সম্মানিত অভিভাবকবৃন্দ ও প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ,
আসসালামু আলাইকুম,আশা করছি সবাই আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। সবার ঈদ নিরাপদে কেটেছে।
আগামীকাল ২৯মার্চ রবিবার থেকে মাদ্রাসার নির্ধারিত ক্লাস চলবে। তাই সকল শিক্ষার্থীকে পূর্ণাঙ্গ মাদ্রাসার ড্রেস পরে পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে নির্দিষ্ট সময়ে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করছি।
সবাইকে ধন্যবাদ
প্রধান শিক্ষক
দারুন নাজাত মডেল মাদ্রাসা লক্ষ্মীপুর
দারুন নাজাত মডেল মাদ্রাসা লক্ষ্মীপুর
রমজানের বিজোড় রাতের ফজিলত
(কুরআন ও হাদিসের আলোকে)
রমজান মাস রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস। বিশেষ করে রমজানের শেষ দশক অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ। এই শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলোতে মহান আল্লাহ এমন একটি রাত রেখেছেন, যাকে বলা হয় লাইলাতুল কদর।
১. লাইলাতুল কদরের গুরুত্ব
আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেন—
لَيْلَةُ الْقَدْرِ خَيْرٌ مِّنْ أَلْفِ شَهْرٍ
“লাইলাতুল কদর হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।”
— (সূরা কদর: ৩)
অর্থাৎ এই এক রাতের ইবাদত ৮৩ বছর ৪ মাসের ইবাদতের চেয়েও বেশি সওয়াব।
২. বিজোড় রাতে লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
“তোমরা রমজানের শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলোতে লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান কর।”
— (সহিহ বুখারি: ২০১৭, সহিহ মুসলিম)
তাই ২১, ২৩, ২৫, ২৭ এবং ২৯ তারিখের রাতগুলোতে বিশেষভাবে ইবাদত করা উচিত।
৩. রাসুল ﷺ এর আমল
হযরত আয়েশা (রা.) বলেন—
“রমজানের শেষ দশক এলে রাসুলুল্লাহ ﷺ রাত জেগে ইবাদত করতেন, পরিবারকে জাগিয়ে দিতেন এবং ইবাদতে বেশি মনোযোগ দিতেন।”
— (সহিহ বুখারি: ২০২৪, সহিহ মুসলিম: ১১৭৪)
এ থেকে বোঝা যায়, এই রাতগুলোতে অধিক ইবাদত করা সুন্নত।
বিজোড় রাতে গুরুত্বপূর্ণ আমল
১. নফল নামাজ
তাহাজ্জুদ, নফল নামাজ বেশি করে পড়া।
২. কুরআন তিলাওয়াত
আল্লাহর কালাম তিলাওয়াত করা এবং অর্থ বোঝার চেষ্টা করা।
৩. বেশি বেশি দোয়া করা
হযরত আয়েশা (রা.) জিজ্ঞেস করেছিলেন—
“ইয়া রাসুলুল্লাহ! যদি আমি লাইলাতুল কদর পাই তাহলে কি দোয়া করব?”
রাসুল ﷺ বললেন—
اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي
“হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে ভালোবাসেন, তাই আমাকে ক্ষমা করে দিন।”
— (তিরমিজি: ৩৫১৩)
৪. জিকির ও ইস্তেগফার
সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বেশি বলা।
৫. দান-সদকা
গোপনে দান করা এই রাতের একটি বড় আমল।
বিজোড় রাতে আখলাক ও আচরণ:
এই রাত শুধু ইবাদতের জন্য নয়, চরিত্র সংশোধনেরও সময়।
✔ গীবত থেকে বাঁচা
✔ মিথ্যা কথা পরিহার করা
✔ কাউকে কষ্ট না দেওয়া
✔ মানুষের হক আদায় করা
✔ আল্লাহর কাছে তওবা করা
রাসুল ﷺ বলেছেন—
“যে ব্যক্তি ঈমান ও সওয়াবের আশায় লাইলাতুল কদরে ইবাদত করবে, তার পূর্বের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।”
— (সহিহ বুখারি: ১৯০১)
বি. দ্র.
(রমজানের শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলো আমাদের জন্য অমূল্য সুযোগ। এই রাতগুলোতে আমরা যদি আন্তরিকভাবে ইবাদত করি, তওবা করি এবং নিজেদের জীবন সংশোধন করি—তাহলে আল্লাহ তাআলা আমাদের গুনাহ ক্ষমা করে দিতে পারেন।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে লাইলাতুল কদরের বরকত লাভ করার তাওফিক দান করুন।
– আমিন)
আমরা অত্যন্ত দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানাচ্ছি যে, দারুন নাজাত মডেল মাদ্রাসা লক্ষীপুর মডেল ওয়ানের ছাত্রী সাবিহা আক্তারের মমতাময়ী মা কিছুক্ষণ আগে ইন্তেকাল করেন।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন।
আল্লাহ তায়ালা তাকে জান্নাতবাসী হিসেবে কবুল করুন।
18/12/2025
ওসমান হাদি ইন্তেকাল করেছেন।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।😭
আল্লাহ তায়ালা বিদ্রোহী আত্মাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন।🤲
15/12/2025
১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গৌরবময় দিন। এই দিনে দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ শত্রুমুক্ত হয় এবং একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়ায়।
১৯৭১ সালে লাখো শহীদের আত্মত্যাগ, অসংখ্য মা-বোনের ত্যাগ ও নির্যাতনের বিনিময়ে আমরা অর্জন করেছি এই বিজয়। মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্ব, সাহস ও দেশপ্রেম আমাদের চিরদিনের প্রেরণা। বিজয় দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয়—স্বাধীনতা কখনোই বিনা মূল্যে আসে না।
এই দিনে আমরা শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি এবং প্রতিজ্ঞা করি দেশকে ভালোবাসব, দেশের জন্য সৎ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে কাজ করব ইনশাআল্লাহ।
(এসব লেখা পড়লে ভয় লাগে।)
হযরত থানভী রাহ. বলেন, ‘রাগান্বিত অবস্থায় কখনও শিশুকে প্রহার করবে না। পিতা ও উস্তাদ উভয়ের জন্যই এই কথা। রাগ প্রশমিত হওয়ার পর চিন্তা-ভাবনা করে শাস্তি দিবে। উত্তম শাস্তি হল ছুটি মওকুফ করে দেওয়া। শিশুর উপর এর খুব প্রতিক্রিয়া হয়ে থাকে। মিয়াজী ছাত্র প্রহারে এজন্য স্বাধীন হয়ে যান যে, তাকে প্রশ্ন করার কেউ থাকে না। শিশুর তো প্রশ্ন করার যোগ্যতাই নেই আর অভিভাবক মিয়াজীকে পূর্ণ স্বাধীন করে দিয়েছেন এই বলে যে, ‘হাড্ডি আমাদের, আর চামড়া মিয়াজীর’!
মনে রাখবে, যার অধিকার সম্পর্কে প্রশ্ন করার কেউ থাকে না তার সম্পর্কে প্রশ্নকারী স্বয়ং আল্লাহ। এমনকি কোনো যিম্মী (মুসলিম দেশের অমুসলিম নাগরিক, যার নিরাপত্তা মুসলিম শাসকের যিম্মায়) কাফিরের উপর যদি কোনো শাসক জুলুম করে তাহলে হাদীস শরীফে এসেছে যে, আল্লাহ ও তার রাসূলের কাছে এর জন্য জবাবদিহি করতে হবে। (আনফাসে ঈসা পৃ. ১৭৩)
শিশুদেরকে প্রহার করা অত্যন্ত ভয়াবহ :
শিশুদেরকে প্রহার করা খুবই ভয়াবহ। আমাদের পিতা হযরত মাওলানা মুফতী মুহাম্মাদ শফী রাহ. বলতেন, অন্যান্য গুনাহ তো তওবার মাধ্যমে মাফ হতে পারে, কিন্তু শিশুদের উপর জুলুম করা হলে এর ক্ষমা পাওয়া খুবই জটিল। কেননা, এটা হচ্ছে বান্দার হক। আর বান্দার হক শুধু তওবার দ্বারা মাফ হয় না, যে পর্যন্ত না যার হক নষ্ট করা হয়েছে সে মাফ করে। এদিকে যার উপর জুলুম করা হয়েছে সে হচ্ছে নাবালেগ। নাবালেগের ক্ষমা শরীয়তের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়। এমনকি শিশু যদি মুখে বলেও যে, আমি মাফ করলাম তবুও তা গ্রহণযোগ্য নয়। এজন্য এই অপরাধের মাফ পাওয়া খুব জটিল। আর তাই শিশুদেরকে প্রহার করা এবং তাদের সঙ্গে মন্দ ব্যবহার করার ব্যাপারে সাবধান হওয়া উচিত।
শিশুদের প্রহারের বিষয়ে বিধিনিষেধ:
মাদরাসার কারী সাহেবরা এ অন্যায় করে ফেলেন। আল্লাহ তাআলা তাদের রক্ষা করুন। আমীন। হযরত থানভী রাহ. নিয়ম করেছিলেন যে, মকতবে কোনো কারী সাহেব শিশুদেরকে প্রহার করতে পারবে না। কেউ প্রহার করলে তাকে হযরত রাহ.-এর কাছে জবাবদিহি করতে হত এবং কখনও কখনও শাস্তিও পেতে হত। একবার হযরত একথাও বলেছিলেন যে, এখন থেকে যদি জানতে পারি, কোনো কারী সাহেব কোনো শিশুকে মেরেছে তাহলে ওই কারী সাহেবকে মসজিদের বারান্দায় দাড় করিয়ে ওই শিশুর দ্বারা বেত দেওয়াব। বিষয়টা খুবই নাজুক ও মারাত্মক। এজন্য হযরত থানভী রাহ. এ বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর ছিলেন।
শান্ত হওয়ার পর বুঝে-শুনে শাস্তি দিন:
এটা ঠিক যে, শিশুদেরকে পড়ানো খুবই কঠিন কাজ। তাদেরকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ নয় এবং কখনও কখনও প্রহারের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েই যায়। তো এমন পরিস্থিতিতে অন্য কোনো চিকিৎসা ফলপ্রসূ না হলে হযরত রাহ. বলেন, এ ক্ষেত্রেও রাগান্বিত অবস্থায় মারবে না। এ সময় চুপ থাক। যখন ক্রোধ দূর হয়ে যাবে তখন ভেবে চিন্তে শাস্তি দিবে। এতে শাস্তির মাত্রা ঠিক থাকবে। যে পরিমাণ প্রয়োজন সে পরিমাণ শাস্তিই দেওয়া হবে। সীমালঙ্ঘন হবে না। কিন্তু যদি রাগান্বিত অবস্থায় মারতে আরম্ভ কর তাহলে এক থাপ্পড়ের জায়গায় দশ থাপ্পড় দিয়ে ফেলবে। এর কারণে একে তো গুনাহ হল। কেননা, প্রয়োজনের অধিক শাস্তি দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয়ত এতে শিশুর ক্ষতি হবে। কেননা সকল বিষয়ই মাত্রা অতিক্রম করলে ক্ষতিকর হয়ে যায়। তৃতীয়ত এর জন্য পরে অনুতাপ করতে হবে।
এজন্য হযরত রাহ. একেবারে মৌলিক কথাটা বলে দিয়েছেন যে, ক্রুদ্ধ অবস্থায় শাস্তি দিবে না। ক্রোধ ঠান্ডা হওয়ার পর শাস্তি দিবে।
(‘ইসলাহী মাজালিস’ থেকে গৃহীত অনুবাদে : ইবনে নসীব) [মাসিক আলকাউসার | রবিউল আউয়াল ১৪৩০ || মার্চ ২০০৯ ]
(কারণে অকারণে বাচ্চাদের সাথে কত ভুল করে ফেলি।আল্লাহ আমাদের উত্তম প্যারেন্ট হিসেবে কবুল করুন)
( সংগৃহীত)
“আলহামদুলিল্লাহ 🌸 মডেল টু এর শিক্ষার্থীদের আনন্দঘন কিছু মুহূর্ত। ক্লাস পার্টির সুন্দর আয়োজন করেছে দ্বিতীয় শ্রেণীর ১ম স্থান অর্জনকারী ছাত্র ইফাজ 🥰। ছোট্টদের এই আনন্দের মাঝে আমরা দেখেছি ভ্রাতৃত্ব, ভালোবাসা আর শিক্ষার আলো ✨। দোয়া করি, ইফাজ ও আমাদের সব শিক্ষার্থী দ্বীনি ও দুনিয়াবি জ্ঞানে আরও এগিয়ে যাক। 🤲💖 ”
03/07/2025
Unexpected gifts and surprises from my two favorite little toons ❤️❤️
26/06/2025