রোল নাম্বার 4
-ইয়েস স্যার
-রোল নাম্বার 5
-ইয়েস স্যার ...........!
অতপর বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো শেষ বারের মতো হাজিরা খাতাটি
এখন হয়তো বিদ্যালয়ের কোনো এক কোণে পড়ে আছে হাজিরা খাতাটি।
এতদিনে হয়ত ধুলো জমে গেছে পুরনো হাজিরা খাতাটায় ।
কিন্তু পুরনো হাজিরা খাতাটায় এখনও জমে আছে স্কুল জীবনের ১০ বছরের মায়াজালে আবদ্ধ প্রিয় মানুষগুলোর নাম।
আর সাক্ষী হয়ে থাকবে স্কুল জীবনে কাটানো প্রত্যেকটা দিনগুলো।
ইচ্ছে করলেও আর ফিরে পাবো না সেই দিনগুলোকে, ফিরে পাবো না সেই প্রিয় মানুষ গুলোকে আর হয়তো কোনো দিনো দিনই ডাকা হবে না, স্যার- মেডামদের দেওয়া বিভিন্ন মজার নাম ধরে মিস করি, খুব মিস করি ফেলে আসা স্কুল লাইফকে খুব ইচ্ছে করে আরেকটি বার সবাই একসাথে হয়ে ক্লাসে হই-হুল্লোড় করতে কিন্তু কিছুই করার নেই, ফিরে আর কখনোই পাবো না সেই মুহূর্ত গুলোকে
হাজিরা খাতাটা বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে হারিয়ে গেছে আমাদের জীবন থেকে সোনালী দিনগুলো এতদিনে অনেকের সাথে যোগাযোগ ও বন্ধ হয়ে গেছে ভালো থাকিস ১০বছরের মায়াজালে আবদ্ধ প্রিয় মানুষগুলা।
লিখা : তাসফিয়া ইসলাম তানহা।
Shalkhuria BL High School, Nawabgonj, Dinajpur.
§শেখার জন্য এসো সেবার জন্য যাও§
➖সকল S.S.C পরীক্ষার্থীদের
জন্য
➖শুভকামনা😍😍
24/08/2018
22/02/2018
শালখুরিয়া দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা নিবেদন।
Picture : S M Smail Hossain
একটা সময় ছিল যখন পরীক্ষার আগে প্রিয়জনরা মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বলতেন, 'ভালো করে পরীক্ষা দিও।' কিন্তু এখন যুগ পাল্টেছে। ভালো পরীক্ষা এখন আমরা সবাই-ই দিই। বাইকের ধোঁয়ার সঙ্গে প্রেমিকার চুল উড়িয়ে যে ছেলেটা শহর কাঁপায়, শিক্ষকদের সঙ্গে উঁচু গলায় কথা বলতে যার ভেতরটা একটুও কেঁপে ওঠে না, এখন তারাও ভালো পরীক্ষা দেয়।
আবার ছিপছিপে তেলা মাথার যে ছেলেটা দিন-রাত এক করে বইয়ের পাতায় মুখ গুঁজে থাকে, যাকে আমরা 'আতেল' বলে ডাকি, সে-ও ভালো পরীক্ষা দেয়। তাহলে তফাৎটা কোথায়? তফাৎটা হল বিবেকে।
পরীক্ষার আগের দিন রাতে ফেসবুকে তোমার পেছনের সীটে বসা বন্ধু বলতে পারে, 'দোস্ত প্রশ্ন পাইছি, লাগবে নাকি? আবার পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনে যখন দেখবে তোমার সব বন্ধুরা জড় হয়ে প্রশ্ন সলভ করে পরীক্ষার হলে ঢুকছে, তখন তোমার ভেতরের ভালো আর খারাপ সত্ত্বাদুটো একসঙ্গেই মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে। তুমি দ্বিধায় পড়ে যাবে। অন্যায় করার আগে সেই অন্যায়ের পক্ষে শত শত যুক্তি জমা পড়তে থাকবে মস্তিষ্কে। সে তুলনায় ন্যায়ের পক্ষে খুব কম যুক্তি-ই খুঁজে পাবে তুমি।
পরীক্ষা দেবার সময় কোন একটা প্রশ্নের উত্তর খুঁজে না পেলে প্রচণ্ড আফসোস হবে, 'ইস, হলে ঢোকার আগে একবার চোখ বুলালেই হয়ে যেতো।' এরপর পরীক্ষা শেষে যখন দেখবে সবাই হাসিমুখে বের হচ্ছে আর তুমি দশ নাম্বার উত্তরই করতে পারোনি, তখন মনে হতে থাকবে, কাল থেকে আমিও প্রশ্ন সলভ করেই পরীক্ষার হলে ঢুকবো।
হয়তো এতে তোমার ফলাফল অনেক ভালো হবে। কিন্তু একবার কী ভেবে দেখেছো সারাটা জীবন তোমাকে একটা অপরাধবোধ বয়ে নিয়ে বেড়াতে হবে। দিনশেষে একেবারেই একলা হয়ে যখন তুমি ডিমলাইটের দিকে তাকিয়ে ঘুমের জন্য অপেক্ষা করবে, তখন কি তুমি নিস্তার পাবে সেই অপরাধবোধ থেকে? তোমায় কুঁড়ে কুঁড়ে খেতে থাকবে সেই অনুভূতি। তখন তুমি উপলব্ধি করতে পারবে এ+ এর জায়গায় অন্তত এ পেলেও আজ তুমি অনেক শান্তিতে থাকতে পারতে।
এতোসব কথা বলার মানে কিন্তু এই না যে আমি অনেক সাধু একটা মানুষ। ভুল-ত্রুটি নিয়েই আমাদের এই জীবন। কিন্তু তোমরা কখনোই এমন কিছু ভুল করো না যে ভুলের জন্য তোমার জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত শাস্তি পেয়ে যেতে হয়। এখন আবার শাস্তি বলতে ঐ জেলখানার লোহার শিকলের পেছনের দুনিয়াটাকে বুঝো না। তার চেয়েও অনেক বড় একটি শাস্তি হল এই অপরাধবোধটা নিয়ে বাকি জীবনটা পার করে দেওয়া।
আর হ্যাঁ, আজ এই কথাগুলো বলতে পারছি একারণেই যে সেই দিনগুলোতে পরীক্ষার হলের বাইরে জমে থাকা সব জটলাকে মুচকি হাসি দেখিয়ে তাদের পাশ কাটাতে পেরেছিলাম। অন্যায়ের পক্ষে জড়ো হওয়া সব যুক্তিদের তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিতে পেরেছিলাম। কারণ আমি ভালো করেই জানতাম, খারাপ ফলাফল নিয়ে বাকি জীবনটা পার করা যতোটা সহজ, তার চেয়ে অনেক অনেক বেশিগুণ কঠিন এরকম একটি অপরাধবোধ কাঁধে নিয়ে বাকি জীবনটা পার করা।
তাই ভালো করে পরীক্ষা দেবার পাশাপাশি তোমাদের কাছে আমার একটাই অনুরোধ- ভালো পন্থায় পরীক্ষা দিও।
তোমাদের সকলের প্রতি অনেক অনেক শুভ কামনা ও বুকভরা ভালোবাসা রইল।
লেখা : মেহেদী হাসান গালিব।
ফেসবুকের নেশায় খারাপ হয়ে
যাওয়া ছাত্রটির
গল্প"
# বিশেষ_করে_SSC_H
SC_পরীক্ষার্থীদের_
পড়ার_অনুরোধ_রইলো !
মাথায় চুকচুকে করে তেল দেয়া ও
বাম পার্শ্বে
চুল ফাক করে সিথি করা
সাদাসিদা ভদ্র ছেলেটার নাম
আব্দুল
করিম।
যাকে কলেজে কম বেশি সবাই
চিনে।কলেজের
মুখ বরাবরি এই করিমের জন্যেই
উজ্জল।যেমনি
সে একজন ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট
তেমনি তার নম্র
ব্যবহার।
তবে এই করিমের পোষাক আশাক
দেখে
অনেক সুন্দরি মেয়েদের কাছে সে
ক্ষ্যাত
নামে পরিচিত।
এই করিম কে আবার অনেকই চিনেই
না।কারণ সে
ঠিক সময়ে কলেজে আসবে আর
টিফিন টাইমে
যাষ্ট টিফিনটা নিয়েই পড়তে
বসবে।তাই অনেকের
কাছে সে আবার অপরিচিতও।
তাই তার তেমন বন্ধু বা মেয়ে বন্ধুও
নেই।
আব্দুল করিম এইবার এইচএসসি
পরিক্ষা দিবে।মায়ের
অনেক বড় আশা এইচএসসি পরিক্ষায়
ভালো একটা
স্কোলার্শিপ নিয়ে মেডিকেলে
পড়বে।
আর গরীব ও অসহায় মানুষদের ফ্রি
চিকিৎসা দিবে।
তাই মায়ের স্বপ্নের কথা ভেবে
পড়া শুনাতে খুব
মন দিয়ে পড়তে থাকে।
করিমের পরিক্ষার বাকি আর ৫
মাস।খুব ভালো ভাবেই
সব কিছুই চলছিলো।এমন সময় এক
বন্ধুর মাধ্যমে
জানতে পারে ফেসবুকে নাকি
অনেক ভালো
ভালো কলেজের টিচারদের
সাজেসন্স পাওয়া যায়।
তাই করিম তার আম্মুকে একথা
বুঝিয়ে বললে তিনি ধার
করে কিছু টাকা সংগ্রহ করে তার
ছেলেকে একটা
এন্ড্রয়েড ফোন কিনে দেয়।
তার পরেরদিন সকালে কলেজে
এসে তার এক
পরিচিত বন্ধুর কাছে থেকে একটি
ফেসবুকের
আইডি খুলে নেয়।তার বন্ধু কয়েকটা
সাজেসন্স
গ্রুপে জয়েন দিয়ে দেয় এবং সাথে
কয়েকটা
রেডিও পেজে ও লাইক দিয়ে দেয়
যাতে গল্প
টল্প পড়তে পারে এবং সকল বিষয়ে
একটু একটু
ধারনা দিয়ে দেয় কিভাবে কি
করতে হবে।
সব কিছু ভালো ভাবেই চলতে
ছিলো।সাজেসন্স
গ্রুপ গুলা থেকে খুব ভালো ভালো
কিছু সংগ্রহ
করে অধ্যায়ন করতে থাকে।
একদিন অনিচ্ছা সত্ত্বেও করিম
একটি বিষয়ে
সাজেসন্স লিখে গ্রুপে পোষ্ট দেয়!
সেই পোষ্টায় কম সময়ে অনেক
লাইক কমেন্ট
আসতে থাকে।মনে মনে করিম
অনেক খুশি।
সেই দিনের মত করিম ফেসবুক
থেকে বের
হয়ে পড়তে বসে।পরেরদিন সকালে
আর
ফেসবুকে না ঢুকে কলেজ থেকে
এসে
একদম বিকালে ঢুকে।
ঢুকে দেখে একটা মেয়ে অনেক গুলা
মেসেজ করেছে! তার মধ্যে
কয়েকটা
মেসেজ এমন ছিলো- ভাইয়া আপনি
তো অনেক
ব্রিলিয়ান্ট,আপনি আমার অনেক
উপকার করেছেন,
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ!
এসব মেসেজ সিন করতেই হঠাৎ
মেয়েটি আবার
মেসেজ করলো-
_হাই, ভাইয়া?
_হ্যালো, জ্বি বলেন?
_ভাইয়া আপনি যে সাজেসন্স গুলা
দিয়েছিলেন তা
আমার টেষ্ট পরিক্ষায় ৮৫% কমন
পরেছিলো।
আপনাকে অন্নেক অন্নেক ধন্যবাদ।
_হুম ওয়েলকাম।তবে এতোটা কারো
উপকারে
আসবে তা ভাবিনি!
_ভাইয়া আমি কি আপনার ফ্রেন্ড
হতে পারি?
_আপনি আমার ফ্রেন্ড হবেন?হা হা
হা
_হাসলেন যে? ফ্রেন্ড হওয়ার
যোগ্যতা বুঝি আমার
নেই ভাইয়া?
_হাসলাম এই জন্যে যে আপনিই
প্রথম আমার
মেয়ে বন্ধু হতে চাইতেছেন। এর
আগে
কোনো মেয়ে হতে চাইনি তো তাই।
_তাই নাকি? এতো ব্রিলিয়ান্ট
একটা স্টুডেন্টের
আবার মেয়ে বন্ধু নেই! অনেক মজার
ব্যপার
তো!
_হ্যা তাই হয়তো।
_কি তাই হয়তো?
_ঐ যে বল্লেন মজার ব্যপার তো!
_ও আচ্ছা! তো আমি আপনাকে
ফ্রেন্ড রিকুয়েষ্ট
দিচ্ছি এক্সেপ্ট করেন কেমন?
_আচ্ছা ঠিক আছে! আজ তাহলে
আসি।বাই টা টা
মেয়েটার সাথে কথা বলতে বলতে
দেখে ১১ টা
বেজে গেছে!
টাইমটা একদমি খেয়াল করেনি!
সেদিন একটু পড়েই
ঘুমিয়ে পরে।
এবং মেয়েটাকে নিয়ে নানা কথা
ভাবতে থাকে।আর
মনে মনে করিম খুব খুশি।কারণ তার
একটি মেয়ে
বন্ধু হয়েছে।
করিমের প্রতিদিন মেয়েটার সাথে
এখন তার
মেয়েটার সাথে নিয়মিত কথা হয়।
সকল সময়ে
মেয়েটির সাথে চ্যাটিং এ সে
ব্যস্ত সময়
কাটাইতেছে। কোচিং এ গিয়েও
ফাষ্টের বসা ছাত্রটা
এখন শেষের বেঞ্চের দিকে বসে
মেয়েটার
সাথে চ্যাট করে।ব্যাপারটা অনেক
টিচারের
চোখেও পড়েছে কিন্তু ভালো ছাত্র
বলে
কেউ কিছুই বলেনি!
করিমের এমন পরিবর্তন দেখে
জিসান ডেকে
বললো-
_দেখ করিম, তুই অনেক ভালো ছাত্র।
তোর
কাছে ভালো কিছু পাওয়ার আশায়
অনেকেই পথ
চেয়ে আছে।আর তোর কাছে আমরা
বন্ধু গুলাও
চাই তোর মায়ের স্বপ্নটা পূরণ কর।
_তো আমি আবার কি করলাম?!
লেখা পড়া তো
করতেছি।যে লেখা পড়া করতেছি
তাতেই সেই
রকম রেজাল্ট হবে।আর তাছাড়াও
আমার সব জিনিসি
পড়াই আছে
_যতই পড়া থাক তবুও! আর তুই যে
অপরিচিত একটি
মেয়ের সাথে কথা বলে সময় নষ্ট
করতেছিস তার
জন্যে আফসোস করতে হবে!!
_যা তো জ্ঞান দিতে হবেনা।তুই যা
নিজের লেখা
পড়া ঠিকমত!
জিসান সেদিন মন খারাপ করে
করিমের কাছে
থেকে আসলেও সে জানে এর শেষ
পরিণিতি কি!
তার অনেক খারাপ লাগতেছিলো
করিমের জন্যে।
এমন একটা অভাবি সংসারে বেড়ে
ওঠা ফুলটা অকালেই
ঝরে যাবে!
এই দিকে করিম রাত দিন ব্যস্ত সময়
কাটাইতেছে
ফেসবুকের সেই মেয়েটির সাথে।
ফাইনাল পরিক্ষার আর বাকি ২
দিন।সবাই পড়া শুনায় ব্যস্ত
আর করিম ব্যস্ত চ্যাটিং নিয়ে।এমন
অবস্থা করিমের
দেখে তার মূর্খ্য মাও কিছু বললে
নানা কথা বলে
রাগারাগি করে।
তাই করিমের মা ও কিছু বলেনা
খালি কান্না করে!
করিমের পরিক্ষা শুরু হয়েছে।এখনো
তার পড়া শুনায়
ঠিকমত মন নেই। কোনো রকমে বইটা
পড়েই
সেই মেয়ের সাথে চ্যাটিং করে
ঘুমিয়ে যায়!
এই অবস্থায় সকালে উঠেই পরিক্ষা
দিতে যায় করিম।
সবাই পরিক্ষার ভালো ভাবেই
দিচ্ছিলো কিন্তু
করিমের কেন জানি মন মত প্রশ্ন
গুলো আসেনি।
জিসান কে বলে প্রশ্নটা এতো
কঠিন করার কি
দরকার এক্সামিনারের?!
জিসান খালি করিমের মুখের দিকে
তাকিয়ে হতাশার
নিঃশ্বাস ফেলে।
কারণ প্রশ্ন গুলো মটেও কঠিন হয়নি।
করিমের পরিক্ষা শেষ অনেক
কয়দিন আগেই।
আজ রেজাল্ট দিবে তার।তার মা
মানুষের বাড়িতে
কাজ করে কিছু টাকা জোগাড়
করেছে।
তার ছেলে করিমের রেজাল্ট হলে
সবাইকে মিষ্টি
খাওয়াবে।আর টিচারেরাও অনেক
আশা নিয়ে আছে
করিমের উত্তম রেজাল্টের।
সময় এখন ২ টা।রেজাল্ট পাবলিসড
হয়েছে।
করিম খুব তারাতারি রেডি হয়ে
কলেজে গেলো।
কিন্তু কলেজে গিয়ে দেখলো
করিমের
রেজাল্ট তো পাশের লিষ্টে নেই!
চারদিকে কেমন যেনো অন্ধকার
নেমে
আসলো করিমের ।সে যেনো
চারপাশে কিছুই
দেখতে পাইতেছেনা।ব্যপারটা
খেয়াল করে
দেখলো জিসান।সে নিজে গিয়ে
দেখলো
রেজাল্টশিট।
আবার একরাশ হতাশা তার চোখে
পরলো! হ্যা করিম
সত্যিই ফেল করেছে।তাও আবার
তিন
সাবজেক্টে।
করিম অনেক রাতে বাসায় ফিরলো।
তার মা এখনো
পথ চেয়ে আছে ভালো একটা
রেজাল্টের
আশায়।
বাসায় ঢুকার সাথে সাথেই-
_বাপ অনেক ভালো রেজাল্ট
হয়েছে নাহ? ঘড়ে
মিষ্টি এনে রাখছি যা তার বন্ধুদের
খাইয়ে দিয়ে আয়?
_না, মা! আমি তোমার স্বপ্ন পূরণ
করতে পারিনি।আমি
ফেল করেছি! (কান্না জড়িত কন্ঠ)
_না....
কথাটি বলেই করিমের মা অজ্ঞান
হয়ে যায়।
অনেকখন পরে করিমের মায়ের
জ্ঞান
ফিরেছে।এখন তিনি ঘুমাইতেছে।এই
ফাকে
ফেসবুকের সেই মেয়েটিকে
মেসেজ
করলো করিম-
_কি করো?
_এই তো আমার বফ এর সাথে কথা
বলতাছি! তোমার
রেজাল্ট খবর কি?
_আমি ফেল করেছি!আর তোমার বফ
আছে
আগে তো বলোনি?
_আমি জানতাম তুমি ফেল করেছো!
আর বফ
আজকেই বানিয়েছি একটা
ব্রিলিয়ান্ট ছাত্রকে কে!
_তুমি আমার কাছে এই বলে
একবারো খবর নিবেনা?
_প্রয়োজন ছিলোনা।ভালো থেকো।
আর
ফেল করা একটা ছাত্রের সাথে
আমার কথা বলার
প্রয়োজন আছে বলে মনে করিনা!
তারপর আর কথা বলার সুযোগ না
দিয়েই মেয়েটি
ব্লক মেরে দেয়ে করিম কে।
সব কিছুই যেনো আজ শেষ করিমের।
তার
আফসোস করা ছারা আর কিছুই
করার ছিলোনা!
# অনুরোধ : তাই পরিক্ষার্থীদের
কাছে আমার
অনুরোধ ফেবুতে অযথা কারো সাথে
চ্যাটিং বা
সময় নষ্ট না করে পড়া শুনায় মন দিন।
আর সবার স্বপ্ন কে পূরণ করুন।
তবেই লেখাটা সার্থক।
{সংগৃহীত}
11/12/2017
😖😞
অনেক কে প্রশ্ন করতে দেখা যায় আমি এতো পৃষ্ঠা লিখছি,এইটা সেইটা আমি কি A+ পাবো বা আমি কত পাবো।।
আসলে পৃষ্ঠা দিয়ে নম্বর মাপকাঠি সব সময় হয়না। যাদের লেখার মান ভালো,মূল বিষয় গুলো তুলে ধরছে এবং লেখা স্পষ্ট এবং যাদের শুরু এবং সমাপ্তিটা ভালো তারাই ভালো নম্বরের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার যগ্য। অধিক বড় করতে গিয়ে একটি প্রশ্ন,পরবতী তে শেষের গুলো অতিরিক্ত ছোট করা যুক্তিক নয় বরং সব গুলার মাঝে সামাঞ্জস্য রাখা দরকার।
*কিছু কথা*
*কাল সকাল ১০ টায় শুরু হতে যাচ্ছে তোমাদের JSC পরীক্ষা।
তোমাদের জীবনের ৮ বছরের পরিশ্রম এর ফল পাবে এই JSC পরিক্ষার মাধ্যমে।
তাই তোমাদের ভালো & একটু উপকার করার জন্য আমার কিছু কথা*
*১। পরিক্ষার আগের রাতে রাত জেগে পড়ার দরকার নাই।*
*২। পরীক্ষার Hall এ সময় মত পৌছে সিট দেখে নিবা।*
*৩। ঠান্ডা মাথায় OMR পূরণ করবা,,,তারাতারি করার দরকার নাই।*
*৪। MCQ যেগুলো কমন পড়বে সেগুলো আগে পূরণ করে নিবা।*
*®Sir দের সাথে ভালো ব্যাবহার করবা,,তাহলে সুযোগ সুবিধা পাবে®*
*৫। পেন্সিল অথবা রঙিন কলম দিয়ে খাতা মার্জিন করলে খাতার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়।*
*৬। কাটা-ছিড়া করা যাবেনা। যদি কিছু ভূল হয় তাহলে শুধু একটা দাক দিয়ে কেটে দিবা।*
*৭। সময়ের দিকে খেয়াল রাখবা। একটা সৃজনশীল ১৫/২০ মিনিট এর মধ্যে শেষ করার চেষ্টা করবা।
*৮। হাতের লেখা টা সুন্দর করে লেখবা।
*তোমাদের জন্য শুভ কামনা রইলো*
16/08/2017
SHALKHURIA BL HIGH SCHOOL ER NOTUN SHONG OSKORON......
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Address
Rangpur