Sports with Adnan

Sports with Adnan

Share

Sports make life beautiful! I want to make sports beautiful...

23/02/2026

এবছরের শেষে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে সাউথ আফ্রিকা যাচ্ছে বাংলাদেশ দল। প্রকাশিত হলো সিরিজের পুর্ণাঙ্গ সময়সূচি! 🇧🇩✈️🇿🇦

টেস্ট :

১ম টেস্ট – ১৫-১৯ নভেম্বর, জোহানেসবার্গ
২য় টেস্ট – ২৩-২৭ নভেম্বর, সেঞ্চুরিয়ান

ওয়ানডে :

১ ডিসেম্বর – ইস্ট লন্ডন
৪ ডিসেম্বর – জিকেবারহা
৭ ডিসেম্বর – কেপ টাউন

টি-২০ :

১০ ডিসেম্বর – কিম্বারলি
১২ ডিসেম্বর – বেনোনি
১৩ ডিসেম্বর – সেঞ্চুরিয়ান

18/02/2026

Nilphamari

04/02/2026

১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালকে ডাকা হয় "Battle of Legends" নামে৷ ঐ ফাইনালে মোকাবেলা করা দুই দেশের অধিকাংশ সব খেলোয়াড়েরাই ছিলেন কিংবদন্তী।
একইসাথে এতজন কিংবদন্তীদের একত্রে খেলতে দেখেনি গোটা দুনিয়া আগে কখনো৷

এই বিশ্বকাপের ফাইনাল ফুটবলকে একটা যুগান্তকারী পরিবর্তন এনে দেয়। অবশ্য কথা বলার টপিক এই পরিবর্তন না। কথা বলবো অন্য একটা প্রসঙ্গে।
এই ফাইনালে বেচে থেকেও মৃত্যুর যন্ত্রণা পেয়েছিলেন ইতালির কিংবদন্তী রবার্তো বাজ্জিও।
'The Man Who Died Standing' নামের শিরোনাম জুড়ে যায় বাজ্জিওর নামের সাথে৷
মূলতঃ ফাইনালে টাইব্রেকারে পেনাল্টি মিস করেন বাজ্জিও। সেই মিসের পরে বাজ্জিওর দাঁড়িয়ে থাকাটার ধরন দেখেই এই শিরোনামের উৎপত্তি।

তবে বাজ্জিও প্রথম নন যিনি বেচে থেকেও মৃত্যুর স্বাদ পেয়েছেন ফুটবলে।
বাজ্জিওর আগেও এক ভদ্রলোক এই তিক্ত স্বাদ পেয়েছেন৷ তার জামানায় সোশ্যাল মিডিয়া কিংবা নিউজ পোর্টালের সহজলভ্যতা না থাকায় বেপারটা আলোচনায় কম এসেছে।

'বিশ্বকাপ ফাইনাল ১৯৫০ অথবা মারাকানা ট্রাজেডি',
১৯৫০ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল স্বাগতিক ব্রাজিল এবং উরুগুয়ে।
সেবার ফাইনালে ব্রাজিলকে পরাজিত করে দ্বিতীয় বারের মতন বিশ্বকাপ শিরোপা জিতে নেয় উরুগুয়ে৷ আজ পর্যন্ত ঘটা বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আপসেটের একটা এই ম্যাচ৷ বিভিন্ন রিউমারস অনুযায়ী এই ম্যাচের পরে কমকরে দশজনেরও অধিক মানুষ প্রান হারায়। কেউ স্ট্রোক করেছিল অথবা কেউ আত্মাহুতি দিয়েছিল শোক সইতে না পেরে।

তো প্রসঙ্গে ফেরা যাক।
১৯৫০ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের গোলবারের দায়িত্বে ছিলেন গোলকিপার বারবোসা।
ভদ্রলোক পাঞ্চের জন্য বিখ্যাত ছিলেন। ব্রাজিলের ঘরোয়া লীগে তার পাঞ্চ লেগে আহত হয়েছেন বিপক্ষ দলের অনেক খেলোয়াড়। এমনকি এয়ারেও ভালো ছিলেন৷ হালকা পাতলা, ছিপছিপে গড়নের বারবোসা শূন্যে নিজেকে ভাসিয়ে রাখতে পারতেন। তবে তার সমস্যা ছিল একটাই। গ্রাউন্ডে আসা বল গ্রিপ করতে থতমত হয়ে যেতেন৷ বহুবার তালগোল পাকিয়ে ফেলেছেন এই গ্রাউন্ডের বল গ্রিপ করতে গিয়ে।

১৯৫০ সালের ফাইনালে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ জেতার জন্যে সমীকরণ এরকম ছিলো, হয় ম্যাচে জিতো আর নাহয় পরাজয় এরাও স্রেফ। অর্থাৎ ড্র করলেও ব্রাজিল চ্যাম্পিয়ন।
এরকম অবস্থায় বারবোসা সেই ম্যাচে দুটো ভুল করেন।
ম্যাচের ৪৭ মিনিটে ব্রাজিল গোল করে এগিয়ে গেলে অনেকেই ধরে নেয় ব্রাজিলের প্রথম বিশ্বকাপ এই বুঝি ধরা দিলো।
কিন্তু ৬৬ মিনিটেই বারবোসা তালগোল পাকিয়ে ফেলে। সহজ একটা বল সে আটকাতে ব্যর্থ হলে উরুগুয়ে ম্যাচে ফিরে। স্কোরলাইন ১-১৷ এই অবস্থাতেও ব্রাজিলের বিশ্বকাপ জেতা সম্ভব ছিলো যদি খেলাটা ড্র হতো।
কিন্তু দূর্ভাগ্যের চরমে পৌঁছে বারবোসা তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় ভুল্টা করে ৭৯তম মিনিটে। তার দিকে গড়িয়ে আসা একটা বল সে লুফে নিতে ব্যর্থ হয়৷ উরুগুয়ে ১-২ গোলে এগিয়ে যায় এবং বিশ্বকাপ জিতে নেয়৷

অফিশিয়ালি সেই ম্যাচে মারাকানায় দর্শক উপস্থিতি ছিলো ১,৭৫,৩০০ জন। সংখ্যায় এক লাখ পচাত্তর হাজার তিনশত৷ এবং স্টেডিয়াম চত্তর ও আশেপাশে উপস্থিত ছিলেন প্রায় পনের লক্ষাধিক জনতা৷
পরাজয়ের পরে তাদের আহাজারি আর শোকের মাধ্যমে পুরো এরিয়া ছেয়ে যায়।

এই ম্যাচের পরে আর কখনোই স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেনি গোলরক্ষক বারবোসা।
এই ম্যাচের পরে আরো কিছুদিন খেলা চালিয়েছেন কিন্তু কখনোই মনের সাথে পেরে ওঠেননি।
বারবোসার শারীরিক অবস্থা এতটাই খারাপ হয়ে যায় যে তাকে আইসোলেটেও রাখা হয়।

বারবোসা এই ম্যাচ নিয়ে একবারই কথা বলেছিলেন পরবর্তীতে, "দোষ আমার একার ছিলো না, আমরা এগারোজন মাঠে ছিলাম। জিতলে কিন্তু সবার নামেই প্রশংসা হতো।"

ঐ ম্যাচের পর টানা ২০ বছর বারবোসা প্রতিদিন মারাকানায় যেতেন শুধুমাত্র উপলব্ধি করার জন্যে যে আসলে সেদিন কী ঘটেছিল।

ব্রাজিলের সমস্ত লোকজন বারবোসার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল। তাকে অপয়া এবং অশুভ হিসেবে ভেবে নিয়েছিল সবাই। এমনকি কেউ তার সামনে দিয়েও যেতো না যদি অমঙ্গল হয় এটা ভেবে৷
ব্রাজিল ফুটবল এসোসিয়েশন আর কখনোই বারবোসাকে ডাকেনি। এমনকি ব্রাজিল ফুটবলের রেকর্ডে পর্যন্ত বারবোসার নাম নেই।

১৯৯৪ বিশ্বকাপের ফাইনালে ব্রাজিল যখন ইতালির মুখোমুখি হবে তখন এক স্টাফ বারবোসার সাথে যোগাযোগ করে কিছু পরামর্শ'র জন্যে৷
এটা জানতে পেরে স্বয়ং ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট সেই স্টাফকে বরখাস্ত করেন এবং সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।

কয়েকবার নিজের প্রান নেয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন বারবোসা।
হতাশা আর গ্লানির যাতাকলে যতদিন বেচে ছিলেন কখনোই স্বস্তির নিঃশ্বাস নিতে পারেননি। নিজের দেশে,নিজের জনগণের সামনে ব্রাত্য হয়ে ছিলেন পুরোটা জীবদ্দশায়।

২০০০ সালে এরকমই এক রাতে ঘুমের মধ্যে স্ট্রোক করে মারা যান বারবোসা।
তার শেষকৃত্য পর্যন্ত করতে দেয়া হয়নি ঠিকভাবে। এমনকি আশেপাশের মানুষও আসেনি৷

২০১৪ বিশ্বকাপে ঘরের মাঠে সেমিফাইনালে জার্মানির বিপক্ষে যখন ব্রাজিল ৭-১ গোলের পরাজয় বরন করে তখন থেকে ঐ মারাকানা ট্রাজেডির সাথে এটাকেও ব্রাজিল ফুটবলের আরেকটা ট্রাজেডি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
সেমিফাইনালের সেই ম্যাচের পরে বারবোসার মেয়ে বলেছিল, "এখন আমার বাবা হয়তো একটু বিশ্রাম নিতে পারবে।"

বারবোসার সেদিনের সেই মৃত্য নিয়ে ব্রাজিলের পত্রিকা শিরোনাম করে "Barbosa, The man that died twice" অর্থাৎ "বারবোসা,যিনি দুবার মৃত্যুবরণ করেন।"

ব্যথার তিক্ততা একই না হলেও কাছাকাছি এই তীব্র যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে গেছেন সমসাময়িক ব্রাহিম দিয়াজ৷
আফ্রিকার শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে 'আফকনের' ফাইনালে নির্ধারিত সময়ের শেষে অতিরিক্ত সময়ের খেলায় ব্রাহিমের সুজোগ ছিল দেশকে শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পড়ানোর৷ কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে সেই সুজোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন তিনি৷
পেনাল্টি মিসের পরে হয়তো রবার্তো বাজ্জিওই একমাত্র বুঝেছিলেন ব্রাহিমের অন্তর-জ্বালাটা।

03/02/2026

🚨 আসন্ন পিএসএলের জন্য স্টিভ স্মিথকে দলে ভিড়িয়েছে নতুন ফ্রাঞ্চাইজি শিয়ালকোট স্টেলিওন্স! ⚪⚫

02/02/2026

⚫🔵🟢 টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত ম্যাচ বয়কট করলে পাকিস্তানের ওপর আইসিসির কড়া শাস্তির সম্ভাবনা

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট করলে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ও পাকিস্তান দলকে নজিরবিহীন কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে। ভারতীয় ক্রীড়া সাংবাদিক অভিষেক ত্রিপাঠীর বরাতে জানা গেছে, এমন সিদ্ধান্ত নিলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) একাধিক বড় পদক্ষেপ নিতে পারে।

সম্ভাব্য শাস্তিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড়টি হলো—পাকিস্তানকে চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকেই বহিষ্কার করা। শুধু তাই নয়, টুর্নামেন্ট থেকে প্রাপ্য সমস্ত রাজস্ব ও অর্থনৈতিক সুবিধা আটকে রাখা হতে পারে।

এছাড়া ভারতীয় সম্প্রচার সংস্থা জিওস্টার (JioStar) এর সঙ্গে চুক্তি ভঙ্গের দায়ে পিসিবিকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিতেও বাধ্য করা হতে পারে। এর প্রভাব পড়তে পারে পাকিস্তানের ক্রিকেট অর্থনীতিতে।

আইসিসির শাস্তির তালিকায় আরও রয়েছে—

* পাকিস্তানের সঙ্গে ভবিষ্যতের দ্বিপাক্ষিক সিরিজে নিষেধাজ্ঞা
* পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল)-এ বিদেশি ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণের জন্য এনওসি প্রদান বন্ধ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব শাস্তি কার্যকর হলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পাকিস্তানের অবস্থান বড় ধরনের চাপে পড়বে। তাই ভারত ম্যাচ বয়কটের মতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে পিসিবিকে আইসিসির নিয়ম-কানুন ও সম্ভাব্য পরিণতি গভীরভাবে বিবেচনা করতে হবে।

02/02/2026

🚨 আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের ম্যাচ খেলবে না পাকিস্তান! ❌

01/02/2026

বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে পাকিস্তান, খেলবে না ভারতের বিপক্ষে

01/02/2026

🚨 পাকিস্তান যদি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে না যায়, তবে তার বিকল্প ভেবে রেখেছে পিসিবি! 🇵🇰

পাকিস্তানি গণমাধ্যম জিও নিউজের রিপোর্ট অনুযায়ী, পাকিস্তান দল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে না গেলে, লাহোরে জাতীয় দল, এ দল এবং বয়সভিত্তিক দল নিয়ে একটা ঘরোয়া লীগ আয়োজন করবে।

01/02/2026

“অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপ”-এর স্কোয়াড

ধুমকেতু একাদশ : লিটন কুমার দাস ( অধি:), তানজিদ হাসান তামিম, পারভেজ হোসেন ইমন, তাওহিদ হৃদয়, শামীম হোসেন পাটোয়ারী, শেখ মেহেদী হাসান, রিশাদ হোসেন, নাসুম আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, তানজিম হাসান সাকিব, তাসকিন আহমেদ এবং শরিফুল ইসলাম।

দুর্বার একাদশ : নাজমুল হোসেন শান্ত (অধি:), হাবিবুর রহমান সোহান, আফিফ হোসেন ধ্রুব, মাহমুদুল হাসান জয়, জাকের আলী অনিক, মেহেদী হাসান মিরাজ, নুরুল হাসান সোহান, তানভীর ইসলাম, আলিস আল ইসলাম, হাসান মাহমুদ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, সৈয়দ খালেদ আহমেদ এবং আল ফাহাদ।

দুরন্ত একাদশ : আকবর আলী (অধি:), জিসান আলম, জাওয়াদ আবরার, মাহফিজুল ইসলাম রবিন, আরিফুল ইসলাম, মাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া অঙ্কন, আজিজুল হাকিম তামিম, রিপন মন্ডল, আবদুল গাফফার সাকলাইন, এস এম মেহেরব হোসেন, রাকিবুল হাসান, নাহিদ রানা এবং ইকবাল হোসেন ইমন।

কোন দল চ্যাম্পিয়ন হবে বলে মনে করেন?

ছবি : NCL T20 টুর্নামেন্টের

01/02/2026

উন্মোচিত হয়েছে অদম্য বাংলাদেশ টি-২০ কাপ ২০২৬-এর লোগো

Want your school to be the top-listed School/college?

Website