#ইনকিলাব_জিন্দাবাদ
The Activity
"আমরা তো শাহাদাতের জন্যই মায়ের উদর হতে পৃথিবীতে পা রেখেছি।"
-- শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি
ইনকিলাব জিন্দাবাদ
30/12/2025
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান-
আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো প্রথম রাষ্ট্র নায়ক।
পঁচাত্তর পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে ভারতের পলিসি ছিলো দুইটি,
১. বাংলাদেশে অনুগত সরকার প্রতিষ্ঠা করা।
২.প্রথম কৌশল ব্যর্থ হলে, বিভিন্নভাবে চাপ বিস্তার করে ক্ষমতাসীন সরকারকে নতজানু করা।
বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে সেই আশায় গুড়েবালি দিয়ে বসেন।
তিনি ভেস্তে দিতে থাকেন ভারতের একের পর এক পরিকল্পনা।
ক্ষমতায় আসা মাত্রই জিয়াউর রহমান,
১.পররাষ্ট্রনীতিকে ভারতের বলয়ের বাহিরে এসে চীন,পাকিস্তান এবং মধ্যপ্রাচ্যের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলেন।
২.মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে ভারতের সাথে গোপন সাত দফা চুক্তির মধ্যে একটি চুক্তি ছিলো,
বাংলাদেশের কোনো স্বতন্ত্র সশস্ত্র বাহিনী থাকবেনা।পরবর্তীতে এই চুক্তিতে মুজিব আমলে প্রচুর ধারা যুক্ত হয়।বিভিন্ন চাপ থাকার কারনে মুজিবুর রহমান বাহিনীকে গুছাতে পারেননে।তবে শহীদ প্রেসিডেন্ট ক্ষমতায় আসা মাত্রই বাহিনীকে গড়ে তুলে। মুজিব আমলের এক ডিভিশনকে পাঁচ ডিভিশনে উন্নীত করেন। যেখানে (১৯৭৪-৭৫) সামরিক বাজেট ছিলো ৭৫০ মিলিয়ন, সেখানে ১৯৭৫-৭৬ অর্থবছরে ২০৬২ এবং ৭৬-৭৭ এ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় ২১৯৪ মিলিয়নে।
৩. জেনারেল জিয়া বাঙালী জাতীয়তাবাদের তথাকথিত দর্শন থেকে, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের
দর্শনের দিকে বাংলাদেশিদের ধাবিত করেন।যা ভারতকে সবচেয়ে বেশি বিচলিত করে।
৪. কথিত ভারতীয় স্যাকুলার দর্শন ও সাংস্কৃতিক আগ্রাসন বিস্তার জিয়ার শাসনামলে সংকুচিত হয়ে আসে।
৫.অর্থনৈতিক খাতে ভারতের উপর থেকে বাংলাদেশের নির্ভরশীলতা কমিয়ে আনেন যার ফলে ভারত তাদের চানক্য নীতি অনুসরণ করেও কোনঠাসা হতে থাকেন।
৬. ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার কাজগুলোকে বাংলাদেশে সংকুচিত করে দেয়ার জন্য যেসকল পদক্ষেপ নেয়ার প্রয়োজন তা নেয়া।
স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে ভারতের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে রাষ্ট্র নায়ক হিসেবে শহীদ জিয়াউর রহমানের মতো কেউ দাঁড়ায়নি।
প্রেসিডেন্ট জিয়ার ভারত সফরে ইন্দিরা গান্ধীর সাথে আনুষ্ঠানিক আলোচনা চলাকালীন তৎকালীন ভারতের র' প্রধান এন কাও সাথে ছিলেন।
ইন্দিরা গান্ধীর এক প্রশ্নের জবাবে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কাও'কে ইশারা করে বলেন,
❝যতটুকু আমি জানি, তার থেকে এই ভদ্রলোক বেশি জানেন আমার দেশ সম্পর্কে! ❞
বাংলাদেশে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার কার্যক্রম হুমকির মুখে পরলে,ভারত একটি জঘন্য রকমের উপায় অবলম্বনের সিদ্ধান্ত নেয়।
আর তা হলো,জিয়াউর রহমানকে উৎখাত কিংবা হত্যা। এই পরিকল্পনার সাথে জড়িত ছিলেন খোদ ইন্দিরা গান্ধী এবং র'প্রধান কাও।
১৯৭৭ সালে ভারতের জনতা পার্টি নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করলে সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।তৎকালীন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী পার্শ্ববর্তী দেশের প্রেসিডেন্টকে হত্যার পক্ষে ছিলেন না। আর তিনি সেভাবেই র'কে নির্দেশনা প্রদান করেন।
প্রধানমন্ত্রী মোরারজী দেশাইয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ, জনতা দলের এমপি সুব্রমনিয়াম স্বামীকে উদ্ধৃত করে নিবন্ধে বলা হয়,
❝র'এর তৎকালীন প্রধান কাশ্মীরি ব্রাহ্মণ আরএন কাও সহকারী প্রধান শংকর নায়ার ভেঙে পড়েন,এবং জিয়া হত্যা চক্রান্ত করেন। সরকারের পতনের পর মুরারজি দেশাইকে বিষয়টি অবহিত করা হয়,প্রতিবেশী একটি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানকে হত্যার আকাঙ্ক্ষা শুনে প্রধানমন্ত্রী দেশাই বিমুড় হয়ে পড়েন এবং হত্যা চক্রান্ত বন্ধের নির্দেশ দেন।❞
প্রেসিডেন্ট জিয়ার ব্যাপারে এমন সিদ্ধান্তে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে থাকা রয়ের এজেন্টরা নিজেদের অনিরাপদ ভাবা শুরু করে এবং তারা বিভিন্ন ভাবে বাংলাদেশে অরাজকতা সৃষ্টি করতে থাকে। যেনো প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এসকল গোলমাল থামাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন এবং দেশের উন্নয়নের দিকে মনোনিবেশে ব্যর্থ হোন।
সেনাবাহিনীর মধ্যে থাকা র' এজেন্টরা বিভিন্ন সময়ে মোট ১৮/২১ টি বিদ্রোহ ঘটান।
এ ছাড়া দেশের অভ্যন্তরে র' এজেন্ট কাদের সিদ্দিকী বা বাঘা কাদেরসহ আরো অনেকেই বিভিন্ন উপায়ে বাংলাদেশকে উত্তপ্ত রাখে।
পরবর্তীতে ইন্ধিরা গান্ধী আবার ক্ষমতায় এলে জিয়াউর রহমান হত্যার চূড়ান্ত ছক কষে ফেলে র'।
নিজেদের স্বার্থে, বাংলাদেশকে নিজেদের তাবেদার হিসেবে গড়ার জন্য তারা এই জঘন্য কাজটি করে বসে,যা দিনের আলোর মতো স্বচ্ছ। এছাড়াও জিয়া হত্যায় বাংলাদেশের একটি মহলো জড়িত বলে জানা যায়।
প্রমাণসমূহ, ❝বাংলাদেশে -র❞ বইয়ে যেভাবে দেয়া আছে,
❝ভারতীয় প্রতিরক্ষা গবেষক পার্থ সারথি ঘোষের কথা,
আসন্ন নির্বাচনের ফলাফল ভারত পাবে কিনা, তা বিচার্য বিষয় নয়।শেখ মুজিব ও তার উত্তরসূরিদের সাথে অভিজ্ঞতার আলোকে এটা বলা যায় যে,শেখ হাসিনা নেতৃত্তাধীন আওয়ামীলীগের মাঝেই রয়েছে ভারতের ভিত।........ আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোনো রাজনৈতিক দলকে ভারত তাদের স্বার্থরক্ষাকারী বলে মনে করে না।এবং এই আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনার জন্যই তারা গোপনীয় অনেক কাজ করেছে,তারমধ্যে অন্যতম হলো প্রেসিডেন্ট জিয়াকে হত্যা।
-ভারতীয় পত্রিকা MAINSTREAM এর একাশিতম সংখ্যায় limits of Diplomacy : Bangladesh প্রবন্ধে এটি লেখা হয়।
এ ছাড়াও, জিয়া হত্যার সংলাপ সর্বপ্রথম প্রকাশ পায় আকাশবানী-আগরতলার এক সাংবাদিকের থেকে। সারা দুনিয়া এমনকি বাংলাদেশ জানার আগেও তারা জেনে গিয়েছিলো।
অন্যদিকে,প্রেসিডেন্ট জিয়া হত্যার মাত্র বারোদিন আগেই শেখ হাসিনা বাংলাদেশে আসেন এবং জিয়াকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।সম্পূর্ণ ঘটনা, শেখ হাসিনার সাবেক সহযোগী মতিউর রহমান রেন্টু ❝আমার ফাসি চাই ❞ বইয়ে লিখে গেছেন।
জিয়া হত্যার খবর পেয়ে সিলেট থেকে ঢাকা আসার পথে হাসিনা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্ত দিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে,সীমান্তরক্ষীরা তা ভেস্তে দেন।
উপরোক্ত তথ্য ছাড়াও, ভারত যে এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত,তার আরো প্রমাণাদি হলো,
১.প্রেসিডেন্ট জিয়া হত্যাকাণ্ডের একদিন আগে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করে।
২.জিয়া হত্যার দুইদিন পরে দুই দিন পরেও ভারতীয় সীমান্তে ভারতীয় সেনারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকে- আকাশবাণী পত্রিকা।
৩. ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো দাবি করে,বাংলাদেশ থেকে সহায়তার জন্য এখনো ভারতীয় সেনাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
৪.প্রেসিডেন্ট জিয়া হত্যাকাণ্ডের সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথে ভারতীয় কতৃপক্ষ নয়াদিল্লিস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনে জানতে চান হাসিনাকে গ্রেফতার করা হয়েছে কিনা!
আসলে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ প্রবর্তনসহ স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি ও বিশেষ করে স্বকীয় কৌশলগত নীতিমালা প্রণয়ন সহ র' এবং ভারতের কর্মকাণ্ডসমূহ বাংলাদেশে সংকুচিত করেছিলেন বলেই তাকে হত্যা করা হয়।
আজ যখন আমাদের ভাই শহীদ ওসমান বিন হাদি রাহিমাহুল্লাহ বলেন,
❝আল্লাহর কসম, শহীদ জিয়ার বিএনপিকে দিল্লিত দাস হতে দিবো না।❞
তখন বিএনপির কর্মকাণ্ড আমাদের করে হতাশ।
ওসমান হাদী রাহিমাহুল্লাহ বলে গেছেন,এ দেশে ফ্যাসিস্ট হাসিনার পুনর্বাসন যেন না হয়। আর যদি বিএনপি তা করেই বসে,তাহলে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পরিণতি ঘটবে তাদের সাথে।
কারন,ভারত কখনোই আওয়ামী লীগের সাথে বিএনপিসহ কোনো দলকেই একই পাল্লায় মাপে না।
#ইনকিলাব_জিন্দাবাদ
নিজের শত্রুর জন্যও যে মানুষটা ন্যায়বিচার চেয়েছিল, তার প্রতি হওয়া অন্যায়ের বিচার করতে এত দেরি কেন?
নিষিদ্ধ সকল বই আমরা প্রিমিয়াম এডিশনে আনতেছি। সেখান থেকে ২টা বই কিনলে পাবেন আরেকটা বই ফ্রি। দাম থাকবে রেগুলার এডিশনের মতই ইনশাআল্লাহ। খুব শীঘ্রই আসতেছে অফার।❤️
12/09/2024
এত নিষিদ্ধ বই পড়লেন!
এই নেন আজীবন নিষিদ্ধ আরেকটা বই🙂
12/09/2024
দুইটা বই মাত্র ২৫০ টাকা দু'দিনের জন্য😌
12/09/2024
২৫০ টাকা সেট। (হার্ডকাভার)
05/09/2024
বইটি অর্ডার করতে ইনবক্স করুন ❤️
Click here to claim your Sponsored Listing.