প্রথম দেখায়
সে এসেছিল সেদিন হঠাৎ,
গোধূলির আলো মাখা এক বিকেলে।
আমি সিহাব, এক নিঃশব্দ পথিক,
হৃদয়ে তখন ঝড় বইছে অবহেলে।
তার চুলে ছিল হাওয়ার দোল,
চোখে যেন এক সমুদ্রের ঢেউ।
চলায় ছিল মুগ্ধতার নীরব সুর,
মনে হলো, এ যেন আকাশের কেউ।
দাঁড়িয়ে ছিলাম দূরে, শব্দহীন এক পাথর,
তার প্রতিটি মুহূর্তে বাঁধছিল এক স্বপ্নের ডোর।
মনে হলো, এ জীবনের সব কবিতা,
আজ যেন খুঁজে পেয়েছে নিজের ঠিকানা।
তার নাম জানি না, তবুও মনে হলো,
সে আমার গল্পের এক অনন্ত অধ্যায়।
প্রথম দেখাতেই কে যেন বলল,
"সিহাব, এ তো তোমার জীবনসঙ্গী, আয়।"
তার চাওয়ায় জ্বলে উঠল এক নতুন আলো,
যে আলোয় ছুঁয়ে গেল আমার নিঃসঙ্গতা।
জানি না সে কি জানে,
প্রথম দেখাতেই হৃদয় হলো তারই বন্ধনা।
Md Sihab Hossen
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Md Sihab Hossen, College & University, Rangpur.
প্রথম দেখায়
মেঘের ভাঁজে লুকানো আলো,
সেই দুপুরে তাকে প্রথম দেখলাম।
চোখে যেন ঝলক মায়ার চাদর,
মনে হলো, স্বপ্নের কাছে পৌঁছালাম।
তার চুলে লেগেছিল হাওয়ার গান,
তার হাঁটায় বাজছিল এক সুরেলা ধুন।
অজান্তে মন বলল, "এই তো সে,
যাকে খুঁজেছি এতদিন ধরে গোপন।"
আমি সিহাব, এক সাধারণ গল্পের নায়ক,
কিন্তু তার চোখে দেখলাম এক আশ্চর্য জীবন।
নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে রইলাম দূর থেকে,
মনে হলো, এই গল্পের শুরু আজ থেকে।
তার নাম জানি না, তবুও মনে দোলা,
তার ছায়ায় হারালাম অজানা মুহূর্তে।
শুধু জানি, সে ছিল এক অপরূপ বিস্ময়,
যে প্রথম দেখাতেই আমার হৃদয় চুরি করল।
অচেনা চিঠি
নন্দিতা প্রতিদিন সকালে গ্রামের ছোট্ট ডাকঘরে যায়। তার কাজ সেখান থেকে চিঠি আনা। আজও, যেমন সবসময় করে, সে চিঠি নিতে গিয়ে একটি অদ্ভুত জিনিস খেয়াল করল। চিঠির ভেতর একটি ছোট্ট খাম, যার ওপরে লেখা: "অচেনা থেকে প্রিয় হওয়া যায়?"
নন্দিতা চমকে উঠল। চিঠির প্রেরকের কোনো নাম নেই। তবুও কৌতূহল তাকে শান্ত থাকতে দিল না। চিঠিটা খুলে পড়তে শুরু করল।
চিঠিতে লেখা ছিল,
"তোমাকে কখনো সামনে থেকে দেখিনি, কিন্তু প্রতিদিন তোমার হাসি দেখে মনে হয়, এই পৃথিবীতে আলো এখনো আছে। তুমি জানো না, কিন্তু তোমার হাসিটাই আমার দিন শুরু করে। যদি কখনো জানতে চাও কে আমি, শুধু একটা উত্তর দিও—হ্যাঁ।"
নন্দিতা অবাক হয়ে চিঠিটা পড়ল। কেউ তার দিকে এভাবে তাকায়, এটা তার ধারণার বাইরের কিছু ছিল। সে ভাবল, কে হতে পারে এই মানুষ? কিন্তু পরের দিন আরেকটা চিঠি এসে হাজির।
চিঠির গল্প
এভাবে প্রতিদিনই একটি করে চিঠি আসতে থাকে। চিঠিগুলোতে কখনো গ্রামের ছোট জিনিসের কথা লেখা থাকে, কখনো নন্দিতার প্রিয় ফুলের কথা। ধীরে ধীরে নন্দিতার মনও চিঠির প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ে।
একদিন সে সাহস করে চিঠির ভেতরে একটা ছোট্ট জবাব পাঠাল:
"তুমি কি সত্যিই আমাকে চেন?"
পরের দিন চিঠির উত্তর এলো:
"চিনি না, তবে তোমাকে দেখলে মনে হয়, পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর গল্পটা এখনো লেখা হয়নি।"
প্রথম দেখা
একদিন নন্দিতা সিদ্ধান্ত নিল, এই চিঠির মানুষটিকে সে সামনে থেকে দেখবে। তার ইঙ্গিত অনুযায়ী গ্রামের পুরনো বটগাছের নিচে সে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে লাগল। বেশ কিছুক্ষণ পর, একটা ছেলেকে আসতে দেখল। সে দেখতে সাধারণ, কিন্তু তার চোখে ছিল একটা মায়া।
ছেলেটি এগিয়ে এসে বলল,
"তুমি এসেছ, মানে তুমি বুঝেছ। আমি জানতাম, তোমার হৃদয় এতটা বিশাল হবে। আমি তোমার কাছে কিছু চাই না, শুধু চেয়েছি তোমাকে জানাতে যে তুমি কতটা সুন্দর একজন মানুষ।"
নন্দিতা কিছু বলল না। শুধু হাসল। আর সেই হাসি থেকেই শুরু হলো তাদের গল্প।
Click here to claim your Sponsored Listing.