Md.Monzurol Bashar Richard

Md.Monzurol Bashar Richard Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Md.Monzurol Bashar Richard, Tutor/Teacher, Sakhipur, Bhedorganj, shariatpur.

19/09/2024
প্রখ্যাত মার্কিন লেখক আর্নেস্ট হেমিংওয়ের লেখা শ্রেষ্ঠ উপন্যাস হলো ‘দ্য ওল্ড ম্যান অ্যান্ড দ্য সি’। ১৯৫২ সালে প্রকাশিত বই...
13/09/2024

প্রখ্যাত মার্কিন লেখক আর্নেস্ট হেমিংওয়ের লেখা শ্রেষ্ঠ উপন্যাস হলো ‘দ্য ওল্ড ম্যান অ্যান্ড দ্য সি’। ১৯৫২ সালে প্রকাশিত বইটির জন্য লেখক নোবেল ও পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছেন। সারা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ বইটি বিভিন্ন ভাষায় পড়েছেন। এটি একটি উপন্যাস হলেও এর মধ্যে রয়েছে জীবনদর্শন ও নানা শিক্ষা। বইটি পড়ে শিক্ষাগুলো লিখেছেন এম এম মুজাহিদ উদ্দীন।

কখনো হাল ছাড়বেন না:

‘মানুষ পরাজয়ের জন্য সৃষ্টি হয়নি। তাকে ধ্বংস করা যায়, কিন্তু পরাজিত করা যায় না।’ এটাই বইটির মূল প্রতিপাদ্য বিষয়। সারা জীবন পূর্ণ উদ্যমে স্বপ্ন নিয়ে বাঁচুন, কখনো হাল ছাড়বেন না, কখনো আত্মসমর্পণ করবেন না। সান্তিয়াগোর কাছে একটি পুরোনো ভাঙা নৌকা এবং বৃদ্ধ সান্তিয়াগোর ভাঙা দেহ ছাড়া আর কিছুই ছিল না। তিনি বৃদ্ধ হলেও হাল ছাড়েননি। টানা ৮৪ দিন কোনো মাছ ধরতে পারেননি, তবু প্রতিদিন সমুদ্রে মাছ ধরতে গেছেন। মনে একরাশ স্বপ্ন ছিল, তিনি একদিন সমুদ্রের সবচেয়ে বড় ও সুন্দর মাছটি ধরবেন। ৮৫তম দিনে তাঁর বড়শিতে ধরা পড়ল এক বিশাল আকৃতির মাছ।
সফলতা হলো দৃষ্টিভঙ্গি:
সফলতার প্রকৃত অর্থ কী, তা হেমিংওয়ে আমাদের ভাবতে বাধ্য করেন। সফলতা কি সমাজের উঁচু পদ–পদবি, অনেক টাকার মালিক হওয়া নাকি অন্য কিছু? সান্তিয়াগো সামাজিক মর্যাদার সর্বনিম্ন প্রান্তে ছিলেন। তিনি গরিব ছিলেন, কিন্তু তাঁর ছিল জীবনদর্শন। তাঁর কাছে সফলতার অর্থ ছিল মূল্যবোধ অনুযায়ী জীবন যাপন করা। তিনি সততা ও কঠোর পরিশ্রমের মতো গুণাবলি অনুসরণ করে জীবন যাপন করতে পছন্দ করতেন। তিনি সাফল্যের জন্য কারও কাছে হাত পাতেননি, বরং তিনি কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি নিজের ব্যর্থতা ও ভুল স্বীকার করেছেন এবং সফলও হয়েছেন।
যা আছে তার জন্য কৃতজ্ঞ হোন:
আমরা শুধু ব্যর্থতার হিসাব করি। আমার এটা নেই, সেটা নেই প্রভৃতি কথা বলি। কিন্তু যা আমাদের আছে, তা নিয়ে খুব একটা কৃতজ্ঞ হই না। আমাদের উচিত যা আছে, তার জন্য কৃতজ্ঞ থাকা এবং সেগুলোর যথাযথ ব্যবহার করা। মুক্তিযুদ্ধের সময়ও আমাদের তেমন কিছু ছিল না। দৃঢ় মনোবল নিয়ে যা ছিল, তা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ায় বিজয় অর্জিত হয়েছে। ঠিক তেমনি উপন্যাসে সান্তিয়াগোর পৃথিবী খুবই কঠিন ছিল। তাঁর একমাত্র জীবিকার উৎস ছিল সমুদ্রে মাছ ধরা। তিনি অত্যন্ত গরিব ছিলেন, ঠিকমতো খাবার খেতে পারতেন না। তাঁর বন্ধু ম্যানোলিন মাঝেমধ্যে তাঁর জন্য খাবার নিয়ে আসতেন।
অন্যের কথায় কান না দেওয়া:
আপনি নিজেই নিজের বস হোন। আপনাকে নিয়ে অন্য কে কী ভাবল, এসব ভেবে সময় নষ্ট করবেন না। ছোট জেলেরা তাঁর দিকে তাকিয়ে হাসত এবং বড়রা তাঁর জন্য করুণ চোখে দুঃখ প্রকাশ করত, কিন্তু সান্তিয়াগো এতে কান দেননি। পাত্তা না দিয়ে আপন মনে নিজের কাজটি করে গেছেন। কেননা তিনি জানতেন, যা করছেন তা ঠিকই করছেন। তাঁর মনে ছিল স্বপ্ন। একদিন তিনি স্বপ্নকে স্পর্শ করেন।
শুধু ভাগ্যের আশায় বসে না থাকা:
ভাগ্যে বিশ্বাস করা উচিত। তবে কাজ না করে শুধু ভাগ্যের ওপর নির্ভর করা ঠিক নয়। কঠোর পরিশ্রম করুন, অধ্যবসায়ী হোন। দেখবেন, ভাগ্য একদিন আপনার পদধূলি নেবে। সান্তিয়াগো ভাগ্যের ওপর নির্ভর করে বসে ছিলেন না। তিনি কঠোর পরিশ্রম করেছেন। এরপর যখন সুযোগ আসে, তখন তার জন্য প্রস্তুত থেকে নিজের ভাগ্য নিজে তৈরি করেছেন। ৮৪ দিন মাছ ছাড়া থাকার পরও তিনি কঠোর পরিশ্রম করতে থাকেন এবং চেষ্টা চালিয়ে যান। সান্তিয়াগো সফলতার জন্য শর্টকাট পথ বেছে নেননি, বরং তিনি কঠোর পরিশ্রম করে গেছেন। তবে এটা ঠিক, শুধু কঠোর পরিশ্রম করলেই হবে না; স্মার্টলি কঠোর পরিশ্রম করতে হবে।
অভিযোগ না করা:
সকালের ঠান্ডায় বুড়ো সান্তিয়াগো কাঁপছিলেন। কিন্তু তিনি জানতেন, তিনি নিজেকে উষ্ণ করে তুলবেন। সে জন্য তিনি শিগগির নৌকা চালাতে শুরু করবেন। তার আগপর্যন্ত সান্তিয়াগো ঠান্ডায় কষ্ট সহ্য করেছেন। কিন্তু তিনি প্রচেষ্টা থামাননি। এমনকি যখন তিনি ঠান্ডা, ক্ষুধা, তৃষ্ণায় মৃত্যুর মুখোমুখি হন, তখনো তিনি কেবল যা করা দরকার তা–ই করেছিলেন। তিনি কখনো অভিযোগ করেননি। নিজের প্রতি করুণা দেখাননি, তিনি কেবল ব্যবস্থা নিয়েছিলেন। একবার মাছ ধরার লাইন থেকে তাঁর হাত কেটে যায়। কিন্তু তা তাকে দমাতে পারেনি। তিনি বসে বসে কান্না না করে নিজের কাজ করে গেছেন।[কপিকৃত]

-দৈনিক আজকের পত্রিকা
©এম এম মুজাহিদ উদ্দীন

06/09/2024
মিডিয়ায় না আসা শরিয়তপুরের শহীদ শাহজালাল রাড়ীঃ---------------------------------------------------------------------------...
31/08/2024

মিডিয়ায় না আসা শরিয়তপুরের শহীদ শাহজালাল রাড়ীঃ
------------------------------------------------------------------------------- গত ২০জুলাই,২০২৪ খ্রি. শনিবার মানিক নগর বিশ্বরোড, ঢাকায় সন্ধ্যায় বাসার পাশে মসজিদে নামাজ পড়ে কারফ্যু দেখার জন্য দাড়িয়েছিল বা বাসায় আসতেছিলো । কিছু বুঝে উঠার আগেই হঠাৎ দূর থেকে এক ব্রাশ ফায়ারে ৪ জন মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। সাথে সাথেই চারজনের মৃত্যু। উপস্থিত লোকদের শুধু বলতে পেরেছিলো ওমকের বাড়িতে ভাড়া থাকে। পরিবার মসজিদের ইমামের মাধ্যমে চারজনের তিন জনকে গোসল করান আর একজনের লাশ (ছাত্র) তার পরিবার নিয়ে যান। আর্থিক অসচ্ছলতা এবং হয়রানির ভয়ে কারফিউর মধ্যেই লাশ শরিয়তপুরের ভেদরঞ্জের সখিপুরের বাড়িতে নিয়ে আসেন কোন পোস্টমর্টেম ছাড়াই। নাম - শাহজালাল রাড়ি,আনন্দ বাজার,আসাদ পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের পাশে, সখিপুর, ভেদরগঞ্জ, শরিয়তপুর। আনন্দ বাজার মসজিদের কবরস্থানে সমাহিত করা হয়। তাদের পরিবারের অন্য সদস্যরা এখানে থাকলেও ৬/৭ কিলোমিটার দূরে মাইট্যা কান্দি,বালার বাজারের কাছে শাহজালালের বাবা বাড়ি করেন । শাহজালাল ঢাকায় মিস্টি সাপ্লাই দিতেন এবং স্ত্রী সন্তান সহ ঢাকায় থাকতেন। শশুড়বাড়ি সখিপুর বাজারের পাশে মাতবর কান্দি। আর কোন তথ্য কেউ জানলে কমেন্টে লিখতে পারেন।

30/08/2024

৫০ বছরের ঘুণে ধরা রাষ্ট্রকে তরুণদের কাছে এক সপ্তাহে চকচকে করার প্রত্যাশা বোকামি। তাদের কাজ নিয়ে প্রথম কমেন্ট ৩ মাস পরে করা উচিৎ। আর সকলের সহযোগিতা করা উচিৎ।

28/08/2024

Logo
Sugges
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য (ভিসি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান।

ঢাবির নতুন উপচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খানকে নিয়ে তার পরিচিত এক সচিবের দেয়া একটা পোস্ট।

মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) রাতে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে মোরশেদ জামান তার ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট দেন। তার দেয়া পোস্টটি হুবহু ধরা হলো—

আমার নিয়াজ ভাই

সিলেট এমসি কলেজ থেকে আম্মা চট্টগ্রাম কলেজে বদলি হয়ে এলেন সত্তর দশকের শেষ দিকে। চট্টগ্রাম কলেজের ঠিক উল্টো পাশেই রাস্তার ওপারে- চট্টগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। সেখানে ভর্তি হলাম। কলেজিয়েট, মুসলিম হাই স্কুলের সুনাম তখন চট্টগ্রাম শহরে সবচেয়ে বেশি। ওদিকে শত বছরের পুরোনো স্কুল হলেও মাত্রই জুনিয়র স্কুল থেকে হাই স্কুল হওয়া আমাদের স্কুল ধারে ভারে খানিক পিছিয়ে ।

এই চ্যালেঞ্জের মাঝেই এসএসসির প্রথম ব্যাচ ভালো রেজাল্ট করলো। এ ব্যাচের সবচেয়ে খ্যাতিমান ছাত্র সম্ভবত শহীদ মাহমুদ জঙ্গী ভাই। যিনি দেশের সেরা গীতিকারদের একজন হিসেবে নাম কুড়িয়েছেন। স্যার-ম্যাডামরা গল্প করতেন আবদুল্লাহ আল মুতী শরফুদ্দীন স্যার এই স্কুলের ছাত্র। সেরকম সুনাম এ স্কুলের জন্য পরে আর কে বয়ে আনবে?

আরও পড়ুনঃ আসিফকে বাসায় ডেকে নিলেন শফিক রেহমান
তখনও চট্টগ্রাম বোর্ড হয়নি। কুমিল্লা বোর্ড থেকে আর্টসে চল্লিশ হাজার ছেলে পরীক্ষা দিলে চল্লিশ জন ফার্স্ট ডিভিশন পাওয়াও ছিল তখন মুশকিলের ব্যাপার। এমন সময় এসএসসিতে স্কুলের সেকেন্ড ব্যাচ কাঁপিয়ে দিল। হিউম্যানিটিস এ কুমিল্লা বোর্ডের মেধা তালিকায় ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ না, কুমিল্লা জেলা স্কুল না, কলেজিয়েট তো নয়ই- মেধা তালিকায় প্রথম হয়ে বসে আছে আমাদের স্কুল। বোর্ড কাঁপানো ছাত্রের নাম নিয়াজ আহমেদ খান।

গর্বে আমাদের বুকের ছাতির মাপ বেড়ে গেলো অনেক। কিন্তু ভয়ানক কড়া মোস্তফা নূরুল করিম স্যার আমাকে ডেকে বললেন ‘থার্ড ব্যাচে তোকে নিয়ে আশা। নিয়াজকে ফলো কর। নাহলে তোরে শেষ করে দেবো!’

বললেই হলো? আগরতলা আর চৌকিরতলা এক?

আমি হলাম পরের ব্যাচে বোর্ডে ফিফথ। বন্ধুরা বললো, ‘ভালো রেজাল্ট, স্যাররা মুখ ভার করে রইলেন। কি সর্বনাশ করলেন নিয়াজ ভাই আমার!’

গেলাম চট্টগ্রাম কলেজে। নিয়াজ ভাই আমার এক ব্যাচ সিনিয়র। আম্মার ডিরেক্ট ছাত্র আমরা দুজন। এইচএসসি তে নিয়াজ ভাই বোর্ডে ফার্স্ট। আমার উপর আবার চাপ! পরের বছর আমি বোর্ডে ফোর্থ। নিয়াজ ভাই’ র সাথে কি করে পারা যায়?

আরও পড়ুনঃ ফেনীতে বন্যার্তদের উদ্ধারে গিয়ে প্রাণ হারালেন সাগর
গেলাম ভার্সিটিতে। নিয়াজ ভাই পাবলিক এডে, পরের বছর আমি পলিটিক্যাল সায়েন্স এ। নিয়াজ ভাই আমার বন্ধু লে. কর্নেল (অব) ইরশাদকে নিয়ে বার করলেন পত্রিকা ‘ইউনিভার্সিটি ম্যাগাজিন’। তাঁকে ফলো করে আমি বার করলাম – ‘এসো’।

অনার্স এ নিয়াজ ভাই ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট। পরের বছর আমার ডিপার্টমেন্টে আমি তিন নম্বরের জন্য ফার্স্ট ক্লাস হারিয়ে সেকেন্ড ক্লাস ফার্স্ট। মাস্টার্সে যথারীতি উনি ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট। পরের বছর আমিও তাই। ঐ একটি বার জীবনে আমি তাঁকে ছুঁতে পেরেছিলাম। উনি ভার্সিটিতে জয়েন করলেন। আমি পরের বছর ভার্সিটিতে জয়েন করেও চলে এলাম সিভিল সার্ভিসে। মেধা চর্চার ইতি হলো আমার।

নিয়াজ ভাই ছুটেই চললেন—ওয়েলস থেকে পিএইচডি করলেন, অক্সফোর্ড থেকে পোস্ট ডক করলেন, অসাধারণ সব রিসার্চ করে দেশ বিদেশে খ্যাতিমান হলেন ঢাকা ভার্সিটিতে এসে দলবাজিমুক্ত রংবিহীন শিক্ষক থেকে সততার সাথে কাজ করে দেশসেরা একাডেমিশিয়ানদের একজন হয়ে গেলেন। একাডেমিয়ার বাইরে সামরিক-অসামরিক আমলাদেরও পড়াতে লাগলেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে। সৎ, ধর্মপ্রাণ, ডাউন টু আর্থ, সুপন্ডিত এই মানুষটি বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করেও ভালো করলেন, প্রাইভেট একটি ইউনিভার্সিটির প্রো ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে প্রশাসনিক দক্ষতারও পরিচয় দিলেন। তাঁর আছে মিডাস টাচ-কোথাও হাত দিলেই সোনা ফলে।

আরও পড়ুনঃ ইলিশ আগে পাবে দেশের মানুষ, পরে রপ্তানি: উপদেষ্টা
আমি সিভিল সার্ভিসে এসে সচিব হওয়ার পরও তাঁর আফসোস-চিরটিকাল তাঁর স্নেহভাজন আমি বখাটে রয়ে গেলাম, পড়ালেখায় তেমন এগোলাম না। তাঁর অধীনে পিএইচডি করার সুযোগ দিলেন-ব্যস্ততার জন্য তাও করা হলো না আমার। তাতে কি আমার জন্য তাঁর স্নেহের ভাণ্ডার কমে? সম্ভব না কখনোই।

শিক্ষক, প্রশাসক, গবেষক, লেখক, সৎ, ধর্মপ্রাণ, রং ও দলবাজিহীন নিয়াজ ভাই প্রাচ্যের অক্সফোর্ডের ভিসি হিসেবে এ যাবৎকালের সেরা চয়েজ। চোখ বন্ধ করে গ্যারান্টি দিচ্ছি—তাঁকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেন।

‘চা – সিঙ্গারা’র ভার্সিটি বদলে যাবে—আমি মোর দ্যান শিওর।

তাঁকে কোনও অভিনন্দন না, সারা জীবনে তিনি যা যা করেছেন, এই নিয়োগ তার সামান্য প্রাপ্তি মাত্র । এ নিয়োগে তাঁর চেয়ে বরং আমাদের দেশের লাভ হলো বেশি।

নিয়াজ ভাইর জন্য দোয়া আর ভালোবাসা। সারাজীবন আপনি আমাদের আইডল। আমাদের গর্বিত করেছেন। এই অভাগা দেশের ‘ফেসবুক পন্ডিতরা’ সহ সবাই যদি আপনাকে সত্যিই কাজ করতে দেয়—আপনি আমাদের আবার আরো অনেক গর্বিত করবেন ইনশাআল্লাহ।

আমি তখন আরো লেখাপড়া না করার দুঃখ সত্যিই ভুলে যাবো। মূর্খ আমার তাতেই পিএইচডি হয়ে যাবে। আমাদের আইডল প্রিয় নিয়াজ ভাই, নক্ষত্রে হয়ে জ্বলতেই থাকুন বরাবরের মত।

Address

Sakhipur, Bhedorganj
Shariatpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md.Monzurol Bashar Richard posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category