25/06/2021
ফ্রিল্যান্সিং ও অাউটসোর্সিংঃ
ঘরে বসে অনলাইনের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্লায়েন্টের সাথে কাজের চুক্তি করে সেই কাজ শেষ করে অনলাইনের মাধ্যমে ক্লায়েন্টের কাছে পৌছানোর মাধ্যমে আয় করাকে সংক্ষেপে ফ্রিল্যান্সিং বলা হয়।
আপনি হয়ত ফ্রিল্যান্সিং বিষয়টা এখনো পরিষ্কার হতে পারছেন না। আমি এ বিষয়কে আরো সহজভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করছি।
সাধারণত একজন ব্যক্তি লেখাপড়া শেষ করার পর কোন কোম্পানিতে চাকরি পাওয়ার জন্য তার সিভি সাবমিট করে। সিভি দেখার পর এবং ইন্টারভিউ শেষে কোম্পানি তাকে যোগ্য মনে করলে চাকরিতে নিয়োগ করে। তখন সেই ব্যক্তি কোম্পানিতে সকাল ৯ ঘটিকা থেকে বিকাল ৫ ঘটিকা পর্যন্ত নিয়মিত রুটিন কাজকর্ম করার মাধ্যমে মাসিক হারে একটি নির্দিষ্ট বেতন পায়।
ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য ঠিক একইভাবে একজন ব্যক্তির যে বিষয়ে অভীজ্ঞতা রয়েছে বা যে বিষয়ে সে ভালোভাবে কাজ করতে পারে, সে বিষয়ে কাজ পাওয়ার জন্য বিভিন্ন অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট প্লেসগুলোতে কাজের জন্য আবেদন করে। তখন ক্লায়েন্ট তার কাজের যোগ্যতা যাচাই করে উপযুক্ত মনে করলে, তাকে কাজটি করে দেওয়ার জন্য নিয়োগ করে। এ জন্য ফ্রিল্যান্সিংকে এক ধরনের জব (চাকরি) বলা হয়ে থাকে।
তবে একটি নরমাল চাকরি আর ফ্রিল্যান্সিং জব এর মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। নরমাল যে কোন চাকরিতে প্রতিদিন নির্ধারিত সময়ে কাজ করতে হয়। তা না হলে আপনার চাকরি ধরে রাখতে পারবেন না। সেই সাথে কাজ ঠিকমত করতে না পারলে মাঝে মধ্যে বসের বকুনি খেতে হয়।
কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার এর ক্ষেত্রে সে ধরনের কোন ধরা বাধা নিয়ম নেই। এখানে আপনি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবেন। আপনার যখন মন চাইবে তখন কাজ করতে পারেন, আবার মন না চাইলে কাজ থেকে বিরত থাকতে পারেন। এই জন্য মূলত ফ্রিল্যান্সিংকে মুক্ত পেশা বলা হয় এবং ফ্রিল্যান্সিং করতে বেশিভাগ লোক পছন্দ করে।
তবে ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারে সফল হতে হলে আপনি খুব বেশি মুক্তভাবে কাজ করতে পারবেন না। কারণ আপনি স্বাধীনভাবে বা যখন খুশি তখন কাজ করার মনোভাব নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং এ কাজ করলে আপনি কখনো একজন ভালোমানের ফ্রিল্যান্সার হতে পারবেন না। আপনি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে যত বেশি সময় ব্যয় করবেন এবং ক্লায়েন্টদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখবেন, আপনি ফ্রিল্যান্সিং করে তত বেশি আয় করতে পারবেন। সেই সাথে স্বাধীনভাবে কাজ না করে একটি সাধারণ চাকরির মত টাইম মেনটেইন করে কাজ করলে ক্লায়েন্ট আপনাকে দিয়ে কাজ করাতে বেশি স্বাচ্ছন্দবোধ করবে।
সহজ ভাষায় Freelancing কি?
উপরের আলোচনা ও বিশ্লেষণ থেকে এভাবে বলা যায় যে, নিজের মেধা ও অভীজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে অনলাইনে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তির মাধ্যমে অনলাইনে কাজ করে টাকা আয় করাকে ফ্রিল্যান্সিং বলা হয়।
তাছাড়া উপরের আলোচনা থেকে এটাও বুঝা গেল যে, ফ্রিল্যান্সিং যদিও একটি মুক্ত পেশা কিন্তু ফ্রিল্যান্সিংয়ে নিজের অবস্থান ভালো করার জন্য এবং বেশি পরিমানে টাকা আয় করার জন্য মুক্তভাবে কাজ করার কোন সুযোগ নেই। একজন ফ্রিল্যান্সার বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে যত বেশি সময় ও শ্রম দিতে পারবে, সেই ফ্রিল্যান্সার ফ্রিল্যান্সিং করে তত বেশি টাকা আয় করে নিতে পারবে। আর যারা ফ্রিল্যান্সিংকে মুক্ত পেশা হিসেবে ধরে নিয়ে স্বাধীনভাবে কাজ করবে, তারা ফ্রিল্যান্সিংয়ে কখনো সফলতা অর্জন করতে পারবে না।
ফ্রিল্যান্সিং এর সুবিধা কি?
ফ্রিল্যান্সিং এর সবচাইতে বড় সুবিধা হচ্ছে এখানে স্বাধীনতা রয়েছে।
কাজের জন্য কোন দায়বদ্ধতা থাকে না এবং বসের বকাঝকা খাওয়ার কোন সুযোগ নেই।
একটি নরমাল জবের চাইতে অনেক বেশি টাকা আয় করা সম্ভব হয়।
কাজের কোনো লিমিট নেই। যত বেশি কাজ তত বেশি টাকা।
মাসে একাধিক পেমেন্ট পাওয়া যায়। যেটা কোন অফলাইন চাকরি থেকে পাওয়া সম্ভব নয়।
কম সময় ব্যয় করে বেশি টাকা আয় করা সম্ভব হয়।
ঘরে বসে কাজ করা যায়। কোন অফিস এর প্রয়োজন হয় না।
কোন ধরনের ইনভেসমেন্ট করা লাগে না।
ফ্রিল্যান্সিং করে কত টাকা আয় করা যায়?
ফ্রিল্যান্সিং করে কত টাকা আয় করতে পারবেন সেটা আপনার কাজের দক্ষতা (Skill) এর উপর ডিপেন্ড করবে। আপনার কাজের কোয়ালিটি যত ভালো হবে, আপনি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটে তত বেশি কাজ পাবেন এবং যত বেশি কাজ পাবেন তত বেশি টাকা আয় করতে পারবেন। এখানে আপনার দক্ষতা দিয়ে যোগ্যতা প্রমান করে কাজের মাধ্যমে ডলার আয় করার পরিমান বৃদ্ধি করে নিতে হবে।
সাধারণত ফ্রিল্যান্সাররা ঘন্টা, দিন ও সপ্তাহ হিসেবে কন্ট্রাকের মাধ্যমে টাকা আয় করে। এ ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটে যার অবস্থান যত ভালো, সে তত বেশি কাজ পায় এবং বেশি টাকা আয় করতে পারে।
কাদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং?
মিনিমাম একটি কাজে যাদের অভীজ্ঞতা আছে।
যাদের কাজ শেখার প্রচুর আগ্রহ রয়েছে।
যাদের নগদ আয়ের লোভ নেই (আজকে এসে কালকে আয় করা পার্টি)।
যাদের টাকার প্রতি অতিরিক্ত লোভ নেই।
যাদের ইংরেজী দক্ষতা ভালো।
আর্ন্তজার্তিক পর্যায়ে যারা কমিউনেকশন করতে জানে।
ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য নিচের যেকোন একটি বিষয়ে কোর্স করতে পারেন-
গ্রাফিক্স ডিজাইনঃ
বিভিন্ন ধরনের ব্যানার তৈরি, লোগো বানানো সহ আরো বিভিন্ন ধরনের গ্রাফিক্স ডিজাইনের প্রয়োজন প্রায় সকল কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠানের হয়ে থাকে। কাজেই যেকোন প্রতিষ্ঠান থেকে গ্রাফিক্স ডিজাইন বিষয়ে একটি কোর্স করে নিতে পারেন।
ডিজিটাল মার্কেটিংঃ
ডিজিটাল মার্কেটিং হচ্ছে ডিজিটাল মিডিয়া ও ডিজিটাল প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে অনলাইন/ইন্টারনেট এর মাধ্যমে পণ্য বা সেবার বিক্রয় কাজ পরিচালনা করা। আর আমরা মার্কেটিং করার জন্য যতো ধরনের বা পদ্ধতি ব্যবহার করি এগুলোই হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং। বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে এ ধরনের কাজের প্রচুর ডিমান্ড আছে।
আর্টিকেল রাইটিংঃ
আপনার যদি লেখালেখি করার অভ্যাস থাকে বা ব্লগ লেখার পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকে, তাহলে আর্টিকেল লেখার বিষয়ে একটি কোর্স করে আপনার লেখার অভিজ্ঞতাকে আরো বৃদ্ধি করে নিতে পারেন। বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে সবসময় ভালোমানের কনটেন্ট রাইটার খোজা হয়ে থাকে।
ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্টঃ
আজকাল প্রত্যেকটি কোম্পানি ও প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটের প্রয়োজন হয়। কাজেই এ বিষয়ে দক্ষ হয়ে উঠতে পারলে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটে আপনার কাজের কোনো অভাব হবে না।
ভিডিও এডিটিং এন্ড এ্যানিমেশনঃ
অনলাইন ও অফলাইন উভয় মার্কেটে ভিডিও এডিটিং ও এ্যানিমেশনের অনেক দাম রয়েছে। এই কাজটি শিখলে ফ্রিল্যান্সিং করে প্রচুর টাকা ইনকাম করতে পারবেন।
24/06/2021
Microsoft Office Application:
(Ms Word, ExCeL, Power Point & Access)
বেশির ভাগ অফিসের কাজেই এখন খাতা-কলমের বদলে কম্পিউটারের ব্যবহার অনেক বেশি। কারণ আগামীর বিশ্ব ভার্চুয়াল কাজের ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। অটোমেশনের এই যুগে এসে তাই কম্পিউটারের ‘অ আ ক খ’ না জেনে চাকুরি পেলেও কত দিন টিকে থাকবে, তা বলা মুশকিল।
কম্পিউটারের মৌলিক কাজগুলো না জানলে বেশির ভাগ চাকুরিতেই আপনি আবেদন করতে পারবেন না। চাকুরির আবেদন করা শুধু নয়, যারা এখন চাকুরিতে রয়েছেন তাদের জন্যও কম্পিউটারের মৌলিক জ্ঞান থাকা খুবই জরুরী।
সময়ের এই চাহিদাকে সামনে রেখে আমরা এই প্রোগ্রামটি হাতে নিয়েছি। এই প্রোগ্রামে মাইক্রোসফট অফিসের নিম্নোক্ত বিষয়গুলো শিখানো হবে।
০১। কম্পিউটার ফান্ডামেন্টালস ও অপারেটিং সিসটেম :- (কম্পিউটার ও এর পরিচালনা সংক্রান্ত মৌলিক জ্ঞান)
০২। ইংরেজী ও বাংলা টাইপিং :- টাইপিং স্পিড বাড়ানো এবং না দেখে টাইপ শেখার জন্য
০৩। মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (MS Word) :- সকল প্রকার লেখা-লেখির জন্য
০৪। মাইক্রোসফট এক্সেল (MS Excel) :- সকল প্রকার একাউন্টিং ও পরিসংখ্যানের জন্য
০৫। মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট (MS PowerPoint) :- প্রেজেন্টেশন, স্লাইড-শো ও মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট তৈরীর জন্য।
24/06/2021
Graphics Design:
গ্রাফিক্স ডিজাইন হল একটি আর্ট বা শিল্প। এখানে একজন শিল্পী কম্পিউটার সফ্টওয়্যার এর মাধ্যমে কল্পনা, তথ্য এবং গ্রাহকদের ধারণা গুলির সাথে যোগাযোগ করার জন্য, দৃশ্যমান ধারণা তৈরি করে।
গ্রাফিক্স ডিজাইন হল কোন একটি ডিজাইন বা কোন আকৃতি কম্পিউটারের মাধ্যমে রূপ দেয়া। সহজ ভাষায় বলতে গেলে কোনো বিজ্ঞাপন, ব্যানার, টি শার্ট ডিজাইন, ফার্নিচার ডিজাইন, ফ্যাশন ডিজাইন, এবং প্রোডাক্ট ডিজাইন এসব কাজগুলো কম্পিউটারের মাধ্যমে নিখুঁতভাবে ক্রিয়েটিভ আইডিয়া দিয়ে নিত্যনতুন ডিজাইন করার নামই হচ্ছে গ্রাফিক্স ডিজাইন।
গ্রাফিক ডিজাইনের কথা শুনলেই আমারা যা কল্পনা করি তা হলো- লোগো ডিজাইন, কার্ড ডিজাইন, ফ্লাইয়ার ডিজাইন, ইন্টারফেস ডিজাইন এগুলো। বাস্তবে গ্রাফিক ডিজাইনের অর্থ অনেক ব্যাপক।
গ্রাফিক ডিজাইনারদের ক্যারিয়ার
যেকোনো প্রতিষ্ঠানের ডিজাইনার
ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস
বিজ্ঞাপন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান
পত্রিকা/ম্যাগাজিন/প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান
নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান
প্রিন্টিং এবং ডিজাইনিং প্রতিষ্ঠান
ওয়েব ডেভেলপিং প্রতিষ্ঠান
গ্রাফিক ডিজাইন হলো একটি মননশীল প্রক্রিয়া, যে প্রক্রিয়ায় একজন গ্রাফিক ডিজাইনার বিভিন্ন ভিজুয়্যাল এলিমেন্ট(লাইন, কালার, টেক্সচার ইত্যাদি) দ্বারা তার চিন্তা ও মননশীলতার বহিপ্রকাশ ঘটায় অথবা সোসাইটিকে অর্থবহ মেসেজ দিয়ে থাকে অথবা বিভিন্ন সমস্যার সমাধান তুলে ধরে…। আর এ জন্যই গ্রাফিক ডিজাইনকে বলা হয় “আর্ট অব কমিউনিকেশন”।
গ্রাফিক ডিজাইন কে বলা হয় আর্ট অফ কমিউনিকেশন। আপনি হতে পারেন একজন শিক্ষার্থী, একজন ব্যবসায়ী, অথবা একজন পেশাজীবী। আপনাকে সময়ের প্রয়োজনে বিভিন্ন গ্রাফিক্যাল প্রেজেন্টেশন দিতে হতেই পারে। আপনাদের সহায়তা করবে যে বিশেষ দক্ষতা তা হচ্ছে আপনার
ডিজাইন কনসেপ্ট। তবে চলুন কিভাবে আপনি একদম শুরু থেকেই করতে পারেন তাক লাগানো ডিজাইন সে সম্পর্কে জানি কিছু এক্সপার্টস টিপস।
▶ডিজাইন কে বিশ্লেষণ করুন
শিল্পীর প্রতিটি তুলির আঁচরে থাকে দর্শন, তেমনি গ্রাফিক ডিজাইনের প্রতিটি টেক্সট, শেইপ, কালার, টাইপোগ্রাফি, এলেমেন্ট সৃষ্টি করছে মাস্টারপিস। সেই স্টাইল টি ধরে বুঝে সৃষ্টি করুন নিজস্ব ডিজাইন। যত বেশি আপনি ডিজাইন দেখতে থাকবেন আপনার মনের দুয়ার খুলে যাবে। এমন একটি সময় আসবে যখন ডিজাইনের টেক্সচার দেখে আপনি বলে দিতে পারবেন কে কোন সফটওয়্যার ও টুলস ব্যবহার করেছেন।
▶খেয়াল রাখুন অ্যালাইনমেন্টে ও সঠিক ফন্ট নির্বাচন
ভাবুন তো নাইক এর মত একটি কোম্পানির ব্র্যান্ড ডিজাইন কি? শুধুমাত্র একটি টিক চিহ্ন। এখন টিক চিহ্নটি যদি বাম থেকে ডান দিকে হেলে পড়ে। বলুন দেখি কেমন লাগবে? Simple & Smart Design with the right allignment. এটাই একটি অসাধারন ডিজাইনের ব্যালেন্স, তাই অ্যালাইনমেন্টের দিকে খেয়াল রাখুন।
ফন্টই কিন্তু আপনার মেসেজ কে পৌঁছে দিবে অডিয়েন্সের অন্তরে। তাই আকর্ষণীয় ও স্পষ্ট ফন্ট নির্বাচন করুন।
▶এমন ছবি ব্যবহার করুন যা ডিজাইনের সাথে সম্পূরক ও পরিষ্কার ডিজাইনকে গুরুত্ব দিন
আপনার ডিজাইন জুড়ে ব্যবহৃত এলেমেন্ট, অনুপাত, ফ্রেমিং, আলো, ঔজ্জ্বল্য সবকিছু যেন ডিজাইনের সাথে সমন্নিত হয়।
আপনি একটি খুব সুন্দর ডিজাইন তৈরি করেছেন। কিছুক্ষনের জন্য বিশ্রাম নিন। ঘন্টাখানেক পর আবার আপনার ডিজাইনটি দেখুন। কি মনে হচ্ছে? আরেকটু পরিবর্তিত হলে বোধহয় ভালো হত। নতুন কোন আইডিয়া আসছে। আপনার ডিজাইন যেন ক্লায়েন্টের মেসেজ পরিস্কার ভাবে টার্গেট অডিয়েন্সের কাছে পৌঁছাতে পারে তার জন্য ক্লিয়ার টেক্সট, সহজে পাঠযোগ্য ও সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারিত থাকবে।
▶আপনি সেই কাজটি করুন যা আপনি ভালোবাসেন
নিজের প্যাশনকে অনুসরন করুন। এমন কাজ বাছাই করুন যে সম্পর্কে আপনার ভালো ধারনা রয়েছে। আপনি যদি গ্রাফিক ডিজাইন ভালোবাসেন তবে ওয়েব নিয়ে আপনার কিন্তু বিস্তারিত ধারণার প্রয়োজন নেই। সাধারন ধারনাই যথেষ্ট। অনেক কিছু নিয়ে ভাবতে গেলে নিজের স্বকীয়তা হারিয়ে যায়। তাই শুধু নিজের কাজে নিজের ডিজাইনকে ভালো করার জন্য মন প্রাণ ঢেলে দিন। দেখবেন সাফল্য শুধুমাত্র সময়ের ব্যপার।
24/06/2021
Digital Marketing কি ?
ডিজিটাল মার্কেটিং হল ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে পণ্য, প্রতিষ্ঠান বা ব্র্যান্ডের প্রচারনাকে বোঝায়। বর্তমান যুগে ইন্টারনেট ব্যবহার করে আমরা এখন ঘরে বসে বিশ্বের সব খবরাখবর রাখতে পারছি, দুর দূরান্তের মানুষের সাথে সরাসরি ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে একে অন্যকে দেখতে পারছি।
এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে কাজে লাগিয়ে যে ব্যবসায়িক মাধ্যম গড়ে উঠেছে তাকেই মূলত আমরা ডিজিটাল মার্কেটিং বলি।
আরো সহজ ভাবে বলি, আমরা প্রতিনিয়ত ফেসবুক, গুগল, ইউটিউব ইত্যাদি সাইট ব্যবহার করছি। এই সাইটগুলতে আমার আপনার মত আরো লক্ষ্য লক্ষ্য লোক ব্যবহার করে থাকে। যেহেতু এখানে অনেক অডিয়েন্স আছে সেহেতু এখানে যদি আমরা আমাদের পণ্যের প্রচারণা করতে পারি তাহলে খুব সহজেই আমরা কাস্টমার পেতে পারি।
ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে অল্প সময়ে ব্যবসায় সফলতার জন্য আগে আমাদেরকে জানতে হবে Digital Marketing কি? অল্প কথায় Digital Marketing হল ইলেকট্রনিক মিডিয়াকে ব্যবহার করে ইন্টারনেট দুনিয়ায় পণ্য,প্রতিষ্ঠান বা ব্র্যান্ডের প্রচারনা বা বিজ্ঞাপন দেয়া।
ডিজিটাল মার্কেটিং কেন করবেন?
ডিজিটাল মার্কেটিং শুরু করার আগে অবশ্যই জানা দরকার কেন আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং করবেন? তবে এই প্রশ্নের উত্তর দেবার আগে আমি আপনাকে কিছু জিজ্ঞাসা করতে চাই – আপনি যখন টিভি দেখেন, তখন যেই পণ্যের বিজ্ঞাপন গুলো আপনি দেখেন, তার সব পণ্যই কি আপনি কেনেন বা সেগুলো সব ই কি আপনার জরুরী?
আমার মনে হয় আপনার উত্তর হবে “না”। কারণ যেই বিজ্ঞাপন গুলো দেখানো হচ্ছে, টিভি চ্যানেল জানেনা কে আসলে টিভি টা দেখছে।
এখন ধরুন আপনি অবিবাহিত একজন ব্যাক্তি এবং আপনার বাসায় কোন বাচ্চাও নেই, আপনার সামনে যদি বাচ্চাদের ডাইপারের বিজ্ঞাপন দেওয়া হয় তাহলে ওই বিজ্ঞাপন দেখে আপনার কি কোন লাভ আছে, নাকি ওই কোম্পানির কোন লাভ আছে।
এখানে ওই কোম্পানির কিন্তু কোন লাভ হচ্ছেনা, বিজ্ঞাপন দিতে যেই টাকা খরচ হচ্ছে, তা সবই জলে যাচ্ছে।
অন্যদিকে দেখুন, আপনি ইউটিউবে একটা ভিডিও দেখছেন কিভাবে বার্গার তৈরি করা যায়, এবং ভিডিও দেখার মাঝেই একটা বিজ্ঞাপন চলে আসলো বার্গার এর জন্য বেস্ট সস কোনটা বা বার্গার তৈরি করার জন্য কোথা থেকে জিনিসপত্র কিনতে পারেন।
তাহলে এই বিজ্ঞাপন টা আপানার কাছে কেমন লাগবে এবং এখান থেকে আপনি কি ওই পণ্য কিনতে আগ্রহী হবেন? আমার মনে হয় অবশ্যই আপনি আমার সাথে একমত হবেন এবং অবশ্যই এই বিজ্ঞাপন থেকে ওই কোম্পানির পণ্য বিক্রি হবে।
আমার মনে হয় আপনি বুঝতে পেরেছেন আমি কি বোঝাতে চাচ্ছি। হ্যাঁ, ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে আমরা আমাদের পণ্যের জন্য টার্গেটেড কাস্টমার খুব সহজে খুঁজে পেতে পারি এবং এখানে খরচও তুলনামূলক ভাবে অনেক কম।
ডিজিটাল মার্কেটিং কত প্রকার?
লোকাল বিজনেস ক্যম্পেইন বা টিপিক্যাল টাইপ মার্কেটিং এ যেমন অনেকভাবে আমরা বিজ্ঞাপন করতে পারি, ঠিক তেমনি ডিজিটাল মার্কেটিং অনেক প্রকারের হয়ে থাকে, তবে এই সাতটি মাধ্যম অনেক জনপ্রিয়। এই আর্টিকেলে আমি এই ৭ প্রকার ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।
কনটেন্ট মার্কেটিং
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন
সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং
সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং
ইমেইল মার্কেটিং
এসএমএস মার্কেটিং
ওয়েব এনালাইটিক্স
24/06/2021
ওয়েব ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টঃ
উচ্চ মানের পেশা,সম্মানজনক আয় !
অনেকের কাছেই একটি প্রশ্ন আমরা শুনতে পাই কোন কোর্সে আয় বেশি? বিশ্বাস করুন আয় নির্ভর করছে কাজের দক্ষতার উপর। যে কাজ টি আপনি ভালবাসেন, দেখবেন উপযুক্ত দিক নির্দেশনা পেলে সেটাতেই আপনার সাফল্য সবচেয়ে বেশি আসবে। তবে আজকে আমরা বলবো ওয়েব ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এর কথা।
🔸 ওয়েব ডিজাইন কি?
আপনি কোন তথ্য দেখতে চাইলে কোথায় সার্চ করেন? অবশ্যই গুগলের মত সার্চ ইঞ্জিনে। আর সেখানে আপনি অবশ্যই খুঁজে পাবেন বিভিন্ন ওয়েবসাইট। এই ওয়েবসাইট টি দেখতে কেমন হবে, তার কালার, লে আউট, কোথায়
সাইডবার বসবে, ইন্টারফেস কেমন হবে এই সব নির্ধারন করে ওয়েব ডিজাইন।
🔸 ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কি?
আপনার বানানো ওয়েব সাইট ডায়নামিক করতে অর্থাৎযে কোন ডিভাইসে যেন তা রেস্পন্সিভ হয় দেখার দায়িত্ব একজন ওয়েব ডেভেলপারের।
🔸 একজন সফল ওয়েব ডিজাইনার কে কোন বিষয় গুলো জানতে হয়ঃ
🔸 Sergei Garcia জনপ্রিয় ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপার এর মতে যারা বেসিক ভালো করতে চান তাদের যে বিষয় গুলো জানা প্রয়োজনঃ
▪JavaScript
▪HTML & CSS
▪CSS Preprocessors (Less & Sass)
▪Responsive Design
▪AngularJS
▪Design Patterns
▪Git
▪NodeJS
▪Task Runners
🔸 KELLI SMITH বলছে সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা তার মতে একজন ওয়েব ডিজাইনার এর মাঝে ২টি স্কিল এর সমন্বয় থাকতে হবে। তা হচ্ছে টেক স্কিল ও সফট স্কিলঃ
🔸এই দুই স্কিলের অন্তর্ভুক্ত ৯টি বিষয় রয়েছে। সেগুলো হচ্ছেঃ-
▪visual design
▪UX
▪Design Software
▪HTML
▪CSS
▪Javascript
▪Time Management
▪Communication
▪SEO/Marketing/Social Media
▪Business/Client Management
আপনার স্বপ্নকে দক্ষতায় রুপান্তরিত করতেই আমরা চালু রেখেছি আমাদের ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট কোর্সটি।
আগামীর পথে আমাদের সঙ্গী হোন, গড়ে তুলুন সাফল্যের ক্যরিয়ার।
Email us: [email protected]
24/06/2021
ওয়েব ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট শেখা শুরু করবো কিভাবে?কি কি জানতে হবে?
আপনারা যারা ওয়েব ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট শিখতে চাচ্ছেন,তারা অনেকেই Confused! থাকেন যে,এটা কিভাবে শেখা যায়?
কিভাবে খুব দ্রুত শিখে একজন ডেভেলপার হওয়া যায়?
এছাড়াও আমাদের অধিকাংশের মাথায় ঘুরপাক খায় কিভাবে খুব অল্প সময়ে কাজ শিখে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করা যায় ?এইসব বিভিন্ন বিষয় ভাবতে ভাবতে-ই কখন যে, সময় চলে যায় আমরা বুঝতে-ই পারি না।যখন আমাদের শুভবুদ্ধির উদয় ঘটে তখন, আমরা আবার সেই সময়টাকে ফিরে পেতে চাই।
ঠিক যেভাবে আমরা পূর্বে ভেবেছিলাম।
চাই কিভাবে আবার আমি আমার কাজটা-কে শুরু করতে পারি। এভাবে ভাবতে ভাবতে-ই আমরা আমাদের সময়টাকে কত ভাবে না নষ্ট করি ,একবার ভেবে দেখার প্রয়োজন টুকুই নেই আমাদের। যাহোক,এমন অবস্থায় আপনারা যারা আছেন তারা হতাশ হবেননা! শুরু করুন আপনি, ঠিক যেভাবে পূর্বে ভেবেছিলেন।লেগে থাকলে অবশ্যই ধরা দিবে আপনার স্বপ্নের সিড়ি।ভয় পাবেন না, লক্ষ থাকলে একদিন, আপনি আপনার স্বপ্নের সীমানাকে অতিক্রম করতে পারবেন।
আর মনে মনে ভাবুন,
Nothing is Impossible!!
কোন কিছুই অসম্ভব না ...
চেষ্ট থাকলে সব কিছুই সম্ভব।
আমি সব কিছু পারি, একদিন আমি ঠিক- ই পারবো।
আমার দ্বারা এই সব কিছুই জয় করা সম্ভব, কখনো মনোবল হারাবেন না!!!
মূল আলোচনায় চলে যাওয়া যাকঃ
কোথা থেকে শিখবো,কিভাবে শিখবো শুরুটাই বা কোথা থেকে করবো এই বিষয়ে আমি আগামীতে আরেকটি লেখা লিখবো যদি,সময় থাকে তবে পড়ে নিবেন।
একজন ওয়েব ডেভেলপার কে অনেক চৌকস ও চতুর হতে হয়।সর্বপ্রথম একজন ডেভেলপার হতে যেটা আপনাকে খুববেশি সাহায্য করবে তা হল, "Patient" ।
একজন ওয়েব ডেভেলপার হতে হলে আমাকে কি কি বিষয়ে জানতে হবে?
একজন professional মানের ওয়েব ডেভেলপার হতে হলে অনেক বিষয়ে ধারণা থাকা জরুরি।
ওয়েব এর Base মূলত দুইটি ভাগে বিভক্ত..
১।ডিজাইন
২।ডেভেলপিং
ডিজাইন হল, আমাদের চোখে ওয়েব এর যে আবয়বটি দেখতে পাই। অর্থাৎ আমরা কিছু মার্ক-আপ বা স্টাইল করার জন্য কিছু ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করে যে ওয়েব এর প্রতিরূপটি ডিজাইন করি। আমরা আমদের কম্পিটার বা স্মার্ট মোবাইল এর ডিসপ্লেতে দেখতে /দেখাতে পারি সেটাই ডিজাইনিং।
ডেভেলপিং মূলত আমরা মোবাইল বা কম্পিটার এর ডিসপ্লেতে কোনরূপ প্রতিচ্ছবি দেখিতে পাই না।শুধু তার ফলাফল টুকু আমরা সামনে দেখতে পাই। ডেভেলপিং Interactive একটি ওয়েবকে Represent করে। এটার Document টোটালি Server এ জমা থাকে, আপনি যখন যেটা চাইবেন শুধুমাত্রই তখনি সেই তথ্য ওয়েব আপনার কাছে Present করে। ডেভেলপিং পুরোটাই "Dynamically" কাজ করে থাকে।
একজন প্রফেশনাল ওয়েব ডেভেলপার হতে হলে যা যা শিখতে হবে...
Front-end Developer :-
১। HTML (Hyper Text Mark- up Language) এটি একটি মার্ক আপ ল্যাঙ্গুয়েজ ।এটাকে ওয়েব এর Mother of Language বলা হয়ে থাকে।
২। CSS (Cascading Style Sheets) কালার স্টাইল দেওয়া যায়।
৩।Javascript (Interactivity দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয় )এই তিনটিকে ওয়েব এর কোর ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়ে থাকে।
৪.।Bootstrap (এটি একটি Framework)
৫।React,Angular,Vue.js (যে কোন একটি শিখলে আপাতত চলবে। এগুলো এক একটি JavaScript Framework or Library )
৬।Thirt পার্টির কিছু Software সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে।
৭।কীবোর্ড টাইপিং স্পিড ভাল জানতে হবে।
৮।CLI (Command Line Interface) জানতে হবে।
৯।Terminal & Git-Hub জানতে হবে।
১০। NPM (Node package Maneger জানতে হবে)
১১।Webpack &Gulp (যে কোন একটি)
১২।API (Application Programming Interface জানতে হবে)
১৩।Editor (আমি রেফার করি Visual Studio code,এছাড়াও আপনি Sublime, Bracket শিখতে পারেন)
১৪।বেসিক PHOTOSHOP
১৫। Fluently English.. জানাটাও খুব-ই দরকার।
Back-end
$ DEVELOPMENT
১৬। CMS (Content Management System) আমি রেফার করি ওয়ার্ডপ্রেস শিখার জন্য। এছাড়াও আপনি Joomla, Drupal শিখতে পারেন।
১৭।PHP (Hypertext Preprocessor) সার্ভার সাইড Programming Language,Python, Javascript, Ruby,C++,C #,Java Etc.
১৮।আপনি সার্ভার সাইড Language শেখার পরে এর যেকোন একটি ভালো Framework আয়ত্ত করবেন।
১৯। SQL (Standard Query Language) ডাটা নিয়ে কাজ করলে সুবিধা পাবেন।
কিভাবে খুব সহজে আপনারা Learn করতে পারবেন? সেই বিষয়ে আপনাদের সহজ করে শিখতে আমি কিছু Web এর লিঙ্ক দিচ্ছি; পারলে ঘুরে আসেন। নিয়মিত Study/Practice করলে ভালো করবেন ।আশা করছি খুব-ই উপকারে আসবে আপনাদের........।
Bangla Site:
১। www.trainingwithliveproject.com
২। www.webcoachbd.com
৩। www.sattacademy.com
৪। www.dimikcomputing.com
English Site:
১। www.w3schools.com
২। www.codepen.io
৩। www.udemy.com
৪। www.freecodecam.org
আশা করছি, একজন ভালোমানের ডেভেলপার হতে গেলে অবশ্যই ; অনেক বেশি Study & Practice করতে হবে।
23/06/2021
স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের গন্ডি পেরিয়ে বর্তমান চাকরির বাজারে কম্পিউটার জ্ঞান ছাড়া চাকরি পাওয়া কষ্টকর। তাছাড়া চাকরির বাজারের বাইরেও একটি আয়ের উৎস আছে যাকে আমরা সবাই অনলাইন মার্কেটপ্লেস নামে জানি । যেখানে বিষয়ভিত্তিক যোগ্যতা অর্জন করে ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে লক্ষ টাকা আয় করা সম্ভব। তবে এক্ষেত্রে প্রধান শর্ত হচ্ছে যেকোনো একটি বিষয়ে পরিপূর্ণ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা।
এই প্রেক্ষিতে অতি শীঘ্রই উদ্বোধন হতে যাচ্ছে E L I T E I T ( A Computer Training Station) যেখানে IT তথা, তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।
প্রশিক্ষণের বিষয়সমূহঃ
1. Web Design & Development
2. Mobile Apps Development
3. Graphic Design
4. Digital Marketing
5. UI/UX Design
6. Social Media Marketing (Facebook & YouTube)
7. Office Application for Smart Office
8. Academic ICT
9. Communicative English
Your Tech Career Start Here........