Jenis Sarkar

Jenis Sarkar "Not in the words of others
Be your own inspiration".

উনার নাম সৈয়দ আলী। উনি ইরানের খোমাইন শহরে জন্ম গ্রহন করেন তাই তাকে আয়াতুল্লাহ আলী খোমেনি বলা হয়। উনি ইসলামী সর্বোচ্চ শিক...
18/06/2025

উনার নাম সৈয়দ আলী। উনি ইরানের খোমাইন শহরে জন্ম গ্রহন করেন তাই তাকে আয়াতুল্লাহ আলী খোমেনি বলা হয়। উনি ইসলামী সর্বোচ্চ শিক্ষা অর্জন করেছেন ইরাক ও ইরানের বিখ্যাত মাদ্রাসা হতে। তার উপাধী আয়াতুল্লাহ যা ফিকাহবিদ/ মুজতাহিদ/ আল্লামা সমতূল্য। তাছাড়াও তিনি নবী সাঃ এর ৩৮ তম বংশধর। নবী সাঃ এর দৌহিত্র ইমাম হুসাইন রাঃ এর ছেলে ইমাম জয়নাল আবেদীন এর বংশধর। উনার মাথায় কালো পাগড়ী তাঁর চিহ্ন বহন করে। উনি শিয়া মাজহাবে প্রচলিত বেশ কিছু বিতর্কিত বিষয় সমাধান করে শিয়া ও সুন্নী মুসলমানদের মধ্যে ঐক্য তৈরি করতে ভালো কিছু ফতোয়া জারি করেছেন। যার মধ্যে রয়েছে সাহাবীদের গালি না দেয়া, মহহরমে শরীর থেকে রক্ত না ঝরানো, সকল মাজহাবের মুসলিম একই মসজিদে নামাজ পরার তাগিদ ইত্যাদি যা মুসলিম ভাতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় অনন্য অবদান হয়ে থাকবে মহান আল্লাহ পাক তাকে ইসলামের খাদেম হিসেবে কবুল করুন আমিন।

21/12/2024

ড. মুহাম্মদ ইউনূস আবারও নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হতে পারেন!! ড. মুহাম্মদ ইউনূস যিনি বিশ্বের কাছে ড. ইউনিভার্স নামে পরিচিত!

তাঁর মাইক্রোক্রেডিট ধারণার মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে দারিদ্র্য বিমোচনে একটি বিপ্লব সৃষ্টি করেছেন। এই কাজের জন্য তিনি ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন। তবে তাঁর অবদান এখানেই শেষ নয়।২০১৭ সালে প্রকাশিত তাঁর বই A World of Three Zeros এ ড. ইউনূস একটি নতুন এবং সাহসী ধারণা উপস্থাপন করেছেন যা তিনি Three Zeros থিয়োরি নামে পরিচিত করেছেন। এই থিয়োরি তিনটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য নিয়ে গঠিত Zero Poverty Zero Unemployment এবং Zero Net Carbon Emissions এই ধারণা বাস্তবায়িত হলে এটি আবারও ড. ইউনুসকে নোবেল পুরস্কারের মঞ্চে নিয়ে আসতে পারে এবং কেননা এই থিয়োরি আমাদের বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলির সমাধান হিসাবে বিবেচিত হতে পারে।


Zero Poverty:-দারিদ্র্যের অবসান

ড. ইউনূসের Three Zeros থিয়োরির প্রথম লক্ষ্য হল Zero Poverty অর্থাৎ দারিদ্র্যের সম্পূর্ণ অবসান। তিনি বিশ্বাস করেন যে দারিদ্র্য কেবল অর্থনৈতিক সমস্যার ফল নয়!বরং এটি একটি সামাজিক সমস্যা যা সঠিকভাবে সমাধান করা সম্ভব। মাইক্রোক্রেডিট ধারণার মাধ্যমে তিনি দেখিয়েছেন যে কীভাবে ছোট ঋণ মানুষকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে পারে।এই মডেলটি দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য কার্যকর একটি উপায় হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং ড. ইউনূস এখন আরও বড় পরিসরে এই ধারণাকে প্রসারিত করতে চান যাতে বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্যের সম্পূর্ণ অবসান সম্ভব হয়।


Zero Unemployment: কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা

Three Zeros থিয়োরির দ্বিতীয় লক্ষ্য হল Zero Unemployment অর্থাৎ বেকারত্বের সম্পূর্ণ অবসান।ড. ইউনূস বিশ্বাস করেন যে প্রত্যেক মানুষের কর্মসংস্থান একটি মৌলিক অধিকার, এবং এই অধিকার নিশ্চিত করার জন্য তিনি সোশ্যাল বিজনেস মডেলগুলোর ওপর জোর দেন।এই মডেলগুলো লাভের পরিবর্তে মানুষের কল্যাণে নিবেদিত হয় যা কর্মসংস্থান তৈরি করতে সহায়ক। ড. ইউনুস মনে করেন যে এই মডেলগুলো যদি বৈশ্বিকভাবে গৃহীত হয়, তাহলে বিশ্বের সমস্ত মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব হবে।


Zero Net Carbon Emissions:-পরিবেশের রক্ষা

Three Zeros থিয়োরির তৃতীয় এবং সর্বশেষ লক্ষ্য হল Zero Net Carbon Emissions অর্থাৎ কার্বন নিঃসরণকে সম্পূর্ণভাবে শূন্যে নামিয়ে আনা।জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব থেকে আমাদের গ্রহকে রক্ষা করতে হলে কার্বন নিঃসরণ হ্রাস একটি জরুরি পদক্ষেপ ড. ইউনুস বিশ্বাস করেন যে সোশ্যাল বিজনেস মডেলগুলোর মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব উদ্যোগগুলোর প্রসার ঘটানো সম্ভব, যা কার্বন নিঃসরণ কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।যদি এই মডেলগুলি বৈশ্বিকভাবে প্রয়োগ করা হয়, তাহলে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব কমিয়ে পৃথিবীকে একটি সবুজ ও টেকসই ভবিষ্যতের দিকে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।

31/07/2024
29/07/2024

গোলাম রব্বানি স্যার
অধ্যাপক ইতিহাসের বিভাগ,জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯ জুলাই,২০২৪

#জাবি

যোগ্যতার ৪টি উপাদান। ১। জ্ঞান  ২। দক্ষতা  ৩। মূল্যবোধ ও ৪। দৃষ্টিভঙ্গি১) জ্ঞান  :  গাড়ি চালানোর নিয়ম কানুন জানা হলো জ্ঞা...
26/04/2024

যোগ্যতার ৪টি উপাদান।
১। জ্ঞান ২। দক্ষতা ৩। মূল্যবোধ ও ৪। দৃষ্টিভঙ্গি

১) জ্ঞান : গাড়ি চালানোর নিয়ম কানুন জানা হলো জ্ঞান।
২) দক্ষতা : গাড়ি ভালোভাবে চালাতে পারা হলো দক্ষতা।
৩) দৃষ্টিভঙ্গি : সিগন্যালে গাড়ি নেই, সার্জেন্টে নেই , আপনি নিয়ম মানবেন কিনা, সেটা আপনার দৃষ্টিভঙ্গি।
৪) মূল্যবোধ : সব সময় নিয়ম মেনে গাড়ি চালানোর প্রতি ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হওয়া হলো মূল্যবোধ।

★যোগ্যতা : নিয়ম কানুন মেনে ভালো ভাবে গাড়ি চালিয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে যেতে পারা হচ্ছে তার যোগ্যতা।
'Collected'

04/12/2023

#শিক্ষাচিন্তা
সকলের জানা প্রয়োজন--

🫡অধ্যাপক সলিমুল্লা খান

আপনার খারাপ সময় আপনাকে সমস্ত জ্ঞান দেবে যা আপনার স্কুল পারে না।
16/11/2023

আপনার খারাপ সময় আপনাকে সমস্ত জ্ঞান দেবে যা আপনার স্কুল পারে না।

09/11/2023

#সংগঠন
সংগঠন (Organization) একটি সামাজিক প্রক্রিয়া। যেকোন উদ্দেশ্যকে বা লক্ষ্যকে হাসিল করতে একদল মানুষ যখন তৎপর থাকে তখনই সংগঠনের সৃষ্টি হয়। আর এই সংগঠনের কাজ গুলি ব্যপকতার ভিত্তিতে একক কাজের মাধ্যমে সম্পন্ন করা সম্ভব হয় না। তাই সংগঠনের দায়িত্ব সমূহকে বিভিন্ন ধাপে বিভক্ত করা হয়। আর তখনই সৃষ্টি হয় বিভিন্ন পদের। আপনারা কয়জন কে নিয়ে কমিটি গঠন করবেন, সেটার নির্ভর করে পদ সংখ্যা। যেমন আহবায়ক কমিটি ১১ জন নিয়ে গঠিত হয়। অনান্য কমিটির পদ সংখ্যা আরও বেশী হবে। সদস্য সংখ্যার উপর নির্ভর করে কমিটি গঠন করা হয়। যেমন ২১জন, ৪১ জন, ৫১ জন, ৭১ জন ১০১ জন।

👉সংগঠণের বিভিন্ন পদের নাম ও তাদের দায়িত্ব

১) সভাপতি : সভাপতি সংগঠনের প্রধান। তিনি পদাধিকারবলে সকল সভায় সভাপতিত্ব করেন। সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষেত্রে তিনি ভোটদানের অধিকারি নন। তবে অচলাবস্থা জন্য তিনি কাস্টিং ভোট দিতে পারেন। সংগঠনের গঠনতন্ত্রের প্রতিটি ধারার যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা তার দায়িত্ব।

২) সহ-সভাপতি : সহ-সভাপতি সভাপতির সকল কাজে সহায়তা করেন। সভাপতির অনুপস্থিতিতে সহ-সভাপতি সভাপতির দায়িত্ব ও ক্ষমতার অধিকারি হন। এ ছাড়াও তিনি তার উপর অর্পিত অন্যান্য দায়িত্ব পালন করেন।

৩) সাধারন সম্পাদক : সাধারন সম্পাদক সংগঠনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। তিনি সভাপতির পরামর্শক্রমে সংগঠনের সভা আহ্বান করেন। তিনি প্রয়োজনবোধে অন্যান্য কর্মকর্তার ওপর বিভিন্ন দায়িত্ব অর্পন করেন এবং তাদের কাজের মধ্যে সংযোগ ও সমন্বয় সাধন করেন। সংগঠনের দৈনন্দিন কার্যকলাপের জন্যে দায়ি থাকেন। প্রতিটি সভায় তিনি সংগঠনের কার্যাবলীর রিপোর্ট পেশ করেন।

৪) সহ-সাধারন সম্পাদক : তিনি সাধারন সম্পাদকের সকল কাজে সহায়তা করেন। সাধারন সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে তিনি সাধারন সম্পাদকের সকল দায়িত্ব ও ক্ষমতার অধিকারি হন। এছাড়াও তার উপর অর্পিত অন্যান্য দায়িত্ব পালন করেন।

৫) সাংগঠনিক সম্পাদক : প্রতিষ্ঠানকে সাংগঠনিক ভাবে সুদৃঢ় করতে সচেষ্ট থাকেন। সাংগঠনিক সম্পাদক সংগঠনকে শক্তিশালী করার জন্য সর্বদা নিয়োজিত থাকবেন। সংগঠনের শৃঙ্খলা এবং ব্যাপ্তি ঘটানোর জন্য নিবেদিত প্রাণ হিসেবে কাজ করাই তার প্রধান। সংগঠনের সভাপতির সঙ্গে আলোচনাক্রমে তিনি সংগঠনের সকল সভা আহ্বান করবেন এবং সভার কার্যবিবরণী লিপিবদ্ধ করার ব্যাবস্থা গ্রহণ করবেন । সংগঠনের স্বার্থ সংরক্ষণের দায়িত্ব ও প্রশাসনিক কার্যভার তার উপর ন্যস্ত থাকবে এবং কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক অর্পিত অন্যান্য দায়িত্বও তাকে পালন করতে হবে । সংগঠনের নথিপত্র ও সম্পদ তাঁর তত্ত্বাবধানে থাকবে এবং এ ব্যাপারে তিনি একটি রেজিস্টার খাতা রাখবেন । সভাপতির সাক্ষর থাকবে । তিনি বছরের কার্যবিবরণী প্রস্তুত করবেন এবং তা কার্যকরী পরিষদেও অনুমোদনক্রমে, তা বার্ষিক সাধারণ সভায় পেশ করবেন ।

৬) সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: সাংগঠনিক সম্পাদকের সকল কাজে সহায়তা করেন। সাংগঠনিক সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে তিনি সাংগঠনিক সম্পাদকের সকল দায়িত্ব ও ক্ষমতার অধিকারি হন। এছাড়াও তার উপর অর্পিত অন্যান্য দায়িত্ব পালন করেন।

৭) প্রচার সম্পাদক: পদের নামেই বোঝা যাচ্ছে তার কাজ কি হবে। মূলত প্রচার করাই প্রচার সম্পাদকের কাজ। তিনি যে সংগঠন বা প্রতিষ্ঠার প্রচার সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হবেন সেই সংযুক্ত প্রতিষ্ঠান, সংঘ বা দলের যেকোনো কার্যক্রম সম্পর্কিত খবরাখবর অন্যান্য কর্মকর্তা এবং প্রয়োজনে সাধারণ মানুষের নিকট পৌছে দেয়ার জন্য তিনি মুখপাত্রের ভূমিকা পালন করেন। প্রচার কাজের জন্য তার আওতাধীণ অন্যান্য কর্মীরা থাকলে তাদেরকে পরিচালিত করাও তার কাজ। প্রচার কাজের জন্য সংযুক্ত চিঠি, নোটিশ, পোস্টার, ব্যানারসহ অন্যান্য ডকুমেন্ট তার দ্বায়িতে থাকবে।

৮) কোষাধ্যক্ষঃ সংগঠনের যাবতীয় অর্থ তার মারফত ব্যাংকে জমা থাকে। তিনি প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়ের হিসাব রক্ষা ও প্রদান করেন। বিভিন্ন বিভাগের আয়-ব্যয়ের সমন্বয় করেন।
৯) দপ্তর সম্পাদক : সংগঠনের যাবতীয় জিনিসপত্র দেখাশোনা ও সংরক্ষণ করেন। –এ ছাড়াও সংগঠনে অর্থ সংক্রান্ত, গবেষণা, তথ্য, , প্রকাশণা ইত্যাদি বিভাগে সম্পাদক থাকতে পারেন।

১০) আইটি সম্পাদকঃ সংগঠনের কার্যক্রমকে ডিজিটালাইজ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।সংগঠনকে আরো বেশী প্রযুক্তি নির্ভর করার জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও নির্বাহী সভায় উপস্থাপন করবেন।সংগঠনের কার্যক্রমকে ইন্টারনেটে প্রতিনিয়ত প্রচার করা ও আপডেট করবেন।সংগঠনের ওয়েবসাইটকে প্রতিনিয়ত ওয়াপে আপডেট করবেন।সংগঠনের সকল কার্যক্রমের ডিজিটাল কপি সংরক্ষন করবেন।বিভিন্ন অনুষ্ঠানকে আরো দৃষ্টি নন্দন করার জন্য প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা গ্রহণ করে নির্বাহী সভায় উপস্থাপন করবেন।

১১) শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদকঃ শিক্ষাসংক্রান্ত যেকোন কাজে পরিচালনার দায়িত্ব নিবেন।শিক্ষার প্রসারে ভূমিকা পালন করবেন।

১২) ধর্ম বিষয়ক সম্পাদকঃ ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।ধর্মীয় সংহতি বজায় রাখতে যেকোনো পরামর্শ সভায় পেশ করবেন।

ধন্যবাদ🥰
Jenis Sarkar
Follow my page

01/11/2023

❝ অবশ্যই তুমি পাবে-
যা তোমার থেকে চলে গেছে,তার চেয়েও উত্তম ❞!
🔷সূরা আনফালঃ৭০💝

Address

Gaibandha
Rangpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jenis Sarkar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share