09/05/2023
আপনি কি বেকার ? আপনি কি দালাল ছাড়া বিদেশ যেতে ইচ্ছুক ?
আপনি কি মাসে লক্ষ্যাধিক টাকা আয় করতে চান ?
তাহলে আপনার জন্য কোটি টাকা আয়ের সুযোগ ।
না ভুয়া নয়, জুয়া, ক্যাসিনো বা কোনো হারাম পন্থায় নয় ।
সহজ ও সঠিক পন্থায় মাত্র ৬০ দিনে কোরিয়ান ভাষা শিখে দালাল ছাড়া সরকারি ভাবে BOESL-এর মাধ্যমে দক্ষিন কোরিয়া যাওয়ার আকাশচুম্বী সুযোগ
কেনো কোরিয়ান ভাষা শিখবেন ?
֎কোরিয়াতে সরকারিভাবে যাওয়া যায়। তাছাড়া বেসরকারিভাবেও উচ্চশিক্ষা_চাকরি ও স্থায়ী বসবাস করার জন্য যাওয়া যায়!
֎কোরিয়ান ভাষা জানলে বাংলাদেশে অসংখ্য বিদেশি কোম্পানীতে চাকুরি পাওয়া যায়।
֎দোভাষী ও ট্যুরিস্ট গাইড হিসেবে ক্যারিয়ার গঠন করা যায়।
֎বাংলাদেশে সরকারি/বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা যায়।
֎দেশে বা বিদেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অনুবাদক হিসেবে কাজ করা যায়।
কেনো দক্ষিণ কোরিয়া যাবেন ?
֍বেতন কাঠামো: প্রবেশের প্রথম মাস থেকেই 2 লক্ষ থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত আয়ের সুযোগ রয়েছে।
֍স্থায়ীভাবে বসবাস: E9 ভিসা পরিবর্তন করে E7 করে, স্থায়ীভাবে বসবাস করতে পারবেন।
֍চাকরি শেষে বোনাস: সামাজিক বীমার প্রিমিয়াম হিসেবে নির্দিষ্ট বছরান্তে দেশে ফেরার সময় বোনাস রয়েছে।
֍দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশ থেকে সরকারীভাবে যাওয়া যায়।
֍যেতে মাত্র ২ লাখ টাকা খরচ হয়।
֍থাকা ও খাওয়ার সকল খরচ কোম্পানি বহন করবে।
֍সাপ্তাহিক ছুটি: দুই দিন (শনি ও রবিবার)।
আমাদের বিশিষ্টঃ
১. কোলাহল মুক্ত পরিবেশে পাঠ দান
২. PBT,CBT,UBT এর আদলে নিয়মিত পরীক্ষা
৩. চাকুরিজীবিদের জন্য সন্ধ্যা কালীন ক্লাস
৪. কোর্স ফী সহজ ২টি কিস্তিতে পরিশোধ যোগ্য
৫. আবাসিক/অনাবাসিক
৬. ৬০ দিনে কোর্স সম্পন্ন
প্রাইভেট ভাবে ১ থেকে ৩ জনের ব্যাচে ২ মাসের মধ্যে গ্যারান্টি সহ কোর্স সম্পন্ন করা হয় ।
বিঃদ্রঃ #ফ্রি ক্লাস করে ভর্তির সিদ্ধান্ত নিন #
#৬০ দিনের কোর্স তবে ভাষা পারদর্শী হওয়া পর্যন্ত ক্লাস করার সুযোগ রয়েছে #
যোগাযোগ করুনঃ
০১৩০৬-১০১০২০
০১৭৪৭-৭৩৯৮১৬
শাপলা চত্বর, রংপুর।
Learn Korean Language in 60 Days
Your Private Tutor
#কোরিয়া #দঃ_কোরিয়া #ভাষা #কোরিয়ান_ভাষা #কোরিয়ান #ভাষা_শিক্ষা
08/05/2023
আপনি কি দালাল ছাড়া সম্পূর্ণ সরকারি ভাবে দক্ষিণ কোরিয়ায় যেতে চান?
EPS-TOPIK UBT দিয়ে যারা স্বল্প খরচে সরকারি ভাবে BOESL-এর মাধ্যমে আমাদের 60 Day Korean Language এর সহযোগিতায় দক্ষিণ কোরিয়া যেতে চান তাদের জন্য এই পোস্ট।
দক্ষিণ কোরিয়া EPS এর আওতায় বাংলাদেশসহ ১৬টি দেশ হতে কর্মী নেয়। বাংলাদেশ হতে কর্মী নিয়োগের লক্ষে ২০০৭ সালে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়া সররকারের মধ্যে MoU চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির শর্তানুযায়ী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে BOESL এবং দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের পক্ষে HRD-Korea কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালনা করে। BOESL নূন্যতম অভিবাসন ব্যয়ে একটি নিয়ন্ত্রিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ২০০৮ইং সাল হতে দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মী প্রেরণ করছে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। প্রথমেই বলে রাখি, EPS-TOPIK (Employment Permit System-Test Of Proficiency In Korean) একটি লম্বা সময়ের প্রক্রিয়া। EPS এর অনেকগুলো ধাপ রয়েছে। প্রতিটি ধাপেই রয়েছে অনিশ্চয়তা। প্রথম সময়ে যে নিয়ম কানুন ছিল তা বর্তমানে অনেকখানি পরিবর্তন করা হয়েছে। বর্তমানে যে নিয়ম কানুন আছে তাও ভবিষ্যতে হয়তোবা পরিবর্তন করা হবে। কিন্তু মূল শর্ত ও প্রক্রিয়াগুলো তেমনই আছে। নিম্নে সংক্ষিপ্ত আকারে প্রতিটি ধাপ বর্ণনা করার চেষ্টা করেছি ।
১ম ধাপঃ
EPS ভিসার প্রথম ও প্রধান শর্ত হলো, কোরিয়ান ভাষার উপর দক্ষতা থাকা। এই ভাষা যে কোন ভাবেই শিখতে পারেন। সরকার স্বীকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন ল্যাংগুয়েজ/ কোচিং সেন্টার কিংবা প্রাইভেট ইত্যাদি ভাবে। ভাষার উপর পরীক্ষা দুইভাবে হয়: (১) রিডিং পার্ট ও (২) লিসেনিং পার্ট।
২য় ধাপঃ
ভাষা শিক্ষার পর আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে সার্কুলারের। সার্কুলার BOESL-Bangladesh Overseas Employment & Services Ltd. এর মাধ্যমে বিভিন্ন পত্রিকাতে ও বোয়েসেল ওয়েবসাইটে (www.boesl.gov.bd ) পাবলিশ হবে । সার্কুলার হলে আপনাকে অনলাইনে প্রি-রেজিস্ট্রেশন (Pre-Registration) করতে হবে। অনলাইনে প্রি-রেজিস্ট্রাশন করতে হলে কি কি যোগ্যতা থাকতে হবে তা স্পষ্ট করে সার্কুলারে লিখা থাকবে। তবে পাসপোর্ট বাধ্যতামূলক থাকতে হবে। নাম, জন্ম তারিখ, পাসপোর্ট নাম্বার, মোবাইল নাম্বার ও পাসপোর্টের কপি (45KB -60KB) মধ্যে স্ক্যান করে eps.boesl.org.bd এর ওয়েবসাইটে প্রি-রেজিস্ট্রেশনের জন্য ডাটা ইনপুট করতে হবে (কমেন্টে একটা মডেল কপি দেওয়া হল)। রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ হলে আপনাকে একটি কনফার্মেশন কপি পাবেন। যা আপনাকে সংরক্ষণ করে রাখতে হবে।
৩য় ধাপঃ
লটারি। যদি চাহিদার চেয়ে অনেক বেশী প্রি-রেজিস্ট্রেশন হয়। তখন সমস্ত রেজিস্ট্রেশন থেকে কোটা সমপরিমান লোক কম্পিউটারাইজড লটারির মাধ্যমে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়ে থাকে। এই লটারিতে অনেকে ভাষা না জানা ব্যাক্তিরা চান্স পেয়ে যায় আবার ঠিক তেমনি ভাষার উপর ভালোভাবে পড়াশুনা করা দক্ষ ব্যাক্তিরাও বাদ পড়ে যায়। এটি সম্পূর্ণ কম্পিউটারাইজড সিলেকশন, সুতরাং এখানে দুর্নীতি করার আপনার বা অন্য কারো ক্ষমতা থাকে না।
৪র্থ ধাপঃ
আপনি লটারির মাধ্যমে সিলেকশনের পর সব ধরণের কাগজপত্র যেমন:- অরিজিনাল পাসপোর্ট, ২০০০/- টাকার পে-অর্ডারের কপি, পাসপোর্টের A4 সাইজের কালার কপি, ২কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, প্রি-রেজিস্ট্রেশনের কনফার্মেশনের কপি একত্রিত করে আপনাকে স্বশরীরে বোয়েসেল গিয়ে মূল রেজিস্ট্রেশন (Registration) করতে হবে। এই রেজিস্ট্রেশনের প্রবেশপত্র (Admit Card) সংগ্রহ করে রাখতে হবে সবকিছু ঠিক করে পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।
৫ম ধাপঃ
CBT (Computer Based Test) হবে। কম্পিউটারের সামনে বসে রিডিং পার্টে 20টি প্রশ্ন 5মার্ক করে ১০০মার্ক, সময় 25 মিনিট ও লিসেনিং পার্টে 20টি প্রশ্ন 25 মিনিট পরীক্ষা একসাথে দিতে হবে। পরিক্ষার শেষেই প্রাপ্ত নম্বর জানা যাবে। পরীক্ষা অপেক্ষাকৃত ভালো হলে পরবর্তী ধাপে এগুতে হবে।
৬ষ্ঠ ধাপঃ
ভাষা পরীক্ষায় পাশের পর স্কীল টেস্ট (SKILL TEST) নামে আরও একটি পরীক্ষা হবে। স্কিল টেস্ট কেমন ও কিভাবে হবে তা অভিজ্ঞ ইন্সট্রাক্টরের কাছ থেকে বা যে কোন ল্যাংগুয়েজ সেন্টার থেকে জেনে নিতে হবে। সময়ের সাথে সাথে নিয়ম পরিবর্তন হয়েছে, হয়তো আরও পরিবর্তন হবে এবং এ পরীক্ষায় বেশী মার্ক পাওয়ার জন্য মিনিমাম ১২০ঘন্টা উল্লেখ করা সার্টিফিকেট ও ছয় (৬) মাসের অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ ভোকেশনাল সার্টিফিকেট থাকলে অতিরিক্ত মার্ক হিসাবে যোগ হবে।
৭ম ধাপঃ
সব পরীক্ষায় পাশ করার পর PRS-Point Recruiting System -এর মাধ্যমে কোটা সমপরিমান লোক রেখে বাকিদের ডিলেট করে দেওয়া হবে। অর্থাৎ যারা পয়েন্টে এগিয়ে থাকবে তারা কোটাতে চান্স পাবে এবং বাকিরা বাদ পড়ে যাবে। সুতরাং একশোতে ৯৮ পেয়েও বাদ পরার আশাংকা রয়েছে অপরদিকে একশোতে ৬১ পেয়েও টিকে যেতে পারে।
৮ম ধাপঃ
PRS-Point Recruiting System -এ টিকে যাবার পর আপনাকে BOESL নোটিশের মাধ্যমে জানানো হবে। তারপর আপনার মেডিক্যাল চেকআপ ও অন্যান্য আরও কিছু চেকআপ করাসহ আরও কিছু টুকিটাকি কাজ করতে হবে এবং সেই রিপোর্টগুলো আবারো বোয়েসেল এ গিয়ে জমা দিতে হবে এবং জব এপ্লিকেশন ফরম নামক একটি ফর্ম অভিজ্ঞ ইন্সট্রাক্টরের কাছ থেকে বা যে কোন ল্যাংগুয়েজ সেন্টার থেকে পূরণ করে জমা দিতে হবে।
৯ম ধাপঃ
সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আপনাকে রোস্টারভুক্ত করা হবে এবং আপনি ( www.eps.go.kr ) এই ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখতে পাবেন। এখানে একটা আইডি খোলার পর আপনার সব ইনফরমেশন এখানে পাওয়া যাবে। আপনার কাজ হবে কিছুদিন পর পর আইডি তে ঢুকে খোজ খবর নেওয়া। এরপর কোরিয়ান মালিকের উপর নির্ভর করবে। আপনার ছবি, বয়স, বায়োডাটা দেখে মালিক পছন্দ করার পর আপনার ভিসা ইস্যু হবে এবং HRD-Korea এর মাধ্যমে BOESL কে জানিয়ে দিবে। বোয়েসেল কর্তৃপক্ষ নোটিশ বোর্ডে দিবে এবং মোবাইলে কল করে আপনাকে জানিয়ে দিবে।
১০ম ধাপঃ
আপনাকে জানানোর পরে আপনাকে বোয়েসেল এ ৩টা পে-অর্ডারের মাধ্যমে বোয়েসেল -এর সার্ভিস চার্জ জমা করতে হবে। তারপর কোরিয়া বাংলাদেশ টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (BKTTC) তে এক সপ্তাহব্যাপী একটা ট্রেনিংদেওয়া হবে। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট করতে হবে। ১৫০ টাকা জমা দিয়ে বোয়েসেল এর নিচতলায় ডান পার্শ্বে ফিঙ্গার প্রিন্ট করতে হবে এবং কোরিয়ান মালিক প্রদত্ত কন্টাক্ট পেপার সাইন করতে হবে। এর মধ্যে ফ্লাইট কনফার্ম হলে এয়ার লাইন্সে গিয়ে টাকা জমা দিতে হবে।
১১তম ধাপঃ
কোরিয়া আসার পূর্বে ফ্লাইটের আগের দিন বোয়েসেল অফিসে একটা ব্রিফিং দেওয়া হয়। ব্রিফিং শেষে সবার ভিসাসহ পাসপোর্ট, প্লেনের টিকিট, ম্যানপাওয়ার ক্লিয়ারেন্স কার্ড ও ক্যাপ বোয়েসেল কর্তৃপক্ষ আপনাকে প্রদান করবে এবং আপনাকে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে চুক্তিনামা সাক্ষর করতে হবে। এবং নির্দিষ্ট দিনে কোরিয়া গমন করতে হবে।
১২তম ধাপঃ
কোরিয়া আসার পর আপনাকে K Biz Center -এ আরেক দফা ট্রেনিং করতে হবে এরপর মালিক এসে আপনাকে নিয়ে যাবে। ব্যাস আপনি এখন EPS এর গর্বিত একজন সদস্য।
প্রয়োজনীয় কিছু তথ্যঃ
১। পাসপোর্ট, জন্ম নিবন্ধন, ভোটার আইডি এবং অন্যান্য সকল কাজগপত্রে আপনার নাম, জন্ম তারিখ, হুবহু মিল থাকতে হবে।বাবার নাম, মার নাম, ঠিকানা কোন প্রকার সমস্যা থাকলে আগেই ঠিক করে নিবেন। (এই কারণে আপনি বাদ পরতেও পারেন)
২। এই EPS এর প্রক্রিয়া চলাকালীন সময়ে আপনার পড়াশুনা, ব্যাবসা বাণিজ্য ও চাকুরী নিয়মিত করতে থাকবেন। কারণ প্রতিটি ধাপেই রয়েছে অনিশ্চয়তা। যে কোন কারণে, অল্প কারণে কিংবা বিনা কারনেই আপনি বাদ পরতে পারেন। এটি অনেকটা ভাগ্যের উপর নির্ভর করে। কোরিয়াতে যেতেই হবে বা কোরিয়াতেই যাব, এমন মনোভাব থেকে দূরে থাকা ভালো।
৩। EPS এর প্রক্রিয়ার কোন ধাপেই নগদ অর্থের প্রয়োজন হয়না। পে অর্ডার ও স্ট্যাম্পের ৩০০ টাকা ছাড়া কারো সাথে টাকা লেনদেন করবেন না।
৪। EPS এর সমস্ত প্রক্রিয়ার নিয়মাবলী পরিবর্তনযোগ্য। সুতরাং সময়ের সাথে সাথে সবসময় আপডেট থাকতে হবে। www.boesl.gov.bd or www.boesl.org.bd
60daykorean@gmail
01306-101020 / 01747-739816
শাপলা চত্বর, রংপুর ।
Copied & Edited
#কোরিয়া #দঃ_কোরিয়া #ভাষা #কোরিয়ান_ভাষা #কোরিয়ান #ভাষা_শিক্ষা
07/05/2023
কেনো দক্ষিণ কোরিয়া যাবেন ?
֍বেতন কাঠামো: প্রবেশের প্রথম মাস থেকেই 2 লক্ষ থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত আয়ের সুযোগ রয়েছে।
֍স্থায়ীভাবে বসবাস: E9 ভিসা পরিবর্তন করে E7 করে, স্থায়ীভাবে বসবাস করতে পারবেন।
֍চাকরি শেষে বোনাস: সামাজিক বীমার প্রিমিয়াম হিসেবে নির্দিষ্ট বছরান্তে দেশে ফেরার সময় বোনাস রয়েছে।
֍দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশ থেকে সরকারীভাবে যাওয়া যায়।
֍যেতে মাত্র ২ লাখ টাকা খরচ হয়।
֍থাকা ও খাওয়ার সকল খরচ কোম্পানি বহন করবে।
֍সাপ্তাহিক ছুটি: দুই দিন (শনি ও রবিবার)।
60daykorean@gmail
01306-101020 / 01747-739816
শাপলা চত্বর, রংপুর ।
Copied & Edited
#কোরিয়া #দঃ_কোরিয়া #ভাষা #কোরিয়ান_ভাষা #কোরিয়ান #ভাষা_শিক্ষা
06/05/2023
কোরিয়ান_ভাষা_কেনো_শিখবেন ?
֎কোরিয়াতে সরকারিভাবে যাওয়া যায়। তাছাড়া বেসরকারিভাবেও উচ্চশিক্ষা_চাকরি ও স্থায়ী বসবাস করার জন্য যাওয়া যায়!
֎কোরিয়ান ভাষা জানলে বাংলাদেশে অসংখ্য বিদেশি কোম্পানীতে চাকুরি পাওয়া যায়।
֎দোভাষী ও ট্যুরিস্ট গাইড হিসেবে ক্যারিয়ার গঠন করা যায়।
֎বাংলাদেশে সরকারি/বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা যায়।
֎দেশে বা বিদেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অনুবাদক হিসেবে কাজ করা যায়।
যোগাযোগ করুনঃ
০১৩০৬-১০১০২০
০১৭৪৭-৭৩৯৮১৬
শাপলা চত্বর, রংপুর।
#কোরিয়া #দঃ_কোরিয়া #ভাষা #কোরিয়ান_ভাষা #কোরিয়ান #ভাষা_শিক্ষা
04/05/2023
কোরিয়া এক্সিম ব্যাংক তাদের ইকোনমি ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন ফান্ড থেকে বাংলাদেশের পরিবহন সেক্টরে উন্নয়নের জন্য প্রায় ১০০০ কোটি টাকা সহযোগিতা করছে।
এ বিষয়ক একটি চুক্তি আজ কোরিয়ায় স্বাক্ষরিত হয়েছে
উক্ত স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় কোরিয়া বাংলাদেশকে সিনজি চালিত পরিবেশ বান্ধব ৩৪০টি বাস ও যন্ত্রাংশ দিবে সেই সাথে এগুলোর জন্য ট্রেনিং করানো এবং ঢাকা শহরে ট্রেনের সিগন্যাল উন্নয়নে ব্যায় করা হবে।