History Gurukul, GOLN

History Gurukul, GOLN We aim to present historical content that is engaging, insightful, and accurate, catering to both the casual reader and the dedicated scholar.

History Gurukul, an initiative of the Gurukul Online Learning Network (GOLN), is designed to take you on a journey through time, unraveling the profound connections between the past and the modern world. Welcome to History Gurukul, GOLN – Your Gateway to Exploring the Rich Tapestry of History

Website URL: https://historygoln.com

History is more than just dates and events; it is the story of humanity, the evolution of civilizations, and the chronicles of cultures that have shaped our present. Our platform offers comprehensive coverage of historical events, key figures, and significant cultural shifts, providing you with a holistic understanding of history. The Mission of History Gurukul, GOLN
==========================
At History Gurukul, GOLN, our mission is to create a hub for history enthusiasts, students, educators, and anyone interested in the fascinating study of the past. Our approach is inclusive, covering a broad spectrum of historical narratives from diverse regions and periods. Exploring the History of the Indian Subcontinent
=================================
One of the major focuses of History Gurukul is the history of the Indian subcontinent, a region that has seen the rise and fall of empires, the spread of major world religions, and the flourishing of art, culture, and science. From the ancient civilizations of the Indus Valley to the era of Mauryan and Gupta dynasties, from the Mughal Empire to the struggle for independence in the 20th century, the subcontinent's history is as diverse as it is complex. Our articles delve deep into these historical eras, highlighting key figures such as Ashoka, Akbar, Gandhi, and others who have left an indelible mark on the region. Unveiling the World’s History
=====================
History Gurukul doesn't stop at the Indian subcontinent. We explore the rich histories of other regions of the world, shedding light on Ancient Egypt, Greece, Rome, the rise of Western civilization, the impact of major revolutions like the French Revolution, the World Wars, the Cold War, and the development of modern-day societies. Our platform is structured to provide a detailed understanding of how different civilizations have interacted and influenced each other over the centuries. A Hub for Historical Education
=====================
At History Gurukul, GOLN, education is a key priority. We provide detailed historical timelines, biographies of important historical figures, and analyses of pivotal events that have shaped the course of human history. The platform serves as a valuable resource for students of history, teachers, researchers, and anyone looking to expand their knowledge. With curated content ranging from political history to social movements, from ancient civilizations to modern-day history, History Gurukul is your go-to source for in-depth exploration. Engaging Content for Every History Enthusiast
===============================
Our content is designed to cater to different levels of historical interest. Whether you are fascinated by the warrior kings of medieval India, curious about the economic revolutions that have shaped global trade, or interested in the social and cultural movements that have redefined societies, History Gurukul has something for you. Through well-researched articles, videos, and discussions, we aim to make history come alive, connecting the past to the present and helping you see the relevance of historical knowledge in today's world. Why History Matters
=================
Understanding history is key to understanding the world we live in today. History provides context to current events, helps us appreciate cultural diversity, and teaches valuable lessons about leadership, conflict resolution, innovation, and human resilience. History Gurukul strives to highlight these aspects, offering a platform where people can engage in meaningful discussions about the importance of preserving and learning from the past. Join the History Community
=======================
History Gurukul is not just a website—it's a community of history lovers who are passionate about learning and sharing knowledge. We invite you to become part of this community, explore our content, and contribute to discussions about the past, present, and future. Whether you are a seasoned historian or someone with a budding interest in history, History Gurukul has resources, insights, and engaging material that will captivate your curiosity. History Gurukul, GOLN is your one-stop destination for everything related to history—whether it's ancient civilizations, the history of empires, the development of modern nations, or the significant figures and events that have shaped the world. Our aim is to provide a rich, engaging, and educational experience for everyone interested in the field of history. Visit us at https://historygoln.com and embark on an exciting journey through the ages with us! Explore the past to understand the present and shape the future—Welcome to History Gurukul!

05/10/2025
05/10/2025
বীরশ্রেষ্ঠ মতিউরের আত্মোৎসর্গের কাহিনী২৯ অক্টোবর ১৯৪১ সালে তিনি জন্মেছিলেন পুরনো ঢাকার ১০৯, আগা সাদেক রোডে। এই মহান বীরে...
20/08/2025

বীরশ্রেষ্ঠ মতিউরের আত্মোৎসর্গের কাহিনী

২৯ অক্টোবর ১৯৪১ সালে তিনি জন্মেছিলেন পুরনো ঢাকার ১০৯, আগা সাদেক রোডে। এই মহান বীরের বাবা মৌলভী আবদুস সামাদ এবং মা সৈয়দা মোবারকুন্নেসা খাতুন। ১৯৬১ সালে তিনি পাকিস্তান বিমান বাহিনীতে যোগ দেন এবং ১৯৬৩ সালে রিসালপুর পি,এ,এফ কলেজ থেকে পাইলট অফিসার হিসেবে কমিশন লাভ করেন। কমিশন প্রাপ্ত হবার পর তিনি করাচির মৌরিপুর (বর্তমান মাসরুর) এয়ার বেজ এর ২ নম্বর স্কোয়ার্ডন এ জেনারেল ডিউটি পাইলট হিসাবে নিযুক্ত হন। এখানে তিনি টি-৩৩ জেট বিমানের উপর কনভার্সন কোর্স সম্পন্ন করেন এবং ৭৫.৬৬% নম্বর পেয়ে উর্ত্তীর্ণ হন।

শহীদ মতিউর রহমান, মানুষটি ছিলেন পা থেকে মাথা পর্যন্ত খাঁটি।প্রাণের তোয়াক্কা করেননি। স্ত্রী মিলি রহমান, মাহিন ও তুহিন নামের দুই শিশুকন্যা এবং আত্মীয় স্বজন সব ভুলে দেশের জন্য তিনি জীবন দিলেন। ভেবেছিলেন শুধু দেশ ও দেশের ভয়াবহ দুর্দিনের কথাই।

বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের দাফন হয়েছিলো পাকিস্তান করাচির মাসরুর বেসের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের কবরস্থানে। তাঁর সমাধির সামনে লেখা ছিলো- ‘ইধার শো রাহা হ্যায় এক গাদ্দার’। প্রায় ৩৫ বছর ওখানে ছিলেন বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্তান।

জানিনা কেন, এগুলো আজ আমাদের তেমন ভাবে স্পর্শ করে না অথবা করছেনা। অনেকেই বলবে, আহ কি দরকার পুরনো কাসুন্দি ঘেঁটে। অবশ্যই দরকার আছে, নিজের অস্তিত্ব ভুলে থাকা যায়না। রক্তঋণ শোধ করতেই হয় এবং হবেও। তাঁদের অবদান অস্বীকার করা কোনদিনই যৌক্তিক হতে পারেনা।

শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের টি-৩৩ বিমান নিয়ে ছুটে যাওয়া, অবশ্যই আমাদের গর্বিত করে।

১৯৭১ সালের শুরুতে জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে, শহীদ মতিউর রহমান সপরিবারে দুই মাসের ছুটিতে আসেন ঢাকায়৷ ২৫ মার্চের কালরাতের পর মতিউর রহমান, পাকিস্তান বিমান বাহিনীর একজন ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট হয়েও অসীম ঝুঁকি ও সাহসিকতার সাথে ভৈরবে একটি ট্রেনিং ক্যাম্প খুললেন ৷ যুদ্ধ করতে আসা বাঙালি যুবকদের প্রশিক্ষণ দিতে থাকলেন ৷ মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করা অস্ত্র দিয়ে গড়ে তুললেন একটি প্রতিরোধ বাহিনী ৷ ১৯৭১ সালের ১৪ এপ্রিল পাকিস্তানী বিমান বাহিনী ‘স্যাভর জেট ‘ বিমান থেকে তাঁদের ঘাঁটির উপর বোমাবর্ষণ করে ৷ শহীদ মতিউর রহমান পূর্বেই এটি আশঙ্কা করেছিলেন ৷ তাই ঘাঁটি পরিবর্তনের কারণে ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পান তিনি ও তাঁর বাহিনী ৷

এরপর ১৯৭১ সালের ২৩ এপ্রিল ঢাকা আসেন ও ৯ মে সপরিবারে করাচি ফিরে যান ৷ ১৯৭১ সালের ২০ আগস্ট শুক্রবার ফ্লাইট শিডিউল অনুযায়ী মিনহাজের উড্ডয়নের দিন ছিলো ৷ শহীদ মতিউর রহমান, পূর্ব পরিকল্পনা মতো অফিসে এসে শিডিউল টাইমে গাড়ি নিয়ে চলে যান রানওয়ের পূর্ব পাশে ৷ সামনে পিছনে দুই সিটের প্রশিক্ষণ বিমান টি-৩৩ । রশিদ মিনহাজ বিমানের সামনের সিটে বসে স্টার্ট দিয়ে এগিয়ে নিয়ে আসতেই তাকে অজ্ঞান করে ফেলে বিমানের পেছনের সিটে লাফিয়ে উঠে বসলেন৷ কিন্তু জ্ঞান হারাবার আগে মিনহাজ বলে ফেলেছিল, বিমানটি হাইজ্যাকড হয়েছে । ছোট পাহাড়ের আড়ালে থাকায় কেউ দেখতে না পেলেও কন্ট্রোল টাওয়ার শুনতে পেল তা ৷ বিমানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মতিউর বিমান নিয়ে ছুটে চললেন৷ রাডার ফাঁকি দেবার জন্য নির্ধারিত উচ্চতার চেয়ে অনেক নিচুতে বিমান চালাচ্ছিলেন তিনি ৷

চারটি জঙ্গি বিমান মতিউরের বিমানকে ধাওয়া করে। এ সময় রশীদের জ্ঞান ফিরে এলে, তার সাথে শহীদ মতিউরের ধ্বস্তাধস্তি চলতে থাকে এবং এক পর্যায়ে রশীদ ইজেক্ট সুইচ চাপলে তিনি বিমান থেকে ছিটকে পড়েন এবং বিমান উড্ডয়নের উচ্চতা কম থাকায় রশীদ সহ বিমানটি ভারতীয় সীমান্ত থেকে মাত্র ৩৫ মাইল দূরে থাট্টা এলাকায় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। সাথে প্যারাসুট না থাকাতে তিনি শহীদ হন। তাঁর মৃতদেহ ঘটনাস্থল হতে প্রায় আধ মাইল দূরে পাওয়া যায়। রশীদকে পাকিস্তান সরকার সম্মানসূচক খেতাব দান করে। ২০০৬ সালের ২৩ জুন মতিউর রহমানের দেহাবশেষ পাকিস্তান হতে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়। তাঁকে পূর্ণ মর্যাদায় ২৫শে জুন শহীদ বুদ্ধিজীবী গোরস্থানে পুনরায় দাফন করা হয়।

মতিউর রহমান ভারতের সীমান্ত থেকে মাত্র তিন মিনিটের দূরত্বে ছিলেন। স্বাধীনতাও ছিল মতিউরের কাছ থেকে মাত্র তিন মিনিটের দূরত্বে।

এই ঘটনার পরে পাকিস্তানে অবস্থানরত, বিশেষ করে পাকিস্তানের বিমান বাহিনীতে কর্মরত বাঙালিদের অবস্থা সহজেই অনুমেয়। পাকিস্তানিরা বাঙালি অফিসার ও কর্মচারীদের দেখলে বিদ্রুপ এবং তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে কথা বলতো। কেউ কেউ মুখ খিস্তি করেও গালি দিত। জাত গোলাম যারা প্রভুদের গালিগালাজে তেমন কিছু মনে করে না, এমন কিছু বাঙালিও পাকিস্তান বিমান বাহিনীতে ছিল। যদিও তাদের সংখ্যা ছিল খুবই কম।

এমন অবস্থায় পাকিস্তানের প্রতি একান্ত অনুগত বাঙালি অফিসার উইং কমান্ডার সাইদ আহমেদ বেগ পাকিস্তান বিমান বাহিনী প্রধানের বাণী নিয়ে উপস্থিত হল। করাচির ড্রিগরোড বিমানঘাঁটির সকল বাঙালি অফিসার এবং কর্মচারী একত্রিত করে দারুণ এক বক্তৃতা রাখলো। তার মূল প্রতিপাদ্য ছিল , ‘ভাইসব, আমাদের বাঙালিদের উচিত পাকিস্তান নামক রষ্ট্রের প্রতি অনুগত থাকা। মতিউর রহমানের মত বিশ্বাসঘাতকতা না করে পাকিস্তানের প্রতি যাদের আনুগত্য নেই তাদের উচিত হবে বিমানবাহিনী থেকে পদত্যাগ করা’।

পাকিস্তান-প্রেমিক উইং কমান্ডারের বক্তব্য শুনে বেশিরভাগ বাঙালি কর্মচারী-কর্মকর্তাদের মনে যথেষ্ট বিরূপ প্রতিক্রিয়া হলেও কেউ তা প্রকাশ করতে সাহসী হলেন না। সবাই চুপ করে রইলেন। শুধুমাত্র এক জন ছিলেন এর ব্যতিক্রম।
সাইদ আহমেদের বক্তব্য শেষ হলে, হালকা পাতলা গড়নের চুপচাপ স্বভাবের মানুষ ফ্লাইং অফিসার ওয়ালীউল্লাহ উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, “Sir, I owe my allegiance to Bangladesh and not to Pakistan. I want to resign from my service.” পরের দিনই তিনি চাকুরি থেকে পদত্যাগ করলেন।ফ্লাইং অফিসার ওয়ালীউল্লার সাহস দেখে সবাই স্তম্ভিত হয়ে গেল। বর্তমান অবস্থায় চিন্তাও করা সম্ভব না যে, একাত্তর সালে পাকিস্তানে অবস্থান করে সমবেত জনতার সামনে কোনো বাঙালি অফিসার বলতে পারে, “I owe my allegiance to Bangladesh and not to Pakistan.”
শত্রুর ঘাঁটিতে বসে এমন অসীম সাহসী বাণী উচ্চারণকারী এ বীর কে স্বাধীন বাংলাদেশে আমরা কতটকু সম্মান দিয়েছি বা তাঁকে আমরা ক’জন জানি? বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে কেবল উইং কমান্ডার পদপ্রাপ্ত হয়ে তিনি অবসর গ্রহন করেন।

পাকিস্তানের প্রতি একান্ত অনুগত, পদলেহনকারী এবং বীর শ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানকে বিশ্বাসঘাতক বলে সম্বোধনকারী উইং কমান্ডার সাইদ আহমেদ বেগ বাংলাদেশে এসে বিমানবাহিনীতে গ্রুপ ক্যাপ্টেন পদমর্যাদায় উন্নিত হয়। তারপর বাংলাদেশ সরকারের পূর্ণ সেক্রেটারির পদমর্যাদায় পৌছে অবসর গ্রহন করে। আর, প্রাণের চেয়ে প্রিয় জন্মভূমিতে মাত্র সাড়ে তিন হাত জায়গা পেতে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের লাগে ৩৬ বছর।

“আরেকটা দিক খুব একটা আলো পায় না আর তা হলো, মতিউরের ঐ প্রচেষ্টার একটা ভয়াবহ ইমপেক্ট…। উনার ঐ দুঃসাহসিক প্রচেষ্টার পর পাকিরা সমস্ত বাঙ্গালি অফিসার, টেকনিশিয়ান এবং এয়ারম্যানকে সন্দেহ করা শুরু করে এবং দায়িত্ব থেকে অনেকটাই নিষ্ক্রিয় করে রাখে। সমস্ত বাঙ্গালি পাইলটকে গ্রাউণ্ডেড করা হয়, টেকশিনিয়ানদের বিমান থেকে দূরে রাখা হয়, এয়ারম্যানদের ও অনেকটাই নিষ্ক্রিয় করে রাখা হয়। ফলাফল? পাকিস্তান এয়ার ফোর্সের উড্ডয়ন ক্ষমতা প্রায় ৩৩% কমে যাওয়া। ডিসেম্বরে পূর্নাঙ্গ যুদ্ধ শুরু হলে পরে এই ৩৩% উড্ডয়ন ক্ষমতা কমে যাওয়ায় পাকিস্তান এয়ারফোর্সকে ভালোই ভুগতে হয় এবং দ্রুত’ই অকার্যকর হয়ে পড়ে দুই ফ্রন্টেই…। মতিউর কোনভাবেই ব্যর্থ হননি… হয়তো উনি বিমান নিয়ে সরাসরি যুদ্ধে আর যোগ দিতে পারেননি, তবে তিনি যা করেছেন তার প্রভাব ছিলো সুদূরপ্রসারী এবং তিনি সফল…..”

শহীদ মতিউর রহমান, যে ভালবাসায় আপনি নিজ প্রান বিসর্জন দিয়েছেন, পরম করুনাময় তার থেকে কোটিগুন বেশী ভালবাসায় আপনাকে চিরশান্তির স্থানে রেখেছেন জানি, আমাদের কোটি প্রানের প্রার্থনা আপনার জন্য।

#বীরশ্রেষ্ঠ #মতিউররহমান #শ্রদ্ধাঞ্জলি #বাংলাদেশ #মুক্তিযুদ্ধ #শহীদ #স্বাধীনতা #বীরত্ব

বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমানকে শ্রদ্ধাঞ্জলি১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্...
20/08/2025

বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমানকে শ্রদ্ধাঞ্জলি

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। সেই অধ্যায়ে যে কয়জন মহান বীর তাঁদের জীবন উৎসর্গ করে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান। আজ, ২০ আগস্ট, তাঁর শহীদ দিবস। এই দিনে আমরা গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করি সেই সাহসী বীরকে, যিনি আকাশপথে লড়াই করে মাতৃভূমির স্বাধীনতার স্বপ্নকে আরো শক্তিশালী করে তুলেছিলেন।

মতিউর রহমান ছিলেন পাকিস্তান বিমানবাহিনীর একজন সাহসী ফ্লাইট ইনস্ট্রাক্টর। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে তিনি পাকিস্তানি বাহিনীর একটি বিমান নিয়ে মুক্তিকামী বাংলাদেশের পক্ষ নিতে চেয়েছিলেন। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল, সেই যুদ্ধবিমানটি মুক্তিবাহিনীর হাতে পৌঁছে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে আকাশশক্তির নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করা। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাসে তিনি সেই মিশনে শহীদ হন। তবুও তাঁর সেই অকুতোভয় মনোভাব, আত্মত্যাগ এবং স্বাধীনতার জন্য আপসহীন অঙ্গীকার চিরকাল বাঙালি জাতিকে অনুপ্রাণিত করে যাবে।

বাংলাদেশ রাষ্ট্র তাঁকে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবে ভূষিত করেছে, যা সর্বোচ্চ সামরিক সম্মাননা। এই সম্মান শুধু তাঁর নয়, এটি সমগ্র জাতির সম্মান—একজন বাঙালি সৈনিক যে মাতৃভূমির জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করতে পারে, তার প্রমাণ তিনি রেখে গেছেন।

আজকের প্রজন্ম যখন মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানতে চায়, তখন মতিউর রহমানের নাম অনিবার্যভাবে উচ্চারিত হয়। তাঁর আত্মত্যাগ আমাদের শেখায়—দেশপ্রেম মানে কেবল কথায় নয়, প্রয়োজনে জীবন দিয়েও তা রক্ষা করা। তিনি সত্যিকারের দেশপ্রেমিকের প্রতীক হয়ে আছেন, থাকবেন অনন্তকাল।

🙏 শ্রদ্ধাঞ্জলি বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমানকে। আপনার আত্মত্যাগ আমাদের স্বাধীন আকাশে চিরকাল উড়বে।

#বীরশ্রেষ্ঠ #মতিউররহমান #শ্রদ্ধাঞ্জলি #বাংলাদেশ #মুক্তিযুদ্ধ #শহীদ #স্বাধীনতা #বীরত্ব

📱 এই টাচ ফোনে হাত রেখে কখনও কি ভেবেছেন— দাদু/নানুদের হাতে  প্রথম টেলিফোন এসেছিল কবে, কীভাবে, আর কেন?১৮৮২ সাল, কলকাতা। তখ...
07/08/2025

📱 এই টাচ ফোনে হাত রেখে কখনও কি ভেবেছেন— দাদু/নানুদের হাতে প্রথম টেলিফোন এসেছিল কবে, কীভাবে, আর কেন?

১৮৮২ সাল, কলকাতা। তখনও ঢাকায় রিকশা আসেনি, অথচ লালবাজারে বসেছিল ভারতবর্ষের প্রথম টেলিফোন এক্সচেঞ্জ। ৫০ জন “সদস্য”—তাদের জন্য একটি অপারেটর সুইচ টেনে এক প্রান্তকে আরেক প্রান্তে জোড়া লাগাতেন।

আর এনেছিল কারা? The Oriental Telephone Company—যার পেছনে ছিলেন গ্রাহাম বেল নিজেই। বিশ্বাস হয়?

ব্যবহার করতেন মূলত ব্রিটিশ অফিসার, ব্যবসায়ী, ও প্রশাসনিক কর্তারা—দ্রুত বার্তা পৌঁছানোর জন্য। তখন টেলিফোন ছিল রাজার মতো মর্যাদার যন্ত্র।

ভাবুন তো, মাত্র ৫০ জনের সেই সার্কেল থেকে আজ কোটি কোটি মানুষের হাতে স্মার্টফোন!

আমরা কত দূর এসেছি—আর কত কিছু হারিয়ে ফেলেছি।

ভারতবর্ষে প্রথম টেলিফোনের ইতিহাস এক প্রকার প্রযুক্তিগত বিপ্লবের সূচনা হিসেবে বিবেচিত। এটি শুধুমাত্র একটি যন্ত্রের আগমন নয়, বরং যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল। নিচে এই ইতিহাসের একটি সংক্ষিপ্ত ও তথ্যভিত্তিক বিবরণ দেওয়া হলো:

🕰️ ভারতবর্ষে প্রথম টেলিফোনের ইতিহাস

📍 সূচনা:
ভারতবর্ষে টেলিফোনের আগমন ঘটে ১৯ শতকের শেষভাগে, যখন ব্রিটিশরা শাসন করছিল ভারতকে। টেলিফোন প্রযুক্তি আবিষ্কারের মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই এটি উপনিবেশিক প্রশাসনের আওতায় ভারতেও আসে।

🗓️ প্রথম টেলিফোন সংযোগ:

- তারিখ: ২৮ জানুয়ারি, ১৮৮২
- স্থান: কলকাতা (তৎকালীন ক্যালকাটা)
- প্রথম শহর: কলকাতাই ছিল ভারতবর্ষের প্রথম শহর যেখানে টেলিফোন সংযোগ চালু হয়।
- প্রথম অপারেটর: The Oriental Telephone Company Limited

এটি গ্রাহাম বেল, টমাস ওয়াটসন ও থমাস এডিসন-এর অংশীদারিত্বে গঠিত একটি কোম্পানি, যেটি ব্রিটিশ ভারতে টেলিফোন সার্ভিস চালু করে।

☎️ প্রথম এক্সচেঞ্জ:

- নাম: Telephone Exchange
- অবস্থান: কলকাতার লালবাজারে
- গ্রাহক সংখ্যা: শুরুর দিকে ছিল ৫০টি টেলিফোন সংযোগ

এ এক্সচেঞ্জে ফোন কল করার জন্য ম্যানুয়াল সুইচিং সিস্টেম ব্যবহার করা হতো — অর্থাৎ, একজন অপারেটরের সাহায্যে দুই প্রান্তের সংযোগ স্থাপন হতো।

🇮🇳 অন্যান্য শহরে সম্প্রসারণ:

কলকাতার পর ক্রমান্বয়ে মুম্বাই (বম্বে), চেন্নাই (মাদ্রাজ) ও দিল্লি শহরে টেলিফোন পরিষেবা চালু হয়:

- মুম্বাই: ১৮৮২ সালের মধ্যেই চালু হয়।

- চেন্নাই: ১৮৮৩ সালে।

- দিল্লি: ১৯১১ সালে (যখন ব্রিটিশরা রাজধানী দিল্লিতে স্থানান্তর করে)।

📜 আইন ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ:

The Indian Telegraph Act, 1885:

ব্রিটিশ সরকার এই আইনের মাধ্যমে টেলিগ্রাফ এবং টেলিফোনের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।

আজও এই আইনটি টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয় (পরবর্তীতে পরিবর্তিত ও পরিবর্ধিত হয়েছে)।

🏛️ ঐতিহাসিক গুরুত্ব:

টেলিফোন ছিল ব্রিটিশ প্রশাসনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের হাতিয়ার।

ব্যবসা, সেনাবাহিনী, রেলওয়ে, বিচার বিভাগ – সবক্ষেত্রেই টেলিফোন ব্যবহারের মাধ্যমে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সমন্বয় সম্ভব হয়।

ধীরে ধীরে এটি ভারতের শহুরে মধ্যবিত্ত সমাজেও প্রবেশ করে।

🔄 স্বাধীনতার পর:

ভারত স্বাধীন হওয়ার পর টেলিফোন পরিষেবার দায়িত্ব যায় পোস্ট অ্যান্ড টেলিগ্রাফ বিভাগ-এর হাতে, যা পরে হয় BSNL (Bharat Sanchar Nigam Limited) এবং অন্যান্য আধুনিক টেলিকম সংস্থা।

📚 উৎসসূত্র:
- ভারত সরকারের টেলিকম ইতিহাস সংক্রান্ত নথি
- BSNL ও MTNL-এর আর্কাইভ
- দ্য হিন্দু / টাইমস অফ ইন্ডিয়া-র ঐতিহাসিক প্রতিবেদন

#টেলিফোন #ভারতবর্ষ #প্রযুক্তিরইতিহাস #কলকাতা১৮৮২ #টাচফোনথেকেলালবাজার #টেলিকমউন্নয়ন #ঐতিহাসিকপোস্ট

১১ জুলাই ১৯৭১: কলকাতায় সেক্টর কমান্ডারদের ৭ দিনের সম্মেলন=========================১৯৭১ সালের ১১ জুলাই কলকাতাস্থ ৮ নং থিয়...
08/07/2025

১১ জুলাই ১৯৭১: কলকাতায় সেক্টর কমান্ডারদের ৭ দিনের সম্মেলন
=========================

১৯৭১ সালের ১১ জুলাই কলকাতাস্থ ৮ নং থিয়েটার রোডের প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সদর দপ্তরে সেক্টর কমান্ডারদের ৭ দিন ব্যাপী সম্মেলন শুরু হয়। সম্মেলনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ। সম্মেলনের শুরুতে কয়েকজন সেক্টর কমান্ডার মুক্তিযুদ্ধে ওয়ার কমান্ড কাউন্সিল গঠনের দাবি জানান।

এইদিন প্রধান সেনাপতি কর্নেল এম এ জি ওসমানীকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী করার সুপারিশ করা হয়। অনেকে এই দাবির স্বপক্ষে থাকলেও মেজর খালেদ মোশাররফ এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, এই ওয়ার কাউন্সিল গঠনের নাম করে এখন কর্নেল ওসমানীকে সেনাপতির পদ থেকে অপসারণ করা হচ্ছে। অন্যদিকে সি আর দত্ত এই প্রস্তাবের পক্ষে বা বিপক্ষে থাকবেন না বলে ঘোষণা দেন। অন্যদিকে এই প্রস্তাবে কর্নেল ওসমানী বিরোধিতা করেন এবং একপর্যায়ে পদত্যাগ করেন। তারপর সভা থেকে বেরিয়ে যান। যদিও তার পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়নি এদিন।

সম্মেলনের প্রথম দিনে প্রধান সেনাপতি কর্নেল এমএজি ওসমানী ছাড়াও মন্ত্রিসভার সব সদস্য, লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ রব, গ্রুপ, ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার, মেজর কে এম শফিউল্লাহ, মেজর সিআর দত্ত, মেজর খালেদ মোশাররফ, উইং কমান্ডার এম কে বাসার, মেজর আবু ওসমান চৌধুরী, মেজর মীর শওকত আলী, মেজর কাজী নুরুজ্জামান, মেজর জিয়াউর রহমান, মেজর এ আর চৌধুরী, ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম ও মেজর এম এ জলিলসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। প্রথমদিনের সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ।

ভারতে এদিন :
===================
১১ জুলাই কলকাতার রাজভবনে ভারতের ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী আর কে খাদিলকর সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, 'ক্ষমতাধর রাষ্ট্রগুলো পাকিস্তানকে বিন্দুমাত্র চটাতে চায় না। ভারত যদি এই মুহূর্তে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় তবে পাকিস্তান ভারতের সঙ্গে নিশ্চিতভাবেই যুদ্ধে জড়াবে। তখন আমাদের ওপরেই আন্তর্জাতিক চাপ বৃদ্ধি পাবে। বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়ার বিষয়টি আমরা এখনো গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। পাকিস্তানের ওপরে এখনো সেই অর্থে কোনো আন্তর্জাতিক চাপ নেই। হাতেগোনা কয়েকটি দেশ ছাড়া সব দেশই এখনও পাকিস্তানের পক্ষে। এই মুহূর্তে আমরা যদি জাতিসংঘে বিষয়টি উত্থাপন করি তবে তা সাড়া ফেলবে না। তাই ভারত এখনই জাতিসংঘে বিষয়টি উত্থাপন করতে চায় না। ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়ার বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করে না। তবে তা কিছুটা সময় সাপেক্ষ।'

১১ জুলাই রাজস্থানের উদয়পুরে ভারতে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত উজামা এক সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, পূর্ব বাংলার বিষয়ে ভারত সরকারের উদারনীতি খুবই আশাব্যঞ্জক। জাপান আশা করে ভারতের এই উদারনীতি বলবৎ থাকবে।

পাকিস্তানে এদিন :
===================
১১ জুলাই মার্কিন প্রেসিডেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক সহকারী হেনরি কিসিঞ্জার গোপনে চীন সফর শেষে পাকিস্তানে ফিরে আসেন। এদিন রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হয়। বৈঠক শেষে এদিন রাতে হেনরি কিসিঞ্জার তেহরানের উদ্দেশ্যে পাকিস্তান ছেড়ে যান।

১১ জুলাই পাকিস্তানের লাহোর থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে পিডিপি’র সভাপতি নওয়াবজাদা নসরুল্লাহ খান বলেন, 'একটি ইরানি সংবাদপত্রের সাক্ষাৎকারে পাকিস্তান পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান জুলফিকার আলী ভুট্টো যে মীমাংসার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার জন্য ফর্মুলা দিয়েছে তা কেবল লজ্জাজনকই নয় বরং বিপজ্জনকও বটে।

বে-আইনি ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে পাকিস্তান সরকারের কোনো প্রকার মীমাংসাভিত্তিক ফর্মুলার ব্যাপারে আলাপ আলোচনা করা উচিত হবে না। আর অন্যদিকে আওয়ামী লীগ এখন নিষিদ্ধ। যেই আওয়ামী লীগের সাথে পাকিস্তানের আলোচনা করতে যাবে তিনিই জাতীয় স্বার্থবিরোধী কাজ করবেন।'

আন্তর্জাতিক মহলে এদিন :
===================
১১ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জনপ্রিয় ব্যান্ড সঙ্গীত দল বিটলস এক বিজ্ঞপ্তিতে বলে, 'ভারতে আশ্রয় নেয়া বাংলাদেশি শরণার্থীদের সাহায্যার্থে আগামী পহেলা আগস্ট নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনসে একটি কনসার্ট করছি আমরা। পন্ডিত রবিশঙ্করই আমাদের অনুষ্ঠানের মূল উদ্যোক্তা।' পন্ডিত রবিশঙ্কর বিটলসের সাবেক সদস্য জর্জ হ্যারিসনের সঙ্গে বাংলাদেশের শরণার্থীদের বিষয়ে একটি দাতব্য সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজনের কথা বলেন। এসময় হ্যারিসন দুই বছর আগে ভেঙে যাওয়া বিটলসের সাবেক সদস্যদের এই দাতব্য অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার অনুরোধ করেন। জানা যায় বিটলসের সাবেক সদস্য পল ম্যাকার্টনি মূল দলের সঙ্গে কোনো প্রকার সম্পর্ক না থাকায় আসতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। পন্ডিত রবিশঙ্কর এক বিবৃতিতে এদিন বলেন, এই কনসার্ট থেকে আয় করা সমস্ত অর্থ ভারতে আশ্রয় নেয়া শরণার্থীদের জন্য ইউনিসেফের তহবিলে দান করা হবে।

১১ জুলাই প্রভাবশালী ব্রিটিশ গণমাধ্যমে সানডে টাইমস একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এই প্রতিবেদনে সানডে টাইমসের সাংবাদিক মারে শেলি বলেন, 'পাকিস্তান দাবি করছে পূর্ববঙ্গ এখন সম্পূর্ণ স্থিতিশীল ও শান্ত। যা পুরোদস্তুর মিথ্যা। দলে দলে এখনো নিরীহ সাধারণ মানুষ সীমান্ত পাড়ি দিয়ে শরণার্থী হিসেবে ভারতে আশ্রয় নিচ্ছে। আমি সম্প্রতি বেশ কয়েকটি গ্রাম ঘুরে দেখেছি। যেখানে গ্রামবাসী তীব্র উৎকণ্ঠায় বসবাস করছে। পাকিস্তান সরকার নিরীহ মানুষকে পাখির মতো হত্যা করছে। কিন্তু আশ্চর্য হলেও সত্য এর পরেও ক্রমাগত পাকিস্তান সরকার মিথ্যাচার করেই যাচ্ছে। পূর্ববঙ্গে যা হচ্ছে তা কল্পনাতীত।'

দেশব্যাপী প্রতিরোধ যুদ্ধ :
===================
১১ জুলাই কুমিল্লায় সকাল ৮টায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কামান ও গোলা নিয়ে মুক্তিবাহিনীর শালদা নদী অবস্থানের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। সারাদিন গুলাগুলি শেষে মুক্তিবাহিনীর বেশ ক্ষতিসাধন নয়। হানাদারদের গুলিতে ৪র্থ ইস্ট বেঙ্গলের হাবিলদার তাজুল মিয়া ও সিপাই আব্দুর রাজ্জাক মারাত্মকভাবে আহত হন। তাছাড়া দুই জন বেসামরিক লোক নিহত ও ৮ জন আহত হয়।

১১ জুলাই কুমিল্লায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর একটি দল চৌদ্দগ্রামের মিয়াবাজারের দিকে যাওয়ার সময় সকাল ১১ টার দিকে মুক্তিবাহিনীর অ্যামবুশের মুখে পড়ে। এই সময় দুই দলের মধ্যে তীব্র যুদ্ধ শুরু হয়। মুক্তিবাহিনীর হামলায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ১৫ জন সৈন্য এসময় নিহত হয়। পাকিস্তানি হানাদারেরা চার ঘণ্টা যুদ্ধ শেষে পিছু হটে ফিরে যায়।

১১ জুলাই খুলনার পাইকগাছায় মুক্তিবাহিনীর কমান্ডার লেফটেন্যান্ট শামসুল আরেফিনের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা কপিলমুনির রাজাকার ঘাঁটি আক্রমণ করে। এসময় রাজাকার ও মুক্তিবাহিনীর মধ্যে তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়। যুদ্ধ শেষে মুক্তিবাহিনী নিরাপদে ঘাঁটিতে প্রত্যাবর্তন করে।

১১ জুলাই চাঁদপুরে বিকেল সাড়ে ৬ টায় মুক্তিবাহিনীর ২ গেরিলা সদস্য চাঁদপুর পাওয়ার স্টেশনের সামনে পাহারারত ২ হানাদার সেনা ও ২ পুলিশের উপর গ্রেনেড হামলা চালায়। এসময় চার জনই নিহত হয়।

তথ্যসূত্র-
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র তৃতীয়, দশম, দ্বাদশ ও চতুর্দশ খণ্ড।
- দৈনিক পাকিস্তান ১২ জুলাই ১৯৭১
- দৈনিক অমৃতবাজার পত্রিকা ১২ জুলাই ১৯৭১

#মুক্তিযুদ্ধ #বাংলারমুক্তিযুদ্ধ #মুক্তিযোদ্ধা #জুলাই #বিজয়দিবস #স্বাধীনতা #স্বাধীনতাযুদ্ধ #লালসবুজ #বাংলাদেশ #১৯৭১ #শহীদ #গৌরব #মহানমুক্তিযুদ্ধ #বাংলারগর্ব #স্বাধীনতারইতিহাস #বাংলাদেশজয় #বীরমুক্তিযোদ্ধা #একাত্তর

13/06/2025

10/06/2025

Address

Navana Sattar Garden, 86/1 New Eskaton Road
Ramna
1219

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when History Gurukul, GOLN posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to History Gurukul, GOLN:

Shortcuts

Share

Category