ Nothing is impossible – কোন কিছুই অসম্ভব নয়।

✪ Whatever (you want) – তুমি যা চাও। ✪ Whatever you do? – তুমি যা কর। ✪ Why should I care? – কেন আমি পরোয়া করব? ✪ Something else – অন্য কিছু। ✪ Nothing else – অন্য কিছুই না। ✪ Talk sense – চিন্তা করে কথা বল ✪ Don’t say anymore – আর কিছু বলো না। ✪ Forget it – ও ভুলে যাও। ✪ What a pity- কি দু:খজনক । ✪ Hold on – লাইনে থাকুন ✪ Do it at once! – এক্ষুনি কর! ✪ Speak with care – সাবধানে কথা বল। ✪ How strange! – কি অদ্ভুত! ✪ By the grace of Allah – আল্লাহার রহমতে ✪ How absurd! – কি বাজে বকছো! ✪ Good riddance! – যাক বাচা গেল! ✪ Just for asking – চাইলেই পাওয়া যায় ✪ Stand in queue – লাইনে দাঁড়ান ✪ No smoking – ধূমপান নিষেধ ✪ Let me digress – একটু ভিন্ন প্রসঙ্গে যাওয়া যাক ✪ I swear I will – কসম আমি করব । ✪ I give up – আমি ছেড়ে দিয়েছি । ✪ Pardon me – ক্ষমা কর ✪ If so, so what – যদি তাই হয় তাতে কী ✪ I suppose so – আমিও সেটা ধারণা করছি। ✪ Why should I care? – কেন আমি পরোয়া করব? ✪ Is it so! – তাই নাকি! ✪ I am delighted- আমি আনন্দিত

10/06/2019

২১৫টি বইয়ের নাম যা বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় বারবার আসে.......
১। পুতুল নাচের ইতিকথা- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
২। জোছনা ও জননীর গল্প- হুমায়ুন আহমেদ
৩। পথের পাঁচালি- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
৪। লোটা কম্বল- সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
৫। পদ্মা নদীর মাঝি- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
৬। একাত্তরের দিনগুলি- জাহানারা ইমাম
৭। দিবারাত্রির কাব্য- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
৮। কবি- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়।
৯। আরন্যক- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
১০। চরিত্রহীন – শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১১। লালশালু- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
১২। অপরাজিত – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
১৩। শ্রীকান্ত -শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১৪। চোখের বালি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৫। গণদেবতা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
১৬। আলালের ঘরের দুলাল- প্যারিচাঁদ মিত্র
১৭। হুতোম পেঁচার নকশা- কালী প্রসন্ন সিংহ
১৮। দৃষ্টিপ্রদীপ – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
১৯। সূর্যদীঘল বাড়ি- আবু ইসহাক
২০। নিষিদ্ধ লোবান- সৈয়দ শামসুল হক
২১। জননী- শওকত ওসমান
২২। খোয়াবনামা – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
২৩। হাজার বছর ধরে- জহির রায়হান
২৪। তেইশ নম্বর তৈলচিত্র – আলাউদ্দিন আল আজাদ
২৫। চিলেকোঠার সেপাই- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
২৬। সারেং বউ- শহীদুল্লাহ কায়সার
২৭। আরোগ্য নিকেতন- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
২৮। প্রদোষে প্রাকৃতজন – শওকত আলী
২৯। খেলেরাম খেলে যা- সৈয়দ শামসুল হক
৩০। রাইফেল রোটি আওরাত- আনোয়ার পাশা
৩১। গঙ্গা- সমরেশ বসু
৩২। শঙ্খনীল কারাগার- হুমায়ুন আহমেদ
৩৩। নন্দিত নরকে- হুমায়ুন আহমেদ
৩৪। দীপু নাম্বার টু- মুহম্মদ জাফর ইকবাল
৩৫। মা- আনিসুল হক
৩৬। আট কুঠরি নয় দরজা- সমরেশ মজুমদার
৩৭। কড়ি দিয়ে কিনলাম- বিমল মিত্র
৩৮। মধ্যাহ্ন- হুমায়ূন আহমেদ।
৩৯। উত্তরাধিকার- সমরেশ মজুমদার
৪০। কালবেলা- সমরেশ মজুমদার
৪১। কৃষ্ণকান্তের উইল- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৪২। সাতকাহন- সমরেশ মজুমদার
৪৩। গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার
৪৪। পূর্ব-পশ্চিম- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
৪৫। প্রথম আলো- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
৪৬। চৌরঙ্গী – শঙ্কর
৪৭। নিবেদিতা রিসার্চ ল্যাবরেটরি – শঙ্কর
৪৮। দূরবীন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
৪৯। শুন বরনারী- সুবোধ ঘোষ।
৫০। পার্থিব- শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
৫১। সেই সময়- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
৫২। মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
৫৩। তিথিডোর – বুদ্ধদেব বসু
৫৪। পাক সার জমিন সাদ বাদ- হুমায়ুন আজাদ
৫৫। ক্রীতদাসের হাসি- শওকত ওসমান
৫৬। শাপমোচন – ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
৫৭। মাধুকরী- বুদ্ধদেব গুহ
৫৮। দেশে বিদেশে- মুজতবা আলী
৫৯। আরেক ফাল্গুন – জহির রায়হান
৬০। কাশবনের কন্যা- শামসুদ্দিন আবুল কালাম
৬১। বরফ গলা নদী- জহির রায়হান
৬২। গাভী বৃত্তান্ত- আহমদ ছফা
৬৩। বিষবৃক্ষ – বঙ্কিম চট্টোপাধ্যায়
৬৪। দৃষ্টিপাত- যাযাবর
৬৫। তিতাস একটি নদীর নাম- অদৈত মল্লবর্মন
৬৬। কাঁদো নদী কাঁদো- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
৬৭। শিবরাম গল্পসমগ্র
৬৮। জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা – শহীদুল জহির
৬৯। আনন্দমঠ – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৭০। নিশি কুটুম্ব- মনোজ বসু।
৭১। একাত্তরের যীশু- শাহরিয়ার কবির
৭২। প্রজাপতি – সমরেশ বসু
৭৩। নীলকণ্ঠ পাখির খোঁজে – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়
৭৪। মাধুকরী – বুদ্ধদেব গুহ
৭৫। হুযুর কেবলা- আবুল মনসুর আহমেদ
৭৬। ওঙ্কার- আহমদ ছফা
৭৭। আমার দেখা রাজনীতির ৫০ বছর- আবুল মনসুর আহমদ
৭৮। কত অজানারে- শঙ্কর
৭৯। ভোলগা থেকে গঙ্গা- রাহুল সাংকৃত্যায়ন
৮০। টেনিদা- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
৮১। বিষাদ সিন্ধু- মীর মোশাররফ হোসেন।
৮২। বিবর- সমরেশ বসু
৮৩। তারাশঙ্করের সব গল্প
৮৪। বুদ্ধদেব বসুর সব গল্প
৮৫। বনফুলের সব গল্প
৮৬। পরশুরামের সব গল্প
৮৭। কবর- মুনীর চৌধুরী
৮৮। কোথাও কেউ নেই- হুমায়ুন আহমেদ
৮৯। হিমু অমনিবাস – হুমায়ুন আহমেদ
৯০। মিসির আলী অমনিবাস- হুমায়ুন আহমেদ
৯১। আমার বন্ধু রাশেদ- মুহম্মদ জাফর ইকবাল
৯২। অসমাপ্ত আত্মজীবনী – জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান
৯৩। শঙ্কু সমগ্র- সত্যজিৎ রায়
৯৪। মাসুদ রানা- কাজী আনোয়ার হোসেন।
৯৫। ফেলুদা সমগ্র- সত্যজিৎ রায়
৯৬। তিন গোয়েন্দা- সেবা প্রকাশনী
৯৭। কিরীটী সমগ্র- নীহাররঞ্জন গুপ্ত
৯৮। কমলাকান্তের দপ্তর- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৯৯। পথের দাবি- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১০০। গোরা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১০১। শবনম- মুজতবা আলী
১০২। নৌকাডুবি – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১০৩। আদর্শ হিন্দু হোটেল- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
১০৪। বহুব্রীহি – হুমায়ুন আহমেদ
১০৫। দেবদাস – শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১০৬। মধ্যাহ্ন- হুমায়ুন আহমেদ
১০৭। বাদশাহ নামদার- হুমায়ুন আহমেদ
১০৮। বিজ্ঞানী সফদর আলীর মহা মহা আবিস্কার- মুহম্মদ জাফর ইকবাল
১০৯। হাসুলিবাকের উপকথা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
১১০। গল্পগুচ্ছ- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১১১। শেষ নমস্কার- সন্তোষ কুমার ঘোষ
১১২। হাঙ্গর নদী গ্রেনেড- সেলিনা হোসেন
১১৩। আবু ইব্রাহিমের মৃত্যু- শহীদুল জহির
১১৪। সাহেব বিবি গোলাম- বিমল মিত্র
১১৫। আগুনপাখি- হাসান আজিজুল হক
১১৬। কেয়া পাতার নৌকো- প্রফুল্ল রায়
১১৭।পুষ্প ও বিহঙ্গ পিরাণ- আহমদ ছফা
১১৮। আনোয়ারা- নজীবর রহমান
১১৯। চাপাডাঙ্গার বউ- তারাশঙ্খর বন্দ্যোপাধ্যায়
১২০। চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ
১২১। কপালকুণ্ডলা – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১২২। প্রথম প্রতিশ্রুতি – আশাপূর্ণা দেবী
১২৩। মরুস্বর্গ- আবুল বাশার
১২৪। রাজাবলী – আবুল বাশার
১২৫। কালো বরফ- মাহমুদুল হক
১২৬। নিরাপদ তন্দ্রা- মাহমুদুল হক
১২৭। সোনার হরিণ নেই- আশুতোষ মুখোপাধ্যায়
১২৮। যদ্যপি আমার গুরু- আহমদ ছফা।
১২৯। মৃতুক্ষুধা- কাজী নজরুল ইসলাম
১৩০। প্রদোষে প্রাকৃতজন’ – শওকত আলী।
১৩১। শেষের কবিতা- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
১৩২। লৌহকপাট -জরাসন্ধ(চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
১৩৩। অন্তর্লীনা- নারায়ণ সান্যাল।
১৩৫। হাজার চুরাশির মা- মহাশ্বেতা দেবী
১৩৬। যাও পাখি -শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
১৩৭।তবুও একদিন- সুমন্ত আসলাম।
১৩৮। অন্তর্জলী যাত্রা- কমলকুমার মজুমদার
১৩৯। ব্যোমকেশ সমগ্র- শরদিন্দু
১৪০। অন্য দিন- হুমায়ূন আহমেদ
১৪১। কালপুরুষ- সমরেশ মজুমদার
১৪২। মেমসাহেব – নিমাই ভট্টাচার্য
১৪৩। বিন্দুর ছেলে- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১৪৪। নামগন্ধ – মলয় রায় চৌধুরী
১৪৫। মতিচূর – বেগম রোকেয়া
১৪৬। সুলতানার স্বপ্ন- বেগম রোকেয়া
১৪৭। চাঁদের পাহাড়- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
১৪৮। অপুর সংসার- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৪৯। কারুবাসনা – জীবনানন্দ দাশ
১৫০। বেনের মেয়ে- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
১৫১। আবদুল্লাহ – কাজী ইমদাদুল হক
১৫২। সূবর্ণলতা- আশাপূর্ণা দেবী
১৫৩। ঢোঁড়াই চরিত মানস- সতিনাথ ভাদুরী
১৫৪। উপনিবেশ – নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
১৫৫। সাহেব বিবি গোলাম- বিমল মিত্র
১৫৬। পদ্মার পলিদ্বীপ – আবু ইসহাক
১৫৭। নারী- হুমায়ুন আজাদ
১৫৮। বিত্ত বাসনা- শংকর
১৫৯। সংশপ্তক- শহিদুল্লা কায়সার
১৬০! জীবন আমার বোন- মাহমুদুল হক
১৬১।ক্রাচের কর্নেল- শাহাদুজ্জামান
১৬২।১৯৭১- হুমায়ূন আহমেদ
১৬৩।দেয়াল- হুমায়ূন আহমেদ
১৬৪।পরিনীতা- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১৬৫।উত্তম পুরুষ-রশীদ করীম
১৬৬।ঈশ্বর পৃথিবী ভালোবাসা- শিবরাম চক্রবর্তী
১৬৭।শতকিয়া-সুবোধ ঘোষ
১৬৮। তিস্তাপারের বৃত্তান্ত- দেবেশ রায়
১৬৯। নীল দংশন – সৈয়দ শামসুল হক
১৭০। কুকুর সম্পর্কে দু একটি কথা যা আমি জানি- সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
১৭১। অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী- আহমদ ছফা
১৭২। ছাপ্পান্নো হাজার বর্গমাইল – হুমায়ুন আজাদ
১৭৩। শুভব্রত ও তার সম্পর্কিত সুসমাচার, রাজনীতিবিদগণ -হুমায়ুন আজাদ
১৭৪। ১০,০০০, এবং আরো একটি ধর্ষণ – হুমায়ুন আজাদ
১৭৫। নভেরা- হাসনাত আবদুল হাই
১৭৬। দুচাকার দুনিয়া- বিমল মুখার্জী
১৭৭। চাকা- সেলিম আল দীন
১৭৮। হার্বাট- নবারুণ ভট্টাচার্য
১৭৯। নীলকন্ঠ পাখির খোঁজে- অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়
১৮০। ন হন্যতে – মৈত্রেয়ী দেবী।
১৮১। কেরী সাহেবের মুন্সী- প্রমথনাথ বিশী
১৮২। আগুনপাখি- হাসান আজিজুল হক
১৮৩। পঞ্চম পুরুষ- বাণি বসু
১৮৫। অলীক মানুষ- সৈয়দ মুস্তফা সিরাজ
১৮৬। আমি বীরাঙ্গনা বলছি- নীলিমা ইব্রাহিম
১৮৭। পুত্র পিতাকে – চানক্য সেন
১৮৮। দোজখনামা- রবি শংকর বল
১৮৮। মাতাল হাওয়া- হুমায়ূন আহমেদ
১৮৯।বিষাদবৃক্ষ – মিহিরসেন গুপ্ত
১৯০। অলৌকিক নয়,লৌকিক – প্রবীর ঘোষ
১৯১। সৃষ্টি রহস্য – আরজ আলী মাতুব্বর।
১৯২। ফালি ফালি ক’রে কাটা চাঁদ – হুমায়ুন আজাদ
১৯৩। নিমন্ত্রণ – তসলিমা নাসরিন
১৯৪। বসুধারা- তিলোত্তমা মজুমদার
১৯৫।উপকণ্ঠ – গজেন্দ্র কুমার মিত্র
১৯৬। অসাধু সিন্ধার্থ- জগদীশ গুপ্ত
১৯৭। কুহেলিকা- কাজী নজরুল ইসলাম
১৯৮। সৃষ্টি ও বিজ্ঞান – পূরবী বসু
১৯৯। ঈশ্বরের বাগান- অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়
২০০। আয়না- আবুল মনসুর আহমদ
২০১। ক্রান্তিকাল- প্রফুল্ল রায়
২০২। কেয়া পাতার নৌকা- প্রফুল্ল রায়
২০৩। গেরিলা থেকে সম্মুখ যুদ্ধে – মাহবুব আলম
২০৪। একাত্তরের ডায়েরী- বেগম সুফিয়া কামাল
২০৫। রাজাকারের মন (১ম ও ২য় খন্ড) – মুনতাসীর মামুন
২০৬। ভিনকোয়েস্ট জেনারেল – মুনতাসীর মামুন
২০৭। যাপিত জীবন – সেলিনা হোসেন
২০৮।খেলারাম খেলে যা-সৈয়দ শামসুল হক
২০৯। সোনালী হরিণ নেই- আশুতোষ মুখোপাধ্যায়
২১০। চতুষ্পাঠী- স্বপ্নময় চক্রবর্তী।
২১১। কালকূট – সতীনাথ ভাদুড়ী।
২১২। অরণ্যের দিনরাত্রি – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
২১৩। দেবী – হুমায়ূন আহমেদ
২১৪। ন হন্যতে- মৈত্রেয়ী দেবী
২১৫। ঢোঁড়াই চরিতমানস- সতীনাথ ভাদুড়ী

07/01/2019

নতুন মন্ত্রীত্ব পেয়েছেন যারাঃ-
পূর্ণ মন্ত্রী - ২৪ জন
প্রতিমন্ত্রী - ১৯ জন
উপমন্ত্রী- ৩ জন।
মোট মন্ত্রী = ৪৬ জন।
#ওবায়দুল কাদের, সড়ক ও সেতুমন্ত্রী
#আসাদুজ্জামান খান কামাল, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
#আনিসুল হক, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
#মুস্তফা কামাল, অর্থ মন্ত্রণালয়
#মো. তাজুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়
#দীপু মনি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়
#মোজাম্মেল হক, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
#একে আব্দুল মোমেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
#এম এ মান্নান, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
#নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, শিল্প মন্ত্রণালয়
#গোলাম দস্তগীর গাজী, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়
#জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
#সাধন চন্দ্র মজুমদার, খাদ্য জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
#টিপু মুনশি, বাণিজ্য
#জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
#নুরুজ্জামান আহমেদ, সমাজকল্যাণ
#জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
#রেজাউল করিম, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়
#মো. উদ্দিন, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়
#বীর বাহাদুর উশৈসিন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়
#সাইফুজ্জামান চৌধুরী, কৃষিমন্ত্রী
মো. নুরুল ইসলাম সুজন, রেলপথ মন্ত্রণালয়
#স্থপতি ইয়াফেস উসমান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
#মোস্তাফা জব্বার, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়

বিঃদ্রঃ সংবাদ পাওয়ার পর এ তালিকা প্রতিনিয়ত আপডেট দেয়া হবে। পোস্টটি #শেয়ার দিয়ে আপডেট থাকুন।
ধন্যবাদ

Writer.. Ovi AhMed
আমার কিছু ভাল বন্ধু লাগবে ইচ্ছে হলে id তে add দিয়ে বন্ধু হতে পারেন,,,,,,

Photos from Bd Jobs - চাকরির খবর's post 07/06/2018
09/05/2018

সিলেটবাসীর কাছে আজও অবহেলিত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক সিলেটের কৃতীসন্তান বঙ্গবীর এমএজি ওসমানী। এক সময় পাঠ্য পুস্তকে এই বীর সেনানীকে নিয়ে একটি অধ্যায় ছিলো ওসমানীকে নিয়ে। কিন্তু আজ সেই অধ্যায়টি নেই। তাই নতুন প্রজন্মের কাছে ওসমানী এক মুছে যাওয়া ইতিহাসের নাম মাত্র। যথাযথ মূল্যায়ন আর সিলেটবাড়ী হওয়ার কারণে বিভিন্ন ভাবে অবহেলিত হচ্ছে এই বীর সেনানীর মান মর্যাদা। এক কথায় বঙ্গবীর ওসমানীর নাম আজ কালের গহব্বরে হারিয়ে যেতে বসেছে। কিন্তু সেই বীর সেনানীর সহজ সরল জীবনযাত্রার এক জীবন্ত সাক্ষী হয়ে আছে আজকের ওসমানী যাদুঘর। সরকার,মন্ত্রী,এমপি,ডিসি,পুলিশ কমিশনার,ডিআইজি থেকে শুরু করে সরকার কিংবা বিরোধীদলীয় নেতাদের কাছে অবজ্ঞার নাম এম.এ.জি ওসমানী। সিলেট নগরীর ধোপাদিঘীর পার ও নাইওরপুলের মাঝামাঝি জায়গায় বঙ্গবীর এক নাম্বার ভাড়িটির আলিশান গেটের সামনে দাঁড়ালেই হাতছানি দেবে বঙ্গবীর ওসমানীর স্মৃতি বিজড়ীত জাদুঘরটি। মাতৃভূমির জন্য একজন দেশপ্রেমিক মানুষের নিখাদ ভালোবাসা, সততা ও কর্মনিষ্ঠার অনুপ্রেরণার উৎস এ জাদুঘরটি আজ কালের সাক্ষি। ইতিহাসের কিংবদন্তি একজন কৃতি ব্যক্তিত্বের জীবনের নানা স্মৃতিকে ধারণ করে নতুন প্রজন্মকে অফুরন্ত প্রেরণার জোগান দিয়ে যাচ্ছে নুরমঞ্জিলে গড়ে উঠা ওসমানী জাদুঘরটি। কিন্তু যথাযথ মুল্যয়ন আর পৃষ্টপোষকতার কারণে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত ভবনটি সংস্কার ও আধুনিকায়নে কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। এ থেকে প্রমানিত হয় সিলেটবাসীর কাছে কত অবহেলিত এই বীর সেনানী। যাদুঘরটি প্রতিষ্টা হওয়ার পর আজ পর্যন্ত সিলেটের কোনো মন্ত্রীর পদচিহ্ন পড়েনি যাদুঘরটিতে জানালেন যাদুঘরটি বর্তমান পরিচালক মোঃ জিয়ারত হোসেন খান। একইভাবে আক্ষেপ করলেন, যাদুঘরে দীর্ঘদিন থেকে কর্মরত মুক্তিরচকের রাজা মিয়া, কুয়ারপারের নুর মিয়ার ছেলে আফতাব উদ্দিন বাচ্চু, কাজী মাহবুব আলম।
বাচ্চু মিয়ার পিতা নুর মিয়া ছিলেন বঙ্গবীর ওসমানীর বাসার তৎকালীন কেয়ারটেকার। তাঁর হাত ধরেই ওসমানীর সান্নিধ্য লাভ করেন বাচ্চু মিয়া, তিনি জানালেন আমি ১৯৮৪ সাল থেকে যাদুঘরে কর্মরত আছি। ১৯৯৬ সালে একবার এসেছিলেন সে সময়কার পৌর চেয়ারম্যান বদর উদ্দিন আহমদ কামরান এরপর আর কোনো মেয়র কিংবা দলীয় নেতার পদ চিহৃ পড়েনী ওসমনী যাদুঘরে। আর বর্তমান পরিচালক মোঃ জিয়ারত হোসেন খান জানালেন, তিনি যোগদানের পর বিভিন্ন অনুষ্টানে সিলেটের অনেক রাজনীতিবিদ, মেয়র, কাউন্সিলার, সুশিল সমাজের নেতৃবৃন্দ, জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদকদের যথাযথ ভাবে নিমন্ত্রন করা হয়। কিন্তু তারা কোনো দিনই আসেননি যাদুঘরের কোনো অনুষ্টানে। ওসমানী সিলেটের কৃতিসন্তান তাকে যদি সিলেটের মানুষ মুল্যায়ন না করে তাহলে করবেটা কে? সিলেট নগরীর ধোপাদিঘীর পূর্বপাড় লাগুয়া নাইওরপুল এলাকার এই বাড়িটির নাম ‘নূর মঞ্জিল’। এই বাড়িতে জীবনের শেষ সময়টুকু কাটিয়েছেন মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বঙ্গবীর জেনারেল মহম্মদ আতাউল গণি ওসমানী। “নুর মঞ্জিল” এর মালিক ছিলেন ওসমানীর মাতা জোবেদা খাতুন। এ বাড়িতেই গড়ে উঠেছে ওসমানী যাদুঘর। কিন্তু বর্তমান সময়ে এটি সম্প্রসারণ জরুরী হয়ে পড়েছে। অপরদেক ওসমানী যাদুঘর আধুনিকায়ন করতে একটি পাঠাগার, একটি মিউজিয়া, একটি হলরুম নির্মান সময়ের দাবী। কারণ বৃষ্টির মৌসুমে সামান্য বৃষ্টি হলেই ঘরে ভিতরে পানি প্রবেশ করে। বিষয়গুলো অবশ্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ে জানিয়েছেন জিয়ারত হোসেন খাঁন। লে.জেনারেল মোহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানী ১৯১৮ সালের ১লা সেপ্টেম্বর তৎকালীন বৃহত্তর সিলেট জেলার সুনামগঞ্জ মহকুমায় জন্ম গ্রহণ করেন। ওসমানীর পৈতৃক নিবাস বর্তমান সিলেট হতে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে বালাগঞ্জ থানার (বর্তমান ওসমানীনগর উপজেলা) দয়ামীর গ্রামে। ওসমানীর পিতা মরহুম খান বাহাদুর মফিজুর রহমান ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসে সদস্য হিসাবে সরকারী বিভিন্ন উচ্চ পদে কর্মরত ছিলেন। বঙ্গবীর ওসমানীর রতœগর্ভা মাতার নাম মরহুম জোবেদা খাতুন ছিলেন একজন বিদে্যুৎসাহী ধার্মিক রমণী।
ওসমানী বড় ভাইয়ের নাম মুহম্মদ নূরুল গণি ওসমানী ও মেঝো বোনের নাম সদরুননেছা। মুহম্মদ আতাউল গণি ওসমানী ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ। খান বাহাদুর মফিজুর রহমানের দুই ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে সবার ছোট ছিলেন ওসমানী। রতœগর্ভা মাতা জোবেদা খাতুন ওসমানীকে ছোট বেলায় আদর করে আতা বলে ডাকতেন। বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি অবিস্বরণীয় নাম বঙ্গবীর জেনারেল মোহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানী। তিনি ছিলেন বিশিষ্ট সমর নায়ক, খাঁটি দেশপ্রেমিক, সত্যের পুজারী, বিচক্ষণ রাজনীতিবিদ, রনাঙ্গণের সাহসী বীর, আজীবন গণতন্ত্রের আদর্শে বিশ্বাসী, মুক্তিযুদ্ধের বীর সূর্যসন্তান-সর্বাধিনায়ক এবং একজন ক্ষণজন্মা দুরদর্শী চিন্তা চেতনার অধিকারী। নিজ মেধা বলে ওসমানী ১৯৩৯ সালে ভূগোলে এমএ প্রথম পর্ব পড়ার সময় জুলাই মাসে বৃটিশ-ভারতীয় সেনাবাহিনীতে ক্যাডেট হিসাবে যোগদান করেন। ১৯৪০ সালে ইন্ডিয়ান মিলিটারী একাডেমী দেরাদুন থেকে সামরিক শিক্ষা শেষ করে বৃটিশ ইন্ডিয়ান আর্মিতে কমিশন অফিসার হিসেবে নিয়োজিত হন। নিজ কীর্তি ও কার্যকলাপের মাধ্যমে যোগ্যতা প্রদর্শন করে ১৯৪১ সালে ১৭ই ফেব্রুয়ারি ক্যাপ্টেন পদে পদোন্নতি লাভ করেন এবং ১৯৪২ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে মাত্র ২৩ বছর বয়সে ব্রিটিশ আর্মির সর্ব কনিষ্ট মেজর পদে উন্নিত হন। এটা এক বিরল সম্মান।১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর তিনি পাকিস্তানে আগমন করেন এবং পাক সেনাবাহিনীর গঠন কাজে শরীক হন। এ সময় তিনি দক্ষতা, সাহসিকতা ও ধৈর্য্যরে সঙ্গে কর্তব্য পালন করে ১৯৪৭ সালে ৭ অক্টোবর লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিসেবে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন, এবং ১৯৪৮ সালে পশ্চিম পাকিস্তানে কোয়েটা স্টাফ কলেজ থেকে পিএসসি ডিগ্রী লাভ করেন। ১৯৫৬ সালে ১৬ মে কর্ণেল পদে পদোন্নতি পেয়ে দেশ রক্ষা পরিকল্পনা ও সংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে সংযোজন কাজে আত্মনিয়োগ করেন।
১৯৬১ সালে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রধান প্রতিনিধি ও মুখপাত্র মনোনীত হন। ১৯৬৫ সালে ওসমানী পাক-ভারত যুদ্ধে পশ্চিম রণাঙ্গণে ডেপুটি ডাইরেক্টর অব মিলিটারী অপারেশন হিসেবে যুদ্ধ পরিচালনা করে কৃতিত্বের পরিচয় দেন। তিনি ইষ্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের দু’টি ব্যাটেলিয়ানের স্থলে ছয়টি ব্যাটেলিয়ান গঠন করেন। অনেক প্রতিরোধ ও প্রতিকুলতার সম্মুখীন হয়েও তিনি ইষ্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের উন্নয়ন ও সেনাবাহিনীতে বাঙ্গালী সৈন্যের কোটা বৃদ্ধির ব্যাপারে সফল হয়েছিলেন। ১৯৬৭ সালে ১৬ ফেব্রুয়ারি ওসমানী পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে একজন কর্ণেল পদে কর্মরত থাকাকালীন সময়ে অবসর গ্রহণ করেন। পাক আর্মিতে অবস্থানকালীন তিনি ‘টাইগার ওসমানী’ ‘পাপা টাইগার’ ‘বঙ্গশার্দূল’ ইত্যাদি নামে সুপরিচিত ছিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানে সাড়া দিয়ে ১৯৭০ সালের জুলাই মাসে তার রাজনৈতিক মতাদর্শের উপর কতিপয় বিষয়ে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আলাপ আলোচনার পর তিনি আওয়ামীলীগে যোগদান করেন। ১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক সাধারণ নির্বাচনে জনগন বিপুল ভোটে আওয়ামীলীগকে জয়ী করেন। ওসমানী নিজেও এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিপুল ভোটে জয়ী হন। বঙ্গবীর এমএজি ওসমানী ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল মন্ত্রী সভায় যোগদান করেন। তিনি ১৯৭২ সনের ১২ এপ্রিল বাংলাদেশ সরকারের জাহাজ চলাচল, অভ্যন্তরীন নৌ ও বিমান মন্ত্রী কেবিনেটের সদস্য হিসাবে শপথ গ্রহন করেন। বঙ্গবীর ওসমানী ১৯৭৬ সালে ৫ সেপ্টেম্বর তাঁর স্বপ্ন ‘সংসদীয় গণতন্ত্র’ পুনঃ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে “জাতীয় জনতা পাটি” নামে একটি নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করেন। এই সৎ মানুষটির অটল লক্ষ্য ছিল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় যে কারণে তিনি স্বাধীনতা যুদ্ধের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। সে কারণে তিনি জীবনের শেষ দিন অবধি গণতন্ত্র ও বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের জন্য নিজের সর্বস্ব উৎসর্গ করে দিয়েছিলেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধকালীনসময়ে নুর মঞ্জিল নামের বাড়িটি বর্বর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী গুলি করে ধ্বংস করে দেয়। বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ওসমানী সিলেট শহরে ফিরে এসে প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত বাড়িটি দয়ামীর গ্রামের কিছু সম্পদ বিক্রয় করে মেরামতের মাধ্যমে কোন রকমে বাসোপযোগী করে তোলেন। চাকুরি থেকে অবসরকালীন সময়ে কর্নেল ওসমানী এই ভবনে বেশ কিছুদিন বসবাসও করেন। ওসমানী ছিলেন চিরকুমার। জনৈক নুর মিয়া নামের কেয়ারটেকার সময়ে অসময়ে ‘নূর মঞ্জিল’ দেখাশুনা করতেন। বঙ্গবীর ওসমানী জীবদ্দশায় তাঁর পিতা মাতার নামে ‘দি জুবেদা খাতুন খান বাহাদুর মফিজুর রহমান’ ট্রাষ্ট গঠন করেন। বঙ্গবীর ওসমানীর মৃত্যুর পর মূলত এ বাড়িটি তালাবদ্ধ থাকত।
১৯৮৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি মহান জননেতা সমর নায়ক বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানী লন্ডনের সেন্টপল হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ২০ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর ইচ্ছায় তাকে হযরত শাহজালাল (রহঃ) দরগার শরীফ সংলগ্ন তাঁর মায়ের কবরের সন্নিকটে সমাহিত করা হয়। ১৯৮৫ সালে তৎকালীন সরকার ট্রাষ্টের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে ওসমানীর ইচ্ছাকে বাস্তবায়নের জন্য এককালীন ৫লক্ষ টাকার বিনিময়ে বাড়িটি লীজ গ্রহন করে। লীজ গ্রহন শেষে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের নিয়ন্ত্রনে সিলেটের নূর-মঞ্জিল ভবনটিকে জাদুঘর প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার দায়িত্ব অর্পন করা হয়। বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর কর্তৃপক্ষ ওসমানীর স্মৃতি রক্ষার্থে সিলেটের নূর-মঞ্জিল ভবনটিকে অতি সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে জাদুঘর রূপান্তর করণে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে দায়িত্ব পালন করে মহম্মদ আতাউল গণি ওসমানীর বাস ভবনটি ওসমানী জাদুঘরে রূপান্তর করে। বাংলাদেশ মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক জেনারেল এমএজি ওসমানীর জীবন সম্পর্কিত নিদর্শন, মুক্তিযুদ্ধ ও দেশ সেবায় তাঁর গৌরবময় অবদান ও স্বীকৃতি জাতির সামনে তুলে ধরতে কর্মময়, সামাজিক, রাজনৈতিক স্মৃতি বিজড়িত নিদর্শন সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করে মহান মুক্তিযুদ্ধ তথা জাতীয় ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে সমুন্নত রাখতে ওসমানী জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়। যতদূর জানা যায়, বঙ্গবীর ওসমানীর মৃত্যু পর ১৯৮৪ সালে তৎকালীন এরশাদ সরকার সিলেটে ওসমানীর নামে একটি জাদুঘর প্রতিষ্ঠার আগ্রহ প্রকাশ করেন। সে অনুযায়ী জুবেদা খাতুন খান বাহাদুর মফিজুর রহমান ট্রাস্টের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকার বিনিময়ে ৯৯ বছরের জন্য ধোপাদীঘির পারের বাড়িটি লিজ নেয় সরকার। জাদুঘরটি ১৯৮৬ খ্রিষ্টাব্দের ৪ঠা মার্চ এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি এবং সাবেক সেনাপ্রধান লে. জেনারেল হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদ উদ্বোধন করেন। এই বঙ্গবীরের ব্যবহৃত নানা প্রকার নিদর্শন উপস্থাপনার মাঝে এই জাদুঘরের আত্মপ্রকাশ ঘটে। এটি বাংলাদেশের প্রথম স্মৃতি জাদুঘর। বাংলাদেশের কৃতি সন্তানদের শ্রদ্ধার দৃষ্টান্ত। বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের এটি একটি শাখা জাদুঘর। বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ওসমানী জাদুঘরের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
কি আছে ওসমানী যাদুঘরে: ওসমানী জাদুঘরে তিনটি গ্যলারী ও স্টোরসহ বর্তমানে ৪৭৫টি নিদর্শন রয়েছে, বঙ্গবীর ওসমানীর ব্যবহৃত নানা ধরনের সাধারণ পোষাক-পরিচ্ছদ, সেনাবাহিনীর উর্দি,পত্র-পত্রিকা,সাময়িকী, দেশী-বিদেশী জার্নাল, বিভিন্ন লেখকের গ্রন্থ, বেতের চেয়ার, কাঠের আলমারি, বইয়ের শোকেচ, আলনা, সামরিক ছড়া, টেলিফোন সেট, শার্ট-প্যান্ট, সুয়েটার বালিশ, তোয়ালে, পাঞ্জাবী ব্রীফকেস, জামা, জুতা, চীনা মাটির বাসন-কোসন, চামচ, ছুরি, কাঠের নৌকা, ফাক্স, টি-টেবিল ও ছাতা। ছোট বেলায় পিতার কোলে ওসমানী, যৌবনে সামরিক বাহিনীর অফিসার হিসেবে জেনারেল ওসমানী,সামরিক পোষাকে সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট ওসমানী, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জেনারেল ওসমানীর ছবি ইত্যাদি সুন্দর করে উপস্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া ওসমানীর ব্যবহৃত মনোগ্রাম, পদক, ব্যাজ, শোল্ডার ব্যাজ, টুপীর ব্যাজ, বুজের ব্যাজ, বুকের ব্যাজ ভুজারী, তরবারী, পাসর্পোট, স্বাধীনতা পুরস্কার।সিলেটের ঐতিহ্যবাহী বেতের সোফাসেট, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ সেবাবাহিনীর গার্ড অব অনার গ্রহণরত জেনারেল ওসমানী। সিলেট বিমানবন্দরে বাংলাদেশের বিমান বাহিনীর বিমান থেকে অবতরণরত মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল ওসমানী। ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার ও সহকর্মীদের সঙ্গে জেনারেল ওসমানী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে ওসমানী। রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর সাথে ওসমানী, জেনারেল জিয়াউর রহমানের সাথে ওসমানী, ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধকালীন যশোহরের হানাদার বাহিনী মুক্ত অঞ্চল পরিদর্শনরত জেনারেল ওসমানী। রনাঙ্গণে যুদ্ধের পরিকল্পনা ও কৌশল সম্পর্কে সেক্টর কমান্ডারদের নির্দেশ দানরত জেনারেল ওসমানী, রনাঙ্গণে যুদ্ধরত মুক্তিযোদ্ধা ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী রণাঙ্গন ও মুক্তাঞ্চাল পরিদর্শনে জেনারেল ওসমানী। ১৯৭১সালের ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ এ পাক বাহিনীর আত্মসমার্পন দৃশ্যের পিছনে ও মুক্তিযোদ্ধা ও জনতা, ভারতে অবস্থিত শরণার্থী শিবিরে অবস্থানরত নর-নারী ও শিশুদের করুন অবস্থা, ২৫ মার্চ ১৯৭১ কালো রাত্রি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হল সমূহে পাক বাহিনীর গণহত্যা ইত্যাদি ওসমানী জাদুঘরের গ্যালারীতে রয়েছে। এছাড়াও বঙ্গবীর ওসমানীর ব্যবহৃত একটি ছোট খাট, যে খাটে তিনি শুতেন। খাবার টেবিল, জায়নামাজ, বিভিন্ন ধরনের মানপত্র, চীনামাটির তৈরী প্লেট হাফ -প্লেট, কারিডিস, রেফ্রিজারেটর, মুক্তিযুদ্ধকালীন অপারেশনের ম্যাপ, বিভিন্ন ধরনের সাময়িকী, জেনারেল ওসমানী ব্যবহৃত টেবিল ও চেয়ার। এডমিরাল এম এ খানের পাশে ওসমানী, হযরত শাহজালাল (রাঃ) এর মাজার জিয়ারতে জেনারেল ওসমানী, দেওয়ান ফরিদ গাজী ও মেজর চিত্তরঞ্জন দত্তের সাথে জেনারেল ওসমানী। স্বতঃস্ফুর্ত জনতার মাঝে জেনারেল ওসমানী, ১৯৭২ সালে সিলেটের একটি এলাকায় জনগনের আন্তরিক অভিনন্দন গ্রহণ করছেন জেনারেল ওসমানী। ১৯৭২ সালের গোড়ার দিকে প্রথমবারের মত সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের সিলেট বিমান বন্দরে জেনারেল ওসমানী। সিলেটের জনগণের পাশে ভাষণরত ওসমানী। এসব আলোকচিত্রে ওসমানী নামক মহাপুরুষকে অত্যন্ত সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।ওসমানী জাদুঘরের ভবনটি দৃশ্যত, সাধারনত বাংলোর মত। অনেকটা চৌচালা ঘরের আকৃতি, টিনের চাল। এ ছাড়া সস্মুখ ভাগে দু’দিকে দ’ুটি ছোট ছোট কামরা রয়েছে। এ দু’টি বর্তমানে জাদুঘরের অফিস পিছনে আরেকটি কক্ষ রয়েছে। সম্মুখ ও পিছন ভাগে রয়েছে প্রশস্ত খালি জায়গা। ভবনের সামনে ও পিছন দিকে অনেক নানা জাতের গাছ-গাছালি। ব্যক্তিগত জীবনে ওসমানী যে কত সহজ সরল সাধারন জীবন যাপন করতেন তা-জাদুঘর পরিদর্শন না করলে জানা যায় না। ওসমানী জাদুঘর সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে এবং সিলেট রেলওয়ে স্টেশন থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
লেখক:-আব্দুল হালিম সাগর

WEB BASED RESULT PUBLICATION SYSTEM FOR EDUCATION BOARDS 06/05/2018

ফলাফল জানতে ক্লিক করুন....
http://eboardresults.com/app/stud/ ( রেজি: নাম্বার প্রয়োজন নেই )
http://eboardresults.com/app/
http://archive.educationboard.gov.bd/
www.educationboardresults.gov.bd ( রেজি: নাম্বার প্রযোজ্য )

Full Institution Result:
http://eboardresults.com/app/ ( স্কুলের EIIN Number প্রযোজ্য )
http://mail.educationboard.gov.bd/web/
*****
সকল বোরর্ডের:
www.dhakaeducationboard.gov.bd
*****
সিলেট বোর্ড:
www.sylhetboard.gov.bd
http://result.sylhetboard.gov.bd/hsc/mark.php
*****
দিনাজপুর বোর্ড:
www.dinajpurboard.gov.bd
*****
ঢাকা বোর্ড:
www.dhakaeducationboard.gov.bd
*****
যশোর বোর্ড:
www.jessoreboard.gov.bd
*****
কুমিল্লা বোর্ড:
www.comillaboard.gov.bd
*****
রাজশাহী বোর্ড:
www.rajshahieducationboard.gov.bd
*****
চট্টগ্রাম বোর্ড:
www.bise-ctg.gov.bd
*****
বরিশাল বোর্ড:
www.barisalboard.gov.bd
*****
মোবাইলে এসএমএস (SMS) এর মাধ্যমে ,, Type করুন
SSC First 3 letter of board Roll Year,,,,,Then send it to 16222,
Example:
Dhaka: SSC DHA 123456 2018 → 16222
Chittagong : SSC CHI 123456 2018 → 16222
Comilla : SSC COM 123456 2018 →16222
Rajshai : SSC RAJ 123456 2018 → 16222
Jessor : SSC JES 123456 2018 → 16222
Barishal : SSC BAR 123456 2018 → 16222
SYLET : SSC SYL 123456 2018 → 16222
Dinajpur : SSC DIN 123456 2018 → 16222
Midrasha : SSC MAD 123456 2018 → 16222
Technical : SSC TECH 123456 2018 → 16222

আশা করি সবাই সন্তোষজনক রেজাল্ট পাবেন।

WEB BASED RESULT PUBLICATION SYSTEM FOR EDUCATION BOARDS All Bangladesh Education Board Result Archive, with Detailed Marks if available, for JSC, JDC, SSC, DAKHIL, HSC, ALIM, VOCATIONAL exams

08/11/2017

শুভ সন্ধ্যা

01/11/2017

১০ ম থেকে ৩৭ তম বিসিএস লিখিত বাংলা
পরীক্ষার সকল প্রশ্ন উত্তর সহ দিয়ে দিলাম।
১। বড়ু চণ্ডীদাসের কাব্যের নাম কী? [১০, ১৫,
২০, ২২, ৩৩ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ শ্রীকৃষ্ণকীর্তন।
২। কাহ্নপা কে ছিলেন? [১০, ১২ বিসিএস
লিখিত]
উত্তরঃ কাহ্নপা চর্যাপদের একজন প্রধান
কবি। তাঁর রচিত পদের সংখ্যা ১৩ টি।
৩। বাংলা ভাষার পূর্ববর্তী স্থরের নাম কী?
[১০ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ অপভ্রংশ।
৪। দৌলত উজির বাহরাম খানের কাব্যের নাম
কী? [১০, ১৫ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ লাইলী – মজনু।
৫। ’ইউসুফ – জোলেখা’ কাব্যের রচয়িতা কে?
[১০, ১৫ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ শাহ মুহাম্মদ সগীর।
৬। আলাওলের শ্রেষ্ঠ কাব্যের নাম কী? [১০
বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ পদ্মাবতী।
৭। লালন শাহ কী রচনা করেছেন? [১০ বিসিএস
লিখিত]
উত্তরঃ লালনগীতি (বাউলগান)।
৮। মধুসূদন দত্তের মহাকাব্যের নাম কী? [১০
বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ মেঘনাদবধ কাব্য।
৯। রবীন্দ্রনাথের ‘বলাকা’ কাব্য প্রথম কোন
সালে প্রকাশিত হয়? [১০ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে বাংলা ১৩২২
সালে।
১০। কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’
কবিতা কোন কাব্যের অন্তর্গত? [১০ বিসিএস
লিখিত]
উত্তরঃ ’অগ্নিবীনা’ (১৯২২)।
১১। ’ধূসর পাণ্ডলিপি’ কার রচনা? [১০ বিসিএস
লিখিত]
উত্তরঃ জীবনানন্দ দাস।
১২। ‘লালসালু’র লেখক কে? [১০ বিসিএস
লিখিত]
উত্তরঃ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
১৩। জহির রায়হানের জনপ্রিয় উপন্যাস
কোনটি? [১০ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ আরেক ফাল্গুন।
১৪। প্রথম কোন মহিলা কবি রামায়ণ রচনা
করেন? [১১ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ চন্দ্রাবতী।
১৫। ‘অন্নদামঙ্গল’ কার রচনা? [১১, ২০ বিসিএস
লিখিত]
উত্তরঃ ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর।
১৫। ‘গোরক্ষ বিজয়’ এর আদি কবির নাম কী?
[১১ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ শেখ ফয়জুল্লাহ।
১৬। ‘মধুমালতী’ কাব্যের অনুবাদক কে? [১১
বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ মুহম্মদ কবীর।
১৭। ’মধুমালতী’ কাব্য কোন ভাষা থেকে
অনূদিত হয়েছে? [১১ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ হিন্দি।
১৮। ঈশ্বরগুপ্ত সম্পাদিত পত্রিকার নাম কী?
[১১, ১৩ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ’সংবাদ প্রভাকর’ (১৮৩১)।
১৯। ‘প্রফুল্ল’ নাটকটি কে রচনা করেছেন? [১১
বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ গিরশিচন্দ্র ঘোষ।
২০। ’কল্লোল’ পত্রিকা কোন সালে প্রকাশিত
হয়? [১১ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ১৯২৩ সালে।
২১। ‘আরণ্যক’ উপন্যাসের রচয়িতার নাম কী?
[১১ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
২২। আত্মজীবনীমূলক রচনা ‘উদাসীন পথিকের
মনের কথা’র লেখক কে?[১১, ৩১ তম বিসিএস
লিখিত]
উত্তরঃ মীর মোশাররফ হোসেন।
২৩। আহসান হাবীবের প্রথম কাব্যগ্রন্থ
কোনটি? [১১ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ‘রাত্রিশেষ’।
২৪। ‘নেমেসিস’ নাটকটির রচয়িতা কে? [১১
বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ নূরুল মোমেন।
২৫। ‘নদীবক্ষে’ কার রচনা? [১১ বিসিএস
লিখিত]
উত্তরঃ কাজী আব্দুল ওয়াদুদ।
২৬। ‘সমকাল’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদকের নাম
কী? [১১, ২১ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃসিকান্দার আবু জাফর।
২৭। ‘অমর একুশে’ এর কবির নাম কী? [১১
বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ আলাউদ্দীন আল আজাদ।
২৮। ’ধনধ্যান্যে পুষ্পেভরা আমাদের এই
বসুন্ধরা’ এই লাইনাটর রচয়িতা কে? [১৩
বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ দ্বিজেন্দ্রলাল রায়।
২৯। জয়দেব রচিত সংস্কৃত কাব্যেগ্রন্থের নাম
কী? [১৩ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ গীতগোবিন্দ।
৩০। আলাওলের ‘পদ্মাবতী’ কোন কবি অনুবাদ
করেন? কোন কাব্যে থেকে? [১৩ বিসিএস
লিখিত]
উত্তরঃ মালিক মুহম্মদ জায়সীর। ’পদুমাবৎ’
কাব্য থেকে।
৩১। ভারতচন্দ্র কোন রাজসভার কবি ছিলেন?
[১৩ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের রাজসভার
কবি।
৩২। ফকির গরীবুল্লাহ রচিত দু’টি গ্রন্থের নাম
কী কী? [১৩ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ‘আমির হামজা’(১ম অংশ) ও
জঙ্গনামা।
৩৩। মুসলমান সম্পাদকের সম্পাদনায় প্রথম
কোন পত্রিকা সম্পাদিত হয়? [১৩ বিসিএস
লিখিত]
উত্তরঃ ‘সমাচার সভারাজেন্দ্র (১৮৩১),
সম্পাদক- শেখ আলীমুল্লাহ।
৩৪। ’সধবার একাদশী’ প্রহসনটি কার লেখা?
[১৩ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ দীনবন্ধু মিত্র।
৩৫। শেক্সপীয়রের কোন নাটকটি বিদ্যাসাগর
অনুবাদ করেন? [১৩, ২৫ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ’কমেডি অব এররস’। অনূদিত নাম :
‘ভ্রান্তি বিলাস’।
৩৬। ’নৌফেল ও হাতেম’ কাব্যনাট্যটির
রচয়িতার নাম কী? [১৩ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃফররুখ আহমদ।
৩৭। ‘চাঁদের আমাবস্যা’ উপন্যাসটির রচয়িতা
কে? [১৩ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
৩৮। বাংলাদেশের দু’জন অকালপ্রয়ত বিশিষ্ট
কবির নাম কী কী? [১৩ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও হুমায়ুন কবির।
৩৯। ‘সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপর নাই’
এটি কোন কবির বাণী? [১৫ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ দ্বিজ চণ্ডীদাসের।
৪০। কৃত্তিবাস কোন কাব্যের জন্য বিখ্যাত?
[১৫ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ রামায়ণের অনুবাদের জন্য বিখ্যাত।
৪১। বিজয়গুপ্ত কোন কাব্যের রচয়িতা? [১৫
বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ মনসামঙ্গল কাব্য (১৪৯৪)।
৪২। বিজয়গুপ্ত কোথায় জন্মগ্রহন করেন? [১৫
বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ বরিশালের গৈলা নামক গ্রামে।
৪৩। বাংলা ভাষায় প্রথম ব্যাকরণবিদ কে?
[১৫ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ মানোএল দা আস্সুম্পসাওঁ। পর্তুগালের
এক পাদ্রি।
৪৪। বাংলা গদ্যের জনক কে? [১৫ বিসিএস
লিখিত]
উত্তরঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
৪৫। কারবালার কাহিনী নিয়ে কে গ্রন্থ
রচনা করেন? [১৫ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ মীর মশাররফ হোসেন। ’বিষাদ সিন্ধু’।
৪৬। ‘কৃষ্ণকুমারী’ নাটকের রচয়িতা কে? [১৫
বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ মাইকেল মধসূদন দত্ত। এটি বাংলা
সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্রাজেডি।
৪৭। ‘কুহেলিকা’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে? [১৫
বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃকাজী নজরুল ইসলাম।
৪৮। বাংলাদেশের সাহিত্যে (১৯৪৭- বর্তমান)
প্রথম উল্লেখযোগ্য উপন্যাস কোনটি? [১৫
বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ‘লালসালু’। রচয়িতা সৈয়দ
ওয়ালিউল্লাহ।
৪৯। ‘কবর’ নাটকটি কোন ঐতিহাসিক ঘটনা
নিয়ে রচিত? নাট্যকার কে [১৫,২০,২৩,২৭ তম
বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ভাষা আন্দোলন। নাট্যকার মুনীর
চৌধুরী।
৫০। একুশের প্রথম সংকলন এবং
‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ : দলিলপত্র’
কে রচনা করেন? [১৫ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ হাসান হাফিজুর রহমান।
৫১। বাংলা কাব্যের আদি নিদর্শন কী? [১৭,
২০, ২১, ২৪ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ‘চর্যাপদ’।
৫২। ‘চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের রচয়িতা কে? [১৭
বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ মুকুন্দরাম চক্রবর্তী। (রচনাকাল
ষোড়শ শতক)।
৫৩। মনসুর বয়াতি কে? তার রচিত কাব্যের
নাম কী? [১৭ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ মৈমনসিংহ গীতিকার অন্যতম কবি।
রচিত কাব্য ’দেওয়ানা মদিনা’।
৫৪। ‘যুগসন্ধির কবি কাকে বলে? [১৭, ৩১ তম
বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে।
৫৫। মধ্যযুগের কোন কাব্য প্রথমে এক কবি শুরু
করেন পরে অন্য এক কবি শেষ করেন? [১৭
বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ’সতীময়না-লোচন্দ্রানী’। (দৌলত
কাজী শুরু করেন আলাওল শেষ করেন)।
৫৬। ’তোহফা’ ক্ব্যটি কে রচনা করেন?[১৭
বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ আলাওল। ফরাসি ভাসা থেকে
অনূদিত।
৫৭। ‘প্রাচীন বঙ্গ সাহিত্যে মুসলমানদের
অবদান’ গ্রন্থের রচয়িতা কে? [১৭ বিসিএস
লিখিত]
উত্তরঃ আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ।
৫৮। ’ভানুসিংহ’ কার ছদ্মনাম? [১৭ বিসিএস
লিখিত]
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের।
৫৯। ফররুখ আহমদ রচিত সনেট গ্রন্থের নাম
কী? [১৭ বিসিএস লিখিত]
উত্তর ‘মহূর্তের কবিতা’ (১৯৬৩)।
৬০। প্রাচীন যুগে রচিত বাংলা সাহিত্যের
নিদর্শন কোন কোন নামে পরিচিত? [১৭
বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ‘চর্যাচর্যবিনিশ
্চয়’,’চর্যাগীতিকোষ’,
‘চর্যাগীতিকা’, ’চর্যাপদ’, হাজার বছরের
পুরান বাঙ্গালা ভাষার বৌদ্ধ গান ও দোহা’
ইত্যাদি।
৬১। ‘ইউসুফ-জোলেখা’ ও ‘লাইলী-মজনু’
কাব্যের উপাখ্যানসমূহ কোন দেশের? [১৭
বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ’ইউসুফ-জোলেখা’ আরবের, ’লাইলী-
মজন’ ইরান।
৬২। ’রামায়ণ’ ও ’মহাভারত’ কাব্যের মূল
রচয়িতাদের নাম কী? [১৭ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ রামায়ণের রচয়িতা বাল্মীকি এবং
মহাভারতের রচয়িতা কৃষ্ণ দ্বৈপায়ন ব্যাস।
৬৩। ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ এর মধ্যে বাংলা ভাষা
আন্দোলনের উপর কোন গ্রন্থ রচিত হয়? [১৭
বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ‘পূর্ব বাংলার ভাষা আন্দোলন ও
তৎকালীন রাজনীতি’। গ্রন্থকারঃ বদরুদ্দীন
ওমর।
৬৪। কবিগান বলতে কী বোঝায়? [১৮ বিসিএস
লিখিত]
উত্তরঃ কবিতা বা গানের বিতর্ক।
৬৫। কবি গোলাম মোস্তফার তিনটি গ্রন্থের
নাম কী কী? [১৮ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ‘বিশ্বনবী’, ’রক্তরাগ’ ও ‘মরুদুলাল’।
৬৬। ঈশ্বরচন্দ্রের বিধবা বিবাহ বিষয়ক
গ্রন্থটির নাম কী? [১৮ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ‘বিধবা বিবাহ প্রচলিত হওয়া উচিত
কিনা এতদ্বিষয়ক প্রস্তাব’।
৬৭। ‘কাশবনের কন্যা’ উপন্যাসটির রচয়িতা
কে? [১৮ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ শামসুদ্দীন আবুল কালাম।
৬৮। বাংলা কথ্যরীতিতে প্রথম গ্রন্থ রচনা
করেন কে? [১৮ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ প্যারীচাঁদ মিত্র ওরফে টেকচাঁদ
ঠাকুর। গ্রন্থের নাম : ‘আলালের ঘরের দুলাল’।
৬৯। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ কখন প্রতিষ্ঠিত
হয়? [১৮ বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ১৮ মে ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দে।
৭০। ’তাপস কাহিনী’ ও ‘মহর্ষি মনসুর’ প্রভৃতি
গ্রন্থের রচয়িতার নাম কী? [১৮ বিসিএস
লিখিত]
উত্তরঃ মোজাম্মেল হক।
৭১। জীবনানন্দ দাসের তিনটি কাব্যগ্রন্থের
নাম কী কী? [২০, ২২ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ঝরা পালক, ধূসর পাণ্ডুলিপি ও বনলতা
সেন।
৭২। ’হাজার বছর ধরে’ উপন্যাসটির রচয়িতার
নাম কী? [২০ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ জহির রায়হান।
৭৩। মৈমনসিংহ গীতিকার দু’টি পালা কী
কী? [২০ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ মহুয়া ও মলুয়া।
৭৪। রবীন্দ্রনাথের প্রথম ঐতিহাসিক উপন্যাস
কোনটি? [২০ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ‘বৌ-ঠাকুরাণীর হাট’।
৭৫। তিনজন বৈষ্ণব পদকর্তার নাম কী কী? [২১
তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাস ও
গোবিন্দদাস।
৭৬। রবীন্দ্রনাথের নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত
গ্রন্থের নাম কী? [২১ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ‘Song Offerings’ কবিতা সংকলনরে
জন্য।
৭৭। কাজী নজরুল ইসলামের তিনটি কাব্যের
নাম কী কী? [২১ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ‘অগ্নিবীনা’, ’চক্রবাক’ ও ‘সিন্দু
হিন্দোল’।
৭৮। মুনীর চৌধুরীর ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’
নাটকের বিষয়বস্তু কী? [২১ তম বিসিএস
লিখিত]
উত্তরঃ পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ।
৭৯। ইংরেজ আমলে কাজী নজরুলের নিষিদ্ধ
গ্রন্থগুলোর নাম কী কী? [২২, ২৪ তম বিসিএস
লিখিত]
উত্তরঃ বিষের বাঁশি, প্রলয় শিখা, ভাঙ্গার
গান, যুগবানী ও চন্দ্রবিন্দু।
৮০। দৌলত কাজী কোন কাব্যের জন্য
বিখ্যাত? [২২ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ সতীময়না ও লোর চন্দ্রানী।
৮১। চরিত্রহীন উপন্যাস কার লেখা? [২২ তম
বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের।
৮২। শামসুর রহমানের প্রথম কাব্যের নাম কী?
[২২ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে।
৮৩। ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ সংকলনের সম্পাদক
কে? [২২, ২৩ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ হাসান হাফিজুর রহমান।
৮৪। ‘মোহাম্মদী’, ‘সওগাত’ ও ’বেগম’ পত্রিকার
সম্পাদক কে কে? [২২ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ যথাক্রমে মাওলানা আকরাম খাঁ,
মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন ও নূরজাহান বেগম।
৮৫। পবিত্র কুরআন শরীফের প্রথম বাংলা
অনুবাদকের নাম কী? [২২ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ভাই গিরিশচন্দ্র সেন।
৮৬। বাংলা কোন ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্গত?
[২৩ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ইন্দো- ইউরোপীয়।
৮৭। কাব্য পারা কে লিখেছেন? [২৩ তম
বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ কাজী নজরুল ইসলাম।
৮৮। রবীন্দ্রনাথের সর্বশেষ কাব্যের নাম কী?
[২৩ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ শেষ লেখা।
৮৯। কাজী নজরুল ইসলামের ছোটগল্পের
বইয়ের নাম কী? [২৩ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ শিউলিমালা।
৯০। জসীমউদ্দীনের ‘সোজান বাদিয়ার ঘাট’
কাব্যের প্রধান চরিত্র কী কী? [২৩ তম
বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ সোজান ও দুলি।
৯১। ‘চাঁদের আমাবস্যা’ কার লেখা? [২৩ তম
বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
৯২। ’সংশপ্তক’ কার লেখা? [২৩ তম বিসিএস
লিখিত]
উত্তরঃ শহীদুল্লাহ কায়সার।
৯৩। ’কাঞ্চন গ্রাম’ কার লেখা? [২৩ তম
বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ শামসুদ্দীন আবুল কালামের।
৯৪। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে কত সালে
বাংলা বিভাগ খোলা হয়? [২৪ তম বিসিএস
লিখিত]
উত্তরঃ ১৮০১ সালে।
৯৫। ‘লালসালু,’ ‘ সূর্যদীঘল বাড়ী’ ও ’চিলে
কাঠার সেপাই’ কে কে লিখেছেন? [২৪,২৭ তম
বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ যথাক্রমে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ, আবু
ইসহাক ও আখতারুজ্জামান ইলিয়াস।
৯৬। বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন কেন
বিখ্যাত? [২৪ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ নারী জাগরনের অগ্রদূত হিসেবে।
৯৭। রবীন্দ্রনাথের ‘শেষের কবিতা’ কী
ধরনের গ্রন্থ? [২৪ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ রোমান্টিক কাব্যধর্মী উপন্যাস।
৯৮। জসীমউদ্দীনকে কেন ‘পল্লিকবি’ বলা হয়?
[২৪ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ তাঁর কবিতায় পল্লি-প্রকৃতির
রূপবৈচিত্র ফুটে উঠেছে তাই।
৯৯। ’কল্লোল’ কী? [২৪ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ বাংলা সাহিত্যর পুরোধা-ব্যাক্তি
দের একটি সংগঠন। এই সংগঠনের মূখপাত্র
ছিলো ’কল্লোল’ নামের একটি পত্রিকা। এর
সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাস।
১০০। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কত সালে
প্রতিষ্ঠিত হয়? [২৫ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ১৯২১ সালে।
১০১। ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের
আবিষ্কারকের নাম কী? [২৫ তম বিসিএস
লিখিত]
উত্তরঃ শ্রী বসন্তরঞ্জন রায়। তাঁর উপাধি
ছিল ‘বিদ্বদ্বল্লভ’।
১০২। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে প্রথম
মুসলিম কবি কে? [২৫ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ শাহ মুহম্মদ সগীর।
১০৩। বৈষ্ণব পদাবলির দু’জন পদকর্তার নাম
কী কী? [২৫ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ বিদ্যাপতি ও জ্ঞানদাস।
১০৪। ‘বেতাল পঞ্চবিংশতি’ কার লেখা? [২৫
তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের।
১০৫। প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম কী? [২৫ তম
বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ বীরবল।
১০৬। মুনীর চৌধুরীর দু’টি নাটকের নাম কী
কী? [২৫ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ রক্তাক্ত প্রান্তর ও দণ্ডকারণ্য।
১০৭। ‘অশ্রুমালা’ কাব্যের রচয়িতা কে? [২৫
তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ কায়কোবাদ। তাঁর আসল নাম মুহম্মদ
কাজেম আল কোরায়শী।
১০৮। চর্যাপদ কে কখন কোথা থেকে
আবিষ্কার করেন? [২৭, ২৮, ৩৩, ৩৪ তম বিসিএস
লিখিত]
উত্তরঃ ১৯০৭ সালে ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে
আবিষ্কার করেন।
১০৯। বাংলা মঙ্গল কাব্যধারার দু‘জন
বিখ্যাত কবির নাম কী কী? [২৭ তম বিসিএস
লিখিত]
উত্তরঃ মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ও রায়গুণাকর।
১১০। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ কত সালে
স্থাপিত হয়? [২৭, ২৮ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ১৮০০ সালে।
১১১। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম
প্রকাশিত কাব্যের নাম কী? [২৭ তম বিসিএস
লিখিত]
উত্তরঃ ‘বেতাল পঞ্চবিংশতি’ (১৮৪৭)।
১১২। ‘বিষাদসিন্ধু’ কার লেখা? [২৭ তম
বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ মীর মশাররফ হোসেন। এটি প্রকাশিত
হয় ১৮৬৯ সালে।
১১৩। রবীন্দ্রনাথ কত সালে কোন গ্রন্থের
জন্য নোবেল পুরস্কার পান? [২৭ তম বিসিএস
লিখিত]
উত্তরঃ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলীর ইংরেজি
অনূদিত গ্রন্থ ‘Song Offerings’ এর জন্য।
১১৪। ‘নীল দর্পণ’ নাটকটি কে লিখেছেন? [২৭
তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ দীনবন্ধু মিত্র। তাঁর বিখ্যাত প্রহসন
‘বিয়ে পাগলা বুড়ো’।
১১৫। কাজী নজরুলের জন্ম সাল ও মৃত্যু সাল
কত কত? [২৭ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ জন্ম : ২৫ মে, ১৮৯৯ ইং, ১১ জ্যৈষ্ঠ
১৩০৬ বাং। মৃত্যু : ২৯ আগস্ট ১৯৭৬ ইং, ১২ ভাদ্র
১৩৮৩ বাং
১১৬। ‘অবরোধবসিনী’ কে লিখেছেন? [২৭ তম
বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ বেগম রোকেয়া সাখাওয়া হোসেন।
১১৭। কায়কোবাদের আসল নাম কী? তাঁর
বিখ্যাত মহাকাব্যের নাম কী? [২৭ তম
বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ আসল নাম কাজেম আল কোরায়শী।
তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য হল ‘মহাশ্মশান’।
১১৮। বাংলাদেশের প্রধান দু’জন কবি কে
কে? [২৭ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ কবি শামসুর রহমান ও বেগম সুফিয়া
কামাল।
১১৯। ’মনসা মঙ্গল’ কাব্যের উদ্ভবের
প্রেক্ষপট কী? [২৮ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ দেবী মনসার গুণকীর্কন করা।
১২০। চর্যাপদ কোন ধর্মের? [২৯ তম বিসিএস
লিখিত]
উত্তরঃ বৌদ্ধ সহজিয়া ধর্ম।
১২১। বীরবলী গদ্যের শ্রষ্ঠা কে? [২৯ তম
বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ প্রমথ চৌধুরী।
১২২। অ্যাবসার্ড নাটক কী [২৯ তম বিসিএস
লিখিত]
উত্তরঃ অদ্ভুত, অলীক বা বিদ্রুপাত্মক নাটক।
১২৩। চর্যাপদের পদকর্তা কতজন? [ ৩০ তম
বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ২৪ জন। কাহ্নপা সবচেয়ে বেশি ১৩ টি
পদ রচনা করেছেন।
১২৪। বাংলা সাহিত্যে অন্ধকার যুগ বলে
কোন সময়কে? [ ৩০ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ১২০০ সাল থেকে ১৩৫০ সাল পর্যন্ত
সময়কে।
১২৫। সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক কে?
প্রকাশকাল কত সাল? [ ৩০ তম বিসিএস
লিখিত]
উত্তরঃ প্রমথ চৌধুর। প্রকাশকাল ১৯১৪ সাল।
১২৬। ‘ধূসর পাণ্ডুলিপ ‘ কাব্য কে রচনা
করেছেন? [ ৩০ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ জীবনানন্দ দাস।
১২৭। মনসামঙ্গল কাব্যের প্রধান কবি কে?
[ ৩১ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ বিজয় গুপ্ত।
১২৮। ’সান্ধ্য ভাষা’ কাকে বলে? [ ৩২ তম
বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ চর্যাপদের ভাষাকে ‘সান্ধ্য ভাষা’
বলে।
১২৯। ’পাখির কাছে ফুলের কাছে’ কার রচনা?
[ ৩২ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ কবি আল মাহমুদ।
১৩০। গ্রিক ট্রাজেডি ‘ইডিপাস’’ বাংলায়
অনুবাদ করেন কে? [ ৩২ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ সৈয়দ আলী আহসান।
১৩১। বাংলা গদ্যের জনক কে? [ ৩৩ তম
বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
১৩২। ’অবসরের গান’ কবিতাটি কে রচনা
করেছেন? [৩৩ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ জীবনানন্দ দাস।
১৩৩। বাংলা লিপির উৎস কী? [৩৪ তম বিসিএস
লিখিত]
উত্তরঃ ব্রাহ্মী লিপি।
১৩৪। ’মোসলেম ভারত’ পত্রিকার সম্পাদক
কে? [৩৪ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ মোজাম্মেল হক (১৯২০)।
১৩৫। ‘চণ্ডীদাস সমস্যা’ কী? [৩৪ তম বিসিএস
লিখিত]
উত্তরঃ চণ্ডীদাসের আবির্ভাবের স্থান ও
কাল নিয়ে মতভেদ।
১৩৬। বাংলা সাহিত্যে ‘ভোরের পাখি’ কে?
[৩৪ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ বিহারীলাল চক্রবর্তী।
১৩৭। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের আসল নাম কী?
[৩৪ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়।
১৩৮। ঈশ্বরচন্দ্র কোন প্রতিষ্ঠান থেকে
‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি পান? [৩৪ তম বিসিএস
লিখিত]
উত্তরঃ সংস্কৃত কলেজ থেকে।
১৩৯। বঙ্কিমচন্দ্রের ত্রয়ী উপন্যাসের নাম
কী? [৩৪ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ’আনন্দ মঠ’, ’দেবীচৌধুরাণী’ ও
সীতারাম।
১৪০। বাংলাদেশে প্রথম কোথায় প্রথম
ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত হয়? [৩৪ তম বিসিএস
লিখিত]
উত্তরঃ ১৮৪৮ সালে রংপুরে প্রথম ছাপাখানা
যন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়?
১৪১। ’মজলুম আদিব’ কে? [৩৪ তম বিসিএস
লিখিত]
উত্তরঃ কবি শামসুর রহমান ‘মজলুম আদিব বা
বিপন্ন লেখক ছদ্মনামে লিখতেন।
১৪২। ‘পৃথক পলঙ্ক’ গ্রন্থের লেখক কে? [৩৪
তম
বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ আবুল হাসান।
১৪৩। ‘বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস’ এর লেখক
কে? [৩৪ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ আহমদ ছফা।
১৪৪। ব্রজবুলি কী? [৩৬ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ । মৈথিলী ও বাংলা ভাষার মিশ্রনে
গঠিত কৃত্রিম কবিভাষাকে ব্রজবুলি বলে।
১৪৫। মুক্তিযুদ্ধ ভিক্তিক উপন্যাসের নাম কী?
[৩৬ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ জাহান্নাম হইতে বিদায়—শওকত
ওসমান, রাইফেল রোটি আওরাত—আনোয়ার
পাশা, এ গোল্ডেন এজ—তাহমিমা অনাম,
আগুনের পরশমণি—হুমায়ূন আহমেদ।
১৪৬। দ্বিরুক্ত শব্দ কাকে বলে? [৩৭ তম
বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ দ্বিরুক্ত অর্থ দুবার উক্ত হয়েছে এমন।
বাংলা ভাষায় কোনো শব্দের পরপর দুইবার
প্রয়োগকে দ্বিরুক্ত শব্দ বলে। যেমন: কন কন,
ভন ভন, শন শন।
১৪৭। অব্যয় পদ কাকে বলে? [৩৭ তম বিসিএস
লিখিত]
উত্তরঃ যার ব্যয় বা পরিবর্তন হয় না, অর্থায়
যা অপরিবর্তনীয় শব্দ তাই অব্যয়। যে পদ
সর্বদা অপরিবর্তনীয় থেকে কখনো বাক্যের
শোভা বর্ধন করে, কখনো একাধিক পদের,
বাক্যাংশের বা বাক্যের সয়যোগ বা বিয়োগ
ঘটায়, তাকে অব্যয় পদ বলে। যেমন: আর,
আবার, ও, হ্যাঁ, না, যদি, যথা, আলবত, বহুত।
১৪৮। রোসাঙ্গ রাজসভা কোথায় অবস্থিত
ছিলো? [৩৭ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ মিয়ানমার বা বার্মায় অবস্থিত
ছিলো। রোসাঙ্গ রাজসভা হচ্ছে আরাকান
রাজসভার সংস্কৃত নাম।
১৪৯। রোসাঙ্গ রাজসভা বাংলা সাহিত্যের
জন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন?[৩৭ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ রোসাঙ্গ রাজসভা বা আরাকান
রাজসভায় বা সাহিত্য চর্চা হতো তাই এটি
বাংলা সাহিত্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
১৫০। অন্ধকার যুগের সাহিত্যের নিদর্শন কী
কী? [৩৭ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ অন্ধকার যুগের উল্লেখযোগ্য সাহিত্য
হলো, রামাই পণ্ডিত রচিত শূন্যপুরাণ এবং
হলায়ুধ মিত্র রচিত সেক শুভদয়া।

Want your school to be the top-listed School/college in Sunamganj?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address

Sunamganj
3000