Greater Noakhali Student Forum G-NSF, BRUR

Greater Noakhali Student Forum G-NSF, BRUR Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Greater Noakhali Student Forum G-NSF, BRUR, Rangpur.

07/05/2026

গ্রেটার নোয়াখালী ❤️
আমরা নিজেদের সংস্কৃতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ।

Greater Noakhali Student Forum G-NSF, BRUR-এর সম্মানিত শিক্ষক উপদেষ্টা; বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এর সমাজবিজ্ঞা...
30/04/2026

Greater Noakhali Student Forum G-NSF, BRUR-এর সম্মানিত শিক্ষক উপদেষ্টা; বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এর সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন স্যার সিডনি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করায় আমরা আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। তাঁর এই অর্জন আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। ভবিষ্যতে তাঁর গবেষণা ও অবদান মানবকল্যাণে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে—এই কামনা করি।

আমাদের জি-এনএসএফ Greater Noakhali Student Forum G-NSF, BRUR পরিবারের মেহেদী হাসান রবিন ভাই, বেরোবির Management  Studies ...
05/04/2026

আমাদের জি-এনএসএফ Greater Noakhali Student Forum G-NSF, BRUR পরিবারের মেহেদী হাসান রবিন ভাই, বেরোবির Management Studies বিভাগের ১০ম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

তিনি জার্মানীর Ingolstadt শহরের Katholische Universität তে Businesss Analytics and Operational Research এ মাস্টার্স প্রোগ্রামে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। তাঁর স্বপ্ন পূরণে তিনি গত ৩১ মার্চ জার্মানীর উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন।উল্লেখ্য, তাঁর গ্রামের বাড়ি হাতিয়া, নোয়াখালী।

আমাদের জি-এনএসএফ পরিবারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি। আমরা জি-এনএসএফ পরিবার তাঁর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি। শুভকামনা নিরন্তর। দেখা হোক বাবা-মা'র স্বপ্ন পূরণে।

Greater Noakhali Student Forum G-NSF, BRUR কর্তৃক আয়োজিত ইফতার মাহফিল।
04/03/2026

Greater Noakhali Student Forum G-NSF, BRUR কর্তৃক আয়োজিত ইফতার মাহফিল।

Greater Noakhali Student Forum G-NSF, BRUR এর সম্মানিত শিক্ষক উপদেষ্টা Saiful Islam স্যার Assistant Professor পদে পদোন্ন...
08/02/2026

Greater Noakhali Student Forum G-NSF, BRUR এর সম্মানিত শিক্ষক উপদেষ্টা Saiful Islam স্যার Assistant Professor পদে পদোন্নতি লাভ করায় Greater Noakhali Student Forum (G-NSF), BRUR এর পক্ষ থেকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। এই অর্জন তার একনিষ্ঠতা, পরিশ্রম ও শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি। আমরা বিশ্বাস করি তার জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা আরও অনুপ্রাণিত হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও সমাজ উপকৃত হবে। স্যারের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও ভবিষ্যৎ জীবনের আরও সাফল্য কামনা করি।

28/11/2025

Greater Noakhali Student Forum G-NSF, BRUR কর্তৃক আয়োজিত BBQ Night

বেরোবিতে গ্রেটার নোয়াখালী স্টুডেন্ট ফোরামের নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
14/11/2025

বেরোবিতে গ্রেটার নোয়াখালী স্টুডেন্ট ফোরামের নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

এসো নবীন, এসো ভালোবাসার বাঁধনে
14/11/2025

এসো নবীন, এসো ভালোবাসার বাঁধনে

বেরোবিতে বৃহত্তর নোয়াখালী জেলা সমিতির নতুন নেতৃত্বে তানজিল ও আলবির
22/10/2025

বেরোবিতে বৃহত্তর নোয়াখালী জেলা সমিতির নতুন নেতৃত্বে তানজিল ও আলবির

নিঝুমদ্বীপের দেশ নোয়াখালী কেন বিভাগ হওয়ার দাবিদার?নোয়াখালী বাংলাদেশের একটি প্রাচীন, ঐতিহ্যবাহী ও ঐতিহাসিকভাবে সমৃদ্ধ ...
05/10/2025

নিঝুমদ্বীপের দেশ নোয়াখালী কেন বিভাগ হওয়ার দাবিদার?

নোয়াখালী বাংলাদেশের একটি প্রাচীন, ঐতিহ্যবাহী ও ঐতিহাসিকভাবে সমৃদ্ধ অঞ্চল। এই অঞ্চল শুধুমাত্র ভৌগলিকভাবে নয়। ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, ভাষা ও অর্থনীতির দিক থেকেও স্বতন্ত্র। নোয়াখালী কারো উপশাখা নয় তাই নোয়াখালী বিভাগ গঠনের দাবি কোনো আবেগনির্ভর নয়; এটি একটি বাস্তব, যৌক্তিক এবং সময়ের দাবি।

প্রথমত, নোয়াখালী বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও বৃহৎ অঞ্চল। এর রয়েছে হাজার বছরের ইতিহাস, গৌরবময় ঐতিহ্য, নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি। একসময় এটি ছিল একক প্রশাসনিক অঞ্চল, যা পরে কালের বিবর্তনে বিভক্ত হয়েছে। তবুও নোয়াখালীর মানুষের ভাষা ও সংস্কৃতি আজও অটুট রয়েছে। এই ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক একতা বজায় রাখতে নোয়াখালী বিভাগ অপরিহার্য।

দ্বিতীয়ত, নোয়াখালী ভৌগলিক ও রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঞ্চল। বঙ্গোপসাগরের তীরে অবস্থিত এই অঞ্চল "ব্লু ইকোনমির" এক বিশাল সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র। সমুদ্র সম্পদকে ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব, যা কেবল নোয়াখালী বিভাগ গঠন করলেই বাস্তবায়নযোগ্য হবে। সমুদ্রনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তুলতে নোয়াখালী হতে পারে বাংলাদেশের নতুন প্রবৃদ্ধির কেন্দ্রবিন্দু।

তৃতীয়ত, অনেকের ধারণা নোয়াখালীর জনসংখ্যা কম, এটি সম্পূর্ণ ভ্রান্ত। নোয়াখালীর মানুষ দেশজুড়ে এবং বিশ্বের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে। নদীভাঙন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে অনেকেই অন্যত্র স্থানান্তরিত হলেও তারা নিজ নিজ স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই অভিবাসী নোয়াখালীবাসীরাই আজ দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।

চতুর্থত, বৃহত্তর নোয়াখালী দেশের অর্থনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। বাংলাদেশের বড় বড় শিল্পগোষ্ঠী, প্রকাশনা শিল্প, মিডিয়া প্রতিষ্ঠান, গার্মেন্ট, ইস্পাত, চামড়া ও অন্যান্য শিল্পের অধিকাংশ কর্ণধার এই অঞ্চল থেকেই উঠে এসেছেন। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য উদ্যোক্তা, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং প্রবাসী নোয়াখালীবাসীরা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিচ্ছেন। রেমিট্যান্স আয়ে নোয়াখালী অঞ্চলের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নোয়াখালী অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী আছে এবং আরও শক্তিশালী হলে তা সরাসরি দেশের সার্বিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।

পঞ্চমত, কেউ কেউ বলে থাকেন নোয়াখালীতে বিভাগীয় শহরের অবকাঠামো নেই। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে, কোনো নতুন বিভাগ গঠনের পর ধীরে ধীরে বিভাগীয় সুবিধা ও অবকাঠামো গড়ে ওঠে। নোয়াখালী বিভাগ হলে এখানেও প্রশাসনিক, শিক্ষাগত ও অর্থনৈতিক কাঠামো স্বাভাবিকভাবেই উন্নত হবে।

ষষ্ঠত, বঙ্গোপসাগরের নতুন নতুন ভূমি উদ্ধার হচ্ছে যা নোয়াখালীর আওতাধীন। ভবিষ্যতে এই ভূমি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ইতিমধ্যেই নোয়াখালীর স্বর্ণদ্বীপে সেনাবাহিনীর বৃহত্তম প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে উঠেছে এবং ভাসানচরে রোহিঙ্গা আশ্রয় প্রকল্প চালু হয়েছে। এসবই ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য নোয়াখালীর ভূমিকার প্রমাণ বহন করে।

সপ্তমত, নিঝুমদ্বীপ! যা নোয়াখালীর গর্ব। আগামী দিনের সেন্টমার্টিন, মালদ্বীপ বা সিঙ্গাপুরের মতো বিশ্বমানের পর্যটনকেন্দ্র হতে পারে এই নিঝুমদ্বীপ। নোয়াখালী বিভাগ হলে নিঝুমদ্বীপসহ পুরো উপকূলীয় অঞ্চল পর্যটন, মৎস্য ও পরিবেশবান্ধব অর্থনীতির মাধ্যমে বিকশিত হবে। বিমানবন্দর ও অবকাঠামো উন্নয়নের ফলে প্রবাসী ও দেশি-বিদেশি পর্যটক উভয়েই সুবিধা পাবে।

অষ্টমত, নোয়াখালী বিভাগ এই অঞ্চলের মানুষের ন্যায্য অধিকার। মুশফিক কমিশন থেকে শুরু করে বিগত কয়েক দশক ধরে নোয়াখালী বিভাগ আন্দোলন চলমান। কিন্তু রাজনৈতিক অবহেলায় এই দাবি আজও পূরণ হয়নি। বর্তমান সময়ে কিছু স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী নোয়াখালীর ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি মুছে ফেলার অপচেষ্টা করছে। যা এই অঞ্চলের অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ। নোয়াখালী বিভাগের দাবি তাই শুধু প্রশাসনিক নয়; এটি অস্তিত্ব রক্ষার দাবি, সম্মানের দাবি, ইতিহাস রক্ষার দাবি।

সর্বশেষে, নিঝুমদ্বীপের দেশ নোয়াখালী শুধুমাত্র একটি ভৌগলিক অঞ্চল নয়। এটি একটি অনুভূতি, একটি সংস্কৃতি, একটি ঐতিহ্যের প্রতীক। এই অঞ্চলের মানুষের, ইতিহাস, ভাষা ও সংস্কৃতিকে টিকিয়ে রাখতে "নোয়াখালী বিভাগ" গঠন সময়ের অনিবার্য দাবি। বৃহত্তর নোয়াখালী এগোলে, এগোবে বাংলাদেশ দ্রুতগতিতে। তাই নোয়াখালী বিভাগ মানে অস্তিত্ব রক্ষা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জাতীয় অগ্রগতির নতুন দিগন্ত।

রাকিবুল হাসান মুন্না
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর

বৃহত্তর নোয়াখালী এগোলে, এগোবে বাংলাদেশ যারা বৃহত্তর নোয়াখালীকে ছোট করে দেখে তারা আসলে নোয়াখালীর ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর...
03/10/2025

বৃহত্তর নোয়াখালী এগোলে, এগোবে বাংলাদেশ

যারা বৃহত্তর নোয়াখালীকে ছোট করে দেখে তারা আসলে নোয়াখালীর ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে অজ্ঞ। এই জনপদ শিক্ষা, সংস্কৃতি, ব্যবসা ও বাণিজ্যে সমৃদ্ধ একটি অঞ্চল, যার গৌরব আজও অটুট। বৃহত্তর নোয়াখালী এগোলে, এগিয়ে যাবে গোটা বাংলাদেশ। কারণ এ অঞ্চলের মানুষের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসা-বাণিজ্য দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। শুধু তাই নয়, নোয়াখালীর প্রবাসীরা পৃথিবীর প্রায় সব দেশে তাদের অবস্থান সুদৃঢ় করেছে। আর তাদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করছে। নোয়াখালীর মানুষের এই বিশ্বব্যাপী অবস্থান ও অবদানকে উপলব্ধি করেই প্রবীণরা গর্বভরে বলেন, "চান্দের দেশে গেলেও নোয়াখালীর মানুষ খুঁজে পাবেন"। "দশ হাত মাটির নিচে গেলেও নোয়াখালীর মানুষ খুঁজে পাবেন"।

দেশের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলনে নোয়াখালী অঞ্চলের মানুষ রেখেছে অগ্রণী ভূমিকা। ব্রিটিশ শাসন থেকে শুরু করে পাকিস্তান আমল, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ কিংবা ২৪ জুলাইয়ের বিপ্লব সব আন্দোলনেই এ অঞ্চলের মানুষ ছিলেন সক্রিয় অংশীদার। ইতিহাসে বলা হয়ে থাকে নোয়াখালী দাঙ্গা না হলে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম হতো না। এই অঞ্চল রাজনৈতিক পরিবর্তন ও জাতীয় আন্দোলনের এক অনন্য চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করেছে।

মুক্তিযুদ্ধের সময় নোয়াখালীর বীর সন্তানরা তাঁদের প্রাণ উৎসর্গ করে দেশের স্বাধীনতার ইতিহাসকে করেছে গৌরবান্বিত। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য, শহীদ বীর শ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন; শহীদ বুদ্ধিজীবী এ.এন.এম. মুনীর চৌধুরী; হবিবুর রহমান (মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বাংলাদেশের প্রথম শহীদ বুদ্ধিজীবী); ভাষা শহীদ আব্দুস সালাম; শহীদ বুদ্ধিজীবী সেলিনা পারভীন; শহীদুল্লাহ কায়সার; শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক; জহির রায়হান; আ স ম আবদুর রব প্রমুখ। এছাড়াও ছাব্বিশের জুলাই বিপ্লবে নোয়াখালীর কৃতি সন্তানরা নেতৃত্ব দিয়ে প্রমাণ করেছেন এ অঞ্চলের মানুষ কেবল অংশগ্রহণকারীই নয়, জাতীয় আন্দোলনের দিশারি।

বাংলাদেশের প্রকাশনা শিল্পের বিকাশে নোয়াখালীর অবদান অনস্বীকার্য। এ অঞ্চলের মানুষই গড়ে তুলেছিলেন দেশের বড় বড় প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান, যা আজও সাহিত্য ও সংস্কৃতির অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই ধারার অন্যতম পথিকৃৎ ছিলেন চিত্তরঞ্জন সাহা। যিনি বাংলাদেশের প্রকাশনা শিল্পের একজন অগ্রদূত এবং বাংলা একাডেমি বইমেলার স্বপ্নদ্রষ্টা উদ্যোক্তা। তাঁর হাত ধরেই বাংলাদেশের প্রকাশনা জগতে সূচিত হয়েছিল নতুন দিগন্ত। তাছাড়াও নোয়াখালীর চৌমুহনী একসময় ছিল একটি সক্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রণ ও প্রকাশনা কেন্দ্র, যা দেশের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও জ্ঞানচর্চাকে সমৃদ্ধ করতে রেখেছিল অমূল্য অবদান।

বাংলাদেশের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও শিল্পের অঙ্গনে নোয়াখালীর কৃতি সন্তানদের অবদান অত্যন্ত গৌরবময়। এ অঞ্চলের বহু প্রতিভাবান ব্যক্তি তাঁদের সৃজনশীলতা, জ্ঞান ও শিল্পকর্মের মাধ্যমে জাতীয় অঙ্গনকে সমৃদ্ধ করেছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য, আতাউর রহমান (মঞ্চ ও টেলিভিশন অভিনেতা, মঞ্চ নির্দেশক এবং লেখক); আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল (গীতিকার, সুরকার, সংগীত পরিচালক, গায়ক এবং মুক্তিযোদ্ধা); কবির চৌধুরী (প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ, প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক); আবদুশ শাকুর (প্রাক্তন সচিব, সাহিত্যিক ও সুরকার); মোতাহের হোসেন চৌধুরী (শিক্ষাবিদ ও লেখক); ফেরদৌসী মজুমদার (খ্যাতিমান অভিনেত্রী); প্রণব ভট্ট (ঔপন্যাসিক); মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী (মননশীল প্রবন্ধকার, বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের গবেষক, শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবী); মালেক আফসারী (চলচ্চিত্র পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার); এ.টি.এম. শামসুজ্জামান (খ্যাতিমান অভিনেতা, নাট্যকার ও চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব); সেলিনা হোসেন (কথাসাহিত্যিক); ড. সেলিম আল দীন (নাট্যকার ও শিক্ষক) প্রমূখ। এই কৃতি ব্যক্তিত্বরা তাঁদের জ্ঞান, সাহিত্যকর্ম, শিল্পচর্চা ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে শুধু নোয়াখালী নয়, সমগ্র বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে সমৃদ্ধ করেছেন। তাঁদের অবদান আজও প্রেরণার উৎস।

এই অঞ্চলের মানুষ দেশের শিল্প-বাণিজ্য অঙ্গনে রেখেছে এক অগ্রণী ভূমিকা। এ অঞ্চলের অনেক কৃতি উদ্যোক্তা আজ দেশের বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার। তাঁদের প্রতিষ্ঠিত শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, আবুল খায়ের গ্রুপ, পারটেক্স গ্রুপ, বেঙ্গল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ, গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, আজিম গ্রুপ প্রমুখ। শুধু বৃহৎ শিল্পই নয়, ব্যাংক ব্যবসা, চামড়া শিল্প, গার্মেন্টস শিল্পসহ অসংখ্য ছোট-বড় প্রতিষ্ঠান পরিচালনায়ও নোয়াখালীর মানুষের অবদান অনস্বীকার্য। তাঁরা নিজেদের সৃজনশীলতা ও কর্মদক্ষতার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিচ্ছেন প্রতিনিয়ত। ফলে দেশের আঞ্চলিক জিডিপিতে নোয়াখালীর মানুষের অবদান আজ এক শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে, যা বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা পালন করছে।

নোয়াখালী অঞ্চলের অর্থনৈতিক অবস্থান দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় ব্যতিক্রমী। এখানে বেকারত্বের হার সবচেয়ে কম, যা এ অঞ্চলের মানুষের কর্মঠ মনোভাব ও উদ্যোগী মানসিকতারই প্রমাণ। এই কারণেই নোয়াখালীকে দেশের "এক নাম্বার ধনী জেলা" হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম পর্যন্ত সব জায়গায় বৃহত্তর নোয়াখালী অঞ্চলের মানুষ তাঁদের দৃঢ় অবস্থান ও কর্তৃত্ব ধরে রেখেছে।

শুধু ব্যবসা-বাণিজ্য নয়, দেশের প্রশাসন, আমলাতন্ত্র ও রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদেও এ অঞ্চলের বহু কৃতি সন্তান নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং দিয়ে যাচ্ছে। তাঁদের দক্ষতা, সততা ও অবদানের মাধ্যমে তাঁরা জাতীয় অগ্রযাত্রায় এক উজ্জ্বল অধ্যায় সৃষ্টি করে চলেছেন। তাই বৃহত্তর নোয়াখালী শুধু একটি অঞ্চল নয়; এটি বাংলাদেশের অগ্রগতি, সংস্কৃতি ও ইতিহাসের প্রাণকেন্দ্র। যখন নোয়াখালী এগোবে, তখন সমগ্র বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।

রাকিবুল হাসান মুন্না
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর

Address

Rangpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Greater Noakhali Student Forum G-NSF, BRUR posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share