RIJENG's Opening Lesson Plan

Call Website Contact the school

RIJENG's Opening Lesson Plan সপ্তাহিক পাঠচক্র, ফ্রী টিউশন ও নিজস্ব মাতৃভাষা (চাকমা) ভাষা শিক্ষা প্রদান।

ঈশ্বরকে (সৃষ্টিকর্তা) যদি ঘুটিকয় প্রশ্ন করার সুযোগ পেতাম......ঈশ্বরকে (সৃষ্টিকর্তা) সরাসরি প্রশ্ন করার সুযোগ পাওয়া যেকোন...
19/07/2026

ঈশ্বরকে (সৃষ্টিকর্তা) যদি ঘুটিকয় প্রশ্ন করার সুযোগ পেতাম......

ঈশ্বরকে (সৃষ্টিকর্তা) সরাসরি প্রশ্ন করার সুযোগ পাওয়া যেকোনো মানুষের জন্যই এক পরম সৌভাগ্য ও রোমাঞ্চকর হতো। যদি এই রকম সুযোগ পেতাম, তবে সাধারণ চাওয়া-পাওয়ার ঊর্ধ্বে উঠে আছে মানবজীবন। মহাবিশ্ব এবং মানবজাতির অস্তিত্বের গভীরতম রহস্যগুলো নিয়ে প্রশ্ন করতাম।

আমি যদি সেই সুযোগ পেতাম, তবে এই ঘুটিকয় প্রশ্নের উত্তর চাইতাম--
১. মহাবিশ্বের সৃষ্টির উদ্দেশ্য কী?
আপনি যখন এই অসীম মহাবিশ্ব, গ্যালাক্সি, কোটি কোটি নক্ষত্রের মাঝে আমাদের এই ছোট্ট পৃথিবী সৃষ্টি করলেন, তখন আপনার উদ্দেশ্য কী ছিল?

ব্যাখ্যা: মানুষ যুগ যুগ ধরে খুঁজে বেড়াচ্ছে আমরা কেন পৃথিবীতে এসেছি। বিজ্ঞান বা কালের বিবর্তনের কথা বলে। কিন্তু এর পেছনের মূল চেতনা বা উদ্দেশ্য আসলে কী? তা জানার কৌতূহল মানুষের।

২. মানবজীবনে দুঃখ-কষ্ট ও অন্যায়ের উপস্থিতি কেন?
আপনার সৃষ্টিতে এত সৌন্দর্য এবং ভালোবাসা থাকা সত্ত্বেও যুদ্ধ, মহামারি, হানাহানি, কষ্ট এবং তীব্র অন্যায়ের অস্তিত্ব কেন রয়েছে?

ব্যাখ্যা:একে দর্শনের ভাষায় “The Problem of Evil” বলা হয়। পৃথিবীতে ভালো মানুষেরা কেন কষ্ট পায় আর অন্যায়কারীরা কেন পার পেয়ে যায়। এই প্রশ্নের উত্তর মানুষকে সবচেয়ে কষ্ট দেয়। যদি ঈশ্বর (সৃষ্টিকর্তা) নিজে এ প্রশ্নের ব্যাখ্যা দিত তখন কষ্টের মাঝেও মানুষেরা সান্ত্বনা খুঁজে পেত।

৩. মানুষের মৃত্যুর ওপারের জগৎটা কেমন?
মৃত্যুর পর মানুষের চেতনা বা আত্মার ঠিক কী ঘটে? পুনর্জন্ম, স্বর্গ-নরক, নাকি মহাজাগতিক শক্তির সাথে মিশে যাওয়া,আসল সত্যটা কী?

ব্যাখ্যা:মৃত্যু মানুষের সবচেয়ে বড় ভয়। মৃত্যুর পর কী হয় তা নিশ্চিতভাবে জানতে পারলে মানুষের জীবনযাপনের ধরন এবং মৃত্যুর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি পুরোপুরি বদলে যেত।

৪. মানুষের প্রতি আপনার বার্তা বা উপদেশ কী?
এত ধর্ম, মতবাদ, বিজ্ঞান আর দর্শনের ভিড়ে মানুষ আজ বিভক্ত। মানবজাতির উদ্দেশ্যে আপনার উপদেশ কী? যা মেনে চললে এই পৃথিবীটা সত্যিই সুন্দর হতো।

ব্যাখ্যা:মানুষ ঈশ্বরের (সৃষ্টিকর্তা) নামে পৃথিবীতে অনেক রক্তপাত ও বিভেদ তৈরি করেছে। ঈশ্বরের (সৃষ্টিকর্তা) সার্বজনীন উপদেশ মানবজাতিকে সমস্ত সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বেও একসঙ্গে শান্তিতে বাঁচতে শেখাত।

মন্তব্য: এই প্রশ্নগুলোর মূলত কোনো ব্যক্তিগত লাভ বা লোভ নয়, বরং মানুষের অস্তিত্বের উদ্দেশ্য এবং মহাজাগতিক সত্যকে জানা।

[পরবর্তী প্রশ্নের উত্তর হবে “যে- বইটি তোমার প্রিয়জনকে উপহার দিতে চাও।”]

যে জঙ্গল কেটে ফেলা হচ্ছে তার পাখিদের কথোপকথন....... আমরা পাহাড়ের মানুষ, পাহাড় আমাদের বেঁচে থাকার আশ্রয়। সে পাহাড়ের জঙ্গল...
18/07/2026

যে জঙ্গল কেটে ফেলা হচ্ছে তার পাখিদের কথোপকথন.......

আমরা পাহাড়ের মানুষ, পাহাড় আমাদের বেঁচে থাকার আশ্রয়। সে পাহাড়ের জঙ্গল কেটে ফেলার সময় সেখানকার পাখিদের মনের অবস্থা হাহাকার ও অসহায়ত্বকে যদি আমরা একটি কাল্পনিক কথোপকথনের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলি, তবে তা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক হবে। সে কাল্পনিক কথোপকথন আপনাদের তুলে ধরার চেষ্টা করছি।

দৃশ্য : একটি বিশাল পুরনো বটগাছ। চারপাশের কুড়ালের আঘাত করাতের শব্দ। বড় বড় গাছ ভেঙে পড়ছে। একঝাঁক পাখি ভয়ে ডালপালায় এদিক ওদিক ছুটোছুটি করছে। পাখিরা ভয়ে তাদের ভাষায় বলাবলি করছে....

মা পাখি :
ওগো শুনছো? আমাদের বাসাটা কি হবে? ডিমগুলো ফুটে বাচ্চাগুলো তো কেবল দু'দিন হলো বের হয়েছে। ওরা এখনো উড়তে শেখেনি।

বাবা পাখি :
আমি বুঝতে পারছি না কি করব। দেখছ না, চোখের সামনে বড় বটগাছটারে কীভাবে মাটিতে ফেলে দিল? মানুষেরা কি একটুও দয়া করছে না।

বুড়ো কাক:
কা-কা! তোমরা এখনো বসে আছ? পালাও! এরা মানুষ এদের হৃদয় নেই। আমাদের শত বছরের পুরনো আশ্রয়টাও আজ ওরা কেড়ে নিলো।

ছোট ছানা:
মা-মা! এত বড় শব্দ কিসের? আমাদের ঘরটা কাঁপছে কেন? আমরা কোথায় যাব?

মা পাখি :
ভয় পোওনা সোনা...তুমি শুধু শক্ত করে ডালটাকে ধরে রেখো।

টিয়া পাখি : সব শেষ! আমরা খাব বা থাকবই কোথায়? পুরো জঙ্গলটা যেন মুরুভুমি করে দিচ্ছে। মানুষের কি একটুও দয়ামায়া নেই।

বুড়ো কাক :
যুগ যুগ ধরে আমরা বনের ভারসাম্য রেখেছি, পোকামাকড় খেয়ে ফসলের উপকার করেছি অথচ মানুষেরা আমাদের বেঁচে থাকার সম্বলটাও ভেঙে দিল। চল সবাই, আমাদের নতুন কোন জায়গা খোঁজে উড়াল দিতে হবে।

কথোপকথনের কয়েকটি ব্যাখ্যা : এ কথোপকথনের মাধ্যমে মূলত মানুষের নিষ্ঠুরতা এবং পরিবেশের ওপর তার মারাত্মক প্রভাবকে পাখিদের দৃষ্টিকোণ থেকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। পাখিদের কথোপকথনের কয়েকটি ব্যাখ্যা করে দিচ্ছি।

পাখিদের নিরাপদ আশ্রয়ের বিলুপ্তি : মা পাখি এবং ছানার আকুতি দিয়ে বোঝানো হয়েছে যে, একটি গাছ কাটা মানে শুধু কাঠ কাটা নয়,বরং পুরো একটি পরিবারের স্বপ্ন ও জীবন ধ্বংস করে দেওয়া।

খাদ্য সংকট ও বাস্তুচ্যুতি : টিয়া পাখি সংলাপটি বনের বাসস্থান ও খাদ্যশৃঙ্খল ধ্বংস হওয়ার কথা ফুটে ওঠে। গাছপালা কেটে ফেললে কেবল পাখিরা আশ্রয়হীন হয় না, তাদের খাবারের উৎসও চিরতরে হারিয়ে যায়।

প্রকৃতি ভারসাম্য নষ্ট হওয়া : বুড়ো কাকটির সংলাপটি গভীর রাজনৈতিক ও পরিবেশগত অর্থ রয়েছে। পাখিরা পোকামাকড় খেয়ে ফসলের সুরক্ষা করে, বীজ ছড়িয়ে দিয়ে নতুন বনায়ন করে। অথচ, মানুষ নিজের স্বার্থে তাদেরকে তাড়িয়ে দিচ্ছে, যার মূল্য শেষ পর্যন্ত মানুষকে দিতে হবে।

মন্তব্য : কথোপকথনটি মূলত আমাদের মানুষের বিবেক জাগ্রত করার প্রয়াস। গাছ কাটার মাধ্যমে আমরা শুধু পরিবেশকে ক্ষতি করছি না,লাখো পশুপাখির নিষ্পাপ প্রাণীদের এক ভয়াবহ অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিচ্ছি।

[পরবর্তী প্রশ্ন উত্তর হবে “ঈশ্বরকে যদি ঘুটিকয় প্রশ্ন করার সুযোগ পেতে..... ”]

পাহাড়রিজেং চাঙমাবিশ্বের সেরা মমতায় ঘেরাহে প্রিয় পাহাড়তব ছায়া তব মায়াকত না সোনালি আবেশ।সোনালি ধানে পাহাড়ের প্রাণেক...
17/07/2026

পাহাড়
রিজেং চাঙমা

বিশ্বের সেরা মমতায় ঘেরা
হে প্রিয় পাহাড়
তব ছায়া তব মায়া
কত না সোনালি আবেশ।
সোনালি ধানে পাহাড়ের প্রাণে
কবিতায়, শিল্পীর গানে
কত না মধুর করেছ তুমি
স্বপ্নের পাহাড়ে।

শিশির ঝিলিক সবুজ মাখা হাসি
পাহাড়ের মানুষের,
পাহাড়ের মধুর হাঁসি
ছুয়ে যায় প্রাণ, মন উদাসি
হে প্রিয় পাহাড়
তুমি আছো তুমি রবে জীবন বাজি।

যৌবনের ধারা সুখ স্মৃতি দিয়ে মোড়া
তোমারি হিমেল হাওয়া
যত দিন রবে নিঃশ্বাসে মিশে
ততদিন হে পাহাড়
তুমি রবে,তুমি রবে।

আমার ছোটবেলার ইচ্ছেগুলো,খামখেয়ালগুলো....মানুষের জীবনে ছোটবেলাটা এক অদ্ভুত ও মায়াবী সময়। এই সময়ে যৌক্তিক চিন্তার চেয়ে কল্...
17/07/2026

আমার ছোটবেলার ইচ্ছেগুলো,খামখেয়ালগুলো....

মানুষের জীবনে ছোটবেলাটা এক অদ্ভুত ও মায়াবী সময়। এই সময়ে যৌক্তিক চিন্তার চেয়ে কল্পনা আর আবেগের আধিপত্য থাকে সবচেয়ে বেশি। তাই এ সময়ের ইচ্ছে ও খামখেয়ালগুলো হয় বৈচিত্র্যময় এবং অদ্ভুত বা অর্থহীন। আমার ছোটবেলার ইচ্ছে ও খামখেয়ালগুলো ছিল অসীম কল্পনা ও জাদুর জগৎ। তখন মন বাস্তবতার সীমানায় বন্ধি থাকে না। রুপকথা, কাটুন ও সিনবাদের চরিত্রগুলো সত্যি মনে হতো।

সবসময় বড়দের মতো ক্ষমতাশীল ও স্বাধীন হতে চাইতাম। বড়রা যা করে তা অনুসরণ করার ইচ্ছে জাগতো। কারণ ছোটবেলায় চারপাশের পৃথিবীটা একদম নতুন মনে হতো। তাই সবকিছুকে ছুঁয়ে দেখা, ভেঙে দেখা বা পরীক্ষা করার একটা প্রবণতা থাকতো। তখন ভবিষ্যৎ নিয়ে কোন ভাবনা বা দুরদর্শী চিন্তারবোধ থাকতো না,বর্তমানটাই সবকিছু মনে হতো। অনেক সময় নিজস্ব কিছু অদ্ভুত নিয়ম তৈরি করার ইচ্ছে হতো যেগুলো বড়রা কঠোরভাবে মেনে চলবে।

ইচ্ছেগুলো:
ছোটবেলাটা ছিল রুপকথার মতো কল্পনার জগৎ। সবসময় কল্পনার রাজ্যে হারিয়ে যেতাম। ইচ্ছে জাগতো স্পাইডার ম্যান, সুপারম্যান ও সুপারহিরোদের মতো উড়ে বেড়ানো। অদৃশ্য হয়ে যাওয়া, পশু-পাখির সাথে কথা বলা কিংবা চাঁদে গিয়ে ঘর বাঁধার তীব্র ইচ্ছে জাগে। বড়দের মতো দ্রুত বড় হওয়া ও তাদের মতো কাজ করা।

পৃথিবীর সব রহস্য উন্মোচন করার ইচ্ছে হতো- যেমন: খেলনার গাড়ির ভেতরে কী আছে, টিভি চললে ভেতরের মানুষগুলো কোথায় যায় ইত্যাদি ইত্যাদি। এভাবে নানান বিষয়ে কৌতুহল জাগতো মনের মধ্যে। মনে হতো পৃথিবীর সব চকলেট, আইসক্রিম বা খেলনা একেবারে নিজের করে নেওয়া। প্রতিদিন খেলাধুলা করা,কখনো স্কুলে না যাওয়া। কী অদ্ভুত ইচ্ছে তাই না?

খামখেয়ালগুলো:
ছোটবেলার কথা মনে পড়লে অদ্ভুত শান্তি হতো। ইচ্ছে হতো সে খামখেয়ালগুলো মধ্যে আবার ফিরে যেতে। সেসময় কোন বিশেষ পোশাক পরে নিজেকে জাদুকর ভাবা, নৌকা বানিয়ে মেঝেতে বিশাল সাগর ভেবে পাড়ি দেওয়া। খেলনা টাকা দিয়ে বা গাছের পাতা দিয়ে টাকা বানিয়ে দোকান খোলা। প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে গাড়ি বানানো, ঘোরাঘুরি করা বা বড়দের চশমা ও জুতো পরে ঘুরে বেড়ানো।

মাটি খুঁড়ে গুপ্তধন খোঁজা, পিঁপড়ের সারির সামনে বাঁধা তৈরি করে তাদের প্রতিক্রিয়া দেখা, কিংবা বৃষ্টির পানি জমিয়ে রাখা। একটা খেলনা পাওয়ার জন্য জেদ করা,তারপর পাওয়ার দশ মিনিট পর সেটির আর্কষণ হারিয়ে ফেলা। সামান্য কারণে কান্না করা আবার পরক্ষণেই সব ভুলে হাসা। বিছানার নিচে কোন ভূত লুকিয়ে আছে ভেবে লাফ দিয়ে বিছানায় ওঠা। নিদিষ্ট কোন থালা বা বাটি ছাড়া খাবার না খাওয়া। কী অদ্ভুত খামখেয়ালগুলো তাই না?

মন্তব্য : আমাদের ছোটবেলার এই ইচ্ছে ও খামখেয়ালগুলো মোটেও অর্থহীন নয়। এগুলো আসলে একটি শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ, ভাবনা, সৃজনশীলতা এবং চারপাশের পরিবেশকে বোঝার প্রক্রিয়া। বড় হওয়ার সাথে সাথে মানুষ বাস্তবতার মুখোমুখি হয় এবং যৌক্তিক চিন্তা করতে শেখায়। তখন এ রঙিন ইচ্ছে ও খামখেয়ালগুলো হারিয়ে যায়। তবে প্রতিটি মানুষের অবচেতন মনে এই ছোটবেলার স্মৃতিগুলো মধুর অনুভূতি হিসেবে সারাজীবন থেকে যায়।

[পরর্বী প্রশ্নের উত্তর “যে জঙ্গল কেটে ফেলা হচ্ছে তার পাখিদের কথোপকথন” অথবা ঈশ্বরকে যদি ঘুটিকয় প্রশ্ন করার সুযোগ পেতে.......]

12/07/2026

পাঠচক্রে কবিতা আবৃত্তি চেষ্টা #প্রসারী_চাকমা
কবিদ্যে : নিজেনী কোচপানা
লেঘিয়ে : Maclin Chakma

09/07/2026

আমাদের সপ্তাহিক পাঠচক্র।

09/07/2026

নিজস্ব মাতৃভাষা (চাকমা) ভাষা শিক্ষা প্রদান।
প্রশিক্ষক : Shantä

নোটিশ
02/07/2026

নোটিশ

20/06/2026

সপ্তাহিক পাঠচক্র।

আজকের পাঠচক্র। 💗
19/06/2026

আজকের পাঠচক্র। 💗

Address

Jamini Sorok, Rajbari Road
Rangamati
4500

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RIJENG's Opening Lesson Plan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to RIJENG's Opening Lesson Plan:

Shortcuts

Share

Category