29/04/2026
এই ঝড়ের দিনে আল্লাহ যদি এক ক্ষুদ্র পাখির রিজিকের ব্যবস্থা করতে পারে। তাহলে আপনার রিজিকের এত কেন চিন্তা?
শিক্ষা হোক উন্মুক্ত
29/04/2026
এই ঝড়ের দিনে আল্লাহ যদি এক ক্ষুদ্র পাখির রিজিকের ব্যবস্থা করতে পারে। তাহলে আপনার রিজিকের এত কেন চিন্তা?
18/03/2026
ঢাকা মেডিকেল কলেজের K-75 ব্যাচের ছোটভাই সজীব দত্ত আত্মহত্যা করেছে। ইন্টার্নশিপ শেষে ও এমফিল করতে ইউকে গিয়েছিল।
ব্যাচমেটদের বক্তব্য অনুযায়ী অনেক আগে থেকেই ও ডিপ্রেসনে ভুগত৷ সবসময় মন খারাপ করে থাকত৷ কোথাও ঘুরতে যেত না।
অত্যন্ত মেধাবী ছিল ও। মেডিকেলের কঠিন পরীক্ষাগুলোয় সবসময় প্রথম দিকে রেজাল্ট থাকত।
আমাদের সমাজ এমন এক সমাজ, যেখানে মানসিক সুস্থতাকে পাত্তা দেয়া হয় না। আমাদের কাছে মানসিক রোগ কোনো রোগই না। অথচ উন্নত দেশগুলোয় মানসিক স্বাস্থ্যকে সবার আগে গুরুত্ব দেয়া হয়।
আপনারা মানসিক অসুস্থতাকে অবহেলা করবেন না। বিনা কারণে মন খারাপ থাকলে, কিছু ভালো না লাগলে, সামাজিক দূরত্ব সৃষ্টি হলে, সবসময় একা মনে হলে, মাথায় সর্বদা আত্মহননের চিন্তা ঘুরলে একজন মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞেস শরণাপন্ন হোন।
মনে রাখবেন, আমাদের শরীরের যেমন বিভিন্ন রোগ হয়, তেমননি আমাদের মনও রোগাক্রান্ত হয়। উপযুক্ত চিকিৎসায় শারিরীক রোগ যেমন সারে তেমনি সারে মানসিক রোগও।
মানসিক স্বাস্থ্যকে ট্যাবু হিসেবে না দেখে সহজভাবে নিন। মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যেতে দেখলে আশেপাশে যারা ক্রিটিসাইজ করে, কথা শোনায়, হাসাহাসি করে, ওদের পাত্তা দেবেন না। একটা শুঁয়োপোকার যতটুকু বুদ্ধিবৃত্তি আছে, এই ক্রিটিসাইজ করা লোকগুলোর ততটুকুও নেই। এমন নিচু গোত্রের প্রাণিদের ভয়ে নিজের মানসিক স্বাস্থ্যকে অবহেলা করার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই।
© Humayun Kabir
কোনো মানুষের কাছ থেকে এতটাও কেড়ে নিও না যে, তার আর কিছুই হারানোর না থাকে...
বাংলাদেশী জোকার ❤️
কথাগুলো আমার নয়, বলেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি-জিনপিং।
★একদিন রাতে বাড়ি ফিরে দেখি, বাবা আমার জন্য খাবার টেবিলে অপেক্ষা করছেন"!!!"
টেবিলে রাখা আছে রান্না করা ন্যুডলসের দুটি প্লেট ! একটা প্লেটের ওপর রাখা ছিল একটি খোসা ছাড়ানো সিদ্ধ ডিম"!!!"
অন্য প্লেটটি ছিল শুধু ন্যুডলসের, আমাকে যেকোনো একটি প্লেট বেছে নিতে বললেন বাবা"!!!" স্বাভাবিকভাবেই আমি ডিম সমেত প্লেটটাই উঠিয়ে নিলাম"!!!" সেইসব দিনে চীনে ডিম ছিল এক দুস্প্রাপ্য জিনিস! উৎসবের দিন ছাড়া কারো বাড়িতে ডিম খাবার কথা তখন ভাবা যেতো না"!!!" খাওয়া শুরু করার পর দেখা গেলো বাবার প্লেটে ন্যুডলসের তলায় লুকিয়ে রাখা আছে দুটো ডিম, ফলে আমার খুব দুঃখ লাগছিলো তখন"!!!" মনে মনে ভাবছিলাম, কেন যে তাড়াহুড়ো করে বাছতে গেলাম.?"
বাবা আমাকে দেখছিলেন, খাবার শেষ করার পর মৃদু হেঁসে বললেন, মনে রেখো তোমার চোখ যা দেখে, সেটা সবসময় সত্যি নাও হতে পারে"!!!" শুধু চোখে দেখে যদি মানুষকে কিংবা কোনো পরিস্থিতিকে বিচার করে সিদ্ধান্ত নাও, ঠকে যাওয়ার সম্ভবনাই বেশি"!!!"
★পরদিন আমার বাবা আবারও খাবার টেবিলে ন্যুডলস ভর্তি দুটো প্লেট রেখে আমাকে খেতে ডাকলেন"!!!" আগের দিনের মতো এবারও একটাতে ডিম আছে, আর একটাতে নেই"!!!"
আমাকে যে কোনো একটি প্লেট বেছে নিতে বলা হলো"!!!" আমি আগের অভিজ্ঞতা থেকে জেনেছি, চোখ যা দেখে তা সত্যি নাও হতে পারে"!!!" আমি ডিম ছাড়া প্লেটটিই বেছে নিলাম"!!!"
কিন্তু খেতে গিয়ে দেখলাম ভেতরে কোনো ডিমই নেই! বাবা আমার দিকে তাকিয়ে আবার হাঁসলেন"!!!" বললেন অভিজ্ঞতা সব সময় সঠিক পথ দেখায় না, জীবন বড় বিচিত্র"!!!" জীবনে চলার পথে বহুবার আমাদের মরীচিকার মুখোমুখি হতে হয়, এর থেকে উত্তরণ অসম্ভব"!!!"
জীবন যেটা তোমাকে দিয়েছে, সেটা মেনে নিলে কষ্ট কম হবে"!!!" তোমার অভিজ্ঞতা এবং বুদ্ধিমত্তা তুমি অবশ্যই কাজে লাগাবে, কিন্তু শেষ কথা জীবনই বলবে"!!!"
★তৃতীয় দিন আবার একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি"!!!" আগের দিনের মতই এবারেও একটাতে ডিম আছে, আর একটাতে নেই"!!!" তবে একটা ব্যাপার এবার একটু অন্য রকম মনে হলো"!!!" এবার আমি বাবাকে বললাম, আগে তুমি নাও, তারপর আমি"!!!" কারণ তুমি বাড়ির সবার বড়, এই সংসার তোমার আয়ে চলে, তোমার অধিকার সবার আগে"!!!" শুনে বাবার মুখে উজ্জ্বল হাঁসি ফুটে উঠলো, মুখে কিছু বললেন না যদিও"!!!" খাওয়া শুরু করার পর আমি দেখলাম ন্যুডলসের নীচে আমার প্লেটে দুটো ডিম"!!!"
খাবার শেষ করার পর, বাবা আমাকে কাছে ডাকলেন"!!!" স্বস্নেহে আমার হাত ধরে বললেন, মনে রেখো, কৃতজ্ঞতা এবং ঋণ স্বীকার করা মানুষের শ্রেষ্ঠ ধর্ম"!!!
তুমি জীবনে যদি অন্যের জন্য ভাবো, অন্যকে দাও, জীবনও তোমার কথা ভাববে, তোমাকে আরো বহুগুণে ফিরিয়ে দেবে"!!!"
আমাদের সকলের জীবনে বাবা-মা প্রধান এবং প্রথম শিক্ষক, বাবা-মার উপদেশ পালন করে কেউ কখনো ঠকেনি, ঠকবেও না"!!!"
কারণ, কোন বাবা-মা সন্তানের অমঙ্গল কামনা করেননা কক্ষোনোই।
ভালো থাকুক পৃথিবীর সকল বাবা মা।
(সংগৃহীত )
ছবিটা কিন্তু শি জিনপিংএর
13/02/2026
Supple is not a crime in medical: ফার্স্ট প্রফে ৩ বার সাপ্লি খেয়েও ফিরে আসা যায়।
"নভেম্বর ২২"
এই ছেলেটা ফার্স্ট প্রফের সাপ্লিতে তৃতীয়বারের মতো বসে।
যেখানে তখন তার রেগুলার ব্যাচ (১৯–২০) আমরা সেকেন্ড প্রফ দিয়ে ফেলেছি।
এবং এই প্রফেও তার সাপ্লি আসে।
মে ২৩-এ সে চতুর্থবারের মতো সাপ্লি দিয়ে ফার্স্ট প্রফ পাশ করে।
তখন তার বন্ধুরা—অর্থাৎ আমরা—ফোর্থ ইয়ারের অর্ধেক শেষ করেছি।
বলছিলাম আমার রুমমেট "ডা. নাঈম হাসান অতুল"- কথা।
মেডিকেলে সাপ্লি এমন এক জিনিস, যার ভয়ে সবচেয়ে ভালো ছাত্রটির আত্মাও কেঁপে ওঠে। এই সাপ্লির জন্যই অনেকে ঝরে পড়ে। সেখানে এই ছেলেটিকে দেখে মনেই হত না কিছু হয়েছে।
ফার্স্ট প্রফ—
নভেম্বর ২০২১,
মে ২০২২,
নভেম্বর ২০২২—
এই তিনটি প্রফেই এই ছেলেটার সাপ্লি আসে।
অনেকে যেখানে সাপ্লি এলে নিজেকে আড়াল করে নেয়,
সেখানে এই ছেলেটা আমাদের সঙ্গে রেগুলার আইটেম দিত, ক্লাস করত, ওয়ার্ড করত।
অন্য কেউ সাপ্লি পেলে যেখানে হতাশ হয়ে যেত,
সেখানে এই ছেলেটির জন্য আমরাই বরং হতাশ হতাম।
আর সে উল্টো আমাদের অভয় দিয়ে বলত,
“আরেহ মাম্মাহ, হয়ে যাবে।”
সেকেন্ড প্রফ সে ইজিলি পাশ করে গেলেও,
থার্ড প্রফে এসে আবার দুই সাবজেক্টে সাপ্লি খায়।
এই ছেলেটি নভেম্বর ২০২৫-এর ফাইনাল প্রফে পাশ করে
ইন্টার্নশিপে জয়েন করবে।
অর্থাৎ রেগুলার ব্যাচকে সে ইন্টার্নশিপেই পেয়ে গেল।
মেডিকেল একটি কঠিন জায়গা।
এখানে উত্থান-পতন থাকবেই।
এখানে যারা একটি আইটেম, একটি টার্ম, কিংবা একটি সাপ্লির জন্য সব ছেড়ে দেয়, হতাশ হয়ে যায়—
এই গল্পটি তাদের জন্য একটি নিদর্শন।
ভেঙে পড়ো না।
হতাশ হয়ো না।
চেষ্টা করো, আর সফল হও।
✒️Saifur Rahman Khan
08/02/2026
আগে বুঝলে তো এই সাব্জেক্টটা নিতাম না! কেউ আমাকে তখন কেন বললো না....!
এই হতাশার বাক্যটা একদম সুপার কমন আমাদের দেশে কারণ ৭০% স্টুডেন্টই জানে না ও আসলে কি চায়।
এদিকে আবার ঠিকই হুজুগে পরে এত্তগুলা টাকা ঢেলে একটা সার্টিফিকেটের জন্য ৪ টা বছর ব্যয় করে।
তারপর বিভিন্ন জায়গায় সিভি ড্রপ করতে গিয়ে
বুঝতে পারে যে বাংলাদেশে আসলে সব সাবজেক্টের "ভাত" নাই। 😑
Sorry to say this but it's bitter truth.
হুট করে একদিন যখন দেখে সাথের এক ব্যাচমেট ধুমায় ইনকাম করছে তখন গিয়ে টনক নড়ে যে না এভাবে হবে না। অথচ, ততদিনে অনেক দেরি হয়ে যায়।
তাই ভার্সিটি বা সাব্জেক্ট চুজ করার আগে দেখতে হবে যে, "আপনি" আসলে কি চান।
▪️ আপনি কোন সেক্টরে ক্যারিয়ার করতে চান?
▪️ওই সেক্টরের ডিমান্ড কেমন?
▪️কোন সাব্জেক্ট পড়লে উল্লিখিত সেক্টরে সুবিধা পাওয়া যাবে?
▪️কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে এই সাবজেক্টের ভ্যালু সবচেয়ে বেশি?
এগুলো আগে জানবেন তারপর সিদ্ধান্ত নিবেন কি করবেন।
অনেক প্রেশার I know, তবে -
আমি আপনার সিদ্ধান্ত নেয়ার জায়গাটা আরেকটু সহজ করে দিতে পারি।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন কোন সাব্জেক্টে পড়লে আপনি কোন সেক্টরে ভবিষ্যতে কাজ করতে পারবেন তার একটা লিস্ট দিচ্ছি। দেখুন তো,
আপনার কোনটা পছন্দ হয় -
✅ সাইন্স ডিপার্টমেন্ট
• ফিজিক্স/ম্যাথ/বোটানি/জুলজি → Teacher/Lecturer/Professor, Higher research.
• কেমিস্ট্রি → Teaching + Chemical/Food/Garments industry jobs.
• বায়োকেমিস্ট্রি / Molecular Biology → Pharma industry, Medical Research, Biotech labs.
• পরিবেশ বিজ্ঞান → NGO, Climate projects, Research orgs, Consultancy.
• CSE (Computer Science & Engineering) → Software engineer, IT jobs, Cyber security, Freelancing.
✅ Business Faculty (BBA)
• অ্যাকাউন্টিং/ ফিন্যান্স & ব্যাংকিং → Bank, Financial institution, Company accounts.
• ম্যানেজমেন্ট → HR/Admin/Manager roles in companies.
• মার্কেটিং → Corporate Sales, Brand promotion, Digital marketing.
✅ মানবিক বিভাগ
• সাইকোলজি → Psychologist, Psychotherapist, Counselor, Addiction/Autism center, HR/Industry jobs, Trainer.
• ইংরেজি → Teacher, Content writer, Translator, Trainer.
• বাংলা → Teacher, Media/Journalism, Content writer.
17/12/2025
Our 1st publication.
Order:+8801747272936
Something special is coming that will glorify your journey.