10/09/2021
The next intake of PMSLP IS COMING soon, keep eye on DU admissions web site and hear from Chairman Ms Shanta Tauhid, a kind hearted professor in DCD, DU, IN THE BUILDING OF SOCIAL Sciences. You may also kindly call me if u need any piece of information...
13/08/2021
Admission this year coming soon....
20/07/2021
When is the Admission this session
Who knows? Pls call us 008801715040802
14/07/2020
♥♥
দুনিয়াজুড়ে পিতা ও কন্যার সাফল্যের বিজয়গাঁথা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর জগন্নাথ হলের ইষ্ট হাউজের ৬১ এ কক্ষে থাকতেন, সমীর, যিনি আজ ড. সমীর কুমার সাহা। আর আমি থাকতাম তার ই পাশের কক্ষে ৬১ বি নম্বর কক্ষে। সে এক অমূল্য স্মৃতি আরেকদিন চারণ করবো। আজ তার কন্যার গল্প, যিনি হয়েছেন কিংবদন্তী এত অল্প বয়েসে। এই দুই বাঙালীর জন্য পৃথিবীর সকল বাঙালী গর্বিত। আসুন আমাদের কন্যা সেঁজুতি কে অভিনন্দন জানাই। সেঁজুতি এখন শুধু আর ড. সমীর কুমার সাহার কন্যা নন। আমাদের ও।
||||||||||||||||||||||||||
শুরুটা এভাবে........
#সমাজকে বদলে দিতে সারা পৃথিবী জুড়ে অসংখ্য মানুষ দিন-রাত এক করে পরিশ্রম করছেন৷ তাদের কর্মকান্ড চোখ এড়ায়নি স্বয়ং বিল গেটসের৷ সমীর ও সেঁজুতিকে নিয়ে নিজের ব্লগ ‘গেটসনোট’-এ লিখেছিলেন বিল গেটস। লিখেছিলেন, কী ভাবে ছোট্ট সেঁজুতি রাতে খাবার টেবিলে বাবার কাছে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়ার গল্প শুনত। কী ভাবে সেঁজুতি ও বাবার মতো মাইক্রোবায়েলজিস্ট হয়ে উঠেছেন। এ-ও লিখেছিলেন, ‘আমার ইচ্ছে হয়, আমিও যদি ওদের সঙ্গে খাবার টেবিলে বসতে পারতাম। নানা অসুখ নিয়ে কত কী শিখতে পারতাম! ’দুই বাঙালি বিজ্ঞানী বাবা ও মেয়ে সফলভাবে করোনা ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স আবিস্কার করতে পারায় ভাইরাসটির গতি প্রকৃতি নির্ণয় করতে সুবিধা হচ্ছে, ভবিষ্যতে প্রতিষেধক তৈরির সম্ভাবনায় কাজে লাগবে৷
বাংলাদেশের চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশনের পরিচালক ডক্টর সমীর কুমার সাহা ও ঢাকা শিশু হাসপাতালের চাইল্ড রিসার্চ ফাউন্ডেশনের গবেষক ডক্টর সেঁজুতি সাহা যৌথভাবে এই সাফল্য অর্জন করেছিলেন৷
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন বাবা-মেয়ের এই সাফল্যে ভাইরাল জিনোম সিকোয়েন্স থেকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো বাংলাদেশে দেশে প্রচলিত নির্দিষ্ট ভাইরাল স্ট্রেনগুলো শনাক্ত করা, সংক্রমণের হটস্পট বা সুপার-স্প্রেডার শনাক্ত করা এবং জনস্বাস্থ্যের বিষয়ে হস্তক্ষেপের জন্য কৌশল প্রণয়ন করা সহজ হয়েছে অনেক৷ এবার আরও বড় সম্মান পেলেন বাংলাদেশের মেয়ে বাঙালি অণুজীব বিজ্ঞানী সেঁজুতি সাহা৷ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথা (WHO)'র পরামর্শদাতা হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন ডঃ সেজুঁতি সাহা৷তিনি বর্তমানে বাংলাদেশের শিশু বিষয়ক গবেষণা সংস্থা চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশনে কর্মরত।
পোলিও সংক্রমণ নিয়ে কাজ করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা৷ আরও দুই সদস্যের সঙ্গে সেঁজুতি সাহা এবার WHO’র পোলিও সংক্রমণ প্রক্রিয়ার অগ্রগতি বিষয়ে পরামর্শ দেবেন।নিঃসন্দেহে ডক্টর সাহার সাফল্য আর সম্মানের মুকুটে আরও একটি নতুন পালক৷ বাঙালি এই বিজ্ঞানীর সাফল্য আর সম্মানে নিশ্চিতভাবে খুশি বাংলায় কথা বলা সব মানুষ৷
#সংগ্রহঃ অনিমা সরকার কণা।