02/08/2015
Online Satkhira
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Online Satkhira, Education, Satkhira.
সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, প্রি-ক্যাডেট, বিশেষজ্ঞ ডাক্তার, হাসপাতাল, ক্লিনিক, প্যাথলজি, ব্যাবসাবানিজ্য ইত্যাদি তথ্য সর্বাধিক প্রচারের জন্য আজই পাঠিয়ে দিন আমাদেরকে।
02/08/2015
৬৪টি সংক্ষিপ্ত শব্দের পুর্নরুপ জানুন--
১। Wi-Fi র পূর্ণরূপ — Wireless Fidelity.
২। HTTP এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer
Protocol.
৩। HTTPS এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer
Protocol Secure.
৪। URL এর পূর্ণরূপ — Uniform Resource
Locator.
৫। IP এর পূর্ণরূপ— Internet Protocol
৬। VIRUS এর পূর্ণরূপ — Vital Information
Resource Under Seized.
৭। SIM এর পূর্ণরূপ — Subscriber Identity
Module.
৮। 3G এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation.
৯। GSM এর পূর্ণরূপ — Global System for
Mobile Communication.
১০। CDMA এর পূর্ণরূপ — Code Divison
Multiple Access.
১১। UMTS এর পূর্ণরূপ — Universal Mobile
Telecommunication System.
১২। RTS এর পূর্ণরূপ — Real Time Streaming
১৩। AVI এর পূর্ণরূপ — Audio Video Interleave
১৪। SIS এর পূর্ণরূপ — Symbian OS Installer
File
১৫। AMR এর পূর্ণরূপ — Adaptive Multi-Rate
Codec
১৬। JAD এর পূর্ণরূপ — Java Application
Descriptor
১৭। JAR এর পূর্ণরূপ — Java Archive
১৮। MP3 এর পূর্ণরূপ — MPEG player lll
১৯। 3GPP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation
Partnership Project
২০। 3GP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation
Project
২১। MP4 এর পূর্ণরূপ — MPEG-4 video file
২২। AAC এর পূর্ণরূপ — Advanced Audio
Coding
২৩। GIF এর পূর্ণরূপ — Graphic
Interchangeable Format
২৪। BMP এর পূর্ণরূপ — Bitmap
২৫। JPEG এর পূর্ণরূপ — Joint Photographic
Expert Group
২৬। SWF এর পূর্ণরূপ — Shock Wave Flash
২৭। WMV এর পূর্ণরূপ — Windows Media
Video
২৮। WMA এর পূর্ণরূপ — Windows Media
Audio
২৯। WAV এর পূর্ণরূপ — Waveform Audio
৩০। PNG এর পূর্ণরূপ — Portable Network
Graphics
৩১। DOC এর পূর্ণরূপ — Doc**ent (Microsoft
Corporation)
৩২। PDF এর পূর্ণরূপ — Portable Doc**ent
Format
৩৩। M3G এর পূর্ণরূপ — Mobile 3D Graphics
৩৪। M4A এর পূর্ণরূপ — MPEG-4 Audio File
৩৫। NTH এর পূর্ণরূপ — Nokia Theme(series
40)
৩৬। THM এর পূর্ণরূপ — Themes (Sony
Ericsson)
৩৭। MMF এর পূর্ণরূপ — Synthetic Music
Mobile Application File
৩৮। NRT এর পূর্ণরূপ — Nokia Ringtone
৩৯। XMF এর পূর্ণরূপ — Extensible Music File
৪০। WBMP এর পূর্ণরূপ — Wireless Bitmap
Image
৪১। DVX এর পূর্ণরূপ — DivX Video
৪২। HTML এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Markup
Language
৪৩। WML এর পূর্ণরূপ — Wireless Markup
Language
৪৪। CD এর পূর্ণরূপ — Compact Disk.
৪৫। DVD এর পূর্ণরূপ — Digital Versatile Disk.
৪৬। CRT — Cathode Ray Tube.
৪৭। DAT এর পূর্ণরূপ — Digital Audio Tape.
৪৮। DOS এর পূর্ণরূপ — Disk Operating
System.
৪৯। GUI এর পূর্ণরূপ — Graphical User
Interface.
৫০। ISP এর পূর্ণরূপ — Internet Service
Provider.
৫১। TCP এর পূর্ণরূপ — Transmission Control
Protocol.
৫২। UPS এর পূর্ণরূপ — Uninterruptible Power
Supply.
৫৩। HSDPA এর পূর্ণরূপ — High Speed
Downlink Packet Access.
৫৪। EDGE এর পূর্ণরূপ — Enhanced Data Rate
for GSM [Global System for Mobile
Communication]
৫৫। VHF এর পূর্ণরূপ — Very High Frequency.
৫৬। UHF এর পূর্ণরূপ — Ultra High Frequency.
৫৭। GPRS এর পূর্ণরূপ — General Packet
Radio Service.
৫৮। WAP এর পূর্ণরূপ — Wireless Application
Protocol.
৫৯। ARPANET এর পূর্ণরূপ — Advanced
Research Project Agency Network.
৬০। IBM এর পূর্ণরূপ — International Business
Machines.
৬১। HP এর পূর্ণরূপ — Hewlett Packard.
৬২। AM/FM এর পূর্ণরূপ — Amplitude/
Frequency Modulation.
৬৩। WLAN এর পূর্ণরূপ — Wireless Local Area
Network
৬৪। USB এর পূর্ণরূপ — Universal Serial Bus
28/07/2015
█║║আবদুল কালামের ১০টি উক্তি, যা আপনার জীবনধারা পালটে দেবে ║║█
'স্বপ্ন সেটা নয় যেটা তুমি ঘুমিয়ে দেখো। স্বপ্ন সেটা যেটা তোমায় ঘুমোতে দেয় না।'
'সূর্যের মতো দীপ্তিমান হতে হলে প্রথমে তোমাকে সূর্যের মতোই পুড়তে হবে।'
'যদি তুমি তোমার কাজকে স্যালুট কর, দেখো তোমায় আর কাউকে স্যালুট করতে হবে না। কিন্তু তুমি যদি তোমার কাজকে অসম্মান কর, অমর্যাদা কর, ফাঁকি দাও, তাহলে তোমায় সবাইকে স্যালুট করতে হবে।'
'যারা হৃদয় দিয়ে কাজ করতে পারে না; তাদের অর্জন অন্তঃসারশূন্য, উৎসাহহীন সাফল্য চারদিকে তিক্ততার উদ্ভব ঘটায়।'
প্রতিদিন সকালে এই পাঁচটা লাইন বলো :
১) আমি সেরা।
২) আমি করতে পারি
৩) সৃষ্টিকর্তা সব সময় আমার সঙ্গে আছে
৪) আমি জয়ী
৫) আজ দিনটা আমার
'ভিন্নভাবে চিন্তা করার ও উদ্ভাবনের সাহস থাকতে হবে, অপরিচিত পথে চলার ও অসম্ভব জিনিস আবিষ্কারের সাহস থাকতে হবে এবং সমস্যাকে জয় করে সফল হতে হবে। এ সকল মহানগুণের দ্বারা তরুণদের চালিত হতে হবে। তরুণ প্রজন্মের প্রতি এই আমার বার্তা।'
'জীবন একটি কঠিন খেলা। ব্যক্তি হিসেবে মৌলিক অধিকার ধরে রাখার মাধ্যমেই শুধুমাত্র তুমি সেখানে জয়ী হতে পারবে।'
'আকাশের দিকে তাকাও। আমরা একা নই। পুরো মহাবিশ্ব আমাদের প্রতি বন্ধুত্বসুলভ। যারা স্বপ্ন দেখে এবং কাজ করে শুধুমাত্র তাদেরকেই শ্রেষ্ঠটা দেওয়ার জন্য চক্রান্তে লিপ্ত এই বিশ্ব।'
'উৎকর্ষতা একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং এটি কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়।'
'যদি একটি দেশকে দুর্নীতিমুক্ত এবং সুন্দর মনের মানুষের জাতি হতে হয়, তাহলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি এ ক্ষেত্রে তিনজন সামাজিক সদস্য পার্থক্য এনে দিতে পারে। তারা হলেন বাবা, মা এবং শিক্ষক।'
সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, প্রি-ক্যাডেট, বিশেষজ্ঞ ডাক্তার, হাসপাতাল, ক্লিনিক, প্যাথলজি , ব্যাবসাবানিজ্য ইত্যাদির তথ্য মানুষের কাছে সহজেই পৌছে দেওয়ায় https://www.facebook.com/onlinesatkhira পেইজের মূল উদ্দেশ্য। আপনিও লাইক করলে পেয়ে যাবেন সব পোষ্ট। তাই লাইক দিতে মিস করবেন না।
Online Satkhira সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, প্রি-ক্যাডেট, বিশেষজ্ঞ ডাক্তার, হাসপাতাল, ক্লিনিক, প্যাথলজি, ব্যাবসাবানিজ্য ইত্যাদি তথ্য সর্বাধিক প্রচারের জন্য আজই পাঠিয়ে দিন আমাদেরকে।
23/07/2015
আধুনিক ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা এখন সাতক্ষীরাতে: সাক্ষাৎকারে বললেন ডা: মৌসুমী রহমান - Patradoot.net নিজস্ব প্রতিনিধি: বেশীরভাগ মানুষের জীবনে কোন না কোন সময় ব্যথাজনিত সমস্যায় ভুগে থাকেন। আমাদের দেশে প্রতি পাঁচ জনের মধ্যে চার জন এ ব্যথায় আক্রান্ত হন। বাংলাদেশে প্রতিদিন গড়ে প্রায় নব্বই হাজার মানুষ ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার উপর নির্ভরশীল। কিন্তু এর মধ্যে শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ সঠিক ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা পায় না এ…
█║║ ৭টি উপায়ে কমিয়ে আনুন স্ট্রোকের ঝুঁকি ║║█
মানুষের সাধারণত স্ট্রোক হয়ে থাকে মস্তিষ্কের রক্তনালীর দুর্ঘটনা থেকে। বিশ্বে প্রতি ৬ সেকেন্ডে একজন করে ব্যক্তি ষ্ট্রোকে মারা যায়। কখন কে ষ্ট্রোক করে মারা যেতে পারে৪ তা কেউ বলতে পারেনা।
কিন্তু কিছু সচেতনতা বা অভ্যাসের কথা জানা থাকা ভালো যেগুলি স্ট্রোকের ঝুঁকি কমিয়ে আনতে অত্যন্ত কার্যকরী।
১. উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ:
হাইপারটেনশন এক ধরনের উচ্চ রক্তচাপ। এটি স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায় এবং অন্যান্য হার্টের সমস্যা তৈরি করে। এই উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ আনার অভ্যাসটি স্ট্রোকের ঝুঁকি কমিয়ে আনতে সহায়তা করে। এর জন্য লবণ কম খাওয়া, শারিরীক ব্যায়াম করা এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা প্রয়োজন। স্বাভাবিক রক্তচাপ স্ট্রোক হতে দেয় না।
২. হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণ:
জন্মের সময়েই একজনের হৃদরোগের সমস্যা দেখা দিতে পারে, যা বংশানুক্রমেই ছড়িয়ে থাকে। এই হৃদরোগের ফলেই একজনের হাইপারটেনশন, স্থূলতা. ডায়বেটিস, উচ্চ কোলেস্টরেল ইত্যাদির সমস্যা হতে পারে।
এই হৃদরোগের ফলে করোনারি আর্টারির সমস্যাও, হার্টের ভাল্বের সমস্যা, হার্টের পেশীর সমস্যা, হার্টের বৃদ্ধি পাওয়া, অস্বাভাবিক হৃদস্পন্দন ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে। প্রতিনিয়ত মেডিকেল চেকআপের মাধ্যমে হার্টের এই ধরনের সমস্যাগুলি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।
৩. উচ্চ কোলেস্টরেল কমানো:
উচ্চ কোলেস্টরেলের সমস্যা হার্টের বিভিন্ন রোগ তৈরি এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে থাকে। অতিরিক্ত ফ্যাটের কারণে এই ধরনের কোলেস্টরেলের সমস্যা হয়ে থাকে। বিভিন্ন ডায়েটের অভ্যাসের মাধ্যমে উচ্চ কোলেস্টরেল নিয়ন্ত্রণে এনে স্ট্রোকের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।
৪. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ:
ডায়াবেটিসের কারণে বিভিন্ন ধরনের হার্টের সমস্যা এবং কার্ডিওভাসকুলার রোগের সৃষ্টি হতে পারে। রক্তে সুগারের আধিক্যে এই ডায়াবেটিস হয়ে থাকে। জন্মের সময়েই বা পরবর্তীতেও এই রোগটি একজনের হতে পারে।
বিভিন্ন শারিরীক ব্যায়াম, খাদ্যের বাছবিচার, ইনসুলিন ট্রিটমেন্ট ইত্যাদির মধ্য দিয়ে এই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব যা একজনের স্ট্রোকের ঝুঁকি বহুলাংশে কমিয়ে আনে।
৫. স্থূলতা নিয়ন্ত্রণ:
স্থূলতাও একজন ব্যক্তির স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। এটির ফলে হাইপারটেনশন এবং কোলেস্টরেলের মাত্রা অনেকাংশে বেড়ে যায়। এই স্থূলতা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে স্ট্রোকের ঝুঁকি কমিয়ে আনা সম্ভব।
৬, ধূমপান ত্যাগ:
ধূমপানের ফলে হার্টের বিভিন্ন সমস্যা, কার্ডিওভাসকুলার রোগ এবং হাইপারটেনশন হয়ে থাকে। এর ফলে স্ট্রেকের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে। ফলে ধূমপান ত্যাগের অভ্যাসটি স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে আনতে সহায়তা করে।
৭. মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ:
মানসিক চাপ একজন ব্যক্তির হার্টের সমস্যা, হাইপারটেনশন বাড়িয়ে দিয়ে স্ট্রোকের ঝুঁকি তৈরি করে। বিভিন্ন মাধ্যমে এই মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করে স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।
█║║ বিনা পয়সায় এলার্জি থেকে পরিত্রানের উপায় ║║█
রত্যেক মানুষের শরীরে এক একটি প্রতিরোধ ব্যবস্থা থাকে, যখনই এই প্রতিরোধ ব্যবস্থায় সমস্যা দেখা যায় তখনই এলার্জির সৃষ্টি হয়। আমাদের শরীর সব সময়ই ক্ষতিকর বস্তু যেমন ভাইরাস,ব্যাকটেরিয়া এবং পরজীবী ছত্রাক ইত্যাদির মাধ্যমে বিভিন্ন রোগ থেকে সুরক্ষা দেয়ার চেষ্টা করে। এই প্রচেষ্টাকে রোগ প্রতিরোধ প্রক্রিয়া বা ইমিউন বলে। কিন্তু কখনও কখনও আমাদের শরীর সাধারণত ক্ষতিকর নয় এমন অনেক ধরনের বস্তুকেও ক্ষতিকর ভেবে প্রতিরোধের চেষ্টা করে। সাধারণত ক্ষতিকর নয় এমন সব বস্তুর প্রতি শরীরের এই অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াকে এলার্জি বলা হয়। এলার্জি সৃষ্টিকারী বহিরাগত বস্তুগুলোকে উৎপাদক বা এলার্জেন বলা হয়। এলার্জি নিয়ন্ত্রনের সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে, যে সব জিনিসে এলার্জির উপাদান আছে তা পরিহার করা। তাহলে চলুন দেখেনি বিনা পয়সায় কিভাবে এলার্জি থেকে পরিত্রান পাওয়া যায়।
১. প্রথমে এক কেজির মত নিম পাতা ভালভাবে রোদে শুকিয়ে নিতে হবে।
২. পাতা গুলো শুকিয়ে গেলে তা ভাল করে পাটা-পুতা বা অন্যকোন কিছু দিয়ে নিমপাতা বেটে বা গুড়ো করে নিন। পরে গুড়ো করা নিম পাতা ভাল করে কোন কৌটায় বা পাত্রে ভরে রাখুন।
৩. সবার বাসায় ইউসুব গুলের ভুষি থাকেই। না থাকলে বাজারে পাওয়া যায়, বাজার থেকে কিনে নিন। এক চামুচের তিন ভাগ্যের এক ভাগ নিম পাতার গুঁড়া ও এক চামুচ ইউসুব গুলের ভুষি এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।
৪. প্রায় আধা ঘণ্টা এভাবে ভিজিয়ে রাখার পর একটি চামুচ দিয়ে নাড়তে থাকুন।
৫. প্রতি দিন সকালে খালি পেটে, দুপুরে ভরা পেটে এবং রাত্রে শোয়ার আগে খেয়ে ফেলুন। ২১ দিন একটানা খেতে হবে।
৬. কার্যকারীতা শুরু হতে ১ মাস লেগে যেতে পারে। ইনশাআল্লাহ ভালো হয়ে যাবে ।
█║║ ব্যায়াম ছাড়া মেদ কমানোর সহজ উপায় ║║█
শহুরে জীবনে দীর্ঘ সময় বসে বসে কাজ করা, দৈহিক পরিশ্রম কম হওয়ার কারণে পেটে মেদ জমতে থাকে। যত দ্রুত পেটে মেদ জমে, তত দ্রুত মেদ ঝেড়ে ফেলাটা কিন্তু কঠিন। তবে হতাশ হবার কিছু নেই। সমস্যা থাকলে তার সমাধানও আছে।
কিছু কৌশল জানা থাকলে আর প্রতিদিনকার কিছু সহজ অভ্যাসের মাধ্যমে কমিয়ে ফেলতে পারবেন আপনার পেটের চর্বি। জেনে নিন ৮ টি সহজ উপায়। ব্যায়াম না করে দ্রুত ভুঁড়ি কমাবার সহজ উপায় এর থেকে আর কিছু হতেই পারে না।
১. প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস গরম লেবুর শরবত:
এক গ্লাস গরম পানিতে অর্ধেকটা লেবু চিপে নিন, এতে এক চিমটি লবণ মিশিয়ে নিন। চিনি দেবেন না। এবার পান করুন সকালে ঘুম থেকে উঠেই আর রাতে ঘুমুতে যাবার ঠিক আগে। এটি আপনার দেহের বাড়তি মেদ ও চর্বি কমাতে সব চেয়ে ভালো উপায়।
২. সাদা ভাতের বদলে লাল চালের ভাত:
সাদা ভাতের বদলে বেছে নিতে পারেন লাল চালের ভাত, ব্রাউন ব্রেড, আটার রুটি। এতে আপনার দেহে ক্যালোরি অতিরিক্ত ঢুকবে না। পেটে জমা চর্বি কমে আসবে ধীরে ধীরে।
৩. চিনিযুক্ত খাবার একেবারেই না:
মিষ্টি বা মিষ্টি জাতীয় খাবার, কোল্ড ড্রিংকস এবং তেলে ভাজা স্ন্যাক্স থেকে দূরে থাকুন। কেননা এ জাতীয় খাবারগুলো আপনার শরীরের বিভিন্ন অংশে, বিশেষত পেট ও উরুতে খুব দ্রুত চর্বি জমিয়ে ফেলে। তাই এগুলো খাওয়ার পরিবর্তে ফল খান।
৪. প্রচুর পানি পান করুন: প্রতিদিন প্রচুর পানি পান করার ফলে এটা আপনার দেহের মেটাবলিজম বাড়ায় ও রক্তের ক্ষতিকর উপাদান প্রস্রাবের সঙ্গে বের করে দেয়। মেটাবলিজম বাড়ার ফলে দেহে চর্বি জমতে পারে না ও বাড়তি চর্বি ঝরে যায়।
৫. প্রতিদিন তিন কোয়া রসুন: প্রতিদিন সকালে উঠেই খালি পেটে ২/৩ কোয়া রসুন চিবিয়ে খেয়ে নিন, এর ঠিক পর পরই পান করুন লেবুর রস। এটি আপনার পেটের চর্বি কমাতে দ্বিগুণ দ্রুতগতিতে কাজ করবে। তাছাড়া দেহের রক্ত চলাচলকে আরো বেশি সহজ করবে এটি।
৬. মশলা খান: রান্নায় অতিরিক্ত মশলা ব্যবহার করা ঠিক নয়। তবে কিছু মশলা ওজন কমাতে সাহায্য করে ম্যাজিকের মতো। রান্নার ব্যবহার করুন দারুচিনি, আদা ও গোলমরিচ। এগুলো আপনার রক্তে শর্করার পরিমাণ কমাবে ও পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করবে।
৭. প্রচুর ফল ও সবজি: প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় এক বাটি ভর্তি ফল ও সবজি খাবার চেষ্টা করুন। এতে আপনার শরীর পাবে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, মিনারেল ও ভিটামিন। আর এগুলো আপনার রক্তের মেটাবলিজম বাড়িয়ে পেটের চর্বি কমিয়ে আনবে সহজেই।
৮. মাংস থেকে দূরে থাকুন: অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত মাংস যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন। এর বদলে বেছে নিতে পারেন কম তেলে রান্না করা চিকেন।
ব্যায়াম করার সময় নেই তো হয়েছে, তাই বলে কী ভুঁড়ি কমবে না? মেনে চলুন ওপরের নিয়মগুলো আর ফিরে পান আপনার মেদহীন সুন্দর স্বাস্থ্য।
█║║ কোষ্ঠকাঠিন্য চিরকাল দূরে রাখবে ৬ টি দারুণ কার্যকরী খাবার ║║█
বেশিরভাগ মানুষই কোনো না কোনো বয়সে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগে থাকেন। তবে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা খুব বেশি মারাত্মক কিছু নয় যদি এর চিকিৎসা খুব দ্রুত করে ফেলা সম্ভব হয়। তা না হলে পাইলস হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই সাবধান থাকুন সকলে। আজকে চিনে নিন দারুণ সব খাবারের তালিকা যা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূরে রাখবে চিরকাল। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখুন এই খাবারগুলো এবং সুস্থ থাকুন।
১) আপেল
আপেলের খোসার মধ্যে রয়েছে স্যলুবল এবং ইনস্যলুবল ফাইবার যা খাবার হজমের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে কার্যকরী। এছাড়াও আপেলের প্যাক্টিন নিশ্চিত করে পরিপাকতন্ত্রের সঠিক কর্মক্ষমতা। সবচাইতে ভালো ফলাফল পেটে প্রতিদিন খালি পেটে অন্তত ১ টি আপেল খেয়ে নিন।
২) কলা
কলাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। এবং এর পটাশিয়াম বৃহদান্ত্র ও ক্ষুদ্রান্ত্রের কর্মক্ষমতা বাড়ায়।
৩) গাজর
অত্যন্ত সুস্বাদু এই সবজিটি প্রক্রিতিক ডায়াটেরি ফাইবারের বেশ ভালো উৎস। মাত্র আধা ইঞ্চির ৭ খণ্ড গাজরে রয়েছে প্রায় ১.২ গ্রাম ফাইবার। প্রতিদিন গাজর খাওয়ার অভ্যাস কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাকে দূরে রাখবে চিরকাল।
৪) শসা
শসার বেশীরভাগ অংশই পানি দিয়ে তৈরি, আর শসার ডায়াটেরি ফাইবার শসাকে করে তোলে কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যার মহৌষধ। দীর্ঘমেয়াদী কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও দূর করতে সক্ষম নিয়মিত শসা খাওয়ার অভ্যাস।
৫) কমলা
উচ্চমাত্রার ফাইবার সমৃদ্ধ কমলা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। রাতে ঘুমুতে যাওয়ার আগে একটি বা দুটি কমলা খাওয়া অভ্যাস কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করবে।
৬) কাঠবাদামের তেল
কাঠবাদামের তেল কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী। কাঠবাদামের ল্যাক্সাটিভ ইফেক্ট হজম ত্বরান্বিত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। প্রতিদিন রাতে ১ গ্লাস দুধে ২ টেবিল চামচ কাঠবাদামের তেল মিশিয়ে পান করলে সমস্যার দ্রুত সমাধান পাওয়া সম্ভব।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Website
Address
9400