Mustaque Nawaz

Mustaque Nawaz

Share

“চেষ্টা করি ভালো হতে, নিখুঁত হতে নয়।”🕊️

30/05/2026

মো. আফসার হোসাইন এর বিয়ের অনুষ্ঠানে....

26/05/2026

বিদায় হজ্জে প্রায় ১ লক্ষ ২৪ হাজার সাহাবী উপস্থিত ছিলেন।

এই সময় অনেকেই প্রথমবারের মতো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখেন, তাঁর কথা শুনেন।

তিনি আরাফার ময়দানে, মসজিদে নামিরাহ'তে বিদায় হজ্জের ভাষণ দেন।

সেই যুগে তো কোনো মাইক ছিলো না।

মাইক ছাড়া ১ লক্ষ+ সাহাবী কীভাবে তাঁর ভাষণ শুনেন?



প্রথমত, এটা ছিলো একটা মুজিযা। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ভাষণ অনেক সাহাবী দূর থেকেও শুনতে পান।

দ্বিতীয়ত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেই ময়দানে কয়েকজন সাহাবীকে এই দায়িত্ব দেন। তারমধ্যে একজন ছিলেন রাবিআহ ইবনে উমাইয়া ইবনে খালাফ রাদিয়াল্লাহু আনহু।

ওয়েইট এ মিনিট!

উমাইয়া ইবনে খালাফের ছেলে?

সেই উমাইয়া ইবনে খালাফ, যে কি-না বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহুকে মক্কায় অত্যাচার করতো? পিঠে গরম পাথর রেখে অত্যাচার করে বলতো ইসলাম ত্যাগ করতে?

হ্যাঁ, সেই উমাইয়া ইবনে খালাফ, যার বিরুদ্ধে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বদদু'আ করেন, বদর যুদ্ধে বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু যাকে হত্যা করেন, সেই উমাইয়া ইবনে খালাফের ছেলে ছিলেন রাবিআহ ইবনে উমাইয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু।



যার বাবা চেয়েছিলো ইসলামের আলো নিভিয়ে দিতে, ইসলাম গ্রহণের কারণে যে বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহুকে অত্যাচার করেছিলো, তার ছেলে পালন করেন বিদায় হজ্জের 'মাইক' -এর ভূমিকা!

আহাদুন আহাদ...বলার কারণে বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহুকে যে অত্যাচার করে, তার ছেলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ হাজারো মানুষের কাছে পৌঁছে দেন!

আল্লাহু আকবার!



তথ্যসূত্র:

সহীহ মুসলিম: ২৮৪০

26/05/2026

"অতঃপর, সৃষ্টিকর্তার কোন নিয়ামাতকে তোমরা অস্বীকার করবে?"

আল্লাহর অসীম মহিমায় বেঁচে গেলেন। আল্লাহ সর্বশক্তিমান!

23/05/2026

চারটি গুণে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত ব্যক্তিগণ ছাড়া প্রত্যেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ততার শিকার। সেই চারটি গুণ হচ্ছে:

১. আল্লাহ তায়ালার আদেশ অনুযায়ী তাঁর উপর ঈমান আনা।

২. নেক আমল করা। এটি সামগ্রিকভাবে সব নেক আমল অন্তর্ভুক্ত করে। হোক সেটি দৃশ্যমান বা অদৃশ্যমান। হোক সেটি আল্লাহর হক বা বান্দার হকের সাথে সম্পৃক্ত। হোক সেটি ওয়াজিব বা মুস্তাহাব।

৩. পরস্পরকে সত্য ও কল্যাণের উপদেশ দান করা। এটি ঈমান ও আমলের সমন্বিত রূপ। অর্থাৎ পরস্পর এ বিষয়ে উপদেশ দান করবে, উৎসাহ দেবে ও উদ্বুদ্ধ করবে।

৪. আল্লাহর আনুগত্য, তাঁর অবাধ্যতা পরিহার ও আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত ভাগ্য-বিধানের বিষয়ে সবর করার ক্ষেত্রে পরস্পর উপদেশ দান করবে।

এই চারটি বিষয়ের প্রথম দু'টি দ্বারা মানুষ নিজ সত্তাকে পূর্ণতায় পৌঁছাতে পারে। শেষ দু'টি দ্বারা অন্যকে পূর্ণতায় পৌঁছে দিতে পারে।

সামগ্রিকভাবে এই চারটি গুণের সমাবেশ যে সত্তার মধ্যে ঘটবে, সে ক্ষতিগ্রস্ততা থেকে মুক্ত থাকবে এবং সে প্রভৃত সাফল্য লাভ করবে।'

বই: মৃত্যুর পূর্বে চিহ্ন রেখে যাও
লেখক: ড. সালেহ আল-মনাজ্জিদ

19/05/2026

আজ সকালে বাড়িতে ফিরেই দেখলাম আমাদের পুকুরের মাছগুলো সারিবদ্ধ ভাবে খেলা করছে🐟
গ্রামের এই ছোট ছোট সৌন্দর্যই যেন আসল প্রশান্তি।

14/05/2026

কতটুকু সম্পত্তি থাকলে একজন মানুষের জন্য কোরবানি ওয়াজিব হয়?—ইসলাম কি বলে জেনে নিন

অনেকে আবার মনে করেন—কোরবানি শুধু ধনী মানুষের জন্য। কিন্তু ইসলাম কোরবানিকে শুধু অর্থের সাথে যুক্ত করেনি—বরং এটি যুক্ত করেছে ত্যাগ, আনুগত্য এবং তাকওয়ার সাথে। আর এই কোরবানির ইতিহাস শুরু হয়েছিল এমন এক নবীর মাধ্যমে—যিনি আল্লাহর আদেশের জন্য নিজের সবচেয়ে প্রিয় জিনিসটিও ত্যাগ করতে প্রস্তুত ছিলেন।

তিনি হলেন ইব্রাহিম (আ.)।
হযরত ইবরাহিম (আ.)-এর সেই পরীক্ষার ঘটনা
বহু বছর অপেক্ষার পর আল্লাহ তাঁকে সন্তান দান করেছিলেন—হযরত ইসমাইল (আ.)। কিন্তু একদিন আল্লাহ স্বপ্নের মাধ্যমে ইবরাহিম (আ.)-কে আদেশ দিলেন— নিজের প্রিয় সন্তানকে কো/র/বানি করতে।

একবার ভাবুন—একজন বাবা, যিনি বৃদ্ধ বয়সে সন্তান পেয়েছেন, আর তাকেই আল্লাহর জন্য কো/র/বানি করতে হবে! কিন্তু ইবরাহিম (আ.) আল্লাহর আদেশের সামনে দ্বিধা করেননি। আর তখনই আল্লাহ জান্নাত থেকে একটি দুম্বা পাঠিয়ে দেন, এবং এই ঘটনাকেই কিয়ামত পর্যন্ত মুসলিমদের জন্য কোরবানির শিক্ষা বানিয়ে দেন।

তাহলে কাদের উপর কোরবানি ওয়াজিব?
হানাফি মাজহাব অনুযায়ী, যে মুসলিম— প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্কের, মুকিম (ভ্রমণে নয়) এবং নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক, তার উপর কোরবানি ওয়াজিব।

নিসাব পরিমাণ সম্পদ বলতে কী বোঝায়? যদি আপনার প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পদ থাকে—টাকা, সোনা, রুপা, ব্যবসার পণ্য, অতিরিক্ত জমি বা সম্পদ। এবং তার মূল্য সাড়ে ৫২ তোলা রুপার মূল্যের সমান বা তার বেশি হয়—
তাহলে আপনার উপর কোরবানি ওয়াজিব হবে।

এটা যাকাতের মতো পুরো এক বছর থাকা শর্ত না।
ঈদের দিনগুলোতে এই সম্পদ থাকলেই যথেষ্ট।

কোরবানির আসল উদ্দেশ্য কী?
অনেকে মনে করেন কোরবানি মানে শুধু পশু জ/বা/ই।
কিন্তু কোরআনে আল্লাহ বলেন, আল্লাহর কাছে পৌঁছে না পশুর গো_শত বা র_ক্ত, বরং পৌঁছে তোমাদের তাকওয়া।
অর্থাৎ—আল্লাহর আদেশ মানা, নিজের প্রিয় জিনিস ত্যাগ করা, আল্লাহকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসা এটাই কোরবানির আসল শিক্ষা।

নবীদের জীবনে ত্যাগের শিক্ষা
শুধু ইবরাহিম (আ.) নন— নুহ (আ.) বছরের পর বছর মানুষের কষ্ট সহ্য করেছেন। মুসা (আ.) জালিম ফেরাউনের সামনে সত্য বলেছেন। মুহাম্মদ (সা.) নিজের জীবন, সম্পদ ও প্রিয় মানুষদের হারিয়েও দ্বীনকে প্রতিষ্ঠা করেছেন।
তাদের জীবনের প্রতিটি অধ্যায় আমাদের শেখায়
আল্লাহর জন্য ত্যাগ ছাড়া প্রকৃত ঈমান পূর্ণ হয় না।

একটি গভীর উপলব্ধি
আজ আমরা কোরবানিতে পশুর দাম দেখি, কিন্তু আল্লাহ দেখেন হৃদয়ের অবস্থা। কেউ ছোট পশু দিয়েও আল্লাহর কাছে প্রিয় হতে পারে, আবার কেউ বড় পশু দিয়েও শুধু লোক দেখানো করতে পারে।

শেষ কথা, যদি আল্লাহ আপনাকে সামর্থ্য দিয়ে থাকেন, তাহলে কোরবানিকে শুধু সামাজিক রেওয়াজ মনে করবেন না। বরং ভাবুন—এটা সেই ইবাদত, যার মাধ্যমে একজন বান্দা প্রমাণ করে আল্লাহর ভালোবাসা তার কাছে দুনিয়ার সবকিছুর চেয়ে বড়।

Mustaque Nawaz

13/05/2026

কবি মুহিব খানের কেন৪ শুনা হয়েছে!?

11/05/2026

রিযিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার ২০টি গুনাহ!

‎১. সু/দ (Riba):
‎যে ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আল্লাহ নিজেই যু/দ্ধ ঘোষণা করেছেন, সেখানে কখনো বারকাহ আসতে পারে না।
‎📖 রেফারেন্স: সূরা আল-বাকারা ২৭৯ — “আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা।”

‎২. অকৃতজ্ঞতা:
‎যে রিযিককে তুমি তুচ্ছ করো, সেটাই ধীরে ধীরে তোমার হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
‎📖 রেফারেন্স: সূরা ইবরাহীম ৭ — “কৃতজ্ঞ হলে বাড়িয়ে দেব, অকৃতজ্ঞ হলে শাস্তি কঠিন।”

‎৩. আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা:
‎রিযিকের সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক সরাসরি যুক্ত। সম্পর্ক কেটে দিলে রিযিকের দরজা বন্ধ হয়।
‎📖 হাদিস: “যে রিযিক বাড়াতে চায়, সে যেন আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখে।”
‎— বুখারি ৫৯৮৬

‎৪. অসততা:
‎ব্যবসায় মিথ্যা বললে সাময়িক লাভ হতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে রিযিক নষ্ট হয়।

‎৫. প্রতারণা:
‎কারও হক মেরে খেলে প্রতিটি হা/রাম টাকা জীবনে অভাব ডেকে আনে।
‎📖 হাদিস: “যে প্রতারণা করে, সে আমার উম্মতের মধ্যে নয়।” — মুসলিম ১০২

‎৬. সালাত অবহেলা:
‎আজান—সালাত গুরুত্বহীন মনে করলে রিযিকের বারকাহ কমে যায়।
‎📖 হাদিস: “রিযিক সালাতে আছে।”
‎— সহিহ অর্থে বহু বর্ণনায় প্রমাণিত

‎৭. গীবত:
‎অন্যের পিঠ পেছনে খারাপ বলা তোমার নিজ জীবনের বারকাহ খেয়ে ফেলে।
‎📖 সূরা হুজুরাত ১২

‎৮. অহংকার:
‎রিযিক উপহার, প্রমাণ নয় যে তুমি শ্রেষ্ঠ।
‎অহংকার আসমানের দরজা বন্ধ করে দেয়।
‎📖 হাদিস: “যার অন্তরে অহংকারের অণু পরিমাণ থাকে, সে জান্নাতে যাবে না।”
‎— মুসলিম ৯১

‎৯. যাকাত আটকে রাখা:
‎যাকাত না দিলে সম্পদ অপবিত্র হয়ে যায় এবং ধ্বংস হতে থাকে।
‎📖 সূরা তাওবা ৩৪-৩৫

‎১০. কর্মচারীদের ওপর জুলুম:
‎যাদের তোমার ওপর কিছুটা অধিকার আছে, তাদের হক না দিলে রিযিক শুকিয়ে যায়।
‎📖 হাদিস: “মজদুরের মজুরি ঘাম শুকানোর আগেই পরিশোধ করো।”
‎— ইবনে মাজাহ ২৪৪৩

‎১১. বেচাকেনায় প্রতারণা বা জিনিসের দোষ লুকানো:
‎এতে সম্পদের বারকাহ সম্পূর্ণ তুলে নেওয়া হয়।

‎১২. লোভ:
‎যে শুধু আরও আরও চায় কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ বলে না—সে শেষ পর্যন্ত কম পায়।
‎📖 হাদিস: “মানুষের মন যদি দুই পাহাড় ভরা সম্পদ পায়, তবুও সে তৃতীয়টি চাইবে।”
‎— বুখারি ৬৪৩৯

‎১৩. বাবা-মাকে অবহেলা:
‎তোমার রিযিক তাদের দোয়া বা অভিশাপের সাথে জড়িত।
‎📖 হাদিস: “রিযিক ও আয়ু বাড়ে বাবা-মাকে সন্তুষ্ট রাখলে।”
‎— মুসলিম (হাসান সনদে বহু রেওয়ায়েতে প্রমাণিত)

‎১৪. জুলুম করে সম্পদ অর্জন:
‎জুলুমের সম্পদে কোনো বারকাহ নেই, বরং ধ্বংস ডেকে আনে।

‎১৫. সদকা অবহেলা:
‎সদকা কখনো সম্পদ কমায় না, বরং বাড়ায়।
‎📖 হাদিস: “সদকা সম্পদ কমায় না।”
‎— মুসলিম ২৫৮৮

‎১৬. হিংসা:
‎অন্যের রিযিক দেখে মন খারাপ করা নিজের রিযিকের দরজা বন্ধ করে দেয়।

‎১৭. নারীদের ও বাচ্চাদের প্রতি জুলুম:
‎যাদের যত্নের অধিকার সবচেয়ে বেশি, তাদের প্রতি অন্যায় করলে রিযিক উঠে যায়।

‎১৮. মিথ্যা কসম খাওয়া:
‎টাকা বা ব্যবসার জন্য মিথ্যা শপথ বারকাহ পুড়িয়ে ফেলে।
‎📖 বুখারি ২০৮৭

‎১৯. অলসতা:
‎রিযিক চেষ্টা করা মানুষের কাছে আসে। যারা চেষ্টা করে না, ভাগ্যও দরজা খোলে না।

‎২০. তাকদির নিয়ে অসন্তুষ্টি:
‎আল্লাহর সিদ্ধান্ত নিয়ে অভিযোগ করা ভবিষ্যতের রিযিকের দরজা বন্ধ করে দেয়।
‎📖 হাদিস: “আল্লাহর সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট থাকলে সে হৃদয়কে পরিপূর্ণ করেন।”
‎— তিরমিজি ২৫১০

10/05/2026

সূরা ৩৯. আয-যুমার | আয়াত নং: ৫৩

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা বলেন:
قُلۡ یٰعِبَادِیَ الَّذِیۡنَ اَسۡرَفُوۡا عَلٰۤی اَنۡفُسِہِمۡ لَا تَقۡنَطُوۡا مِنۡ رَّحۡمَۃِ اللّٰہِ ؕ اِنَّ اللّٰہَ یَغۡفِرُ الذُّنُوۡبَ جَمِیۡعًا ؕ اِنَّہٗ ہُوَ الۡغَفُوۡرُ الرَّحِیۡمُ ﴿۵۳﴾

অনুবাদ:
বল, ‘হে আমার বান্দাগণ, যারা নিজেদের উপর বাড়াবাড়ি করেছ, তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। অবশ্যই আল্লাহ সকল পাপ ক্ষমা করে দেবেন। নিশ্চয় তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু’। [1]

[1] এই আয়াতে মহান আল্লাহ তাঁর মহা ক্ষমাশীলতার কথা বর্ণনা করেছেন। إسرَاف ‘ইসরাফ’ অর্থ পাপের আধিক্য ও তার প্রাচুর্য। ‘‘আল্লাহর করুণা হতে নিরাশ হয়ো না’’ এর অর্থ, ঈমান আনার পূর্বে অথবা তওবা ও ক্ষমা প্রার্থনা করার অনুভূতি সৃষ্টি হওয়ার পূর্বে যতই গুনাহ করে থাক, মানুষ যেন এই মনে না করে যে, আমি তো অনেক বড় পাপী, আমাকে আল্লাহ কিভাবে ক্ষমা করবেন? বরং সত্য হৃদয়ে যদি ঈমান আনে বা নিষ্ঠার সাথে যদি তওবা করে, তবে মহান আল্লাহ সমস্ত পাপকে মাফ করে দেবেন। আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার কারণিক ঘটনা থেকেও এই অর্থই সাব্যস্ত হয়। কিছু কা*ফে★র ও মুশ•রিক এমন ছিল, যারা প্রচুর হ•ত্যা ও ব্যভি•চারে লিপ্ত ছিল। এরা নবী করীম (সাঃ)-এর কাছে উপস্থিত হয়ে বলল যে, আপনার দাওয়াত তো সঠিক, কিন্তু আমরা অনেক পাপের পাপী। যদি আমরা ঈমান আনি, তবে এই সমস্ত গুনাহ মাফ হয়ে যাবে কি? এরই ভিত্তিতে এই আয়াত অবতীর্ণ হয়। (সহীহ বুখারী, তাফসীর সূরা যুমার) তবে এর অর্থ এই নয় যে, আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা পাওয়ার আশায় খুব পাপ করে যাও।
তাঁর যাবতীয় বিধি-বিধান ও ফরয কার্যাদির ব্যাপারে কোনই পরোয়া করো না এবং আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা ও নিয়ম-নীতি নিষ্ঠুরতার সাথে লঙ্ঘন করে যাও। এইভাবে তাঁর ক্রো•ধ ও প্রতি•শো•ধকে আহবান জানিয়ে তাঁর রহমত ও ক্ষমা পাওয়ার আশা করা একেবারে বোকামি ও খামখেয়ালী। এটা হল নিম ফলের বীজ লাগিয়ে আঙ্গুর ফলের আশা রাখার মতই। এই ধরনের মানুষের স্মরণ রাখা উচিত যে, তিনি যেমন তাঁর বান্দাদের জন্য غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ তেমনি তিনি তাঁর অবাধ্যজনদের জন্য عَزِيْزٌ ذُو اْنْتِقَامٍ ও বটেন।

তাই তো কুরআন কারীমের বিভিন্ন স্থানে এই উভয় দিককে এক সাথেই বর্ণনা করা হয়েছে। যেমন, ﴿نَبِّئْ عِبَادِي أَنِّي أَنَا الْغَفُورُ الرَّحِيمُ، وَأَنَّ عَذَابِي هُوَ الْعَذَابُ الْأَلِيمُ﴾ অর্থাৎ, আমার বান্দাদেরকে বলে দাও, নিশ্চয় আমিই চরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু এবং আমার শা•স্তিই হল অতি মর্ম•ন্তুদ শা*স্তি। (সূরা হিজর ৪৯-৫০ আয়াত)
সম্ভবত: এটাই কারণ যে, এখানে আয়াতের আরম্ভ يَا عِبَادِيْ (হে আমার বান্দাগণ!) দিয়ে হয়েছে। যার দ্বারা এটাই প্রমাণিত হয় যে, যে ব্যক্তি ঈমান আনে অথবা সত্য হৃদয়ে তওবা করে প্রকৃত অর্থে সে তাঁর বান্দা হয়ে যাবে, তার পাপ যদি সমুদ্রের ফেনা বরাবরও হয়, তবুও তা মাফ হয়ে যাবে। তিনি তাঁর বান্দাদের জন্য অবশ্যই ক্ষমাশীল ও দয়াবান। যেমন, হাদীসে একশত মানুষের খু•নী•র তওবার ঘটনাও বর্ণিত হয়েছে। (বুখারীঃ আম্বিয়া অধ্যায়, মুসলিমঃ তওবা অধ্যায়)

04/05/2026

বৃষ্টিস্নাত জামেয়া 🤍💚

Want your school to be the top-listed School/college in Rangpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address

Rangpur