Begum Rokeya University, Rangpur - BRUR.

Begum Rokeya University, Rangpur - BRUR.

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Begum Rokeya University, Rangpur - BRUR., College & University, Rangpur.

15/12/2025

গণভোট এবং নির্বাচন নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের থিমেটিক প্রমো প্রকাশ।

28/10/2024

এসো নবীন ভয় নাই,
বেরোবি'তে রাজনীতি নাই!

Photos from Begum Rokeya University, Rangpur - BRUR.'s post 19/08/2024

এই লেখা লিখতে বসেছি এমন একজন শিক্ষকের ব্যাপারে! যার কথা শুনলে আপনাদের চোখ শুধু কলাপেই উঠবে না! আপনারা ভাববেন- এটাও সম্ভব!

গতকাল রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গিয়েছিলাম সেখানকার শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলার জন্য। একদম ব্যক্তিগত এই সফরে শিক্ষার্থীরা আমার সাথে প্রাণ খুলে কথা বলেছে। যে কথা হয়ত চাইলেও সবার সাথে বলা যায় না। আমার মনে হলো- কথাগুলো বলতে পেরে ওরা কিছুটা হালকা হয়েছে।

মসিউর রহমান নামে গণিত বিভাগে একজন সহযোগী অধ্যাপক আছেন। তিনি গত প্রায় সাত-আট বছর ধরে ছাত্রদের গণিত কোর্সে কি পড়িয়েছেন জানেন?

শুধু নিজের ডিপার্টমেন্ট নয়। অন্যান্য ডিপার্টমেন্টের অনেককেও গণিত-১০১ কোর্সটা পড়তে হয়। এই শিক্ষক গণিত কোর্সে পড়াতেন বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী!

এটা যদি বাংলাদেশ স্টাডিজ কোর্স হতো, ইতিহাসের কোর্স হতো; সে ক্ষেত্রে না হয় মানা যেত। গণিতের মত একটা কোর্সে কি করে এই লোক বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী পড়িয়ে কোর্স শেষ করে দেয় আমার অন্তত জানা নেই!

আমি যে কয়জন শিক্ষার্থীর সাথে কথা বলেছি। সবাই একই কথা বলেছে। এর মানে গত আট বছরে যারা এই কোর্স পড়ে পাশ করেছে। তারা মূল সিলেবাসের কিছুই পড়ে নাই। আমি ওদের জিজ্ঞেস করেছি

- আপনারা অভিযোগ করেন নাই কেন?

ওরা উত্তর দিয়েছে

- স্যার, কি করে অভিযোগ করব। করলে হয় কম নাম্বার দিয়ে দেবে। নইলে ফেল করিয়ে দেব। তাছাড়া কার কাছে অভিযোগ করব? শিক্ষকরা তো সবাই রাজনীতি করেন। আর এই মসিউর তো ছাত্রলীগের ক্যাডার ছিলেন।

চিন্তা করেন ছাত্রলীগের ক্যাডার কিনা শিক্ষক হয়েছে! সে তার বউকেও একই ডিপার্টমেন্টের শিক্ষক বানিয়েছে! ছেলে-মেয়েরা এমনকি এই সময়ে এসেও শিক্ষকদের নিয়ে কিছু বলার সময় গলা নামিয়ে খুব আস্তে আস্তে বলেছে। আমি জিজ্ঞেস করেছি

- কেন এভাবে বিড়বিড় করে বলছেন?
- যদি কেউ শুনে ফেলে! যদি কম নাম্বার দেয়! ফেল করিয়ে দেয়!

চিন্তা করুন ওদের মনে কি পরিমাণ ভয় ঢুকেছে যে, এই সময়ে এসেও ওরা শিক্ষকদের নিয়ে বলার সময় বিড়বিড় করে বলেছে! বাই চান্স যদি এইসব শিক্ষক এরপর এদের কোন ক্ষতি করে দেয়!

দেশ স্বৈ*রাচার মুক্ত হলেও শিক্ষাঙ্গন কিন্তু স্বৈ*রাচার মুক্ত হয় নাই। এইসব শিক্ষকের ভয়ে শিক্ষার্থীরা সব সময় অস্থির থাকে। আমি নিশ্চিত বেশিরভাগ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের চিত্রটাই এমন! ভয় নিয়ে কি জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা করা সম্ভব?

এই সিস্টেমের পরিবর্তন করতেই হবে। ছাত্র-ছাত্রীদের এনোনিমাস ওয়েতে (মানে ছাত্রদের পরিচয় কেউ জানবে না) শিক্ষক মূল্যায়ন করার সুযোগ দিতে হবে। এবং সেই মূল্যায়ন প্রকাশ্যে ছাত্র এবং শিক্ষকদের সামনে বিশ্লেষণ করতে হবে। এতে করে শিক্ষকদের স্বৈ*রাচার হবার সুযোগ কম।

ও আচ্ছা গণিত বিভাগের শিক্ষক মসিউরের কথা তো পুরো বলাই হয় নাই। শহীদ সাঈদকে যখন পুলিশ গু*লি করে হ*ত্যা করে। তখন এই মসিউর পুলিশ এবং ছাত্রলীগের সাথে হেলমেট পড়ে দাঁড়িয়ে ছিল। সে আন্দোলনের সময় তার ফেসবুকে লিখেছিলো- "আমি কোন রাজাকারদের ক্লাস নেব না।"

এই শিক্ষক কিন্তু এখনও বহাল তবিয়তে আছে। শিক্ষার্থীদের বলব- মসিউর সহ এমন শিক্ষকরা যদি এরপর কোন ক্লাস নেয়ার সুযোগ পায়। তাহলে শহীদ সাঈদ এবং আমাদের মত যোদ্ধাদের প্রতি অবিচার করা হবে। এই মসিউরকে আজ থেকে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে তোমরা আজীবনের জন্য অবাঞ্চিত ঘোষণা করবে। মসিউরের মত শিক্ষকরা বাংলাদেশের কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে আর কোন দিন যেন স্থান না পায়। এটা তোমরা নিশ্চিত করবে।

Aminul Islam

16/07/2024

হে সাইদ....

23/03/2024

অবশেষে...

07/10/2023

দুই বিশ্ববিদ্যালয়ে'ই আমি পড়েছি। অথচ পার্থক্য'টা দেখুন। আগে না হয় বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়'টির কথা বলে নেই। এরপর সুইডেনের'টা বলা যাবে।
SUST এ পড়তে গিয়েছিলাম সম্পূর্ণ নিজের ইচ্ছায়। ঢাকায় জন্ম ও বেড়ে উঠা। ঢাকাতেই বাসা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেয়েও গেলাম সিলেটে। বাবা-মা, ভাই-বোন কেউ রাজি ছিল না। একদম নিজ ইচ্ছায় গিয়েছি। তো পড়তে গিয়ে কি দেখলাম?

শিক্ষকরা ঠিক মত ক্লাস'ই নেয় না! আমাদের ডিপার্টমেন্টের হেড স্যার তো পুরো সেমিস্টার জুড়ে একটা থিয়োরি পড়িয়ে কাটিয়ে দিয়েছেন! প্রতিদিন এসে ওই একটা থিয়োরি দিয়ে শুরু করত। এরপর দেশ-বিদেশ, রাজনীতি, আকাশ-বাতাস নিয়ে আলোচনা চলত! ফাইনাল পরীক্ষায় গিয়ে দেখি পুরো সিলেবাস থেকে প্রশ্ন এসেছে! অথচ স্যার কিন্তু ওই একটা থিয়োরি'ই পড়িয়েছেন!

তাও ভালো তিনি অন্তত ক্লাসে আসতেন মাঝে মাঝে। আরেক স্যার তো ক্লাসেই আসেতেন না! মাঝে মাঝে ইচ্ছে হলে আসতেন। আমরা ক্লাসে গিয়ে অপেক্ষা করতাম। করতে করতে সময় পার হয়ে গেলে ফিরে যেতাম। কখনো কখনো স্যারের মর্জি হলে উনার পছন্দের ছাত্রদের দিয়ে খবর পাঠাতেন- "আজ ক্লাস হবে না"। নইলে আমাদের গিয়ে বসেই থাকতে হত।

এইসব করেই আমারা পাশ করে বের হয়ে গিয়েছি! আমি নিশ্চিত এটি শুধু শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিত্র নয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিত্র'ই আসলে এমন। এই হচ্ছে আমাদের পড়াশুনার হাল!

গতকাল পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে সুইডেনের লুন্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অ্যানি নোবেল পেয়েছেন অন্য আরো দুই জনের সাথে। নোবেল কমিটি জানিয়েছে- এই অধ্যাপক'কে বার বার ফোন করেও তারা পায়নি। শেষমেশ অধ্যাপক মশাই ফোন ধরে বলেছেন- " আমি ব্যস্ত আছি। ক্লাস নিচ্ছি। এখন তো কথা বলতে পারব না!"

এরপর অনেক অনুনয়-বিনয় করে নোবেল কমিটি বলেছে- "আমরা আপনার দুই মিনিট সময় নেব।" এই হচ্ছে নোবেল পাওয়া অধ্যাপকের আচরণ। তিনি কোন ভাবেই ক্লাসের মাঝখানে কথা বলতে রাজি হচ্ছিলেন না।

আপনাদের জানিয়ে রাখি- আমি নিজেই সুইডেনের লুন্ড ইউনিভার্সিটি'তে মাস্টার্স করেছি। এই নোবেল বিজয়ী অধ্যাপকও লুন্ড ইউনিভার্সিটিরই শিক্ষক। আমি জানি সেখানকার সংস্কৃতি। শুধু সেখানকার না- পুরো নর্ডিক দেশ গুলোর সংস্কৃতিই এমন। এই যে আমি এখন যে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াই। আমরা ক্লাসে ছাত্র-ছাত্রীদের ১০ মিনিট আগে গিয়ে বসে থাকি। এরপর ছাত্র-ছাত্রীরা আসে।

আমিনুল ইসলাম।

01/08/2023

পঁচাত্তরের প্রাণস্পন্দন |

ছবি পাঠিয়েছেন ©AH Ahmed

28/06/2023

আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ।

ইদ মুবারক প্রিয় বেরোবিবাসী।

20/04/2023

প্রাচ্য ছেড়ে যাচ্ছে উড়ে প্রতীচ্যে লাল মেঘ

ছবিঃ পাখির চোখে রংপুর

©

02/02/2023

বহিরাগতদের প্রবেশে নিয়ন্ত্রণ আনা উচিত। বারবার আমার ভাই কেনো আহত হবে ওদের দ্বারা?

14/01/2023

"মিতু বাঁচতে চায়"
আপনার-আমার সাহায্যের হাতটি পারে মিতুকে বাঁচাতে।

মিতুকে বাঁচাতে আপনাদের হাত বাড়িয়ে দিন। বাঁচাতে চাই আমাদের সহপাঠীকে।

মিতু বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের একজন মেধাবী শিক্ষার্থী। সে "Bone marrow Cancer" এবং কিডনি, লিভার জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে ভারতের, ভেল্লোর, ক্রিশ্চিয়ান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি আছে।
দিন দিন তার শারীরিক অবস্থা ক্রমেই অবনতি ঘটছে । যা পরবর্তীতে তার মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। বর্তমানে তাকে কেমোথেরাপি দেওয়া হচ্ছে। আপনারা নিশ্চয় জানেন কেমোথেরাপি বিষয়টা আসলে কি! এটা ক্যান্সার রোগীদেরকে দেওয়া হয়। তারপর আবার কিডনি+লিভারে সমস্যা তো আছেই। এখন চিকিৎসকগণ বলেছেন যে, উন্নত চিকিৎসা নিতে পারলে ইনশাআল্লাহ মিতু দ্রুতই আরোগ্য লাভ করবে। চিকিৎসার জন্য প্রায় ২৫ থেকে ৩০ লক্ষ টাকার প্রয়োজন। মিতুর বাবা বলতেন যে আমার মেয়েকে বাঁচাতে চাই। কিন্তু মিতুর বাবা হঠাৎই আজ ১২/০১/২০২৩ ইং তারিখে রোজঃ বৃহস্পতিবার আমাদের ছেড়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন। এমতাবস্থায় বিপুল পরিমান টাকার সংস্থানের ব্যাপারটা মিতুর পরিবারের পক্ষে অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

হয়তো মিতু কে সান্ত্বনা দেয়ার মতো কোন ভাষা আমাদের নেই কিন্তু ওর পাশে দাঁড়াতে পারি। আমরা বিনাচিকিৎসায় আমাদের সহপাঠী মিতু কে মরতে দেখতে চাই না। তাই দয়া করে মিতু কে বাঁচাতে আমাদের সাহায্য করুন।

সহয়তা প্রদানের ঠিকানাঃ-
১। রকেটঃ ০১৯৪৭৯১৪৪২৭৬
২। বিকাশ/নগদঃ ০১৭২১০৪৫৭২৮
৩। এক্সিম ব্যাংক একাউন্টঃ ০১১২০০২৮১৯৩৮৮
-রংপুর শাখা।

সহযোগিতা করার লক্ষ্যে আরো বিস্তারিত জানার প্রয়োজনবোধ করলে এই নাম্বারে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো👇

০১৫৮০৩৭১৬৩৯

Want your school to be the top-listed School/college in Rangpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address

Rangpur