বাংলা বিভাগ, গণ বিশ্ববিদ্যালয়

বাংলা বিভাগ, গণ বিশ্ববিদ্যালয়

Share

Department of Bangla. Gono Bishwabidalay (GB)

12/05/2026

বিষয়ের শিরোনাম: কালিদাসের "মেঘদূত কাব্যের মূল বিষয়বস্তু ✅

একদম সহজ ভাষায়✅✅✅

কালিদাসের 'মেঘদূত' একটি বিখ্যাত সংস্কৃত গীতিকাব্য, যা বিরহ-বধুর যক্ষের মেঘকে দূত করে প্রেমিকার কাছে বার্তা পাঠানোর কাহিনী বর্ণিত হয়েছে।

কাব্যটি দুটি অংশে বিভক্ত:

১/ পূর্বমেঘ এবং ২/ উত্তরমেঘ

পূর্বমেঘে যক্ষের নির্বাসন ও রামগিরি পর্বতে অবস্থানের বর্ণনা আছে, আর উত্তরমেঘে যক্ষ তার প্রেমিকার কাছে বার্তা পাঠায়।

'মেঘদূত' কাহিনীর সারসংক্ষেপ: ✅

১/ কুবেবের (ধনদেবতার) আদেশে যক্ষ রামগিরি পর্বতে এক বছরের জন্য নির্বাসিত হয়।

২/ অভিশপ্ত যক্ষ বিরহে কাতর হয়ে আষাঢ় মাসের মেঘকে দূত করে তার প্রেমিকার কাছে বার্তা পাঠাতে মনস্থ করে।

৩/ পূর্বমেঘে যক্ষ মেঘকে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দৃশ্য ও স্থানের বর্ণনা দেয়, যা তার প্রেমিকার আবাসস্থলে যাবার পথে পড়ে।

৪/ উত্তরমেঘে যক্ষ মেঘকে তার প্রেমিকার কাছে বার্তা পৌঁছে দিতে এবং তার বিরহের কথা জানাতে বলে।

👉✅এই কাব্যের মূল বিষয় হল বিরহ-বেদনা এবং মিলনাকাঙ্ক্ষা। কালিদাসের লেখনীতে বিরহের করুণ সুর এবং প্রকৃতির মনোমুগ্ধকর চিত্রায়ন 'মেঘদূত' কে একটি কালজয়ী সৃষ্টিতে পরিণত করেছে।

মেঘদূত’ কাব্যের মূল চরিত্রে আছে যক্ষ এবং তার পত্নী। তাদের নিবাস অলকানগরীতে। যক্ষ ছিল কুবেরের সেবায় নিয়োজিত এক সেবক এবং ধনপতি কুবেরের বাগান দেখাশোনা করত। কিন্তু একদিন হাতির পাল সেই বাগানে ঢুকে বাগান নষ্ট করে দেয়। আর এ কারণে যক্ষ তার প্রভু কুবেরের শাপপ্রাপ্ত হয়ে নির্বাসিত হয় রামগিরিতে।

তস্মিন্নদ্রৌ কতিচিতবলাবিপ্রযুক্তঃ স কামী 😟

নীত্বা মাসান্‌ কনকবলয়ভ্রংশরিক্তপ্রকোষ্ঠঃ।🤨

আষাঢ়স্য প্রথমদিবসে মেঘমাশ্লিষ্টসানুং 🥱

বপ্রক্রীড়াপরিণতগজপ্রেক্ষণীয়ং দদর্শ॥🙆‍♂️

প্রিয়ার বিরহে যক্ষের নির্বাসিত সময় কাটতে থাকে রামগিরিতে। ঋতু পাল্টে আসে আষাঢ় মাস। আষাঢ়ের প্রথম দিবসে মেঘের আগমনে প্রকৃতির নিয়মেই যক্ষের মন আকুল হয়ে ওঠে তার প্রিয়ার জন্য। বিরহী যক্ষ তখন মেঘের কাছে অনুনয় জানায়, তার সন্দেশ অলকানগরীতে তার প্রিয়ার কাছে পৌঁছে দেবার। আর যক্ষপ্রিয়ার কাছে মেঘকে দূত করে সন্দেশ পাঠানোর কাহিনীকে উপজীব্য রচিত হয়েছে সংস্কৃত সাহিত্যের বহুল সমাদৃত কাব্য মেঘদূত।

১১৮টি শ্লোক বিশিষ্ট কবি কালিদাস মেঘদূত কাব্য রচনা করেছেন এবং দু’টি খণ্ডে ভাগ করেছেন; উত্তরমেঘ ও পূর্বমেঘ।

👉পূর্বমেঘঃ
পূর্বমেঘের প্রথম অংশে মেঘদূত কাব্যের ঘটনাপ্রবাহের আরম্ভ, এ অংশেই দেখা মিলবে মেঘদূত কাব্যের নায়ক যক্ষের সাথে। এরপর পর্যায়ক্রমে এসেছে তার প্রেয়সী এবং অলকানগরীর কথা। সদ্য বিবাহিত যক্ষ আর তার পত্নীর নিবাস অলকানগরীতে। এরপর কাহিনীর মোড় নিতে আগমন হয়েছে যক্ষের প্রভু ধনদেবতা কুবেরের। ঘটনাপ্রবাহে যক্ষ নির্বাসিত হয় রামগিরিতে। আর এখান থেকেই গল্পের মূল অংশ। নির্বাসিত যক্ষ রামগিরি থেকে অলকানগরীতে তার প্রিয়ার কাছে বার্তা পাঠানোর জন্য মেঘের কাছে জানায় আকুল আবেদন।

এই ঘটনার প্রবাহের বিপরীতে পূর্বমেঘের মূল আকর্ষণ হচ্ছে রামগিরি থেকে অলকানগরীর মেঘের যাত্রাপথের বর্ণনা। মেঘ যখন যক্ষের বার্তা নিয়ে অলকানগরীর দিকে যাবে, সে যাত্রাপথের সৌন্দর্য বর্ণিত হয়েছে শ্লোক ১৬ থেকে ৬৪ পর্যন্ত।

পাণ্ডুচ্ছায়োপবনবৃতয়ঃ কেতকৈঃ সুচিভিন্নৈঃ-

নীড়ারম্ভৈর্গৃহবলিভুজামাকুল্গ্রামচৈত্যাঃ।

পূর্বমেঘের এ অংশে কবি অলকানগরীর যাত্রাপথের সৌন্দর্য বর্ণনা দিতে কবি ব্যবহার করেছেন অনিন্দ্যসুন্দর সব উপমা আর ফুটিয়ে তুলেছেন রামগিরি থেকে অলকানগরী পর্যন্ত অখণ্ড ভারতের রূপ।

পূর্বমেঘ পড়তে গিয়ে চোখের সামনে ভেসে উঠবে অলকানগরীর যাত্রাপথে উজ্জয়নী, অবন্তি অথবা বিদিশা নগরীর দৃশ্য। কিংবা কানে বেজে উঠবে রেবা, শিপ্রা ও বেত্রবতী নদীর বহমান জলধারার কলকল ধ্বনি ও ভেসে আসবে নদীর ধারের ভুঁইচাপার সুবাস।

আবার ‘পূর্বমেঘ’ পড়তে পড়তে সন্ধ্যা নামতে পারে বিন্ধ্য, কৈলাস কিংবা দেবগিরি পাহাড়চূড়ায়। আবার কখনও হারিয়ে যাবার সাধ জাগে মেঘের যাত্রাপথের কেতকী বনে। পথিমধ্যে দেখা মিলবে মেঘের ছাঁট পেয়ে আনন্দিত চাতকের দলের সাথে। আর বইয়ের পরতে পরতে মুগ্ধতা ছড়াবে বর্ষার স্নিগ্ধ সতেজ কদমগুচ্ছ।

এভাবেই বহু নগর, পাহাড়, নদী আর বন পেরিয়ে মেঘ পৌঁছায় অলকানগরীতে। তারপর আসে ‘উত্তরমেঘ’-এর পালা।

✅👉উত্তরমেঘঃ

বহু দূর-দূরান্ত পেরিয়ে মেঘ পৌঁছে যায় সেই অলকানগরীতে। পূর্বমেঘ জুড়ে অলকানগরীর যাত্রাপথের বর্ণনার পর দেখা মেলে যক্ষপ্রিয়ার বাড়ির। যার বর্ণনায় পাঠকের মানসপটেও সেই বাড়িটি ভেসে উঠবে অবিকলভাবে।

বাসশ্চিত্রং মধু নয়নয়োর্বিভ্রমাদেশদক্ষং

পুষ্পোদ্ভেদং সহ কিসলয়ৈর্ভূষণানাং বিকল্পান্🙆‍♂️

লাক্ষারাগং চরণকমলন্যাসযোগ্যঞ্চ ষস্যা-

মেকঃ সূতে সকলমবলামণ্ডনং কল্পবৃক্ষঃ। 🥺

মেঘ যখন কুবেরের বাড়ি পৌঁছবে, তখন দেখা মিলবে বাড়ির পাশের উঠোনে থাকা মন্দার গাছটির। আর কিছুদূর পাশেই আসছে পান্নাশোভিত একটি হৃদ, যেখানে তখন ভেসে বেড়াবে হাঁসের দল আর নীলকান্তমনি শোভিত পদ্মের কাণ্ডে ছেয়ে থাকবে পুরো হ্রদ।

এভাবেই অলকাপুরী আর যক্ষের বাসগৃহের বর্ণনার পর দেখা মিলবে যক্ষপ্রিয়ার। যক্ষপ্রিয়ার রূপের বর্ণনায় বিখ্যাত একটি শ্লোক,

তন্বী শ্যামা শিখরিদশনা পক্ববিম্বাধরোষ্ঠী…

হালকা গড়নের ঈষৎ শ্যামলা বর্ণ- এমনভাবেই তার রূপের বর্ণনা শুরু হয়েছে। এরপর বহু উপমা আর রূপে রঞ্জিত হয়েছে যক্ষপ্রিয়া। বিখ্যাত এই শ্লোকটির সৌন্দর্য সংস্কৃত সাহিত্যের সীমানা ছাড়িয়ে স্থান করে নিয়েছে অন্য বহু ভাষার সাহিত্যকর্মে। শুধু সৌন্দর্যের বর্ণনাই নয়, যক্ষের বিরহে বিনিদ্র রজনী পার করে যক্ষপ্রিয়ার মলিন দশাও বর্ণিত হয়েছে দারুণ ভঙ্গিমায়।

এরপর মেঘ পৌঁছে যায় যক্ষপ্রিয়ার কাছে এবং তাকে পৌঁছে দেয় বহু প্রতীক্ষিত যক্ষের বার্তা। এভাবেই প্রেয়সীর কাছে যক্ষের বার্তা পৌঁছানোর মধ্য দিয়েই ‘মেঘদূত’ কাব্যটি এর নামের সার্থকতা পায়।

মেঘদূত আনুমানিক ৩৫০ খ্রিষ্টাব্দে রচিত একটি কাব্য। এটি সংস্কৃত ভাষায় রচিত হওয়ার কারণে অনেকের কাছেই এর পাঠ কিছুটা দুর্বোধ্য মনে হতে পারে। তাই অসাধারণ এ সাহিত্যকর্মের অর্থ বিশ্লেষণ নিয়ে বিভ্রাট এড়াতে পড়তে পারেন বিভিন্ন সাহিত্যিকের অনুবাদ গ্রন্থসমূহ। বুদ্ধদেব বসু, শক্তি চট্টোপাধ্যায়, দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় সহ বহু গুণী কবিসাহিত্যিক গুণ বহুরূপে মেঘদূতকে অনুবাদ করেছেন এবং প্রতিটি অনুবাদের রয়েছে নিজস্ব আবেদন। যে ভাষায়ই হোক না কেন, প্রাচীন সাহিত্যের কালজয়ী এই রচনাটি পাঠকদের কাছে বেশ সুখপাঠ্য হবে।

প্রস্তুতকারক: আলমাস আলিফ 🙋‍♂️

11/05/2026

মাকে নিয়ে চমৎকার মনোভাব ব্যক্ত করেছেন বাংলা বিভাগের অনার্স ৩১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ফাহমিদা আফরিন সূচনা।

10/05/2026

🌼জুলাই, ডিসেম্বর-২০২৬ সেমিস্টারে ভর্তি চলছে!🌼

🪴🪴🪴বাংলা বিভাগে অনার্স ৩৭ তম ব্যাচে জুলাই, ডিসেম্বর -২০২৬ সেশনে ভর্তি চলছে। ৪ বছর/৮ সেমিস্টার মেয়াদী বিএ (অনার্স) বাংলা কোর্সে মোট শিক্ষা ব্যয় ২,০০,০০০/-(দুই লক্ষ টাকা) ভর্তি ফি ৩,৫০০/- ১ম সেমিস্টারের সেমিস্টার ফি ১৫,০০০/-সহ মোট ১৮,৫০০/-

🎄🎄🎄 বাংলা বিভাগে ১ বছর মেয়াদী মাস্টার্স কোর্স চলমান রয়েছে। জুলাই, ডিসেম্বর- ২০২৬ সেশনে মাস্টার্স ২৫ তম ব্যাচে ভর্তি চলছে। ১ বছর/২সেমিস্টার মেয়াদী মাস্টার্স কোর্সে মোট শিক্ষা ব্যয় ৭৫,০০০/-(পঁচাত্তর হাজার টাকা) ভর্তি ফি ৩৫০০/-১ম সেমিস্টারের সেমিস্টার ফি ৩৫,০০০/-সহ মোট ৩৮,৫০০/-

🪴🪴🪴 অনার্স ও মাস্টার্স প্রোগ্রামে ভর্তির যোগ্যতা:
এসএসসি ও এইচএসসিতে পৃথক ভাবে ২.৫ থাকতে হবে। যদি কারো দুটোতে পৃথক ভাবে ২.৫ না থাকে, সেক্ষেত্রে দুটি মিলে ৬.০০ পয়েন্ট হতে হবে।
👉 কম পয়েন্টদারী শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর
স্কুল ও কলেজে জীবনে অর্জিত বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সার্টিফিকেটের ভিত্তিতে ভর্তির সুযোগ রয়েছে।
👉উন্মুক্ত স্কুল, কলেজ/ কারিগরি/ডিপ্লোমাধারী
শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ভর্তির সুযোগ রয়েছে।
👉 মাস্টার্স প্রোগ্রামের ভর্তির নূন্যতম যোগ্যতা অনার্স
পর্যায়ে সিজিপিএ ২.০০ থাকতে হবে।
👉 যে-কোনো শিক্ষাবর্ষের এসএসসি ও এইচএসসি ঊত্তীর্ণ
শিক্ষাথীরা ভর্তি হতে পারবেন।

🌳🌳🌳ভর্তির সময় যা যা প্রয়োজন-
👉এসএসসিও এইচএসসি মূল মার্কশীট ও সার্টিফিকেট
👉এসএসসিও এইচএসসি মার্কশীট ও সার্টিফিকেটের
ফটোকপি
👉স্কুল, কলেজের প্রশংসাপত্রের ফটোকপি
👉আবেদনকারীর ছবি ২ কপি, পিতা-মাতার ছবি ১ কপি
👉জন্মনিবন্ধন বা ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি১ কপি

🪴🪴🪴
বাংলা বিভাগের সুবিধাসমূহ:
✔️ ইউজিসি কর্তৃক অনুমোদিত বাংলা বিষয়ক অনার্স ও
মাস্টার্স প্রোগ্রাম;
✔️ এই বিভাগটি গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের IQAC প্রোগ্রামের
অন্তর্ভুক্ত এবং বিদেশি রিভিউয়ার দ্বারা উত্তীর্ণ 'ভাল' স্কোর
প্রাপ্ত।
✔️ যুগোপযোগী ও আন্তর্জাতিক মানের বাংলা ভাষা
সাহিত্য সংস্কৃতি বিষয়ক কোর্স অভিজ্ঞ, দক্ষ, বিশেষজ্ঞ
শিক্ষকমণ্ডলী দ্বারা পরিচালিত।
✔️ শুদ্ধ বাংলা উচ্চারণ ও আবৃত্তি-চর্চার সুযোগ।

☘️☘️সঙ্গীত, উপস্থাপনা, নাট্যাভিনয় ও নাট্য-পরিচালনার মাধ্যমে প্রতিভা বিকাশের সুযোগ।

🌏 মূল কোর্স বাংলা ভাষা সাহিত্য ও সংস্কৃতির অংশ হিসেবে কাব্য, উপন্যাস, ছোটগল্প, নাটক, প্রবন্ধ, স্মৃতি কথা, ভ্রমণ কাহিনীর সাথে ইংরেজি ৪ সেমিস্টার, আরবি ভাষা ও সাহিত্য শিক্ষা কোর্স, সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্য শিক্ষা কোর্স এবং গণ মাধ্যম ও গণ -যোগাযোগ কোর্সে অধ্যয়নের সুযোগ রয়েছে। এছাড়াও বাংলাদেশের ইতিহাস, ভূগোল, দর্শন, সমাজচিন্তা ও রাষ্ট্রভাবনা, ভাষাবিজ্ঞান, নারী অধ্যয়ন, সাম্প্রতিক বিশ্বনাট্যের বিবর্তনধারা, ফোকলোর, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবন, সংস্কৃতি ও সাহিত্য এ পাঠ্যক্রমে রয়েছে।

✅ অফিস ম্যানেজমেন্ট ও ইন্টারনেট ব্যবহারসহ
কম্পিউটারশিক্ষা কোর্স।

✅ গরীব, মেধাবী, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, এতিম, বেদে ও জেলে
সম্প্রদায়, খোলোয়াড়, সাহিত্যিক মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের
জন্য রয়েছে বিশেষ বৃত্তির সুবিধা।
✅ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনডোর ও আউটডোরে বিভিন্ন ধরনের
বাৎসরিক ক্রীড়া-প্রতিযোগিতা, বার্ষিক সাংস্কৃতিক
প্রতিযোগিতা, সেমিনার, বির্তক অংশ গ্রহণের সুর্বণ
সুযোগ।

✅ প্রতি সেমিস্টারে ক্লাসে ৯০% উপস্থিতি ও ভালো
ফলাফলের ভিত্তিতে ৫০% পর্যন্ত টিউশন ফি রেয়াত।

✅শিক্ষক, গবেষক, সাহিত্যিক, অনুবাদক, কবি, সাংবাদিক, সমালোচক, সরকারি-বেসরকারি চাকুরীজীবি হিসেবে নিজেকে তৈরি করার অপূর্ব সুযোগ।

🪴🪴🪴 শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে লেকচার ক্লাস, টিউটোরিয়াল, সেমিনারে বক্তব্য উপস্থাপন, ফিল্ডওয়ার্ক, রিপোর্টিং এবং বির্তক নাট্যাভিনয়, সংঙ্গীত-শিক্ষা ও আবৃত্তি চর্চার ও ব্যবস্থা রয়েছে। তাই আমাদের বিশ্বাস বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি কোর্স অধ্যয়নে ছাত্রদেরকে যেমন আধুনিক সময়ের একজন সমালোচক, অনুবাদক বা দোভাষী হিসেবে বিশ্বের যে-কোনো জায়গায় পাবে প্রতিষ্ঠা।

✅ ৩২ একর জমির উপর নির্মিত একাডেমিক, প্রশাসনিক
ভবন ও বিশাল খেলার মাঠ।
✅ শ্রেণিকক্ষগুলো আধুনিকায়ন পাঠদান পদ্ধতি;
✅ সার্বক্ষণিক ইন্টারনেট সুবিধা;
✅ সেশনজট মুক্ত শিক্ষাকার্যক্রম;
✅সব চেয়ে কম টাকায় উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের সুবর্ণ
সুযোগ;
সম্মানিত সচেতন অভিভাবক, আপনার সন্তানকে দেশের নামি দামী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পূর্বে আমাদের সাধারণ শিক্ষার্থীদের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে একবার ঘুরে দেখার অনুরোধ জানাচ্ছি।

👎যোগাযোগের ঠিকানা:
নলাম, মির্জানগর, সাভার, ঢাকা-১৩৪৪
01726-213882 (ভর্তি সংক্রান্ত দায়িত্ব প্রাপ্ত শিক্ষক)
01712599105 (বিভাগীয় প্রধান, বাংলা বিভাগ)
01950-003312, 01950-003313
01950-003314 (ভর্তি অফিস)@

09/05/2026

রবীন্দ্রনাথের সন্তানাদি নিয়ে কিছু কথা:

মৃণালিনী দেবী ও রবীন্দ্রনাথ তিন মেয়ে ও দুই ছেলে সহ মোট পাঁচ সন্তানের জনক ও জননী ছিলেন। তাঁদের সন্তানেরা ক্রমানুসারেঃ
বড় মেয়ে মাধুরীলতা দেবী (বেলা), বড় ছেলে রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (রথী), মেঝ মেয়ে রেনুকা দেবী (রানী), ছোট মেয়ে মীরা দেবী (অতসী) ও ছোট ছেলে সমীন্দ্রনাথ ঠাকুর (সমী)।

মাধুরীলতা দেবী (বেলা):

১৮৮৬ সালের ২৫শে অক্টোবর রবীন্দ্রনাথের প্রথম সন্তান মাধুরীলতার জন্ম হয়। কবিগুরু তাঁকে ‘বেলা’ বলেই ডাকতেন আদর করে কখনওবা ‘বেলী’ ও বলতেন। রবীন্দ্রনাথের বিভিন্ন লেখায় বিশেষত পত্র সাহিত্যে ‘বেলী’ নামের উল্ল্যেখ দেখা যায়।
মাধুরীলতা মাত্র পনের বছর বয়সে কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীর তৃতীয় পুত্র শরৎচন্দ্র চক্রবর্তীর সাথে ১৯০১ সালের জুলাই মাসের কোন একদিন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। শরৎচন্দ্র চক্রবর্তী পেশায় একজন আইনজ্ঞ ছিলেন।
মাধুরীলতা দেবী নিঃসন্তান ছিলেন এবং ৩১ বছর ৬ মাস বয়সে ১৬ মে ১৯১৮ সালে যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর শ্বশুরালয়ে মৃত্যুবরন করেন।

রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (রথী):

রবীন্দ্রনাথের দ্বিতীয় সন্তান এবং জ্যেষ্ঠ পুত্র রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর জন্ম গ্রহন করেন ১৮৮৮ সালের ২৭ নভেম্বর। ২১ বছর ২ মাস বয়সে ১৯১০ সালের ২৭ জানুয়ারি প্রতিমা দেবীকে বিয়ে করেন। বিবাহকালে প্রতিমা দেবীর বয়স ছিল সতের বছর। প্রতিমা দেবী ১৮৯৩ সালে জন্মগ্রহন করেন।
প্রতিমা দেবী কিন্তু নীলনাথ মুখোপাধ্যায়ের বিধবা ছিলেন। রথীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাথে প্রতিমা দেবীর এই বিয়ে বিধবা প্রথার বিরুদ্ধে ঠাকুর পরিবারে প্রথম বিধবা বিবাহ। যদিও রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুর পর রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর (রথী) ও প্রতিমা দেবী আলাদা হয়ে যান। তাঁরা নিঃসন্তান ছিলেন কিন্তু একটি কন্যা সন্তান দত্তক নিয়েছিলেন তাঁকে নন্দিনী বলেই ডাকতেন।
রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৪ মে ১৯৫১ থেকে ২২ আগস্ট ১৯৫৩ পর্যন্ত বিশ্ব ভারতী বিস্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন। ১৩ জুন ১৯৬১ সালে ৭২ বছর ৬ মাস বয়সে দেরাদুনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। অন্যদিকে প্রায় ৭৬ বছর বয়সে ১৯৬৯ সালে প্রতিমা দেবী মৃত্যুবরণ করেন।

রেনুকা দেবী (রানী):

রেনুকা দেবী, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের তৃতীয় সন্তান এবং দ্বিতীয় কন্যা। জন্মগ্রহন করেন ২৩ জানুয়ারি ১৮৯১ সালে। তাঁর ডাক নাম ছিল ‘রানী’।
রাণীর জন্মপোলক্ষে লিখেন ‘রাজা ও রাণী’। রাণীর বয়স যখন মাত্র দশ বছর, বড়দিদি মাধুরীলতার বিয়ের দেড় মাসের মধ্যেই তারও বিয়ে হয়ে যায়। কবি তাঁর এই কন্যাটিকে এত কম বয়সে বিয়ে দেয়ার পক্ষপাতি ছিলেননা। কিন্তু মৃনালিনী দেবীর হিসেব ছিল অন্যরকম, সেদিনের সেই গ্রাম্য বালিকা জগৎ-সংসারের নিত্যদিনের হিসেব-নিকেশে খুব পাকা হয়ে উঠেছেন, সংসারের আবর্তে থেকে ততদিনে তিনি বুঝেছেন, এই জগৎ-সংসার সম্পর্কে তাঁর যেটুকু ধারণা, তাঁর স্বামীর ততটুকু ধারণা নেই। তাঁর স্বামী আত্মভোলা, সংসার উদাসী মানুষ, সদা ব্যস্ত থাকেন কবিতা, গান, নাটক রচনায়, সংসারের হাল-হকিকত নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় পান না। এদিকে সঠিক তদারকির অভাবে জমিদারী আয়ও তলানীতে গিয়ে ঠেকেছে, ভাল পাত্রের সন্ধান যখন পাওয়া গেছে, সেটা হাতছাড়া করা হবে চরম বোকামী। তাই সংসার কর্ত্রীর ইচ্ছেতে ১৯০১ সালের আগস্ট মাসের কোন এক দিনে সত্যেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য্যের সাথে রেনুকার বিয়ে হয়ে যায়। বিয়ের পরে অবশ্য রেনুকাকে তার বাবার বাড়ীতেই রেখে দেয়া হয়েছিল, কথা ছিল সংসার করবার মত উপযুক্ত বয়স হলেই স্বামী বাড়ীতে পাঠানো হবে। কিন্ত স্বামী-সংসার শুরু করার পূর্বেই রেনুকা ক্ষয়রোগে( যক্ষ্মা) আক্রান্ত হয়ে ১৯০৩ সালের সেপ্টেমবার মাসের মাঝামাঝি সময়ে মারা যায়। প্রিয়কন্যা ‘রাণীর’ মৃত্যুতে কবি প্রচন্ড মানসিক আঘাতে স্তব্ধ হয়ে গেছিলেন।

মীরা দেবী (অতসী):

মীরা দেবী রবীন্দ্রনাথের কনিষ্ঠা কন্যা। ১৮৯৪ সালের ১২ জানুয়ারী জন্মগ্রহন করেন। তাঁকে অতসী নামেও ডাকা হত। কবি রচনা করেন গীতিনৃত্যনাট্য ‘চিত্রাঙ্গদা’। ছোট কন্যাটির বিয়ে হয় ১৯০৭ সালের ৬ই জুন, নগেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়ের সাথে। মীরাদেবীর দুই সন্তান নীতিন্দ্রনাথ(নিতু) এবং নন্দিতা (বুড়ি)। পুত্র নিতু উচ্চশিক্ষার্থে যখন জার্মানীতে ছিলেন, সেখানেই ছাত্রাবস্থায় ১৯৩২ সালে মাত্র ২০ বছর বয়সে তাঁর মৃত্যু হয়। নিতুও মারা যায় ক্ষয়রোগে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বয়স তখন ৭১ বছর। একমাত্র নাতির মৃত্যুশোকও উনাকে সইতে হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাতনি নন্দিতা’র বিয়ে হয় সাংবাদিক ও লেখক কৃষ্ণ কৃপালিনী মহাশয়ের সাথে। কৃষ্ণ কৃপালিনী মহাশয় তাঁর ‘দাদাশ্বশুর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের’ বায়োগ্রাফী লিখেছিলেন, যা প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৬২ সালে। কৃপালিনী দম্পতীও নিঃসন্তান ছিলেন এবং এই নাতনীটিও দির্ঘজীবি হননি, মাত্র ৫১ বছর বয়সে ১৯৬৭ সালে উনি মারা যান। কন্যা নন্দিতার মৃত্যুর দুই বছর পর, ১৯৬৯ সালে শান্তিনিকেতনের শীতল ছায়ায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সর্বশেষ বংশধর মীরাদেবী, যাঁকে তাঁর পিতা অতসী নামে ডাকতেন, ৭৫ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ।

শমীন্দ্রনাথ ঠাকুর (সমী):

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পঞ্চম এবং সর্বশেষ সন্তানের জন্ম হয় ১৮৯৬ সালের ১২ই ডিসেম্বার। পুত্রের নাম রেখেছিলেন শমীন্দ্রনাথ, ডাকতেন ‘শমি’ বলে। কনিষ্ঠ পুত্রটিকে কবি ভীষণ ভালোবাসতেন। শমি’র জন্মদিনকে স্মরণীয় করে রাখতে কবি রচনা করেন ‘সোনার তরী’। ততদিনে শান্তিনিকেতন নিয়ে কবির সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা চলছে, রথি’র সাথে সাথে শিশু শমি’কেও ব্রহ্মচর্য স্কুলে ভর্তি করিয়ে দিয়েছিলেন। গেরুয়া বসন পড়ে ছোট শমি’কে দেখে কবি পরম আনন্দ লাভ করতেন। শমি’কে লাগতো সেই প্রাচীন মুনি ঋষিদের অনুগত শিষ্যের মত।

ছোড়দিদি মীরা’র বিয়ের সময় শমি অনেক আনন্দ ফূর্তি করেছে। ছোড়দি’র বিয়ের কয়েক মাস পরে শমি বাবার অনুমতি নিয়ে বন্ধুর সাথে কিছুদিন সময় কাটাবে বলে ‘মুঙ্গের’ বেড়াতে যায়। কবি আনন্দের সাথেই অনুমতি দিয়েছেন, কারণ কবি তাঁর বাল্যবয়সেই পিতার হাত ধরে ভারতের দর্শনীয় স্থান ভ্রমন করেছিলেন। মুঙ্গের পৌঁছে বন্ধুর সাথে শমির দিনগুলো আনন্দেই কাটছিল, কিন্তু হঠাৎ করেই সে কলেরায় আক্রান্ত হয় এবং ১৯০৭ সালের ২৩শে নভেম্বার, মাত্র ১১ বছর বয়সে শমি মারা যায়। এবং দিনটি ছিল কবি পত্নীর পঞ্চম মৃত্যু বার্ষিকী, পাঁচ বছর আগে একই দিনে মৃনালিনী দেবী মারা গেছিলেন।

১৯০২ থেকে ১৯০৭, এই পাঁচটি বছর কবির জন্য ছিল চরম ভয়াবহ, শুধুই হারাণো, মানুষ অল্পশোকে হয় কাতর, অধিক শোকে হয় পাথর। আমাদের এই কবি পাঁচ বছরে যা কিছু হারিয়েছেন, তাতে বেদনায় পাথরও মনে হয় গলে গিয়েছিল!
১৯০২ সালে উনার স্ত্রী বিয়োগ ঘটে।
১৯০৩ সালে প্রিয় কন্যা রাণী মারা যায়
১৯০৫ সালে উনার পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যু হয়
১৯০৭ সালে উনার কনিষ্ঠ সন্তান, অতি প্রাণপ্রিয় শমীন্দ্র মারা যায়।

তথ্যসূত্র :
Rabindranath Tagore : A Centenary Volume 1861 – 1961 Published by Sahitya Akademi

পোস্ট সংগ্রহ: Sabyasachi Sarkar
সৌজন্যে: রকি/ বাদুছস

#রবীন্দ্রনাথঠাকুর #বিশ্বকবি #বাদুছস #গিরিধরদে #বাংলাদেশের_দুষ্প্রাপ্য_ছবি_সমগ্র #ইতিহাসেরখোঁজেগিরিধর

09/05/2026

'রবীন্দ্রনাথ বাংলা সাহিত্যের সূর্যকিরণ। সূর্য যেমন আলো দিয়ে অন্ধকার দূর করে, রবীন্দ্রনাথও বাংলা সাহিত্যে একই। রকম'। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মজয়ন্তীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি।

08/05/2026

বাদশাহ আলমগীর—
কুমারে তাঁহার পড়াইত এক মৌলভী দিল্লীর।
একদা প্রভাতে গিয়া
দেখেন বাদশাহ, শাহজাদা এক পাত্র হস্তে নিয়া
ঢালিতেছে বারি গুরুর চরণে,
পুলকিত হৃদে আনত-নয়নে,
শিক্ষক শুধু নিজ হাত দিয়া নিজেরি পায়ের ধুলি,
ধুয়ে মুছে সব করিছেন সাফ্ সঞ্চারি অঙ্গুলি।
শিক্ষক মৌলভী,
ভাবিলেন আজি নিস্তার নাহি, যায় বুঝি তার সবি।
দিল্লীপতির পুত্রের করে
লইয়াছে পানি চরণের পরে,
স্পর্ধার কাজ হেন অপরাধ কে করেছে কোন্ কালে!
ভাবিতে ভাবিতে চিন্তার রেখা দেখা দিল তার ভালে।

হঠাৎ কি ভাবি উঠি
কহিলেন, আমি ভয় করি না’ক, যায় যাবে শির টুটি,
শিক্ষক আমি শ্রেষ্ঠ সবার
দিল্লীর পতি সে তো কোন্ ছার,
ভয় করি না’ক, ধারি না’ক ধার, মনে আছে মোর বল,
বাদশাহ্ শুধালে শাস্ত্রের কথা শুনাব অনর্গল।
যায় যাবে প্রাণ তাহে,
প্রাণের চেয়েও মান বড়, আমি বোঝাব শাহানশাহে।

তার পরদিন প্রাতে
বাদশাহর দূত শিক্ষকে ডেকে নিয়ে গেল কেল্লাতে।
খাস কামরাতে যবে
শিক্ষকে ডাকি বাদশা কহেন, ”শুনুন জনাব তবে,
পুত্র আমার আপনার কাছে সৌজন্য কি কিছু শিখিয়াছে?
বরং শিখেছে বেয়াদবি আর গুরুজনে অবহেলা,
নহিলে সেদিন দেখিলাম যাহা স্বয়ং সকাল বেলা”
শিক্ষক কন-”জাঁহপানা, আমি বুঝিতে পারিনি হায়,
কি কথা বলিতে আজিকে আমায় ডেকেছেন নিরালায়?”
বাদশাহ্ কহেন, ”সেদিন প্রভাতে দেখিলাম আমি দাঁড়ায়ে তফাতে,
নিজ হাতে যবে চরণ আপনি করেন প্রক্ষালন,
পুত্র আমার জল ঢালি শুধু ভিজাইছে ও চরণ।
নিজ হাতখানি আপনার পায়ে বুলাইয়া সযতনে
ধুয়ে দিল না’ক কেন সে চরণ, স্মরি ব্যথা পাই মনে।”
উচ্ছ্বাস ভরে শিক্ষকে আজি দাঁড়ায়ে সগৌরবে
কুর্ণিশ করি বাদশাহে তবে কহেন উচ্চরবে—
”আজ হতে চির-উন্নত হল শিক্ষাগুরুর শির,
সত্যই তুমি মহান উদার বাদশাহ্ আলমগীর।”

শিক্ষাগুরুর মর্যাদা
– কাজী কাদের নেওয়াজ।

Photos from বাংলা বিভাগ, গণ বিশ্ববিদ্যালয়'s post 03/05/2026

ডা.জাফরুল্লাহ চৌধুরী আন্তঃবিভাগীয় ফুটবল (ফুটসাল) প্রতিযোগিতা-২০২৬ সফল ভাবে সমাপ্তি হয়েছে। গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ কর্তৃক আয়োজিত (ফুটসাল) প্রতিযোগিতা মোট ১৭টি বিভাগের অংশ গ্রহণের পাশাপাশি সাবেক শিক্ষার্থীদের (Ex-legend) একটি দল অংশগ্রহণ করেছে। আজকের ছিল চূড়ান্ত পর্বের খেলা। নকআউট সিস্টেমে পরিচালিত এই প্রতিযোগিতায় বাংলা বিভাগ তার শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট অর্জন করেছে। পড়ন্ত বিকেলে উদীয়মান খেলোয়াড়দের নিয়ে শুরু হয় খেলা। বাংলা বিভাগ বনাম সমাজ বিজ্ঞান ও সমাজকর্ম বিভাগে মধ্যকার ১ম পর্বে খেলায় টান টান উত্তেজনা ছিল। ১ম পর্বে ২৫ মিনিট খেলা হওয়ার পর ২য় পর্বের ২৫ মিনিটও গোলশূন্য ড্র হয়। নির্ধারিত সময়ের পর ট্রাইবেকারে মাধ্যমে ৫-৪ গোলো সমাজবিজ্ঞান ও সমাজকর্ম বিভাগকে পরাজিত করে বাংলা বিভাগ। এই খেলার বিশেষত্ব হচ্ছে কোটাধারী খেলোয়াড় অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত দেশের বিভিন্ন ক্লাবে যারা নিয়মিত খেলেন তারা ব্যতিরেক খেলায় সাধারণ ছাত্ররা অংশ গ্রহণ করে। এর ফলে প্রতিটি বিভাগ থেকে অনেক ভালো খেলোয়াড় বের হয়ে আসার সম্ভাবনা তৈরি হবে। আজকের চূড়ান্ত পর্বের খেলায় উপস্থিত ছিলেন গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য মহোদয়, ডীন কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ, বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, ক্রীড়া কমিটির সভাপতি, প্রক্টরিয়াল বডির সদস্য, গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি মৃদুল দেওয়ান, ক্রীড়া সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ শীতল, সহ-ক্রীড়া সম্পাদকসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ। কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি ইয়াসিন আল মৃদুল দেওয়ান বলেন, ভবিষ্যতে তার সংসদ ছাত্রীদের টুনামেন্টে অংশ গ্রহণের নিশ্চিয়তা প্রধান করবে। উপাচার্য মহোদয় উভয় দলের খোলোয়াড়বৃন্দদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। টুর্নামেন্টে উভয়দল চমৎকার খেলা উপহার দিয়েছে। উক্ত প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করেন সম্মানিত অতিথিবৃন্দ। উক্ত প্রতিযোগিতাটি খুবই সাশ্রয়ী ছিল। বাংলা বিভাগের পক্ষে সেরা গোলদাতার পুরস্কার গ্রহণ করেন মাস্টার্স ১ম সেমিস্টারের ছাত্র বুদ্ধেন্দু চাকমা, ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছেন অনার্স ৩য় সেমিস্টারে ইউশা।

01/05/2026
28/04/2026

গকসু কর্তৃক আয়োজিত ডাঃজাফরুল্লাহ চৌধুরী আন্তঃবিভাগীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬
মাইক্রোবায়োলজি বিভাগকে ২-০ গোলো হারিয়ে বাংলা বিভাগ জয় লাভ করেছে। অভিনন্দন! বাংলা বিভাগের সকল ক্রীড়ামোদী দর্শকদের। @

Want your school to be the top-listed School/college in Savar?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address

Nolam, Mirzanagar, Ashulia, Dhaka
Savar
1344

Opening Hours

Monday 08:00 - 16:00
Tuesday 08:00 - 16:00
Wednesday 08:00 - 16:00
Thursday 08:00 - 16:00
Saturday 08:00 - 16:00
Sunday 08:00 - 16:00