Chemistry

Chemistry

Share

Here you can post questions, pictures, videos, and everything you want about chemistry. Disclaimer :

None of these images are mine, unless stated otherwise.

Chemistry is a branch of science that deals with the structure and composition of matter. It covers the study of the properties of matter, the chemical reactions that they undergo and the way in which the knowledge of matter can be applied to everyday life. Unfortunately the sources of these photos are unknown and I try my hardest to credit unless I don't know the original source. If you see a pho

27/03/2020

হ্যালো বন্ধুরা যারা ইন্টারমেডিয়েট পড়ো,তারা প্রায়ই কোনটা প্রাইমারী স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ?আর কোনটা সেকেন্ডারী স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ?তা নিয়ে প্যাঁচ লাগে মনে রাখতে পারো না? নিচের কথাগুলো পড়ো ১০০% গ্যারান্টি জীবনে আর কখনো প্যাঁচ লাগবেনা।


টেকনিকঃযেসব যৌগে C বর্ণ আছে তারা সবাই
প্রাইমারী স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ।
হোক সেটা কার্বন (C)
হোক সেটা ক্রোমিয়াম (Cr)
হোক সেটা ক্লোরিন (Cl) ।
C বর্ণ থাকলেই সেটা প্রাইমারী স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ ।
যেমন-Na2CO3, H2C2O4.2H2O, K2Cr2O7,
Na2C2O4.2H2O.
ব্যতিক্রম - HCl .অর্থাৎ এ যৌগে C বর্ণ
থাকা সত্বেও এটি প্রাইমারী স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ নয় ।
এটি সেকেন্ডারী স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ।

যেসব যৌগে C বর্ণ নেই তারা সেকেন্ডারী স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ।
যেমন-NaOH, H2SO4, KMnO4,
NA2S2O3.5H2O.
এবার বইয়ের সাথে মিলিয়ে নাও।দেখো ট্রিক্সটা কাজ করে কিনা?যদি করে তবে কমেন্ট করে মতামত দাও।
যারা নিয়মিত লাইক,কমেন্ট করে না তারা আর কোন পোষ্ট দেখতে পারবে না এটার ১০০% গ্যারান্টি দিচ্ছি।

12/11/2019

ূন্য_তাপমাত্রা:যে নিম্ন তাপমাত্রায় কোনো গ্যাসের আয়তন ও চাপ শূন্য হয় অর্থাৎ যার নিচে আর কোনো তাপমাত্রা থাকে না তাকে পরম শূন্য তাপমাত্রা বলে।

#উষ্ণতার_পরম_স্কেল_বা_কেলভিন_স্কেল : -273 ডিগ্রি সেলসিয়াস উষ্ণতাকে শুন্য ডিগ্রি ধরে এবং উষ্ণতার প্রতি ডিগ্রির ব্যবধানকে এক সেলসিয়াস ডিগ্রির সমান করে যে উষ্ণতার স্কেল পাওয়া যায় তাকে উষ্ণতার পরম স্কেল কিংবা কেলভিন স্কেল বলা হয় ।

#সেলসিয়াস_স্কেল_এবং_পরম_স্কেলের_মধ্যে_সম্পর্ক:
C/5=F-31/9=K-273/5

12/11/2019

: STP এর পুরো নাম Standard Temperature and Pressure ( বা প্রমাণ তাপমাত্রা ও চাপ )।
S.T.P.-তে T=273K, P =1 ‍atm=760 mm(Hg)=101.325KPa, V=22.4L

: ‍SATP এর পুরো নাম ‍Standard Ambient Temperature and Pressure/Standard Atmospheric Temperature and Pressure.
S.A.T.P-তে তাপমাত্রা 25 ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড বা T=298K, V=24.789L, P=10^(2) KPa

12/11/2019

#তাপ_ও_তাপমাত্রা

#তাপ : তাপ হলো এক প্রকার শক্তি যা ঠান্ডা ও গরমের অনুভূতি জাগায়। তাপ উষ্ণতর বস্তু থেকে শীতলতর বস্তুর দিকে প্রবাহিত হয়। সুতরাং উষ্ণতার পার্থক্যের জন্য যে শক্তি এক বস্তু থেকে অন্য বস্তুতে প্রবাহিত হয় তাকে তাপ বলে।

তাপের এককঃ SI পদ্ধতিতে তাপের একক হলো জুল (J)। পূর্বে তাপের একক হিসাবে ক্যালরি (Cal) ব্যবহৃত হতো।

ক্যালরি এবং জুলের মধ্যে সম্পর্ক হলো 1 Cal = 4.2 J।

#তাপমাত্রা : তাপমাত্রা হচ্ছে কোনো বস্তুর এমন এক তাপীয় অবস্থা যা নির্ধারণ করে ঐ বস্তুটি অন্য বস্তুর তাপীয় সংস্পর্শে এলে বস্তুটি তাপ হারাবে না গ্রহণ করবে।

তাপমাত্রার এককঃ আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে তাপমাত্রার একক কেলভিন(K)

#ত্রৈধবিন্দু : যে নির্দিষ্ট তাপমাত্রা এবং চাপে পানি তিনটি অবস্থায় অর্থাৎ বরফ, পানি, জলীয়বাষ্পরূপে অবস্থান করে তাকে পানির ত্রৈধবিন্দু বলা হয়। এই ত্রৈধবিন্দুর তাপমাত্রাকে 273K ধরা হয়। পানির ত্রৈধবিন্দুর 1/273.16 ভাগকে এক কেলভিন বলে (K)।

Chemistry Here you can post questions, pictures, videos, and everything you want about chemistry.

12/11/2019

#বায়ুমণ্ডল

#পৃথিবীর_বায়ুমণ্ডল


পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল বলতে পৃথিবীকে চারপাশে ঘিরে থাকা বিভিন্ন গ্যাস মিশ্রিত স্তরকে বুঝায়, যা পৃথিবী তার মধ্যাকর্ষণ শক্তি দ্বারা ধরে রাখে। একে আবহমণ্ডল-ও বলা হয়। এই বায়ুমন্ডল সূর্য থেকে আগত অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে পৃথিবীতে জীবের অস্তিত্ব রক্ষা করে। এছাড়ও তাপ ধরে রাখার মাধ্যমে (গ্রীনহাউজ প্রতিক্রিয়া) ভূপৃষ্টকে উত্তপ্ত করে এবং দিনের তুলনায় রাতের তাপমাত্রা হ্রাস করে।

শ্বাস-প্রশ্বাস ও সালোকসংশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত বায়ুমন্ডলীয় গ্যাসসমূহের প্রদত্ত প্রচলিত নাম বায়ু বা বাতাস। পরিমাণের দিক থেকে শুষ্ক বাতাসে ৭৮.০৯% নাইট্রোজেন,২০.৯৫% অক্সিজেন, ০.৯৩% আর্গন, ০.০৩% কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং সামান্য পরিমাণে অন্যান্য গ্যাস থাকে।বাতাসে এছাড়াও পরিবর্তনশীল পরিমাণ জলীয় বাষ্প রয়েছে যার গড় প্রায় ১%।বাতাসের পরিমাণ ও বায়ুমন্ডলীয় চাপ বিভিন্ন স্তরে বিভিন্ন রকম হয়,স্থলজ উদ্ভিদ ও স্থলজ প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য উপযুক্ত বাতাস কেবল পৃথিবীর ট্রপোমণ্ডল এবং কৃত্রিম বায়ুমণ্ডলসমূহে পাওয়া যাবে।

বায়ুমন্ডলের ভর হচ্ছে প্রায় ৫×১০১৮ কেজি,যার তিন চতুর্থাংশ পৃষ্ঠের প্রায় ১১ কিলোমিটারের (৩৬,০০০ ফুট ৬.৮ মাইল) মধ্যে থাকে। উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বায়ুমন্ডল পাতলা হতে থাকে এবং বায়ুমণ্ডল ও মহাশূন্যের মধ্যে কোন নির্দিষ্ট সীমা নেই। কারম্যান রেখা, 100 কিলোমিটার (62 মাইল), অথবা পৃথিবীর ব্যাসার্ধ এর 1.57% এ, প্রায়ই বায়ুমণ্ডল এবং মহাশূন্যে মধ্যে সীমান্ত হিসাবে ব্যবহৃত হয়। কারম্যান রেখা যা পৃথিবীর সমুদ্রপৃষ্ট থেকে ১০০ কিলোমিটার (৬২ মাইল) উপরে অথবা পৃথিবীর ব্যাসার্ধের ১.৫৭% প্রায়ই বায়ুমণ্ডল এবং মহাশূন্যের মধ্যে সীমান্ত হিসাবে ব্যবহার করা হয়।বায়ুমন্ডলীয় প্রভাবসমূহ পরিলক্ষিত হয় যখন মহাকাশযান প্রায় ১২০ কিলোমিটার (৭৫ মাইল) উচ্চতায় অথ্যাৎ কারম্যান রেখার উপরে গমন করে।বৈশিষ্ট্য যেমন তাপমাত্রা ও গঠনের উপর ভিত্তি করে বায়ুমন্ডলকে কয়েকটি স্তরে ভাগ করা যায়।

12/11/2019

#পরিবেশ


পরিবেশ:- 'পরিবেশ বলতে কোনো ব্যবস্থার ওপর কার্যকর বাহ্যিক প্রভাবকসমূহের সমষ্টিকে বোঝায়।’
যেমন: চারপাশের ভৌত অবস্থা, জলবায়ু ও প্রভাব বিস্তারকারী অন্যান্য জীব ও জৈব উপাদান ইত্যাদির সামষ্টিক রূপই হলো পরিবেশ। পরিবেশের প্রতিটি উপাদানের দ্বারাই একজন ব্যক্তি বা প্রাণী বা জীব এমনকি উদ্ভিদ প্রভাবিত হয়ে থাকে। এই প্রভাবকসমূহের মধ্যে থাকে প্রাকৃতিক এবং অপ্রাকৃতিক বা কৃত্রিম পারিপার্শ্বিক উপাদানসমূহ।

#পরিবেশের_উপাদানসমূহ


পরিবেশের উপাদানসমূহ:
পরিবেশের উপাদানসমূহের মধ্যে রয়েছে- যেমন: গাছ-পালা , নদী-নালা , খাল-বিল , রাস্তা-ঘাট , ঘর-বাড়ি , জল , সূর্য , মাটি ,বায়ু , নৌকা ,পশু-পাখি , বিদ্যালয় , দালান-কোঠা ইত্যাদি তথা আমাদের চারপাশের সকল কিছুই পরিবেশের অংশ ।

#পরিবেশের_শ্রেনীবিভাগ


পরিবেশের শ্রেনীবিভাগ:-প্রাকৃতিক পরিবেশ : প্রাকৃতিক পরিবেশ হচ্ছে সেই পরিবেশ যা প্রকৃতি নিজে নিজে তৈরি করে। এগুলো হচ্ছেঃগাছ,পাহড়-পর্বত,ঝর্ণা,নদী ইত্যাদি। এগুলো মানুষ সৃষ্টি করতে পারে না। এগলো প্রাকৃতিক ভবেই সৃষ্টি হয়।

মানুষের তৈরি পরিবেশ : মানুষের তৈরি পরিবেশ হচ্ছে দালান-কোঠা,নগরায়ন,বন্দর ইত্যাদি। এগুলো মানুষ নিজের প্রয়োজনের তাগিদে তৈরি করে।

#পরিবেশ_দূষণ_ও_অবক্ষয়


পরিবেশ দূষণ ও অবক্ষয়:
আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত এবং লাভা প্রবাহের দৃশ্য।
পরিবেশের প্রতিটা উপাদানের সুসমন্বিত রূপই হলো সুস্থ পরিবেশ। এই সুসমন্বিত রূপের ব্যতয়ই পরিবেশের দূষণ ঘটায় এবং পরিবেশের স্বাভাবিক মাত্রার অবক্ষয় দেখা দেয়। পরিবেশ বিভিন্ন কারণে দুষিত হতে পারে। প্রাকৃতিক কারণের পাশাপাশি মানবসৃষ্ট কারণও এর সাথে দায়ী। পরিবেশ দূষণের জন্য বিশেষভাবে দায়ী ১২টি মারাত্মক রাসায়নিক দ্রব্যকে একত্রে ডার্টি ডজন বা নোংরা ডজন হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। এই ১২টি রাসায়নিক দ্রব্যের মধ্যে ৮টি কীটনাশক অলড্রিন (aldrin), ডায়েলড্রিন (dieldrin), ক্লোরডেন (chlordane), এনড্রিন (endrin), হেপ্টাক্লোর (heptachlor), ডিডিটি (DDT), মিরেক্স (mirex), এবং টক্সাফেন (toxaphene); দুটি শিল্পজাত রাসায়নিক দ্রব্য পিসিবি (PCBs) এবং হেক্সাক্লোরোবেনজিন (hexachlorobenzene); এবং অন্য দুটো হলো কারখানায় উৎপন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত উপজাত: ডাইওক্সিন (dioxin) এবং ফিউরান (furan)। খাদ্যচক্রে প্রবেশ করে পৃথিবীব্যাপী সব পরিবেশের সব ধরণের জীবজন্তুর উপর তীব্র প্রতিক্রিয়া ঘটায় এই বিষাক্ত পদার্থগুলো। ত্রুটিপূর্ণ শিশুর জন্ম, ক্যান্সার উৎপাদন, ভ্রুণ বিকাশের নানাবিধ সমস্যার মূলেই দায়ী থাকে এই ডার্টি ডজন।

11/11/2019
11/11/2019

তুল্য সংখ্যা এবং তুল্য ভরের ধারণা না থাকায় আমরা অনেক সময় ম্যাথ পারি না ।

তুল্য ভর =আণবিক ভর / তুল্য সংখ্যা

তুল্য সংখ্যা কি কি হতে পারে ?

-এসিড এর ক্ষেত্রে প্রতিস্থাপন যোগ্য হাইড্রোজেন সংখ্যা
-ক্ষারের ক্ষেত্রে প্রতিস্থাপন যোগ্য হাইড্রোক্সাইড সংখ্যা
-মৌলের ক্ষেত্রে যোজনী
-লবণের ক্ষেত্রে ধাতুর পরমাণুর সংখ্যা
-জারণ বা বিজারণ বিক্রিয়ায় কোন যৌগের কেন্দ্রীয় পরমাণুর জারণ সংখ্যার পরিবর্তন
-অম্লধর্মী পদার্থের ক্ষেত্রে ক্ষারকত্ব
-ক্ষারধর্মী পদার্থের ক্ষেত্রে অম্লত্ব

তাহলে দেখ , H2SO4 বা সালফিউরিক এসিডে H 2 টা , তাই এর তুল্য সংখ্যা ২ । আবার অম্লীয় মাধ্যমে পটাসিয়াম পার ম্যাংগানেট এর ম্যাঙ্গানিজ এর জারণ সংখ্যা +7 থেকে +2 হয় । এখানে জারণ সংখ্যার পরিবর্তন ৫ । তাই তুল্য সংখ্যা ৫ ।।

এভাবে বের করে ম্যাথ সহজে করা যায় কারণ ,

নরমালিটি = মোলারিটি x তুল্য সংখ্যা

02/11/2019

ক্রোমাটোগ্রাফিঃ
ক্রোমাটোগ্রাফি হলো এক ধরনের বিশ্লেষণী পদ্ধতি, যাতে জৈব যৌগের দুই বা ততোধিক উপাদানের কোনো মিশ্রণকে একটি স্থির মাধ্যমে রেখে এবং অপর একটি সচল মাধ্যমকে ঐ স্থির মাধ্যমের সংস্পর্শে প্রবাহিত করে, মিশ্রণের উপাদানগুলোর অধিশোষণ মাত্রা বা বণ্টন সহগের ওপর ভিত্তি করে এদেরকে বিভিন্ন স্তরে পৃথক করা সম্ভব হয়, তাকে ক্রোমাটোগ্রাফি বলে।

বিশ্লষণী রসায়নঃ
বিশ্লষণী রসায়ন হচ্ছে প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম পদার্থের রাসায়নিক উপাদানের বিচ্ছেদ, সনাক্তকরণ এবং বৈশিষ্ট্যযুক্তকরণ নিয়ে গবেষণা। গুণগত বিশ্লেষণ নমুনায় রাসায়নিক প্রজাতির পরিচয়ের একটি ইঙ্গিত দেয় এবং পরিমাণগত বিশ্লেষণ পদার্থের নির্দিষ্ট উপাদানের পরিমাণ নির্ধারণ করে। উপাদান বিচ্ছেদ প্রায়ই বিশ্লেষণের পূর্বে সঞ্চালিত করা হয়।

02/11/2019

জৈব রসায়ন

ফ্রেডরিখ ভোলার, জৈব রসায়নের জনক

বৈশিষ্ট্য
জৈব যৌগসমূহ সাধারণত মিশ্রণ হিসেবে থাকে, আর তাই এদেরকে পৃথকীকরণ, যৌগের বিশুদ্ধতা নির্ণয় ইত্যাদি পদ্ধতি উদ্ভাবিত হয়েছে, বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ ক্রোম্যাটোগ্রাফিতে এসকল যৌগের ব্যাপক প্রয়োগের জন্য। জৈব যৌগসমূহের পৃথকীকরণের ক্ষেত্রে প্রচলিত পদ্ধতির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল কেলাসন, পাতন, দ্রবণ নিষ্কাশন। জৈব যৌগসমূহকে পূর্বে বিভিন্ন রাসায়নিক প্রক্রিয়া যেমন সিক্ত পরীক্ষা দ্বারা পৃথক করা হত। কিন্তু বর্তমানে এসকল পরীক্ষার পরিবর্তে আরো অত্যাধুনিক পদ্ধতি যেমন বর্ণালিবীক্ষণ, কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরীক্ষা করা হয়।[৪] উপযোগিতা অনুসারে কিছু প্রধান বিশ্লেষণিক পরীক্ষা পদ্ধতি হলঃ

নিউক্লীয় চৌম্বক অনুরণন বর্ণালিবীক্ষণঃ যৌগে কার্বন ও হাইড্রোজেনের পরমাণু সঠিকভাবে নির্ধারণের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতিটি সবচেয়ে প্রচলিত। এছাড়া স্টেরিওরসায়ন সংক্রান্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষাতেও এটি প্রয়োগ করা হয়।

উপদানগত বিশ্লেষণঃ এক্ষেত্রে অণুতে উপাদানগত সংযুক্তি নির্ণয়ের জন্য একটি ধ্বংসাত্মক পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।

ভর বর্ণালিবীক্ষণঃ যৌগের গঠন থেকে আণবিক ভর নির্ণয়ে এটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। উচ্চ রেজ্যোলুশনের ভর বুরণলিবীক্ষণের মাধ্যমে যৌগের সঠিক সংকেত নির্ণয় সম্ভব। পূর্বে ভর বর্ণালিবীক্ষণ শুধুমাত্র আধান নিরপেক্ষ অণুর ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হত তবে আধুনিক আয়নিকরণ পদ্ধতির মাহ্যমে নিরপেক্ষ বা আধানযুক্ত যেকোন অণুর ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়।

ক্রিস্ট্যালোগ্রাফিঃ এটি একটি দ্ব্যর্থহীন পদ্ধতি যার মাধ্যমে অণুর জ্যামিতিক গঠন নির্ণয় করা হয়। তবে যে পদার্থের অণুর ক্ষেত্রে এটি প্রয়োগ করা সেটি অবশ্যই কেলাসাকার হতে হবে।
প্রচলিত বর্ণালিবীক্ষণ পধতির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ ইনফ্রারেড বর্ণালিবীক্ষণ, অপটিক্যাল রোটেশন, UV/VIS বর্ণালিবীক্ষণ। এগুলো সাধারণত নির্দিষ্ট শ্রেণীর অন্তর্গত যৌগের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়।

ধর্ম
জৈব যৌগের ভৌত ধর্মের মধ্যে পরিমাণগত এবং গুণগত উভয় ধর্মই অন্তর্ভুক্ত। পরিমাণগত বৈশিষ্টসমূহের মধ্যে রয়েছে গলনাঙ্ক, স্ফুটনাঙ্ক, প্রতিসরাঙ্ক। গুণগত বৈশিষ্টসমূহের মধ্যে রয়েছে গন্ধ, দ্রাব্যতা এবং বর্ণ।

গলনাঙ্ক এবং স্ফুটনাঙ্ক
অজৈব যৌগসমূহের তুলনায় জৈব যৌগসমূহ নিম্ন তাপমাত্রায় গলতে শুরু করে বা বাষ্পীভূত হতে শুরু করে। পূর্বে গলনাঙ্ক এবং স্ফুটনাঙ্কের মাধ্যমে জৈব যৌগসমূহের সনাক্তকরণ ও বিশুদ্ধতা নির্ণয় করা হত। জৈব যৌগের পোলারিটির সাথে গলনাঙ্ক এবং স্ফুটনাঙ্ক পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। কিছু জৈব যৌগ, বিশেষ করে প্রতিসম যৌগসমূহ না গলেই বাষ্পীভূত হয়। এ ধরনের যৌগসমূহকে বলে উদ্বায়ী যৌগ। যেমন প্যারা ডাই-ক্লোরো বেনজিন একটি উদ্বায়ী যৌগ। ৩০০° সে. এর উপরে জৈব যৌগসমূহ সাধারণত স্থায়ী হয় না। তবে কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে।

বর্ণ
জৈব যৌগসমূহ সাধারণত বর্ণহীন অথবা সাদা হয়ে থাকে। তবে যেসকল জৈব যৌগের অণুতে কয়েকটি ঘনসন্নিবিষ্ট বহুবন্ধন থাকে সেগুলোতে এর ব্যতিক্রম দেখা যায়। এই যৌগগুলো সাধারণত গাঢ় বর্ণের হয়। জৈব রঞ্জক ক্যারোটীন ও হিমি এ ধরনের যৌগ যারা ঘনসন্নিবিষ্ট অবস্থা ও বর্ণের মধ্যে সম্পর্ক প্রকাশ করে। অবিশুদ্ধ জৈব যৌগ এবং অনেক জৈব পদার্থ প্রায়ই হলুদ বা বাদামী রঙের হয়ে থাকে, কারণ এক্ষেত্রে সামান্য পরিমাণে রঙিন অবিশুদ্ধ দ্রব্য থাকে।

দ্রাব্যতা
নিরপেক্ষ জৈব যৌগসমূহ পানিতে সামান্য মাত্রায় দ্রবণীয় তবে জৈব দ্রাবকে এরা সম্পূর্ণ দ্রবণীয়। এর ব্যতিক্রম হল কম আণবিক ভর সম্পন্ন অ্যালকোহল, অ্যামিন ও কার্বক্সিলিক এসিড যেখানে হাইড্রোজেন বন্ধন বিদ্যমান এবং সেসব জৈব যৌগ যেগুলোতে আয়নায়নসম্পন্ন গ্রুপ থাকে। জৈব যৌগসমূহ জৈব দ্রাবকে দ্রবীভূত হওয়ার প্রবণতা দেখায়। দ্রাবক বিশুদ্ধ যেমন ইথার, ইথাইল অ্যালকোহল বা মিশ্রণ যেমন বিভিন্ন পেট্রোলিয়াম ইথার হতে পারে। এছাড়া পেট্রোলিয়াম হতে প্রাপ্ত সুগন্ধিযুক্ত দ্রাবকেও জৈব যৌগ দ্রবীভূত হয়। বিভিন্ন দ্রাবকে জৈব যৌগের দ্রাব্যতা দ্রাবক এবং যৌগে উপস্থিত কার্যকরী মূলকের উপর নির্ভর করে।

জৈব যৌগের শ্রেণীবিভাগ
কার্যকরী মূলক
মূল নিবন্ধ: কার্যকরী মূলক

কার্বক্সিলিক এসিডসমূহ কার্বক্সিলিক মূলক ধারণ করে। যেমন এ্যাসিটিক এসিড একটি কার্বক্সিলিক এসিড
জৈব যৌগের শ্রেণীবিভাগের ক্ষেত্রে এবং বৈশিষ্ট নির্ণয়ে কার্যকরী মূলকের ধারণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোন সমগোত্রীয় শ্রেণীর ধর্ম নিয়ন্ত্রণকারী মূলকই কার্যকরী মূলক নামে পরিচিত। জৈব যৌগসমূহের রাসায়নিক এবং ভৌত ধর্মের উপর কার্যকরী মূলকের প্রভাব বিদ্যমান। জৈব যৌগসমূহকে কার্যকরী মূলকের ভিত্তিতেই শ্রেণীবিভিগ করা হয়। যেমন, অ্যালকোহল একটি সমগোত্রীয় শ্রেণী যার কার্যকরী মূলক হল –OH । অ্যালকোহলসমূহ পানিতে সামান্য পরিমাণে দ্রবণীয়, এরা এস্টার এবং হ্যালাইড গঠন করে থাকে। অধিকাংশ কার্যকরী মূলকে কার্বন ও হাইড্রোজেন থাকে না।

অ্যালিফেটিক যৌগ
যে সব জৈব যৌগের অণুতে কার্বন পরমাণুসমূহের মুক্ত শিকল বিদ্যমান তাদের অ্যালিফেটিক যৌগ বলা হয়। যেমন :

CH4, CH3-CH3, CH3-CH2-OH

অ্যালিফেটিক যৌগসমূহকে তাদের সম্পৃক্ততার ভিত্তিতে তিনটি সমগোত্রীয় শ্রেণীতে বিভিক্ত করা হয়ঃ

প্যারাফিন ঃ দ্বিবন্ধন বা ত্রিবন্ধনবিহীন অ্যালকেন
অলেফিন বা অ্যালকিন ঃ যেগুলোতে এক বা একাধিক দ্বিবন্ধন উপস্থিত থাকে
অ্যালকাইন ঃ যেগুলোতে এক বা একাধিক ত্রিবন্ধন থাকে।
অবশিষ্ট যৌগসমূহকে তাদের কার্যকরী মূলক অনুসারে শ্রেণীবিভাগ করা হয়। এগুলো সরল শিকল, শাখায়িত শিকল বা চাক্রিক হতে পারে। শিকলের ডিগ্রী যৌগের ধর্মকে প্রভাবিত করে। যেমন পেট্রোলিয়াম রসায়নে অক্টেন নাম্বার বা কিটোন নাম্বার যৌগের ধর্মকে প্রভাবিত করে।

অ্যারোমেটিক যৌগ
সমতলীয় চাক্রিক কাঠামো বিশিষ্ট যে সব জৈব যৌগে (4n+2) সংখ্যক সঞ্চারণশীল π (পাই) ইলেকট্রন থাকে তাদের অ্যারোমেটিক যৌগ বলে .

বেনজিন একটি সরল এবং সবচেয়ে পরিচিত অ্যারোমেটিক যৌগ।
অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বনে অনুবন্ধী দ্বিবন্ধন উপস্থিত থাকে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হল বেনজিন, জার্মান রসায়নবিদ ফ্রেডরিখ অগাস্ট কেকুল কর্তৃক আবিষ্কৃত বেনজিনের ষড়ভুজীয় কাঠামোতে ইলেক্ট্রনের ডিলোকালিজেশন বা অনুরণন বিদ্যমান। প্রচলিত চাক্রিক যৌগসমূহে 4n + 2 সংখ্যক ডিলোকালাইজ্‌ড পাই ইলেক্ট্রন উপস্থিত থাকার কারণে অ্যারোমেটিসিটির উদ্ভব হয়। আবার 4n সংখ্যক অনুবন্ধী পাই ইলেক্ট্রন উপস্থিত থাকার কারণে যৌগের অ্যারোমেটিসিটির হ্রাস ঘটে।

হেটেরোসাইক্লিক যৌগ
হেটেরো-পরমাণুর উপস্থিতিতে চাক্রিক হাইড্রোকার্বনের ধর্মের পরিবর্তন ঘটে। এসব পরমাণু চাক্রিক জৈব যৌগের সাথে বহিস্থভাবে সংযুক্ত (এক্সোসাইক্লিক) থাকতে পারে আবার অভ্যন্তরেও যুক্ত (এন্ডোসাইক্লিক) থাকতে পারে। এন্ডোসাইক্লিকের ক্ষেত্রে চাক্রিক কাঠামোর অণুটিকে বলা হয় হেটেরোসাইকেল। পিরিডিন এবং ফিউরান হল অ্যারোমেটিক হেটেরোসাইক্লিকের উদাহরণ, পাইপিরিডিন এবং টেট্রাহাইড্রোফিউরান হল যথাক্রমে পিরিডিন ও ফিউরানের অ্যালিসাইক্লিক হেটেরোসাইকেল। হেটেরোসাইক্লিক অণুতে যেসকল হেটেরো-পরমাণু সাধারণত থাকে তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল অক্সিজেন, সালফার, নাইট্রোজেন। অ্যানিলিন রঞ্জকপদার্থসমূহ হল গ্রুপ হিসেবে হেটেরোসাইক্লিকের উদাহরণ। এছাড়া প্রানরসায়নে আলোচিত অধিকাংশ যৌগই যেমন অ্যালকালয়েড, ভিটামিনের সাথে সম্পৃক্ত যৌগ, স্টেরয়েড সমূহ, নিউক্লিক এসিড এবং বিভিন্ন ঔষধ এধরনের যৌগের উদাহরণ। তুলনামূলকভাবে সরল কাঠামোর হেটেরোসাইক্লিকের উদাহরণ হল পাইরোল (৫ সদস্য বিশিষ্ট) এবং ইন্ডোল (৬ সদস্য বিশিষ্ট চাক্রিক কার্বন কাঠামো)।

একটি চাক্রিক কাঠামো অন্য আরেকটি চাক্রিক কাঠামোর অণুর সাথে যুক্ত হয়ে পলিসাইক্লিক যৌগ গঠন করতে পারে। পিউরিন নিউক্লিয়সাইড ক্ষারসমূহ পলিসাইক্লিক অ্যারোমেটিক হেটেরোসাইকেলের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। এধরনের অণু আরেকটি অণুর সাথে কোনাকুনিভাবে যুক্ত হতে পারে, তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই একটি পরমাণুর (প্রায় সবক্ষেত্রেই কার্বন) দুইটি বন্ধন থাকতে হবে যার একটি চক্রের সাথে সংযুক্ত হবে এবং অন্যটি অন্যান্য পরমাণুর সাথে যুক্ত হবে। এ ধরনের যৌগকে বলে স্পাইরো, প্রাকৃতিক যৌগসমূহে প্রচুর পরিমাণে এসকল যৌগ বিদ্যমান।

পলিমার

সাতার কাটার বোর্ডটি পলিস্টাইরিনের তৈরি যা একটি পলিমার।
মূল নিবন্ধ: পলিমার
কার্বনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট হল, কার্বন পরমাণু আরেকটি কার্বনপরমাণুর সাথে কার্বন-কার্বন বন্ধনের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে বিশালাকার চেইন বা শিকল গঠন করে। এভাবে যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় পলিমারাইজেশন আর এধরনের শিকল কাঠামোকে বলে পলিমার। মূল পরমাণু, যেটি একটির সাথে আরেকট যুক্ত হয়ে এধরনের যৌগ গঠন করে তাকে বলে মনোমার। পলিমার প্রধানত দুই প্রকারঃ একটি হল কৃত্রিমভাবে তৈর পলিমার, এগুলোকে বলে শিল্প-পলিমার বা সংশ্লেষিত পলিমার;[৫] আরেক ধরনের পলিমার হচ্ছে প্রাকৃতিক পলিমার।

প্রথম কৃত্রিমভাবে তৈরি পলিমার হল ব্যাকেলাইট। পরবর্তিতে কৃত্রিম পলিমারের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। সবচেয়ে পরিচিত সংশ্লেষিত জৈব পলিমারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল পলিইথিলিন (পলিথিন), পলিপ্রপাইলিন, নাইলন, টেফলন (PTFE), পলিস্টাইরিন, পলিয়েস্টার, পলিমিথাইলমিথাক্রাইলেট এবং পলিভিনাইলক্লোরাইড (PVC). সিনথেটিক এবং প্রাকৃতিক রাবার উভয়ই পলিমার। এসকল পলিমার একই শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত। পলিমারাইজেশনের শর্তের পরিবর্তনের মাধ্যমে পলিমারসমূহের রাসায়নিক সংযুক্তির পরিবর্তন ঘটে। এক্ষেত্রে যৌগের শিকলের দৈর্ঘ্য, শাখার সংখ্যা ইত্যাদির পরিবর্তন ঘটে। একটি মনোমারের মাধ্যমে যখন যৌগ গঠিত হতে শুরু করে, তখন তাকে বলে হোমোপলিমার। একাধিক অংশ যুক্ত হয়ে হেটেরোপলিমার তৈরি করে। তবে ভৌত ধর্মসমূহ যেমন- কাঠিন্য, ঘনত্ব, তাপীয় রোধ, স্বচ্ছতা, বর্ণ ইত্যাদি পলিমারের সর্বশেষ সংযুক্তির উপর নির্ভরশীল।

প্রাণঅণু

মাইটোটক্সিন, একটি জটিল জৈব বিষাক্ত পদার্থ।
জৈব রসায়নের অন্যতম প্রধান শাখা প্রাণরসায়ন। জীবদেহে অনেক বহুমুখী জটিল বিশালাকার অণু রয়েছে এবং এগুলো জীবের বিভিন্ন কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিছু অণু বিশালাকার জৈব পলিমার, যেমন- পেপ্টাইড, DNA, RNA এবং পলিস্যাকারাইডসমূহ যেমন- প্রাণীদেহের শর্করা ও উদ্ভিদে সেলুলোজ। অন্যান্য প্রধান যৌগের মধ্যে রয়েছে অ্যামিনো এসিড (প্রোটিনের মনোমার), কার্বোহাইড্রেট, নিউক্লিক এসিড, লিপিড। এছাড়া প্রাণরসায়নের বিভিন্ন ক্ষুদ্রাকার অনূ নিয়েও আলোচনা করে যারা শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে এবং পরিশেষে আইসোপ্রিন তৈরি করে। প্রাণীদেহে আইসোপ্রিন গুরুত্বপূর্ণ স্টেরয়েড কাঠামো এবং স্টেরয়েড হরমোন যৌগসমূহ গঠন করে। এটি উদ্ভিদে টারপিন, টারপিনোইড, অ্যালকালয়েড এবং কিছু হাইড্রোকার্বন গথন করে, এসব হাইড্রোকার্বনকে বলে বায়োপলিমার ।

ফুলারিন
ফুলারিন এবং কার্বন ন্যানোটিউব হল কার্বনের বিশেষ রূপ, যাকে বলে কার্বনের বহুরূপী। এটি ৬০টি কার্বন পরমাণুর প্রত্যেকটির সাথে অপর চারটির চতুস্তুলকীয় একক বন্ধন দ্বারা যুক্ত ফুটবলের ন্যায় গোলাকার অণু (C60)। Material Science বা বস্তুবিদ্যায় এ বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

02/11/2019

রাসায়নিক গণনা
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও সংজ্ঞা:

যৌগের যে কোন মৌলের শতকরা পরিমাণ =
1 amn = 1.66056×10-24g
স্থূল সংকেত যৌগের অণুতে বিদ্যমান বিভিন্ন মৌলের পরমাণু সংখ্যার ক্ষুদ্রতম অনুপাত প্রকাশ করে
আণবিক সংকেত = n× স্থূল সংকেত
অ্যাভোগ্যাড্রোর সংখ্যা, N = 6.023×1023


মোল ভগ্নাংশ : দ্রবণের কোন উপাদানের মোল সংখ্যা ও দ্রবণে বিদ্যমান সব উপাদানের মোল সংখ্যার যোগফলের অনুপাতকে সে উপাদানের মোল ভগ্নাংশ বলা হয়


স্থূল সংকেত : কোন যৌগের অণুতে কোন কোন মৌল আছে এবং সে সব মৌলের পরমাণুসমূহের সংখ্যা কি ক্ষুদ্রতম পূর্ণসংখ্যার অনুপাতে আছে, তার সংক্ষিপ্ত প্রকাশকে ঐ যৌগের স্থূল সংকেত বলে


আণবিক সংকেত : কোন যৌগের অণুতে কোন কোন মৌল আছে এবং প্রতিটি মৌলের পরমাণুসমূহের প্রকৃত সংখ্যা কত তার সংক্ষিপ্ত প্রকাশকে ঐ যৌগের আণবিক সংকেত বলে


মোল : কোন যৌগের আণবিক ভরকে গ্রামে প্রকাশ করলে যে পরিমাণ পাওয়া যায় সে পরিমাণকে তার এক মোল বলে


গ্রাম পারমাণবিক ভর : কোন মৌলের পারমাণবিক ভরকে গ্রামে প্রকাশ করলে যে পরিমাণ পাওয়া যায়, সে পরিমাণকে তার এক গ্রাম-পারমাণবিক ভর বলা হয়; আধুনিক নিয়মে একেও এক মোল পরমাণু বলা হয়


অ্যাভোগ্যাড্রো সংখ্যা : কোন বস্তুর এক মোল পরিমাণে যত সংখ্যক অণু থাকে, সেই সংখ্যাকে অ্যাভোগ্যাড্রো সংখ্যা বলে। একে দ্বারা প্রকাশ করা হয়। এর মান হচ্ছে 6.023×1023


মোলার দ্রবণ : কোন দ্রবণের প্রতি লিটারে দ্রব দ্রবীভূত থাকলে তাকে মোলার দ্রবণ বলে


মোলারিটি দ্রবণ : কোন দ্রবণের প্রতি লিটারে দ্রবীভূত দ্রবের মোল সংখ্যাকে ঐ দ্রবণের মোলারিটি বলে


মোলালিটি : প্রতি দ্রাবকে দ্রবীভূত দ্রবের মোল সংখ্যাকে দ্রবণের মোলালিটি বলে


টাইট্রেশন বা অনুমাপন : উপযুক্ত নির্দেশকের উপস্থিতিতে একটি নির্দিষ্ট আয়তনের কোন পরীক্ষাধীন দ্রবণের সাথে একটি প্রমাণ দ্রবণের মাত্রিক বিক্রিয়া সংঘটিত করে প্রমাণ দ্রবণের তুল্য আয়তন নির্ণয়ের মাধ্যমে পরীক্ষাধীন দ্রবণের ঘনমাত্রা নির্ণয়ের পদ্ধতিকে টাইট্রেশন বা অনুমাপন বলে


দ্রবণের মোলারিটি এবং নরমালিটি তাপমাত্রা দ্বারা প্রভাবিত হয় কিন্তু মোলারিটি ক্ষেত্রে তাপমাত্রার কোন প্রভাব নেই
অম্ল ক্ষারক প্রশমন বিক্রিয়ায় সমান আয়তনে এক ক্ষারকীয় অম্লের 1.0 মোলার ও এক অম্লীয় ক্ষারকের 1.0 মোলার দ্রবণ সম্পূর্ণরূপে প্রকাশিত হয়


প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ :

১. বিশুদ্ধ অবস্থায় নির্দিষ্ট সংযুক্তিতে পাওয়া যায়

২. নির্দিষ্ট পরিমাণ ওজন করে প্রমাণ দ্রবণ প্রস্তুত করা যায়

৩. পানিত্যাগী, পানিগ্রাহী ও পানিগ্রাসী নয়

৪. দ্রবণের মাত্রা অনেকদিন পর্যন্ত অপরিবর্তিত থাকে

৫. বায়ুর জলীয় বাষ্প ও জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হয় না

উদাহরণ- অনার্দ্র সোডিয়াম কার্বনেট (Na2CO3), K2Cr2O7, আর্দ্র অক্সালিক এসিড (H7C7O4.2H2O), সোডিয়াম অক্সালেট, সাকসিনিক এসিড



সেকেন্ডারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ :

১. এদের বিশুদ্ধ অবস্থায় ও নির্দিষ্ট সংযুক্তিতে পাওয়া যায় না

২. কোনটি পানিগ্রাহী বা পানিত্যাগী

৩. গ্যাস শোষণ করে

৪. জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হয়

৫. রাসায়নিক নিক্তিতে সঠিক ওজন নিয়ে প্রমাণ দ্রবণ প্রস্তুত করা সম্ভব নয়

৬. এদের দ্রবণের মাত্রা পরিবর্তিত হয়

উদাহরণ- H2SO4, NaOH, KOH, Na2S2O3, KMnO4, HCl



অ্যাভোগ্যাড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তনের গুরুত্ব :

1 মোল অণু = 1 গ্রাম আণবিক ভর = 22.4 dm3 (N.T.P তে) = 6.023×1023 টি অণু

1 টি অণুর ভর = gm

1 গ্রাম গ্যাসে অণুর সংখ্যা = টি

1 গ্রাম গ্যাসের N.T.Pতে আয়তন = dm3

1 টি অণুর N.T.Pতে আয়তন = dm3

N.T.Pতে dm3 গ্যাসের অণুর সংখ্যা = টি

মৌলের একটি পরমাণুর ভর = gm



ঘনমাত্রার মান অনুসারে দ্রবণের বিভিন্ন নাম হয়। যেমন-

1 dm3 দ্রবণে দ্রবীভূত

দ্রবের পরিমাণ (মোল)

দ্রবণের ঘনমাত্রা

দ্রবণের নাম

1.0

1.0M

মোলার দ্রবণ

0.5

0.5M বা M/2

সেমি মোলার দ্রবণ

0.1

0.1M বা M/10

ডেসি মোলার দ্রবণ

0.01

0.01 বা M/100

সেন্টি মোলার দ্রবণ





মোলারিটি নির্ণয়ের সূত্র :

aMBVB = bMAVA

VA = এসিডের আয়তন

MA = এসিডের মোলারিটি

VB = ক্ষারের আয়তন

MB = ক্ষারের মোলারিটি

b = ক্ষারের সহগ

a = এসিডের সহগ

যখন এসিড ও ক্ষার উল্লেখ থাকবে না বা যে কোন একটি উল্লেখ থাকবে, তখন সূত্রটি হবে-

V1S1 = V2S2



প্রশমন বিক্রিয়ায় এসিড ও ক্ষারের সমতুল্য পরিমাণে বিক্রিয়া করে
5% NaOH দ্রবণ একটি প্রমাণ দ্রবণ
শক্তিশালী এসিড ও শক্তিশালী ক্ষারের টাইট্রেশন যে কোন নির্দেশক ব্যবহার করা যায়
শক্তিশালী এসিড ও দুর্বল ক্ষারের টাইট্রেশনে মিথাইল অরেঞ্জ উত্তম নির্দেশক
দুর্বল এসিড ও শক্তিশালী ক্ষারের টাইট্রেশনে উত্তম নির্দেশক ফেনলফথ্যালিন
প্রমাণ দ্রবণকে যে অজ্ঞাত ঘনমাত্রার দ্রবণের মধ্যে যোগ করা হয় তাকে ট্রাইট্রেট বলে
রক্ত একটি বাফার দ্রবণ এবং এটিতে মূল বাফার HCO3 । এছাড়াও PO43- ব্যবহৃত হয়




কিছু মৌলের পারমাণবিক ভর : (গাণিতিক সমস্যা সমাধানের জন্য পারমাণবিক ভর ।অবশ্যই মুখস্ত রাখতে হবে ।)





মৌল

পারমাণবিক ভর

হাইড্রোজেন

1H

1

কার্বন

6C

12

নাইট্রোজেন

7N

14

অক্সিজেন

8O

16

ফ্লোরিন

9F

19

সোডিয়াম

11Na

23

ম্যাগনেসিয়াম

12Mg

24

অ্যালুমিনিয়াম

13Al

27

সিলিকন

14Si

28

ফসফরাস

15P

31

সালফার

16S

32

ক্লোরিন

17Cl

35.5

পটাশিয়াম

19K

39.1

ক্যালসিয়াম

20Ca

40

ক্রোমিয়াম

24Cr

52

ম্যাঙ্গানিজ

25Mn

55

আয়রন

26Fe

55.85

নিকেল

28Ni

58.69

কপার

29Cu

63.5

জিংক

30Zn

65.38

সিলভার

47Ag

107.88

মার্কারি

80Hg

200

গোল্ড

79Au

197



কিছু প্রয়োজনীয় সূত্র :

এসিডের তুল্য ভর =

ক্ষারের তুল্য ভর =



লবণের তুল্য ভর =



প্রতি লিটার দ্রবের গ্রাম হিসেবে ভর = নরমালিটি × দ্রবের তুল্য ভর

1cm3 = 1ml = 1

1000cm3 = 1dm3 = 1L

1000dm3 = 1m3





সংখ্যা বিষয়ক কিছু তথ্য :

40cm3 (M/2) H2SO4 ≡ 20cm3 1(M)H2SO4

35cm3 2(M)H2SO4 ≡ 70cm3 1(M)H2SO4

60cm3 (M/10)NaOH ≡ 6cm3 1(M) NaOH

700ml 0.7(M)HCl ≡ 490ml 1(M) HCl

Chemistry Here you can post questions, pictures, videos, and everything you want about chemistry.

Want your school to be the top-listed School/college in Sirajganj?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

Sirajganj
6700