আলহামদুলিল্লাহ্! আমাদের ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স করে মোঃ রবিন খান এখন স্বাবলম্বী । আপনিও যদি মোঃ রবিন খানের মতো ডিজিটাল মার্কেটিং এ ক্যারিয়ার গড়তে চান তাহলে আজই আপনার সিট টি বুক করে ফেলুন ই-ল্যাব বিডিতে । আমাদের আসন সংখ্যা খুবই সীমিত ।
আমাদের ঠিকানাঃ
হাজী ছায়েব উদ্দিন (টাওয়ার মার্কেট) ২য় তলা,
খুকনি, শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ - ৬৭৭০
মোবাইলঃ ০১৬১১৫৫৬০৬০
ইমেইলঃ [email protected]
ওয়েব সাইটঃ academy.elabbd.com
E-Lab BD Academy
Add a few sentences to tell people what your Page is about. This will help it show up in the right search results. You will be able to add more details lat
আই টি ইন্ডাস্ট্রিতে আপনার ক্যারিয়ার গড়তে সঠিক গাইডলাইন নিন এক্সপার্টদের থেকে।
আমাদের ঠিকানাঃ
হাজী ছায়েব উদ্দিন (টাওয়ার মার্কেট) ২য় তলা,
খুকনি, শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ - ৬৭৭০
মোবাইলঃ ০১৬১১৫৫৬০৬০
ইমেইলঃ [email protected]
ওয়েব সাইটঃ academy.elabbd.com
07/02/2024
ই-ল্যাব বিডিতে আমন্ত্রণ রইল আপনারও। চায়ের কাপে ক্যারিয়ার গাইডলাইন নিন এক্সপার্টদের কাছে। আমরা আছি আপনারই অপেক্ষায়।
আমাদের ঠিকানাঃ
হাজী ছায়েব উদ্দিন (টাওয়ার মার্কেট) ২য় তলা,
খুকনি, শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ - ৬৭৭০
মোবাইলঃ ০১৬১১৫৫৬০৬০
ইমেইলঃ [email protected]
ওয়েব সাইটঃ academy.elabbd.com
23/12/2023
Internet of Things (IoT) Technology একবিংশ শতাব্দির অনন্য আবিষ্কার, যা বিভিন্ন ডিভাইসকে ইন্টারনেটে সংযোগ করে একত্রে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি করে। এর বহুল ব্যবহার প্রতিটি ইন্ডাস্ট্রিকে গতিশীল করছে, বাড়াচ্ছে কর্মক্ষমতা, তৈরি করছে কর্ম সম্ভাবনা। কিভাবে করছে? আসুন জেনে নিই-
Connectivity: IoT প্রযুক্তির মাধ্যমে সহজেই ডিভাইসগুলো একই ইন্টারনেটে সংযোগের আওতায় আনা সম্ভব। যা নিয়ন্ত্রণ করা সহজ এবং সেন্ট্রাল নিয়ন্ত্রণের কারণে অনেক বিপদ এড়ানো সম্ভব পাশাপাশি কম সময়ে অনেক কাজ করা যায়।
Data Collection: একাধিক ডিভাইস থেকে ডেটা সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা হয় বলে ডেটার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়। ডেটা নির্ভর প্রতিটি ইন্ডাস্ট্রি তাই ডেটা সংগ্রহ ও সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।
Insights: সংগৃহীত ডেটা থেকে সঠিক তথ্য পাওয়া ও তা ইন্ডাস্ট্রিভেদে কিভাবে ব্যবহার করা যায় এবং কোন ডেটা আপনার প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রয়োজন কোনগুলো অপ্রয়োজনীয় তা জেনে নিতে পারবেন Insights Analysis করলেই।
Automation: IoT প্রযুক্তি সবচেয়ে বেশি সাড়া ফেলেছে Automation সেক্টরে, বর্তমানে চিকিৎসা, শিল্প, বাণিজ্য এমন কি শিক্ষা ও দৈনন্দিন কাজের ক্ষেত্রেও আমরা Automation এর ওপর নির্ভরশীল যা সহজ করেছে IoT প্রযুক্তি।
Virtual Monitoring: দূরবর্তী স্থান থেকে ডিভাইসগুলি মনিটর করার ক্ষেত্রে IoT প্রযুক্তি বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। মহামারি কিংবা প্রযুক্তির উন্নয়নে রিমোট জবের পরিমাণ অনেকাংশেই বেড়েছে। সেসব ক্ষেত্রে ডিভাইস দূরবর্তী হলেও তার কন্ট্রোল একই জায়গা থেকে করার মত সক্ষমতা এনেছে IoT প্রযুক্তি।
Security: প্রযুক্তির উন্নয়ন যে হারে হচ্ছে সে হারে কিছু অসাধু ব্যক্তি প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে যাচ্ছে সাইবার অ্যাটাক করতে। যেহেতু ডেটা নির্ভর ইন্ডাস্ট্রি তাই আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি তথ্যই গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রতিটি সংযোগযোগ্য ডিভাইসে সুরক্ষা প্রদান করতে IoT প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
প্রযুক্তির উন্নয়ন আমাদের জীবনমানকে উন্নত করছে নিঃসন্দেহে, প্রয়োজন সময়োপযোগী ব্যবহার।
প্রযুক্তির এই যুগে আমাদের সন্তানরা আটকা পড়েছে মোবাইল, কম্পিউটার এর স্ক্রিনে, ফলে তাদের আসক্তির একটা জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে গেমস। এখানে তাদেরও দোষ নেই, বদ্ধ দেয়ালের মাঝে তাদের খোলা মন সৃজনশীল কিছু করতে চায়। তাদের এই ইচ্ছাকে গেমস থেকে সরিয়ে এনে নতুন কিছু শেখার পথ দেখিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব কিন্তু অভিভাবকের। হতে পারে সেটা Graphics Design কিংবা Digital education মতন দারুণ কিছু।
ডিজিটাল মার্কেটিং কি?
ডিজিটাল মার্কেটিং মানে অনলাইনে পন্য বা সার্ভিসের বিজ্ঞাপন প্রচার করাকেই বুঝায়। এখন সেটা হতে পারে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে, হতে পারে সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং এর মাধ্যমে, হতে পারে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের মাধ্যমে, আবার হতে পারে ইমেইল মার্কেটিং এর মাধ্যমে।
আবার ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া যেমন, টিভি, রেডিও ইত্যাদির মাধ্যমে পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচার করাটাও এক ধরণের ডিজিটাল মার্কেটিং। এছাড়া মোবাইলে ইন্সট্যান্ট মেসেঞ্জিং, ইলেকট্রনিক বিলবোর্ড, মোবাইল এপ্লিকেশনের মাধ্যমে পণ্যের প্রচারণাকেও ডিজিটাল মার্কেটিং বলা যেতে পারে।
বুঝতেই পারছেন, আধুনিক বিশ্বে নিজেকে ও নিজের ব্যবসার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হলে ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার কোনো বিকল্প নেই।
এতো গেল ডিজিটাল মার্কেটিং বলতে আমরা কি বুঝি। কিন্তু এই ডিজিটাল মার্কেটিং এর ধাপগুলো কি কি? কখনো কি ভেবে দেখেছেন, এই ধাপগুলো কি হতে পারে? আসুন আমরা এবার এই ধাপগুলো সম্পর্কে জেনে নেই।
ডিজিটাল মার্কেটিং এর ধাপসমূহ
ডিজিটাল মার্কেটিং এর অনেকগুলো ধাপ আছে। যেগুলো প্রয়োগ করে মূলত ডিজিটাল মার্কেটাররা বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ডিজিটাল মার্কেটিং করে থাকেন। নিচের লিস্টে আপনি সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ কতগুলো ধাপ সম্পর্কে জানতে পারবেন। আসুন লিস্টটা দেখে নেই।
1. এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন
2. এসইএম বা সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং
3. কন্টেন্ট মার্কেটিং
4. সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বা এসএমএম
5. এফিলিয়েট মার্কেটিং
6. ইমেইল মার্কেটিং
7. ই-কমার্স প্রোডাক্ট মার্কেটিং
8. সিপিএ মার্কেটিং
মানুষের দক্ষতা সাধারণত দুই ধরনের হতে পারে। কারিগরি ও মানবিক। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার মাধ্যমে কারিগরি দক্ষতার নানান বিষয় ও প্রয়োগ সম্পর্কে জানতে পারি। এর বাইরে বেশ কিছু দক্ষতা আছে, যা নিজে থেকেই আয়ত্ত করতে হয়। সারা পৃথিবীতেই চাকরির ক্ষেত্রে বা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে ‘সফট স্কিল’ গড়ে তোলার ব্যাপারে জোর দেওয়া হচ্ছে, সফট স্কিল বলতে সাধারণত এই মানবিক দক্ষতাগুলোকেই বোঝানো হয়। কারিগরি দিক দিয়ে আপনি যতই দক্ষ হন না কেন, মানবিক দক্ষতা না থাকলে ক্যারিয়ারে সফল হওয়া কঠিন। ১০টি প্রয়োজনীয় মানবিক দক্ষতার কথা বলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের (আইবিএ) ম্যানেজমেন্ট কনসালটেন্সি প্রোগ্রামের চেয়ারপারসন, বিজনেস কমিউনিকেশন পরামর্শক ও সহকারী অধ্যাপক সাইফ নোমান খান
১. যোগাযোগ দক্ষতা
পড়াশোনার বিষয়টা যা-ই হোক, যে ক্ষেত্রেই আপনি ক্যারিয়ার গড়েন না কেন, আপনার মধ্যে যোগাযোগের দক্ষতা থাকা জরুরি। ভাষাগত দক্ষতা, ইতিবাচক শারীরিক ভাবভঙ্গি, লেখার দক্ষতা, গল্প বলার দক্ষতা, রসবোধ, শোনার আগ্রহ, পাবলিক স্পিকিং, সাক্ষাৎকার গ্রহণসহ ই–মেইল লেখা, নিজের বক্তব্য তুলে ধরার যোগ্যতা আয়ত্ত করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের শুরু থেকেই এসব দক্ষতা বিকাশে মনোযোগ দেওয়া উচিত। কোথায় কোথায় দুর্বলতা আছে, তা খুঁজে বের করতে হবে। চর্চার মাধ্যমে দুর্বলতা দূর করতে হবে। যোগাযোগের ক্ষেত্রে নিজেকে আরও দক্ষ করে তুলতে টেড টকস: দ্য অফিশিয়াল টেড গাইড টু পাবলিক স্পিকিং বইটি পড়তে পারেন। মনে রাখবেন, বাংলা ও ইংরেজি, দুটো ভাষাতেই আপনাকে দক্ষ হতে হবে।
২. নেতৃত্ব বিকাশ
যেকোনো ক্যারিয়ারেই নেতৃত্ব দেওয়ার গুণ থাকা এখন বিশেষ যোগ্যতা। আপনি ম্যানেজার হতে চান কিংবা দক্ষ কর্মী, আপনার মধ্যে নেতৃত্বের সব গুণ থাকতে হবে। দল গঠনের সক্ষমতা, নেতৃত্বের সুযোগ তৈরি করা, পরামর্শ দেওয়া-নেওয়া, সংঘাত নিরসনের কৌশল জানা, কূটনীতি, মতামত দেওয়া ও নেওয়া, তত্ত্বাবধান করাসহ দূর থেকেই দলকে নিয়ন্ত্রণ করার দক্ষতা আয়ত্ত করতে হবে। টম র্যাথের স্ট্রেন্থস ফাইন্ডার ২.০ বইটি পড়ে জানতে পারবেন, কোন ধরনের নেতৃত্বের গুণাবলি আপনার মধ্যে আছে। বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে বিভিন্ন বিজনেস কেস কম্পিটিশন, হ্যাকাথন আরও নানা ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে নিজের নেতৃত্ব বিকাশের সক্ষমতা অর্জন করতে পারেন। সংগঠনে কাজের মধ্য দিয়েও নেতৃত্বের গুণ বিকাশ করা যায়।
পেশাগত দক্ষতা
৩. পেশাগত দক্ষতা
পেশাগত দক্ষতা বলতে প্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা, পরিকল্পনা করা, মিটিং পরিকল্পনা, প্রযুক্তি ব্যবহারে আগ্রহ, পৃথিবীর অন্যান্য দেশগুলোর কোথায় কী হচ্ছে, গবেষণা করার আগ্রহ, ব্যবসায় রীতিনীতি সম্পর্কে জানা, প্রশিক্ষণ নেওয়া ও দেওয়া এবং গ্রাহকসেবার নানা দিক সম্পর্কে জানা—এসবই বোঝায়। পেশাগত দক্ষতাগুলো সম্পর্কে জানা থাকলে বিশ্ববিদ্যালয়জীবন শেষে কর্মজীবনে পা রাখলে ভয় কিংবা জড়তা তেমন থাকে না। চার্লস দুহিগের দ্য পাওয়ার অব হ্যাবিট: হোয়াই উই ডু হোয়াট উই ডু ইন লাইফ অ্যান্ড বিজনেস বইটি পড়লে জড়তা কাটানোর বিভিন্ন উপায় সম্পর্কে জানা যাবে।
৪. ব্যক্তিগত দক্ষতা
আপনি কতটা ইতিবাচক মানুষ কিংবা নেতিবাচক পরিবেশে নিজেকে কতটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন, তার ওপর নির্ভর করছে আপনার ব্যক্তিত্ব। ব্যক্তিগত দক্ষতা বলতে ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স বা বুদ্ধিবৃত্তিক আবেগ, ব্যক্তি সচেতনতা, আবেগের নিয়ন্ত্রণ, আত্মবিশ্বাস, উৎসাহ, আপনি কতটা সহানুভূতিশীল এবং বন্ধুত্বপূর্ণ—এসবই বোঝায়। আপনি কেমন মানুষ, আগে তা খুঁজে বের করতে হবে, তারপর কোথায় কোথায় দুর্বলতা তা বের করে নিজেকে শোধরাতে হবে। ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স ২.০ বইটি পড়লে ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স বা বুদ্ধিবৃত্তিক আবেগ কীভাবে, কতটা সৃজনশীল উপায়ে বিকাশ করা যায়, তা জানতে পারবেন।
৫. নিজেকে উপস্থাপন
নিজেকে অন্যের সামনে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করাও একটি দক্ষতা। এমন নয় যে আপনি যা নন, তা অন্যের সামনে দেখাতে হবে। বরং আপনার শক্তির জায়গাগুলোকে কাজে লাগিয়েই নিজেকে সুন্দর করে উপস্থাপন করা শিখতে হবে। অন্যের সামনে নিজের ‘ব্র্যান্ডিং’ করতে হবে।
৬. ইতিবাচক চিন্তা করা শিখতে হবে
আপনি কীভাবে চিন্তা করেন—এ থেকেই বোঝা যায় আপনি কতটা দক্ষ। নিজের চিন্তাশক্তি বিকাশের জন্য অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ড্যানিয়েল কাহনেম্যানের থিংকিং, ফাস্ট অ্যান্ড স্লো বইটি পড়তে পারেন। সব ক্ষেত্রেই ইতিবাচক চিন্তা করা শিখতে হবে এবং তা সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে।
৭. সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবন
জীবনে আপনি কতটা সফল হবেন, তা নির্ভর করে আপনার সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী দক্ষতার ওপর। সৃজনশীলতার সঙ্গে নিজের বুদ্ধিমত্তার নান্দনিকতার সম্পর্ক যুক্ত। উদ্ভাবনী দক্ষতা বিকাশের জন্য আপনি অভিজ্ঞ কোনো মানুষের সঙ্গে কাজ করতে পারেন। যে ভাবনাগুলো আপনাকে আলোড়িত করছে, সেগুলো শুধু মাথার ভেতর না রেখে প্রয়োগ করে দেখতে পারেন। তাহলেই আপনার শক্তি ও দুর্বলতাগুলো জানতে পারবেন।
৮. সংবেদনশীলতা
আপনার সংবেদনশীলতা আপনার আজীবনের শক্তি। কোনো কারণে ব্যর্থ হলে কত দ্রুত সময়ে স্বাভাবিক হতে পারেন কিংবা ব্যর্থতার প্রতি আপনার প্রতিক্রিয়া কতটা ইতিবাচক, এসব গুণই সংবেদনশীলতা। আপনি নিজের অনুভূতিকে কতটা ইতিবাচক উপায়ে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন, তা আপনাকে চর্চার মাধ্যমে শিখতে হবে।
৯. সমস্যা সমাধান ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ
আমরা সমস্যা নিয়ে ভাবতে পছন্দ করি। সমস্যা নিয়ে ভাবতে ভাবতে সমাধান নিয়ে ভাবনার সুযোগই পাই না। বিশ্ববিদ্যালয়জীবন থেকেই সমস্যা সমাধানের বিভিন্ন কৌশল সম্পর্কে জানতে হবে। সমস্যা সমাধানের জন্য গণিত ও যুক্তির বিভিন্ন কৌশল আয়ত্ত করতে হবে। সিদ্ধান্ত গ্রহণে আবেগের চেয়ে যুক্তি ও বাস্তবতার দিকে খেয়াল রাখতে শিখতে হবে।
১০. শেখার আগ্রহ
সবচেয়ে বড় সফট স্কিল হচ্ছে শেখার আগ্রহ থাকা এবং শিখে তা প্রয়োগের চেষ্টা করা। বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষে আমরা অনেক ক্ষেত্রেই নিজেকে নিয়ে অহংকারবোধ করি, নিজে থেকে কিছু শিখতে চাই না, যা একটি ফাঁদ। আপনি নিজেকে জ্ঞানী ভাবা শুরু করলেই শেখার আগ্রহ নষ্ট হয়ে যাবে। শিখতে না পারলে ক্যারিয়ার বা জীবনকে সামনে এগিয়ে নেওয়া যাবে না। আপনার চেয়ে বয়সে বড় কিংবা ছোট সবার কাছে যেতে হবে শেখার জন্য। কে আপনাকে কোন বিষয়টি শেখাবে, তা কিন্তু আপনি জানেন না। আপনার মন যদি নতুন কিছু শেখার জন্য প্রস্তুত না থাকে, তাহলে আপনি নিজেকে সামনে এগিয়ে নিতে পারবেন না।
“Find out who you are and do it on purpose.”
—Dolly Parton
14/12/2023
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মাধ্যমিক শেষ হলেই শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয় “আমি কি হব?” এই নিয়ে। পড়াশোনার চাপের সাথে এ যেন বাড়তি চাপ। পরিবারের আশা, সামাজিক স্বীকৃতি এসবের আড়ালে হারিয়ে যায় নিজের চাওয়া। দিনের পর দিন ইচ্ছার বিরুদ্ধে সকলকে সন্তুষ্ট করার দৌরাত্ম্য চলতেই থাকে। তাই প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা। যেহেতু মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক লেভেলের শিক্ষার্থীরা পরিবারের ওপর নির্ভরশীল থাকে তাই সিদ্ধান্ত অনেকটাই পরিবারভিত্তিক হয়। তাই সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পরিকল্পনা করতে হবে আজ থেকেই, যা করতে হবে,
প্রথমেই আপনার পছন্দ, ভালো লাগা নির্ধারণ করুন। যেমন আপনি যদি বিজ্ঞানপ্রেমী হয়ে থাকেন তাহলেই সেদিকে পা বাড়ান অন্যথা প্রয়োজন নেই। আধুনিক পেশাগুলোর ক্ষেত্রে একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ডের চেয়ে দক্ষতাকে গুরুত্ব দেয়া হয় বেশি।
পড়াশুনার সাথে সাথে অন্যান্য বিষয়ে স্কিল ডেভেলপ করুন, যা আপনাকে তৈরি করবে আগামীর জন্য। যেমনঃ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ করে আপনি প্রথম বর্ষে Graphic Design, Content Writing অথবা যদি কোডিং নিয়ে আগ্রহ থাকে তা শিখে ফেলুন। আয় করতেই হবে এমন বিষয় নয় তবে আপনি এগিয়ে থাকবেন অন্যদের চেয়ে।
ডক্টর, ইঞ্জিনিয়ার, ব্যবসা কিংবা শিক্ষকতার মত মহান পেশাগুলোর পাশাপাশি আধুনিক বিষয়গুলোতে দক্ষতা আপনাকে করবে সময়োপযোগী। আবার অনেকেই ঝরে যায় মাঝ পথে, হুজুগে কিংবা পারিবারিক চাপে পড়াশুনা শুরু করেন একটি বিষয়ে কিন্তু ১/২ বছর পর গিয়ে সেই আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন কিংবা সহপাঠিদের সাথে তাল মেলাতে পারেন না বা বার বার ব্যর্থ হয়ে ছেড়ে দেন। কিন্তু তাই বলে কি জীবন থেমে যায়? ঘুরে দাঁড়াতে হয় নিজ ইচ্ছায়, “Self Help is the Best Help” এই লাইনের উর্ধ্বে আর কোন কথা নেই। তবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে সময়োপযোগী, নিজ দক্ষতায় কাজ করতে পারেন আইটি সেক্টরে। যেখানে একাডেমিক শিক্ষার চেয়ে জরুরী দক্ষতা।
তাই সবকিছুর পূর্বে প্রাধান্য দিন আপনার পছন্দ এরপর সময়োপযোগী দক্ষতা, তাহলেই সফলতার পথ দীর্ঘ হবে।
05/12/2023
আধুনিক পেশায় কর্ম সম্ভাবনা বেড়ে যাওয়ায় সকলের মধ্যে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যেমন আজ থেকে ৫ বছর আগেও ফ্রিল্যান্সারদের সামাজিক স্বীকৃতির জায়গা স্থিতিশীল ছিল না, যা বর্তমানে অনেক সেক্টরেই সমাদৃত। চাকরি ভাবনার পাশাপাশি পরিবর্তন হয়েছে ব্যবসার ধরণ, মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার সর্বক্ষেত্রে। তাই প্রয়োজন ডিজিটাল সেক্টরে দক্ষতা অর্জন করা, তবে আশে পাশে এত বেশি আইটি ট্রেনিং সেন্টার যে দিশেহারা হয়ে যান অনেকেই। কোথায় শিখবেন আগে যাচাই করা জরুরী।
❓ কিভাবে যাচাই করবেন?
⭐ প্রথমেই জেনে নিন কোর্স মডিউল আপডেটেড কি না? বা প্রতিনিয়ত আপডেট করা হয় কি না? কেননা এই সেক্টরটিই এমন যে পরিবর্তন আসে চোখের পলকে।
⭐ মেন্টর কোয়ালিটি কেমন? অর্থাৎ যিনি আপনাকে শেখাবেন তার ইন্ডাস্ট্রি অভিজ্ঞতা আছে তো?
⭐ কোর্স চলাকালীন ও কোর্স পরবর্তী সার্ভিসগুলো জেনে নিন। যেমনঃ কোর্স চলাকালীন ক্লাসে কোন বিষয় বুঝতে না পারলে সেটার ব্যাকআপ সাপোর্ট দিচ্ছে কি না? কোর্স পরবর্তী কি কি সাপোর্ট প্রদান করে।
⭐ আরনিং এর ক্ষেত্রে কি ধরণের সহায়তা করে জেনে নিন কোর্স শুরু করার পূর্বেই।
চেষ্টা, ধৈর্য্য মানুষকে পৌছে দেয় সফলতার শীর্ষে তবে সঠিক গাইডলাইন অত্যন্ত জরুরী। তাই ডিজিটাল সেক্টরে ক্যারিয়ার গড়ার জন্য ই-ল্যাব বিডি একাডেমী হতে পারে উপযুক্ত প্রতিষ্ঠান। তবে আমাদের কথার ভিত্তিতে নয় আপনি সরাসরি প্রতিষ্ঠানে এসে যাচাই করে এরপর সিদ্ধান্ত নিন। এক্ষেত্রে সেমিনারেও পেতে পারেন পরিপূর্ণ ধারণা।
👉সেমিনারে অংশ নিতে রেজিস্ট্রেশন করুন-
https://academy.elabbd.com
আমাদের ঠিকানাঃ
হাজী ছায়েব উদ্দিন (টাওয়ার মার্কেট) ২য় তলা,
খুকনি, শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ - ৬৭৭০
মোবাইলঃ ০১৬১১৫৫৬০৬০
ইমেইলঃ [email protected]
ওয়েব সাইটঃ academy.elabbd.com
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Sirajganj
6770