11/04/2019
M.Sc - Engineering in Electrical and Electronic Engineering
Begum Rokeya University, Rangpur
11/04/2019
09/04/2019
©
15/03/2019
Foods That Resemble The Body Parts They're Good For
14/03/2019
14/03/2019
এরকম পোস্ট পেতে আমাদের পেইজে লাইক কমেন্ট করে উৎসাহিত করুন এবং পোস্টে কমেন্ট করে আপনার মতামত গুলো তুলে ধরুন।
এন্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেছিলেন স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং। ফ্লেমিং স্যার বলেছিলেন, "এই এন্টিবায়োটিকের কারণে আজ কোটি কোটি লোক বেঁচে যাবে। অনেক বছর পর এগুলো আর কাজ করবেনা। তুচ্ছ কারণে কোটি কোটি লোক মারা যাবে আবার।''
:
এন্টিবায়োটিক খাওয়ার কিছু নিয়ম আছে। একটা নির্দিষ্ট ডোজে, একটা নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত এন্টিবায়োটিক খেতে হয়। না খেলে যেটা হতে পারে সেটাকে বলা হয় "এন্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স''।
:
ধরি, আমার দেহে এক লক্ষ ব্যাকটেরিয়া আছে। এগুলোকে মারার জন্য আমার ১০টা এম্পিসিলিন খাওয়া দরকার। এম্পিসিলিন এক প্রকার এন্টিবায়োটিক। খেলাম আমি ৭ টা। ব্যাকটেরিয়া মরলো ৭০ হাজার এবং আমি সুস্থ হয়ে গেলাম। ৩০ হাজার ব্যাকটেরিয়া কিন্তু রয়েই গেলো। এগুলো শরীরে ঘাপটি মেরে বসে জটিল এক কান্ড করলো নিজেরা নিজেরা।
:
তারা ভাবলো, যেহেতু এম্পিসিলিন দিয়ে আমাদের ৭০ হাজার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। অতএব আমাদেরকে এম্পিসিলিন প্রুফ জ্যাকেট পরতে হবে এবার। প্ল্যান করে থেমে থাকেনা এরা, বরং সত্যি সত্যি জ্যাকেট তৈরি করে ফেলে এই ব্যাকটেরিয়া গুলো। এরা বাচ্চা-কাচ্চাও পয়দা করে একই সময়ে। বাচ্চাদেরকেও সেই জ্যাকেট পরিয়ে দেয়।
এর ফলে যেটা হয়, পরের বার এম্পিসিলিন নামক এন্টিবায়োটিকটা আর কাজ করেনা।
:
সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হচ্ছে, জ্যাকেট পরা ব্যাকটেরিয়া গুলো কেবল ঐ ব্যাক্তির শরীরেই বসে থাকেনা। তিনি হাঁচি দেন, কাশি দেন, ব্যাকটেরিয়া গুলো ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়। এক সময় পুরো এলাকায়ই আর ঐ এন্টিবায়োটিক কাজ করেনা। যারা খুব নিয়ম করে ওষুধ খান তারাও বিপদে পড়ে যান সবার সাথে।
:
আমরা খুব ভয়ংকর একটা সময়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি দ্রুত। ব্যাকটেরিয়া আর তাদের বিভিন্ন 'জ্যাকেট'এর তুলনায় এন্টিবায়োটিকের সংখ্যা খুব বেশি না। অনেক এন্টিবায়োটিক এখন আর কাজ করেনা, বাকিগুলোর ক্ষমতাও কমে আসছে। আমাদের বড় বড় হসপিটাল থাকবে, সেখানে এফসিপিএস, এমডি, পিএইচডি করা ডাক্তাররা থাকবেন কিন্তু কারোরই কিছু করার থাকবেনা। সামান্য সর্দীতেই রোগী মরে সাফ হয়ে যাবে।
:
উন্নত বিশ্বের চিকিৎসা ব্যবস্থা আলাদা। তারা নিয়ম মেনে ডাক্তারের পরামর্শ মতো ওষুধ খায়। বিপদে আছি আমরা। 'মেডিসিনের বাইবেল' নামে পরিচিত ডেভিডসের বইয়েও আমাদের এই উপমহাদেশের উল্লেখ আছে আলাদা করে। অনেক ট্রিটমেন্টে বলা হয়েছে,
"This organism is registrant against this Drugs in Indian subcontinent''
:
টিভি পত্রিকায় নানান বিষয়ে মানুষকে সচেতন করা হয়। বাথরুম করে হাত ধুতে হবে, কাশি হলে ডাক্তার দেখাতে হবে, নিরাপদ পানি খেতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু এন্টিবায়োটিক নিয়ে কোনো কিছু আজও চোখে পড়েনি। অথচ এটা অন্যগুলোর চেয়েও জরুরী। এন্টিবায়োটিক কাজ না করলে এত সচেতনতা দিয়েও আর লাভ হবেনা।
:
চিকিৎসা ব্যবস্থার সাথে যারা জড়িত তাদেরকে এখনই ব্যাপারটা নিয়ে ভাবা উচিত। ফার্মেসিওয়ালা কর্তৃক ওষুধ দেয়া বন্ধ করতে হবে, এন্টিবায়োটিকের সঠিক ব্যবহার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। নাহলে আমাদের ভবিষ্যত অন্ধকার।
©লেখা: ইন্ডিয়ান জার্নাল থেকে অনূদিত
প্রসঙ্গঃ #কিডনীরোগ #ডায়লাইসিস #স্টেমসেল
গতকাল আমার দীর্ঘদিনের পূরানো এক রোগী মারা গেলেন। মৃত মানুষের ওপর বিরক্ত হওয়া যায় না। কিন্তু তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের আগ পর্যন্ত আমি তার ওপর প্রচন্ড বিরক্ত ছিলাম।
শুধু আমি না, তার দুই মেয়েও বিরক্ত ছিলো।
বহু বছর ধরে তার ডায়বেটিস। চিকিৎসা তে অবহেলা করতেন। তারপর সেখান থেকে কিডনী ফেল হলো। পাত্তাই দিলেন না। গত মাসে ডায়লািসিস এর পর্যায়ে চলে গেলেন। কিন্তু তিনি ডায়লাইসিস করবেন না। কারন এগুলো নাকি ভুয়া চিকিৎসা।
গতরাতে মাত্র ৪৭ বছর বয়সে তার মৃত্য হলো।
তাকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। কারন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আমরা শেয়ার করি না, আলোচনা করি না। সব ভূয়া খবর, বাজে খবর শেয়ারে আমরা ওস্তাদ। কিডনী রোগ হওয়া এবং সেটি হলে কি করনীয় সে সম্পর্কে কয়জন ঠিকমত জানে?
বিরক্তি নিয়ে তাই দুই কলম লিখতে বসলাম। কারন কিডনী রোগী এখন প্রায় ঘরে ঘরে। বাঁচাতে হলে জানাইতে হবে। একটু পড়েন। প্লিজ।
:::::::
#কিডনী_সম্পর্কে_জ্ঞান
আপনার শরীরে দুইটা ছাকনী আছে, এদেরই নাম কিডনী।
এদের বড় কাজ হলো ২ টা,
১.
প্রতিনিয়ত আপনার রক্ত ছেঁকে ছেঁকে পরিস্কার রাখা।
সে রক্তের দূষিত জিনিস বের করে দেয় এবং গুরুত্বপূর্ন উপাদান রক্তে রেখে দেয়।
২.
কিছু গুরুত্বপূর্ণ হরমোন তৈরী করা।
অর্থাৎ সে একটা বড় ছাকনির কাজ করার সাথে সাথে হরমোন তৈরীর ও ফ্যাক্টরী হিসেবেও কাজ করে।
এই ফ্যাক্টরী তে যে সব হরমোন তৈরী হয় সেসব হরমোনের বড় কাজগুলো হলো- রক্ত তৈরী করা, ক্যালসিয়াম সাপ্লাই করা এবং ব্লাড-প্রেশার ঠিক রাখা।
::::::
#নষ্ট_হলে_কি_হবে?
কাজ যেহেতু বলে দিলাম,
এবার আপনারাই ধারনা করেন কোন কারনে আপনার কিডনী কাজ কমিয়ে দিলে আপনার কি কি হবে?
-রক্তে দূষিত পদার্থ জমবে দেখে তার ইফেক্ট পড়বে। আরুচি হবে শরীর খারাপ লাগবে।
-রক্তের প্রয়োজনীয় উপাদান ছাকনী দিয়ে বের হয়ে যাবে যার ফলে প্রয়োজনীয় উপাদানের অভাবে শরীরে নানা ধরনের ইফেক্ট হবে যার মাঝে অন্যতম হলো প্রোটিনের অভাবে পানি জমে শরীর ফুলে যাওয়া..
-রক্ত তৈরী হবে না, অর্থাৎ হিমোগ্লোবিন কমে যাবে, রক্তশূন্যতা হবে।
-ক্যালশিয়াম এর ঘাটতি হবে যার ফলে হাড়ের বিভিন্ন রোগ হবে।
- ব্লাড প্রেশার বাড়বে।
:::::::
#কিডনীতে_কি_কি_রোগ_হতে_পারে?
কিডনীর হাজারো রোগ আছে। সব রোগ মানেই যে আপনার কিডনী শেষ তা না।
কিডনীতে পাথর হয়, সিস্ট হয়, ইনফেকশন হয়, ফোড়া টাইপ রোগ হয়, AKI হয়, CKD হয়.. ইত্যাদি অনেক কিছুই হয়।
এর মাঝে অন্যতম ডেনজারাস হলো CKD নামক পরিস্থিতি। CKD এর লাস্ট স্টেজে রোগী গেলে সেখান থেকে রোগীর কিডনী কে সচল করার আর উপায় নেই।
:::::::
#কি_করা_যেতে_পারে_চিকিৎসা?
খুবই খারাপ খবর হচ্ছে যে CKD হয়ে বা অন্য কিছু হয়ে আমাদের কিডনীর কোষ যদি একবার পুরোপুরি নষ্ট হয়,
উহা আর কোনদিন ঠিক হয় না। নতুন করে কিডনীর কোষ ও গজায় না। সুতরাং একবার যদি মেশিন নষ্ট হয় তাইলে রিপেয়ারিং এর সুজোগ নেই।
তাহলে চিকিৎসা কি হবে?
আমার মনে হয় আপনারাই একটু চিন্তা করলে বলতে পারবেন।
-ছাকনী পুরোপুরি নষ্ট?- বাইরে থেকে রক্ত ফিল্টারের কাজ করে দিতে হবে। (ডায়লাইসিস)
-হরমোন তৈরী হয় না? - বাইরে থেকে হরমোন দিতে হবে। হরমোন যেসব উপাদান তৈরী করতো, সেগুলো দিতে হবে। (আয়রন ট্যাবলেট, ক্যালশিয়াম ট্যাবলেট, হরমোন ইনজেকশন)
-শরীরের প্রয়োজনীয় জিনিস বের হয়ে যাচ্ছে? - বাইরে থেকে পুশ করতে হবে। (রক্ত পুশ, প্রোটিন পুশ)
এই হলো চিকিৎসা।
বুদ্ধিমান মানুষ এসব চিকিৎসা নিয়ে কিডনী রোগের রোগী হয়েও ১৫-২০ বছর পর্যন্ত বেচে থাকে।
আর বেকুব মানুষজন, হারবাল খাবে? নাকি সিঙ্গাপুর যাবে? ডায়লাইসিস করাবে? নাকি কবিরাজ দেখাবে? কোনটা ভূয়া চিকিৎসা? কোনটা আসল চিকিৎসা..
এসব ভেবে ভেবে তর্ক বিতর্ক করতে করতে ফট করে মরে যায়।
:::::
#কেন_নষ্ট_হয়_কিডনী?
কিডনী নষ্টের কথা উঠলেই লেকচার চলে আসে আমাদের মুখে।
খাবারে ভ্যাজাল, মাছে ফর্মালিন, ফল এ কার্বাইড থেকে লেকচার শুরু করে এক্কেরে সরকার কে মা বাপ তুলে গালি দিয়ে দিয়ে আওমিলিগ বিএনপি পর্যন্ত চলে যাই।
আরে রাখেন মিয়া। আসল দিকে নজর দেন।
আমি মনে করি ঘরে ঘরে সবাই যদি ডায়বেটিস, প্রেশার এবং আরো কিছু ক্রনিক রোগ নিয়ন্ত্রনে রাখতে পারে, ৫০ ভাগ কিডনী রোগী কমে যাবে।
আগে ওটায় নজর দেন ঘরে ঘরে। পরে আমিলিগ-বিম্পি দেইখে নিয়েন।
::::
#কিছু_পররিচিত_শব্দের_ব্যাখ্যা
#ডায়ালাইসিস
এই শব্দটা নিয়ে প্রচুর তর্ক বিতর্ক।
আশা করি আপনারা এখন বুঝেছেন এটা কি জিনিস?
আমি আরেকটু বলি,
কিডনী রোগ হলেই ডায়ালাইসিস লাগবে, এমন কোন কথা নেই।
যে সব কিডনী রোগীর কিডনী একেবারে সম্পূর্ণরুপে কাজ করা বন্ধ করে দেয়, তাদের জন্য বাইরে থেকে রক্ত ছেকে দেওয়ার উপায়ের নামই হলো ডায়লাইসিস।
ধরুন আপনার কিডনী কোন রোগের কারনে (যেমন AKI) ১-২ মাস কাজ করছে না। সেই কয়েক মাস আপনাকে ডায়লাইসিস সাপোর্ট দিয়ে বাচিয়ে রাখা হলো। কিডনী ঠিক হলে আর লাগবে না।
আবার ধরুন CKD এর শেষ স্টেজ এ গিয়ে আপনার কিডনী পুরোপুরি শেষ। তখন তো আর উপায় নেই। বাকি জীবন ডায়লাইসিস করে কাটিয়ে দিতে হবে।
সবচাইতে বিরক্তিকর প্রশ্ন, "ভাই, একবার ডায়লাইসিস শুরু করলে নাকি সারাজীবন করা লাগে?"
এ প্রশ্নের উত্তর আমি দিবো না। উপরের লেখাগুলো বুঝলে আপনারাই জানবেন যে এই প্রশ্নটাই একটা ভূল প্রশ্ন।
#কিডনী_ট্রান্সপ্লান্ট
সব সমস্যার আরেকটা সরাসরি সমাধান হলো আরেকজন একটা থেকে কিডনী নিয়ে নিজের ভিতর ফিট করা।
এটাও করে ফেলে অনেকে। বহু আগের আবিষ্কার। বাংলাদেশেও হচ্ছে।
তবে রাস্তা থেকে ধরে একজনের কিডনী ফিট করলেই হবে না। রক্তের গ্রুপ সহ আরো কিছু পরীক্ষায ডোনার কে পাশ করতে হবে। তাইলেই সম্ভব।
পরিবারের মাঝে কেউ দিলে সবচাইতে ভালো ম্যাচ হয়।
:::::
#নেক্সট_জেনারেশন_কিডনী_চিকিৎসা
১. স্টেম সেল থেরাপীঃ
ঐ যে উপরে বললাম, কিডনী কোষ একবার নষ্ট হলে আর ঠিক হয় না।
তাই যেহেতু ঠিক করা যাবেই না, সেহেতু অন্য কোন শিশু কোষ কে ট্রেনিং দিয়ে দিয়ে কিডনী কোষ হিসেবে কাজ করানো গেলে তো একটা সমাধান হয়। হয় না?
বর্তমানে এই টাইপ পদ্ধতি আবিষ্কার করা হয়েছে। এটার নামই স্টেম সেল থেরাপী।
যাদের এই থেরাপী সাসেসফুল হয়, তারা ধীরে ধীরে আবার ডায়লাইসিস ছাড়া এবং কম ঔষধ খেয়ে বেচে থাকতে পারে।
বাংলাদেশে হচ্ছে এখন। সাকসেস রেট শুনেছি খারাপ না। যদিও সব বড় বড় স্যারেরা এখনো পুরোপুরি সহমত পোষন করেন নি কারন এটার রিসার্চ এখনো কমপ্লিট রিসার্চ না।
২. কৃত্তিম কিডনী আবিষ্কারঃ
জ্বী, কৃত্তিম কিডনী তৈরী করা সম্ভব হয়েছে। এবং সেটা এ বছর থেকে পরীক্ষামূলক ভাবে গবেষনা পর্যায়ে আছে। পরীক্ষায় সে যদি পাশ করে তাইলে সেটা হবে খুশির খবর।
কিডনী নষ্ট রোগীরা বাজারে গিয়ে দরদাম করে আর্টিফিশিয়াল কিডনী লাগিয়ে গট গট করে হেটে বাড়ি চলে আসতে পারবে।
এবং আপনারা জানেন কিনা জানি না,
প্রথম কৃত্তিম কিডনীর আবিস্কারক একজন #বাংলাদেশী।
#ডক্টর_শুভ_রায়।
জোরে বলেন "জিন্দাবাদ"
::
ছবিঃ ডক্টর শুভ রায়।
স্যারের বয়স হয়েছে তো কি হয়েছে? এখনো দেখতে আপুরা ক্রাশ খাবার মত।
তাই না??
::
Courtesy: Dr. Baapon Shahriar Parvez
শেয়ার করুন যেন মানুষ জানতে পারে। একটা মানুষ জানলেও তার উপকার হবে বা অন্য কাউকে জানাতে পারবে।
১। AC কে টনে প্রকাশ করা হয় কিন্তু KW-এ
প্রকাশ করা হয় না কেন?
উত্তরঃ এসিকে টনে প্রকাশ করা হয় তার কারন হল প্রতি ঘন্টায় কি পরিমাণ তাপ রুম থেকে remove করতে পারে এর উপর ভিত্তি করে এসিকে তৈরি করা হয়।তার মানে এটা তাপের সাথে সম্পর্কিত। টন হল তাপের একটি একক। কোন এসি যদি প্রতি ঘন্টায় ১২০০০ বিটিউ বা ১০০০ কিলোক্যালরি বা ৪১২০ কিলোজুল তাপ remove করতে পারে তাকে এক টন এসি বলে। এজন্ন এসিকে টন হিসাবে তৈরি হয়। BTU = British thermal ইউনিট।
২।১ টন সমান কত KW ?
উত্তরঃ ১ টন রেফ্রিজারেশন হল প্রায় ১২০০০ বিটিউ/ ঘন্টা এর সমান বা ৩৫১৬.৮৫২৮ ওয়াট এর সমান। One RT(Refrigeration Ton) = 3.5168528 kW… 1 RT = 3.5168528 kW এটা হল তাপ অপসারন ক্ষমতা। কিন্তু ইলেকট্রিক ক্ষমতা হল প্রায় ১২০০ থেকে ১৫০০ watt.
৩। ২ টন AC-তে কত আম্পিয়ার কারেন্ট নেয়
Single Phase and Three Phase-এ?
উত্তরঃ মনে করা যাক, 230VAC an Power factor = Cosθ = 0.95, Single Phase AC
system 1 Ton = 1.5 kW. 2 Ton = 2 x 1.5 KW
=3KW Power in a Single Phase AC System.
আমরা জানি,
P = VxI Cosθ=২ টন= 3000 ওয়াট তাহলে
I = P / (V x Cosθ)….. Where Cosθ = Power factor.
I = 3000W / (230V x .95)
I(কারেন্ট) = 13.72A
Three Phase System
মনে করা যাক, 440V and Power factor = Cosθ =0.85 , P=২ টন=3000 ওয়াট
আমরা জানি,
P =√3 x VLxIL Cosθ
I = P /( √3xVxCosθ)
I = 3000W / (1.732 x 440V x .85)
Where Cosθ = Power factor and √3 = 1.732 = 4.66 A.
তাহলে ২ টন এসি এর কারেন্ট লাগে 4.66
এয়াম্পিয়ার(Three Phase)
৪। MCB এর সাইজ কত হবে ২ টন ও ১ টন এসি এর জন্য?
উত্তরঃ আমরা উপরে ক্যালকুলেশন করে কারেন্ট বের করলাম Single Phase 13.72, Three phase 4.66 সাধারণত স্টারটিং এর সময় বেশি কারেন্ট টানে ফুল লোড আবস্থায় সব কিছু বিবেচনা করে দেখা যায় সিঙ্গেল ফেজ এর জন্য 25A MCB Class C and থ্রি ফেজের জন্য 10A Class C MCB ব্যবহার করলে চলবে।
(Collected)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Rangpur
5400