হোমিওপ্যাথিক প্রাকটিস

হোমিওপ্যাথিক প্রাকটিস

Share

গ্রুপটি হোমিওপ্যাথিক প্রকটিস শুরু করতে আগ্রহীদের জন্য। অভিজ্ঞ চিকিৎসকগন থেকে মূল্যবান মতামত প্রত্যাশা

26/12/2023

I have reached 800 followers! Thank you for your continued support. I could not have done it without each of you. 🙏🤗🎉

17/10/2023

২০২৩ সালের ডিএইচএমএস ১ম বর্ষ ২য় বর্ষ ৩য় বর্ষ ও ৪র্থ বর্ষ ফাইনাল পরীক্ষা শুরু হচ্ছে ১৫-১১-২০২৩ইং তারিখে। সকল পরীক্ষার্থীদের জন্য রইল শুভ কামনা।

02/09/2023

হোমিও চিকিৎসায় কিডনি রোগের রিসার্চ এবং সফলতা বিস্তারিত পড়ুন
এলবুমিনুরিয়া থেকে CKD বিস্তারিত তথ্য ( A to Z ) যা আপনি জানতেন না ( চ্যালেঞ্জ )।
===========================================================
জেনে রাখি,
এলবুমিনুরিয়া বা প্রোটিনুরিয়া হল সাইলেন্ট কিডনি রোগ, এতে নীরবে প্রস্রাবের সাথে রক্তের এলবুমিন বেরিয়ে যায়।
CKD হল ক্রণিক কিডনি ডিজিজ
#কিডনিঃ--------
----------------------------------------------------------
কিডনির কাজ হল, রক্তের বর্জ্য ইউরিয়া ক্রিয়েটিনিন ইত্যাদি প্রস্রাবের সাথে বের করে দেয়া, আর দরকারি এলবুমিন রক্তে ফিরিয়ে দেয়া। যখন কিডনির ছাকনি দুর্বল হয়ে পড়ে তখন বর্জ্যের সাথে রক্তের দরকারি এলবুমিন বের করে দেয়। তখন আনুপাতিক হারে, রক্তে এলবুমিন কমে যায় আর ক্রিয়েটিনিন ইউরিয়া ইত্যাদি বর্জ্য রক্তে বৃদ্ধি পায়। আবার, বিশেষ কিছু সমস্যায়, রক্ত হতে শুধু এলবুমিন বের হয়ে গেলেও বর্জ্য ইউরিয়া ক্রিয়েটিনিন বের করতে পারে না। এছাড়া, কিডনি ড্যামেজ হলে। দেহে বর্জ্য বৃদ্ধি পেলে, তখন দেহের জৈব প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে কোষের ভাঙ্গন দেখা দেয় এবং ক্রিয়েটিনিন ও অন্যান্য বর্জ্য বৃদ্ধি পায়।
#কিডনি রোগীর প্রকারভেদঃ-----------
----------------------------------------------------------
এই রোগে যে রকম রোগী দেখা যায় -
১) কিডনি - প্রস্রাবের সাথে এলবুমিন ও বর্জ্য ক্রিয়েটিনিন বের করে দেয়। একে এলবুমিনুরিয়া বা প্রস্রাব ইনফেকশন বলা হয়।
২) কিডনি - প্রস্রাবের সাথে এলবুমিন বের করে দেয় কিন্তু বর্জ্য ক্রিয়েটিনিন বের করতে পারে না। একে এলবুমিনুরিয়া নেফ্রাইটিস বলা হয়।
১ বা ২ নং দীর্ঘদিন ধরে চলার পর এর সাথে আরো ২ টি ধরন যোগ হয়।
৩) কিডনি - প্রস্রাব কম উৎপাদন করে। একে CKD ক্রণিক কিডনি ডিজিজ বলে।
৪) কিডনি - প্রস্রাব উৎপাদন করতে পারে না। একে Kidney Failure with CKD কিডনি বিকল বলে।
১নং রোগী চিকিৎসা না করেও ভালো বিশেষ কিছু খাবারের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ভালো ভাবে বেঁচে থাকতে পারে।
২ নং রোগী শরীরে বর্জ্য বৃদ্ধি পেয়ে শরীরের অংগগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকে, মৃত্যুর দিকে ছুটে চলে।
৩ নং রোগীর দেহে বিশেষ করে, পায়ের দিকে পানি জমে। রক্তের বর্জ্য বের না হয়ে বিষক্রিয়া দেখা দেয়। ডায়ালাইসিস বা কিডনি পরিবর্তন না করলে রোগী ধীরে ধীরে কয়েক মাস বা বছর পর মারা যায়।
৪নং রোগীর প্রস্রাব বন্ধ হয়ে সমস্ত শরীর ফুলে যায়, রক্তের বর্জ্য বের না হয়ে বিষক্রিয়া দেখা দেয়। ডায়ালাইসিস বা কিডনি পরিবর্তন না করলে রোগী দ্রুত মারা যায়। চিকিৎসার সময় পাওয়া যায় না বললেই চলে। যাদের ক্ষেত্রে সময় পাওয়া যায়, তারাও বেশিদিন টিকে না।
#কিডনি রোগ কিভাবে শুরু হয়? ---------------
----------------------------------------------------------
এই রোগে প্রথম দিকে প্রস্রাবের জ্বালা করে, তখন এটাকে বলে প্রস্রাব ইনফেকশন। চিকিৎসক দেখিয়ে এন্টিবায়োটিক খাওয়ার পর জ্বালা চলে যায়। জ্বালা দূর হলে রোগী মনে করে সে ভালো হয়ে গেছে আসলে তা নয় বাস্তবে সাইলেন্ট ভাবে ভিতরে ভিতরে এলবুমিন ক্ষয় করতে থাকে। এই সময় দরিদ্র রোগী শারীরিক দুর্বলতা ছাড়া আর কিছুই বুঝতে পারে না। ধনী রোগী যারা ভালো খাবার খায় তারা দুর্বলতাও টের পায় না। এ সময় রক্ত পরীক্ষা করলে ক্রিয়েটিনিন স্বাভাবিক থাকে বিধায় কোন কিডনি চিকিৎসক আপনাকে কিডনি রোগী বলবে না।
**** অথচ এটাই #কিডনি রোগ ****। এবং প্রচলিত চিকিৎসা ব্যবস্থায় এর জন্য কোন ঔষধ নাই।
এভাবে চলতে চলতে এক সময় হঠাৎ করে আপনার রক্তে ক্রিয়েটিনিন বৃদ্ধি পাবে। তখন আপনাকে কিডনি রোগী বলা হবে, এবং ততক্ষণে কিডনী অনেক বেশী ড্যামেজ হয়ে যায়।
#কিডনি রোগীর প্রচলিত চিকিৎসা কতটুকু কার্যকর ?
কিডনি সমস্যায় আপনি যখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন, তখন চিকিৎসক আপনাকে কিছু টেস্ট করতে দিবেন। প্রস্রাবে অতিরিক্ত এলবুমিন গেলে, আপনাকে প্রস্রাব ইনফেকশন হিসেবে কিছু ঔষধ দেয়া হবে।
#প্রচলিত চিকিৎসা ব্যবস্থায় আপনাকে কি ঔষধ দেয়া হতে পারে ? এবং এদের কাজ কি?
----------------------------------------------------------
কিডনি ইনফেকশন এর জন্য দেয়া হবে - Uromax
প্রস্রাব বৃদ্ধির জন্য - Fusid, Lasix
পাশাপাশি caltrol, hypophos এমন কিছু ঔষধ চলবে।
#কার্যকারিতাঃ-------------
প্রথমদিকে এই ঔষধ ব্যবহারে প্রস্রাবে জ্বালা থাকলে দূর হতে পারে।
প্রথমদিকে Fusid/Lasix আপনার শরীরের প্রস্রাব উৎপাদন বৃদ্ধি করলেও একসময় সেও আর কাজ করে না, তখন ডায়ালাইসিস বা কিডনি পরিবর্তন করতে হয়।
অত্যন্ত দুখের বিষয় একটি কিডনি পরিবর্তন করতে গড়ে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা খরচ হতে পারে। সাধারণ মানুষের পক্ষে এত টাকা ব্যয় করে কিডনি পরিবর্তন করা সম্ভব হয় না। ফলে, চিকিৎসার অভাবে মৃত্যু ব্যতীত আর কোন উপায় থাকে না। সূতরাং প্রস্রাবের যে কোন সাধারণ সমস্যায় গুরুত্ব দিয়ে শুরুতেই সচেতনতা অবলম্বন করলে আপনার কিডনি বেঁচে যেতে পারে। আপনি দির্ঘদিন সুস্থ জীবন যাপন করতে পারেন।
পর্যাপ্ত পানি পান করুন। যে কোন বাজে অভ্যাস থেকে দূরে থাকুন। নিয়ন্ত্রিত জীবন যাপন করুন। যেখানে সেখানে পতিতাদের সাথে যৌন মিলন থেকে দূরে থাকুন। ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলুন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ব্যতীত নিজে নিজে কোন প্রকার ঔষধ সেবন করবেন না।
পতিতা বা বিবাহ বহির্ভুত যৌন মিলনে কীভাবে কিডনি রোগ হয় ? এবিষয়ে আমাদের পরবর্তী ভিডিওতে আলোচনা করা হবে।
#যৌন মিলনে কীভাবে কিডনি রোগ হয় ?
#পতিতা বা বিবাহ বহির্ভুত যৌন মিলনে কীভাবে কিডনি রোগ হয় ?
পতিতা মেয়েরা একাধিক পুরুষের সাথে অবাধ যৌন মিলন করে থাকে। ফলে তাদের যৌনাঙ্গে নানা রকম যৌন রোগের জীবাণু দ্বারা ইনফেকশন হয়ে থাকে। ফলে পতিতা মেয়েরা বা যে সকল ছেলে-মেয়েরা একাধিক গার্লফ্রেন্ড-বয়ফ্রেন্ড বা নর-নারীর সাথে যৌন মিলন করে থাকে, তারা যৌন রোগের ধারক ও বাহক হয়ে থাকে। বিশেষ করে গনোরিয়া সিফিলিস ইত্যাদি নানা রকম যৌন ব্যাধি বহন করে থাকে। সে সকল মেয়েদের সাথে যে পুরুষ যৌন মিলন করবে সেই উক্ত রোগে আক্রান্ত হবে। আবার এই পুরুষ যখন তার ঘরের স্ত্রীর সাথে মিলিত হবে তখন সে স্ত্রী তার দ্বারা আক্রান্ত হবে। এভাবে, একজন যৌন রোগে আক্রান্ত নারী বা পুরুষের সাথে যত নারী বা পুরুষ যৌন মিলন করবে, সকলেই উক্ত যৌন রোগে আক্রান্ত হবে।
অনেকেই মনে করে থাকেন, কনডম ব্যবহার করলে, যৌন রোগ তাদের আক্রান্ত করতে পারবে না। আসলে তথ্যটি সম্পূর্ণ ভুল। কারণ, যৌন মিলনের সময়, যৌন রস, কনডমের এরিয়া বাদেও যৌন অঙ্গের আশে পাশে লেগে যায়। এ সকল জীবাণূ দীর্ঘ সময় ধরে দেহের চামড়ায় অবস্থান করে বেঁচে থাকতে পারে, এবং ধীরে ধীরে শরীরের ভিতরে প্রবেশ করে যৌন রোগ তৈরী করে। এই সকল যৌন রোগে প্রথমে প্রস্রাবের রাস্তা ও মুত্র থলি আক্রান্ত হয়। পরবর্তীতে তা কিডনি পর্যন্ত পৌছে যায়, এবং কিডনীতে বাসা বেঁধে স্থায়ীভাবে অবস্থান করে, কিডনি নষ্ট করতে থাকে।
এভাবেই, পতিতা বা বিবাহ বহির্ভূত যৌন মিলনের মাধ্যমে কিডনি রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।
আবার অনেকে পতিতা বা অবাধ যৌন মিলন ছাড়াও যৌন রোগে আক্রান্ত হতে পারেন, বেশ কিছু কারনে,
যেমনঃ
যৌন রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে বসবাসের ফলে, কোনভাবে জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হয়ে।
যৌন রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত গ্রহন করলে।
যৌন রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির দেহে ব্যবহৃত সুঁচ বা সিরিঞ্জ অন্য দেহে ব্যবহারের ফলে, যেমন নেশা করার সময় একই সিরিঞ্জ বার বার ব্যবহার হয়।
বংশানুক্রমে ইত্যাদি।
#প্রস্রাব ইনফেকশন বা এলবুমিনুরিয়া হওয়ার কারণ কি ?------------
----------------------------------------------------------
প্রস্রাবে প্রোটিন সমস্যার মূল কারণ, কিডনি ছাকনি নষ্ট হতে থাকা। আর কিডনি ছাকনি নষ্ট হবার কারণ ---
১) অধিক ঔষধ সেবন, বিশেষ করে ব্যথার ঔষধ।
২) খাবারে রাসায়নিক দ্রব্য বা ভেজাল।
৩) প্রস্রাব ইনফেকশন
৪) অবাধ যৌন মিলনে যৌন রোগে আক্রান্ত হওয়া।
৫) কিডনিতে পাথর জমা
৬) কিডনি তে টিউমার সিস্ট,
৭) গ্লোমেরুলার ফাইব্রোসিস
৮) অন্য কোন রোগের কারণ
৯) কিডনি নিজে থেকে দুর্বল হলে
১০) রাত জাগা
১১) পানি কম পান করা
১২) গণোরিয়া রোগে আক্রান্ত হওয়া।
১৩) কিডনি বা অন্য রোগে ১৫-২০টা ঔষধ সেবন করা। যা কিডনির উপর চাপ সৃষ্টি করে, ছাঁকনি নষ্ট করে দেয়।
১৪) পানির পরিবর্তে অন্য পানীয় বেশী পান করা।
১৫) বিশেষ কোন ঔষধ এর কারণে কিডনি সমস্যা হয়ে এলবুমিন বেরিয়ে যেতে পারে।
১৬) গাছগাছাড়ি, কবিরাজি, আয়ুর্বেদিক, ইউনানি ঔষধ এ অধিক পরিমাণে ঔষধি উপাদান থাকায়, কিডনির ছাকনি দুর্বল হওয়া।
১৭) যৌন রোগের ঔষধ সেবনের ফলে, রক্তচাপ অতিমাত্রায় বৃদ্ধি পেয়ে কিডনির ছাঁকনি দুর্বল হওয়া।
১৮) শারীরিক যে কোন টিউবারকিউলোসিস রোগে।
১৯) কিডনিতে টিউবারকিউলোসিস সমস্যা হলে।
২০) দুশ্চিন্তা বা উচ্চ রক্তচাপের কারনে, কিডনি ফাংশনের ক্ষতিগ্রস্থ হওয়া।
২১) চর্মরোগে নানাবিধ মলম ব্যবহার করে চাপা পড়লে তা - ফুসফুস, কিডনি, হার্ট এ আক্রমণ করে, অর্থাৎ, কম গুরুত্বপূর্ণ অং হতে অধিক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে আক্রমণ করে।
এছাড়া আরো অনেক আছে।
বাংলাদেশের ৯০% মানুষ এই মুহুর্তে প্রস্রাবে এলবুমিন/প্রোটিন ক্ষয় রোগে ভুগছে, শুধু ভেজাল খাদ্য, অবাধে ঔষধ সেবন, অবাধ জীবন যাপন এর কারণে।
#কিডনি সমস্যা হলে বুঝবেন কিভাবে ?
----------------------------------------------------------
প্রাথমিক অবস্থায়ঃ
১। ওজন কমে যাওয়া
৩। বমিবমি ভাব বা বমি হওয়া
গুরুতর অবস্থায়ঃ
১। আপনার উচ্চ রক্তচাপ কোনভাবেই নিয়ন্ত্রণে আসে না? আপনার কিডনি সমস্যা বিশেষত এলবুমিনুরিয়া বা CKD
২। শরীরে পানি জমা, দেহ ফুলে যাওয়া। বিশেষ করে পায়ের দিকে।
৩। হার্টে পানি জমা।
৪। ফুসফুসে পানি জমা
৫। উপরের পেটে পানি জমা বা এসাইটিস
#ক্রিয়েটিনিন কি ? ক্রিয়েটিনিন সমাচারঃ---------------
----------------------------------------------------------
ক্রিয়েটিনিন হচ্ছে মাংসপেশির ক্রিয়েটিন ফসফেট ভেঙে তৈরী হওয়া উৎপাদ। এটা শরীরে সর্বদা একটা নির্দিষ্ট অনুপাতে তৈরী হতে থাকে। তবে এটা পেশীর ভর বা ঘনত্বের উপর নির্ভর করে। সাধারণ হিসেবে, মানবশরীরে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার অর্থ হচ্ছে কিডনি ঠিকমত কাজ করছে না। মূলত কিছু বিশেষ রোগ হলে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বেড়ে যায়। যেসব রোগের কারণে ক্রিয়েটিনিন বাড়ে সেসব রোগের চিকিৎসা করালেই ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।
আমরা জানি, কিডনি সমস্যা মানেই ক্রিয়েটিনিন বাড়বে। আবার কারো রক্তের রিপোর্টে ক্রিয়েটিনিন বেশি মানেই কিডনি রোগ, আর ক্রিয়েটিনিন কম মানে কিডনি ঠিক আছে। আসলে তা নয়।
বিস্তারিত পড়ার পর বুঝতে পারবেন সঠিক তথ্য।
#ক্রিয়েটিনিন বৃদ্ধির কারণ কি ?
----------------------------------------------------------
১) বিশেষ কোন রোগ এর কারণে - কিডনি রোগ।
২) অন্য কোন রোগে।
৩) বিশেষ কোন ঔষধ সেবন বা প্রচুর ঔষধ সেবন
৪) আপনার দেহের কোষে দ্রুত ভাঙ্গন ধরলে।
৫) যে কোন কারণে রক্তের এলবুমিন প্রস্রাবের সাথে বেরিয়ে গেলে, আনুপাতিক হারে রক্তে ক্রিয়েটিনিন বৃদ্ধি পায়।
৬) কিডনি পর্যাপ্ত ক্রিয়েটিনিন বের করতে না পারলে।
৭) কিডনি যে পরিমাণ ক্রিয়েটিনিন বের করে দেয় তার তুলনায় বেশি ক্রিয়েটিনিন রক্তে উৎপাদন হলে।
৮) উচ্চ মাত্রার ক্রিয়েটিনিন বৃদ্ধি করে এমন খাবার বা পানীয় খেলে।
৯) বিশেষ কোন রোগ বা ক্যান্সারে বা বিষক্রিয়া জনিত রক্তে অধিক ক্রিয়েটিনিন উৎপাদন হলে, এবং তা কিডনি বের করতে না পারলে।
এছাড়া আরো অনেক কারণে।
#ক্রিয়েটিনিন মানেই কিডনি রোগ নয়-
---------------------------------------------
ক্রিয়েটিনিন একেক জনের ক্ষেত্রে একেক রকম হয়। কারো খুব ধীর গতিতে আবার কারো খুব দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পায়। কেউ ১২ পয়েন্ট ক্রিয়েটিনিন নিয়ে দিব্যি চলাফেরা করছে, আবার কেউ ৯ পয়েন্ট নিয়ে অবস্থা খুবই খারাপ হয়ে যাচ্ছে। এমন অনেক রোগী আছে, ৩-৪ পয়েন্ট নিয়ে কোন সমস্যা বুঝে না। আবার কারো ১.৫ পয়েন্ট নিয়েই অবস্থা ভয়াবহ।
আবার অনেকের প্রচুর এলবুমিন বের হওয়া সত্বেও ক্রিয়েটিনিন মাত্র ০.৮, ১.২ এতে কোন সমস্যা হচ্ছে না। আবার কারো অল্প এলবুমিনেই ক্রিয়েটিনিন বেড়ে খারাপ অবস্থা।
এই বিষয় গুলো নির্ভর করে রোগীর জীবনীশক্তির উপর। আর জীবনীশক্তি একবার পড়ে গেলে তখন, হঠাৎ করে ক্রিয়েটিনিন, ইউরিয়া বৃদ্ধি পেয়ে মারা যায়।
এজন্য, ক্রিয়েটিনিন এর পাশাপাশি রোগীর জীবনীশক্তি ও কিডনির সুস্থতার দিকে নজর দিয়ে চিকিৎসা চলবে।
এছাড়া কিডনি সমস্যা ছাড়াও ভিন্ন কোন রোগ বা ঔষধ এর কারণেও আপনার রক্তে ক্রিয়েটিনিন বৃদ্ধি পেতে পারে, সেই ক্ষেত্রে উক্ত রোগের চিকিৎসা হলে, বা ঔষধ এর একশন শেষ হলে, ক্রিয়েটিনিন স্বাভাবিক হতে পারে।
তাই, কারো #সাময়িক ক্রিয়েটিনিন #কমে গেলেই সেটা কিডনি ভালো হয়ে গেল, বলা যাবে না।
আবার, কোন কারণে #সাময়িক ক্রিয়েটিনিন #বৃদ্ধি হলেই কিডনি সমস্যা, বলা যাবে না।
সামগ্রিক রিপোর্ট ভালো আসলে তখন বলা যাবে কিডনি সুস্থ হয়েছে।
পরিপূর্ণ নিশ্চিত না হয়ে কখনোই বলা যাবে না, ক্রিয়েটিনিন বাড়লেই কিডনি সমস্যা, আবার এটাও বলা যাবে না, ক্রিয়েটিনিন কম থাকলে কিডনি ভালো আছে।
তাই শুধুমাত্র ক্রিয়েটিনিন নিয়ে হৈচৈ করা যাবে না। অনেক চিকিৎসক কে দেখছি, ক্রিয়েটিনিন কমে গেলেই বলছেন কিডনি ভালো হয়ে গেছে, অথচ রোগী মারাত্নক অসুস্থ হয়ে ICU তে ভর্তি। আবার দেখা যাচ্ছে, রোগী ভালো হয়ে, পূণরায় আরো মারাত্মক অবস্থা দেখা দিচ্ছে, তখন হোমিও ছেড়ে ডায়ালাইসিস এ চলে যাচ্ছে। এর কারণ কি? এর কারণ সমস্যার সঠিক কারণ নির্ণয় না হয়ে সাময়িক উপশম। তাই সঠিক চিকিৎসার জন্য সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় জরুরী।
#কিডনি রোগে #হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা #সফলতাঃ
----------------------------------------------------------
হোমিওপ্যাথি ঔষধ সেবনে আপনি সুস্থ হতে পারেন।
কোন কোন রোগীর ক্ষেত্রে মাত্র ১ মাসেই সফলতা পাচ্ছি আবার কারো ক্ষেত্রে ৬ মাস বা তারো বেশি সময় লাগতে পারে। এটা নির্ভর করে, অনেকগুলো বিষয়ের উপর।
#এলবুমিনুরিয়া হলে মাত্র অল্প কিছুদিনেই আপনি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যাবেন।
হলে কিছুদিন সময় লাগবে আপনি সুস্থ হতে।
অবশ্যই আপনাকে একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসক খুঁজে নিতে হবে।
কোন হোমিও চিকিৎসক এর কাছ থেকে চিকিৎসা নিয়ে ভালো হবার পর আবার ক্রিয়েটিনিন বাড়লে বুঝতে হবে,
চিকিৎসক প্রাইমারী অথবা আংশিক চিকিৎসা দিয়েছেন, অথবা আপনি নিয়ম মেনে চলছেন না। চিকিৎসক এর উপর একক দোষ দিবেন না।
#কিডনি চিকিৎসায় আপনার আরোগ্য কতটা অগ্রগতি তা জানতে এই টেস্ট গুলো করতে হবে
CBC
S. Creatinine
S. Urea
S. Albumen
Urine RME
24 hrs UTP
24 hrs Micro Albumen
ACR
PCR
eGFR
এই পরীক্ষাগুলি অবশ্যই নিয়মিত করতে হবে।
এই রিপোর্টের অগ্রগতি বলে দিবে আপনার আরোগ্য অগ্রগতি।
#সুস্থ ব্যক্তি কত দিন পরপর কিডনি পরীক্ষা করবেন ?
যে কোন সুস্থ ব্যক্তি, অন্তত ৬ মাস পরপর আপনার প্রস্রাবের প্রোটিন পরীক্ষা করুন।
#কিডনি পরীক্ষার রিপোর্ট বুঝবেন কিভাবে ?
রিপোর্ট এনালাইসিসঃ---------------
----------------------------------------------------------
১) রক্তে ক্রিয়েটিনিন ইউরিয়া বৃদ্ধি পেলে, রক্তে বিষক্রিয়ায় হিমোগ্লোবিন কমে যাবে।
২) শরীরে যে কোন ইনফেকশন হলে ESR বাড়বে।
৩) প্রস্রাবে PUS Cell বেশি মানে পুঁজ যাচ্ছে।
৪) Micro albumin, ACR, PCR এগুলো ২০-৩০ এর কম থাকতে হয়। সেখানে আপনার রিপোর্ট যত বেশি, আপনি তত বেশি ক্ষয় রোগে আক্রান্ত।
#কিডনি রোগীর কিছু ভয়াবহ সমস্যা
কিছু কমন বিষয়ঃ---------------
----------------------------------------------------------
১) রক্তে বিষক্রিয়া ও হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়ায়, আপনার ব্লাড প্রেসার আপ-ডাউন করতে থাকবে।
২) শরীর দুর্বল লাগবে, দিন দিন অন্যান্য আরো উপসর্গ দেখা দিবে।
৩) অপুষ্টি দেখা দিবে।
৪) দিন দিন শরীরের অন্যন্য অর্গান ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকবে।
৫) শরীর থেকে প্রচুর এলবুমিন অর্থাৎ ক্যালসিয়াম বেরিয়ে যাওয়ার ফলে, বেশীর ভাগ রোগীর মেরুদন্ডের হাড় ক্ষয় হতে থাকে।
#এলবুমিনুরিয়া ও #হাড়ক্ষয়ঃ
----------------------------------------------------------
দীর্ঘদিন ধরে এলবুমিন যাচ্ছে, অথচ ক্রিয়েটিনিন স্বাভাবিক আছে। এমন রোগীদের প্রত্যেকেই মেরুদন্ডের বিশেষ করে কোমরের দিকের এবং হাটুর হাড় ক্ষয় হয়ে যায়। ফলে, ঘাড়ের ব্যথা সার্ভিকেল স্পন্ডিলাটিস, কোমর ব্যথা লাম্বার স্পন্ডিলাইটিস, পায়ের রগ টান সায়াটিকা, হাঁটুর ব্যথা সাইনোভাইটিস, শরীরের যে কোন একক বা ব্যপক হাড় ক্ষয় অস্টিয়পেরেসিস দেখা দেয়।
উল্টো করে বললে, যে সব রোগীর শরীরে হাড়ক্ষয় বা হাড়ের বাত ব্যথা আছে, তারা প্রত্যেকেই কোন না কোন ভাবে এলবুমিন ক্ষয় বা কিডনির প্রথম স্তরের নেফ্রাইটিস এ ভুগছে, যার কোন চাক্ষুষ প্রমান পাওয়া যায় না, উপযুক্ত পরীক্ষা না করলে।
#এলবুমিনুরিয়া ও #কাশি #শ্বাসকষ্ট
কিডনি রোগের সাথে কাশি ও শ্বাসকষ্টের সম্পর্ক কি ?
----------------------------------------------------------
দীর্ঘদিন ধরে কিডনি সমস্যায় ভুগতা থাকা একজন রোগীর শরীর থেকে পর্যাপ্ত পানি বের না হলে, শরীরে পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। তখন, রোগীর সমস্ত দেহের মতই ফুসফুসে পানির পরিমাণ বেড়ে গিয়ে কাশি হয়, অনেক ক্ষেত্রে ফুসফুসে পানি বেশী বাড়লে শ্বাসকষ্ট হয়।
এ ক্ষেত্রে কিডনি রোগীদের এজমা রোগীদের মত শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। সাধারণ কাশির ঔষধ সেবনে কোন লাভ হয় না। মূলত দেহ থেকে পানি বেরিয়ে গেলে ফুসফুসের পানি কমে যাবে তখন কাসি নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। কিন্তু শরীরের পানি বেড়ে গেলে ফুসফুসের পানি বেড়ে যাবে, তখন কোন প্রকার ঔষধ দ্বারা কাশি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে না।
তাই এখন থেকে কোন কিডনি রোগীর কাশি হলে, কাশির চিকিৎসার পাশাপাশি দেহের পানি বের করার চিকিৎসার প্রতি মনযোগ দিতে হবে।
আশাকরি কিডনি রোগের সাথে কাশি ও শ্বাসকষ্টের সম্পর্ক কি এবং কেন হয়, তা বুঝতে পেরেছেন।
#এলবুমিনুরিয়া ও #হৃদরোগ
কিডনি রোগের সাথে হৃদরোগের সম্পর্ক কি ?
----------------------------------------------------------
দীর্ঘদিন ধরে কিডনি সমস্যায় ভুগতে থাকা একজন রোগীর শরীর থেকে পর্যাপ্ত পানি বের না হলে, শরীরে পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। তখন, রোগীর সমস্ত দেহের মতই হার্টে পানি বেড়ে গিয়ে রক্তচাপ সমস্যা করে। আরো অধিক বেড়ে গেলে রোগী হার্ট এটাক হতে পারে। আমি বাস্তবে এমন অনেক রোগী দেখেছি, কিডনি সমস্যা জনিত দেহে পানি বৃদ্ধি পেয়ে হার্ট এলোমেলো আচরণ করতে থাকে, তখন উক্ত রোগীকে হার্টের রোগী হিসেবে আখ্যা দিয়ে হার্টের চিকিৎসা করানো হয়। ২০১৬ সালে এইভাবে ঢাকা বারডেম হাসপাতালে, একজন কিডনি রোগীকে হার্টের রোগী বলে ইব্রাহীম কার্ডিয়াকে CCU তে রেফার করে ভর্তি করতে বাধ্য করা হলে, আমি নিজে চ্যালেঞ্জ করে, সাদা কাগজে স্বাক্ষর দিয়ে কিডনি ইউনিটে ভর্তি করাই এবং ২ দিন পরেই দেখা যায় রোগীর বাস্তবিক উচ্চ রক্তচাপ ছাড়া কোন সমস্যা নাই। এখানে বলে রাখা ভালো যে, কিডনী রোগীদের রক্তচাপ এলমেলো থাকে বা উচ্চ রক্তচাপ থাকে। আবার অতিমাত্রায় উচ্চ রক্তচাপ থেকেও কিডনি আক্রান্ত হয়।
২০২২ সালে, আমার একজন কিডনী রোগী প্রায় সুস্থ হয়ে উঠলে দীর্ঘ ১ বছর কোন প্রকার ঔষধ সেবন না করে নিজে নিজে নানা রকমের অপচিকিতসা গ্রহন করে। হঠাৎ, একদিন রোগির লোকেরা আমাকে মিরপুর ২ নং হার্ট ফাউন্ডেশনে ICU তে রোগিকে দেখার জন্য নিয়ে গেলে, আমি রোগীর সার্বিক রিপোর্ট দেখে বলেছিলাম, অনার হার্টে কোন সমস্যা নাই, কিডনি সমস্যায় দেহে পানি বেড়ে হার্টে পানি জমেছে। কিডনি চিকিৎসা জরুরী।
যাইহোক, রোগীর লোকেরা আমার কথা কর্ণপাত না করে, দীর্ঘ ৬ মাস Tablet Lasix সহকারে হার্টের চিকিৎসা করার পর, বিজ্ঞ প্রফেসর জানালেন, আসলেই হার্টের কোন সমস্যা নাই, কিডনি সমস্যার কারণেই দেহে পানি জমে এমনটি হয়েছে।
এরপর, রোগী আবার হোমিওপ্যাথি সেবন করতে আসে।
# কিডনি রোগী এবং চিকিৎসক যা জানতে হবে
ক্রিয়েটিনিন, ইউরিয়া এগুলো মূলত আমাদের দেহের কোষের কাজ কর্মের ফলে উৎপাদিত এক প্রকার বর্জ্য।
কিডনি হল রক্ত ছেঁকে প্রস্রাব উৎপাদন করে শরীর থেকে বর্জ্য বের করার যন্ত্র।
দীর্ঘদিন ধরে দেখছি, ইন্টারনেট জগতে কিডনি রোগী ও চিকিৎসক দের বিভ্রান্তিকর অসম্পূর্ণ তথ্য সম্বলিত ভিডিও। যা হোমিও চিকিৎসা সম্পর্কে মানুষকে ভূল মেসেজ দিচ্ছে।
কেউ বলছে, হোমিও চিকিৎসা নিয়ে অল্প উপকার পেয়েছি, কেউ বলছে, উপকার পায় নি। আশা করি আমার এই লিখনি দ্বারা চিকিৎসক বুঝবেন সে আসলে তার রোগীদের কতটা সঠিক চিকিৎসা দিতে পারছেন। আর রোগীও বুঝতে পারবে, কতটা সঠিক চিকিৎসা পাচ্ছেন।
আশাকরি এবার হোমিও চিকিৎসক গণ রোগীদের চিকিৎসা দেয়ার আগে ভালোভাবে বুঝে শুনে চিকিৎসা দিবেন। আর রোগীরাও তাদের চিকিৎসা অগ্রগতি বুঝে নিবেন।
#সারমর্মঃ
ক্রিয়েটিনিন মানেই কি কিডনি রোগ ?
আমি আবারো বলছি,
১) ক্রিয়েটিনিন কমে যাওয়াই কিডনি ভালো হওয়া নয়৷ ক্রিয়েটিনিন কমে যাওয়া হল, কিডনির একটা কার্যকারিতা ফিরে পাওয়া।
২) বেশি ক্রিয়েটিনিন হয়েও কিডনি ভালো থাকতে পারে।
৩) কম ক্রিয়েটিনিন হয়েও কিডনি ড্যামেজ হতে পারে।
৪) কিডনি সুস্থ হতে হলে কিডনির সার্বিক সুস্থতার চিকিৎসা করতে হবে। জীবনীশক্তি র সুস্থতা লাগবে।
৫) কিডনি সমস্যা চিহ্নিত করার জন্য কখনই ক্রিয়েটিনিন একক মাপকাঠি হতে পারে না। আরো কিছু বিশদ পরীক্ষা পর্যবেক্ষণ দরকার আছে।
৬) ক্রিয়েটিনিন এর পাশাপাশি এলবুমিন এর চিকিৎসা করতে হবে।
৭) শুধুমাত্র ক্রিয়েটিনিন এর চিকিৎসা করলে অসম্পূর্ণ চিকিৎসা হবে।
#কিডনি রোগির যৌন ঔষধে মৃত্যু
অথবা, কিডনি রোগের সাথে যৌন দুর্বলতার সম্পর্ক ও যৌন ঔষধে মৃত্যু
আমরা জানি কিডনি রোগ মানে কিডনি ইনফেকশন, প্রস্রাব ইনফেকশন, এলবুমিনুরিয়া । অর্থাৎ কিডনি রোগ মানেই প্রস্রাবের সাথে এলবুমিন বেরিয়ে যাওয়া। কিডনি রোগীর প্রস্রাবের সাথে এলবুমিন বেরিয়ে যাবার কারণে, স্বাভাবিক শারীরিক শক্তি কমতে থাকে। ফলে তাদের যৌন শক্তিও কমতে থাকে। কিডনি সমস্যার তীব্রতা অনুসারে, ধীরে ধীরে এক সময় যৌন উত্তেজনা একেবারেই থাকে না এবং যৌন মিলনের শক্তি আংশিক বা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়।
এ সময় বেশীর ভাগ বিবাহিত যুবক রোগী, অনুরোধ করেন, তাদের যৌন দুর্বলতা দূর করে যৌন শক্তি বৃদ্ধির ঔষধ দেয়ার জন্য। প্রকৃত সত্য হল, যৌন বর্ধক ঔষধে মানুষের দেহে রক্তের চাপ বৃদ্ধি পায়, এবং কিডনির উপর চাপ সৃষ্টি করে। এমতাবস্থায় কিডনি রোগী যৌন শক্তির ঔষধ খেলে, সাময়িক উপকার পেলেও পেতে পারেন। পাশাপাশি, কিডনি জটিলতা কয়েকশ গুন বৃদ্ধি পেয়ে কিডনি ড্যামেজ হয়ে যাবে। এবং রোগী খুব দ্রুত মৃত্যুর দিকে ছুটে চলবে।
তাই একজন কিডনি রোগী যৌন শক্তি বৃদ্ধির জন্য আলাদাভাবে কখনই কোন প্রকার ঔষধ সেবন করবেন না। আপনার কিডনি সমস্যা সমাধান হয়ে গেলে, যৌন সমস্যা ঠিক হয়ে আসবে।
সূতরাং কিডনি রোগী যৌন শক্তির ঔষধ সেবন করা মানে মৃত্যুকে কাছে ডেকে আনা।
#কিডনি রোগী যৌন মিলন করতে পারবেন কি না ?
আমরা জানি কিডনি রোগ মানে কিডনি ইনফেকশন, প্রস্রাব ইনফেকশন, অর্থাৎ, রোগীর মূত্রতন্ত্র ও যৌন অংগ ইনফেকশন বা প্রদাহযুক্ত। ফলে, প্রস্রাবের সাথে প্রচুর পরিমাণ পুঁজ এবং এলবুমিন নির্গত হয়। এটা মূত্রতন্ত্রের এক প্রকার রোগ।
গবেষনায় দেখা গেছে যে, কিডনি রোগের অন্যান্য কারণসমূহের পাশাপাশি বিভিন্ন রোগ জীবাণু দ্বারাও আমাদের মূত্রতন্ত্র আক্রান্ত হয়ে রোগ জীবাণু এক সময় কিডনি কে আক্রান্ত করে কিডনি ও প্রস্রাবের থলি সহ সমস্ত মূত্রতন্ত্রে ইনফেকসন তৈরী করে। আবার যে কোন কারণে কিডনি সমস্যা হয়ে কিডনি সহ সমস্ত মূত্রতন্ত্র পচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পুঁজ উৎপন্ন করতে থাকে, যা পরবর্তীতে জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হয়ে আরো বৃদ্ধি পায়। এটা ধীরে ধীরে সমস্ত জনন তন্ত্রকে আক্রমণ করে। পুরুষ রোগি তার এই ইনফেকশন যুক্ত যৌন অঙ্গের মাধ্যমে স্ত্রীর সাথে মিলিত হলে, তার স্ত্রীর পরবর্তীতে প্রস্রাব ইনফেকশন তথা কিডনি ইনফেকশন এ আক্রান্ত হবার ঝুঁকি থাকে।
মোট কথা প্রস্রাবের ইনফেকশন বা কিডনি ইনফেকশন যুক্ত কোন নর নারীর সাথে সুস্থ নর-নারী মিলনের ফলে, সুস্থ দেহে এই রোগটি প্রবাহিত হবে। এ ক্ষেত্রে সুস্থ ব্যক্তির দৈহিক শক্তি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উপর নির্ভর করে অল্প সময় বা অনেক দীর্ঘ সময় পরে সুস্থ ব্যক্তির দেহে প্রস্রাব ইনফেকশন তথা কিডনি ইনফেকশন দেখা দিবে। তাই কিডনি রোগী স্ত্রীর সাথে সরাসরি যৌন মিলন করতে পারবেন না। যৌন মিলনে অবশ্যই কনডম ব্যবহার করবেন এবং অধিক সতর্ক থাকতে হবে, যেন কোন প্রকার যৌন রস বা বীর্য স্ত্রীর দেহের ভিতরে না যায়। অন্যথায়, অনাকাংখিতভাবেই, একজনের দেহ হতে আরেকজনের দেহে ইনফেকশন প্রবাহিত হতে পারে।
অনেকেই প্রশ্ন করতে পারেন, প্রস্রাব আসে কিডনি থেকে আর বীর্য আসে অন্ডকোষ থেকে, তাহলে, সমস্যা হবে কেন ?
প্রস্রাব ও বীর্যের উৎস আলাদা হলেও তারা একটি মাত্র রাস্তা দিয়েই বের হয়। এখন সে রাস্তাই যদি ইনফেকশন যুক্ত হয়, তাহলে, বীর্য অবশ্যই ইনফেকশন নিয়েই বের হবে। পাশাপাশি, অন্য কোন রোগ জীবাণু থাকলে সেটাও এখনে বাড়তি ইনফেকশনের ব্যবস্থা করবে।
দীর্ঘদিনের গবেষণায় এটা দেখা গেছে যে, যে সকল নর নারী কিডনি রোগে আক্রান্ত তাদের স্বামী বা স্ত্রী কিছুদিন পরেই প্রস্রাব ইনফেকশনে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। প্রস্রাব ইনফেকশন কিডনি ইনফেকসনের ১ম ধাপ।
তাই কিডনি রোগী সরাসরি যৌন মিলন করতে পারবেন না।
#কিছু কমন প্রশ্ন-উত্তরঃ
--------------------------------------
১) কিডনি চিকিৎসার জন্য আমি কখন হোমিওপ্যাথি ঔষধ খেতে পারব ?
উত্তরঃ কিডনি রোগের যে কোন অবস্থায়, শুরুতে, ডায়ালাইসিস নিচ্ছেন বা নিচ্ছেন না যাই হোক - আপনি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিতে পারেন।
২) আমার ক্রিয়েটিনিন অল্প বৃদ্ধি পেয়েছে, হোমিও চিকিৎসায় কাজ হবে ?
উত্তরঃ যত দ্রুত হোমিও চিকিৎসা, নিবেন তত দ্রুত আরোগ্য।
৩) আমার ক্রিয়েটিনিন কম কিন্তু শরীর দুর্বল ও বমি বমি লাগে, হোমিও চিকিৎসা আছে?
উত্তরঃ ক্রিয়েটিনিন কম হলেও আপনার প্রস্রাবের সাথে প্রচুর এলবুমিন বেরিয়ে যাচ্ছে, আপনি মূলত এলবুমিনুরিয়া বা প্রস্রাব ক্ষয় রোগে ভুগছেন, একমাত্র হোমিওপ্যাথিতে এর ১০০% চিকিৎসা আছে।
৪) আমি কিডনি সমস্যায় আক্রান্ত, তবে ডায়ালাইসিস করছি না, আমি কি হোমিও চিকিৎসা নিতে পারব ?
উত্তরঃ অবশ্যই, অন্তত ডায়ালাইসিস করার আগে, যত দ্রুত চিকিৎসা নিবেন তত দ্রুত আরোগ্য।
৫) আমাকে কিডনি ডায়ালাইসিস করতে বলা হয়েছে, হোমিও তে কি কাজ হবে ?
উত্তরঃ অবশ্যই, কাজ হবে। ডায়ালাইসিস করার আগে অন্তত একটু হোমিও চিকিৎসা নিয়েই দেখুন। আপনাকে আর ডায়ালাইসিস করতে হবে না। ইনশাআল্লাহ।
৬) আমি ডায়ালাইসিস আগেও করেছি, এখনো করছি, আমি কি হোমিও চিকিৎসা নিতে পারব ?
উত্তরঃ অবশ্যই পারবেন। এক সময় হয়ত আপনাকে আর ডায়ালাইসিস করতে হবে না, ইনশাআল্লাহ।
৭) নিজে থেকে কিডনি বা প্রস্রাবের সমস্যা বুঝার উপায় আছে কি ?
উত্তরঃ সকালে ঘুম থেকে উঠে স্বচ্ছ বোতলে প্রস্রাব নিয়ে ৩০ মিনিট পর দেখুন,
ক) যত বেশী ঘোলা তত বেশী এলবুমিন
খ) যত বেশী জেলীর মত তত বেশী এলবুমিন
গ) যত বেশী তলানী, তত বেশী পুঁজ
৮ ) আমার প্রস্রাব তেমন ঘোলা নাই, তবুও শুকিয়ে যাচ্ছি কেন ?
উত্তরঃ আপনার প্রস্রাবে মাইক্রো এলবুমিন যাচ্ছে, জেলির মত এলবুমিন কম যাচ্ছে, তাই প্রস্রাব পরিষ্কার মনে হলেও, এলবুমিনুরিয়া সমস্যা আছে, 24 Hour UTP টেস্ট করে নিন।
৯) এলবুমিনুরিয়া বুঝার জন্য টেস্ট কি ?
উত্তরঃ 24 Hour UTP
১০) CKD এর টেস্ট কি কি ?
উত্তরঃ
CBC,
S. Creatinine,
S. Urea,
S. Albumen,
Urine RME,
24 hrs UTP,
24 hrs Micro Albumen,
ACR,
PCR,
eGFR,
১১) এলোপ্যাথি ঔষধ এর সাথে কি হোমিও ঔষধ খাওয়া যাবে ?
উত্তরঃ খাওয়া যাবে, কোন সমস্যা নাই।
১২) আমি জীবনে হোমিও খাই নাই, আমাকে কি হোমিও ঔষধে কাজ করবে ?
উত্তরঃ কাজ করবে, কোন সমস্যা নাই।
১৩) আমাকে অমুক তমুক বলেছে, এলোপ্যাথি আর হোমিওপ্যাথি একসাথে খেলে দুইটায় মারামারি করে একটাও নাকি কাজ করবে না - এটা কি সত্য ?
উত্তরঃ কথাটি সত্য নয়, এটা মুলত আগেকার আমলের চিকিৎসকদের কুসংস্কার। আমি প্রচলিত চিকিৎসার পাশাপাশি হোমিও ঔষধ সেবন করিয়ে ভালো ফলাফল পাচ্ছি, এমনকি এন্টিবায়োটিকের পাশাপাশি হোমিও ঔষধ সেবন করিয়ে ভালো ফলাফল পাওয়া গেছে, প্রমাণিত। এক সময় রোগী ভালো হতে থাকলে, অন্যপ্যাথির ঔষধের ডোজ কমতে থাকে, হোমিও ঔষধের ডোজ বাড়তে থাকে। পরবর্তীতে, অন্য ঔষধ বাদ হয়ে যায়, শুধু হোমিওপ্যাথি চলতে থাকে।
১৪) ওরে বাপরে, অনেক সময় নিয়ে ধীরে কাজ করে হোমিও ?
উত্তরঃ যে খানে মৃত্যু পর্যন্ত এই সমস্যায় ভুগতে হয়, সেখানে ৬-১২ মাস যদি আপনার কাছে অনেক বেশী সময় মনে হয়, তাহলে আমার কিছুই বলার নাই। আপনিই সিদ্ধান্ত নিবেন, আপনি সারাজীবন কষ্ট ভোগ করবেন নাকি, কয়েকটা মাস চিকিৎসা নিবেন। যেখানে আধুনিক এলোপ্যাথি চিকিৎসা ব্যবস্থায় এর কোন চিকিৎসা নাই, সেখানে লেটেস্ট প্রযুক্তির হোমিওপ্যাথি তে আপনি মাত্র কয়েক মাসে সুস্থ হতে পারছেন। এটাই অনেক প্রাপ্তি।
১৫) হোমিও ঔষধ কীভাবে কাজ করে ?
উত্তরঃ হোমিওপ্যাথি মেডিসিন, আপনার দেহের ইমিউনিসিস্টেম কে ডেভেলপ করবে অর্থাৎ, আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করবে। এরপর, আপনার ঠান্ডা সমস্যার সমাধান করবে। এর মাঝেই টনসিল আরোগ্য হবে।
১৬) আমাকে কিডনি বিশেষজ্ঞ বলেছেন, আগে বলেছিলেন, প্রস্রাব ইনফেকশন হয়েছিল, এখন বলছেন কিডনি ড্যামেজ, আগেই কেন বললেন না যে কিডনি ড্যামেজ হতে চলছে ?
উত্তরঃ কিডনির ড্যামেজের প্রাথমিক স্তরে এটাকে প্রস্রাব ইনফেকশন বলে চালিয়ে দেয়া হয়। এন্টিবায়োটিক দেয়া হয়। এন্টিবায়োটিক সেবনে, প্রস্রাবের জ্বালা সহ কিছু উপসর্গ দূর হয়ে যায়, তখন রোগি মনে করে সে ভালো হয়ে গেছে। বাস্তবে এটা ভালো হয় না। রোগির দেহের জীবনিশক্তি অনুসারে কয়েক বছর পর এমনকি ১০-১৫ বছর পর এটা আবার দেখা দেয়, ততক্ষনে কিডনি ড্যামেজ হয়েই নতুন কিছু উপসর্গ দেখা দেয়। তখন আধুনিক এলোপ্যাথি চিকিৎসা ব্যবস্থায় এটাকে কিডনি ড্যামেজ বা নেফ্রাইটিস বলে। তখন ডায়ালাইসিস বা কিডনি পরিবর্তন করতে বলা হয়। এটা দীর্ঘদিনের ইনফেকসনের ফলাফল। অন্য চিকিৎসা ব্যবস্থায় এই বিষয়গুলো নিয়ে রিসার্চ করে এখনো পর্যন্ত কার্যকরি কোন ঔষধ আবিষ্কার হয় নাই, তাই তারা এটাকে ডায়ালাইসিস বা কিডনি পরিবর্তন এর পরামর্শ দিয়ে থাকে। যা প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতি।
১৭) আমি এক হোমিও চিকিৎসকের কাছে গিয়েছিলাম, তিনি আমাকে জার্মানি কিডনি ঔষধ দিয়েছেন, তবুও ভালো হয় নাই - কেন ?
উত্তরঃ কিডনি ঔষধ নামে যে ঔষধ, সেটা একটা অস্থায়ী প্রাথমিক চিকিৎসা মাত্র। এতে কারো উন্নতি হতেও পারে নাও হতে পারে। উক্ত চিকিৎসক আপনাকে নগদ চিকিৎসা দিয়েছেন মাত্র। তাই ভাল হয় নাই। আপনার জন্য প্রয়োজন, ধাতগত মায়াজম ভিত্তিক কিডনির পুর্ণাংগ চিকিৎসা। যারা এই ধরনের চিকিৎসা দিচ্ছেন, তারা প্রকৃতপক্ষে চিকিৎসা বুঝেন না বিধায় সাময়িক উপশমকারি কিছু ঔষধ দিয়ে চিকিৎসা করছেন। এটা হোমিওপ্যাথির ব্যর্থতা নয়। এটা উক্ত চিকিৎসকের ব্যর্থতা। আর একজন চিকিৎসকের ব্যর্থতা দিয়ে কখনোই সুপ্রতিষ্ঠিত একটি চিকিৎসা ব্যবস্থাকে মূল্যায়ন করা যাবে না।
১৮) আমি কখন একজন হোমিও চিকিৎসক পরিবর্তন করব ?
উত্তরঃ একজন দক্ষ হোমিও চিকিৎসকের নিকট থেকে চিকিৎসা নিলে, শুরু থেকেই আপনি আপনার অগ্রগতি বুঝতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে পুরাতন রোগে কয়েক মাস সময় দেয়া যেতে পারে। এতে আরোগ্য না হলে, আপনি চিকিৎসক পরিবর্তন করুন।
১৯) আমি কখন বুঝব, আমি সঠিক হোমিও চিকিৎসা পাচ্ছি না, বা চিকিৎসক ত্যাগ করা জরুরী ?
উত্তরঃ কোন চিকিৎসকের চেম্বারে গিয়ে যখন দেখবেন, হোমিওপ্যাথি, এলোপ্যাথি, আয়ুর্বেদিক, কবিরাজি, হার্বাল ইত্যাদি বাহারি সিরাপ শোভা বর্ধন করছে, তখনই উক্ত চিকিৎসক বর্জনীয়।
২০) হোমিও চিকিৎসক শুধু পানি দিচ্ছেন, এটা তে কি রোগী ভালো হবে ?
উত্তরঃ রেক্টিফাইড স্পিরিট বা এলকোহল এর ক্ষতি এড়াতে একজন বিবেকবান চিকিৎসক ভালো ফলাফলের জন্য ডিস্টিলড ওয়াটারে ঔষধ মিশিয়ে দিয়ে থাকেন। এটাকে সাধুবাদ জানাবেন। চিকিৎসক কি দিচ্ছেন, সেটা জরুরী নয়, আপনার আরোগ্য লাভ জরুরী। তবে সচেতনতার স্বার্থে বড় বড় সিরাপের বোতল থেকে দূরে থাকুন।
২১) ডায়ালাইসিস কি ?
উত্তরঃ মেশিনের মাধ্যমে দূষিত রক্ত পরিশোধন করার নাম ডায়ালাইসিস। কিডনি বিকল হয়ে দেহের রক্তে ক্রিয়েটিনিন সহ অন্যান্য বর্জ বৃদ্ধি পেয়ে, রোগীর দেহ গুরুতর জরুরী অবস্থায় পতিত হলে, জরুরীভাবে দেহের র

25/12/2022
12/09/2022

২০২১ সালের ডিএইচএমএস পরীক্ষার সময় সূচী।

07/01/2022

বাংলাদেশের হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারদের পাশে ইন্ডিয়ান ডাক্তারদের সংগঠনগুলোকে দাড়ানোর আহ্বান। সংগৃহিত পোষ্ট:
বাংলাদেশের হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারদের নামের আগে ডাক্তার লেখা নিয়ে বিগত প্রায় এক বছর ধরে যা চলছে তা সে দেশের আইন বা আইন ব্যবস্থা নিয়ে আমাদের কিছু বলার নেই! তবে যে সব আন্তর্জাতিক হোমিওপ্যাথিক সংগঠন আছে তারা যদি চুপ করে বসে থাকে তাহলে মহা ভুল হবে। বিশেষ করে ভারতের যে সব হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারদের সংগঠন আছে তাদের এ বিষয়ে সক্রিয় হতেই হবে এবং বাংলাদেশের ডাক্তারদের পাশে দাঁড়াতে হবে।

এটা যদি ভাবা হয়, এটা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় তা হলে এই বিপদ একদিন প্রত্যেক দেশেই আসতে পারে। কেননা মাল্টিন্যাশনাল ড্রাগ কোম্পানিগুলি বাংলাদেশ কে নিয়ে পরীক্ষার পর্যায়ে রয়েছে। যদি তারা বাংলাদেশে সফল হয় তখন তাদের আক্রমণ অন্য দেশের হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারদের ওপর নেমে আসবে।

বর্তমানে মানুষ যে ভাবে স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে হোমিওপ্যাথিতে ঝুঁকছে এবং দিনে দিনে হোমিওপ্যাথিক যে ভাবে বিভিন্ন জটিল রোগীদের সুস্থ্য করে তুলছে তাতে মাল্টিন্যাশনাল ড্রাগ কোম্পানিগুলি নিজেদের ব্যবসার স্বার্থে হোমিওপ্যাথিকে কোনঠাসা করতে সদা সক্রিয় থাকবে।

এমতাবস্থায় ভারতের হোমাইসহ যে সব বৃহৎ সংগঠন আছে এবং আন্তর্জাতিক স্তরে ভূমিকা নিয়ে বাংলাদেশের হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারদের পাশে দাঁড়ানো যায় সে বিষয়ে ভাবতে অনুরোধ করছি।

ধন্যযোগ,
ডা. উৎপল চৌধুরী
পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।

06/01/2022

ইন্টার্ন করবার জন্য যা লাগবে।
১) ছবি ২ কপি
২) এস এস সি সার্টিফিকেট ফটোকপি
৩) ৪ বছরের এডমিট ফটোকপি
৪) ১০০০ টাকা
১৫ তারিখে কলেজে যেতে হবে ইন্টার্ন কারবার জন্য ভর্তি হতে। কলেজ নির্দেশনা।

15/12/2021

জননী জন্মভুমির ৫০ তম জন্মদিনে শুভেচ্ছা। শ্রদ্ধা জানাই জাতীর শ্রেষ্ঠ সন্তানদের, শ্রদ্ধা জানাই ৩০ লাক্ষ শহীদ এবং ২ লাখ মায়েদের প্রতি। যাদের আত্মত্যাগ এর বিনিময়ে আমাদের এই স্বাধীন বাংলাদেশ।

27/09/2021

জিহ্বা দেখে রোগ নির্ণয়

02/09/2021

আলহামদুলিল্লাহ্ ২০২০ সালে হোমিওপ্যাথিক বোর্ড এর পরীক্ষার রুটিন।

Want your school to be the top-listed School/college in Sirajganj?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address

Mokterpara
Sirajganj
6700

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00