02/02/2026
সময়ের সাথে কোনো বস্তুর স্মরণের হারকে বেগ (Velocity) বলে [২, ৫]। অন্যভাবে, নির্দিষ্ট দিকে বা একটি নির্দিষ্ট সময়ে কোনো বস্তুর অতিক্রান্ত দূরত্বের হারই হলো বেগ [৩]। এটি একটি ভেক্টর রাশি, অর্থাৎ বেগের মান ও দিক—উভয়ই আছে [৪, ৬]। মূল বিষয়সমূহ: সূত্র: \((v)=\frac{(s)}{(t)}\) [৩]।দিক: বেগ সবসময় গতির দিক নির্দেশ করে।একক: এসআই (SI) পদ্ধতিতে বেগের একক মিটার/সেকেন্ড (\(\text{ms}^{-1}\)) [৩]।পার্থক্য: বেগের সাথে দিক থাকে, কিন্তু দ্রুতির (Speed) কেবল মান থাকে, দিক থাকে না [৬]। যদি কোনো বস্তুর \(t\) সময়ে \(s\) পরিমাণ সরণ (সরলরেখায় দূরত্ব) হয়, তবে বেগ \(v=\frac{s}{t}\) [৩]।
19/12/2025
নিউটনের গতি সূত্র:-
নিউটনের তিনটি সূত্র হলো বল ও গতির মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনকারী তিনটি মৌলিক নীতি: ১ম সূত্র (জাড্যের সূত্র) বলে যে, বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু স্থিরই থাকে এবং গতিশীল বস্তু সমবেগে চলতে থাকে; ২য় সূত্র (ভরবেগের সূত্র) বলে, বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক ও একই দিকে ঘটে (\(F=ma\)); এবং ৩য় সূত্র (ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সূত্র) বলে, প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে। নিউটনের তিনটি সূত্র নিচে বিস্তারিত দেওয়া হলো: নিউটনের প্রথম সূত্র (জাড্যের সূত্র):"বাহ্যিক কোনো বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে এবং গতিশীল বস্তু চিরকাল সুষম গতিতে সরলরৈখিক পথে চলতে থাকবে।"এটি বস্তুর জাড্য ধর্মকে (Inertia) ব্যাখ্যা করে, অর্থাৎ বস্তুর নিজের অবস্থা বজায় রাখার প্রবণতা।নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র (ভরবেগের সূত্র):"বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার তার ওপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যেদিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনও সেদিকে ঘটে।"এটি বল (\(F\)), ভর (\(m\)) এবং ত্বরণ (\(a\)) এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে: \(F=ma\)।নিউটনের তৃতীয় সূত্র (ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সূত্র):"প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে।"অর্থাৎ, যখন দুটি বস্তু একে অপরের ওপর বল প্রয়োগ করে, তখন প্রতিটি বলের জন্য একটি সমান ও বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়া বল থাকে।
28/11/2025
কাজ হলো বল প্রয়োগের ফলে কোনো বস্তুর সরণ ঘটানো, শক্তি হলো কাজ করার সামর্থ্য এবং ক্ষমতা হলো কাজ করার হার। এদের মধ্যে সম্পর্কযুক্ত এই তিনটি ধারণা পদার্থবিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং এদের সূত্র ও একক আলাদা। কাজ (Work) সংজ্ঞা: কোনো বস্তুর উপর বল প্রয়োগ করলে যদি বস্তুটি বলের অভিমুখে সরে যায়, তাহলে কাজ সম্পন্ন হয়।সূত্র:যদি বল এবং সরণ একই দিকে হয়: \((W)=(F)\times (s)\)যদি বল এবং সরণের মধ্যবর্তী কোণ \(\theta \) হয়: \((W)=F\times s\times \cos \theta \)একক: জুল (Joule) শক্তি (Energy) সংজ্ঞা: কাজ করার সামর্থ্যকে শক্তি বলে। শক্তি হলো কাজ করার ক্ষমতা। শক্তি স্থানান্তরের প্রক্রিয়াই হলো কাজ।প্রকারভেদ: গতিশক্তি, বিভব শক্তি ইত্যাদিসূত্র:সম্ভাব্য শক্তি (Potential Energy): \(PE=mgh\) (যেখানে \(m\) = ভর, \(g\) = অভিকর্ষজ ত্বরণ, \(h\) = উচ্চতা)একক: জুল (Joule) ক্ষমতা (Power) সংজ্ঞা: কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর প্রতি একক সময়ে কাজ করার হারকে ক্ষমতা বলে।সূত্র: \((P)=\frac{(W)}{(t)}\)একক: ওয়াট (Watt)। এক সেকেন্ডে এক জুল কাজ করলে তাকে এক ওয়াট বলা হয়।
(সংগৃহীত)
মোঃ সহিদুর রহমান,
সিনিয়র লেকচারার, যাদুরচর ডিগ্রি কলেজ।
28/08/2025
কেন্দ্রবিমুখী বলের অংশক
T cosλ = m
ω
𝜔
2r cos λ = m
ω
𝜔
2 R cos2λ
বল দুটির লব্ধি,
F
λ
=
G
M
m
R
2
−
m
ω
2
R
cos
2
λ
𝐹
𝜆
=
𝐺
𝑀
𝑚
𝑅
2
-
𝑚
𝜔
2
𝑅
cos
2
𝜆
(19)
P বিন্দুতে ভূ-কেন্দ্র অভিমুখে অভিকর্ষজ ত্বরণ
g
λ
𝑔
𝜆
হলে,
F
λ
=
m
g
λ
=
G
M
m
R
2
−
m
ω
2
R
c
o
s
2
λ
𝐹
𝜆
=
𝑚
𝑔
𝜆
=
𝐺
𝑀
𝑚
𝑅
2
−
𝑚
𝜔
2
𝑅
𝑐
𝑜
𝑠
2
𝜆
g
λ
=
G
M
R
2
−
ω
2
R
c
o
s
2
λ
𝑔
𝜆
=
𝐺
𝑀
𝑅
2
−
𝜔
2
𝑅
𝑐
𝑜
𝑠
2
𝜆
(20)
বিষুব অঞ্চলে,
λ
=
0
°
𝜆
=
0
°
আবার মেরু অঞ্চলে,
λ
=
9
0
°
𝜆
=
9
0
°
কাজেই, g-এর মান মের অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি এবং বিষুব অঞ্চলে সবচেয়ে কম হবে।
এ সমস্ত আলোচনা এবং পরীক্ষালব্ধ ফলাফল হতে g-এর মান সম্পর্কে আমরা নিম্নলিখিত সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি :
(১) পৃথিবীর পৃষ্ঠ হতে উপর দিকে উঠলে এর মান কমে।
(২) পৃথিবীর অভ্যন্তরে নামলে এর মান কমে।
(৩) বিষুবীয় অঞ্চল হতে মেরু অঞ্চলে অগ্রসর হলে এর মান বাড়ে।
(৪) ঘূর্ণনজনিত কারণে মেরু অঞ্চলে এর মান অল্প কমে, কিন্তু বিষুবীয় অঞ্চলে বেশি কমে।
(৫) মেরুতে g-এর মান = 9.832 ms-2 ; বিষুব অঞ্চলে g-এর মান = 9.780 ms-2 |
ঢাকায় g-এর মান = 9.7835 ms-2 ; রাজশাহীতে g-এর মান = 9.790 ms-2 |
(৬) ভূ-পৃষ্ঠে g-এর মান বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন বলে সমুদ্র পৃষ্ঠে এবং 45° অক্ষাংশের g-এর মানকে আদর্শ মান ধরা হয়। g-এর আদর্শ বা ব্যবহারিক মান = 9.81 ms-2।
(৭) g-এর মান জেনে পৃথিবীর গড় ঘনত্ব সম্বন্ধে একটি ধারণা লাভ করা যায়।
Copied from SATT ACADEMY. Visit us at:
Satt Academy | বাংলাদেশের বৃহত্তম অনলাইন শিক্ষা প্ল্যাটফর্ম
একাডেমিক শিক্ষা, ভর্তি পরীক্ষা প্রস্তুতি, চাকরি প্রস্তুতি, অনলাইন পরীক্ষা, প্রোগ্রামিং শেখার সুবিশাল বাংলা লাইব....
02/08/2025
গতি – (পদার্থ বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম) | নোট
স্থিতি কাকে বলে?
সময়ের সাথে কোন বস্তুর অবস্থানের যদি পরিবর্তন না হয় তাহলে ঐ বস্তুর অবস্থাকে স্থিতি বলে।
গতি কাকে বলে?
সময়ের সাথে কোন বস্তুর অবস্থানের যদি পরিবর্তন হতে থাকে তাহলে ওই বস্তুর অবস্থাকে গতি বলে।
ঘূর্ণন গতি কাকে বলে?
কোন কিছু যদি একটা নির্দিষ্ট বিন্দু বা রেখাকে কেন্দ্র করে সমদূরত্বে থেকে ঘুরতে থাকে তাহলে তার গতিকে ঘূর্ণন গতি বলে।
চলন গতি কাকে বলে?
কোন বস্তু যদি এমনভাবে চলতে থাকে যাতে করে বস্তুর সকল কণা একই সময়ে একই দিকে সমান দূরত্ব অতিক্রম করে তাহলে ঐ বস্তুর গতিকে চলন গতি বলে।
পর্যায়বৃত্ত গতি কাকে বলে?
কোনো গতিশীল বস্তুর গতি যদি এমন হয় যে, এটি এর গতিপথের কোনো বিন্দুকে নির্দিষ্ট সময় পর পর একই দিক থেকে অতিক্রম করে তবে সেই গতিকে পর্যায়বৃত্ত গতি বলে।
স্পন্দন গতি কাকে বলে?
পর্যায়বৃত্ত গতিসম্পন্ন কোনো বস্তু যদি পর্যায়কালের অর্ধেক সময় কোনো নির্দিষ্ট দিকে এবং বাকি অর্ধেক সময় একই পথে তার বিপরীত দিকে চলে তবে তার গতিকে স্পন্দন গতি বলে।
স্কেলার রাশি কাকে বলে?
যে সকল ভৌত রাশিকে সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করতে দিকের প্রয়োজন হয় না, শুধু মান দ্বারাই প্রকাশ করা যায় তাদেরকে স্কেলার রাশি বলে।
ভেক্টর রাশি কাকে বলে?
যে সকল ভৌত রাশিকে সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করতে মান ও দিক উভয়েরই প্রয়োজন হয় তাদেরকে ভেক্টর রাশি বলে।
সরণ কাকে বলে?
নির্দিষ্ট দিকে কোন বস্তুর অবস্থানের পরিবর্তনকে সরণ বলে।
দ্রুতি কাকে বলে?
যেকোনো দিকে কোন বস্তুর একক সময়ে অতিক্রান্ত দূরত্বকে দ্রুতি বলে।
তাৎক্ষণিক দ্রুতি কাকে বলে?
অতি অল্প সময় ব্যবধানে কোনো বস্তুর অতিক্রান্ত দূরত্ব ও সময় ব্যবধানের অনুপাতকে ঐ মুহূর্তকালে বস্তুটির তাৎক্ষণিক দ্রুতি বলে।
গড় দ্রুতি কাকে বলে?
বস্তু যদি সুষম দ্রুতিতে না চলে তবে তার অতিক্রান্ত মোট দূরত্বকে মোট সময় দিয়ে ভাগ করলে গড়ে প্রতি একক সময়ে যে অতিক্রান্ত দূরত্ব পাওয়া যায় তাকে গড় দ্রুতি বলে।
বেগ কাকে বলে?
নির্দিষ্ট দিকে কোন বস্তুর একক সময়ে অতিক্রান্ত দূরত্বকে বেগ বলে।
সুষম বেগ কাকে বলে?
যদি গতিশীল কোন বস্তুর বেগের মান ও দিক সময়ের সাথে অপরিবর্তিত থাকে তাহলে সেই বস্তুর বেগকে সুষম বেগ বলে।
ত্বরণ কাকে বলে?
সময়ের সাথে কোন বস্তুর বেগ বৃদ্ধির হারকে ত্বরণ বলে।
মন্দন কাকে বলে?
সময়ের সাথে কোন বস্তুর বেগ হ্রাসের হারকে মন্দন বলে।
সুষম ত্বরণ কাকে বলে?
কোন বস্তুর বেগ যদি নির্দিষ্ট দিকে সবসময় একই হারে বাড়তে থাকে তাহলে সেই বস্তুর ত্বরণকে সুষম ত্বরণ বলে।
কোন বিজ্ঞানী পড়ন্ত বস্তুর সূত্রাবলী প্রদান করেন?
বিজ্ঞানী গ্যালিলিও পড়ন্ত বস্তুর উপরে গবেষণা করে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সূত্র প্রদান করেন।
পড়ন্ত বস্তুর প্রথম সূত্রটি কি?
স্থির অবস্থান ও একই উচ্চতা থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তু সমান সময় সমান পথ অতিক্রম করবে।
পড়ন্ত বস্তুর দ্বিতীয় সূত্রটি কি?
স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তুর নির্দিষ্ট সময়ে (t) প্রাপ্ত বেগ (v) ওই সময়ের সমানুপাতিক
পড়ন্ত বস্তুর তৃতীয় সূত্রটি কি?
স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তু নির্দিষ্ট সময়ে যে দূরত্ব (s) অতিক্রম করে তা ঐ সময়ের (t) বর্গের সমানুপাতিক।
02/08/2025
কাজ, শক্তি ও ক্ষমতার সংজ্ঞা সমূহ
কাজ
বল প্রয়োগের ফলে বস্তুর সরণ হলে বল এবং বলের দিকে বস্তুর সরণের উপাংশের গুণফলকে কাজ বলে।
কাজ-শক্তি উপপাদ্য
কাজ-শক্তি উপপাদ্যটি হলো-কোনো বস্তুর উপর ক্রিয়ারত লব্ধি বল কর্তৃক কৃত কাজ তার গতিশক্তির পরিবর্তনের সমান।
বলের দ্বারা কাজ
কোন বস্তুর উপর বল প্রয়োগের ফলে যদি প্রয়োগ বিন্দুর সরণ বলের অভিমুখে ঘটে তবে কৃতকাজকে বলের দ্বারা কাজ বলে।
শূন্য কাজ
বল প্রয়োগের ফলে যদি বস্তুর সরণ না হয় অথবা বলের প্রয়োগবিন্দু যদি সরণের উল্লম্ব অভিমুখে সরে যায় তবে শূন্য কাজ সম্পন্ন হয়।
একক কাজ
কোনো বস্তুর উপর একক বল প্রয়োগে বলের ক্রিয়া রেখা বরাবর যদি বস্তুটির একক সরণ ঘটে তবে যে পরিমাণ কাজ সম্পাদিত হয় তাকে একক কাজ বলে।
ঋণাত্মক কাজ
বল প্রয়োগের ফলে যদি বলের প্রয়োগ বিন্দু বলের ক্রিয়ার বিপরীত দিকে সরে যায় বা বলের দিকে সরণের ঋণাত্মক উপাংশ থাকে তবে যে কাজ সম্পাদিত হয় তাকে ঋণাত্মক কাজ বলে।
ধনাত্মক কাজ
কোনো বস্তুর উপর বল প্রয়োগের ফলে যদি বস্তুর সরণ হয় এবং বল ও সরণের মধ্যবর্তী কোণ যদি 90° অপেক্ষা কম হয় তবে বল দ্বারা সম্পন্ন কাজকে ধনাত্মক কাজ বা বলের দ্বারা কাজ বলে।
স্প্রিং বল
কোনো স্প্রিং-এর মুক্ত প্রান্তের সরণ ঘটালে স্প্রিংটি সরণের বিপরীত দিকে যে বল প্রয়োগ করে তাই স্প্রিং বল।
স্প্রিং ধ্রুবক
কোনো স্প্রিং-এর মুক্ত প্রান্তের একক সরণ ঘটালে স্প্রিংটি সরণের বিপরীত দিকে যে বল প্রয়োগ করে তাকে ঐ স্প্রিং- এর স্প্রিং ধ্রুবক বলে।
প্রত্যয়নী বল
কোনো স্প্রিংকে দৈর্ঘ্য বরাবর বিকৃত করলে স্থিতিস্থাপক ধর্মের দরুন প্রযুক্ত বলের বিপরীতে যে বলের উদ্ভব হয় তাকে প্রত্যায়নী বল বলে।
স্থিতিস্থাপক বিভব শক্তি
স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে বস্তুর উপর বল প্রয়োগ করে বস্তুর বিকৃতি ঘটানোর জন্য যে পরিমাণ কাজ বস্তুর মধ্যে বিভব শক্তি হিসেবে সঞ্চিত থাকে তাকে স্থিতিস্থাপক বিভব শক্তি বলে।
গতিশক্তি
কোনো বস্তু গতিশীল অবস্থায় থাকার জন্য কাজ করার যে সামর্থ্য অর্জন করে তাকে গতিশক্তি বলে।
যান্ত্রিক শক্তি
কোনো বস্তুর অবস্থান ও গতির কারণে এর মধ্যে যে শক্তি থাকে তাই যান্ত্রিক শক্তি।
স্থিতিশক্তি
স্বাভাবিক অবস্থান বা আকৃতি হতে পরিবর্তন করে কোনো বস্তুকে অন্য কোনো অবস্থান বা আকৃতিতে আনলে ঐ বস্তুতে কিছু পরিমাণ শক্তি সঞ্চিত হয়। বস্তুর এ পরিবর্তিত অবস্থান বা আকৃতির জন্য বস্তুতে যে শক্তি সঞ্চিত থাকে তাকে ঐ বস্তুর স্থিতিশক্তি বলে।
ঋণাত্মক বিভব শক্তি
কোনো বস্তুকে ভূমি হতে নিচের দিকে নামানো হলে এটি যে বিভবশক্তি অর্জন করে তাকে ঋণাত্মক বিভবশক্তি বলে।
অভিকর্ষ কেন্দ্র
বল সবসময় একটি বিন্দুতে কাজ করে, এ বিন্দুকে বলের ক্রিয়া বিন্দু বলা হয়। পদার্থের ওজন বা অভিকর্ষ বলও একটি বল। তাই ওজনও একটি বিন্দুতে ক্রিয়া করে। এ নির্দিষ্ট বিন্দুকেই বস্তুর অভিকর্ষ কেন্দ্র বলে।
শক্তির অপচয়
শক্তির এক রূপ হতে অন্যরূপে রূপান্তরের সময় এর সামান্য কিছু অংশ এমনভাবে রূপান্তরিত হয় যা কোনো কাজে আসে না। শক্তির এ অকার্যকর রূপান্তরকে শক্তির অপচয় বলে।
ক্ষমতা
কোনো উৎস বা সিস্টেম একক সময়ে যে কাজ সম্পাদন করে তাকে তার ক্ষমতা বলে।
অশ্বক্ষমতা কাকে
প্রতি সেকেন্ডে 746 জুল কাজ করার ক্ষমতাকে এক অশ্বক্ষমতা বলে।
এক ওয়াট
কোনো সিস্টেম এক সেকেন্ড সময়ে এক জুল কাজ সম্পন্ন করলে ঐ সিস্টেমের ক্ষমতাকে এক ওয়াট বলে।
কিলোওয়াট-ঘন্টা
এক কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো যন্ত্র এক ঘণ্টা কাজ করলে যে শক্তি ব্যয় হয় তাকে এক কিলোওয়াট ঘণ্টা বলে।
সংরক্ষণশীল বল
যে বল কোনো বস্তুর উপর ক্রিয়া করলে তাকে যেকোনো পথে ঘুরিয়ে পুনরায় প্রাথমিক অবস্থানে আনলে বল কর্তৃক কাজ শূন্য হয় তাকে সংরক্ষণশীল বল।
কর্মদক্ষতা
কোনো ব্যবস্থা বা যন্ত্র থেকে প্রাপ্ত মোট কার্যকর শক্তি এবং ব্যবস্থায় বা যন্ত্রে প্রদত্ত মোট শক্তির অনুপাতকে ঐ ব্যবস্থার বা যন্ত্রের কর্মদক্ষতা বলে।
25/07/2025
গতি – (পদার্থ বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম) | নোট ১
পূর্ববর্তী
পরবর্তী
স্থিতি কাকে বলে?
সময়ের সাথে কোন বস্তুর অবস্থানের যদি পরিবর্তন না হয় তাহলে ঐ বস্তুর অবস্থাকে স্থিতি বলে।
গতি কাকে বলে?
সময়ের সাথে কোন বস্তুর অবস্থানের যদি পরিবর্তন হতে থাকে তাহলে ওই বস্তুর অবস্থাকে গতি বলে।
ঘূর্ণন গতি কাকে বলে?
কোন কিছু যদি একটা নির্দিষ্ট বিন্দু বা রেখাকে কেন্দ্র করে সমদূরত্বে থেকে ঘুরতে থাকে তাহলে তার গতিকে ঘূর্ণন গতি বলে।
চলন গতি কাকে বলে?
কোন বস্তু যদি এমনভাবে চলতে থাকে যাতে করে বস্তুর সকল কণা একই সময়ে একই দিকে সমান দূরত্ব অতিক্রম করে তাহলে ঐ বস্তুর গতিকে চলন গতি বলে।
পর্যায়বৃত্ত গতি কাকে বলে?
কোনো গতিশীল বস্তুর গতি যদি এমন হয় যে, এটি এর গতিপথের কোনো বিন্দুকে নির্দিষ্ট সময় পর পর একই দিক থেকে অতিক্রম করে তবে সেই গতিকে পর্যায়বৃত্ত গতি বলে।
স্পন্দন গতি কাকে বলে?
পর্যায়বৃত্ত গতিসম্পন্ন কোনো বস্তু যদি পর্যায়কালের অর্ধেক সময় কোনো নির্দিষ্ট দিকে এবং বাকি অর্ধেক সময় একই পথে তার বিপরীত দিকে চলে তবে তার গতিকে স্পন্দন গতি বলে।
স্কেলার রাশি কাকে বলে?
যে সকল ভৌত রাশিকে সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করতে দিকের প্রয়োজন হয় না, শুধু মান দ্বারাই প্রকাশ করা যায় তাদেরকে স্কেলার রাশি বলে।
ভেক্টর রাশি কাকে বলে?
যে সকল ভৌত রাশিকে সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করতে মান ও দিক উভয়েরই প্রয়োজন হয় তাদেরকে ভেক্টর রাশি বলে।
সরণ কাকে বলে?
নির্দিষ্ট দিকে কোন বস্তুর অবস্থানের পরিবর্তনকে সরণ বলে।
দ্রুতি কাকে বলে?
যেকোনো দিকে কোন বস্তুর একক সময়ে অতিক্রান্ত দূরত্বকে দ্রুতি বলে।
তাৎক্ষণিক দ্রুতি কাকে বলে?
অতি অল্প সময় ব্যবধানে কোনো বস্তুর অতিক্রান্ত দূরত্ব ও সময় ব্যবধানের অনুপাতকে ঐ মুহূর্তকালে বস্তুটির তাৎক্ষণিক দ্রুতি বলে।
গড় দ্রুতি কাকে বলে?
বস্তু যদি সুষম দ্রুতিতে না চলে তবে তার অতিক্রান্ত মোট দূরত্বকে মোট সময় দিয়ে ভাগ করলে গড়ে প্রতি একক সময়ে যে অতিক্রান্ত দূরত্ব পাওয়া যায় তাকে গড় দ্রুতি বলে।
বেগ কাকে বলে?
নির্দিষ্ট দিকে কোন বস্তুর একক সময়ে অতিক্রান্ত দূরত্বকে বেগ বলে।
সুষম বেগ কাকে বলে?
যদি গতিশীল কোন বস্তুর বেগের মান ও দিক সময়ের সাথে অপরিবর্তিত থাকে তাহলে সেই বস্তুর বেগকে সুষম বেগ বলে।
ত্বরণ কাকে বলে?
সময়ের সাথে কোন বস্তুর বেগ বৃদ্ধির হারকে ত্বরণ বলে।
মন্দন কাকে বলে?
সময়ের সাথে কোন বস্তুর বেগ হ্রাসের হারকে মন্দন বলে।
সুষম ত্বরণ কাকে বলে?
কোন বস্তুর বেগ যদি নির্দিষ্ট দিকে সবসময় একই হারে বাড়তে থাকে তাহলে সেই বস্তুর ত্বরণকে সুষম ত্বরণ বলে।
কোন বিজ্ঞানী পড়ন্ত বস্তুর সূত্রাবলী প্রদান করেন?
বিজ্ঞানী গ্যালিলিও পড়ন্ত বস্তুর উপরে গবেষণা করে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সূত্র প্রদান করেন।
পড়ন্ত বস্তুর প্রথম সূত্রটি কি?
স্থির অবস্থান ও একই উচ্চতা থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তু সমান সময় সমান পথ অতিক্রম করবে।
পড়ন্ত বস্তুর দ্বিতীয় সূত্রটি কি?
স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তুর নির্দিষ্ট সময়ে (t) প্রাপ্ত বেগ (v) ওই সময়ের সমানুপাতিক
পড়ন্ত বস্তুর তৃতীয় সূত্রটি কি?
স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তু নির্দিষ্ট সময়ে যে দূরত্ব (s) অতিক্রম করে তা ঐ সময়ের (t) বর্গের সমানুপাতিক।