Malkhanagar High School

Malkhanagar High School This is the official Facebook of Malkhanagar High School. Established - 1889
Serajdikhan, Munshiganj

জীবন মানে প্রতিযোগিতা নয় ৩০০টি বেলুন ফুলিয়ে, ক্লাসের প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীর হাতে ১টি করে দিলেন শিক্ষক। বললেন─ "বেলুনে নিজ...
23/10/2024

জীবন মানে প্রতিযোগিতা নয়
৩০০টি বেলুন ফুলিয়ে, ক্লাসের প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীর হাতে ১টি করে দিলেন শিক্ষক। বললেন─ "বেলুনে নিজ-নিজ নাম লিখে, ফেরত দাও।"
নাম সম্বলিত বেলুনগুলো নিয়ে, ক্লাসের মাঝখানে স্তুপ করে রাখলেন তিনি মিশিয়ে। তারপর বললেন─ "এবার এখান থেকে সবাই নিজের নামের বেলুনটি বেছে নাও।"
এতোগুলো বেলুন থেকে নিজের নামের বেলুনটি বেছে নিতে গিয়ে গলদঘর্ম অবস্থা প্রত্যেকেরই। সময় গড়াতে লাগলো, দু'য়েকজন খুঁজে পেলো নিজের বেলুনটি, বাকিরা হাতড়াতে লাগলোই, হতোদ্যম।
শিক্ষক বললেন─ "এক কাজ করো তাহলে; প্রত্যেকেই নিজের ঠিক সামনের বেলুনটি নাও, ওটায় তোমার যে-বন্ধুর নাম লিখা আছে তার হাতে তুলে দাও ওটা।"
এবার দেখা গেলো─ খুব অল্প সময়েই যার বেলুন তার কাছে পৌঁছে গেলো।
বেলুন হাতে বসে থাকা তাঁর সন্তানসম হাস্যোজ্জ্বল ছাত্রছাত্রীদের দিকে তাকালেন শিক্ষক। তাঁর চোখে আনন্দাশ্রু চিকচিক করছে।
─ "বাবারা, পৃথিবীতে সুখ ছড়িয়ে আছে, ঠিক ওই বেলুনগুলোর মতোই। খুঁজে নাও। কিন্তু, নিজের জন্য নয়; অন্যের জন্য খোঁজো সুখ, তাকে তোমার অর্জিত সুখের ভাগ দাও; সেও তোমাকে তার সুখের─ সমস্তটা না-পারলেও─ ভাগটুকু দেবে। মা রে, তোমরা মিলেমিশে বেঁচে থাকো সারাটা জীবন, থইথই সুখের ভাগাভাগিতে।"
জীবন মানে প্রতিযোগিতা নয়
জীবন মানে সহযোগিতা। এই শিক্ষা আমরা ও আমাদের ভবিষ্যতে প্রজম্মকে দিতে হবে তাহলেই পৃথিবী সুন্দর হবে।

সাফল্য কি? সফল জীবন কেমন?একদিন একটি ছোট বাচ্চা ছেলে তার বাবাকে জিজ্ঞাসা করল “বাবা জীবনে সফলতা আসলে কি?” তখন বাবা ছেলেকে ...
21/10/2024

সাফল্য কি? সফল জীবন কেমন?

একদিন একটি ছোট বাচ্চা ছেলে তার বাবাকে জিজ্ঞাসা করল “বাবা জীবনে সফলতা আসলে কি?” তখন বাবা ছেলেকে নিয়ে একটা মাঠে গেল ঘুড়ি ওড়াতে। বাবা ঘুড়ি ওড়াতে লাগলেন| ছেলেটি মনোযোগ দিয়ে ঘুড়ি ওড়ানো দেখছে, কিছুক্ষণ পর সে বলল বাবা সুতোর কারণে ঘুড়িটা বেশিদূর যেতে পারছে না|আমরা কি সুতোটা কেটে দেবো? বাবা সুতো কেটে দিলেন| এবার ঘুড়িটি আরো উপরে উঠতে থাকল এবং ক্রমশ দূরে যেতে থাকলো, কিছুক্ষণ পর দিগন্তে হারিয়ে গেল| তারপর কোন অজানা জায়গায় ঘড়িটি মাটিতে লুটিয়ে পড়ল| তখন তার বাবা জীবনে সফলতার পার্থক্য বোঝালেন l আমরা যে উপরে উঠতে চাইছি, সেই উপরে ওঠা কিছু রীতিনীতি দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে, যেমন- সংসার, পরিবার, সমাজ ইত্যাদি l আমরা এগুলো থেকে বাধা মুক্ত হতে চাইছি l আসলে এগুলি হল আসল সুতো যা আমাদের উপরে উঠতে সাহায্য করে l সুতো ছাড়া উপরে ওঠা অসম্ভব, আর আমরা যদি সুতো ছাড়া উপরে উঠতে চাই তাহলে আমাদের সেই অবস্থা হবে যা সুতোহীন ঘড়িটির হয়েছিল l তাই সাফল্যের চূড়ান্ত সীমায় নিজেকে নিয়ে যেতে সেই সুতোর সাথে কখনো সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করা যাবেনা, পরিবার, আত্মীয়স্বজন, সমাজ কে সঙ্গে নিয়ে ধীরে ধীরে নিজের লক্ষ্যে অটুট থাকুন l যদি লক্ষ্যে পৌছাতে মাঝ পথে অনেক বাধা বিপত্তি আসে সেই বাধাগুলোর অনেকাংশ আপনার সুতো মানে আপনার পরিবার শোষণ করে নেবে l আর ধীরে ধীরে আপনি আপনার কাঙ্খিত সাফল্য পেয়ে যাবেন l

একটি পাখি ও একজন পাখির মাংস বিক্রেতার গল্পএকজন পাখির মাংস বিক্রেতা জঙ্গলে গেলেন পাখি ধরতে। কারন, তার কাজই ছিল পাখি ধরে ত...
17/10/2024

একটি পাখি ও একজন পাখির মাংস বিক্রেতার গল্প
একজন পাখির মাংস বিক্রেতা জঙ্গলে গেলেন পাখি ধরতে। কারন, তার কাজই ছিল পাখি ধরে তার মাংস বিক্রি করা। তিনি জঙ্গলের মধ্যে একটি ছোট্ট গাছের ডালে একটি অসম্ভব সুন্দর পাখিকে বসে থাকতে দেখলেন। তিনি আস্তে আস্তে গিয়ে তার সাথে নিয়ে যাওয়া পাখি ধরার ফাঁদ ব্যবহার করে পাখিটিকে ধরে ফেললেন। ধরে ফেলার পর ফুটফুটে পাখিটিকে খাঁচায় বন্দি করলেন। পাখিটা তখন কিচির মিচির করে তাকে অনুরুধ করে বলল তুমি আমাকে ছেড়ে দাও।

পাখির মাংস বিক্রেতা বলল, আমি তোমাকে ধরেছি কারন, তোমাকে জবাই দিয়ে তোমার মাংস বিক্রি করে টাকা পাব। পাখিটা বলল তুমি যদি আমায় ছেড়ে দেও আমি তোমায় ৩ টি উপদেশ দিব। যা তোমার জীবনকে পুরো পরিবর্তন করতে সাহায্য করবে।

পাখির মাংস বিক্রেতা ভাবল কতোই বা টাকা পাব এই ছোট্ট পাখির মাংস বিক্রি করে। কিন্তু পাখির দেওয়া ৩ টি উপদেশ যদি কাজে লাগে তাহলে জীবনে অনেক কিছু করতে পারব। তাই তিনি রাজি হয়ে গেলেন।

পাখিটি বলল : প্রথম উপদেশটি দিব যখন আমি খাঁচা থেকে মুক্তি পেয়ে উড়তে থাকব। আর দ্বিতীয় উপদেশটি দিব যখন আমি ঔই বড় গাছটির ডালে গিয়ে বসব। তৃতীয় উপদেশটি দিব যখন আমি ওই গাছের ডালটি থেকে অনেক উপরে উঠে যাব। পাখির মাংস বিক্রেতা খাঁচার দরজাটি খুলে দিলেন। পাখিটি খাঁচা থেকে বেরিয়ে উড়তে উড়তে বললঃ

আমার প্রথম উপদেশটা হলঃ


“ বিগত সময়ে নিজের করা ভুল গুলোর জন্য অনেক বেশী অনুশোচনা করে নিজেকে কোন প্রকার যন্ত্রণা, দুঃখ ও কষ্ট দিয়ে ভরিয়ে তুলবে না”



এই বলে পাখিটি ডালে গিয়ে বসল। আর তখন মাংস বিক্রেতা বলল ঠিক আছে আমি অনুশোচনা করব না আমার অতীতের যেকোন ভুলের জন্য।

এখন তোমার দ্বিতীয় উপদেশটি দাও। পাখিটা বলল ঠিক আছে, এবার আমার দ্বিতীয় উপদেশটা হলঃ

“ এমন কোন কিছু বিশ্বাস করো না যেটা তোমার সাধারণ জ্ঞান এর বিরুদ্ধে যাচ্ছে, যদি না তোমার কাছে এর কোন প্রমান থাকে ”

এই বলে পাখিটি সেই ডাল থেকে উড়ে গেল। তারপর পাখিটি হাসতে হাসতে বলল তুমি হচ্ছো একটি বোকা ও মূর্খ লোক। আমার পেটে দুটি বড় বড় হিরার টুকরো আছে। তুমি যদি ছেড়ে দেওয়ার পরিবর্তে আমাকে ধরে রাখতা আর আমাকে কেটে ফেলতা তাহলে তুমি ঔই দুটি হিরার মালিক হয়ে যাইতা, এবং তাত্ক্ষণিক অনেক ধনী হয়ে যাইতা।

এটা শুনে পাখির মাংস বিক্রেতা খুব অনুশোচনা করতে লাগল। যন্ত্রণায় ভেঙে পড়ল যে সে কতবড় ভুল করল। আর সে বলতে লাগল আমি জীবনে আমার এই বোকামির কথা কখনোই ভুলতে পারবো না।

কিছুক্ষণ পর তিনি কিছু অনুশোচনা কাটিয়ে পাখিটিকে বলল ঠিক আছে তোমার তৃতীয় উপদেশটা দাও। পাখিটি উড়তে উড়তে বলল আমি শুধু তোমাকে পরিক্ষা করেছি। তুমি কি বুঝতে পারছ না যে তুমি প্রথম দুইটি উপদেশই মানতে পারনি?

আবার, মাংস বিক্রেতা তৃতীয় উপদেশটি জানতে চাইল?? এক নম্বর যে ভুল করে ফেলেছো আমাকে ছেড়ে তার জন্য তুমি অনুশোচনা করে যন্ত্রণা পাচ্ছো। দুই নম্বর আমি একটা ছোট্ট পাখি কিভাবে আমার পেটে দুটি বড় হিরার টুকরো খাকবে? আমার এই কথাটা তুমি অন্ধের মত বিশ্বাস করেছো।

তুমি তোমার কমনসেন্স কে কাজে লাগাওনি। তোমাকে তো যে কেউ পদে পদে বোকা বানিয়ে ফেলবে। তুমি যখন এই দুটি উপদেশই মানতে পারনি তো তৃতীয়টি শুনে কি করবে? তুমি তো তৃতীয়টি ও কাজে লাগাবে না।

পাখির মাংস বিক্রেতা নিজের ভুল বুঝতে পারল এবং সে পাখিটিকে তৃতীয় উপদেশ এর জন্য খুব অনুরোধ করলো।

পাখিটি উড়তে উড়তে বলল ঠিক আছে, আমার তৃতীয় উপদেশটি হলঃ

“ তুমি ইতিমধ্যে যা জানেছো সেগুলো যদি প্রয়োগ না করো তাহলে নতুন কিছু জানার কোন প্রসঙ্গ উঠে না ”

এই বলতে বলতে পাখিটি উড়ে চলে গেল। কিন্তু এই তিনটি মূল্যবান উপদেশ তার জীবনে দারুন পরির্বতন নিয়ে এল।

এই গল্পের বিষয়টিকে যদি আমরা খুব ভালভাবে বুঝতে পারি , তাহলে আমাদের জীবনে চলার পথে শিক্ষাটি কাজে লাগাতে পারবো । যা শিখলাম যদি ছোট করে বলিঃ

অতীতের কোন বিষয়কে মনের মধ্যে পোষে রেখে কষ্ট পাওয়া যাবে না।
কেউ কোন কথা বললেই কোন কিচু না ভেবে লাফ দিয়ে সেটা শুরু করা যাবে না
আমরা যা জানি তা আগে প্রয়োগ করতে হবে তারপর নতুন কিছ শিখার জন্য উদ্যোগ নিতে হবে।
জীবন একটাই কোন কিছু নিয়ে চিন্তা করে হতাশ হওয়া যাবেনা।

14/10/2024

যে যেমন করে তার কাছেই তা ফিরে আসে:


গল্পটি একজন কৃষকের যে প্রতিদিন একটি রুটির দোকানে এক কেজি করে পনির বিক্রি করতো এবং এক কেজি করে রুটি কিনে আনতো ।

রুটির দোকানদার এর সাথে তার অনেক পুরোনো পরিচয় হওয়ায় দোকানদার তার থেকে পনির নেয়ার সময় আর মাপ দেয়ার প্রয়োজন মনে করতো না এবং কৃষকও তার থেকে এক কেজি রুটি কোন মাপঝোপ ছাড়াই নিয়ে চলে যেতো ।

তো একদিন পনিরের দোকানে এক নতুন কর্মচারী চাকুরি নিলো, কৃষক যখন তার পনির বিক্রি করতে আসলো তখন সে পনির কৃষকের থেকে নেয়ার পর সেটা ওজন করে দেখলো। ওজন করতে গিয়ে দেখা গেলো পনির এক কেজির চেয়ে ১০০ গ্রাম কম আছে।

সে তার দোকান মালিককে ঘটনা জানালো এবং দোকানদার খুব রেগে গেলো এবং পরের দিন কৃষক আসার পর সে তাকে খুব বকাঝকা করলো। সে বাজারে বিচার ডেকে নালিশ করলো যে কৃষক তাকে ঠকিয়ে প্রতিদিন ১০০ গ্রাম করে কম পনির দিয়েছে।

তখন বিচারক কৃষকের কাছে এই চুরির কারন জানতে চাইলো । তখন কৃষক বললো – “আমি খুব গরীব মানুষ হুজুর , কিন্তু চোর নই।

আমার বাসায় পরিমাপ করার কোন পাল্লা নেই, তাই প্রতিদিন রুটির দোকান থেকে যে ১ কেজি রুটি নিয়ে যাই সেটি দিয়েই ওজন করে দোকানদারকে সমপরিমান পনির দিয়ে যাই।

তাই আমার জানা ছিলনা যে এখানে ১০০ গ্রাম রুটি কম ছিল। এরপর অনুসন্ধান করে কৃষকের কথা সত্য প্রমাণিত হলো এবং দোকানদার সবার সামনে লজ্জিত হলো ।

গল্পের শিক্ষাঃ যেমন কর্ম তেমন ফল ।

নিজেকে বদলাতে শিখুন : একবার এক রাজা চোখের সমস্যা নিয়ে খুবই বিপদে ছিলেন। তাই রাজা অনেক জায়গায় যাচ্ছেন কিন্তু কোনো ভাবেই চ...
09/10/2024

নিজেকে বদলাতে শিখুন :


একবার এক রাজা চোখের সমস্যা নিয়ে খুবই বিপদে ছিলেন। তাই রাজা অনেক জায়গায় যাচ্ছেন কিন্তু কোনো ভাবেই চোখ ভাল করতে পারছে না।

পরে সে রাজা সন্ধান পেলেন তার রাজ্যের বনে এক সন্ন্যাসি থাকেন। যে সন্ন্যাসী সব ঠিক করে দিতে পারে।

তারপর রাজা গেলো সেই সন্ন্যাসীর কাছে, গিয়ে বললো সন্ন্যাসী আমার চোখের সমস্যা ঠিক করে দিন। সন্ন্যাসী দেখে বললো রাজা আমি আপনার সমস্যা বুঝতে পেরেছি।

আপনি এক কাজ করুন এখন থেকে শুধু লাল জিনিসের উপর চোখ দিবেন। শুধু লাল রঙ দেখবেন, তারপর দেখবেন সব ঠিক হয়ে গেছে। রাজা বললো আচ্ছা ঠিক আছে।

রাজা রাজ্যে ফিরে গিয়ে তার রাজপ্রাসাদ পুরোটা এবং সবকিছু লাল রঙ করে ফেললো। কিছুদিনপর আস্তে আস্তে রাজার চোখ ভালো হতে লাগলো।

তখন রাজা খুশি হয়ে তার সৈন্যদেরকে বললো যাও সেই সন্ন্যাসীকে নিয়ে আাসো আমি তাকে পুরস্কৃত করতে চাই।

তারপর সন্ন্যাসী যখন আসলেন তখন সৈন্যরা বালতি ভরে লাল রঙ দিয়ে তাকে ভিজিয়ে দিলো।

তারপর সন্ন্যাসী রাজার কাছে গেলো,

রাজা তাকে জিজ্ঞাস করলো- “কেমন আছেন?”

তখন সেই সন্যাসী বললেন- “দেখতেই তো পাচ্ছেন”, তিনি রাগান্বিতস্বরে বললেন, “রাজা আপনি আমাকে এমন লাল রঙ দিয়ে রঙ্গিন দিতে বললেন কেনো”?

পরে রাজা বললেন- “কেনো আপনিইতো বলেছেন লাল রঙ দেখতে, রং না দিলে পরে আপনাকে দেখলেতো আমার চোখে সমস্যা হবে তাই।“

তখন সন্ন্যাসী বললেন- “রাজা আপনিতো একটা লাল চশমা পরলেই পারতেন৷”

তখন রাজা বললেন- “আরে সত্যিইতো!” রাজা লজ্জায় পরে গেলেন।

তারপর সন্ন্যাসী বললো- “দেখেছেন রাজা আমরা সমস্যায় পরলে আশে পাশের সব কিছু পরিবর্তন করতে চাই কিন্তু সমস্যার সমাধান যে আমাদের ভিতরই আছে তা লক্ষ করিনা”।

আমরাদের নিজেদের বদলাতে বড় বড় কোনো দেশে যেতে হবে না নিজের দেশে থেকেই নিজেকে বদলাতে পারবো। আমার বদলালে আমাদের পপরিবার বদলাবে, আমদের সমাজ বদলাবে আর সমাজ বদলালে আমাদের দেশ বদলে যাবে।

গল্পের শিক্ষাঃ আমরা নিজেদের অনেক সমস্যা গুলো চাইলেই নিজের মধ্যে সামান্য পরিবর্তন এনে প্রতিকার করতে পারি।

জার ও জীবন:একজন শিক্ষক একদিন তার ক্লাসে একটি কাচের জগ এবং তিনটি প্যাকেট নিয়ে ঢুকলেন। প্যাকেটে কি ছিল দেখা যাচ্ছেনা। শিক্...
08/10/2024

জার ও জীবন:

একজন শিক্ষক একদিন তার ক্লাসে একটি কাচের জগ এবং তিনটি প্যাকেট নিয়ে ঢুকলেন। প্যাকেটে কি ছিল দেখা যাচ্ছেনা। শিক্ষক প্রথমে জগটি টেবিলের উপর রেখে তাতে পাথর এর টুকরো ভরা শুরু করলেন। এবং জগটির গলা পর্যন্ত ভরে ফেললেন। তখন ছাত্রদের জিজ্ঞাসা করলেন। জগটি কি ভরে গেছে??

সবাই একত্রে উত্তর দিল জ্বী স্যার, ভরে গেছে।

তখন শিক্ষক বলেলেন অপেক্ষা করো। তিনি ২য় প্যাকেটটি থেকে ছোট ছোট নুড়ি পাথর বের করলেন এবং ঢালতে শুরু করলেন এবং উপচে পরা পর্যন্ত ভরতে থাকলেন। নুড়ি গুলো বড় পাথরের ফাকা গুলোতে গিয়ে জায়গা দখল করে নিল। তিনি বললেন এখন বলো তো জগটি পুরোটি ভরেছে??

তখন ছাত্ররা বলেন, জ্বী স্যার। এবার পুরোটি ভরেছে।

শিক্ষক এবারও বললেন অপেক্ষা করো। তখন তিনি তার আরেকটি প্যাকেট থেকে বালি বের করে জগটিতে বালি ঢালতে শুরু করলেন। বালির ক্ষুদ্র অতি ক্ষুদ্র কণা গুলো জগে পাথর ও নুড়ি পাথরের মধ্যে থাকে সামান্য ফাকা গুলও দখল করে নিয়ে জগটি ভরে ফেললো।

এবার শিক্ষক নিজেই বললেন এবার জগটি সম্পূর্ণ ভরেছে।



এবার শিক্ষক বললেন এই জগটি হচ্ছে আমাদের জীবনের মতো । এই বড় পাথর গুলো হচ্ছে আমাদের পরিবার, আর এই নুড়ি পাথর গুলো হচ্ছে আমাদের ক্যারিয়ার এবং অন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজ সমূহ । এবং সব শেষের ক্ষুদ্র বালি কণা হচ্ছে ইগো, রাগ, ঝগড়া এর মতো ক্ষতিকর আপ্রয়োজনীয় জিনিশ।



যদি তোমরা সর্বপ্রথম বালি দিয়ে তোমাদের জগটি ভরে ফেলো তবে, প্রয়োজনীয় পাথর এবং নুড়ি পাথরের জন্য যেমন জায়গা অবশিষ্ট থাকবেনা, তেমনি জীবনে রাগ, ইগো, নেগেটিভিটি দিয়ে ভরে ফেললে পরিবার, কর্মজীবন এবং সুখ শান্তিরও কোন জায়গা থাকেনা।

গল্পের অনুপ্রেরণামূলক শিক্ষাঃ জীবনের প্রায়োরিটি লিস্ট সঠিক ভাবে নির্বাচন করার মধ্যে জীবনের সুখ শান্তি ও সফলতা নির্ভর করে।

জ্ঞানীর দেওয়া সমস্যার সমাধানঃএকজন জ্ঞানী ব্যাক্তি তার আস্তানায় ধন্যমগ্ন থাকতেন। এবং বিকেলের সময় তিনি বিভিন্ন মানুষের সমস...
08/10/2024

জ্ঞানীর দেওয়া সমস্যার সমাধানঃ

একজন জ্ঞানী ব্যাক্তি তার আস্তানায় ধন্যমগ্ন থাকতেন। এবং বিকেলের সময় তিনি বিভিন্ন মানুষের সমস্যার কথা শুনে তাদের বিভিন্ন উপদেশ দিতেন এবং সমস্যা সমাধানের উপায় বলে দিতেন। কিছু লোক সমাধান জানার পরও প্রায়ই একই সমস্যা নিয়ে তার কাছে বারংবার আসতে শুরু করলো। এসে কান্নাকাটি করতো।

একদিন জ্ঞানী ব্যাক্তিটি তাদের একটি কৌতুক বললেন, উপস্থিত সবাই অট্টহাসিতে ফেটে পরলো।

কয়েক মিনিট পর আবার সেই একই কৌতুক বললেন, এবার অল্প কিছু লোক হাসলো।

যখন তিনি একটুপর তৃত্বীয়বারও একই কৌতুক বললেন কেউই হাসলো না।

তখন তিনি বললেন-

“তোমরা একই কৌতুকে বার বার হাসতে পারোনা, তবে একই সমস্যায় বার বার কেন কাঁদো?”

গল্পের অনুপ্রেরণামূলক শিক্ষাঃ দুশ্চিন্তা, হায়-হুতাশ করা শুধুমাত্র শক্তি এবং সময় অপচয়। এটি কখনো সমস্যার সমাধান করতে পারেনা।

06/10/2024
05/10/2024

আজকে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে স্কুলে আলোচনা সভা ও র ্যালি করার কথা ছিল তা অনিবার্য কারণবশত স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। তাই আজকে কোন শিক্ষার্থীকে স্কুলে আসতে হবে না।
ধন্যবাদ

একদিন স্বামী আর স্ত্রী বেড়াতে গেল চিড়িয়াখানায়। তারা দেখল একটি বানর তার সঙ্গীনির সাথে খেলছে, খুনসুটি করছে। স্ত্রী দৃশ...
03/10/2024

একদিন স্বামী আর স্ত্রী বেড়াতে গেল চিড়িয়াখানায়। তারা দেখল একটি বানর তার সঙ্গীনির সাথে খেলছে, খুনসুটি করছে। স্ত্রী দৃশ্যটা দেখে মুগ্ধ হয়ে স্বামীকে বলল: কী চমৎকার ভালোবাসার দৃশ্য তাই না !

এরপর তারা গেল সিংহের খাঁচার কাছে । দেখল: সিংহ খাঁচার একপাশে চুপচাপ বসে আছে। সিংহীটাও অদূরে অন্য দিকে ফিরে বসে আছে। স্ত্রী দেখে বলল: আহরে! ভালোবাসার কী নির্মম পরিণতি !

স্বামী এতক্ষণ চুপচাপ স্ত্রীর পাশে হাঁটছিল। এবার নীরবতা ভঙ্গ করে বললেন: স্বামী স্ত্রীকে বলল, এই ধরো, এই ছোট পাথরটি সিংহীর দিকে ছুঁড়ে মারো,আর দেখো কী ঘটে! মহিলাটি যখন ছোট পাথরটি সিংহীর দিকে ছুঁড়ে মারল, সিংহটি তখন ক্ষিপ্ত হয়ে গেল। সঙ্গীনিকে বাঁচানোর জন্য গর্জে উঠলো।

এবার স্বামী স্ত্রীকে বলল, মেয়ে বানরটার দিকে ছুঁড়ে মারো। দেখ কী ঘটে।পুরুষ বানরটার আচরণ লক্ষ্য কর। স্ত্রী ছোট পাথরটি বানরীর দিকে ছুঁড়ে মারল । দেখা গেল ছুঁড়ে মারার আগেই স্ত্রী

বানরটা নিজের আত্মরক্ষার্থে ছুটে পালিয়ে গেল। সঙ্গীনির দিকে একবার ফিরেও তাকাল না।

স্বামী বলল: মানুষ তোমার সামনে যা প্রকাশ করে তা দেখে প্রভাবিত হয়ে যেয়ো না। অনেক মানুষ আছে যারা তাদের বানোয়াট , লোক দেখানো আবেগ- অনুভূতি প্রকাশ করে অন্যকে প্রতারিত করে। আবার অনেক মানুষ আছে যারা তাদের ভেতরে গভীর অনুরাগ-ভালবাসা লুকিয়ে রাখে।

আর বর্তমানে এই সিংহদের চেয়ে বানরদের সংখ্যাই বেশী । আর মানুষ এই বানরদেরকেই পছন্দ করে ।

নো রিস্ক নো গেইন । ঝুঁকি নিতে পারলেই জীবনে সাফল্য আসবে ।একটা গ্রামে পিন্টু আর মিন্টু নামে দুই যুবক বাস করত । তারা দুজনেই...
02/10/2024

নো রিস্ক নো গেইন । ঝুঁকি নিতে পারলেই জীবনে সাফল্য আসবে ।

একটা গ্রামে পিন্টু আর মিন্টু নামে দুই যুবক বাস করত । তারা দুজনেই বেকার । দিনমজুরের কাজ ছাড়া গ্রামে আর কোনো কাজই তারা দেখছে না । এইদিকে নব বিবাহিতা স্ত্রী নিয়ে দুজনের একই রকম পারিবারিক অবস্থা । ভিন্ন মানসিকতার হলেও দুজনের একটাই সাধারণ সমস্যা , আর সেটা হলো কী করে টাকা রোজগার করা যায় ।

এই সব ভাবতে ভাবতে পিন্টুর মাথায় একটা বুদ্ধি খেলে গেল । সে মিন্টুকে বলল দুজনে মিলে যদি একটা করে গাভী কেনা যায় , তাহলে কেমন হবে । গাভীর দুধ বিক্রি ক’রে কিছু টাকা পাওয়া যাবে । আর গাভীর বাচ্চাও হবে , ফলে গাভীর সংখ্যা বাড়তে থাকবে । দুধও বেশি বেশি হবে । আর এভাবে দুজনই একদিন অনেক টাকার মালিক হয়ে যাব । গাভীর সংখ্যা যখন বাড়বে , তখন অনেক লোক রাখবে দেখাশুনার জন্য ফলে কিছু মানুষের কর্মসংস্থানও হবে —-এভাবে দুজনই একদিন ধনী হয়ে উঠবে ।

এভাবে পিন্টু তার ভাবনার কথা মিন্টুকে জানায় । এই প্রস্তাবটি মিন্টুরও খুব ভালো লাগে । সেও প্রস্তাবে রাজী হয়ে যায় । তারা দুজনে কথা পাক্কা করে ফেলে । খুব আনন্দ আর উদ্দীপনা নিয়ে দুজনেই বাড়ি যায় । দুজনেই তাদের এই উদ্যোগের কথা তাদের নিজেদের স্ত্রীকে জানায় ।

পিন্টুর স্ত্রী সব শুনে খুব আনন্দের সঙ্গে তার গয়না খুলে স্বামীর হাতে দিয়ে বলল ” খুব ভালো পরিকল্পনা , আমার গয়না বিক্রি করে গাভী কেনো । যখন বেশি বেশি রোজগার হবে , গয়না কিনতে আর কতক্ষন । ” স্ত্রীর কথায় গর্বিত হয় পিন্টু ।

ঐদিকে মিন্টু তার পরিকল্পনার কথা স্ত্রীকে জানালে তার স্ত্রী বলে , ” দেখো একে তো আমাদের কিছুই নেই । খালি কয়েকটা মাত্র গয়না সম্বল । আর তা বিক্রি করে গাভী কিনবে । কিন্তু যদি গাভীটি মরে যায তখন কি হবে ”

মিন্টুর মনেও খটকা লাগে । মনে হয় তার স্ত্রী ঠিকই বলছে । কারণ গাভী যদি মরে যায় , একমাত্র সম্বল গয়নাগাটিও যাবে — গাভী ও যাবে । এত ঝুঁকি নেওয়াটা উচিৎ হবে না ।

পরের দিন দুই বন্ধুর দেখা হলে মিন্টু বলে ” ভাই পিন্টু , গাভী যদি মরে তাহলে…. ? “

পিন্টু তখন বলল , ” এত নেগেটিভ চিন্তা করছিস কেন ? কেনার আগেই গাভীর মরার কথা ভাবছিস ? আর গাভী কোন কারণেই বা মরতে যাবে ? ”

মিন্টু একই সুরে হতাশ জবাব দেয় , ” তা তো বুঝলাম যে গাভী মরবে না । কিন্তু ধর , যদি মরে ? তাহলে কী হবে ? “

পিন্টু অত্যন্ত স্নেহ ভ’রে জবাব দেয় , “তোর ‘তাহলে’র জবাব আমার কাছে নেই । ”

মিন্টু বলে ” এই তাহলে’র জবাব আমার কাছে আছে । আমরা বরবাদ হয়ে যাবো । সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যাবো । “

অত্যন্ত বেদনাহত হয়ে পিন্টু বলে , ” কিন্তু তুই কেন বার বার ভাবছিস যে গাভীটা মরে যাবে …..একটু অন্যভাবে ভেবে দেখ , গাভীটা দুধ দেবে । আমরা বিক্রি করবো । প্রথমে পয়সাগুলো জমাবো । তারপর আরও গাভী কিনবো । অনেক পয়সা হবে যখন , তখন অনেক গয়না কেনা যাবে , বাড়িও বানানো যাবে । এভাবে দুধের বড় ব্যবসায়ী হয়ে উঠব দুজন । ”

কিন্তু মিন্টুর ওই এক বুলি এক জিকির ” ব্যবসা টাকা বাড়ি গয়না সব হবে তখনই , যখন গাভীটা বেঁচে থাকবে । ”

এরপর অনেক বোঝানোর পরেও মিন্টু তোতাপাখির মতো বলতে থাকে গাভী মরার কথা ।

পিন্টু আর বোঝাতে পারে না শুধু বলে , ” দেখ মিন্টু , ঐরকম ভাবলে তুই কোনোদিনও কোনো কাজ করতে পারবি না । এই ধরণের ভাবনা ঠিক নয় । কারণ তুই আগে অন্ধকার দিকটাই দেখছিস । ” এইভাবে দুই বন্ধুর তর্কের পর কয়েকদিন গেল । পিন্টু একাই একটা দুগ্ধবতী গাভী কিনে ফেলে । সে এখন আর দিন মজুরের কাজে যায় না । সকাল থেকে সন্ধ্যা গাভীর দেখাশুনা করে , দুধ দোয় । প্রথম কিছুদিন দুধের গ্রাহক খুঁজতে , গাভীর পরিচর্যা করতে কষ্ট হয়েছিল । ধীরে ধীরে পিন্টু এই কাজগুলোতে দক্ষ হয়ে উঠতে লাগলো ।

আর দিনমজুরের কাজের শেষে মিন্টু রোজ তার কাছে আসতো , আর পিন্টুর সংঘর্ষ করার , পরিশ্রমের বিষয়টি দেখতো । আর ভাবতো তাদের দিনমজুরের জীবন কত ভালো ছিল । রোজ সকালে কাজে যেত আর বিকেলে ফিরে এসে সন্ধ্যায় কাজ কর্মহীন আড্ডা দিতে পারত । এখন পিন্টুর জীবনে আড্ডা দেবার অবসর নেই । তার উপর এত ঝুঁকি নিয়ে কেন যে গাভী কিনলো । যদি মরেই যায় । সবই যাবে তার ।

আর ঐ দিকে কালো গাভীর মধ্যেই জীবনের আলো দেখতে পায় পিন্টু । সে দ্বিগুন উৎসাহে কাজ করতে লাগলো । এটা ঠিক যে তার কাছে এখন অবসর নেই । কিন্তু সুন্দর ভবিষ্যতের কল্পনায় সময় নষ্ট করতে সে রাজি নয় ।

এইভাবে দিন যায় । আস্তে আস্তে তার গ্রাহক বাড়তে থাকে । গাভী বাড়তে থাকে । কাজের লোকও বাড়তে থাকে । গাভী ও তার মরে নি ।অন্যদিকে মিন্টু গাভী মরার কথা ভাবে আর একইভাবে দিনমজুরের কাজ করে যায় । এদিকে পিন্টু ধীরে ধীরে ধনী হতে থাকে ক্রমশঃ ।

বন্ধুরা , এই গল্পের ভেতরের বিষয়টিকে যদি আমরা বুঝতে পারি , তাহলে আমাদের জীবনে পদক্ষেপ নেবার শিক্ষাটি অর্জন করতে পারবো ।

এসো খুব কম কথায় দেখে নেই আমরা শিখলামঃ

১. কিন্তু , যদি , তবে ইত্যাদির জালে আটকে পড়তে নেই ।

২. নেতিবাচক ভাবনা কখনোই মাথায় আনতে নেই ।

৩. নো রিস্ক নো গেইন । ঝুঁকি নিতে পারলেই জীবনে সাফল্য আসবে ।

Address

Sirajdikhan
Sirajdikhan

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Malkhanagar High School posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Malkhanagar High School:

Shortcuts

Share

Category