28/12/2025
Rifat
كُلُّ نَفْسٍ ذَآىِٕقَةُ الْمَوْتِ
28/12/2025
Never lose tawakkul. Your time will
come. Your prayers will be answered.
You'll be where you want to be. Just
don't lose Allah. Enjoy the life he gave
you. Appreciate your blessings. He
hears your prayers and knows your
needs. Everything will come to you in
due time 💙
18/10/2025
এই বিষয়ে কি বলবে সো কল নারীবাদীরা আর আধুনিক সমাজ ? এই কাজ বিধর্মী পোলাপান না করে, যদি কোন মাদ্রাসার পোলাপান করতো, তাহলে দেখতেন সারা দেশে কি হয়ে যেত, নারীবাদীরা জেগে উঠতো, সকল মিডিয়া জেগে উঠতো, আধুনিক সমাজও জেগে উঠতো। কিন্তু এটা যখন কোন মাদ্রাসার ছোট বাচ্চার (মেয়ে) সাথে হয়েছে তখন তো এরা সবাই অন্ধ!!
গাজীপুরে মাদরাসা ছাত্রীর ঘটনায় আমাদের সবার মুখ খোলা কেন দরকার? | Shaikh Ahmadullah গাজীপুরে মাদরাসা ছাত্রীর ঘটনায় আমাদের সবার মুখ খোলা কেন দরকার? | Shaikh Ahmadullah #আহমাদুল্লাহ #গাজীপুরে প্রতি শুক্রবা....
নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে যা ঘটেছে, তা পূর্বের সকল অপকর্মকে ছাড়িয়ে গেছে। নির্ভার চিত্তে ঠোঁটে শিস বাজাতে বাজাতে কুরআন পদপিষ্ট করার ভিডিওটি যারাই দেখেছেন, সবারই নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা!
কেউ কেউ অপূর্ব পালকে মানসিক রোগী হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা করছেন। পূর্বেও অনেক ইসলাম অবমাননাকারীকে মানসিক রোগী বলে বাঁচানোর চেষ্টা করা হয়েছে।
কথা হলো, একজন মানসিক রোগী কীভাবে দেশের নামকরা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ও পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে!
তাছাড়া মানসিক রোগীরা কেন বারবার ইসলাম ধর্মের ওপরই আক্রমণ করে!
মনে রাখতে হবে, ক্লাসে হাদিসের উদাহরণ আনায় উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষককে ইতোপূর্বে বহিষ্কার করা হয়েছে। অথচ কুরআন অবমাননার ঘটনা ভাইরাল হওয়ার আগ পর্যন্ত তারা অপূর্ব পালের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
তাই বিশ্ববিদ্যালয়-প্রশাসনও এই ঘটনার দায় এড়াতে পারে না। এমন কুলাঙ্গার ছাত্রকে প্রশ্রয় দেয়ার অপরাধে তাদেরকে ক্ষমা চাইতে হবে।
এদেশের অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামবিরোধী এজেন্ডা নিয়ে কাজ করছে। ধর্মপ্রাণ মানুষের দেশে এটা কোনোভাবেই হতে দেয়া যায় না।
অপূর্ব পাল যা করেছে, এটা ধর্মীয় দাঙ্গা বাধানোর সুস্পষ্ট উস্কানি। আমরা অবিলম্বে তার দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।
পাশাপাশি সরকারের প্রতি আমাদের দাবি—অবিলম্বে ধর্মঅবমাননা বিষয়ে কঠোর ও সুস্পষ্ট আইন তৈরি করে এর বাস্তব প্রয়োগ ঘটাতে হবে।
নতুবা দেশের শান্তি, সম্প্রীতি ও স্থিতিশীলতা নষ্টকারী ন্যাক্কারজনক এই ঘটনা বারবার ঘটতেই থাকবে।
ধর্ম যার যার
উৎসবও তার তার!
সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি ড. আবদুল আজিজ বিন আবদুল্লাহ আল-শায়খ ইন্তেকাল করেছেন।
আল্লাহ তার সকল খেদমত কবুল করুন, তার বিচ্যুতি মার্জনা করুন এবং তাকে জান্নাতুল ফিরদাউসে উচ্চ মাকাম দান করুন।
16/09/2025
AI ফটো ফিতনা” — আধুনিক যুগের ডিজিটাল মূর্তিপূজা?
সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা যাচ্ছে, অনেক মুসলমান— এমনকি কিছু আলেম ও দ্বীনদার মানুষও— AI (Artificial Intelligence) দিয়ে বানানো ছবি প্রকাশ করছেন। বিশেষ করে সুফি বা দরবেশ সাজে, ঝলমলে কল্পনাপ্রসূত মুখাবয়বে নিজেকে উপস্থাপন করছেন।
একদিকে মুখে বলা হয় “পশ্চিমা সংস্কৃতি আমাদের ধ্বংস করছে”,
অন্যদিকে সেই পশ্চিমাদের বানানো প্রযুক্তি দিয়ে নিজের “ডিজিটাল মূর্তি” বানিয়ে পোস্ট দিচ্ছি।
ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে এটা কতটা সমর্থনযোগ্য?
কুরআন বলছে:
وَلَا تُصَوِّرُوا الْأَشْخَاصَ فَإِنَّ ذَلِكَ مِمَّا يُعَذِّبُ بِهِ اللهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ
“তোমরা জীবন্ত প্রাণীর ছবি এঁকো না; কিয়ামতের দিন আল্লাহ এসব ছবির কারণে মানুষকে শাস্তি দেবেন।”
সহীহ বুখারী, হাদীস: ৫২২৬)
অনেক হাদীসে দেখা যায়, ছবি আঁকা, মূর্তি নির্মাণ ও অহংকারপূর্ণ আত্মপ্রদর্শনকে গুনাহ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
AI দিয়ে বানানো হলেও তা যদি চেহারাভিত্তিক, আত্মপ্রশংসামূলক বা বিভ্রান্তিকর উদ্দেশ্যে হয়, তা ইসলামী মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
ফতোয়া ও ওলামায়ে কেরামের দৃষ্টিভঙ্গি:
১. AI বা ডিজিটাল আর্ট ব্যবহার যদি বাস্তবিক ছবি হুবহু হয়, তাহলে এটি অনেক আলেমের দৃষ্টিতে
“তাসওয়ীরের হুকুমে পড়বে” — অর্থাৎ, মূর্তি বা জীবন্ত প্রাণীর ছবি আঁকার মতো। (দেখুন: دار الإفتاء، جامع الفقه الإسلامي، দারুল উলূম দেওবন্দ ফতোয়া,
২. যদি উদ্দেশ্য হয় অহংকার, ফ্যাশন, বা নিজের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলা —
তাহলে সেটা শুধু হারাম নয়, বরং রিয়ার (আত্মপ্রদর্শনের) মতো মারাত্মক রোগের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে:
আপনি কী বোঝাতে চাচ্ছেন এই ছবিতে?
“AI ভার্সনে আমি অনেক স্মার্ট?”
নাকি আপনি বলছেন, আল্লাহর দেওয়া চেহারার চেয়ে কল্পনার ছবিই ভালো?
এটা কেবল দৃষ্টিভ্রান্তি নয় — বরং আত্মপ্রশংসা, আত্মবিস্মৃতি, এবং ইসলামী পরিচয়ের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।
একদিকে বলছেন — “পশ্চিমা ফিতনা, পশ্চিমা সংস্কৃতি ধ্বংস করছে”
আরেকদিকে…
পশ্চিমাদের তৈরি AI টুল, তাদের ফ্যাশন ও ছবির ট্রেন্ডে নিজেকে সাজিয়ে প্রমোট করছেন।
এটাই কী তাওহীদের দাবি, না দ্বিচারিতা?
সতর্কবার্তা মুসলিম ভাই ও বোনদের প্রতি:
"AI ফটো ফিতনা” — আধুনিক যুগের ডিজিটাল মূর্তিপূজা............
প্রজ্ঞাপনে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের জন্য শিক্ষকতায় বিশেষ কোটা রাখা হয়েছে। মেডিকেল টেস্টে প্রমাণিত হি # জড়া বা জন্মগত লি #ঙ্গ প্রতিবন্ধীদের বিষয়ে কারো আপত্তি থাকার কথা না। কিন্তু কোটা চালু করে ‘তৃতীয় লিঙ্গ’ শব্দের মারপ্যাঁচে কওমে লুতে অনুসারীদের শিক্ষকতায় ঢোকানো হতে পারে বলে আমরা উদ্বিগ্ন। এটা দেশ ও জাতির সাথে যু # দ্ধের শামিল।
এই ধরনের বিকৃত মানসিকতার লোকেরা যদি কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষক হয়, তবে সেই শিক্ষা-ব্যবস্থার পতন ঘণ্টা বাজতে বেশি দেরি হবে না।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিশেষায়িত ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হোক, এটা বহুকাল ধরে গণমানুষের প্রাণের দাবি ছিল। সেই দাবি আজও বাস্তবায়িত হয়নি।
অথচ প্রাথমিকে গানের শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
এই দেশে কত পার্সেন্ট মানুষ সন্তানকে গান শেখায়? কত পার্সেন্ট মানুষ স্কুলে গানের শিক্ষক চায়? বরং অধিকাংশ অভিভাবক চায়, বিদ্যালয়ে যেন তাদের সন্তানকে গান শেখানো না হয়।
এদেশের প্রায় সকল অভিভাবক সন্তানের জন্য প্রাইভেট ধর্মীয় শিক্ষক রাখেন কিংবা সন্তানকে মক্তবে পাঠান। সরকার যদি স্কুলে বিশেষায়িত ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিত, তাহলে অভিভাবকদের এই বাড়তি খরচ ও ঝামেলা পোহাতে হতো না। শিক্ষার্থীদেরও সময় বেঁচে যেত।
প্রাথমিক শিক্ষার পেছনে রাষ্ট্র প্রতি মাসে শত শত নয়; বরং হাজার কোটি টাকা ব্যয় করছে। অথচ শিক্ষার মান দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে। একদিকে অভিভাবকদের আস্থা হারাচ্ছে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো, অপরদিকে কিশোর গ্যাং-এর মতো ভয়াবহ অপরাধ দিন দিন আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে।
এমতাবস্থায় প্রয়োজন শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং নৈতিক শিক্ষার প্রতি গুরুত্বারোপ। সেটা না করে কাদের খুশি করার জন্য গানের শিক্ষক নিয়োগে প্রজ্ঞাপন জারি করা হলো?
সরকারের প্রতি আমাদের উদাত্ত আহ্বান—গণ-আকাঙ্ক্ষা উপেক্ষা করে বাইরে থেকে আমদানি করা কালচার চাপিয়ে দেয়ার চিরাচরিত পথ পরিহার করুন। দেশের মানুষ এসবের পরিবর্তন চায়।
Alhamdulillah
Exactly one year ago,
We wrote a new history of Bangladesh
💌🇧🇩💌
জিলহজের চাঁদ দেখা গেছে, আলহামদুলিল্লাহ। এর মাধ্যমে এক মহিমান্বিত দশকে প্রবেশ করলাম আমরা।
রমাদানের পরে ইবাদেতের সবচেয়ে বড় মৌসুম হলো জিলহজের প্রথম দশক। রাসুল (সা.) বলেছেন, আল্লাহর নিকট অন্য যে কোনো সময়ের আমলের চেয়ে জিলহজের প্রথম দশকের আমল অধিক প্রিয় [সহিহ বুখারি]।
তাই আসুন, এই শ্রেষ্ঠ দশককে ইবাদতের সৌরভে ভরিয়ে তুলি।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Address
Satkhira
9400