বাংলা বিভাগ, গণ বিশ্ববিদ্যালয়

  • Home
  • Bangladesh
  • Savar
  • বাংলা বিভাগ, গণ বিশ্ববিদ্যালয়

বাংলা বিভাগ, গণ বিশ্ববিদ্যালয় Department of Bangla. Gono Bishwabidalay (GB)

বাংলা বিভাগের স্নাতক(সম্মান) ১ম, ২য়,৩য় সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় সভার কিছু চিত্রপট। আজকের মতবিনিময় সভায় উপ...
09/09/2026

বাংলা বিভাগের স্নাতক(সম্মান) ১ম, ২য়,৩য় সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় সভার কিছু চিত্রপট। আজকের মতবিনিময় সভায় উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মতামত শোনারা পাশাপাশি বিভাগের শিক্ষকবৃন্দও আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিল তিনটি -
(ক) শিক্ষার্থীদের ক্লাসে উপস্থিতির হার বৃদ্ধি করা।
(খ) জানুয়ারি, জুন সেশনের ফলাফল পর্যালোচনা।
(গ) জুলাই-ডিসেম্বর সেশনে বাংলা বিভাগে ছাত্র-ছাত্রী
ভর্তি প্রসঙ্গে আলোচনা।

বউ-ঠাকুরানীর হাট — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুররবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঐতিহাসিক উপন্যাসগুলির মধ্যে ‘বউ-ঠাকুরানীর হাট’ একটি উল্লেখযোগ্য ...
08/09/2026

বউ-ঠাকুরানীর হাট — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঐতিহাসিক উপন্যাসগুলির মধ্যে ‘বউ-ঠাকুরানীর হাট’ একটি উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি। ১৮৮৩ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসের পটভূমিতে রয়েছে যশোরের রাজপরিবার, রাজনীতি, পারিবারিক দ্বন্দ্ব, ক্ষমতার সংঘাত, ভালোবাসা, আত্মমর্যাদা এবং মানুষের আবেগের নানা টানাপোড়েন। উপন্যাসটির কাহিনির সঙ্গে ইতিহাসের কিছু উপাদানের যোগ থাকলেও রবীন্দ্রনাথ নিজের কল্পনা ও সাহিত্যিক সৃষ্টিশক্তির মাধ্যমে চরিত্র ও ঘটনাগুলিকে জীবন্ত করে তুলেছেন।
এই উপন্যাসের অন্যতম প্রধান চরিত্র উদয়াদিত্য। তাঁর পাশাপাশি বসন্তরায়, প্রতাপাদিত্য, সুরমা, বিভা প্রমুখ চরিত্র কাহিনিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। রাজপরিবারের ক্ষমতার দ্বন্দ্বের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কের সংঘাত মিলেমিশে উপন্যাসটিকে আকর্ষণীয় করে তুলেছে।
যশোর রাজ্যের পটভূমি
কাহিনির পটভূমি যশোরের রাজপরিবার। সেই সময় বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে ছোট-বড় জমিদার ও রাজাদের মধ্যে ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার প্রতিযোগিতা ছিল। রাজ্য পরিচালনা, প্রভাব বিস্তার এবং রাজনৈতিক কর্তৃত্ব নিয়ে নানা ধরনের সংঘাত দেখা দিত।
যশোরের রাজা প্রতাপাদিত্য ছিলেন শক্তিশালী ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী শাসক। তিনি নিজের ক্ষমতা ও রাজ্যকে সুদৃঢ় করতে চেয়েছিলেন। তাঁর চরিত্রে যেমন সাহস ও দৃঢ়তা ছিল, তেমনই ছিল কঠোরতা ও ক্ষমতার প্রতি প্রবল আকর্ষণ।
কিন্তু রাজপরিবারের সবাই তাঁর মতো ছিলেন না। বিশেষ করে বসন্তরায় ছিলেন কোমল হৃদয়ের, স্নেহশীল ও মানবিক। ফলে প্রতাপাদিত্যের সঙ্গে তাঁর মানসিকতার একটি বড় পার্থক্য তৈরি হয়।
বসন্তরায়ের চরিত্র
বসন্তরায় উপন্যাসের অন্যতম স্মরণীয় চরিত্র। তিনি রাজপরিবারের মানুষ হলেও তাঁর হৃদয়ে ছিল গভীর মানবিকতা।
তিনি ক্ষমতার চেয়ে ভালোবাসাকে বেশি মূল্য দিতেন। মানুষের দুঃখে তাঁর মন কেঁদে উঠত। তিনি রাজপরিবারের তরুণদের স্নেহ করতেন এবং তাঁদের সুখ-শান্তি কামনা করতেন।
উদয়াদিত্যের প্রতিও তাঁর গভীর স্নেহ ছিল।
এই স্নেহের সম্পর্ক পরবর্তীকালে রাজপরিবারের রাজনৈতিক সংঘাতকে আরও বেদনাদায়ক করে তোলে।
উদয়াদিত্য
উদয়াদিত্য ছিলেন রাজপরিবারের যুবরাজ। তাঁর চরিত্রে সাহস ও সংবেদনশীলতার এক সুন্দর সমন্বয় দেখা যায়।
তিনি শুধু রাজক্ষমতা বা সিংহাসন নিয়ে চিন্তা করতেন না। মানুষের প্রতি তাঁর মমতা ছিল। অন্যায় ও অত্যাচার তাঁর মনে কষ্ট সৃষ্টি করত।
এই মানবিকতাই তাঁকে তাঁর পিতার রাজনৈতিক চিন্তাধারা থেকে অনেকটা আলাদা করে দেয়।
প্রতাপাদিত্য যেখানে রাজ্যের শক্তি ও ক্ষমতাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতেন, উদয়াদিত্য সেখানে মানুষের কল্যাণ ও ন্যায়কে গুরুত্ব দিতেন।
ফলে পিতা ও পুত্রের মধ্যে ধীরে ধীরে মতবিরোধ সৃষ্টি হয়।
প্রতাপাদিত্য ও উদয়াদিত্যের দ্বন্দ্ব
প্রতাপাদিত্য চেয়েছিলেন তাঁর পুত্র তাঁর নির্দেশ মেনে চলুক। রাজনীতি ও রাজ্য পরিচালনার ক্ষেত্রে তিনি কোনো ধরনের দুর্বলতা সহ্য করতে পারতেন না।
উদয়াদিত্য আবার অন্যায়কে মেনে নিতে পারতেন না।
এই দুই বিপরীত মানসিকতার সংঘাত থেকেই পারিবারিক অশান্তি শুরু হয়।
উদয়াদিত্য বুঝতে পারছিলেন যে ক্ষমতার জন্য মানুষের জীবন ও সম্পর্ককে তুচ্ছ করা উচিত নয়। কিন্তু তাঁর পিতা মনে করতেন, রাজাকে কঠোর হতে হয়; ব্যক্তিগত আবেগ দিয়ে রাজ্য পরিচালনা করা যায় না।
এই মতপার্থক্য ধীরে ধীরে গভীর হয়ে ওঠে।
সুরমা ও উদয়াদিত্য
উপন্যাসে সুরমা একটি গুরুত্বপূর্ণ নারীচরিত্র। উদয়াদিত্যের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কাহিনিতে কোমলতা ও আবেগ নিয়ে আসে।
সুরমা স্বামীর প্রতি গভীরভাবে অনুরক্ত। স্বামীর সুখ-দুঃখকে নিজের সুখ-দুঃখ বলে মনে করে।
উদয়াদিত্যের জীবনে যখন রাজনৈতিক ও পারিবারিক সংকট ঘনিয়ে আসে, তখন সুরমার মনেও তার প্রভাব পড়ে।
স্বামীর প্রতি ভালোবাসা এবং রাজপরিবারের কঠিন বাস্তবতার মধ্যে তাকে নানা ধরনের মানসিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যেতে হয়।
বিভার আগমন
উপন্যাসে বিভা আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নারীচরিত্র। তার জীবনও রাজপরিবারের রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত।
বিভার চরিত্রে কোমলতা, সরলতা ও আবেগ রয়েছে। সে রাজপরিবারের অন্তর্গত হলেও রাজনীতির কঠোরতা তার স্বভাবের সঙ্গে মানানসই নয়।
রাজপরিবারের পুরুষদের ক্ষমতার দ্বন্দ্বের ফলে নারীদের জীবনেও যে গভীর প্রভাব পড়ে, বিভার জীবন তার একটি উদাহরণ।
রবীন্দ্রনাথ নারীদের দৃষ্টিকোণ থেকেও রাজপরিবারের সংকটকে দেখিয়েছেন।
রাজনীতি ও পারিবারিক সম্পর্ক
‘বউ-ঠাকুরানীর হাট’-এর বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো—এখানে রাজনীতি ও পারিবারিক সম্পর্ক আলাদা নয়।
রাজ্যের ক্ষমতার প্রশ্ন এসে পড়ে পরিবারের সম্পর্কের ওপর। আবার পারিবারিক ভালোবাসা ও বিরোধ রাজনীতিকেও প্রভাবিত করে।
প্রতাপাদিত্যের কাছে রাজ্যের স্বার্থই প্রধান। কিন্তু উদয়াদিত্য ও বসন্তরায়ের কাছে মানুষের সম্পর্ক এবং মানবিকতা গুরুত্বপূর্ণ।
এই দ্বন্দ্বই কাহিনির কেন্দ্রে রয়েছে।
ক্ষমতার প্রতি প্রতাপাদিত্যের আকর্ষণ
প্রতাপাদিত্য বিশ্বাস করতেন, রাজাকে শক্তিশালী হতে হবে। শত্রুদের বিরুদ্ধে কঠোর হতে হবে এবং রাজ্যের ওপর নিজের কর্তৃত্ব বজায় রাখতে হবে।
কিন্তু ক্ষমতার এই আকাঙ্ক্ষা তাঁকে ধীরে ধীরে কঠোর ও নির্মম করে তোলে।
তিনি মানুষের অনুভূতির চেয়ে রাজনৈতিক স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দিতে থাকেন।
এখানেই তাঁর সঙ্গে বসন্তরায় ও উদয়াদিত্যের পার্থক্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
বসন্তরায়ের মানবিকতা
বসন্তরায় ছিলেন সম্পূর্ণ বিপরীত প্রকৃতির মানুষ।
তিনি রাজপরিবারের অন্তর্ভুক্ত হলেও সাধারণ মানুষের দুঃখ-কষ্ট অনুভব করতে পারতেন। তাঁর কাছে মানুষের ভালোবাসা ও সম্পর্ক ছিল রাজশক্তির চেয়ে বড়।
উদয়াদিত্যের প্রতি তাঁর স্নেহ ছিল পিতৃসুলভ।
তাই প্রতাপাদিত্যের কঠোর সিদ্ধান্তগুলি যখন উদয়াদিত্যের জীবনকে বিপন্ন করে, তখন বসন্তরায় গভীরভাবে ব্যথিত হন।
সংঘাত তীব্র হয়ে ওঠে
রাজপরিবারের মধ্যে বিরোধ ক্রমশ বাড়তে থাকে।
প্রতাপাদিত্য নিজের ক্ষমতা বজায় রাখতে চান। অন্যদিকে উদয়াদিত্য নিজের বিবেকের কাছে সত্য থাকতে চান।
এই সংঘাতের ফলে উদয়াদিত্যের জীবন ক্রমশ কঠিন হয়ে ওঠে।
পরিবারের ভেতরেই সে নিজেকে একপ্রকার বিচ্ছিন্ন মনে করতে থাকে।
যে রাজপরিবারে তার জন্ম, সেই পরিবারই তার কাছে নিরাপদ আশ্রয় না হয়ে ওঠে সংঘাতের কেন্দ্র।
নারীদের অসহায়তা
রবীন্দ্রনাথ এই উপন্যাসে দেখিয়েছেন, পুরুষদের রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের সবচেয়ে বড় মূল্য অনেক সময় নারীদেরই দিতে হয়।
সুরমা, বিভা প্রমুখ নারীচরিত্র নিজেদের জীবনের সিদ্ধান্ত সবসময় নিজেরা নিতে পারে না।
রাজনীতি, পরিবার এবং পুরুষতান্ত্রিক সামাজিক কাঠামো তাদের জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করে।
তাদের ভালোবাসা, আশা ও স্বপ্ন অনেক সময় রাজপরিবারের ক্ষমতার খেলায় হারিয়ে যায়।
এই দিকটি উপন্যাসটিকে শুধু ঐতিহাসিক কাহিনি না রেখে মানবিক উপন্যাসে পরিণত করেছে।
‘বউ-ঠাকুরানীর হাট’ নামের তাৎপর্য
উপন্যাসের নামটিও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
‘বউ-ঠাকুরানী’ শব্দের মধ্যে রাজপরিবারের এক নারীর সামাজিক মর্যাদা ও পরিচয়ের ইঙ্গিত রয়েছে। আর ‘হাট’ শব্দটি সাধারণ মানুষের জীবন, জনসমাজ ও দৈনন্দিনতার সঙ্গে যুক্ত।
এই দুইয়ের সংযোগে নামটির মধ্যে রাজকীয়তা ও সাধারণ জীবনের একটি অদ্ভুত মেলবন্ধন তৈরি হয়েছে।
রাজপরিবারের মানুষ হলেও তাদের জীবন শেষ পর্যন্ত মানুষেরই জীবন—সেখানে ভালোবাসা আছে, দুঃখ আছে, ঈর্ষা আছে, বিচ্ছেদ আছে।
উদয়াদিত্যের সংকট
উদয়াদিত্য ক্রমশ বুঝতে পারেন যে রাজপরিবারের ক্ষমতার রাজনীতির সঙ্গে তাঁর মানবিক আদর্শের সংঘাত অনিবার্য।
তিনি পিতার বিরোধিতা করতে চান না, কিন্তু অন্যায়ের সঙ্গে আপসও করতে পারেন না।
এই দ্বন্দ্ব তাঁকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে।
একদিকে পিতার প্রতি কর্তব্য, অন্যদিকে নিজের বিবেক—এই দুইয়ের মধ্যে তিনি ছিন্নভিন্ন হতে থাকেন।
রবীন্দ্রনাথ তাঁর চরিত্রের মধ্য দিয়ে দেখিয়েছেন, সত্য ও ন্যায়ের পথে চলা অনেক সময় অত্যন্ত কঠিন হয়ে ওঠে, বিশেষ করে যখন সেই পথ নিজের পরিবারের বিরুদ্ধেও যেতে হয়।
বসন্তরায়ের করুণ পরিণতি
উপন্যাসের সবচেয়ে বেদনাদায়ক ঘটনাগুলির মধ্যে বসন্তরায়কে ঘিরে ঘটনাগুলি অন্যতম।
তাঁর মতো কোমল ও মানবিক মানুষ রাজনীতির নির্মমতার শিকার হন।
বসন্তরায়ের মৃত্যু কাহিনিকে গভীর ট্র্যাজেডির দিকে নিয়ে যায়।
যে মানুষটি সবাইকে ভালোবাসতেন, শেষ পর্যন্ত ক্ষমতার সংঘাতের নির্মম বলি হন।
তাঁর মৃত্যু শুধু একজন মানুষের মৃত্যু নয়; এটি যেন মানবিকতার ওপর ক্ষমতার নির্মম আঘাতের প্রতীক।
উদয়াদিত্যের কাছে এই ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক হয়ে ওঠে।
ভালোবাসা বনাম ক্ষমতা
উপন্যাসটির অন্যতম প্রধান বক্তব্য হলো—ক্ষমতা মানুষের সম্পর্ককে ধ্বংস করতে পারে, কিন্তু ভালোবাসা মানুষকে মানবিক করে।
প্রতাপাদিত্য ক্ষমতার প্রতীক। বসন্তরায় ভালোবাসা ও মানবিকতার প্রতীক।
উদয়াদিত্য এই দুইয়ের মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা একজন মানুষ।
তার জীবনের সংকট আসলে বৃহত্তর মানবিক সংকটের প্রতীক।
একদিকে রাজধর্ম, অন্যদিকে মানবধর্ম—কোনটি বড়?
রবীন্দ্রনাথ কোনো সরল উত্তর দেননি। বরং চরিত্রগুলির জীবন ও পরিণতির মাধ্যমে পাঠককে নিজের উত্তর খুঁজে নিতে দিয়েছেন।
রবীন্দ্রনাথের ইতিহাসচেতনা
‘বউ-ঠাকুরানীর হাট’ রবীন্দ্রনাথের প্রথম দিকের উপন্যাসগুলির একটি। তাঁর পরবর্তী ঐতিহাসিক ও মনস্তাত্ত্বিক রচনার তুলনায় এই উপন্যাসে কাহিনির নাটকীয়তা বেশি।
তবে এর মধ্যেই রবীন্দ্রনাথের মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় স্পষ্ট।
তিনি ইতিহাসকে শুধু রাজা-রাজড়ার যুদ্ধের ইতিহাস হিসেবে দেখেননি। ইতিহাসের ভেতরে থাকা মানুষের জীবন, ভালোবাসা, দুঃখ ও বেদনার দিকটিও তুলে ধরেছেন।
উপন্যাসের মূল বক্তব্য
‘বউ-ঠাকুরানীর হাট’-এর মূল বক্তব্য কয়েকটি বিষয়ের মধ্যে সংক্ষেপে ধরা যায়—
প্রথমত, ক্ষমতার অহংকার মানুষের সম্পর্ককে ধ্বংস করতে পারে।
দ্বিতীয়ত, মানবিকতা ও ভালোবাসা মানুষের শ্রেষ্ঠ সম্পদ।
তৃতীয়ত, পারিবারিক সম্পর্কের মধ্যে যখন রাজনৈতিক স্বার্থ প্রবেশ করে, তখন ভালোবাসা ও বিশ্বাস নষ্ট হয়ে যায়।
চতুর্থত, নারীরা অনেক সময় পুরুষের ক্ষমতার দ্বন্দ্বের অদৃশ্য শিকার হয়।
পঞ্চমত, ন্যায় ও বিবেকের পথে চলতে গেলে ব্যক্তিগত জীবনে অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়।
উপসংহার
রবীন্দ্রনাথের ‘বউ-ঠাকুরানীর হাট’ বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক উপন্যাস। রাজপরিবারের পটভূমিতে লেখা হলেও এর মূল বিষয় আসলে মানুষের হৃদয়।
প্রতাপাদিত্যের ক্ষমতার আকাঙ্ক্ষা, উদয়াদিত্যের নৈতিক দ্বন্দ্ব, বসন্তরায়ের মানবিকতা, সুরমার ভালোবাসা এবং বিভার কোমলতা—সব মিলিয়ে উপন্যাসটি এক বেদনাময় মানবিক জগত নির্মাণ করেছে।
রবীন্দ্রনাথ দেখিয়েছেন, রাজা-রাজড়াদের ইতিহাসের আড়ালেও মানুষ তার নিজের সুখ-দুঃখ নিয়ে বেঁচে থাকে। সিংহাসন, রাজ্য ও ক্ষমতা একদিন হারিয়ে যেতে পারে, কিন্তু মানুষের ভালোবাসা ও মানবিকতার মূল্য চিরকাল থেকে যায়।
‘বউ-ঠাকুরানীর হাট’ তাই শুধু একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস নয়; এটি ক্ষমতা ও মানবিকতার সংঘাতের এক মর্মস্পর্শী কাহিনি।

🌼জুলাই, ডিসেম্বর-২০২৬  সেমিস্টারে ভর্তি চলছে!🌼মাস্টার্স প্রোগ্রামে ভর্তির সর্বশেষ তারিখ ১৫ ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ...
04/09/2026

🌼জুলাই, ডিসেম্বর-২০২৬ সেমিস্টারে ভর্তি চলছে!🌼
মাস্টার্স প্রোগ্রামে ভর্তির সর্বশেষ তারিখ ১৫ ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
( ১ বছর মেয়াদী মাস্টার্স প্রোগ্রামে ২ সেমিস্টারে মোট সেমিস্টার ফি ৪০,০০০ টাকা শুধু মাত্র জুলাই সেশনের জন্য)
🎄🎄🎄 বাংলা বিভাগে ১ বছর মেয়াদী মাস্টার্স কোর্স চলমান রয়েছে। জুলাই, ডিসেম্বর- ২০২৬ সেশনে মাস্টার্স ২৫ তম ব্যাচে ভর্তি চলছে। ১ বছর/২সেমিস্টার মেয়াদী মাস্টার্স কোর্সে মোট শিক্ষা ব্যয় ৪০,০০০/- (চল্লিশ হাজার টাকা) ভর্তি ফি ৩,৫০০/--১ম সেমিস্টারের সেমিস্টার ফি ২০,০০০/-সহ মোট ২৩,৫০০/-

🪴🪴🪴 মাস্টার্স প্রোগ্রামে ভর্তির যোগ্যতা:
এসএসসি ও এইচএসসিতে পৃথক ভাবে ২.৫ থাকতে হবে।
অনার্স (স্নাতক) পর্যায়ে সিজিপিএ ২.০০ বাধ্যতামূলক।

👉 কম পয়েন্টদারী শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর
স্কুল ও কলেজে জীবনে অর্জিত বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সার্টিফিকেটের ভিত্তিতে ভর্তির সুযোগ রয়েছে।

👉উন্মুক্ত স্কুল, কলেজ/ কারিগরি/ডিপ্লোমাধারী
শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ভর্তির সুযোগ রয়েছে।

👉 যে-কোনো শিক্ষাবর্ষের এসএসসি ও এইচএসসি ঊত্তীর্ণ
শিক্ষাথীরা ভর্তি হতে পারবেন।

🌳🌳🌳ভর্তির সময় যা যা প্রয়োজন-
👉এসএসসিও এইচএসসি মূল মার্কশীট ও সার্টিফিকেট
👉এসএসসিও এইচএসসি মার্কশীট ও সার্টিফিকেটের
ফটোকপি
👉স্কুল, কলেজের প্রশংসাপত্রের ফটোকপি
👉আবেদনকারীর ছবি ২ কপি, পিতা-মাতার ছবি ১ কপি
👉জন্মনিবন্ধন বা ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি১ কপি

🪴🪴🪴
বাংলা বিভাগের সুবিধাসমূহ:
✔️ ইউজিসি কর্তৃক অনুমোদিত বাংলা বিষয়ক অনার্স ও
মাস্টার্স প্রোগ্রাম;
✔️ এই বিভাগটি গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের IQAC প্রোগ্রামের
অন্তর্ভুক্ত এবং বিদেশি রিভিউয়ার দ্বারা উত্তীর্ণ 'ভাল' স্কোর
প্রাপ্ত।
✔️ যুগোপযোগী ও আন্তর্জাতিক মানের বাংলা ভাষা
সাহিত্য সংস্কৃতি বিষয়ক কোর্স অভিজ্ঞ, দক্ষ, বিশেষজ্ঞ
শিক্ষকমণ্ডলী দ্বারা পরিচালিত।
✔️ শুদ্ধ বাংলা উচ্চারণ ও আবৃত্তি-চর্চার সুযোগ।

☘️☘️সঙ্গীত, উপস্থাপনা, নাট্যাভিনয় ও নাট্য-পরিচালনার মাধ্যমে প্রতিভা বিকাশের সুযোগ।

🌏 মূল কোর্স বাংলা ভাষা সাহিত্য ও সংস্কৃতির অংশ হিসেবে কাব্য, উপন্যাস, ছোটগল্প, নাটক, প্রবন্ধ, স্মৃতি কথা, ভ্রমণ কাহিনীর সাথে ইংরেজি ৪ সেমিস্টার, আরবি ভাষা ও সাহিত্য শিক্ষা কোর্স, সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্য শিক্ষা কোর্স এবং গণ মাধ্যম ও গণ -যোগাযোগ কোর্সে অধ্যয়নের সুযোগ রয়েছে। এছাড়াও বাংলাদেশের ইতিহাস, ভূগোল, দর্শন, সমাজচিন্তা ও রাষ্ট্রভাবনা, ভাষাবিজ্ঞান, নারী অধ্যয়ন, সাম্প্রতিক বিশ্বনাট্যের বিবর্তনধারা, ফোকলোর, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবন, সংস্কৃতি ও সাহিত্য এ পাঠ্যক্রমে রয়েছে।

✅ অফিস ম্যানেজমেন্ট ও ইন্টারনেট ব্যবহারসহ
কম্পিউটারশিক্ষা কোর্স।

✅ গরীব, মেধাবী, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, এতিম, বেদে ও জেলে
সম্প্রদায়, খোলোয়াড়, সাহিত্যিক মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের
জন্য রয়েছে বিশেষ বৃত্তির সুবিধা।
✅ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনডোর ও আউটডোরে বিভিন্ন ধরনের
বাৎসরিক ক্রীড়া-প্রতিযোগিতা, বার্ষিক সাংস্কৃতিক
প্রতিযোগিতা, সেমিনার, বির্তক অংশ গ্রহণের সুর্বণ
সুযোগ।

✅ প্রতি সেমিস্টারে ক্লাসে ৯০% উপস্থিতি ও ভালো
ফলাফলের ভিত্তিতে ৫০% পর্যন্ত টিউশন ফি রেয়াত।

✅শিক্ষক, গবেষক, সাহিত্যিক, অনুবাদক, কবি, সাংবাদিক, সমালোচক, সরকারি-বেসরকারি চাকুরীজীবি হিসেবে নিজেকে তৈরি করার অপূর্ব সুযোগ।

🪴🪴🪴 শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে লেকচার ক্লাস, টিউটোরিয়াল, সেমিনারে বক্তব্য উপস্থাপন, ফিল্ডওয়ার্ক, রিপোর্টিং এবং বির্তক নাট্যাভিনয়, সংঙ্গীত-শিক্ষা ও আবৃত্তি চর্চার ও ব্যবস্থা রয়েছে। তাই আমাদের বিশ্বাস বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি কোর্স অধ্যয়নে ছাত্রদেরকে যেমন আধুনিক সময়ের একজন সমালোচক, অনুবাদক বা দোভাষী হিসেবে বিশ্বের যে-কোনো জায়গায় পাবে প্রতিষ্ঠা।

✅ ৩২ একর জমির উপর নির্মিত একাডেমিক, প্রশাসনিক
ভবন ও বিশাল খেলার মাঠ।
✅ শ্রেণিকক্ষগুলো আধুনিকায়ন পাঠদান পদ্ধতি;
✅ সার্বক্ষণিক ইন্টারনেট সুবিধা;
✅ সেশনজট মুক্ত শিক্ষাকার্যক্রম;
✅সব চেয়ে কম টাকায় উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের সুবর্ণ
সুযোগ;
সম্মানিত সচেতন অভিভাবক, আপনার সন্তানকে দেশের নামি দামী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পূর্বে আমাদের সাধারণ শিক্ষার্থীদের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে একবার ঘুরে দেখার অনুরোধ জানাচ্ছি।

👎যোগাযোগের ঠিকানা:
নলাম, মির্জানগর, সাভার, ঢাকা-১৩৪৪
01726-213882 (ভর্তি সংক্রান্ত দায়িত্ব প্রাপ্ত শিক্ষক)
01712599105 (বিভাগীয় প্রধান, বাংলা বিভাগ)
01950-003312, 01950-003313
01950-003314 (ভর্তি অফিস)

প্রমথ চৌধুরী: বাংলা গদ্যের পথ বদলে দেওয়া পথিকবাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এমন কিছু মানুষ আছেন, যাদের হাত ধরে শুধু সাহিত্য নয়,...
04/09/2026

প্রমথ চৌধুরী: বাংলা গদ্যের পথ বদলে দেওয়া পথিক

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এমন কিছু মানুষ আছেন, যাদের হাত ধরে শুধু সাহিত্য নয়, বদলে গেছে ভাষার ধরনও। প্রমথ চৌধুরী ছিলেন তেমনই একজন। তিনি বাংলা গদ্যকে কঠিন ও ভারী ভাষার গণ্ডি থেকে বের করে এনে মানুষের মুখের কথার কাছাকাছি নিয়ে এসেছিলেন। তার সহজ, স্বাভাবিক ও রসসমৃদ্ধ লেখনী বাংলা গদ্যে তৈরি করেছিল নতুন এক পথ।

প্রমথ চৌধুরীর জন্ম ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট। তার পৈতৃক নিবাস ছিল বর্তমান বাংলাদেশের পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার হরিপুর গ্রামে। ছোটবেলা থেকেই তিনি ছিলেন মেধাবী ও অনুসন্ধিৎসু। পরবর্তী সময়ে কলকাতায় উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন এবং ইংল্যান্ডেও পড়াশোনা করেন। পাশ্চাত্য সাহিত্য, দর্শন ও চিন্তাধারার সঙ্গে পরিচয় তার সাহিত্যিক দৃষ্টিভঙ্গিকে আরও সমৃদ্ধ করে।

তার সময়ের বাংলা গদ্য ছিল অনেকটাই সাধুরীতিনির্ভর। দীর্ঘ বাক্য, সংস্কৃতঘেঁষা শব্দ আর আনুষ্ঠানিক ভঙ্গির কারণে সেই ভাষা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কথাবার্তা থেকে বেশ দূরে ছিল। প্রমথ চৌধুরী এই প্রচলিত ধারাকে প্রশ্ন করেন। তার বিশ্বাস ছিল, মানুষ যে ভাষায় স্বাভাবিকভাবে কথা বলে, সাহিত্যও সেই ভাষায় প্রাণবন্ত হয়ে উঠতে পারে।

এই ভাবনা থেকেই তিনি বাংলা গদ্যে চলিতরীতির প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তার লেখায় কথ্যভাষার স্বাভাবিকতা, তীক্ষ্ণ বুদ্ধি, রসবোধ ও ব্যঙ্গ একসঙ্গে জায়গা করে নেয়। ফলে বাংলা গদ্য হয়ে ওঠে আরও সাবলীল, প্রাণবন্ত ও পাঠকঘনিষ্ঠ।

১৯১৪ সালে তার সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় সবুজপত্র। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এই পত্রিকার গুরুত্ব অসাধারণ। সবুজপত্রকে কেন্দ্র করে বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার ব্যবহার নতুন গতি পায়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরসহ সমকালীন অনেক গুরুত্বপূর্ণ লেখক এই পত্রিকায় লিখেছেন। এর মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে নতুন চিন্তা, নতুন রুচি ও নতুন ভাষাশৈলীর বিকাশ ঘটে।

প্রমথ চৌধুরী শুধু ভাষার পরিবর্তন আনেননি, বাংলা প্রবন্ধকেও দিয়েছেন নতুন রূপ। তার প্রবন্ধে যুক্তি আছে, কিন্তু তা কখনো শুষ্ক নয়; ব্যঙ্গ আছে, কিন্তু তা কটু নয়; রসবোধ আছে, কিন্তু তার আড়ালে থাকে গভীর চিন্তা। তিনি এমনভাবে লিখতেন, যেন পাঠকের সঙ্গে সরাসরি কথা বলছেন।

সাহিত্যে তিনি বীরবল ছদ্মনামেও পরিচিত। এই নামে লেখা তার রচনাগুলোতে সমাজের নানা অসংগতি, ভণ্ডামি, কুসংস্কার ও প্রচলিত চিন্তার বিরুদ্ধে তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গ ফুটে উঠেছে। হাসতে হাসতে পাঠককে ভাবিয়ে তোলাই ছিল তার লেখার অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

প্রবন্ধের পাশাপাশি গল্প, কবিতা ও সনেট রচনাতেও তিনি নিজের প্রতিভার পরিচয় দিয়েছেন। তার গল্পে মানুষের মন, সম্পর্ক ও জীবনের সূক্ষ্ম অনুভূতি উঠে এসেছে। কবিতায়ও তিনি ছিলেন স্বতন্ত্র। বিশেষ করে সনেট রচনায় তার অবদান বাংলা সাহিত্যে স্মরণীয় হয়ে আছে।

তার উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে তেল-নুন-লকড়ি, বীরবলের হালখাতা, নানাকথা, চার-ইয়ারি কথা, আহুতি, আমাদের শিক্ষা, রায়তের কথা ও সনেট-পঞ্চাশৎ।

প্রমথ চৌধুরীর সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল স্বাধীনভাবে চিন্তা করার সাহস। তিনি প্রচলিত কোনো রীতিকে শুধু পুরোনো বলে মেনে নেননি, আবার নতুন কিছুকেও অন্ধভাবে গ্রহণ করেননি। যুক্তি, অভিজ্ঞতা ও ব্যক্তিস্বাধীনতার আলোকে তিনি সাহিত্য ও সমাজকে দেখেছেন।

১৯৪৬ সালের ২ সেপ্টেম্বর প্রমথ চৌধুরীর মৃ*ত্যু হয়।

তার প্রয়াণ দিবসে আমাদের শ্রদ্ধা।

🌼জুলাই, ডিসেম্বর-২০২৬  সেমিস্টারে ভর্তি চলছে!🌼( জুলাই সেশনে অনার্স ও মাস্টার্স প্রোগ্রামে ভর্তির সর্বশেষ তারিখ ১৫ ই সেপ্...
02/09/2026

🌼জুলাই, ডিসেম্বর-২০২৬ সেমিস্টারে ভর্তি চলছে!🌼
( জুলাই সেশনে অনার্স ও মাস্টার্স প্রোগ্রামে ভর্তির সর্বশেষ
তারিখ ১৫ ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ)

🪴🪴🪴বাংলা বিভাগে অনার্স ৩৭ তম ব্যাচে জুলাই, ডিসেম্বর -২০২৬ সেশনে ভর্তি চলছে। ৪ বছর/৮ সেমিস্টার মেয়াদী বিএ (অনার্স) বাংলা কোর্সে মোট শিক্ষা ব্যয় ২,০০,০০০/-(দুই লক্ষ টাকা) ভর্তি ফি ৩,৫০০/- ১ম সেমিস্টারের সেমিস্টার ফি ১৫,০০০/-সহ মোট ১৮,৫০০/-

🎄🎄🎄 বাংলা বিভাগে ১ বছর মেয়াদী মাস্টার্স কোর্স চলমান রয়েছে। জুলাই, ডিসেম্বর- ২০২৬ সেশনে মাস্টার্স ২৫ তম ব্যাচে ভর্তি চলছে। ১ বছর/২সেমিস্টার মেয়াদী মাস্টার্স কোর্সে মোট শিক্ষা ব্যয় ৭৫,০০০/-(পঁচাত্তর হাজার টাকা) ভর্তি ফি ৩৫০০/-১ম সেমিস্টারের সেমিস্টার ফি ৩৫,০০০/-সহ মোট ৩৮,৫০০/-

🪴🪴🪴 অনার্স ও মাস্টার্স প্রোগ্রামে ভর্তির যোগ্যতা:
এসএসসি ও এইচএসসিতে পৃথক ভাবে ২.৫ থাকতে হবে। যদি কারো দুটোতে পৃথক ভাবে ২.৫ না থাকে, সেক্ষেত্রে দুটি মিলে ৬.০০ পয়েন্ট হতে হবে।
👉 কম পয়েন্টদারী শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর
স্কুল ও কলেজে জীবনে অর্জিত বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সার্টিফিকেটের ভিত্তিতে ভর্তির সুযোগ রয়েছে।
👉উন্মুক্ত স্কুল, কলেজ/ কারিগরি/ডিপ্লোমাধারী
শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ভর্তির সুযোগ রয়েছে।
👉 মাস্টার্স প্রোগ্রামের ভর্তির নূন্যতম যোগ্যতা অনার্স পর্যায়ে সিজিপিএ ২.০০ থাকতে হবে।
👉 যে-কোনো শিক্ষাবর্ষের এসএসসি ও এইচএসসি ঊত্তীর্ণ
শিক্ষাথীরা ভর্তি হতে পারবেন।

🌳🌳🌳ভর্তির সময় যা যা প্রয়োজন-
👉এসএসসিও এইচএসসি মূল মার্কশীট ও সার্টিফিকেট
👉এসএসসিও এইচএসসি মার্কশীট ও সার্টিফিকেটের
ফটোকপি
👉স্কুল, কলেজের প্রশংসাপত্রের ফটোকপি
👉আবেদনকারীর ছবি ২ কপি, পিতা-মাতার ছবি ১ কপি
👉জন্মনিবন্ধন বা ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি১ কপি

🪴🪴🪴
বাংলা বিভাগের সুবিধাসমূহ:
👉🪴গরীব, মেধাবী, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, এতিম, বেদে ও
জেলে সম্প্রদায়, খোলোয়াড়, সাহিত্যিক মুক্তিযোদ্ধা
সন্তানদের জন্য রয়েছে বিশেষ বৃত্তির সুবিধা।

✔️ 🪴শামসুনন্নাহার বৃত্তি ফান্ড (প্রতি সেমিস্টারে ৭ জন
বৃত্তিপ্রাপ্তদের ১০,০০০/- দশ হাজার টাকা প্রদান করা হয়)

✔️ 🪴গণ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা বিভাগের ০৭ জন
বৃত্তিপ্রাপ্তদের প্রতি সেমিস্টারে ১০০% টিউশন ফি
রেওয়াত প্রদান করা হয়।

✔️🪴প্রতি সেমিস্টারে ক্লাসে ৯০% উপস্থিতি ও ভালো
ফলাফলের ভিত্তিতে ৫০% পর্যন্ত টিউশন ফি রেয়াত।

✅ ৩২ একর জমির উপর নির্মিত একাডেমিক, প্রশাসনিক
ভবন ও বিশাল খেলার মাঠ।
✅ শ্রেণিকক্ষগুলো আধুনিকায়ন পাঠদান পদ্ধতি;
✅ সার্বক্ষণিক ইন্টারনেট সুবিধা;
✅ সেশনজট মুক্ত শিক্ষাকার্যক্রম;
✅সব চেয়ে কম টাকায় উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের সুবর্ণ
সুযোগ;
সম্মানিত সচেতন অভিভাবক, আপনার সন্তানকে দেশের নামি দামী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পূর্বে আমাদের সাধারণ শিক্ষার্থীদের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে একবার ঘুরে দেখার অনুরোধ জানাচ্ছি।

👎যোগাযোগের ঠিকানা:
নলাম, মির্জানগর, সাভার, ঢাকা-১৩৪৪
01726-213882 (ভর্তি সংক্রান্ত দায়িত্ব প্রাপ্ত শিক্ষক)
01712599105 (বিভাগীয় প্রধান, বাংলা বিভাগ)
01950-003312, 01950-003313
01950-003314 (ভর্তি অফিস)

30/08/2026
25/08/2026

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ‘কঙ্কাল’ বাংলা সাহিত্যের একটি উল্লেখযোগ্য রহস্যময় ও মনস্তাত্ত্বিক গল্প। গল্পটির মধ্যে যেমন ভৌতিক পরিবেশ ও রোমাঞ্চ রয়েছে, তেমনি রয়েছে মানুষের লোভ, কামনা, প্রতারণা, অপরাধবোধ এবং নারীর অসহায়তার করুণ চিত্র। রবীন্দ্রনাথ অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে রহস্যের আবরণে মানুষের মনের অন্ধকার দিকটি প্রকাশ করেছেন। গল্পটির প্রধান আকর্ষণ হল—একটি কঙ্কালকে কেন্দ্র করে অতীতের একটি অপরাধের রহস্য ধীরে ধীরে উন্মোচিত হওয়া।
গল্পের শুরুতেই পাঠক একটি অস্বাভাবিক পরিবেশের মুখোমুখি হয়। কথক একটি ঘরে শুয়ে আছেন। রাত গভীর। চারদিকে নীরবতা। এমন সময় তিনি অনুভব করেন, তাঁর সামনে যেন একটি অদৃশ্য উপস্থিতি রয়েছে। ধীরে ধীরে সেই উপস্থিতি একটি নারীর কঙ্কালের রূপ ধারণ করে। কঙ্কালটি যেন জীবন্ত মানুষের মতো কথা বলতে শুরু করে এবং তার অতীত জীবনের করুণ কাহিনি বলতে থাকে। এই অস্বাভাবিক ঘটনাই গল্পের রহস্যময় আবহ তৈরি করে।
কঙ্কালটি জানায়, সে একসময় সুন্দরী যুবতী ছিল। জীবিত অবস্থায় তার সৌন্দর্য ও আকর্ষণ ছিল অত্যন্ত প্রবল। কিন্তু সেই সৌন্দর্যই তার জীবনে সুখ নিয়ে আসেনি; বরং তাকে নানা বিপদের মধ্যে ফেলেছিল। তার জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিল পুরুষের লোভ, কামনা এবং স্বার্থপরতা।
সে ছিল একা ও অসহায়। তার জীবনে এমন একজন পুরুষের আবির্ভাব ঘটে, যার প্রতি সে গভীরভাবে আকৃষ্ট হয়। সে বিশ্বাস করেছিল, এই মানুষটি তাকে সত্যিই ভালোবাসে। কিন্তু পরবর্তীকালে সে বুঝতে পারে, সেই ভালোবাসার মধ্যে প্রকৃত মমতা ছিল না। ছিল স্বার্থ ও ভোগের আকাঙ্ক্ষা। নারীর প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি এবং পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার কারণে সে ক্রমে আরও অসহায় হয়ে পড়ে।
কঙ্কালের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে তার জীবনের নানা ঘটনা সামনে আসে। সে জানায়, তার জীবনে প্রেম এসেছিল, কিন্তু সেই প্রেম ছিল প্রতারণায় ভরা। যে পুরুষকে সে বিশ্বাস করেছিল, সেই পুরুষই শেষ পর্যন্ত তার জীবনের সর্বনাশের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তার সৌন্দর্যকে ভালোবাসার পরিবর্তে তাকে নিজের আকাঙ্ক্ষা পূরণের উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
গল্পের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, কঙ্কালটি শুধু নিজের মৃত্যুর কথা বলে না; সে তার মৃত্যুর পেছনে থাকা অপরাধের কথাও প্রকাশ করে। তার মৃত্যুর ঘটনা কোনো স্বাভাবিক মৃত্যু ছিল না। তার জীবনের সঙ্গে যুক্ত পুরুষের লোভ ও অপরাধ তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। পরে তার দেহ গোপন করে রাখা হয়। সময়ের প্রবাহে তার অস্তিত্ব যেন পৃথিবী থেকে মুছে যায়। কিন্তু তার কঙ্কাল সেই অপরাধের নীরব সাক্ষী হয়ে থেকে যায়।
এখানেই গল্পের নামকরণের সার্থকতা। ‘কঙ্কাল’ আসলে শুধু একটি মৃতদেহের অবশেষ নয়; এটি একটি চাপা পড়ে থাকা সত্যের প্রতীক। মানুষ যতই অপরাধ গোপন করার চেষ্টা করুক, সত্য একদিন প্রকাশিত হয়। জীবিত অবস্থায় যে নারী সমাজের কাছে অসহায় ছিল, মৃত্যুর পর তার কঙ্কালই হয়ে ওঠে সত্যের বাহক।
গল্পে ভৌতিকতার ব্যবহার বিশেষভাবে লক্ষণীয়। রবীন্দ্রনাথ ভয় দেখানোর জন্য শুধু ভূতের উপস্থিতি ব্যবহার করেননি; বরং ভৌতিক পরিবেশকে মানুষের অপরাধবোধ ও মনের অন্ধকারের সঙ্গে যুক্ত করেছেন। গভীর রাত, নিস্তব্ধ ঘর, অন্ধকার পরিবেশ এবং কঙ্কালের আবির্ভাব পাঠকের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। কিন্তু গল্প যত এগোয়, পাঠক বুঝতে পারে যে প্রকৃত ভয় কঙ্কালের মধ্যে নয়—মানুষের লোভ ও নিষ্ঠুরতার মধ্যেই আসল ভয় লুকিয়ে আছে।
কঙ্কালটির কথায় তার অতীত জীবনের প্রতি এক ধরনের আক্ষেপ প্রকাশ পায়। সে চেয়েছিল ভালোবাসা, নিরাপত্তা ও সম্মান। কিন্তু তার ভাগ্যে জুটেছিল প্রতারণা ও অবহেলা। তার সৌন্দর্য তাকে সমাজের চোখে আকর্ষণীয় করেছিল, কিন্তু সেই সৌন্দর্যের আড়ালে তার ব্যক্তিগত যন্ত্রণা কেউ বুঝতে চায়নি। ফলে তার জীবন ক্রমে এক করুণ পরিণতির দিকে এগিয়ে যায়।
এই গল্পে রবীন্দ্রনাথ নারীর অবস্থান সম্পর্কেও একটি গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রেখেছেন। সমাজে নারীকে অনেক সময় স্বাধীন মানুষ হিসেবে নয়, পুরুষের আকাঙ্ক্ষা ও ভোগের বস্তু হিসেবে দেখা হয়। কঙ্কালের জীবনের ঘটনা সেই নিষ্ঠুর বাস্তবতাকেই তুলে ধরে। সে ভালোবাসতে চেয়েছিল, বিশ্বাস করতে চেয়েছিল, কিন্তু পুরুষের স্বার্থপরতার কাছে তার সমস্ত আকাঙ্ক্ষা পরাজিত হয়।
গল্পটির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল অপরাধবোধ। অপরাধী মানুষ তার অপরাধকে যতই লুকিয়ে রাখুক, নিজের বিবেক থেকে পালাতে পারে না। কঙ্কালটি যেন সেই অপরাধবোধেরই প্রতীক। মৃত নারী ফিরে এসে জীবিত মানুষের সামনে তার অতীতের সত্য তুলে ধরে। এর মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ বোঝাতে চেয়েছেন যে অন্যায়ের কোনো স্থায়ী গোপনীয়তা নেই।
‘কঙ্কাল’-এর ভাষা ও পরিবেশ নির্মাণেও রবীন্দ্রনাথের প্রতিভার পরিচয় পাওয়া যায়। গল্পের শুরু থেকেই রহস্যের আবহ তৈরি হয়। পাঠক জানতে চায়—এই কঙ্কাল কার? কেন সে এসেছে? তার মৃত্যুর কারণ কী? ধীরে ধীরে কঙ্কালের মুখ থেকে তার জীবনের কাহিনি প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রহস্যও উন্মোচিত হয়। ফলে গল্পে কৌতূহল ও উত্তেজনা শেষ পর্যন্ত বজায় থাকে।
তবে ‘কঙ্কাল’কে শুধু একটি ভূতের গল্প হিসেবে দেখলে গল্পটির প্রকৃত তাৎপর্য ধরা পড়বে না। এটি মূলত মানুষের চরিত্র ও সমাজের অন্ধকার দিকের গল্প। এখানে কঙ্কাল ভয়ের প্রতীক হলেও তার বক্তব্যের মধ্যে রয়েছে গভীর মানবিক বেদনা। সে মৃত্যুর পরেও শান্তি পায়নি, কারণ তার জীবনের অন্যায় ও অপমানের সত্য প্রকাশিত হয়নি। তাই সে যেন সত্য প্রকাশের জন্যই ফিরে আসে।
গল্পের শেষে পাঠকের মনে একটি গভীর প্রশ্ন জাগে—মানুষের জীবনের মূল্য কোথায়? বাহ্যিক সৌন্দর্য, সম্পদ কিংবা সামাজিক পরিচয় কি একজন মানুষের প্রকৃত সুখ নিশ্চিত করতে পারে? রবীন্দ্রনাথের উত্তর স্পষ্ট—না। মানুষের প্রতি ভালোবাসা, সম্মান, বিশ্বাস ও মানবিকতাই জীবনের প্রকৃত ভিত্তি। এগুলির অভাবেই কঙ্কালের জীবন ধ্বংস হয়ে যায়।
উপসংহার
সবশেষে বলা যায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘কঙ্কাল’ একটি রহস্যময় গল্পের আড়ালে মানুষের মনস্তত্ত্ব, লোভ, কামনা, প্রতারণা ও সামাজিক নিষ্ঠুরতার গভীর চিত্র তুলে ধরে। কঙ্কাল এখানে মৃত মানুষের অবশেষ হলেও একই সঙ্গে সে চাপা পড়ে থাকা সত্য, অপরাধের স্মৃতি এবং নির্যাতিত নারীর নীরব প্রতিবাদের প্রতীক। ভৌতিক পরিবেশ, রহস্যময় ঘটনা এবং করুণ মানবিক কাহিনির সমন্বয়ে গল্পটি বাংলা ছোটগল্প সাহিত্যে একটি স্বতন্ত্র স্থান অধিকার করেছে। মৃত্যুর পরেও যে সত্যকে চাপা দেওয়া যায় না—‘কঙ্কাল’ সেই চিরন্তন সত্যেরই এক শক্তিশালী প্রতীক।

বাংলা অনার্স ৩১ তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সেমিস্টার মৌখিক পরীক্ষা শেষে একই ফ্রেমে বন্দী। সেমিস্টার মৌখিক পরীক্ষা মানে শিক...
14/08/2026

বাংলা অনার্স ৩১ তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সেমিস্টার মৌখিক পরীক্ষা শেষে একই ফ্রেমে বন্দী। সেমিস্টার মৌখিক পরীক্ষা মানে শিক্ষার্থীরা নিজেকে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করে নেয়া। ভাইবা বোর্ডে নিজেকে উপস্থাপন করা প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর বিশ্লেষণের মাধ্যমে নিজেদের ভুলত্রুটিগুলো সংশোধন করে নেয়ার মধ্যে অনেক কিছু অর্জন করা যায়। শুভেচ্ছা নিরন্তর।

12/08/2026
🌼জুলাই, ডিসেম্বর-২০২৬  সেমিস্টারে ভর্তি চলছে!🌼( অনার্স ৩৭ তম ব্যাচের ক্লাস শুরু হয়েছে।  আর মাত্র কয়েকটি আসন ফাঁকা আছে)🪴🪴...
12/08/2026

🌼জুলাই, ডিসেম্বর-২০২৬ সেমিস্টারে ভর্তি চলছে!🌼
( অনার্স ৩৭ তম ব্যাচের ক্লাস শুরু হয়েছে। আর মাত্র কয়েকটি আসন ফাঁকা আছে)

🪴🪴🪴বাংলা বিভাগে অনার্স ৩৭ তম ব্যাচে জুলাই, ডিসেম্বর -২০২৬ সেশনে ভর্তি চলছে। ৪ বছর/৮ সেমিস্টার মেয়াদী বিএ (অনার্স) বাংলা কোর্সে মোট শিক্ষা ব্যয় ২,০০,০০০/-(দুই লক্ষ টাকা) ভর্তি ফি ৩,৫০০/- ১ম সেমিস্টারের সেমিস্টার ফি ১৫,০০০/-সহ মোট ১৮,৫০০/-

🎄🎄🎄 বাংলা বিভাগে ১ বছর মেয়াদী মাস্টার্স কোর্স চলমান রয়েছে। জুলাই, ডিসেম্বর- ২০২৬ সেশনে মাস্টার্স ২৫ তম ব্যাচে ভর্তি চলছে। ১ বছর/২সেমিস্টার মেয়াদী মাস্টার্স কোর্সে মোট শিক্ষা ব্যয় ৭৫,০০০/-(পঁচাত্তর হাজার টাকা) ভর্তি ফি ৩৫০০/-১ম সেমিস্টারের সেমিস্টার ফি ৩৫,০০০/-সহ মোট ৩৮,৫০০/-

🪴🪴🪴 অনার্স ও মাস্টার্স প্রোগ্রামে ভর্তির যোগ্যতা:
এসএসসি ও এইচএসসিতে পৃথক ভাবে ২.৫ থাকতে হবে। যদি কারো দুটোতে পৃথক ভাবে ২.৫ না থাকে, সেক্ষেত্রে দুটি মিলে ৬.০০ পয়েন্ট হতে হবে।
👉 কম পয়েন্টদারী শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর
স্কুল ও কলেজে জীবনে অর্জিত বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সার্টিফিকেটের ভিত্তিতে ভর্তির সুযোগ রয়েছে।
👉উন্মুক্ত স্কুল, কলেজ/ কারিগরি/ডিপ্লোমাধারী
শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ভর্তির সুযোগ রয়েছে।
👉 মাস্টার্স প্রোগ্রামের ভর্তির নূন্যতম যোগ্যতা অনার্স পর্যায়ে সিজিপিএ ২.০০ থাকতে হবে।
👉 যে-কোনো শিক্ষাবর্ষের এসএসসি ও এইচএসসি ঊত্তীর্ণ
শিক্ষাথীরা ভর্তি হতে পারবেন।

🌳🌳🌳ভর্তির সময় যা যা প্রয়োজন-
👉এসএসসিও এইচএসসি মূল মার্কশীট ও সার্টিফিকেট
👉এসএসসিও এইচএসসি মার্কশীট ও সার্টিফিকেটের
ফটোকপি
👉স্কুল, কলেজের প্রশংসাপত্রের ফটোকপি
👉আবেদনকারীর ছবি ২ কপি, পিতা-মাতার ছবি ১ কপি
👉জন্মনিবন্ধন বা ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি১ কপি

🪴🪴🪴
বাংলা বিভাগের সুবিধাসমূহ:
👉🪴গরীব, মেধাবী, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, এতিম, বেদে ও
জেলে সম্প্রদায়, খোলোয়াড়, সাহিত্যিক মুক্তিযোদ্ধা
সন্তানদের জন্য রয়েছে বিশেষ বৃত্তির সুবিধা।

✔️ 🪴শামসুনন্নাহার বৃত্তি ফান্ড (প্রতি সেমিস্টারে ৭ জন
বৃত্তিপ্রাপ্তদের ১০,০০০/- দশ হাজার টাকা প্রদান করা হয়)

✔️ 🪴গণ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা বিভাগের ০৭ জন
বৃত্তিপ্রাপ্তদের প্রতি সেমিস্টারে ১০০% টিউশন ফি
রেওয়াত প্রদান করা হয়।

✔️🪴প্রতি সেমিস্টারে ক্লাসে ৯০% উপস্থিতি ও ভালো
ফলাফলের ভিত্তিতে ৫০% পর্যন্ত টিউশন ফি রেয়াত।

✅ ৩২ একর জমির উপর নির্মিত একাডেমিক, প্রশাসনিক
ভবন ও বিশাল খেলার মাঠ।
✅ শ্রেণিকক্ষগুলো আধুনিকায়ন পাঠদান পদ্ধতি;
✅ সার্বক্ষণিক ইন্টারনেট সুবিধা;
✅ সেশনজট মুক্ত শিক্ষাকার্যক্রম;
✅সব চেয়ে কম টাকায় উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের সুবর্ণ
সুযোগ;
সম্মানিত সচেতন অভিভাবক, আপনার সন্তানকে দেশের নামি দামী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পূর্বে আমাদের সাধারণ শিক্ষার্থীদের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে একবার ঘুরে দেখার অনুরোধ জানাচ্ছি।

👎যোগাযোগের ঠিকানা:
নলাম, মির্জানগর, সাভার, ঢাকা-১৩৪৪
01726-213882 (ভর্তি সংক্রান্ত দায়িত্ব প্রাপ্ত শিক্ষক)
01712599105 (বিভাগীয় প্রধান, বাংলা বিভাগ)
01950-003312, 01950-003313
01950-003314 (ভর্তি অফিস)

Address

Nolam, Mirzanagar, Ashulia, Dhaka
Savar
1344

Opening Hours

Monday 08:00 - 16:00
Tuesday 08:00 - 16:00
Wednesday 08:00 - 16:00
Thursday 08:00 - 16:00
Saturday 08:00 - 16:00
Sunday 08:00 - 16:00

Telephone

+8801726213882

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলা বিভাগ, গণ বিশ্ববিদ্যালয় posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to বাংলা বিভাগ, গণ বিশ্ববিদ্যালয়:

Shortcuts

Share