Poro Academy

Poro Academy পড়ো - আলোকিত হও

01835818550

আজ একটা জিনিস আমাকে বেশ নাড়িয়ে দিয়েছে।আজ আমার কয়েকজন স্টুডেন্ট পদার্থবিজ্ঞানে এমন ফল করেছে, যা আমি একদমই আশা করিনি।অথচ এ...
04/08/2026

আজ একটা জিনিস আমাকে বেশ নাড়িয়ে দিয়েছে।

আজ আমার কয়েকজন স্টুডেন্ট পদার্থবিজ্ঞানে এমন ফল করেছে, যা আমি একদমই আশা করিনি।

অথচ এদের অনেকেই ক্লাসে প্রশ্ন করলে পারে। বুঝালে বুঝতে পারে। কিন্তু পরীক্ষার খাতায় যেন অন্য মানুষ হয়ে যায়। প্রশ্ন ভুল বোঝে, নিজের মতো উত্তর লেখে, জানা জিনিসও ঠিকভাবে প্রকাশ করতে পারে না।

তখনই মনে হলো, এখনই যদি সমস্যার মূল কারণ না ধরি, তাহলে সময়ের সঙ্গে সেটা আরও বড় হবে।

আজ নিজেও অসুস্থ, সন্ধ্যা থেকে বেড রেস্টে। তবু শুয়ে শুয়েই শুরু করলাম একটা Student Case Study System।

প্রতিটি স্টুডেন্টের শক্তি, দুর্বলতা, শেখার ধরন, বারবার করা ভুল, কী সমাধান কাজ করেছে, সব এক জায়গায় থাকবে। AI সেই তথ্যগুলো বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যতে আরও দ্রুত এবং ব্যক্তিকেন্দ্রিক গাইড করতে সাহায্য করবে।

এখন শুধু কয়েকজন স্টুডেন্টকে নিয়ে শুরু করেছি। কতদূর যেতে পারব জানি না।

তবে বিশ্বাস করি, প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য একই সমাধান নয়, সঠিক সমাধানটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

ইনশাআল্লাহ।

পাঁচ দিন আগে একটা ছোট্ট জিনিস কিনেছি। দাম খুব বেশি না।এটা কেনার পর থেকে কাজে বসাটা আগের চেয়ে অনেক সহজ হয়ে গেছে।একটা ছো...
02/08/2026

পাঁচ দিন আগে একটা ছোট্ট জিনিস কিনেছি। দাম খুব বেশি না।

এটা কেনার পর থেকে কাজে বসাটা আগের চেয়ে অনেক সহজ হয়ে গেছে।

একটা ছোট্ট Pomodoro Timer।

আমি কলেজ জীবনের থেকেই Pomodoro Technique ব্যবহার করি।

এর মানে হলো-

২৫ মিনিট শুধু পড়া। তারপর ৫ মিনিট ব্রেক।

তবে ব্রেকে একটা নিয়ম আছে...

মোবাইল ধরা যাবে না।

পানি খাও, একটু হাঁটো, বা দুই মিনিট রিল্যাক্স করো।

কিন্তু ফোন না।

এতদিন মোবাইলেই টাইমার চালাতাম। কিন্তু টাইমার অন করতে গিয়েই অনেক সময় অন্য অ্যাপে ঢুকে যেতাম। 😅

এই ছোট্ট টাইমারটা সেই সমস্যাটাই দূর করে দিয়েছে, আলহামদুলিল্লাহ।

তোমরাও চাইলে পড়ার সময় এমন একটা টাইমার ব্যবহার করতে পারো।

01/08/2026

ম্যাথ কি আমাদের জীবনে কোনো কাজে লাগে?

24/07/2026

আলোর প্রতিফলন ! পদার্থ বিজ্ঞান (৮ম অধ্যায়) ! SSC
গত বছরের জুলাইয়ে পদার্থবিজ্ঞানের আলোর প্রতিফলন অধ্যায়ের প্রেজেন্টেশন স্লাইডস বানিয়েছিলাম। পরে ২–৩ বার আপডেটও করেছি।

আজ Poroian 28-কে পড়াতে গিয়ে মনে হলো, এবার আর আপডেট না, পুরো স্লাইডসই নতুন করে বানানো দরকার।

তাই পুরো ডেকটা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত রিডিজাইন করে ফেললাম। 😊

গত বছরের জুলাইয়ে পদার্থবিজ্ঞানের আলোর প্রতিফলন অধ্যায়ের প্রেজেন্টেশন স্লাইডস বানিয়েছিলাম। পরে ২–৩ বার আপডেটও করেছি।আজ Po...
24/07/2026

গত বছরের জুলাইয়ে পদার্থবিজ্ঞানের আলোর প্রতিফলন অধ্যায়ের প্রেজেন্টেশন স্লাইডস বানিয়েছিলাম। পরে ২–৩ বার আপডেটও করেছি।

আজ Poroian 28-কে পড়াতে গিয়ে মনে হলো, এবার আর আপডেট না, পুরো স্লাইডসই নতুন করে বানানো দরকার।

তাই পুরো ডেকটা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত রিডিজাইন করে ফেললাম। 😊

কয়েক মাস ধরে ঘরের একটা রুম গুছিয়ে ঠিক করব বলে ভাবছিলাম।রুমটা এতটাই এলোমেলো হয়ে গিয়েছিল যে আমি রুমের নামই দিয়ে দিয়েছ...
17/07/2026

কয়েক মাস ধরে ঘরের একটা রুম গুছিয়ে ঠিক করব বলে ভাবছিলাম।

রুমটা এতটাই এলোমেলো হয়ে গিয়েছিল যে আমি রুমের নামই দিয়ে দিয়েছিলাম "ডিপ্রেশন রুম"। রুমে ঢুকলেই ডিপ্রেশড হয়ে যেতাম।

প্রতিবার ভাবতাম, "আজকে রুমটা ঠিক করব।" তারপর চারদিকে তাকিয়ে মনে হতো—এত কাজ! কোথা থেকে শুরু করব? শেষ পর্যন্ত কিছুই করা হতো না।

একদিন বুঝলাম, পুরো রুম একদিনে বদলানোর চেষ্টা করাটাই সমস্যা।

তাই টার্গেট পাল্টালাম।

আজ শুধু একটা র্যাক।
আগামীকাল একটা ড্রয়ার।
তারপর একটা বক্স।
তারপর একটা শেলফ।

প্রতিদিন খুব ছোট একটা কাজ।

মজার ব্যাপার হলো, প্রতিবার একটা ছোট কাজ শেষ হওয়ার পর মনে হতো, "আচ্ছা, আরেকটাও করি।"

এভাবেই কয়েক দিনের মধ্যে পুরো রুমটাই গুছিয়ে ফেললাম।

যে কাজটা দুই-তিন মাস ধরে "করব, করব" বলে করা হচ্ছিল না, সেটা শেষ হয়ে গেল ছোট ছোট কিছু কাজের ওপর ভর করে।

এখানেই Small Wins-এর শক্তি।

আমরা অনেক সময় বড় লক্ষ্য দেখে থেমে যাই। কিন্তু ছোট একটা জয় মস্তিষ্ককে বলে, "তুমি পারছ। চালিয়ে যাও।" এরপর পরের কাজটা আগেরটার চেয়ে একটু সহজ লাগে।

হয়তো বড় সাফল্য এক লাফে আসে না। কিন্তু অনেক ছোট ছোট জয় একসাথে মিলেই বড় পরিবর্তন তৈরি করে।

আমার ছাত্রজীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়টা ছিল কলেজ লাইফ।তবে ওই সময়ের মজার স্মৃতিগুলোর একটা ছিল বন্ধুদের সাথে খেলা একটা ব্রেইন গ...
17/07/2026

আমার ছাত্রজীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়টা ছিল কলেজ লাইফ।

তবে ওই সময়ের মজার স্মৃতিগুলোর একটা ছিল বন্ধুদের সাথে খেলা একটা ব্রেইন গেম।

ওরা র‍্যান্ডম ২০–৩০টা জিনিসের নাম বলত। আমি এক–দুইবার শুনে সব বলে দিতে পারতাম।

শুধু নাম না, কোনটা কত নম্বরে ছিল, আবার কোনো নম্বর বললে ওই নম্বরে কী ছিল, সেটাও।

একসময় ৫০টারও বেশি জিনিস এভাবে মনে রেখেছিলাম।

আমার মেমরি মোটেও অন্যদের চেয়ে ভালো ছিল না।

আমি শুধু একটা টেকনিক জানতাম।

আজ পর্যন্ত যত মেমরি টেকনিক শিখেছি, তার মধ্যে এটা সবচেয়ে পাওয়ারফুল লেগেছে।

Memory Palace, বা Method of Loci।

Memory Palace টেকনিকটা আসলে কী?

ধর, তোমাকে এই ৫টা জিনিস মনে রাখতে হবে=>

আপেল, হাতি, ঘড়ি, ক্যামেরা, ছাতা।

এখন এগুলো মুখস্থ করতে যেও না।

বরং তোমার ক্লাসরুমটা কল্পনা করো। যেভাবে প্রতিদিন দরজা দিয়ে ঢোকো, ঠিক সেভাবেই মনে মনে হাঁটবে।

প্রথমে কয়েকটা Memory লোকেশন ঠিক করে নাও। যেমন-
১. দরজা
২. ডাস্টবিন (SAP supremacy 😅। ক্লাসে ঢুকেই কতবার যে ধাক্কা খেয়েছি!)
৩. হোয়াইটবোর্ড
৪. টিচার্স ডেস্ক
৫. লাইট-ফ্যানের সুইচ

এখন মনে রাখতে চাওয়া জিনিসগুলোকে এই লোকেশনগুলোর সাথে জুড়ে দাও। যত অদ্ভুত হবে, তত ভালো।

দরজায় একটা বিশাল আপেল আটকে আছে। ঠেলে ঢুকতেই পারছ না।

ডাস্টবিনের ভেতরে একটা হাতি ঢোকার চেষ্টা করছে।

হোয়াইটবোর্ডে একটা বিশাল ঘড়ি ঝুলছে টিচার বোর্ডে জায়গা না পেয়ে ঘড়িতে লিখছেন।

টিচার্স ডেস্কের ওপর একটা ক্যামেরা নিজে নিজেই ছবি তুলছে সবার।

সুইচবোর্ডে একটা ছাতা ঝুলছে। লাইট জ্বালাতে গেলেই সেটা নিজে নিজে তেড়ে আসছে মারতে।

ব্যাস! কাজ শেষ।

এখন যদি আমি জিজ্ঞেস করি, তৃতীয় জিনিস কী?

তুমি তালিকা মনে করার চেষ্টা করবে না।

শুধু মনে মনে ক্লাসে ঢুকবে।

দরজা... ডাস্টবিন... তারপর হোয়াইটবোর্ড।

হোয়াইটবোর্ডে কী ছিল?
ঘড়ি।

আবার যদি বলি, ক্যামেরাটা কোথায় ছিল?
মনে মনে হাঁটতে হাঁটতে টিচার্স ডেস্কে চলে যাবে।

এই হলো Memory Palace।

পরীক্ষার আর ২০ দিন বাকি।আজ পড়তে বসলে অনেকটাই এগিয়ে যেতে।কিন্তু মনে হলো, "কাল থেকে শুরু করব।"কাল এলো।আবারও মনে হলো, "এখ...
17/07/2026

পরীক্ষার আর ২০ দিন বাকি।

আজ পড়তে বসলে অনেকটাই এগিয়ে যেতে।

কিন্তু মনে হলো, "কাল থেকে শুরু করব।"

কাল এলো।

আবারও মনে হলো, "এখনও তো অনেক সময় আছে।"

এভাবেই দেখতে দেখতে একদিন হঠাৎ বুঝলে- পরীক্ষা আগামীকাল।

তারপর এক রাতেই পুরো সিলেবাস শেষ করার যুদ্ধ।

এর পেছনে বড় কারণ আলসেমি নয়।

বরং আমাদের মনে হয়, "এখনই শুরু করার দরকার নেই।"

এই "এখনও সময় আছে" চিন্তাটাই ধীরে ধীরে আমাদের পরীক্ষার আগের রাত পর্যন্ত নিয়ে যায়।

আর তখন একটাই আফসোস-

"ইশ! আর যদি একটা দিন বেশি পেতাম..."

নিজেকে পরীক্ষার আগের রাতে অপ্রস্তুত অবস্থায় আবিষ্কার করা থেকে বাঁচার উপায়?

একটাই কৌশল- নিজের জন্য ছোট ছোট ডেডলাইন বানাও।

ধরো, পরীক্ষা শুরু হতে এখনও ১ মাস বাকি। পদার্থবিজ্ঞানের ৩টি অধ্যায় পড়া বাকি।

এখন পুরো সিলেবাস নিয়ে ভাববে না।

বরং ঠিক করো-

প্রথম ১০ দিনের মধ্যে ১টি অধ্যায় শেষ করতেই হবে।

অর্থাৎ, ১০ম দিনটাই ওই অধ্যায়ের "পরীক্ষার আগের রাত"।

এভাবেই পরের ১০ দিনে আরেকটি, শেষ ১০ দিনে শেষটি।

মস্তিষ্ক বড় কাজ এড়িয়ে যায়, কিন্তু ছোট কাজ শুরু করতে আপত্তি করে না।

ছোট ছোট ডেডলাইনই বড় চাপ থেকে বাঁচার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

পানিশূণ্যতার সমাধান...
29/03/2026

পানিশূণ্যতার সমাধান...

শিক্ষক হিসেবে আমার সবচেয়ে প্রিয় কাজ কোনটা জানো?-স্লাইড বানানো।কিন্তু কষ্টের ব্যাপার হলো,এই একটা কাজই সবচেয়ে বেশি সময় ন...
28/03/2026

শিক্ষক হিসেবে আমার সবচেয়ে প্রিয় কাজ কোনটা জানো?

-স্লাইড বানানো।

কিন্তু কষ্টের ব্যাপার হলো,
এই একটা কাজই সবচেয়ে বেশি সময় নিয়ে নেয়।

Address

Haramia
Sandwip
4300

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Poro Academy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share