Shaheed Abdus Samad High School

Shaheed Abdus Samad High School Shaheed abdus samad high school is an ideal school..........

Admin: Sajed.asad

10/07/2025

অত্র ইস্কুলের এসএসসি কৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আলহামদুলিল্লাহ নড়িয়া উপজেলার মধ্য সর্বোচ্চ পাশের হার ৮২.২৬ শতাংশ। আর যারা রেজাল্ট খারাপ করেছ মনোবল না হারিয়ে আগামী পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নাও। তোমাদের জন্য ও ভালো কিছু অপেক্ষা করছে।

10/04/2025

সকল এস এস সি পরীক্ষার্থীদের জন্য রইল শুভকামনা।

11/11/2024
14/02/2024

২০২৪ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের জন্য দোয়া ও শুভকামনা...

29/04/2023

সকল এস এস সি পরীক্ষার্থীদের জন্য শুভকামনা রইল।

05/09/2022

১। Internet আবিষ্কৃত হয় 1969 সালে।
২। Email আবিষ্কৃত হয় 1971 সালে।
৩। Hotmail আবিষ্কৃত হয় 1996 সালে।
৪। Google আবিষ্কৃত হয় 1998 সালে।
৫। Facebook আবিষ্কৃত হয় 2004 সালে।
৬। Youtube আবিষ্কৃত হয় 2005 সালে।
৭। Twitter আবিষ্কৃত হয় 2006 সালে।
৮। বিশ্বে ইন্টারনেট চালু হয় ১৯৬৯সালে
৯। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার চালু হয়
১৯৯৩ সালে।
১০। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার সবার
জন্য উন্মুক্ত হয় ১৯৯৬ সালে।
১১। বাংলাদেশে 3g চালু হয় 14
OCTOBER,2012।
১২। বাংলাদেশে স্থাপিত প্রথম
কম্পিউটার "IBM-1620 ‘ যা স্থাপিত হয়
বাংলাদেশ পরমানু শক্তি কমিশনে ১৯৬৪
সালে।
১৩। ২১মে ২০০৬ সালে কক্সবাজারের
ঝিলংজা-তে ল্যান্ডিং স্টেশন স্থাপনের
মাধ্যমে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলে
যুক্ত হয়।
১৪। বাংলাদেশর বিজ্ঞানীরা
প্রথমাবারের মতো ‘জীবনরহস্য‘ উন্মোচন
করেছেন মহিষের।
১৫। ২০১৩সালে দেশি পাটের জীবন রহস্য
উন্মোচনে নেতৃত্ব দেন ড মাকসুদুল আলম।
১৬। ১৯৮১ এপসন কোম্পানি সর্বপ্রথম
ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রচলন করেন তার
নামঅসবর্ন-১।
১৭। বিশ্বের একমাত্র কম্পিউটার জাদুঘরটি
অবস্থিতযুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায়।
১৮। বাংলা সামাজিক মাধ্যম ‘‘বেশত‘‘ চালু
হয় ২৮ ফ্রেব্রু ২০১৩।
১৯। বাংলাদেশের ‘টেলিফোন শিল্প
সংস্থা লিমিটেড(টেশিস) কর্তৃক তৈরী
প্রথম ল্যাপটপ --এর নামদোয়েল।
২০। জাতিসংঘ রেডিও বাংলা যাত্রা শুরু
করে ২১ ফ্রেব্রু:২০১৩।
২১। বাংলাদেশের প্রথম সার্চ ইঞ্চিন
‘‘পিপীলিকা‘‘ উদ্ধোধন করা হয় ১৩এপ্রিল,
২০১৩।
২২। বাংলাদেশে দ্রুত গতির ইন্টারনেট
‘‘ওয়াইম্যাক্স‘ চালু হয় >>June,2009, Banglalion।
২৩। বাংলাদেশে কবে , কোথায় সাইবার
ক্যাফে চালু হয় ১৯৯৯ সালে,বনানীতে।
২৪। বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল ফোন
কোম্পানীর সিটিসেল ডিজিটাল, ১৯৯৩
সাল।
২৫। বাংলাদেশে প্রথম ডিজিটাল
টেলিফোন ব্যবস্থা চালূ হয় ৪ জানুয়ারী,
১৯৯০।
২৬। বাংলাদেশে কখন থেকে কার্ড ফোন
চালূ হয় ১৯৯২ সালে।
২৭। প্রথম ডিজিটার জেলা যশোর।
২৮। প্রথম ওয়াই ফাই নগর সিলেট।
২৯। সাইবার সিটি সিলেট।
৩০। প্রথম ডিজিটাল টেলিফোন এক্সচেঞ্জ
মিঠাপুকুর ,রংপুর।
=> GIF এর পূর্ণরূপ — Graphic Interchangeable
Format
=> BMP এর পূর্ণরূপ — Bitmap
=> JPEG এর পূর্ণরূপ — Joint Photographic Expert
Group
=> PNG এর পূর্ণরূপ — Portable Network
=> Wi-Fi র পূর্ণরূপ — Wireless Fidelity
=> HTTP এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer
Protocol
=> HTTPS এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer
Protocol Secure
=> URL এর পূর্ণরূপ — Uniform Resource Locator
=> IP এর পূর্ণরূপ— Internet Protocol
=> VIRUS এর পূর্ণরূপ — Vital Information
Resource Under Seized
=> UMTS এর পূর্ণরূপ — Universal Mobile
Telecommunication System
=> RTS এর পূর্ণরূপ — Real Time Streaming
=> AVI এর পূর্ণরূপ — Audio Video Interleave
=> SIS এর পূর্ণরূপ — Symbian OS Installer File
=> AMR এর পূর্ণরূপ — Adaptive Multi-Rate Codec
=> JAD এর পূর্ণরূপ — Java Application Descriptor
=> JAR এর পূর্ণরূপ — Java Archive
=> MP3 এর পূর্ণরূপ — MPEG player lll
=> 3GPP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation
Partnership Project
=> 3GP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation Project
=> MP4 এর পূর্ণরূপ — MPEG-4 video file
=> SIM এর পূর্ণরূপ — Subscriber Identity Module
=> 3G এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation
=> GSM এর পূর্ণরূপ — Global System for Mobile
Communication
=> CDMA এর পূর্ণরূপ — Code Divison Multiple
Access
=> AAC এর পূর্ণরূপ — Advanced Audio Coding
=> SWF এর পূর্ণরূপ — Shock Wave Flash
=> WMV এর পূর্ণরূপ — Windows Media Video
=> WMA এর পূর্ণরূপ — Windows Media Audio
=> WAV এর পূর্ণরূপ — Waveform Audio
1) GOOGLE : Global Organization Of Oriented
Group Language Of Earth
2) YAHOO : Yet Another Hierarchical Officious
Oracle
3) WINDOW : Wide Interactive Network
Development for Office work Solution
4) COMPUTER : Common Oriented Machine
Particularly United and used under Technical and
Educational Research
5) VIRUS : Vital Information Resources Under
Siege
6) UMTS : Universal Mobile Telecommunications
System
7) AMOLED: Active-matrix organic light-emitting
diode

★OLED : Organic light-emitting diode
9) IMEI: International Mobile Equipment Identity
10) ESN: Electronic Serial Number
11) UPS: uninterrupted power supply
12) HDMI: High-Definition Multimedia Interface
13) VPN: virtual private network
14) APN: Access Point Name
15) SIM: Subscriber Identity Module
16) LED: Light emitting diode
17) DLNA: Digital Living Network Alliance
18) RAM: Random access memory
19) ROM: Read only memory
20) VGA: Video Graphics Array
21) QVGA: Quarter Video Graphics Array
22) WVGA: Wide video graphics array
23) WXGA: Wide screen Extended Graphics Array
24) USB: Universal serial Bus
25) WLAN: Wireless Local Area Network
26) PPI: Pixels Per Inch
27) LCD: Liquid Crystal Display
28) HSDPA: High speed down-link packet access
29) HSUPA: High-Speed Uplink Packet Access
30) HSPA: High Speed Packet Access.

14/11/2021

২০২১ সালের
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের জন্য শুভকামনা রইল।

10/12/2020

#ভর্তি #চলছে ♧♧♧♧♧♧
উপ পরিচালকের কার্যালয়,
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর শরীয়তপুরে ছয় মাস ব্যাপী "বেসিক কম্পিউটার এন্ড আইসিটি এপ্লিকেশন" কোর্সে প্রশিক্ষণার্থী ভর্তি করা হবে।
●বয়স: ১৮-৩৫ বছর।
●আসন সংখ্যা : ৭০(সত্তর ) জন।
●কোর্সের মেয়াদ: ৬ (ছয়) মাস । জানুয়ারি - জুন ২০২১খ্রি :
●ভর্তি ফি: ১(এক) হাজার টাকা।
●ভর্তির যোগ্যতা :
◇ সর্বনিম্ন এইচ.এস.সি পাশ।
●প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
■ এস.এস. সি ও এইচ.এস.
সি সনদের সত্যায়িত ফটোকপি।
■(০২) দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবি ।
■ ভোটার আইডি কার্ড/জন্ম সনদের ফটোকপি।
☆ আবেদনের শেষ তারিখ ২৪.১২ .২০২০ খ্রি:।
প্রয়োজনে: 01963300720
-----------------
♤♤♤♤♤♤♤

07/12/2020

#লেখাটা_পড়ে_হৃদয়_কেঁপে_উঠলো
"মানুষ"
"মৃত্যু"
"লাশ"

পরলোকগত কুয়েতি লেখক আহমাদ আব্দেল আজিজ আল যারাল্লাহ র মৃত্যুর আগে লিখে যাওয়া কিছু অনুভূতি -

"মৃত্যু নিয়ে আমি কোনো দুশ্চিন্তা করবো না, আমার মৃতদেহের কি হবে সেটা নিয়ে কোন অযথা আগ্রহ দেখাবো না। আমি জানি আমার মুসলিম ভাইয়েরা করণীয় সবকিছুই যথাযথভাবে করবে।"

يُجَرِّدُونَنِي مِنْ مَلَابِسِي

তারা প্রথমে আমার পরনের পোশাক খুলে আমাকে বিবস্ত্র করবে,

يَغْسِلُونَني

আমাকে গোসল করাবে,

يَكْفِنُونَنِي

(তারপর) আমাকে কাফন পড়াবে,

يُخْرِجُونَنِي مِنْ بَيْتِي

আমাকে আমার বাসগৃহ থেকে বের করবে,

يَذهَبُونَ بِي لِمَسَكِنِي الجَدِيدِ (القَبْرُ)

আমাকে নিয়ে তারা আমার নতুন বাসগৃহের (কবর) দিকে রওনা হবে,

وَسَيَأتِي كَثِيرُونَ لِتَشْيِيْعِ الجَنَازَتِي

আমাকে বিদায় জানাতে বহু মানুষের সমাগম হবে,

بَلْ سَيَلْغِي الكَثِيرُ مِنهُم أَعْمَالَهُ وَمَوَاعِيدَهُ لِأَجْلِي دَفْنِي

অনেক মানুষ আমাকে দাফন দেবার জন্য তাদের প্রাত্যহিক কাজকর্ম কিংবা সভার সময়সূচী বাতিল করবে,

وَقَدْ يَكُونُ الكَثِيرُ مِنهُم لَمْ يَفَكِّرْ في نَصِيحَتِي يَوماً مِنْ الأيّامِ

কিন্তু দুঃখজনকভাবে অধিকাংশ মানুষ এর পরের দিনগুলোতে আমার এই উপদেশগুলো নিয়ে গভীর ভাবে চিন্তা করবে না,

أَشْيَائِي سَيَتِمُّ التَّخَلُّصُ مِنهَا

আমার (ব্যক্তিগত) জিনিষের উপর আমি অধিকার হারাবো,

مَفَاتِيحِي

আমার চাবির গোছাগূলো,

كِتَابِي

আমার বইপত্র,

حَقِيبَتِي

আমার ব্যাগ,

أَحْذِيَتِي

আমার ‍জুতোগুলো,

وإنْ كانَ أَهْلِي مُوَفِّقِينَ فَسَوفَ يَتَصَدِّقُونَ بِها لِتَنْفَعَنِي

হয়তো আমার পরিবারের লোকেরা আমাকে উপকৃত করার জন্য আমার ব্যবহারের জিনিসপত্র দান করে দেবার বিষয়ে একমত হবে,

تَأَكِّدُوا بِأَنَّ الدُّنيا لَنْ تَحْزَنْ عَلَيَّ

এ বিষয়ে তোমরা নিশ্চিত থেকো যে, এই দুনিয়া তোমার জন্য দু:খিত হবে না অপেক্ষাও করবে না,

وَلَنْ تَتَوَقَّفْ حَرَكَةُ العَالَمِ

এই দুনিয়ার ছুটে চলা এক মুহূর্তের জন্যও থেমে যাবে না,

وَالاِقْتِصَادُ سَيَسْتَمِرُ

অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কিংবা ব্যবসাবাণিজ্য সবকিছু চলতে থাকবে,

وَوَظِيْفَتِي سَيَأتِي غَيرِي لِيَقُومَ بَها

আমার দায়িত্ব (কাজ) অন্য কেউ সম্পাদন করা শুরু করবে,

وَأَمْوَالِي سِيَذْهَبُ حَلَالاً لِلوَرَثِةِ

আমার ধনসম্পদ বিধিসম্মত ভাবে আমার ওয়ারিসদের হাতে চলে যাবে,

بَينَمَا أنا سَأُحَاسِبُ عَليها

অথচ এর মাঝে এই সম্পদের জন্য আমার হিসাব-নিকাশ আরম্ভ হয়ে যাবে,

القَلِيلُ والكَثِيرُ.....النَقِيرُ والقَطمِيرُ......

ছোট এবং বড়….অনুপরিমাণ এবং কিয়দংশ পরিমান, (সবকিছুর হিসাব)

وَإن أَوَّلَ ما مَوتِي هو اِسمِي !!!!

আমার মৃত্যুর পর সর্বপ্রথম যা (হারাতে) হবে, তা আমার নাম!!!

لِذَلكَ عِنْذَما يَمُوتُ سَيَقُولُونَ عَنِّي أَينَ "الجُنَّةُت"...؟

কেননা, যখন আমি মৃত্যুবরণ করবো, তারা আমাকে উদ্দেশ্য করে বলবে, কোথায় “লাশ”?

وَلَن يَنَادُونِي بَاِسمِي....

কেউ আমাকে আমার নাম ধরে সম্বোধন করবে না,

وَعِندَما يُرِيدُونَ الصَّلاةَ عَلَيَّ سِيَقُلُونَ اُحْضُرُوا "الجَنَازَةَ" !!!

যখন তারা আমার জন্য (জানাযার) নামাজ আদায় করবে, বলবে, “জানাযাহ” নিয়ে আসো,

وَلَن يُنَادُونِي يِاسْمِي ....!

তারা আমাকে নাম ধরে সম্বোধন করবে না….!

وَعِندَما يَشْرَعُونَ بِدَفنِي سَيَقُولُونَ قَرِّبُوا المَوتَ وَلَنْ يَذكُرُوا اِسمِي ....!

আর, যখন তারা দাফন শুরু করবে বলবে, মৃতদেহকে কাছে আনো, তারা আমার নাম ধরে ডাকবে না…!

لِذَلِكَ لَن يَغُرَّنِي نَسبِي وَلا قَبِيلَتِي وَلَن يَغُرَّنِي مَنْصَبِي وَلا شَهرَتِي ....

এজন্যই দুনিয়ায় আমার বংশপরিচয়, আমার গোত্র পরিচয়, আমার পদমযার্দা, এবং আমার খ্যাতি কোনকিছুই আমাকে যেন ধোঁকায় না ফেলে,

فَمَا أَتْفَهُ هَذِهِ الدُّنْيَا وَمَا أَعْظَمَ مُقَلِّبُونَ عَليهِ .....

এই দুনিয়ার জীবন কতই না তুচ্ছ, আর, যা কিছু সামনে আসছে তা কতই না গুরুতর বিষয়…

فَيا أَيُّهَا الحَيُّ الآنَ ..... اِعْلَمْ أَنَّ الحُزْنَ عَليكَ سَيَكُونُ على ثَلَاثَةٍ أَنْواعٍ:

অতএব, (শোন) তোমরা যারা এখনো জীবিত আছো,….জেনে রাখো, তোমার (মৃত্যুর পর) তোমার জন্য তিনভাবে দু:খ করা হবে,

1ــ النَّاسُ الَّذِينَ يَعْرِفُونَكَ سَطْحَيّاً سَيَقُولُونَ مِسْكِينٌ

১. যারা তোমাকে বাহ্যিক ভাবে চিনতো, তারা তোমাকে বলবে হতভাগা,

2ــ أَصْدِقَاؤُكَ سَيَحْزُنُونَ سَاعَات أَو أَيَّامَاً ثُمَّ يَعُودُونَ إِلَى حَدِيثِهِم بَلْ وَضَحِكَهُم.....

২. তোমার বন্ধুরা বড়জোর তোমার জন্য কয়েক ঘন্টা বা কয়েক দিন দু:খ করবে, তারপর, তারা আবার গল্পগুজব বা হাসিঠাট্টাতে মত্ত হয়ে যাবে,

3ــ الحُزْنُ العَمِيقُ فِي البَيْتِ سَيَحْزُنُ أَهْلِكَ أُسْبُوعاً.... أُيسْبُوعَينِ شَهراً ....شَهرَينِ أَو حَتَّى سَنَةً وَبَعْدَهَا سَيَضْعُونَكَ فِي أَرْشِيفِ الذَّكَرِيّاتِ !!!

৩. যারা খুব গভীর ভাবে দু:খিত হবে, তারা তোমার পরিবারের মানুষ, তারা এক সপ্তাহ, দুই সপ্তাহ, একমাস, দুইমাস কিংবা বড় জোর একবছর দু:খ করবে। এরপর, তারা তোমাকে স্মৃতির মণিকোঠায় যত্ন করে রেখে দেবে!!!

اِنْتَهَتْ قِصَّتُكَ بَينَ النَّاسِ وَبَدَأَتْ قِصَّتُكَ الحَقِيْقِيّةِ وَهِيَ الآخِرةُ ....

মানুষদের মাঝে তোমাকে নিয়ে গল্প শেষ হয়ে যাবে, অত:পর, তোমার জীবনের নতুন গল্প শুরু হবে, আর, তা হবে পরকালের জীবনের বাস্তবতা,

لَقدْ زَالَ عِندَكَ:

তোমার নিকট থেকে নি:শেষ হবে (তোমার):

1ــ الجَمَالُ

১. সৌন্দর্য্য

2ــ والمَالُ

২. ধনসম্পদ

3ــ والصَحَّةُ

৩. সুস্বাস্থ্য

4ــ والوَلَدُ

৪. সন্তান-সন্তদি

5ــ فَارقَت الدَّور

৫. বসতবাড়ি

6ــ القُصُورُ

৬. প্রাসাদসমূহ

7ــ الزَوجُ

৭. জীবনসঙ্গী

وَلَمْ يَبْقِ إِلَّا عَمَلُكَ

তোমার নিকট তোমার ভালো অথবা মন্দ আমল ব্যতীত আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না,

وَبَدَأَتِ الحَيَاةُ الحَقِيقَيَّةُ

শুরু হবে তোমার নতুন জীবনের বাস্তবতা,

وَالسُّؤَالُ هُنا : ماذا أَعْدَدْتَ لِلقُبَرِكَ وَآخِرَةَكَ مِنَ الآنَ ؟؟؟

আর, সে জীবনের প্রশ্ন হবে: তুমি কবর আর পরকালের জীবনের জন্য এখন কি প্রস্তুত করে এনেছো?

هَذِهِ حَقِيقَةٌ تَحْتَاجُ إلى تَأمَّلٍ

ব্স্তুত: এই জীবনের বাস্তবতা সম্পর্কে তোমাকে গভীর ভাবে মনোনিবেশ করা প্রয়োজন,

لِذَلِكَ أحرصُ عَلى :

এজন্য ‍তুমি যত্নবান হও,

1ــ الفَرَائِضِ

১. ফরজ ইবাদতগুলোর প্রতি

2ــ النَّوَافِلِ

২. নফল ইবাদতগুলোর প্রতি

3ــ صَدَقَةُ السِّرِّ

৩. গোপন সাদাকাহ’র প্রতি

4ــ عَمَلُ الصَّلِحِ

৪. ভালো কাজের প্রতি

5ــ صَلاةُ اللَّيلِ

৫. রাতের নামাজের প্রতি

لَعَلَّكَ تَنْجُو....

যেন তুমি নিজেকে রক্ষা করতে পারো….

إِنْ سَاعَدْتَ عَلى تَذْكِيرِ النَّاسِ بِهَذِهِ المُقَالَةِ وَأنتَ حَيُّ الآنَ سَتَجِدُ أَثَرَ تَذكِيرِكَ في مِيزَانِكَ يَومَ القِيامَةِ بِإِذْنِ اللهِ .....

এই লিখাটির মাধ্যমে তুমি মানুষকে উপদেশ দিতে পারো, কারণ তুমি এখনো জীবিত আছো, এর ফলাফল আল্লাহ’র ইচ্ছায় তুমি কিয়ামত দিবসে মিজানের পাল্লায় দেখতে পাবে,

قال الله تَعالى : ((فَذَكِّرْ فَإِنَّ الذِّكْرَ تَنْفَعُ المُؤمِنِينَ))

আল্লাহ বলেন: ((আর স্মরণ করিয়ে দাও, নিশ্চয়ই এই স্মরণ মুমিনদের জন্য উপকারী))

لِمَاذَا يَخْتَارُ المَيِّتِ "الصَّدَقَةَ لو رَجَعَ للدُّنيا....

তুমি কি জানো কেন মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ প্রদানের আকাঙ্খা করবে, যদি আর একবার দুনিয়ার জীবনে ফিরতে পারতো?

كَمَا قَالَ تَعَالى: ((رَبِّ لَو لا أَخَّرْتَنِي إلى أَجَلٍ قَرِيبٍ فَأَصَّدَّقَ....))

আল্লাহ বলেন: ((হে আমার রব! যদি তুমি আমাকে আর একটু সুযোগ দিতে দুনিয়ার জীবনে ফিরে যাবার, তাহলে আমি অবশ্যই সাদাকাহ প্রদান করতাম….))

ولَمْ يَقُلْ :

তারা বলবে না,

لِأعتَمَرَ

উমরাহ পালন করতাম,

أو لِأُصَلَّي

অথবা, সালাত আদায় করতাম,

أو لِأصُومُ

অথবা, রোজা রাখতাম,

قالَ العُلَماءُ : ما ذَكَرَ المَيِّتُ الصَّدَقَةَ إلا لِعَظِيمِ مَا رَأى مِن أَثَرِها بَعدَ مَوتِهِ

আলেমগণ বলেন: মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ’র কথা বলবে, কারণ তারা সাদাকাহ প্রদানের ফলাফল তাদের মৃত্যুর পর দেখতে পাবে,

فَأَكْثِرُوا مِنَ الصَّدَقَةِ وَمِن أَفضَلِ ما تَتَصَدَّقُ بِهِ الآنَ 10 ثَوَان مِنْ وَقْتِكَ لِنشَرِ هذا الكَلامَ بِنِيَّةِ النَّصْحِ فَالكَلمَةُ الطَّيِّبَةُ صَدَقَةٌ.

আর, গুরুত্ববহ এই সাদাকাহ’র কাজটি তুমি এই কথাগুলো ছড়িয়ে দিয়ে মাত্র ১০ সেকেন্ড সময় ব্যয় করে করতে পারো, যদি তোমার উদ্দেশ্য হয় এর মাধ্যমে মানুষকে উপদেশ প্রদান করা। কারণ, উত্তম কথা হল এক ধরণের সাদাকাহ।।।

আজ সেই ২২ সেপ্টেম্বর!!!১৯৯৩ সালের ২২ সেপ্টেম্বর, মিথ্যা মামলায় আদালতের রায়ে ফাঁসি কার্যকর করা হয় বাকের নামে একজন মাস্...
23/09/2020

আজ সেই ২২ সেপ্টেম্বর!!!
১৯৯৩ সালের ২২ সেপ্টেম্বর, মিথ্যা মামলায় আদালতের রায়ে ফাঁসি কার্যকর করা হয় বাকের নামে একজন মাস্তানের।

কাঠগড়ায় দাঁড়ানো ভয়ার্ত চেহারার বদিকে জিজ্ঞাসা করা হলো, ‘বাকের কি খুন করেছে?’

বদির দু’চোখে পানি টলটল করছে। বদি উকিলের কথায় মাথা নাড়িয়ে ‘হ্যাঁ’ উত্তর দেয়। উকিল আরো উচ্চস্বরে বলে, ‘মাথা না নাড়িয়ে মুখে শব্দ করে সবাইকে শুনিয়ে বলুন।’

বদি সেদিন মিথ্যা সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে বলেছিলো, ‘জ্বিহহ!’

সেদিন ছিলো ৩১ আগস্ট, ১৯৯৩ সাল। মঙ্গলবারের একটি বিষাদময় সন্ধ্যা। বাংলা নাটকের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক দিন। সেদিনের কথা স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে অভিনেতা আবদুল কাদের (বদি) বলেন, ‘সেদিন নাটকের সেটে আমি সত্যিহ কান্না করছিলাম। এর জন্য আমার আলাদা কোনো মেকাপ এর দরকার হয়নি। হুমায়ূন ভাই নাটকের দৃশ্যপট এমনভাবে তৈরী করেছিলেন যে আমার চোখে তখন আপনাআপনি পানি এসে যায়।’

এরপর শুরু হয় এক অবিস্মরণীয় ইতিহাস। একটি নাটকের কাল্পনিক চরিত্রের জন্য সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। ঢাকা শহর সহ সারা বাংলাদেশের রাজপথে সাধারণ মানুষ মিছিলে স্লোগান ধরে,
‘বাকের ভাই এর কিছু হলে,
জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে।
‘বাকের ভাই এর ফাঁসি কেন,
কুত্তায়ালী জবাব দে।

‘কোথাও কেউ নেই’ ধারাবাহিকের শুটিংয়ে
সন্ধ্যা হলেই শহরের মানুষ বিভিন্ন জায়গা থেকে শাহবাগে জড়ো হয়ে যেতো। সেখান থেকে মিছিল টি.এস.সি, নিউমার্কেট, সাইন্সল্যাব হয়ে ঘেরাও করা হতো রমনা থানা। একটি কাল্পনিক নাটকের জন্য বাস্তব জীবনে মানুষ থানা ঘেরাও করছে এসব ভাবাও যেন অকল্পনীয়!

যাইহোক, তখনকার দিনে এখনকার মত একবারে অনেকগুলো নাটক পর্ব শুটিং করে টিভিতে রেকর্ড সম্প্রচার করা হতো না। প্রতি পর্ব প্রচারিত হওয়ার পর পরবর্তী পর্বের শুটিং করা হতো। হুমায়ূন আহমেদ ছিলেন এসব বিষয়ে আরো সচেতন। কারণ তিনি একটি পর্ব প্রচার করার পর পরবর্তী পর্ব নিজের মত করে আরো সুনিপণ দক্ষতায় তৈরী করতেন।

শেষ পর্বের আগে আরেকটি পর্ব প্রচারিত হয় সেপ্টেম্বরের সাত তারিখ। সেই পর্বে অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যায় বাকের ভাই এর ফাঁসি হতে যাচ্ছে। মানুষের মাঝে এ নিয়ে আর সংশয় ছিলো না।

এরপর ঢাকা শহরে রাজপথে শুরু হয় আরো তুমুল আন্দোলন। সাধারণ জনগণ কিছুতেই বাকের ভাইয়ের ফাঁসি মেনে নিবে না। তাদের এই আন্দোলন, মিছিল ঠেকাতে রীতিমত পুলিশের ব্যবহার করা হয়। তবু উত্তেজিত জনতাকে কিছুতেই যেন থামানো যাচ্ছিলো না। উল্টো তারা স্লোগান ধরে,
‘বদি তোমার চামড়া,
তুলে নিবো আমরা।’

নাটকের শেষ পর্ব প্রচারিত হওয়ার কথা ছিলো সেপ্টেম্বরের ১৪ তারিখ। কিন্তু সেদিন আর নাটকটি সম্প্রচারিত হয়নি। কারণ নাটকের শুটিংই করা হয়ে উঠেনি। সাধারণ মানুষের তোপের মুখে হুমায়ূন আহমেদ তখন বাসা থেকে বের হতে পারতেন না। অনেকটা বাসায় নির্বাসিত জীবন শুরু করে দিয়েছিলেন।

রাজপথের পরিস্থিতি সত্যিই অনেক খারাপ হতে থাকে। সেইসময় সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রাণলয়ের দায়িত্বে ছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া নিজে। তিনি তার প্রেস সচিবকে দিয়ে নাটকের পরিচালক বরকত উল্লাহ সাহেবকে অনুরোধ করেন বাকের ভাইকে যেন ফাঁসি না দেওয়া হয় কিংবা শেষ পর্ব যেন প্রচার করা না হয়।

পরিচালক বরকত উল্লাহ সাহেব বিষয়টি নিয়ে হুমায়ূন আহমেদের সাথে আলোচনা করে। এছাড়াও হুমায়ূন আহমেদের অনেক ঘনিষ্ঠজন হুমায়ূন আহমেদকে একই বিষয়ে অনুরোধ করেন।

কিন্তু হুমায়ূন আহমেদ তার সিদ্ধান্তে ছিলো অটল। তিনি সাফ সাফ জানিয়ে দেন, ‘আমি আমার জন্য নাটক বানাই। দর্শক শুধু সেটা উপভোগ করে মাত্র। আমি যদি দর্শকের কথা ভেবে নাটক বানাতাম তাহলে এই নাটক আরো পাঁচ বছর কন্টিনিউ করতে পারতাম। কিন্তু তাহলে কি আজকে বাকেরের জন্য দর্শকের যে ভালবাসা জন্ম নিয়েছে, সেই ভালবাসাটা থাকতো? আমি আমার জন্য নাটক সৃষ্টি করি বলেই সেটা দর্শক সেটা কাছে টেনে নিতে পারে। নাটকের শেষ পরিণতি যা আছে সেটাই শুটিং হবে এবং সম্প্রচারিত হবে।’

অবশেষে হুমায়ূন আহমেদ গোপনে নাটকের শুটিং সম্পন্ন করেন। টিভিতে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিলো ২১ সেপ্টেম্বর ‘কোথাও কেউ নেই’ নাটকের শেষ পর্ব প্রচারিত হবে। হুমায়ূন আহমেদ সেদিন কাদেরকে (বদি) নিয়ে সেদিন বাসা থেকে অন্য কোথাও চলে গিয়েছিলেন। কারণ তার বাসা সাধারণ জনগণ ঘিরে ফেলেছিলো। বাসায় রীতিমত ইট-পাটকেল দিয়ে ঢিলও ছোড়া শুরু করে।

সন্ধ্যা নামার পর পুরো ঢাকা শহর জুড়ে পিনপন নীরবতা। রাজপথে কোনো মানুষ নেই। এ যেন অলিখিত এক কারফিউ। সবাই টিভি সেটের সামনে গম্ভীর মুখে অপেক্ষার প্রহর গুণছে।

নাটকে শেষবারের মত বাকের ভাই মুনার হাত ধরে দু’জনে অঝোরে কাঁদতে লাগলো। মুনা সারারাত জেগে বাকের ভাই এর লাশের জন্য অপেক্ষার প্রহর গুণতে লাগলো। সবশেষে বাকের ভাইয়ের লাশ জেল ফটক দিয়ে বেরিয়ে আসে!

সেদিন টিভি সেটের সামনে থাকা কোনো মানুষ নিজের চোখের পানি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে নি। কেউ মনে মনে কাঁঁদছিলো, কারো চোখের কোণায় পানি, কেউ অঝোরে কাঁদছিলো, কেউ হাউমাউ করেই কান্না শুরু করেছিলো সেদিন। মনে হচ্ছিলো দেশের মানুষ এক বাস্তব জীবনের হিরোকে হারিয়ে ফেলেছে।

‘কোথাও কেউ নেই’ খল অভিনেত্রী কুত্তায়ালীকে মানুষ এখন ও ঘৃণা করে। আর বাকেরের বন্ধু বদিকে মীর জাফর বলে।

সংগ্রহীত

Address

Jopsa, Naria
Shariatpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shaheed Abdus Samad High School posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category