school of fine arts

school of fine arts

Share

painter

14/11/2025

আয়োজক: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রাইটার্স সোসাইটি
মুক্তচিন্তা বিকাশে...
প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা ২০২৫

নিয়মাবলি :
→ বাংলাদেশের যে-কোনো শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
→ যে-কোনো বিষয়ে প্রবন্ধ পাঠানো যাবে।
→ প্রবন্ধ সৃজনশীল ও অপ্রকাশিত হওয়া আবশ্যক।
→ প্রবন্ধের শব্দসীমা অনধিক ১০০০।
→ পূর্ণাঙ্গ পরিচয়, মোবাইল নম্বর এবং এক কপি ছবিসহ প্রবন্ধ নিম্নোক্ত ইমেইলে প্রেরণ করতে হবে।

প্রবন্ধ পাঠানোর ইমেইল : [email protected]

প্রতিযোগিতার সময়সীমা : ২০ নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

পুরস্কার :
→ প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থান অর্জনকারীর জন্য থাকছে সার্টিফিকেট ও পুরস্কার।

আয়োজনে : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রাইটার্স সোসাইটি
www.facebook.com/ruwsbd

24/10/2025

সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ অনুষ্ঠান সফল হোক সার্থক হোক, আজকের শিশু আগামীর বাংলাদেশ।।

24/10/2025

সফল হোক সার্থক হোক

21/10/2025

আর মাত্র ০৩ দিন বাকি!📢

'শিশুর চোখে নগর' — চিত্রাংকন প্রদর্শনী
আয়োজনে: সিরাক-বাংলাদেশ ও ময়মনসিংহ নগর যুব কাউন্সিল

🎯 উদ্দেশ্য
নগর আমাদের বাসস্থান, আমাদের ভবিষ্যৎ। “World Cities Day 2025” উপলক্ষে সিরাক-বাংলাদেশ ও ময়মনসিংহ নগর যুব কাউন্সিলের যৌথ উদ্যোগে আয়োজন করা হচ্ছে এক বিশেষ চিত্রাংকন প্রদর্শনী, যেখানে ময়মনসিংহ নগরের শিশুরা তাদের চোখে শহরকে কতটা সুন্দর, নিরাপদ ও বাসযোগ্য দেখতে চায় তার চিত্র তুলে ধরবে।

এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে আমরা শিশুদের চিন্তা, কল্পনা ও সৃজনশীলতাকে গুরুত্ব দিতে চাই, যেন তারা ভবিষ্যতের নগর পরিকল্পনায় অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে ওঠে।

👧 অংশগ্রহণকারীর বয়স
৫–৯ বছর
১০–১৪ বছর

🖌️ বিষয়: “শিশুর চোখে নগর”
শিশুরা তাদের আঁকা ছবিতে দেখাবে তারা কেমন নগর দেখতে চায়। যেমন-
🏫 আদর্শ শিক্ষাঙ্গণ
🚸 নিরাপদ ও প্রতিবন্ধী-বান্ধব রাস্তাঘাট
🚍 যানজটমুক্ত নগর
🏞️ খোলা পার্ক ও খেলার মাঠ
💧 দূষণমুক্ত নদী, নালা ও খাল
🏥 সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা
🌳 পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও মানবিক শহর

তবে অংশগ্রহণকারীরা চাইলে এর বাইরেও নগরের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ছবি আঁকতে পারবে।

আবেদন ফর্ম লিংক: https://forms.gle/X9QiNg89TXfSFxCY9

📅 গুরুত্বপূর্ণ সময়সূচি
২২ অক্টোবর: রেজিস্ট্রেশনের শেষ তারিখ
২৩–২৫ অক্টোবর: প্রতিযোগীদের আঁকা ছবির হার্ড কপি জমা গ্রহণ
৩০ অক্টোবর: চিত্রাংকন প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান

🏆 পুরস্কার ও স্বীকৃতি
নির্বাচিত অংশগ্রহণকারীর জন্য থাকছে —
🎖️ সার্টিফিকেট অব পার্টিসিপেশন
🎁 বিশেষ উপহার

📍 প্রদর্শনীর স্থানঃ ময়মনসিংহ (স্থান পরবর্তীতে জানানো হবে)

13/09/2025

I've just reached 100 followers! Thank you for continuing support. I could never have made it without each and every one of you. 🙏🤗🎉

09/08/2025

ফাইজা জাহিন চৌধুরী বেস্ট কাজ ২০২৫ ✌️✌️✌️✌️✌️✌️✌️✌️✌️✌️✌️✌️✌️✌️✌️✌️✌️✌️✌️✌️💐💐💐💐💐💐💐

29/06/2025

মানুষ সামনেই বসে, তাও মুখ আঁকতে পারো না? কাঠি নাও, জাদু দেখো!"
সম্পূর্ণ পোস্ট মন দিয়ে পড়ুন এবং এই বিষয়ে একটি মন্তব্য করুন🙏

ছবি দেখে আমরা সবাই মোটামুটি আঁকতে পারি।
কিন্তু সামনে একজন মানুষ বসে থাকলে, তার মুখের গঠনটা যেন ঠিক মেলাতে পারি না!
চোখ যেন ধোঁকা দেয়। আনুপাতিক ভুল হয়। আঁকা সুন্দর হয় না।

👉 এই সমস্যার সমাধান একটা পদ্ধতিতে —
"Sight-Size Drawing Method"
শুধু একটা কাঠি বা পেন্সিল হলেই হয়!

🧠 কাঠি দিয়ে কিভাবে আঁকবেন? ধাপে ধাপে:

✅ ১. মডেলকে বসান:
আপনার সামনে সোজা করে বসতে বলুন। চেষ্টা করুন যেন মাথা আপনার চোখের সমান উচ্চতায় থাকে।

✅ ২. আপনার জায়গা নির্ধারণ করুন:
যেখান থেকে দেখবেন, সেখানেই স্থির থাকুন। না নড়াচড়া করুন, না কোণ বদলান।

✅ ৩. কাঠি ধরুন:
পেন্সিল বা কাঠি হাতে নিন, হাত সোজা করে ধরুন, একটি চোখ বন্ধ করুন।

✅ ৪. মাপ নেওয়া শুরু করুন:
কাঠির মাথা ধরুন মাথার উপর অংশে, আঙুল রাখুন চিবুক বা নাকের নিচে।
এভাবে মাথার উচ্চতা, চোখের অবস্থান, নাক-ঠোঁটের দূরত্ব মেপে কাগজে সেই অনুপাত বসান।

✅ ৫. প্রতিটি অংশ আলাদা করে মেপে আঁকুন:
না গড়মিল হবে, না মুখের গঠন হারিয়ে যাবে।

✅ ৬. এভাবেই আপনার ড্রয়িং হবে জীবন্ত, পরিমিত, আর্টের মতো!

🕰️ এই পদ্ধতির ইতিহাস জানলে আপনি গর্ব অনুভব করবেন!

রেনেসাঁ যুগের মহান শিল্পীরা যেমন John Singer Sargent ও Jean-Léon Gérôme, এভাবেই অনুশীলন করতেন।
তারা বলতেন, “চোখ শুধু দেখে, কিন্তু মেপে দেখা শেখে না—তাই শিল্পীকে মাপতে জানতে হবে।”

❤️ শেষ কথায়:
শুধু চোখ নয়, সঠিক পরিমাপই শিল্পের ভিত গড়ে তোলে।
কোনও কিছু আঁকার আগে মেপে দেখা—এটাই প্রকৃত শিল্পীর বুদ্ধিমত্তা।
তাই এবার থেকে ছবি দেখে নয়, বাস্তব মডেল দেখে আঁকুন… কাঠির সাহায্যে নিখুঁতভাবে।

✍️ এই পদ্ধতি যদি আপনার ভালো লাগে, শেয়ার করে দিন আপনার ফ্রেন্ডলিস্টের সেই আর্টিস্ট বন্ধুটিকে, যিনি “মুখ ঠিক আসে না” বলে হতাশ হন!
👇
মন্তব্যে জানান — আপনি কি কখনো কাঠির এই মেথড ব্যবহার করেছেন?

29/06/2025

শিশুরা ছবি আঁকার আগ্রহ ও সৃষ্টিশীলতা হারাচ্ছে
————/////———//-/////////////////——-/——-
(অভিভাবক ও ড্রইং শিক্ষকদের জন্য এই লেখাটি অবশ্যপাঠ্য নিবন্ধ)
ছবি আঁকা শুধু আর্ট না—এটা শিশুর কল্পনা, অনুভব, ও মনোজগত প্রকাশের জানালা খুলে দেয়ার একটি মাধ্যম।
লক্ষ করবেন- শিশুরা শুরুতে অনেক উৎসাহ নিয়ে আঁকা শুরু করে; ঘরের মেঝেতে-দেয়ালে, বই খাতার পাতায়, খেলনা ও নিজেদের গায়ে নিজেদের মতো করে আঁকতে থাকে। শিশুর ছবি আঁকার এমন আগ্রহ দেখে অভিভাবকরা এসময় নিয়ে যায় কোনো আর্ট স্কুল বা শিক্ষকের কাছে। কিন্তু কিছুদিন পরেই শিশুর সেই আগ্রহটা মিলিয়ে যেতে থাকে।ধীরে ধীরে দেখা যায়, শিশু আর ছবি আঁকে না, অমনোযোগী হয়ে কাগজে খোঁচা খুঁচি করে পেন্সিল দিয়ে কিম্বা ড্রইং ক্লাস এড়াতে নানা বাহানা দিতে থাকে। ভাবতেই অবাক লাগে-
কী ভীষণ আগ্রহ নিয়ে শিশু ছবি আঁকা শুরু করেছিলো, তা নিমিষেই হারিয়ে গেলো ! কেনো এমনটা হয়? কোথায় আমাদের ভুল…?
কারণ এবং প্রতিকার:
১. প্রশংসার অভাব ও অতিরিক্ত সমালোচনা
আমরা অনেক সময় বলি "ভালো হলে প্রশংসা করবো" — কিন্তু শিশুদের চিত্রকলায় “ভালো” মানে শুধু নিখুঁততা নয়, বরং শিশু সাহস করে শুরু করেছে, সাবলিল নির্ভয়ে সব আঁকছে তার দেখা রঙের পৃথিবী, এটাই বড় কথা।
একজন শিশু হাত দিয়ে একটা সূর্য আঁকলো। আপনি বললেন,
“এটা তো গোল না, সূর্য এমন হয়?”
শিশুটি তখন ভাববে, “তাহলে না আঁকাই ভালো…”
উপায়:
আপনি বলুন-
“বাহ! তুমি তো দারুণ সূর্য এঁকেছো! বাহ! আমি তো তোমার মত আঁকতেই পারবোনা !”
এই টুকু উৎসাহ শিশুটিকে শিল্পের অথবা আত্মবিশ্বাসের জগতে অনেক দূর পর্যন্ত নিয়ে যাবে।
২. তুলনা ও চাপ
“দেখো, তোমার বন্ধু কত ভালো আঁকছে, আর তুমি এসব কি আঁকছো !”
আপনার এই একটি বাক্যই ভেঙ্গে দিবে শিশুর আত্মবিশ্বাসটুকু চিরদিনের জন্য ।
মনে রাখবেন, শিশুরা প্রত্যেকেই আলাদা সত্বা, একরকম নয়। কারো হাতে রং ভালো খেলে, কেউ রূপকল্পনা করে, কেউ আকার গঠনে পারদর্শী হয়।
উপায় কী?
তুলনার বদলে বলুন- “তুমি যা আঁকো, সেটা একেবারে তোমার মতোই আলাদা — এইটা-ই তোমার ছবির বিশেষত্ব।”
তুলনা বাদ দিয়ে তার নিজ অগ্রগতি তাকে বোঝান।
৩. শেখার আনন্দকে পড়ায় রূপান্তর:
অনেক সময় দেখা যায় অভিভাবক বা শিক্ষক আঁকাকে একটা বাধ্যতামূলক পড়ায় রূপ দেয়। তাই শেখার আনন্দ যদি শাস্তির ছায়া পায়, তখন শিশু ছবি আঁকাকে বোঝা মনে করে।
যেমন: “আজ এটা না আঁকলে খেলতে পাবে না/চকলেট পাবেনা” — এর ফলে ছবি আঁকা হয়ে ওঠে স্কুল পাঠ্যের মত আর একটি হোম ওয়ার্ক। আঁকা তখন আর মজা থাকে না, হয়ে যায় বোঝা।
তাই আঁকা শেখান খেলাচ্ছলে, গল্পের মতো করে।
উপায়:
“চলো, আজ আমরা একটা মজার মিস্টি বাঘের মুখ আঁকবো, যার একটা চোখ বড় আর একটা ছোট!”
এইভাবে শেখা মানে শেখার মধ্যেই গল্পের আনন্দ থাকে।
৪. প্রাতিষ্ঠানিক চাপ ও সময় সংকট
শিশুদের অনেকেই স্কুলের পড়ালেখা, কোচিং, হোমওয়ার্কের চাপে হাঁপিয়ে যায়।
আর অভিভাবকও ভাবে — “ছবি আঁকা তো সময়ের অপচয়, আগে পড়া!”
অথচ গবেষণা বলছে:
যেসব শিশু নিয়মিত ছবি আঁকে, তাদের মনোযোগ, স্মৃতি শক্তি ও সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা অনেক ভালো হয়।
সুতরাং আঁকা শেখা সময়ের অপচয় নয়, বরং শিশুর ব্যক্তিত্ব গঠনের শক্ত ভিত হিসেবে বিবেচনা করুন।
৫. শেখার ভুল কৌশল ও কল্পনাহীন অনুশীলন:
শিশুদের অনেক শিক্ষক শুরুতেই বলে দেন — “এইভাবে আঁকো, এভাবে না।”
শিক্ষক/মা পাশে বসে বলে এখানে লাল দাও, নীল দাও।
কোনো কোনো আর্ট স্কুল/শিক্ষক বোর্ডে বা কাগজে ছবি এঁকে বা ছাপিয়ে শিশুদের হাতে তুলে দেন। ঘর গাছ মানুষ এসব শিক্ষক নিজেই এঁকে দেয় শিশু তা চাপে পরে কপি করে। ফলে একটি স্কুল বা একজন শিক্ষকের সকল শিক্ষার্থীশিশুর আঁকা ছবি দেখতেও বৈচিত্রহীন একই রকম হয়ে যায়। স্কুলে স্যারদের নোট মুখস্থ করে পরীক্ষা দেয়ার মতো।
আরও ভয়ঙ্কর প্রবনতা হলো প্রতিযোগিতা নির্ভর ছবি আঁকা ।
জাতীয় দিবস থেকে শুরু করে স্মরণ সভায় লোক জরকরার ঢাল হিসেবে শিশুদের ব্যবহার করার প্রবনতা সমাজে আজ প্রকট। সেখানে বিষয় ভিত্তিক ছবি আঁকার প্রতিযোগিতা গুলো শিশুদের জন্য আর একটি ভয়ঙ্কর সর্বনাশের কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। অনুকরণ করা কোনো একটি ছবিতে একটি যদি পুরস্কার পেয়ে যায়; ব্যস তাহলে ওই ছবি বারবার এঁকে শিশু তার অভিভাবকের মুখে হাসি ফোটায়।
এসব কারনে শিশুর ভাবনার- কল্পনার দরজা জানালা গুলো সব একে একে বন্ধ হয়ে যায়। তারা আর ভাবেনা, কল্পনা করেনা, শিশুরা হয়ে ওঠে শুধু অনুকরণকারী। ধীরে ধীরে কল্পনাশক্তি মরে যায়, ছবি আঁকার আগ্রহও হারায়।
উপায়:
প্রথমেই ওদের বলতে দিন — সে কি আঁকতে চায়।
আপনি বলুন: “তুমি যা ভাবো, তাই আঁকো”। ভাবনাকে গুরুত্ব দিন নিখুঁত টেকনিককে নয়, ভাবনা শেখানোই আসল শিল্প। শিশুকে জানতে চান- “তোমার ছবির গল্পটা কি?” এভাবেই শিশুরা শিল্প নয়, সৃজনশীলতা শিখবে।
পরিশেষে:
প্রতিযোগিতায় অন্য শিশুদের হারিয়ে প্রথম হওয়া নয়, নিজেকে প্রতিনিয়ত অতিক্রম করাই শিশুর শ্রেষ্ঠ অর্জন।
শিশুরা ছবি আঁকতে ভালোবাসে —
শিশুদের সেই ভালোবাসার জায়গাটাকে বাঁচিয়ে রাখুন।
তাদের ছোট ছোট আঁকাকে “অমূল্য” ভাবুন।
প্রশংসা করুন, সময় দিন, খেলতে খেলতে শেখার সুযোগ তৈরি করুন।
ওর স্বপ্ন, ওর দেখা আকৃতি ও রঙকেই কাগজে মাখাতে দিন।
ঘনঘন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করা থেকে শিশুটিকে মুক্তি দিন। মনে রাখবেন- প্রতিযোগিতায় প্রথম হওয়া আর সৃজনশীল/সৃষ্টিশীল হওয়া এক নয়।
নির্দ্ধারিত বিষয়ে ছবি আঁকার প্রতিযোগিতা বন্ধ করুন। শিশুদের ছড়া কবিতা গল্প রূপকথা গান শুনিয়ে, তা বুঝিয়ে বলে কল্পনার ছবি আঁকতে দিন। ১ম ২য় ৩য় না করে শিশুদের ছবির প্রদর্শনী আয়োজনের মধ্য দিয়ে তাদের এক-একটি গ্রুপে নুন্যতম ১০জনকে সমান পুরস্কার দিন। অংশগ্রহণকারী সকল শিশুকে কিছু দিন। শিশুরা বন্ধুদের সাথে নিয়ে নিজেদের ছবি দেখবে প্রদর্শনীতে। আহা কি আনন্দ…।
তাই অভিভাবক ও শিক্ষক বৃন্দ —
শিশুর শিল্পপাঠের শুরুতে শিক্ষকরা স্যার বা গাইড না হয়ে, শিশুদের বন্ধু হয়ে যান।
কারণ, একটা ভুল মন্তব্য হয়তো তাকে আঁকার দুনিয়া থেকে বাহিরে নিয়ে গেলে, তাকে আর ফিরিয়ে আনবে না কখনোই।
আজ থেকেই চেষ্টা করে দেখুন:
“কোনো সমালোচনা না করে শিশুর আঁকা একটা ছবি শুধু মন দিয়ে দেখবেন — ওর চোখে চোখ রেখে বলবেন, ‘তুমি নিজেই একেকটা গল্প এঁকেছো।’”
আপনার এই ছোট্ট প্রশংসাই শিশুকে আগামী দিনের এক শিল্পী কিম্বা শিল্পবোদ্ধা হিসেবে তৈরী হতে সহযোগিতা করবে। অথবা নাইবা হলো সে শিল্পী, অন্ততো শিশুটি হবে তার ভবিষ্যত যেকোনো পেশায় আত্মবিশ্বাসী সৃজনশীল উদ্ভাবনী গুনসম্পন্ন মানুষ।
**প্রিয় অভিভাবক ও শিক্ষকগণ
উপরের কথাগুলো গভীর ভাবে ভেবে দেখার বিনীত অনুরোধ করছি-॥
👀“পোস্টটা শিল্পশিক্ষক ও অভিভাবকদের পড়ার সুযোগ করে দিন, একটা শেয়ার করে। তাতে হয়তো আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম কথিত শিল্পশিক্ষার পদ্ধতির নামে শিল্পনির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা পেতে পারে।”
লেখা: ধারণা : সংগ্রহ।
প্রকাশিত লেখা: সংযোজন ও বিয়োজনকৃত সম্পাদনার সাথে অর্জিত অভিজ্ঞতা।
ছবি: সংগ্রহ

Want your school to be the top-listed School/college in Ramna?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

B/block. Road No. 7. Hosue No. 42/1
Ramna