08/10/2026
মহাবিশ্বের অন্যতম সেরা রহস্য কি তবে উন্মোচিত হতে চলেছে?
বিশ্বখ্যাত তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী মিচিও কাকু (Michio Kaku) সময় ভ্রমণ সম্পর্কে এক যুগান্তকারী মন্তব্য করে বলেছেন.....
"একসময় যা কেবল কল্পনা ও সায়েন্স ফিকশনের বিষয় ছিল, সময় ভ্রমণ এখন কেবলই একটি প্রকৌশলগত সমস্যা।"
শুনতে রূপকথা বা সিনেমার মতো মনে হলেও, আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব (General Theory of Relativity) এবং কোয়ান্টাম মেকানিক্সের সমীকরণগুলো তাত্ত্বিকভাবে সময় ভ্রমণের পথকে অসম্ভব বলে উড়িয়ে দেয় না। স্পেসটাইম বা স্থান-কালের বক্রতা ব্যবহার করে মহাবিশ্বে 'ওয়ার্মহোল' (Wormhole) বা শর্টকাট সুড়ঙ্গ তৈরি করা সম্ভব—যা দিয়ে মুহূর্তের মধ্যে গ্যালাক্সি থেকে গ্যালাক্সিতে বা অতীতে যাতায়াত করা যায়। এখন মূল চ্যালেঞ্জ হলো প্ল্যান্ক এনার্জি বা বিশাল পরিমাণ শক্তি নিয়ন্ত্রণে আনার মতো প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অর্জন করা।
বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এই ধারণার পেছনের মূল ভিত্তিগুলো:
আইনস্টাইন-রোজেন সেতু (Einstein-Rosen Bridge): ১৯৩৫ সালে আলবার্ট আইনস্টাইন এবং নাথান রোজেন গাণিতিক উপায়ে মহাকাশে এমন সুড়ঙ্গের ধারণা দেন, যা দুটি ভিন্ন স্থান বা কালকে সংযুক্ত করতে পারে।
কিপ থর্নের ওয়ার্মহোল তত্ত্ব: নোবেলজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী কিপ থর্ন দেখিয়েছেন যে, এক্সোটিক ম্যাটার (Exotic Matter) ব্যবহার করে ওয়ার্মহোলকে দীর্ঘস্থায়ী ও স্থিতিশীল রাখা গেলে তাত্ত্বিকভাবে তা দিয়ে সময় ভ্রমণ সম্ভব।
বিজ্ঞান কি সত্যিই অচিরেই সময় ভ্রমণের জাদুকরী দুয়ার খুলে দেবে? নাকি এটি কেবলই গাণিতিক হিসাবের খাতায় বন্দी থাকবে? আপনার মতামত কমেন্টে জানান!