04/08/2026
মেডিকেল বায়োলজি আর ভার্সিটি বায়োলজির খুব পার্থক্য আছে এমন না। উনিশ - বিশ টাইপ পার্থক্য।
ভার্সিটি যেহেতু অনেক সব ভার্সিটির প্রশ্ন প্যাটার্ন আলাদা।
JU-D ইউনিটে যেহেতু অনেক সেট করতে হয়,তাই প্রশ্ন স্ট্যান্ডার্ড হয়না।।কারন একটা টপিক থেকে সব সেটের জন্য প্রশ্ন করতে গেলে কিছু প্রশ্ন বিদঘুটে হয়ে যায়,কারন একটা টপিকে সবই তো আর ইম্পোর্ট্যান্ট এনফো থাকেনা।
মেডিকেলের জন্য কিছু এক্সট্রা রাইটারের বই পড়তে হয়, আজিবুর স্যারের বই থেকে রিসেন্টলি কিছু প্রশ্ন আসতেছে। মেডিকেলে প্রশ্নে রোগ,বিভিন্ন ছক,বইয়ে কিছু লাইন বোল্ড করে লেখা থাকে সেখান থেকে প্রশ্ন আসে।মেডিকেলে এতো 2,1 বছর পর পর প্যাটার্ন এ একটু চেঞ্জ আনে। আর বৈজ্ঞানিক নাম খুব একটা আসেনা।
ভার্সিটি যেহেতু অনেক শুধু ঢাবির প্রশ্নের ধরন টা বলি।ঢাবিতে নিদিষ্ট কিছু প্যাটার্ন ফলো করে প্রশ্ন করে বার বার।যেমন মাইটোকন্ড্রিয়া ভৌত গঠন নিয়ে এ যাবত ৮ বার প্রশ্ন হয়েছে। কোষে নিউক্লিয়াসের সংখ্যা থেকে অনেক বার প্রশ্ন হয়েছে।এরপর বিভিন্ন আবরন থেকে বার বার প্রশ্ন হয়েছে। অর্থাৎ নির্দিষ্ট প্যাটার্ন আছে যা ঢাবিতে বার বার রিপিট করে। ভার্সিটিতে বৈজ্ঞানিক নাম থেকে প্রশ্ন বেশি আসে মেডিকেলের চেয়ে।
তাছাড়া মেডিকেলে কিছু অধ্যায় কম গুরুত্বপূর্ণ ধরা হয় যেমন বোটানি ১২ অধ্যায়।এটা আবার ঢাবির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
যারা ঢাবির প্রিপারেশন নিচ্ছো আমার সাথে কানেক্টেড থেকো।কারন ঢাবির প্রশ্ন প্যাটার্ন নিয়ে এনালাইসিস করে তোমাদের সামনে উপস্থাপন করবো ডেইলি।ইন্টারেস্টেড হলে কমেন্টে yes লিখো।
©️ Al Mahi Rahman , ঢাবি