25/02/2026
বাউবি #বিএড প্রথম সেমিস্টার ২০২৬ ব্যাচের #কোর্স সম্পর্কে প্রাথমিক ধারনা:
১.ফাইনাল পরীক্ষার পূর্বে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো কোন ফর্ম ফিলাপ করতে হয়না।
২. #ভর্তির সময় যে ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড লগইন করবেন তা দ্বিতীয় সেমিস্টারের জন্য সংরক্ষণ করে রাখবেন(যদিও recovery করা যায়)।
৩.ভর্তির পর নীল কার্ড পাবেন যেটি প্রথম ও দ্বিতীয় সেমিস্টারের বই আনতে এবং সার্টিফিকেট ও মার্কশীট আনতে কাজে লাগবে।
৪.আপনার আঞ্চলিক কেন্দ্রে আইডি কার্ড আসার পর তা সংগ্রহ করতে হবে এবং এটি ক্লাস,পরীক্ষা,সার্টিফিকেট ও মার্কশীট আনতে কাজে লাগবে।পরীক্ষার পূর্বে আলাদা কোন এডমিট কার্ড দেওয়া হয়না।(তবে,এবছর প্রথমবারের মতো বিএড পরীক্ষার আগের দিন এডমিট কার্ড ডাউনলোড করতে প্রশিক্ষণার্থীদের নির্দেশ দেওয়া হয়)
৫.মোট ক্লাস ১৬টি
৬.বিষয়ভিত্তিক ক্লাস ৮টি
৭.TP-Teaching Practice
বা পাঠদান অনুশীলন প্রস্তুতি ক্লাস ৪টি।
৮.TP-Teaching Practice বা পাঠদান অনুশীলন পরীক্ষা ৪টি।
৯.পাঠদান অনুশীলন পরীক্ষা একই দিনে ২ টি করে অনুষ্ঠিত হয়।
১০.প্রথম পাঠদান অনুশীলন পরীক্ষার দিন ২বিষয়ে ৫+৫=১০টি পাঠ পরিকল্পনা জমা দিতে হবে (৫টি Lesson Plan বা পাঠ পরিকল্পনার জন্য ৫ করে নাম্বার)
দ্বিতীয় পাঠদান অনুশীলন পরীক্ষার দিন ১০+১০=২০টি পাঠ পরিকল্পনা জমা দিতে হবে(১০টি Lesson Plan বা পাঠ পরিকল্পনার জন্য ১০ করে নাম্বার)
তৃতীয় পাঠদান অনুশীলন পরীক্ষার দিন ১০+১০=২০টি পাঠ পরিকল্পনা জমা দিতে হবে (১০টি Lesson Plan বা পাঠ পরিকল্পনার জন্য ১০ করে নাম্বার)
চূড়ান্ত পাঠদান অনুশীলন পরীক্ষার দিন ১+১=২টি পাঠ পরিকল্পনা জমা দিতে হবে(২৫ করে নাম্বার)
[বি:দ্র:৪টি পাঠ পরিকল্পনা থেকে গড়ে ২৫ নাম্বার ধরা হয়।]
১১.পাঠ পরিকল্পনা ভুলেও ক্লাসে আপনার performance দেখানোর পর তাড়াহুড়া করে জমা দিয়ে দিবেন না।কেবল যে পাঠ পরিকল্পনার ওপর আপনি ক্লাস করবেন তার কভার পেইজ লাগাবেন এবং সেটি ফটোকপি করে জমা দিবেন।ভাইভার দিন ২৬+২৬=৫২ টি পাঠ পরিকল্পনা আপনাকে জমা দিতে হবে।
১২.পাঠ পরিকল্পনা নির্দিষ্ট দিনে জমা দিতে না পারলে পরবর্তী পাঠ পরিকল্পনার দিন জমা দেওয়া যায়।কিন্ত সেক্ষেত্রে ঝুঁকি থাকে।রেজাল্ট প্রকাশিত হওয়ার পর অনেকের পাঠ পরিকল্পনায়/এসাইনমেন্টে/পরীক্ষায় অনুপস্থিত আসে।তাই পাঠ পরিকল্পনা নির্ধারিত দিনেই জমা দেওয়ার চেষ্টা করবেন।
১৩.যদি আপনি কোন পাঠ পরিকল্পনায় অংশগ্রহণ না করে কেবল প্রথম সেমিস্টার পরীক্ষার সময় অংশগ্রহণ করেন তাহলে দ্বিতীয় সেমিস্টারে ভর্তির পর আপনার পরের ব্যাচে যারা প্রথম সেমিস্টার পাঠ পরিকল্পনায় অংশগ্রহণ করবে তাদের সাথেই আপনাকে প্রথম সেমিস্টারের পাঠ পরিকল্পনা জমা দিতে হবে।
১৪.মোট বিষয় ৫টি
১৫.আবশ্যিক বিষয় ৩টি(মাধ্যমিক শিক্ষা,শিখন-শেখানো দক্ষতা ও কৌশল,শিক্ষায় আইসিটি।
১৬.ঐচ্ছিক বিষয়২ টি(আপনি যে দুইটি বিষয় বেছে নিবেন)
১৭.লিখিত পরীক্ষা ৫টি(আবশ্যিক +ঐচ্ছিক)
১৮.ব্যবহারিক পরীক্ষা ১টি(শিক্ষায় আইসিটি-যেহেতু এই বিষয়ে ল্যাবে ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় তাই এসাইনমেন্ট থাকে না)।
১৯.মৌখিক পরীক্ষা ১টি(আপনার ব্যক্তিগত জীবন,কর্মজীবন,পূর্বের কোর্স করা বিষয়,অভিজ্ঞতা,বিএড এর সিলেবাস বা পরীক্ষার প্রশ্ন থেকে হতে পারে)।
২০.এসাইনমেন্ট ৪ বিষয়ে ৮টি(প্রতিটি বিষয়ে নির্ধারিত কাজ- ১ এবং নির্ধারিত কাজ- ২ আলাদা কভার পেইজ দিয়ে বাইন্ডিং করতে হবে)।এসাইনমেন্ট যেদিন যে পরীক্ষার তারিখ থাকবে সেই দিন সে ২টি নির্ধারিত কাজ পরীক্ষার হলে জমা দিতে হবে)।
২১.প্রথম সেমিস্টার পরীক্ষায় কেউ কোন বিষয়ে অকৃতকার্য হলে দ্বিতীয় সেমিস্টার পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে প্রথম সেমিস্টারের অকৃতকার্য বিষয়ের পরীক্ষা ও দ্বিতীয় সেমিস্টার পরীক্ষা অর্থাৎ উভয় পরীক্ষাতে অংশগ্রহণ করতে হবে। সাধারনত উভয় সেমিস্টারের পরীক্ষার তারিখ একই দিন হয়।যেমন:সকালে প্রথম সেমিস্টার পরীক্ষা ৯:০০-১২:০০ টা এবং দুপুরে দ্বিতীয় সেমিস্টার পরীক্ষা ২:০০-৫:০০ টা পর্যন্ত (ব্যতিক্রম থাকতে পারে)।
২২.ক্লাসের সময়-প্রতি শুক্রবার সকাল ৯:০০টা-বিকাল ৫:০০টা পর্যন্ত।(৯:০০-১২:০০ টা পর্যন্ত আবশ্যিক ৩টি বিষয়ের ক্লাস হবে।এরপর আপনার ঐচ্ছিক বিষয় যে সময়ে রুটিনে দেওয়া থাকবে সে অনুযায়ী হবে)।
২৩.এসাইনমেন্টে দুইবার মনে করে অবশ্যই স্বাক্ষর করতে হবে((Lesson Plan+Teaching Practice এর জন্য)।পরীক্ষার হলেও অনুরুপভাবে দুইবার স্বাক্ষর করতে হবে(Assignment+Attendance এর জন্য)।অন্যথায়,এগুলোতে অনুপস্থিত বা ফেইল আসবে রেজাল্টে।
২৪.কোন প্রশিক্ষণার্থী প্রথম সেমিস্টারে নিয়মিত ক্লাস করলে দ্বিতীয় সেমিস্টারের নিয়ম-কানুন সে অটোমেটিক বুঝতে পারবে।কেননা,মৌলিক নিয়ম-কানুন দুই সেমিস্টারের প্রায় একই।কেবল প্রথম সেমিস্টারে আবশ্যিক এবং ঐচ্ছিক উভয় বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় কিন্ত দ্বিতীয় সেমিস্টারের জন্য কোন ঐচ্ছিক বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়না বরং পাঠদান অনুশীলন পরীক্ষা থাকে।
২৫.বাউবির আঞ্চলিক কেন্দ্র শনিবার এবং রবিবার বন্ধ থাকে।
২৬.পাঠ পরিকল্পনায় ২৫।
উপস্থিতিতে ৫,এসাইনমেন্টে ২০,লিখিত পরীক্ষায় ৭৫=১০০ নাম্বার।
২৭.নীল কার্ড বা স্মার্ট আইডি কার্ড হারিয়ে গেলে অবশ্যই বাউবির আঞ্চলিক অফিসে যোগাযোগ করবেন।
২৮.বিএড প্রোগ্রামে ২ সেমিস্টারের জন্য ১ বছরের কথা বলা হলেও এখানে রেজাল্ট প্রকাশিত হওয়ার সময় পর্যন্ত প্রায় ৩ বছরের মতো লাগে।
২৯.আপনি পাঠদান অনুশীলন পরীক্ষা বা ফাইনাল পরীক্ষার যেকোন একটিতে অংশগ্রহণ করেছেন মানেই অন্যটিতে আপনি ফেইল।আপনাকে পাঠদান অনুশীলন পরীক্ষা,লিখিত পরীক্ষা,ব্যবহারিক পরীক্ষা ও মৌখিক পরীক্ষার সবগুলোতে অংশগ্রহণ এবং উত্তীর্ণ হতে হবে।অন্যথায় আপনাকে আবার, আরেকটি বছর অপচয় করতে হবে।
৩০.পাঠদান অনুশীলন কীভাবে তৈরি করতে হয় তার নমুনা সাধারণত আপনার ঐচ্ছিক বিষয়ের টিউটর ক্লাসে বা আপনাদের ব্যাচের(নির্দিষ্ট কলেজের)গ্রুপে শেয়ার করবেন।
৩১.ফাইনাল পরীক্ষার পূর্বে এসাইনমেন্ট তৈরি করতে হবে।আপনি বাউবির মূলবই থেকেই অনেক তথ্য পাবেন।এছাড়াও গাইড বই(প্রভাতী,স্মৃতি প্রকাশনী),গুগল, চ্যাটজিপিটি থেকে সাহায্য নিয়ে এসাইনমেন্ট তৈরি করতে পারবেন।অনেকেই এসাইনমেন্ট কিনে বা গ্রুপের শেয়ার করা এসাইনমেন্ট কপি করেই লিখে।
৩২.ফাইনাল পরীক্ষায় অনেক প্রশ্নই বিগত বছরের প্রশ্নসমূহ থেকে করা হয়।এছাড়াও ৫০ টাকা দিয়ে নীলক্ষেত বা অনলাইন থেকে সাজেশন বই পাওয়া যায়।এই গ্রুপেও বিগত বছরের প্রশ্নসমূহ একাধিকবার শেয়ার করা হয়েছে। তবে,আপনার উপস্থিত লেখার দক্ষতা থাকা উচিত।
৩৩.পরীক্ষার হলে অভদ্রের মতো smartly নকল করার চিন্তা না করে গ্রুপের শেয়ার করা প্রশ্নগুলো এখন থেকেই অল্প অল্প করে পড়লে পরীক্ষার দিন একজন বিবেকবান শিক্ষক হয়ে আপনাকে অন্তত নকলের আশ্রয় নিতে হবেনা বা পরীক্ষার হলে অপমানিত হতে হবেনা।
(সকলের জন্য শুভকামনা)
-মডারেটর
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ঃ বিএড,এমএড হেল্প গ্রুপ (ভর্তি ও পরীক্ষা)