Md. Shirajul Islam

Md. Shirajul Islam Genuine Method Aid (GMA)

 #হিংসাকৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরিকিছু মানুষ অন্যের সাফল্য সহ্য করতে পারে না। কেউ আল্লাহর রহমতে তার থেকে এগিয়ে ...
26/07/2025

#হিংসা
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি
কিছু মানুষ অন্যের সাফল্য সহ্য করতে পারে না। কেউ আল্লাহর রহমতে তার থেকে এগিয়ে যাবে, এটা সে সহ্য করতে পারে না। তাই সে প্রতিনিয়তই তার সাফল্য ম্লান করার অপচেষ্টায় লিপ্ত থাকে। তার মনোবল ভেঙে দিতে সামনে-পেছনে মিথ্যা ও অযৌক্তিক সমালোচনা করে।
সফল হওয়ার জন্য নিজের কাজে মনোযোগ না দিয়ে অন্যের ক্ষতি করার জন্য বিভিন্ন ফন্দি আঁটে। মিথ্যা প্রচারণা চালায়, যা কখনোই একজন মুমিনের কাজ হতে পারে না; বরং এ ধরনের কাজ মানুষকে আরো পেছনে নামিয়ে দেয়। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘দুর্ভোগ সেই লোকের, যে সামনে-পেছনে মানুষের নিন্দা করে।’
(সুরা : হুমাজাহ, আয়াত : ১)
অন্য আয়াতে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে ঈমানদাররা, তোমরা অধিক অনুমান থেকে দূরে থেকো।
কারণ কোনো কোনো অনুমান পাপ এবং তোমরা একে অন্যের গোপনীয় বিষয় সন্ধান কোরো না এবং একে অন্যের গিবত কোরো না। তোমাদের মধ্যে কি কেউ তার মৃত ভাইয়ের গোশত খেতে চাইবে? বস্তুত তোমরা তো একে ঘৃণ্যই মনে করো। আর তোমরা আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করো; নিশ্চয়ই আল্লাহ তাওবা গ্রহণকারী, পরম দয়ালু।’
(সুরা : হুজুরাত, আয়াত : ১২)
তা ছাড়া সাফল্য আল্লাহর নিয়ামত।
মহান আল্লাহ যাকে ইচ্ছা তাকেই সফল করেন। যারা অন্যের সাফল্যে অযৌক্তিকভাবে ব্যথিত হয়, তারা মূলত আল্লাহর সিদ্ধান্তে খুশি হতে পারে না বলেই ব্যথিত হয়। কারণ পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘তারা কি আপনার রবের রহমত বণ্টন করে? আমিই দুনিয়ার জীবনে তাদের মধ্যে তাদের জীবিকা বণ্টন করি এবং তাদের একজনকে অন্যের ওপর মর্যাদায় উন্নীত করি, যাতে একে অন্যের দ্বারা কাজ করিয়ে নিতে পারে; আর আপনার রবের রহমত তারা যা জমা করে তা থেকে উত্কৃষ্টতর।’
(সুরা : জুখরুফ, আয়াত : ৩২)
তাই কোনো মুমিন তার অন্য ভাইয়ের সাফল্যে ব্যথিত হতে পারে না। তাকে ধ্বংস করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হতে পারে না।
আল্লাহ যদি কাউকে সফলতা দিতে চান, কারো হিংসা, বিদ্বেষ ও মিথ্যা অপবাদ, ষড়যন্ত্র কিছুই তার ক্ষতি করতে পারবে না। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘আল্লাহ মানুষের প্রতি কোনো অনুগ্রহ অবারিত করলে কেউ তা নিবারণকারী নেই এবং তিনি কিছু নিরুদ্ধ করতে চাইলে কেউ তার উন্মুক্তকারী নেই। আর তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাবান।’
(সুরা : ফাতির, আয়াত : ২)
অর্থাৎ মহান আল্লাহ কারো প্রতি রহমতের দৃষ্টি দিলে কেউ তার ক্ষতি করতে পারবে না। এমনকি পুরো পৃথিবী তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হলেও তার কিছুই করতে পারবে না। একবার রাসুল (সা.) ইবনে আব্বাস (রা.)-কে বলেন, ‘জেনে রেখো, যদি সব মানুষ তোমার কোনো উপকারের উদ্দেশ্যে ঐক্যবদ্ধ হয় তাহলে ততটুকু উপকার করতে পারবে, যতটুকু আল্লাহ তাআলা তোমার জন্য লিখে রেখেছেন। অন্যদিকে যদি সব মানুষ তোমার কোনো ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে একতাবদ্ধ হয়, তাহলে ততটুকু ক্ষতি করতে সক্ষম হবে, যতটুকু আল্লাহ তাআলা তোমার তাকদিরে লিখে রেখেছেন।’ (তিরমিজি, হাদিস : ২৫১৬)
অতএব, কারো সাফল্যে ব্যথিত না হয়ে খুশি হওয়া উচিত। তাকে সহযোগিতা করা উচিত। সফল হওয়ার জন্য নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে চেষ্টা করা উচিত। মহান আল্লাহ কারো চেষ্টাকেই বৃথা করেন না।
মহান আল্লাহ সবাইকে এই নিকৃষ্ট অভ্যাস ত্যাগ করার তাওফিক দান করুন। আমিন

10/10/2024

একজন অভিভাবক শুধু নিজের সন্তানকে নিয়ে ভাবে,
আর একজন শিক্ষক প্রতিষ্ঠানের সব সন্তানদেরকে নিয়ে ভাবে।

05/08/2024

দেশটা আমাদের। দেশের সম্পদ রক্ষা করার দায়িত্বও আমাদের। কোন সহিংসতায় জড়াবেন না প্লিজ।।

আসন্ন শ্রীবরদী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মো মাহবুবুর রহমান ( সুজা) মহোদয়ের গণসংযোগে চিথলিয়া ব...
31/01/2024

আসন্ন শ্রীবরদী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মো মাহবুবুর রহমান ( সুজা) মহোদয়ের গণসংযোগে চিথলিয়া বাজারে....

ইতিহাসের প্রথম বিজ্ঞানী কে?খ্রিষ্টপূর্ব ৫৮৫ সালের কথা। এক গ্রিক পণ্ডিত ভবিষ্যদ্বাণী করলেন, ২৮ মে সূর্য দেখা যাবে না। কী ...
13/05/2023

ইতিহাসের প্রথম বিজ্ঞানী কে?

খ্রিষ্টপূর্ব ৫৮৫ সালের কথা। এক গ্রিক পণ্ডিত ভবিষ্যদ্বাণী করলেন, ২৮ মে সূর্য দেখা যাবে না। কী আজব কথা! বললেই হলো, সূর্য দেখা যাবে না! কেউ তাঁকে বিশ্বাস করল না। লোকে ভাবল, পাগল–টাগল হবে হয়তো। কিন্তু পণ্ডিত ২৮ মে পর্যন্ত অপেক্ষা করলেন। পণ্ডিতের কথাই ঠিক হলো। সূর্য দেখা যাচ্ছে না। সবাই অবাক হয়ে এই ঘটনা দেখল। অনেকে ভয়ও পেল।

এই সময় ঘটল আরেকটি মজার ঘটনা। ছয় বছর ধরে লিডিয়ার রাজা অ্যালিয়াটিস ও মিডিয়ার রাজা সিয়াক্সেরিসের মধ্যে চলছিল তুমুল যুদ্ধ। সূর্য উধাও হয়ে যাওয়ায় বন্ধ হয়ে গেল সেই যুদ্ধ। দুই রাজা মনে করলেন, তাঁদের বিবাদ ও পাপের জন্যই এমন অলৌকিক ঘটনা ঘটেছে। অপদেবতারা খেয়ে ফেলেছেন সূর্যকে। তখনই দুই পক্ষ শত্রুতা ভুলে বন্ধুত্ব করল। অনেকের মনে হতে পারে, এ আর এমন কী কথা! সূর্যগ্রহণের কারণে সূর্য দেখা যায়নি। এ খবর তো এখনকার কলেজপড়ুয়া ছেলেও বলে দিতে পারে। কিন্তু এখন থেকে আড়াই হাজার বছর আগে সূর্যগ্রহণ সম্পর্কে কারও কোনো ধারণা ছিল না। অবশ্য পণ্ডিত বুঝতে পেরেছিলেন ব্যাপারটি। তিনি পরে ব্যাখ্যা করেন, আকাশের চাঁদ যখন পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে এসে পড়ে, তখন পৃথিবীর কোনো কোনো জায়গা থেকে সূর্য দেখা যায় না। এই ঘটনার পর চারদিকে ছড়িয়ে পড়ল পণ্ডিতের নাম। কী নাম পণ্ডিতের? থেলিস। মিলেটাসের থেলিস নামেও পরিচিত এই বিজ্ঞানী। মিলেটাস নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেছেন বলে থেলিসের নাম হয়েছে মিলেটাসের থেলিস। তিনি সে সময় মিলেটাসের সেরা সাতজন জ্ঞানীর মধ্যে একজন ছিলেন। থেলিসকে মনে করা হয় ইতিহাসের প্রথম বিজ্ঞানী।

থেলিসের জীবন সম্পর্কে ইতিহাস থেকে তেমন কিছু জানা যায়নি। তাঁর সম্পর্কে যা কিছু জানা যায়, তা অ্যারিস্টটল, হেরোডোটাস এবং তাঁদের সমসাময়িক লেখকদের বই থেকে। গণিতশাস্ত্র, জ্যোতির্বিদ্যা ও দর্শনের জনক থেলিস আনুমানিক ৬২৪ বা ৬২৫ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে জন্মগ্রহণ করেছেন। থেলিসের জন্মসাল নিয়ে দ্বিমত আছে। অনেকে মনে করেন, থেলিস মিলেটাস শহরে ৬৩৬ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। বর্তমানে আমরা যেটাকে তুরস্ক বলে জানি, ২ হাজার ৫০০ বছর আগে এই জায়গার নাম ছিল মিলেটাস। সে সময় মিলেটাস শহর গ্রিকদের ভূখণ্ড ছিল। তবে অনেকের ধারণা, থেলিসের পূর্বপুরুষের আদি নিবাস ছিল ফিনিশিয়াতে। সেখান থেকে এসে মিলেটাসে তাঁরা বসবাস শুরু করেন। থেলিসের বাবা এক্সেমায়েস ব্যবসায়ী ছিলেন। মা ক্লেবুলাইন ঘরের কাজ সামলাতেন। থেলিসও বাবার মতো একজন সফল ব্যবসায়ী ছিলেন। ব্যবসা উপলক্ষে তিনি বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করতেন। তিনি একবার ব্যবসার কাজে মিসরে গিয়েছিলেন। মিসরে ভ্রমণের সময় সেখানকার পুরোহিতদের কাছে তিনি জ্যামিতি শেখেন। মিসর থেকে শেখা জ্যামিতি তিনিই প্রথম গ্রিসে নিয়ে আসেন। মিসর থেকে ফিরে অল্পকালের মধ্যে ব্যবসা থেকে অবসর নেন। অবসর নিয়ে কিন্তু তিনি বসে থাকেননি। ব্যবসা ছেড়ে অবসর সময়ে জ্যামিতি নিয়ে কাজ করতেন। থেলিস গণিত ও জ্যামিতির জন্যই বেশি প্রশংসিত হয়েছেন। মিসরীয়রা যে জ্যামিতির ধারণা দিয়েছিল, তা ছিল শুধু তলসংক্রান্ত। কিন্তু থেলিস তার উন্নতি করে দেখান, ত্রিভুজের ভূমি ও ভূমিসংলগ্ন দুটি কোণ দেওয়া থাকলে একটি ত্রিভুজ আঁকা সম্ভব।

গ্রিক দার্শনিক হেরোডোটাসের মতে, থেলিস দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে নিজের ছায়ার দৈর্ঘ্য ও পিরামিডের ছায়ার দৈর্ঘ্যের অনুপাত নির্ণয় করে পিরামিডের উচ্চতা পরিমাপ করেছিলেন। তিনি নক্ষত্রের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে সমুদ্রে অবস্থানরত জাহাজের দূরত্ব নির্ণয় করার কৌশলও আবিষ্কার করেন। এ ছাড়া তিনিই প্রথম দেখিয়েছেন, ৩৬৫ দিনে বছর। তিনি সূর্যগ্রহণ সম্পর্কেও অবগত ছিলেন। সে ব্যাপারে প্রথমেই বলা হয়েছে। থেলিস কিছু যুগান্তকারী উপপাদ্যের জনক। যেমন একটি বৃত্ত তার যেকোনো ব্যাস দ্বারা সমদ্বিখণ্ডিত হয় বা সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের সমান সমান বাহুগুলোর বিপরীত কোণগুলোও পরস্পর সমান অথবা অর্ধবৃত্তস্থ কোণের পরিমাণ এক সমকোণ ইত্যাদি। এগুলো খুব সরল, কিন্তু যুগান্তকারী। থেলিস তাঁর পূর্বপুরুষদের মতো রূপকথার স্রোতে গা ভাসাননি। তিনিই প্রথম সবকিছুর মধ্যে প্রাকৃতিক নিয়ম খোঁজার চেষ্টা করেছিলেন। পৃথিবীর মানুষকে তিনি জানিয়েছেন নতুন নতুন তথ্য। তিনি পৌরাণিক কাহিনির বিশ্বাস থেকে সরে প্রাকৃতিক বিশ্বকে বোঝার চেষ্টা করেছেন। থেলিসই মূলত গবেষণামূলক বিজ্ঞান আবিষ্কার করেছিলেন। থেলিসের নিজের লেখা কোনো পাণ্ডুলিপি অক্ষত অবস্থায় পাওয়া যায়নি। তবে বিভিন্ন উৎস অনুসারে থেলিসই প্রথম প্রাকৃতিক বিশ্বের ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য যৌক্তিক ও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

থেলিস জীবিত থাকা অবস্থায় মিলেটাসের মানুষ কুসংস্কারে লিপ্ত ছিল। তারা দেবতাদের ভয় পেত। তারা মনে করত, বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ মানুষের কুকর্মের ফল। দেবতারা মানুষের কাজে সন্তুষ্ট না হলেই বন্যা, ঘূর্ণিঝড় বা কালবৈশাখীর মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের আবির্ভাব হয়। কিন্তু থেলিস এই কুসংস্কারে বিশ্বাস করতেন না। তিনি যেকোনো প্রাকৃতিক ঘটনার মধ্যে শুধু ধর্মীয় বিশ্বাস না খুঁজে যুক্তি দিয়ে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করতেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়া বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক ঘটনা সঠিকভাবে পর্যবেক্ষণ করতে পারলে এর পেছনের কারণ খুঁজে পাওয়া যাবে। থেলিস আরও বিশ্বাস করতেন, কোনো সমস্যা যুক্তি দিয়ে ব্যাখ্যা করা গেলে তার পূর্বাভাসও পাওয়া সম্ভব। তাঁর যুক্তি দিয়ে ব্যাখ্যা করার এই দৃষ্টিভঙ্গি মানবসভ্যতায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে। সূচনা হয়েছে এক নতুন দিগন্তের। তবে থেলিস এটাও বিশ্বাস করতেন, সবকিছু সৃষ্টির পেছনে ঈশ্বর বা দেবতাদের হাত রয়েছে। তাঁর বিখ্যাত উক্তির মধ্যে একটি হলো, সবকিছু ঈশ্বরে পরিপূর্ণ। কিন্তু শুধু গণিত নিয়ে ভাবলে বা উপপাদ্য বানালেই তো আর ইতিহাসের প্রথম বিজ্ঞানী হওয়া যাবে না। বিজ্ঞানের অন্যান্য বিষয়েও কাজ করতে হবে। করেছিলেনও থেলিস। মহাবিশ্বের প্রকৃতি নিয়েও থেলিস ভেবেছিলেন। তিনি সব সময় মহাবিশ্বের প্রকৃতি সম্পর্কে জানার জন্য নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করতেন। ভাবতেন, মহাবিশ্ব কী দিয়ে গঠিত? তবে তিনি শুধু ভেবেই থেমে থাকেননি। তিনি বিশ্বাস করতেন, মহাবিশ্বের সবকিছু একটি মৌলিক উপাদান দিয়ে গঠিত। আর সেই মৌলিক উপাদানটি হলো পানি। পানিই একমাত্র উপাদান, যা দিয়ে মহাবিশ্বের সবকিছু সৃষ্টি হয়েছে। তিনি যুক্তি দিয়েছিলেন, মহাবিশ্ব সৃষ্টির মৌলিক উপাদান পানি ছাড়া অন্য কিছু হতে পারে না। কেননা পানি দিয়ে সবকিছু করা যায়। আমাদের জীবনেও পানি সবচেয়ে বেশি দরকারি। তা ছাড়া পানি কঠিন, তরল ও বায়বীয়—সব অবস্থাতেই থাকতে পারে। সুতরাং মহাবিশ্ব তৈরির মৌলিক উপাদান পানি না হয়ে যায় না। এখানেই ভুলটা করেছিলেন থেলিস। যদিও আমরা এখন জানি, পানি মৌলিক উপাদান নয়। থেলিসের আরও একটি বিখ্যাত উক্তি, সবকিছুর আদিমতম উপাদান পানি।

তিনি শুধু মহাবিশ্ব তৈরির উপাদান নিয়েই পড়ে ছিলেন না। মহাবিশ্বে পৃথিবীর অবস্থান কোথায়, সে ব্যাপারেও বর্ণনা করেছেন। তাঁর ধারণা ছিল, যেহেতু মহাবিশ্ব পানি দিয়ে তৈরি, তাই পৃথিবী পানির ওপরে সমতলভাবে ভাসমান। থেলিস সমতল পৃথিবীতে বিশ্বাস করতেন। মৃত্যুর আগমুহূর্তেও তিনি মিসরের পুরোহিতদের প্রতি ঋণ ভোলেননি। মৃত্যুর আগে তাঁর ছাত্র পিথাগোরাসকে মিসরে যাওয়ার উপদেশ দিয়েছিলেন। পিথাগোরাসও শিক্ষকের কথা শুনে মিসরে গিয়েছিলেন। মিসরের পুরোহিতদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করেছিলেন। ৫৪৬ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে ৭৮ বছর বয়সে ইতিহাসের এই আদি বিজ্ঞানী মৃত্যুবরণ করেন।

সূত্র: ফেমাস সায়েন্টিস্ট

মস্তিষ্কে শক্তি বৃদ্ধি করার সবচেয়ে ভালো উপায় কী?প্রশ্নটিই করার কারণে আপনাকে ধন্যবাদ। সাইকোলজিতে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করার ...
27/02/2023

মস্তিষ্কে শক্তি বৃদ্ধি করার সবচেয়ে ভালো উপায় কী?

প্রশ্নটিই করার কারণে আপনাকে ধন্যবাদ। সাইকোলজিতে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করার বিভিন্ন কৌশল রয়েছে। তার মধ্যে কিছু কৌশল নিয়ে আজকে আলোচনা করলাম। আপনি আপনার জীবনে এগুলো এপ্লাই করে দেখতে পারেন।

আমার স্মৃতিশক্তি কমে গেছে, আমি আর আগের মত মনে রাখতে পারিনা, আমি কোন কিছু পড়লে ভুলে যাই, এরকম অভিযোগ অনেকেই করে থাকেন। অনেকেই আবার তাদের বর্তমান স্মৃতিশক্তি নিয়ে সন্তুষ্ট নয় । স্মৃতিশক্তি আসলে অনেকগুলো বিষয়ের সাথে জড়িত। কোন বিষয় নিয়ে বারবার চিন্তা করলে, শারীরিকভাবে গুরুতর অসুস্থ থাকলে,কোন ট্রমার মধ্যে দিয়ে গেলে, মস্তিষ্কে আঘাত পেলে, একসাথে অনেক তথ্য মুখস্থ করার চেষ্টা করলে, কোন মানসিক সমস্যা থাকলে ব্যক্তি স্মৃতি থেকে তথ্য পুনরুদ্ধার করতে ব্যর্থ হতে পারেন। দৈহিক ও মানসিক অসুস্থতার কারণে আমরা নতুন বিষয় মুখস্থ করতে ব্যর্থ হই এবং কোন কোন ক্ষেত্রে মুখস্থ করা বিষয়ও ভুলে যাই । তাছাড়া বার্ধক্য জনিত কারণে মানুষের স্মৃতিশক্তি লোপ পেতে পারে। আমাদের মস্তিষ্কের প্রতিটি স্মৃতি কতগুলো নিউরনের সংযোগে তৈরি হয়। আমরা যদি আমাদের ইন্দ্রিয়ের সাহায্যে প্রথম কোন সাধারণ তথ্য পেয়ে থাকি তাহলে তা আমাদের স্মৃতিতে নিউরোনের মধ্যে একটি নতুন সংযোগ তৈরী করে। যদি ঐ তথ্য বারবার পুনরাবৃত্তি করা হয় তাহলে নিউরনগুলো মধ্যে সংযোগ শক্তিশালী হয়।

স্মৃতিশক্তির সাথে আমাদের খাদ্যের একটি নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে । কিছু খাবার যেমন, ওমেগা -3 এসিড মস্তিষ্ক এবং স্নায়ু কোষ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আর এ ওমেগা -3 চর্বিযুক্ত মাছে পাওয়া যায় । আবার কিছু কিছু খাবার যেগুলো আপনার মস্তিষ্কের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে যেমন, চিনি, প্রক্রিয়াজাতকরণ খাবার, মাখন, লাল মাংস, ফাস্টফুড, লবণ ইত্যাদি।স্মৃতি সংক্রান্ত সমস্যা দূর করতে আমরা এসব খাবার পরিহার করে চলতে পারি । আমরা যখন কোন মানসিক চাপে থাকি তখন আমাদের ব্রেইন থেকে কর্টিসোল নামক এক ধরনের নিউরোট্রান্সমিটার ক্ষরণ হয় যেটা আমাদের স্মৃতি থেকে কোন তথ্য পুনরুদ্ধার করার ক্ষমতাকে বাধাগ্রস্ত করে। তাই চাপ মুক্ত জীবন যাপন স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে।

অনুশীলনের সাহায্যে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করা না গেলেও অনুশীলনের মাধ্যমে স্মৃতির উপাদানের (যেমন, শিখন, সংরক্ষণ,পুনরুদ্রেক, প্রত্যাভিজ্ঞা, স্থান-কাল নির্দেশ ইত্যাদি )কাজকে ত্বরান্বিত করা যায়। নিম্নে এ সম্পর্কে আলোচনা করা হল:

১। উচ্চারণ: কোন তথ্য মুখস্থ করার ক্ষেত্রে নিরবে পড়ার চেয়ে উচ্চারণ করে পাঠ করা অনেক ভাল। উচ্চারণের একটি বিশেষ সুবিধা হল এর ফলে চক্ষু এবং কর্ণ এ দুটি ইন্দ্রিয় সমানভাবে কাজ করে। আপনি যদি কোন কিছু শব্দ করে পড়েন তাহলে স্মৃতির নিউরনগুলো মধ্যে সংযোগ শক্তিশালী হবে এবং সেটা মনে রাখার সহজ হবে। এছাড়া ছন্দ ও সুরের মাধ্যমে পাঠ করলে তা সহজে মুখস্থ হয়

২। সামগ্রিক বনাম আংশিক পদ্ধতি: ছোট একটি তথ্য মুখস্থ করার ক্ষেত্রে অংশ অংশ ভাবে পড়ার চেয়ে সামগ্রিকভাবে পড়া উত্তম। অর্থহীন বিষয়বস্তু শেখার ক্ষেত্রে আংশিক পদ্ধতি অধিক কার্যকর

৩। বিরতি পদ্ধতি: কোন নির্দিষ্ট পাঠ মুখস্থ করার সময় মাঝে মাঝে বিরতি দিয়ে শিক্ষা লাভ করলে তথ্যগুলি স্থায়ীভাবে স্মৃতিতে সংরক্ষণের পর্যাপ্ত সময় পায় এর ফলে শিক্ষন স্থায়ী হয়

৪।অর্থ অনুধাবন: বিষয়বস্তুর অর্থ বুঝে পাঠ অভ্যাস করলে দ্রুত মুখস্থ হয়। অর্থ না বুঝে পাঠ অভ্যাস করলে মুখস্থ হতে বেশী সময় লাগে

৫। রুটিন পদ্ধতি: রুটিন অনুযায়ী পাঠ অভ্যাস করলে স্মৃতির পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে

৬।সংগঠন: পাঠ করার পর যদি বিষয়বস্তু সুন্দরভাবে সাজান হয় তবে তা স্মরণ করা সহজতর হয়। এলোমেলোভাবে পাঠ করলে তা সহজে স্মরণ করা যায়না

৭।নিদ্রা পূর্বে পাঠ : নিদ্রার পূর্বে পাঠ মুখস্থ করলে তা সহজে স্মৃতিচিহ্ন থেকে বিলীন হয় না। কারণ নিদ্রায় যাওয়ার ফলে স্মৃতির চিহ্নগুলো বাধাগ্রস্ত হয় না। তাছাড়া পর্যাপ্ত ঘুম স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক

৮।গভীর মনোযোগ: স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গভীর মনোযোগ একটি শর্ত হিসেবে কাজ করে। গভীর মনোযোগ সহকারে পাঠ করলে তা সহজেই স্মরণ করা যায়

৯।Survey Q 3R : কোন বিষয়বন্তু মুখস্থকরণের ক্ষেত্রে রবিনসন এক যুগান্তকারী নিয়ম প্রণয়ন করেছেন। তার নিয়মটি Survey Q 3R পদ্ধতি নামে পরিচিত। এখানে, Survey মানে -জরিপ করা Q মানে Question - প্রশ্ন করা, Read - পড়া (R-1), Recite- আবৃত্তি (R-2) এবং Review-পর্যালোচনা(R-3)। এ পদ্ধতিতে শিক্ষার্থী প্রথমে বিষয়বস্তু সম্পর্কে জরিপ করে নিজে নিজে প্রশ্ন করবে এবং নিজে নিজে সে প্রশ্নগুলোর উত্তর অনুসন্ধান করবে । পড়ার সময় আবৃতি সহকারে পাঠ করবে এবং বিষয়বস্তু পড়া শেষে তা পুনরায় স্মরণ করার চেষ্টা করবে। এ রূপ প্রক্রিয়ায় একজন শিক্ষার্থী সহজেই কোন বিষয়েকে আয়ত্ত আনতে পারবে

১০।সংক্ষেপণ/মনেমোনিক্স (mnemonics): কোন তথ্য মুখস্থ করার জন্য আপনি সংক্ষেপণ/মনেমোনিক্স (mnemonics) ব্যবহার করতে পারেন। এ পদ্ধতিতে আপনি কতগুলোর শব্দ প্রথম অদ্যাক্ষর দিয়ে একটি ছোট শব্দ তৈরি করতে পারেন । যেমন: আপনাকে কতগুলি পয়েন্ট মুখস্থ করতে হবে। আপনি ওই পয়েন্ট গুলির প্রথম অদ্যাক্ষর দিয়ে একটি শব্দ বা বাক্য তৈরি করে তা খুব সহজেই মুখস্থ করতে পারেন।যেমন: ছোটবেলায় আমরা শিখেছি বেনীআসহকলা অর্থাৎ বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা এবং লাল। এক্ষেত্রে শব্দটি বা বাক্যটি অর্থবহ করলে ফলাফল আরো ভালো পাওয়া যায়।

উল্লিখিত কৌশল গুলো অনুসরণের মাধ্যমে আমরা আমাদের স্মৃতির উপাদানের কাজ ত্বরান্বিত করতে পারি।

মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আপনি এই আর্টিকেলটি শেয়ার করতে পারেন এবং মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে আপনার জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করতে এই মঞ্চে যুক্ত হতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

লেখক:
মোঃ আবু তারেক, সাইকোলজিস্ট, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

সুন্দর এক মুহূর্ত কাটালাম কাকা, দাদা ও বাবার সাথে
09/12/2022

সুন্দর এক মুহূর্ত কাটালাম কাকা, দাদা ও বাবার সাথে

05/12/2022
বাবার সাথে ভিসার কাজে...
15/11/2022

বাবার সাথে ভিসার কাজে...

এই আইডিটা হ্যাক হয়ে গেছে।  তাই এই আইডির মাধ্যমে কেউ কোন আর্থিক লেনদেন করবেন না।অনুরোধে, কামারুজ্জামান (কাজল)
23/10/2022

এই আইডিটা হ্যাক হয়ে গেছে। তাই এই আইডির মাধ্যমে কেউ কোন আর্থিক লেনদেন করবেন না।
অনুরোধে,
কামারুজ্জামান (কাজল)

14/09/2022

প্রিয় শিক্ষার্থীরা,
তোমাদের শিক্ষা জীবনের একটি ধাপ এসএসসি সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী কাল।
দোয়া করি মহান রব্বুল আলামিন যেন তোমাদের মেধাকে বিকশিত করে পরীক্ষায় উত্তম ফলাফল করার জন্য সহায়ক হোক।
তোমরা প্রত্যেকটা বিষয় ভালোভাবে রিভিশন করে ও প্রয়োজনীয় সকল কাগজ এবং সরঞ্জাম এবং মা-বাবার দোয়া সাথে নিয়ে পরিক্ষার হলে প্রবেশ করবে। হলের শৃঙ্খলা বজায় রেখে, মাথা ঠান্ডা রেখে পরিক্ষা দিবে। ইনশাআল্লাহ।
সকল পরীক্ষার্থীদের সর্বাঙ্গীণ সফলতা কামনা করছি ।
❣️❤️❣️

Address

25. 014991, 90. 013665
Sherpur
2100

Opening Hours

Monday 07:00 - 10:00
Tuesday 07:00 - 10:00
Wednesday 07:00 - 10:00
Thursday 07:00 - 10:00
Saturday 07:00 - 10:00
Sunday 07:00 - 10:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md. Shirajul Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category