Rajshahi Math & Science Club

Rajshahi Math & Science Club

Share

It is a Math research place where all subjects of Math problem are solved by administration team.

29/06/2023

আসসালামু আলাইকুম
সবাইকে Rajshahi Math & Science Club এর পক্ষ থেকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক

09/07/2021

আপনি কি ওয়েবসাইট ডিজাইনার?
আপনি কি HTML, CSS, JAVA,
Bootstrap ব্যবহার করে ডিজাইন করতে পারেন?
আপনি কি একটি ওয়েব ডিজাইন করতে আগ্রহী?
মাত্র একটি পেজ (শুধুমাত্র ফ্রন্ট পেজ) কাস্টমাইজ করে ডিজাইন করে দিতে হবে।
অন্য কোন কিছু করতে হবে না।
মাত্র ৫০০ টাকা সম্মানিতে করে দিতে হবে।
তাহলে যোগাযোগ করতে পারেন।
যোগাযোগ: [email protected]

16/02/2020

কিংডম অব আসগার্দিয়া: পৃথিবীর বাইরে প্রথম নভো রাষ্ট্র।
বিশ্বের জানা-অজানা, চমৎকার সব বিষয় নিয়ে আমাদের সাথে লিখতে আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন আমাদের কন্ট্রিবিউটর প্ল্যাটফর্মে
রোর বাংলায় লিখুন
আমি একজন বিজ্ঞানী এবং ব্যবসায়ী ছিলাম। কিন্তু এখন আমি একজন সমাজসেবক। প্রায় ২০ বছর ধরে রাশিয়ায় মহাকাশযান এবং মহাশূন্য সম্পর্কিত বিভিন্ন মিশন ও কারখানার সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম। আসগার্দিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার আগে আমি অস্ট্রিয়ায় ROOM নামক একটি স্পেস জার্নাল এবং এরোস্পেস ইন্টারন্যাশনাল রিসার্চ সেন্টার (AIRC) প্রতিষ্ঠা করেছি। এসব কাজের ফাঁকে আমি অনেক কিছু নিয়ে ভাবতাম। মাথায় নতুন নতুন চিন্তা আসতো। প্রায় দশ বছর আগে আমার মাথায় আসলো, যদি এমন একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা যায় যেটি হবে অন্যান্য সকল রাষ্ট্র থেকে আলাদা, তাহলে বেশ দারুণ হবে।

একটি নতুন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে প্রয়োজন হয় নিজস্ব ভূখণ্ডের। পৃথিবীর মাটিতে ভূখণ্ড লাভ করা একদম সহজ কাজ হবে না। এরপর ২০১৬ সালে কানাডার মন্ট্রিলে মহাকাশ আইন নিয়ে আয়োজিত একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে সর্বপ্রথম আমার মাথায় আসে আসগার্দিয়ার কথা। আসগার্দিয়া হবে এমন একটি রাষ্ট্র যার ভূখণ্ড থাকবে মহাকাশে। অসম্ভব বলে উড়িয়ে দেওয়াও যাচ্ছিল না। কারণ, আমি জানি এটি সম্ভব। কেন অসম্ভব হবে? আমি পরবর্তীতে মহাকাশ আইন বিশেষজ্ঞদের সাথে আলোচনা করি এবং আমার প্রস্তাবনার পূর্ণাঙ্গ খসড়া তৈরি করে ফেলি।

'ফিউচারিজম' ওয়েবসাইটের নেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন কথা বলছিলেন ইতিহাসের সর্বপ্রথম মহাকাশ রাষ্ট্রের নির্মাতা রাষ্ট্রপতি ইগর আশুরবেইলি। ২০১৬ সালে তিনি আসগার্দিয়া নামক একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেন। জনসংখ্যার দৌড়ে পৃথিবীর ১৭১তম বৃহত্তম রাষ্ট্র আসগার্দিয়া। প্রায় ২ লক্ষ নাগরিকের সমন্বয়ে গঠিত এই রাষ্ট্রের আছে নিজস্ব সংবিধান। শুধু গড়ে উঠেনি একটি নিজস্ব নিবাসস্থল। কিন্তু রাষ্ট্রপতি আশুরবেইলির কাছে এটি কোনো সমস্যাই না। তিনি নিশ্চিত যে অদূর ভবিষ্যতেই নিজেদের আবাস গড়ে উঠবে।

নভো রাষ্ট্র আসগার্দিয়া এখনো শুধু স্বপ্ন; Source: Wall Street Journal
পটভূমি
আসগার্দিয়া পর্ব শুরুর আগে এর পেছনের ঘটনা সম্পর্কে জানা যাক। আসগার্দিয়া শব্দটি 'আসগার্দ' শব্দ থেকে নেওয়া হয়েছে। বিখ্যাত মার্ভেল সিরিজের মাধ্যমে ইতোমধ্যে আমরা অনেকেই আসগার্দ সম্পর্কে জানতে পেরেছি। নর্স পুরাণ অনুসারে, আসগার্দ হচ্ছে মহাশূন্যে অবস্থিত একটি জগৎ যেখানে শুধু দেবতারা বাস করেন। সেই কল্প জগৎ থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই নেওয়া হয় আসগার্দিয়া প্রকল্প। ২০১৬ সালে রুশ কম্পিউটার প্রকৌশলী ইগর আশুরবেইলি কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয় মহাকাশ রাষ্ট্র আসগার্দিয়া।

প্রাথমিকভাবে আসগার্দিয়ার একচ্ছত্র নেতা হিসেবে আবির্ভাব ঘটলেও গতবছর ২৫ জুন ভিয়েনার হফবার্গ প্রাসাদে একটি জমকালো অনুষ্ঠানে আসগার্দিয়ানরা তাকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত করে। প্রতিষ্ঠার পর ধীরে ধীরে বড় হতে থাকা আসগার্দিয়ার বর্তমান নিবন্ধিত সদস্য সংখ্যা প্রায় ২ লাখেরও বেশি। এই রাষ্ট্রের রয়েছে নিজস্ব জাতীয় সঙ্গীত এবং সংবিধান।
রাষ্ট্রপতি ইগর আশুরবেইলি; Source: Youtube
রাষ্ট্রপতি আশুরবেইলি বেশ রহস্যে ঘেরা এক ব্যক্তিত্ব। ব্যক্তিজীবনে তিনি একজন কোটিপতি হিসেবে পরিচিত। কিন্তু তার সম্পদের পরিমাণ সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায় না। আশুরবেকভ নামক এক আজারবাইজানি পরিবারের বংশধর ইগর আশুরবেইলি তার নিজস্ব প্রচেষ্টায় ব্যবসাক্ষেত্র এবং মহাকাশ শিল্পে নিজের স্থান করে নিয়েছেন। এর আগে তিনি অস্ত্র উৎপাদন ব্যবসার সাথেও জড়িত ছিলেন। এখানেই থেমে না গিয়ে নিজস্ব চিন্তাভাবনাকে বাস্তবায়িত করতে প্রতিষ্ঠা করেছেন এই বিস্ময়কর রাষ্ট্র আসগার্দিয়া।

আসগার্দিয়ার মূলনীতি
আসগার্দিয়া মূলত তিনটি লক্ষ্যমাত্রার উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত: মহাকাশের শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, মহাকাশের দুর্যোগ থেকে পৃথিবীকে নিরাপদ রাখা এবং মহাকাশে সেনাবাহিনী বিহীন এবং বিজ্ঞানের জন্য উন্মুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা। এই তিনটি লক্ষ্যমাত্রার বাইরেও আসগার্দিয়া চাঁদের বুকে নিজেদের বসবাসের উপযোগী পরিবেশ এবং ঘাঁটি নির্মাণের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। আসগার্দিয়ানরা বিশ্বাস করে, পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহে একটি আইনগত বৈধ অবকাঠামো প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মহাশূন্যের আরো গভীরে অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হবে। প্রযুক্তিগত উন্নতি সাধনের মাধ্যমে মানব সভ্যতা এগিয়ে যাবে দ্রুত থেকে দ্রুততত গতিতে।

যারা পৃথিবীর ভৌগোলিক সীমারেখার গণ্ডিতে আবদ্ধ, তাদের সকলের জন্য মুক্তির বার্তা নিয়ে হাজির হয়েছে এই ভবিষ্যৎ নগরী, এমনটাই ঘোষণা দেয়া আছে আসগার্দিয়ার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে।

মহাশূন্যে আসগার্দিয়ার স্যাটেলাইট; Source: Asgardia Space News
২০১৭ সালে মহাকাশের বুকে আসগার্দিয়ার প্রথম স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হয়। আসগার্দিয়া সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য এবং সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালার একটি সংকলন বহনকারী এই স্যাটেলাইটটি সগৌরবে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে। আগামী দুই বছরের মাথায় তারা আরো কয়েকটি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা করছে। এক কথায় বলতে গেলে, পৃথিবীর ঝামেলা থেকে বেঁচে থাকতে এক ইউটোপিয়ার কল্পনা করছে আসগার্দিয়ানরা।

আসগার্দিয়া সরকার এবং সংবিধান
কাল্পনিক নভোরাষ্ট্র আসগার্দিয়ার সংবিধান অনুযায়ী একটি পার্লামেন্টও গঠিত হয়েছে। প্রায় ১৪৬ জন সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত এই পার্লামেন্ট আসগার্দিয়ার মূল লক্ষ্য বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে কাজ করছে। আসগার্দিয়ার সাংবিধানিক নাম 'কিংডম অব আসগার্দিয়া'। কিন্তু নামে কিংডম হলেও আসগার্দিয়ায় মূলত গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা প্রচলিত। আসগার্দিয়া সরকার কর্তৃক প্রণীত সংবিধানটি অনেকটাই বর্তমান প্রেক্ষাপটের সাপেক্ষে অবাস্তব। প্রায় নয় হাজার শব্দ সমন্বয়ে রচিত এই সংবিধান থেকে উল্লেখযোগ্য কিছু ধারা তুলে ধরা হলো-

আসগার্দিয়ার মূল্যবোধ মহাশূন্যে শান্তির বার্তা বহন করা এবং বিশ্বজগতে শান্তিপূর্ণ বসতি নিশ্চিত করা।
আসগার্দিয়ার সকল নাগরিক সমান। পৃথিবীর জন্মসূত্র, আবাস, নাগরিকত্ব, বর্ণ, জাতীয়তা, লিঙ্গ, ধর্ম, ভাষা, আর্থিক অবস্থা এবং ইতিহাস ভেদে তাদের মধ্যে কোনো বৈষম্য থাকবে না।
বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির জগতে সর্বশ্রেষ্ঠ জাতি হিসেবে আসগার্দিয়া পরিচিত হবে।
মত প্রকাশের কারণে কোনো ধরনের দমন নিপীড়ন বরদাস্ত করা হবে না। কিন্তু আসগার্দিয়ার সম্মান রক্ষার্থে সহিংসতা ঘটাতে পারে এমন উস্কানীমূলক মন্তব্য প্রকাশ করা থেকে আসগার্দিয়ানরা বিরত থাকবে।
তথ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সরকার নির্দিষ্ট নীতিমালা গ্রহণ করবেন।
তাছাড়া আসগার্দিয়ার রাষ্ট্রপতি নিজ ক্ষমতাবলে তার উত্তরসূরির নাম ঘোষণা করার পূর্ণ অধিকার রাখেন। এমনকি রাষ্ট্রের প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য আইনী পদস্থ ব্যক্তিবর্গের নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য করা হবে। ২০১৮ সালের ২৪ জুন ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত প্রথম অধিবেশনে ৪০টি দেশের মোট ১০০ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

সেখানে বেঁধে দেওয়া সময় ৮ ঘণ্টার স্থলে দীর্ঘ ১১ ঘণ্টা ধরে চলতে থাকা অধিবেশনে সকলে একবার করে বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ পান। এমনকি ২০টি মহাগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নাকি ভোটাভুটিও হয়েছে! আসগার্দিয়ানদের এমন উৎসাহে অনেকেরই চোখ কপালে উঠেছে। এটি ফ্লাট আর্থ সোসাইটির মতো আরেকটি হাস্যকর সংস্থা হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে বলেও মনে করেন অনেকে।
ভিয়েনায় আসগার্দিয়া সম্মেলন; Source: The Conservative Cartel
নাগরিকত্ব প্রদান
আসগার্দিয়ার নাগরিকত্ব পেতে হলে প্রথমেই আপনাকে আসগার্দিয়ার সংবিধান বইটি পড়তে হবে। এরপর যদি আপনি এই সংবিধানের ধারার সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেন, তখন আপনি আসগার্দিয়ার নাগরিকত্ব লাভের জন্য মনোনীত হবেন। মাত্র কয়েক মিনিটের মাথায় একটি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পাওয়ার দৌড়ে হয়তো কেউই আসগার্দিয়াকে পেছনে ফেলতে পারবে না। নাগরিকত্ব প্রদানের আগে আপনাকে একটি ফর্মে বেশ কিছু ব্যক্তিগত প্রশ্ন করা হবে। ফর্মে নিজের নাম, ঠিকানা, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং যোগাযোগের ঠিকানা প্রদানের পর আপনাকে নাগরিক হিসেবে গ্রহণ করা হবে। কিন্তু এখানেই সবকিছু শেষ নয়। নতুন নাগরিককে তার প্রথম দিনেই একটি সংক্ষিপ্ত IQ টেস্টের মুখোমুখি হতে হয়।
আসগার্দিয়া সংবিধান; Source: Twitter
আসগার্দিয়া কি ভুয়া?
আসগার্দিয়া নামক ইউটোপিয়া কতটা বাস্তবধর্মী তা নিয়ে বিতর্কের অবকাশ আছে। কিন্তু আসগার্দিয়ার পুরো প্রকল্পটি ভুয়া, এমন দাবিও উঠছে। এমন দাবি উঠার পেছনে মূল কারণ, IQ টেস্টের পর অনেক নাগরিককেই গড় বুদ্ধিমত্তা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পরবর্তীতে তাদেরকে আরো একটি বিশেষ প্রকল্পে অংশগ্রহণ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়, যার মাধ্যমে তাদের বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কিত সমস্যার সমাধান হবে বলে আশ্বাস প্রদান করা হয়। আর এখানেই ঝামেলার শুরু হয়।

অনেকেরই ধারণা এর মাধ্যমে কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য হাসিল করছে ব্যবসায়ী ইগর আশুরবেইলি। স্টপ ফেক নামক একটি ওয়েবসাইটে একদল ইউক্রেনিয়ান সাংবাদিক এর বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ তুলে ধরে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল, আসগার্দিয়া সরকার জোর করে এর নাগরিকদের নির্দিষ্ট স্টক কোম্পানিতে শেয়ার কিনতে বাধ্য করছে। অনেকের কাছেই এটি রুশ সরকারের কোনো ষড়যন্ত্র। কিন্তু এসব অভিযোগের কোনোটার পক্ষেই শক্ত প্রমাণ দিতে না পারায় এখন পর্যন্ত টিকে আছে আসগার্দিয়া।

ভবিষ্যতে মানুষ নভো রাষ্ট্র গড়ে তুলবে; Source: CNN
রাষ্ট্রপতি ইগর আশুরবেইলি তার উদ্বোধনী বক্তৃতায় আসগার্দিয়াকে মানবতার সুন্দরতম ভবিষ্যতের বাস্তব রূপ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন। তার নিকট আসগার্দিয়া হবে স্বর্গের শান্তিময় চারণভূমি, যেখানে ঘৃণা থাকবে না। থাকবে শুধু আনন্দ। শুনতে বেশ আশাব্যঞ্জক মনে হলেও বাস্তবতা অনেক দূর। আসগার্দিয়া কতদূর যাবে, সেটি ঠিকভাবে বলা সম্ভব নয়। তবে দূর ভবিষ্যতে মানুষ মহাকাশে নভো রাষ্ট্র গঠন করবে, এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়।

Photos from Rajshahi Math & Science Club's post 25/12/2019

#আগামীকাল_২৬_ডিসেম্বর_সারাবিশ্বে_সূর্যগ্রহণ-

ঢাকায় সূর্যগ্রহণটি শুরু হবে সকাল ৯টা ১মিনিট ১৬ সেকেন্ডে। ১০টা ২৮মিনিট ৯ সেকেন্ডের সময়ে সর্বোচ্চ সূর্যগ্রহণ হবে; ওই সময়েই সূর্য সবচেয়ে বেশি ঢাকা পড়বে চাঁদের আড়ালে এবং সূর্যকে একটি অগ্নিবলয়ের মতো দেখাবে ।সর্বোচ্চ দুপুর ১২টা ৮মিনিট ২৫ সেকেন্ড পর্যন্ত চলবে। তাই এ সময় সালাতে দাড়িয়ে যান।অন্যদেরও বলুন প্রার্থনায় নিমগ্ন হতে যাতে এর ফলে মানুষের কোন ক্ষতি কোথাও না হয়,আল্লাহ সবাইকে হিফাযত

আগামী ২৬ ডিসেম্বর সারাবিশ্ব এমন এক সূর্যগ্রহণ দেখবে যা শেষবার পৃথিবীর মানুষ দেখেছিল ১৭২ বছর আগে।এ সূর্য গ্রহণের সময় সূর্যের চারপাশে থাকবে এক আগুনের বলয়। বিজ্ঞানীরা যাকে বলেন ‘রিং অব ফায়ার’।তাই এ সূর্য গ্রহণ দেখার জন্য অনেকে প্রস্তুতি নিচ্ছে। কেউ কেউ বিশেষ গ্লাস কিনে রাখছে।মনে হচ্ছে যেন ঈদের সূর্য উঠবে।অধিকাংশ সময়েই আমাদের দেশের মানুষেরা অত্যন্ত আনন্দ আর কৌতুহল নিয়ে সূর্যগ্রহন এবং চন্দ্রগ্রহন প্রত্যক্ষ করে থাকে।

সূর্য ও চন্দ্র যখন গ্রহনের সময় হয় তখন আমাদের নবী (সা.) এর চেহারা ভয়ে বিবর্ণ হয়ে যেতো।তখন তিনি সাহাবীদের নিয়ে জামাতে নামাজ পড়তেন।কান্নাকাটি করতেন। আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতেন।আরবীতে সূর্যগ্রহণকে ‘কুসূফ’ বলা হয়। আর সূর্যগ্রহণের নামাজকে ‘নামাজে কুসূফ’ বলা হয়। দশম হিজরীতে যখন পবিত্র মদীনায় সূর্যগ্রহণ হয়, ঘোষণা দিয়ে লোকদেরকে নামাজের জন্য সমবেত করেছিলেন। তারপর সম্ভবত তার জীবনের সর্বাধিক দীর্ঘ নামাজের জামাতের ইমামতি করেছিলেন। সেই নামাজের কিয়াম, রুকু, সিজদাহ মোটকথা, প্রত্যেকটি রুকন সাধারণ অভ্যাসের চেয়ে অনেক দীর্ঘ ছিলো।

অবিশ্বাসী বিজ্ঞানীরা প্রথমে যখন মহানবী (সা.) এর এ আমল সম্পর্কে জানতে পারলো, তখন তারা এটা নিয়ে বিদ্রুপ করলো (নাউযুবিল্লাহ)। তারা বললো, এ সময় এটা করার কি যৌক্তিকতা আছে? সূর্যগ্রহণের সময় চন্দ্রটি পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে চলে আসে বলে সূর্যগ্রহণ হয়। ব্যাস এতটুকুই! এখানে কান্না কাটি করার কি আছে? মজার বিষয় হলো,বিংশ শতাব্দীর গোড়ায় যখন এ বিষয় নিয়ে গবেষণা শুরু হলো, তখন মহানবী (সা.) এই আমলের তাৎপর্য বেরিয়ে আসলো।

আধুনিক সৌর বিজ্ঞানীদের মতে, মঙ্গল ও বৃহস্পতি গ্রহ দু’টি কক্ষপথের মধ্যবলয়ে রয়েছে এস্টিরয়ে(Asteroid), মিটিওরিট (Meteorite) ও উল্কাপিন্ড প্রভৃতি ভাসমান পাথরের এক সুবিশাল বেল্ট, এগুলোকে এককথায় গ্রহানুপুঞ্জ বলা হয়। গ্রহানুপুঞ্জের এইবেল্ট (Belt) আবিষ্কৃত হয় ১৮০১ সালে।এক একটা ঝুলন্ত পাথরের ব্যাস ১২০ মাইল থেকে ৪৫০ মাইল।বিজ্ঞানীরা আজ পাথরের এই ঝুলন্ত বেল্ট নিয়ে শঙ্কিত।কখন জানি এ বেল্ট থেকে কোন পাথর নিক্ষিপ্ত হয়ে পৃথিবীর বুকে আঘাত হানে, যা পৃথিবীর জন্য ধ্বংসের কারণ হয় কিনা? গ্রহানুপুঞ্জের পাথর খন্ডগুলোর মাঝে সংঘর্ষের ফলে অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পাথরখন্ড প্রতিনিয়তই পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসে। কিন্তু সেগুলো পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে এসে জ্বলে ভস্ম হয়ে যায়। কিন্তু বৃহদাকার পাথর খন্ডগুলো যদি পৃথিবীতে আঘাত করে তাহলে কি হবে? প্রায় ৬৫ মিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীতে এমনই একটি পাথর আঘাত হেনেছিলো। এতে ডাইনোসরসহ পৃথিবীর তাবৎ উদ্ভিদ লতা গুল্ম সব ধ্বংস হয়ে গিয়েছিলো। আপনজনের (Arizon) এ যে উল্কাপিন্ড এসে পড়েছিলো তার কারণে পৃথিবীতে যে গর্ত হয়েছিলো তার গভীরতা ৬০০ ফুট এবং প্রস্থ ৩৮০০ ফুট। বিজ্ঞানীরা বলেন, সূর্য অথবা চন্দ্রগ্রহণের সময় ঝুলন্ত পাথরগুলো পৃথিবীতে ছুটে এসে আঘাত হানার আশংকা বেশী থাকে। কারণ হচ্ছে,এসময় সূর্য,চন্দ্র ও পৃথিবী একই সমান্তরালে,একই অক্ষ বরাবর থাকে ।ফলে তিনটির মধ্যাকর্ষণ শক্তি একত্রিত হয়ে ত্রিশক্তিতে রুপান্তরিত হয়। এমনি মুহূর্তে যদি কোন পাথর বেল্ট থেকে নিক্ষিপ্ত হয় তখন এই ত্রিশক্তির আকর্ষণের ফলে সেই পাথর প্রচন্ড শক্তিতে, প্রবল বেগে পৃথিবীর দিকে আসবে,এ প্রচন্ড শক্তি নিয়ে আসা পাথরটিকে প্রতিহত করা তখন পৃথিবীর বায়ুমন্ডলের পক্ষে অসম্ভব হয়ে দাড়াবে। ফলে পৃথিবীর একমাত্র পরিণতি হবে ধ্বংস।একজন বিবেকবান মানুষ যদি মহাশূন্যের এ তত্ব জানে, তাহলে তার শঙ্কিত হবারই কথা।

এই দৃষ্টিকোন থেকে সূর্য বা চন্দ্রগ্রহণের সময় মহানবী (সা.) এর সেজদারত হওয়া এবং সৃষ্টিকূলের জন্য পানাহ চাওয়ার মধ্যে আমরা একটি নিখুঁত বাস্তবতার সম্পর্ক খুঁজে পাই। মহানবী (সা.) এর এ আমলটি ছিলো যুক্তিসঙ্গত ও একান্ত বিজ্ঞানসম্মত। তাই এটিকে উৎসব না বানিয়ে আল্লাহকে ভয় করুন।সালাত আদায় করুন।

ঢাকায় সূর্যগ্রহণটি শুরু হবে সকাল ৯টা ১মিনিট ১৬ সেকেন্ডে। ১০টা ২৮মিনিট ৯ সেকেন্ডের সময়ে সর্বোচ্চ সূর্যগ্রহণ হবে; ওই সময়েই সূর্য সবচেয়ে বেশি ঢাকা পড়বে চাঁদের আড়ালে এবং সূর্যকে একটি অগ্নিবলয়ের মতো দেখাবে ।সর্বোচ্চ দুপুর ১২টা ৮মিনিট ২৫ সেকেন্ড পর্যন্ত চলবে। তাই এ সময় সালাতে দাড়িয়ে যান।অন্যদেরও বলুন প্রার্থনায় নিমগ্ন হতে যাতে এর ফলে মানুষের কোন ক্ষতি কোথাও না হয়,আল্লাহ সবাইকে হিফাযত রাখুন।

ঢাকায় সূর্যগ্রহণটি শুরু হবে সকাল ৯টা ১মিনিট ১৬ সেকেন্ডে। ১০টা ২৮মিনিট ৯ সেকেন্ডের সময়ে সর্বোচ্চ সূর্যগ্রহণ হবে; ওই সময়েই সূর্য সবচেয়ে বেশি ঢাকা পড়বে চাঁদের আড়ালে এবং সূর্যকে একটি অগ্নিবলয়ের মতো দেখাবে ।সর্বোচ্চ দুপুর ১২টা ৮মিনিট ২৫ সেকেন্ড পর্যন্ত চলবে। তাই এ সময় সালাতে দাড়িয়ে যান।অন্যদেরও বলুন প্রার্থনায় নিমগ্ন হতে যাতে এর ফলে মানুষের কোন ক্ষতি কোথাও না হয়,আল্লাহ সবাইকে হিফাযত করুন। (আমীন)

12/12/2019

#সুখবর ম্যাথে 4 হাজার বৎসর পুরাতন সূত্রের পরিবর্তন।
এখন থেকে Quadric জটিল ইকুয়েশন থেকে মুক্তি পাবেন,
স্যার পু শ্যানের যুগান্তকারী আবিষ্কার থেকে। আজ থেকে প্রায় ৪ হাজার বছর আগে, ব্যাবিলনে খাজনা হিসাবে শস্য প্রদানের হিসাব করতে গিয়ে দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধানের দরকার হয়। কৃষিজীবী ব্যাবিলনীয়দের খাজনা দিতে হতো শস্যে। নির্দিষ্ট পরিমাণ খাজনা দেওয়ার জন্য ঠিক কতটুকু জমিতে আবাদ বাড়ানো দরকার সেটিই ছিল তাদের সমস্যা। বীজগণিতের ভাষায় এটি হলো ax2+bx+c=0 সমীকরণের সমাধান। কিন্তু স্যার পু এই জটিল সমীকরণকে খুবই সহজ এবং রিজনেবল টাইমের মধ্যে সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছেন।
আমি ছবিতে এর প্রয়োগ ও ব্যাখ্যা দেখানোর চেষ্টা করেছি।
মূল বিষয়টা হচ্ছে x² এর সহগ যাই থাক, সেটাকে দিয়ে সারা ইকুয়েশনের দুই পক্ষ ভাগ করে শুধুমাত্র B এবং C রাখব।
2x2+4x+8=0
=>[2x2+4x+8]/2=0/2 এখানে 2 হচ্ছে x² এর সহগ।
=> x2+2x+4=0
এখানে খুব সহজেই পেয়ে যাই, B বা b=2, C বা c=4,
এখন ছবিতে দেখানো সূত্র দেখলেই বুঝবেন।
দীর্ঘ চার হাজার বছর পর বীজগণিতের দ্বিঘাত সমীকরণের একটি সহজ সমাধান পদ্ধতি খুঁজে পেয়েছেন মার্কিন গণিতবিদ, কার্নেগি স্যার পো শেন লো (Po-Shen Loh)। লোমেলন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক এবং আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে যুক্তরাষ্ট্র দলের দলনেতা। পু স্যারকে দীর্ঘদিন থেকে ফলো করি, উনার বুদ্ধিমত্তা এবং মেধার স্বীকৃতি আগেও পেয়েছেন, আবার একটু বড়করে পেলেন।
সূত্র প্রথমআলো
কার্টেসি: স্যার পু শেন লু।
ব্যাখ্যাঃ Magic of Math(MoM)

#বিঃদ্রঃ পোষ্টটি শেয়ার করার অনুরোধ রইলো , কারন বাংলাদেশের মানুষ এই নতুন সূত্র জানেনা না। শিক্ষার্থী এইটা জেনে কাজে লাগতে পারেন।

09/12/2019

শুরু হয়ে গেল গণিত উৎসব ২০২০

02/12/2019

গণিতে ছোট্ট চিকা'র নতুন উদ্ভাবন

সম্প্রতি 12 বছরের এই বালক চমকে দেবার মতো গণিতের একটি নতুন বিষয় উদ্ভাবন করে ফেলেছে। উদ্ভাবনের বিষয়টি নতুন না হলেও পদ্ধতিটি একেবারেই নতুন। আমরা যখন ছোটবেলায় বিভাজ্যতার নিয়ম শিখেছি বা এখনো যারা শিশুদের এই বিষয়টি শেখানোর দায়িত্ব পালন করেন তারা একটু খেয়াল করে দেখবেন বইগুলোতে 2, 3, 4, 5, 6, 8, 9, 11 এদের দ্বারা বিভাজ্যতার নিয়ম থাকলেও 7 দ্বারা বিভাজ্যতার নিয়ম থাকে না। চিকা এই 7 দ্বারা বিভাজ্যতার নিয়মটি অন্য ভাবে আবিষ্কার করেছে। তবে 7 দ্বারা বিভাজ্যতার নিয়ম যে আগে আবিষ্কৃত হয়নি এমনটা নয়। কিন্তু চিকার পদ্ধতিটি একেবারে নতুন ও অভিনব। চিকার এই উদ্ভাবনী ইতিমধ্যে TruLittle Hero Award জিতে ফেলেছে। পদ্ধতিটি জানার আগে চলুন জেনে নিই উদ্ভাবনের পেছনে লুকিয়ে থাকা গল্প ....………

নাইজেরিয়ার এই বালক পড়াশোনা করে লন্ডনের Westminster Under School বিদ্যালয়ে। সেই স্কুলের গণিতের শিক্ষিকা হলেন Miss Mary Ellis. যিনি 'The Aliens Have Landed and 174 other problems' নামে একটি বইও লিখেছেন।
বিদ্যালয়ের দীর্ঘকালীন ছুটির সময় তিনি একটি assignment দেন। যেখানে ছিল, ভাগ না করে কোন সংখ্যার বিভাজ্যতা যাচাই করা। সেই বইতে 7 দ্বারা বিভাজ্যতার কোন নিয়ম ছিল না কারণ এমনিতে 7 দ্বারা বিভাজ্যতার নিয়ম খুব সহজও নয় এবং মনে রাখার মতনও নয়। আর এখানেই ভাবতে শুরু করে চিকা।
শিক্ষিকা Miss Mary Ellis জানাচ্ছেন 'গত শুক্রবার ক্লাসে চিকা জানায় সে নতুন কিছু বলতে চায় এবং তা সকলের সামনে উপস্থাপিত করে এবং আমি চমকে উঠি। এমন কোন সংখ্যা পাওয়া যায়নি যার ক্ষেত্রে এই নিয়মটি প্রযোজ্য হয় না।'
চলুন দেখি এবার কি সেই পদ্ধতি।

● যে কোনো সংখ্যার এককের অংকের সাথে 5 গুন করে বাকি সংখ্যার সাথে যোগ দিতে হবে। যোগফল 7 দ্বারা বিভাজ্য হলেই মূল সংখ্যাটি 7 দ্বারা বিভাজ্য হবে।
● যদি দেখা যায় সংখ্যাটিকে ওই পদ্ধতি একবার প্রয়োগ করার পর প্রাপ্ত যোগফল বড় সংখ্যা আসে, তাহলে তাকে আবার একই ভাবে ওই প্রক্রিয়ায় এগিয়ে যেতে হবে।

উদাহরণঃ

1567 ~156+7×5=191
191 ~19+1×5=24
24, 7 দ্বারা বিভাজ্য নয়, সুতরাং 1567 ,7 দ্বারা বিভাজ্য নয়।

অন্যদিকে হিসাব করে দেখুন 9065 , 7 দ্বারা বিভাজ্য। বিষয়টি খুব সামান্য হলেও তার চিন্তা কে কুর্নিশ জানাতেই হয়।

কি ভাবছেন আমাদের এখানে চিকা দের পাচ্ছি না কেন? পাবো কি করে? ছোটো থেকেই শিশু মনের মধ্যে গণিতের প্রতি একটা কৃত্রিম ভীতি তৈরি করে দেওয়া হয়। তারপর স্কুলের শিক্ষকমশাইদের দেওয়া হোম টাস্ক ছাত্রের হাত দিয়ে পৌঁছে যাচ্ছে গৃহ শিক্ষকের হাতে বা অভিভাবকের কাছে। আবার বিপরীত পথে উত্তর চলে আসছে স্কুলের মাস্টার মশাই কাছে। এই তো অবস্থা। স্বাধীন মুক্ত চিন্তার বিকাশের সুযোগ কই? বাধা ধরা গতের হোম টাস্ক ও নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সমাপ্ত করা। এসবই শেষ করে দিচ্ছে আমাদের প্রতিটি ছাত্রদের "চিকা" হবার সম্ভাবনা কে।

লেখা : Anup Ghosal

01/12/2019
21/05/2017

বর্গের জন্য ভালবাসা
তোমাকে যদি দুম করে জিজ্ঞেস করি, আচ্ছা ১১৩ এর বর্গ জানি কত? তোমাদের অধিকাংশই মুখে মুখে বলতে পারবে না , আমি জানি। এই লেখাটা ভালো করে পড়লে হয়তো মুখে মুখেই এটা বলে দিতে পারবে। আগে কিছু কথা বলে নিই-

সংখ্যা নিঃসন্দেহে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর ব্যাপারগুলোর একটা। আমার ক্লাস নাইন টেনের একটা বড় সময় চলে গেছে সংখ্যা নিয়ে ভাবতে ভাবতে। আর সেই সময়টা যে কী অসম্ভব সুন্দর কেটেছে, সেটা ভাষা দিয়ে বোঝাতে পারব না।
আমার খুব প্রিয় একটা কাজ ছিল মনে মনে সংখ্যার বর্গ করা। খুব দ্রুত পারতাম না (আমি সাধারণ মানুষ, কোন প্রডিজি না), তবে দুই ঘর হলে পারতাম।
তোমাদেরকে চল শিখিয়ে দিই, মনে মনে কিভাবে বর্গ করতে হয়।

আগে ভালো করে এই প্যাটার্নগুলো দেখ। গণিত শিখতে হলে আগে দেখতে শিখতে হবে, গভীরভাবে দেখতে হবে। হৃদয়ের সবগুলো জানালা খুলে দাও, আলো আসুক, বাতাস আসুক- যদি কোন দুঃসংবাদ আসতে চায়, তাকেও আসতে দাও... সবকিছু আসুক... ভুলটাকে পরে ফেলে দেয়া যাবে... ঠিক আছে, তাহলে প্যাটার্নগুলো দেখ...

১১ এর বর্গ = ১২১
১০১ এর বর্গ = ১০২০১
১০০১ এর বর্গ =১০০২০০১
১০০০১ এর বর্গ =১০০০২০০০১

এখন আমি যদি জিজ্ঞেস করি, বলো তো,
১ (এরপর ১ কোটিটা শূন্য) ১
এটার উত্তর হবে-
১ (এরপর ১ কোটিটা শূন্য) ২ (এরপর ১ কোটিটা শূন্য) ১

আবার লক্ষ কর,
১০১ এর বর্গ = ১ ০২ ০১
১০২ এর বর্গ = ১ ০৪ ০৪
১০৩ এর বর্গ = ১ ০৬ ০৯
১০৪ এর বর্গ = ১ ০৮ ১৬

এইটুকু দেখা হলে একটু থামো। ভালো করে আবার দেখ।
মূল সংখ্যাটার দিকে একবার তাকাও, আর এর বর্গের দিকে একবার তাকাও, দেখ কোন মিল খুঁজে পাও কিনা।
একটু তাকালেই দেখবে আমার মূল সংখ্যাগুলো সব শুরু হয়েছে ১ দিয়ে আর তারপর দুইটা ঘর আছে।
বর্গটাতে শুরুতেই আছে ১ । এরপর দুইটা দুইটা করে ঘর রেখেছি। তাকিয়ে দেখ প্রথম দুই ঘরে আছে দ্বিগুণ আর শেষ দুই ঘরে আছে বর্গ।
যেমনঃ ১০৪ এর ক্ষেত্রে প্রথমে ১ এর পর দুইটা দুইটা করে ঘর রেখেছি---
১ -- --
এরপর প্রথম দুই ঘরে বসিয়েছি ০৪ এর দ্বিগুণ ০৮
১ ০৮ --
আর শেষ দুই ঘরে বসিয়েছি ০৪ এর বর্গ ১৬
১ ০৮ ১৬

তাহলে এবার তোমরা বলতে পারবে যে,
১০৫ এর বর্গ = ১ ১০ ২৫
ঠিক একইভাবে ১০৬ এর বর্গ = ১ ১২ ৩৬

এখন যদি প্রশ্ন করি, আচ্ছা বলো তো,
১১২ এর বর্গ কত?
তাহলে সামান্য ঝামেলায় পড়তে পারো...

প্রথমে তো ১ লিখে জায়গা রাখলে দুটো দুটো করে -----> ১ -- --
প্রথম দুই ঘরে বসল ১২ দুগুণে ২৪ -----> ১ ২৪ --
এরপরেই ঝামেলাঃ ১২ এর বর্গ হলো ১৪৪ , এখানে আছে ৩ ঘর। কিন্তু আমাদের বর্গের শেষে তো মাত্র দুটি ঘর ফাঁকা আছে, তাহলে?
চিন্তা কী? শেষ দুই ঘরে ১৪৪ এর ৪৪ বসবে, হাতে থাকবে এক। সেটা গিয়ে যোগ হবে ২৪ এর সাথে, হবে ২৫ ।
তাহলে সংখ্যাটা হবে ১ ২৫ ৪৪

এখন ১৩ এর বর্গ হলো ১৬৯ । সুতরাং ১১৩ এর বর্গ হবে ১ ২৭ ৬৯ ।

যদি উপরের অংশটা ঠিকঠাক দেখে থাকো, তাহলে বলতে পারবে ১ ০১২ এর বর্গ কত?
এবারে ১ এর পর তিনটা ঘর আছে, তাই বর্গ করার সময় ১ এর পর তিনটা তিনটা করে ঘর রাখো এইভাবে---> ১ --- ---
আগের মতো প্রথম তিন ঘরে বসবে ০১২ এর দ্বিগুণ, আর শেষের তিন ঘরে বর্গ; সংখ্যাটা দাঁড়াবে ১ ০২৪ ১৪৪

আমি এতক্ষন যা করলাম সেটা অনেকটা প্রাইমারি স্কুলের স্যারদের মতো-- "তোরা দ্যাখ, এমনে এমনে অঙ্ক করতে হয়"। কেন এটা হলো সেটা বলিনি। কিন্তু গণিতের আনন্দের একটা বড় অংশ এই 'কেন' প্রশ্নটা জুড়ে। তাই তোমাদেরকে বলে রাখি, শিক্ষক যত ভালোই হন না কেন, তাকে সরাসরি বিশ্বাস করে নেবে না। একবার নিজে ভাববে, তিনি এমন কেন বললেন, এটা কেন হলো, এটা কি আসলেই ঠিক- যদি তোমার মন সায় দেয় তবেই বিশ্বাস করতে পারো। এবারে বলি আমার এই নিয়মটা কেন কাজ করে। আসলে এর পেছনে আছে একটা খুবই ক---ঠি---ন সূত্রঃ
(a+b)^2= a^2+2ab+b^2
এটা বোধহয় আমাদের জীবনে শেখা বীজগণিতের প্রথম সূত্রগুলোর একটা। এবারে বোঝাই ১০৪ এর বর্গটা দিয়ে-
১০৪=(১০০ + ৪) ; এখন (১০০+৪)^২=

১০০^২ ---------> ১ ০০ ০০ --------> এজন্যই বলেছিলাম ১ এর পর দুটো দুটো করে ঘর রাখো
+ ২ x ১০০ x ৪ ---------> ৮ ০০ --------> মাঝের প্রথম দুই ঘরে ০৪ এর দ্বিগুণ
+ ৪^২ ---------> ১৬ --------> শেষের দুই ঘরে ০৪ এর বর্গ
-------------------
১ ০৮ ১৬

খেয়াল করো আমি আমার মূল সংখ্যাটাতে সব সময় সামনে ১ রেখেছি। বোঝানো শুরু করার জন্য এটা অনেক ভালো। কিন্তু দুনিয়ার সব সংখ্যাতো আর ১ দিয়ে শুরু হয় না, তাই না? তাহলে ২ ০১৩ এর বর্গ কিভাবে করা যাবে? চিন্তা কী? আমরা তো এখন মূল সুত্রটা জানিই। আগেরবার বর্গের প্রথমে ১ রেখেছিলাম কারণ ১ এর বর্গ ১। এখন মূল সংখ্যায় যদি ২ থাকে, বর্গে থাকবে ৪ - এ আর এমন কী? এরপর তিনটা তিনটা করে ঘর রাখি-
৪ --- ---
লক্ষ কর, আগের বার প্রথম তিনটা ঘরে বসিয়েছিলাম শুধু ০১৩ এর দ্বিগুণ। এবারে কিন্তু তা বসালে চলবে না। কারণ মূল সূত্রে আছে 2ab । তাই বসাতে হবে ২ x ২ x ০১৩ = ০৫২ । শেষের তিন ঘরে আগেকার মতই ০১৩ এর বর্গ। সংখ্যাটা দাঁড়াবে- ----> ৪ ০৫২ ১৬৯

ভেঙ্গে বললে, ২০১৩=(২০০০+১৩) । এখন (২০০০+১৩)^২=

২০০০^২ ---------> ৪ ০০০ ০০০ --------> এজন্যই বলেছিলাম ৪ এর পর তিনটা তিনটা করে ঘর রাখো
+ ২ x ২০০০ x ১৩ ---------> ৫২ ০০০ --------> মাঝের প্রথম তিন ঘরে ২ x ২ x ০১৩ = ০৫২
+ ১৩^২ ---------> ১৬৯ --------> শেষের দুই ঘরে ১৩ এর বর্গ
-------------------
৪ ০৫২ ১৬৯
এই কাজগুলো মনে মনে করাটা কি খুব কঠিন। মনে হয় না।
এবং তুমি কি বুঝতে পারছ, তুমি কত শক্তিশালী হয়ে উঠেছ?
তুমি যদি তোমার কোন বন্ধুকে গিয়ে বলো যে ২০১৩ এর বর্গ- এ আর এমন কী- এটা হলো ৪ ০৫২ ১৬৯ বা চল্লিশ লক্ষ বায়ান্ন হাজার একশ ঊনসত্তর,
তোমার কি মনে হয়, সে অবাক হবে না? অথচ দেখ সূত্রটা কত চেনা; সেই ছেলেবেলার 'এ প্লাস বি হোল-স্কয়ার' এর সূত্র।

বর্গ এ পর্যন্তই। ও আচ্ছা, তোমরা তো 'এ প্লাস বি হোল-কিউব' এর সূত্রও জানো । তাহলে ১০২^৩ এর মান যে ১ ০৬ ১২ ০৮ হয়, এটা বোঝো নাকি, চেষ্টা করে দেখ তো...

এবার আমার কিছু কথা...
আমি এতক্ষণ তোমাদের যা শোনালাম তা একটা ভ্রমণকাহিনী শোনানোর মতো... আমি তোমাদেরকে বললাম, 'দেখ, আমি এসব জায়গায় গিয়েছি, এসব এসব দেখেছি '। তোমরা শুনে আনন্দ পেলে। কিন্তু তোমরা কি বুঝতে পারছ, এই ভ্রমণটা যে নিজে করেছে, সেই আমার আনন্দটা আরও কত লক্ষ-কোটি গুণ বেশি? যতটুকু তোমাদেরকে আমি বলেছি, নিজে তার চেয়ে অনেক বেশি কিছু দেখেছি। কত সুন্দর সুন্দর অভিজ্ঞতা আমার... যেগুলো লিখে বা বলে বোঝানো অসম্ভব। এটা বোঝা যাবে শুধু নিজে ভ্রমণ করলে। আমার মুখে মুখে বর্গ করার এই সামান্য জিনিসটা নিজে নিজে শিখতে চার-পাঁচ বছর লেগে গেছে , অথচ তোমরা যারা এই লেখাটা পড়ছ , তারা ১০ - ১৫ মিনিটেই শিখে গেলে। এতে তোমাদের মনে হতেই পারে, নিজে এত সময় ধরে শিখে লাভ কী; তার চেয়ে কেউ শিখুক, আমি তার থেকে শিখে নেব। এই ভুলটা যেন না হয়, তার জন্যেই ভ্রমণের কথাটা বললাম। জেনে রেখ, যেটা দেখার জন্য তুমি ভ্রমণে বের হবে, সেখানে যাওয়ার রাস্তাটা তার চেয়েও বেশি সুন্দর হতে পারে। তাই তোমরা ভ্রমণ করো, নিজের জগতে। খুলে দাও হৃদয়ের সবগুলো জানালা, চিন্ত করো নিজের আনন্দে।
চিন্তা জগতে তোমাদের যাত্রা শুভ হোক।

09/04/2017

প্রথমবারের মতো সমুদ্র দর্শনে বের হয়েছেন একজন পদার্থবিজ্ঞানী, একজন জীববিজ্ঞানী এবং একজন রসায়নবিদ। পদার্থবিজ্ঞানী সমুদ্র দেখলেন আর ইয়া বড় বড় সব ঢেউ দেখে মোহিত হয়ে গেলেন। ঢেউয়ের ফ্লুইড ডায়নামিক্সের উপর গবেষণা করার কথা চিন্তা করে সাগরে চলে গেলেন। যথারীতি তিনি ডুবে গিয়ে আর ফিরলেন না। জীববিজ্ঞানী বললেন, তিনি সমুদ্রের উদ্ভিদ ও প্রাণীকণার উপর গবেষণা করবেন, কিন্তু তিনিও ওই পদার্থবিজ্ঞানীর মতো সাগরে গিয়ে আর ফিরলেন না। রসায়নবিদ করলেন কি, বহুক্ষণ ধরে বাকি দু’জনের জন্য অপেক্ষা করে শেষে পর্যবেক্ষণ লিখতে বসলেন, ‘পদার্থবিজ্ঞানী এবং জীববিজ্ঞানী উভয়েই সমুদ্রের পানিতে দ্রবণীয়’। :3 :3

08/04/2017

কোন বিজ্ঞানী কি আবিষ্কার
করেছেন:----
▬▬▬▬ ۩۞۩ ▬▬▬▬
তথ্যগুলো বইয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
এখানে একসাথে দেওয়া হল-
কোন
বিজ্ঞানী কি করেছেন-
১. ফ্রেডরিক ভোলার > জৈব রসায়নের
জনক
২. কেকুল : বেনজিনের
কাঠামো তত্ত্বের
আবিষ্কারক
৩. কোব > ল্যাবরেটরিতে অ্যাসিটিক
এসিড সংশ্লেষ করেন
৪. পলিং এবং স্লাটার > সমযোজী
বন্ধনের
"যোজনী বন্ধন"ধারণার
প্রবর্তক
৫. লসমিভত :"
সুগন্ধিযুক্ত যৌগ
অধিকাংশই বেনজিনয়েড
কাঠামোর অধিকারী"
ধারণার প্রবর্তক
৬. ডা. সিম্পনস > অস্ত্রপোচারের সময়
CHCl3 ব্যবহারের প্রচলন
করেন
৭. কার্ল, স্মালি ও
ক্রোটো : ফুলারিন
আবিষ্কার করেন
৮. কোন বিজ্ঞানী কম্পিউটার ভাইরাস
নামকরণ
করেন?
---ফ্রেড কোহেন
৯. কম্পিউটার কে আবিষ্কার করেন?
---হাওয়ার্ড অ্যাইকেন
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী
--------------
জাপানের পূর্বনাম কি? ▶ নিপ্পন
সান ইয়াৎ সেনের নেতৃত্বে চীন
প্রজাতন্ত্র
প্রতিষ্ঠিত হয় কবে? ▶ ১৯১২
কোন বিজ্ঞানী রোগজীবাণু তত্ত্ব
উদ্ভাবন
করেন? ▶ লুইপাস্তুর
অন্ধদের জন্য লিখনরীতির উদ্ভাবন করেন-

ব্রেইল
বিশ্বের কোন দেশের স্বাক্ষরতার হার
১০০% ? ▶
স্লোভাকিয়া
মহাশূন্যে প্রথম কোন দেশ কুকুর লাইকা"
পাঠায় ▶
রাশিয়া
নোবেল পুরস্কারের প্রবর্তক আলফ্রেড
নোবেল ধনী হয়েছিলেন- ▶ উন্নত
ধরনের
বিস্ফোরক আবিষ্কার করে
কম্পিউটার কে আবিষ্কার করেন? ▶
হাওয়ার্ড এইকিন
ইনসুলিন প্রথম কত সালে আবিষ্কার হয়? ▶
১৯২২
সালে
নিউটন আবিষ্কার করেন- ▶ চ্যাডউইক
ফনোগ্রাফ কে আবিষ্কার করেন? ▶
এডিসন
চন্দ্রপৃষ্ঠে প্রথম অবতরণকারী মানুষের নাম

দেশ- ▶ নীল আর্মস্ট্রং, যুক্তরাষ্ট্র
লেজার রশ্মি কে, কত সালে আবিষ্কার
করেন? ▶
মাইম্যান, ১৯৬০
কোষ আবিষ্কার করেন কে ▶ রবার্ট হুক
অণুবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কার করেন কে? ▶
আন্থনি ভন লিউয়েন হুক
বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার উদ্ভাবক কে? ▶
এফ. ডব্লিউ
টেইলর
পেট্রোল ইঞ্জিন আবিষ্কার করেন কে?

নিকোলাস অটো
কলম্বাস আমেরিকা আবিস্কার করেন কত
সালে? ▶
১৪৯২
এইডস রোগ সর্বপ্রথম কত সালে আবিষ্কৃত
হয়? ▶
১৯৮১
রেডিও আবিষ্কার করেন- ▶ জি. মার্কনী
________________
*কোন বিজ্ঞানী এমন একটি টেবলেট
আবিষ্কার
করিয়াছেন যাহা খাইলে ৬ মাস ক্ষুধা
লাগেনা?
-স্ট্রিফেন লিংকক নামক বিজ্ঞানী,ইহা
নভোচারীরা
খায়।
*কোন দেশের বিজ্ঞানীরা এমন ঔষদ
আবিষ্কার
করিয়াছেন যাহা একবার নিলে ৪০ দিন
যাবৎ ক্ষুধা
লাগেনা?
-মার্কিন বিজ্ঞানী এবি ল্যাকহার্ট।
*পৃথিবীতে ভ্রমণের একটি স্থান আছে
যেখানে
বিমান বা জাহাজ গেলে সঙ্গে গায়েব
হয়ে
যায়,স্থানটির নাম কি?
-বারমুড়া ট্রায়াঙ্গল।
*বিশ্বের কোন দেশের মাটি সাবান
দিয়ে তৈরী?
-গ্রীসের আরজেনটারিয়া দ্বীপের
সবমাটিই
সাবান।
*কোন গাছ সব সময় কাঁদে?
-লরেল গাছ।
--------------------------------------
দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞানের শ্রেষ্ঠ
আবিষ্কার ও
তাদের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা ...। [ বিসিএস
,ব্যাংক ও যে
কোন জব পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা
পোস্ট । ] তবে এই পোস্ট সবাই একবার
হলেও
পড়া উচিৎ নিজে জানার জন্য ...
" ই-বুক আকারে দিলে অনেক বন্ধু এই
লেখা
গুলো মিস করত তাই সবার কথা চিন্তা করে
টেক্সট
আকারে দিলাম ...
একসাথে এতোবড় পোস্ট পড়ার ধর্য্য
থাকে না
তাছাড়া মনে রাখাও সম্ভব নয় তাই শেয়ার
করে
আপনার ফেইসবুক টাইমলাইনে সেইভ রাখুন
সময়
পেলে একটু একটু করে পড়ে নিবেন ...
ভালো
লাগবে ...।"
বিজ্ঞান যেমন জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করেছে
তেমনি
আমাদের জীবনকে করেছে অনেক সহজ
এবং
গতিশীল। প্রতিদিন আমরা বিভিন্ন ধরণের
যন্ত্রপাতি
ব্যবহার করে থাকি। মূলত এর সবই
বিজ্ঞানের
আবিষ্কার। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে
বহুল ব্যবহৃত
এমন কিছু শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার
ও তাদের বর্ণনা ...
ছাপাখানাঃ
--------------
বই পুস্তক বা কোন তথ্য ছাপার কথা বললেই
আসে
ছাপাখানার কথা। পূর্বে বিভিন্ন ফাইল, বই
পুস্তক হাতে
লিখে প্রকাশ করা হত। এটি সর্বপ্রথম ১৪৪০
সালে
জন গুটারবারগ আবিষ্কার করেন। একটি
ছাপাখানা
প্রতিষ্ঠার উদ্দেশে তার এই আবিষ্কার।
যদিও
প্রাথমিক দিকে এর গঠন আজকের মত ছিল
না। তবে
এশিয়াতে প্রথম ছাপাখানার ব্যবহার শুরু হয়
চীনে।
কম্পিউটার আবিষ্কারের সাথে সাথে এর
বৈপ্লবিক
পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে ছাপাখানা
কিন্তু
আমাদের বাড়িতেই যা প্রিন্টার
হিসেবে পরিচিত।
ক্যালকুলেটরঃ
--------------
প্রতিদিনের হিসাবের কাজে সবচেয়ে
বেশি
বাবহ্রিত হয় ক্যালকুলেটর।নবম শতকে
চীনে
আবিষ্কৃত ক্ষুদ্র ক্যালকুলেটর অ্যাবাকাস।
সর্বপ্রথম
১৬৪২ সালে গণিতবিদ ব্লেইসি প্যাসকেল
ক্যালকুলেটর আবিষ্কার করেন। উইলিয়াম
সেওয়ারদ ১৮৮৬ সালে বাণিজ্যিক
ক্যালকুলেটর
আবিষ্কার করেন। তবে আধুনিক
ক্যালকুলেটর
আবিষ্কার ১৯৬৩ সালে এবং আবিস্কারক
বেল পাঞ্চ
কোম্পানি।
বিদ্যুৎঃ
--------------
বিজ্ঞানের সকল আবিষ্কারের মধ্যে
সবচেয়ে
গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার বিদ্যুৎ। বিদ্যুৎ আবিষ্কার
ছাড়া
চার্জ বাবহ্রিত সকল আবিষ্কার বিফলে
পরিণত হত।
বিদ্যুৎ কে আবিষ্কার করেছে তা
সঠিকভাবে বলা
দুরুহ। খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ থেকে শুরু করে
খ্রিস্টাব্দ
১৯৩৫ সাল পর্যন্ত ভিবিন্ন গবেষণার ফলে
আজকের অবস্থানে বিদ্যুৎ । বিদ্যুৎ তৈরির
উৎসগুলোর মধ্যে প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা,
পেট্রোলিয়াম, নিউক্লিয়ার শক্তি, সৌর
শক্তি, বায়ু
শক্তি অন্যতম।
টেলিফোনঃ
--------------
মোবাইলের ব্যাবহারে টেলিফোন
চাহিদা কমে
গেলেও এর গুরুত্ব অনেক। আলেকজেনডার
গ্রাহাম বেল ১৮৭০ সালে টেলিফোন
আবিষ্কার
করেন। এটি আবিষ্কারের পিছনে ছিলেন
অ্যান্টনি
মিউকি, ফিলিপ রিস, ইলিশা গ্রে এবং
আলেকজান্ডার
গ্রাহাম বেল। কিন্তু ১০ মার্চ ১৮৭৬
সফলভাবে
টেলিফোন আবিষ্কার করেন
আলেকজান্ডার গ্রাহাম
বেল। আর টেলিফোনের ব্যাবহারে প্রথম
বাক্য
ছিল “এখানে আসো, তোমাকে আমার
প্রয়োজন”।
বৈদ্যুতিক বাতিঃ
--------------
বিদ্যুৎ আবিষ্কারের মধ্যে দিয়ে মানুষ এর
বিভিন্ন
ব্যবহার শুরু করে। পাশাপাশি রাতের
অন্ধকার দূর করে
আলোকিত করার সপ্ন বাতিক্রম কিছু নয়। এর
থেকেই আবিষ্কার বৈদ্যুতিক বাতির। এর
আবিস্কারক
আমেরিকান বিজ্ঞানী টমাস আলভা
এডিসন। তার
আবিষ্কারের এক বছর পূর্বে ব্রিটিশ
বিজ্ঞানী
জোসেফ সন একই ধরনের বাতি আবিষ্কার
করেন। কিন্তু তা ব্যবহার উপযোগী ছিল
না।
সর্বপ্রথম মানুষ সফলভাবে বৈদ্যুতিক বাতির
ব্যবহার শুরু
করে ১৮৭৯ সালে। আর বর্তমানে পৃথিবীর
প্রায়
সকল মানুষ বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার করে।
কম্পিউটারঃ
--------------
যুগে যুগে বিখ্যাত কিছু আবিষ্কার হয়েছে
যা
মানুষের জীবনকে সবচেয়ে বেশি
প্রভাবিত
করে। তেমনি এক বিস্ময়কর আবিষ্কার
কম্পিউটার।
কম্পিউটারআবিষ্কার যেন মানুষের
জীবনে এক
বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। যুগান্তকারী
এই
কম্পিউটারের আবিস্কারক হাওয়ারড
আইকেন।
ডেস্কটপ কম্পিউটার সর্বপ্রথম মানুষের
হাতে
আসে ১৯৭৪ সালে। পরবর্তীতে ১৯৮১
সালে
অ্যাডাম অসবর্ণ ল্যাপটপ আবিষ্কার করেন।
টেলিভিশনঃ
--------------
মানুষের বিনোদন জোগাতে বিজ্ঞানের
সর্বপ্রথম আবিষ্কার টেলিভিশন। এর
আবিস্কারক জন
লেজি বেয়ারড, ফার্নসয়রথ এবং জরিকিন।
টেলিভিশনের ব্যবহার সর্বপ্রথম শুরু হয় ১৯৫৮
সালে। এটি শোনার পাশাপাশি দেখার
সুবিধাও
রয়েছে। বর্তমানে বিশ্বের তিন
বিলিয়নেরও
বেশি মানুষ টেলিভিশন ব্যবহার করে।
আবিষ্কারের
শুরু থেকে টেলিভিশনের গঠন পরিবর্তন।
হচ্ছে।
একসময়ের বারো ইঞ্চি লম্বা টিউবযুক্ত
টেলিভিশন
থেকে আজ আমরা পঞ্চাশ ইঞ্চি এল.সি.ডি
টেলিভিশন দেখতে পায়।
বিমানঃ
--------------
বিমানের ধারণা আসে মুলত রাইট
ভাত্রিদয়ের
পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে। ১৯০৩ সালের ১৭
ডিসেম্বর অরভিল এবং উইল্ভার রাইট প্রথম
মানুষের
ভাসমানের সম্ভাব্যতা নিয়ে পরীক্ষা
চালান। আর
বাণিজ্যিকভাবে ১৯১১ সালে এরোপ্লেন
আবিষ্কার
করা হয়। বর্তমানে এক স্থান থেকে অন্য
স্থানে
যাওয়ার সবচেয়ে দ্রুতগামী মাধ্যম হচ্ছে
এরোপ্লেন। এরোপ্লেন এর নীতির উপর
ভিত্তি করেই জেট বিমান, রকেট ইত্যাদি
আবিষ্কৃত
হয়েছে। বর্তমানে বিমানের যাত্রী
সংখ্যার সঠিক
হিসাব নেই। তবে ধারণা করা হয় বিমান
যাতায়াতকারী
যাত্রীর সংখ্যা ১.৫ বিলিয়ন।
এয়ার-কনডিশনঃ
--------------
বছরের সকল সময় আরমামদায়ক আবহাওয়া
সৃষ্টিতে বাবহ্রিত যন্ত্র এয়ার কন্ডিশন ।
বর্তমান
বিশ্বের ৯৫ ভাগ মানুষ অফিস, বাড়িঘরে
এয়ার
কন্ডিশন ব্যবহার করে থাকে। আমেরিকান
বিজ্ঞানী
উইলিস কারিয়ার এটি আবিষ্কার করেন।
১৯০২ সালে
একটি প্রিন্টিং এর দোকানের অতিরিক্ত
আদ্রতা
কমাতে একটি পদ্ধতি আবিষ্কার করেন।
এটিই
বর্তমানে এয়ার কন্ডিশন হিসেবে সমগ্র
বিশ্বে
বাবহ্রিত হচ্ছে।
ক্রেডিট কার্ডঃ
--------------
বর্তমানে বড় বড় বিপণিতে কেনাকাটা
করতে নগদ
টাকার পরিবর্তে একটি কার্ড ব্যবহার করা
হয়। এটি
কোনকিছু ক্রয় করে বিপনিবিতানে বসে
শুধু একটি
কার্ড দিয়ে দাম পরিশোধ করা যায়। আর এই
প্লাস্টিক কার্ডই ক্রেডিট কার্ড। সর্বপ্রথম
১৯২০
সালে যুক্তরাষ্ট্রে এর ব্যবহার সফলভাবে
শুরু হয়।
সর্বপ্রথম ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারী
যুক্তরাষ্ট্রের জন.বিগিন ।
ডিজিটাল ক্যামেরাঃ
--------------
১৯৭৫ সালে স্তেভেন সাসন ডিজিটাল
ক্যামেরা
আবিষ্কার করেন। সর্বপ্রথম আবিষ্কৃত
ডিজিটাল
ক্যামেরা ছিল ০.০১ মেগা পিক্সেল
ক্ষমতাসম্পন্ন ।
আর আজ আমরা ১৬০ মেগা পিক্সেল
ক্ষমতাসম্পন্ন
ক্যামেরা ব্যবহার করে থাকি। এমনকি
বর্তমানে
মোবাইল ফোনেও ডিজিটাল ক্যামেরা
সুবিধা
রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সৃতি ধরে রাখা সহ
গবেষণায়
বিভিন্ন ডিজিটাল ছবির জন্য ডিজিটাল
ক্যামেরা বাবহ্রিত
হয়ে থাকে।
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েভঃ
--------------
বর্তমানে যে কোন প্রয়োজনে আমরা
ইন্টারনেটের সাহায্য নিয়ে থাকি। আর
ইন্টারনেট
ব্যবহারকারীদের কাছে ডব্লিউ.ডব্লিউ.ড
ব্লিউ
শব্দটি খুব পরিচিত। আর এই শব্দ তিনটির পূর্ণ
রুপ
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েভ। সর্বপ্রথম ১৯৯০
সালে
ব্রিটিশ বিজ্ঞানী টিম বারনারস লি এটি
আবিষ্কার করেন।
বর্তমানে সারা বিশ্বে ১.৯ বিলিয়ন মানুষ
এটি ব্যবহার
করে থাকে। এই শব্দ তিনটি দারাই সকল
ওয়েভসাইট
তৈরি হচ্ছে আর আমরা পেয়ে যাচ্ছি
আমাদের
প্রয়োজনীয় তথ্য।
অটোমোবাইলঃ
--------------
মানুষ চলার পথকে আরও অনেক আরামদায়ক
এবং
দ্রুত করতে বিজ্ঞানের এক আবিষ্কার
অটোমোবাইল। সর্বপ্রথম জার্মানির একদল
বিজ্ঞানী রাস্তায় এটির ব্যবহার শুরু
করেন। কিন্তু
তারা সফল হতে পারেন নি। পরবর্তীতে
স্বদেশীয় দুই বিজ্ঞানী কার্ল বেলজ এবং
ডেইলমলারের আবিষ্কৃত অটোমোবাইল খুব
জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। আর এজন্য
অটোমোবাইলের আবিস্কারক হিসেবে
বিবেচনা
করা হয় কার্ল বেনজকে।
মোবাইল ফোনঃ
--------------
বর্তমান সময়ে মানুষের জীবনের একটি
অংশ
হয়ে দাঁড়িয়েছে মোবাইল। প্রিয়জনের
সাথে যোগাযোগ থেকে শুরু করে গেইম
খেলা, হিসাব নিকাশ, ইন্টারনেট
ব্রাউজিং সহ সকল
কাজে মোবাইল ব্যবহার করা হয়। বহুল
বাবহ্রিত এই
যন্ত্রটির আবিষ্কার কৌশল এসেছে
আলেকজান্ডার
গ্রাহাম বেলের টেলিফোন
আবিষ্কারের
মাধ্যমে। সর্বপ্রথম তারহীন এই মোবাইল
ফোন
বাজারে আসে ১৯৮৩ সালে। আর প্রথম
বাজারজাত
কোম্পানি মটোরলা। বর্তমানে বিশ্বের
শতকরা৭৫
ভাগ মানুষ মোবাইল ব্যবহার করে থাকে।
এ. টি.এমঃ
--------------
জরুরী বা ছুটির দিনে বাংকে গচ্ছিত
টাকা উঠানোর
একটি বিশেষ পদ্ধতি এ. টি.এম বা
অটোমেটেড
টেলার মেশিন। বিজ্ঞানী লুথার জর্জ
সিমজান এটি
আবিষ্কার করেন। এখানে একটি পিন
কোডের
মাধ্যমে গোপনীয়তা বজায় রাখা হয়।
বর্তমানে
বিশ্বের সকল দেশে এটি বহুলভাবে
বাবহ্রিত
হচ্ছে।
রেফ্রিজারেটরঃ
--------------
কোন খাবার টাটকা রাখতে বহুল বাবহ্রিত
যন্ত্রের
নাম রেফ্রিজারেটর। সর্বপ্রথম উইলিয়াম
কুলেন
১৭৮৪ সালে রেফ্রিজারেটরের ডিজাইন
করেন ।
কিন্তু এর কোন ব্যাবহারিক কোন প্রয়োগ
হয়
নি। পরবর্তীতে ১৮০৫ সালে আমেরিকান
উদ্ভাবক
অলিভার ইভান রেফ্রিজারেটরের নকশা
করেন।
সবচেয়ে উন্নত রেফ্রিজারেটর আবিষ্কার
করেন আফ্রিকান-আমেরিকান বিজ্ঞানী
থমাস
এল্কিন এবং জন স্ট্যান্ডার্ড। বর্তমানে
এটি সকল
দেশের মানুষ কম বেশি ব্যবহার করে
থাকে।

Want your school to be the top-listed School/college in Rajshahi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Rajshahi City
Rajshahi
6200