15/02/2026
আমেরিকায় ফুল স্কলারশিপ সহ মাস্টার্স এবং পিএইচডি করতে চাইলে GRE দেন। GRE স্কোর আপনার প্রোফাইলকে কমপক্ষে 30% স্ট্রং করবে।
বিস্তারিত কমেন্টে....
Trusted and Proven
15/02/2026
আমেরিকায় ফুল স্কলারশিপ সহ মাস্টার্স এবং পিএইচডি করতে চাইলে GRE দেন। GRE স্কোর আপনার প্রোফাইলকে কমপক্ষে 30% স্ট্রং করবে।
বিস্তারিত কমেন্টে....
30/01/2026
♦️From AUST to Google's Software Engineer: Mahir Kabir♦️
Mahir Kabir, a graduate of Ahsanullah University of Science and Technology (AUST) with a Bachelor's degree in Computer Science and Engineering, has made an impressive journey from academia to becoming a Software Engineer at Google. During his time at AUST, Mahir excelled in competitive programming, winning several awards, including the Champion title in the Intra University Programming Contest in 2015.
After completing his undergraduate studies, Mahir went on to pursue higher education at Virginia Tech, where he earned both his Master of Science (MS) and Doctorate of Philosophy (PhD) in Computer Science. His research at Virginia Tech focused on Software Engineering, Software Security, and AI-assisted software maintenance, which led to several notable publications, including works on vulnerability detection in Java code and cryptographic API misuses.
Mahir gained significant industry experience working at renowned companies like Google and Amazon. At Google, he worked as a Software Engineering Intern on projects related to Agentic AI and developed virtual assistants using custom Java servers and fine-tuned Gemini models. At Amazon, he worked as an Applied Scientist Intern, developing an analysis pipeline to detect and classify bugs in static analysis tools.
Before diving into graduate school, Mahir worked as a Senior Software Engineer at Enosis Solutions in Dhaka, Bangladesh, where he led the development of web and desktop applications, RESTful APIs, and scalable system components. His diverse technical expertise spans AI-driven software maintenance, static program analysis, and full-stack development.
Today, as a Software Engineer at Google, Mahir continues to contribute to cutting-edge AI and software security advancements, embodying the transition from AUST to a prominent role at one of the world's leading tech companies.
30/01/2026
২০০৭ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (BUET)-এ Materials and Metallurgical Engineering ডিপার্টমেন্টে ভর্তি হন। বিএসসি শেষ করে বুয়েটেই এমএসসি কমপ্লিট করেন তিনি।
২০১২ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত World University of Bangladesh-এর লেকচারার হিসেবে ছিলেন রুবায়াত মাহবুব। এরপরে বুয়েটে প্রথমে লেকচারার এবং তারপর অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর হিসেবে শিক্ষকতা করেন। ২০১৫ সালে হায়ার স্টাডিজের জন্য USA-তে পাড়ি জমান।
Carnegie Mellon University থেকে ২০১৭ সালে মাস্টার্স কমপ্লিট করেন। সেখানে গ্রাজুয়েট রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে প্রায় চার বছর ছিলেন তিনি। সেখানেই Material Science-এ পিএইচডি করেন।
এরপর ২০১৯–২০২১ সাল পর্যন্ত Material Science-এ Massachusetts Institute of Technology (MIT)-এ পোস্টডক্টরাল রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট হিসেবে কাজ করেছেন।
এছাড়াও তিনি Data Science Fellow হিসেবে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন এবং ২০২১–২০২২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের California-তে Rivian নামক ইলেকট্রিক ভেহিকেল (EV) কোম্পানিতে প্রথমে Staff Data Scientist এবং পরে Senior Data Scientist হিসেবে ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরে কাজ করেন। ২০২৩ সাল থেকে প্রায় দুই বছর যাবত Tesla-এ স্টাফ ডাটা সায়েন্টিস্ট হিসেবে আছেন।
অনেক অনেক দোয়া ও শুভ কামনা রইল
30/01/2026
❤️অনার্স শেষের আগেই পিএইচডি অফার❤️
আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে পড়াশোনার শুরু, এরপর নটর ডেম কলেজ—এই দুটি প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলাপূর্ণ শিক্ষাজীবন পেরিয়েই আবিরের গন্তব্য হয় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ। শুরু থেকেই তার আগ্রহ সীমাবদ্ধ ছিল না শুধু ক্লাসরুম বা পরীক্ষার ফলাফলে; গবেষণাভিত্তিক চিন্তা আর বৈশ্বিক মানের কাজ করার লক্ষ্যই ধীরে ধীরে তার মূল চালিকাশক্তি হয়ে ওঠে।
বর্তমানে বুয়েটের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আবিরের সিজিপিএ ৩.৯৬। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নিজেকে প্রস্তুত করতে তিনি অর্জন করেছেন টোফেল স্কোর ১০৮ (১২০-এর মধ্যে)। তবে সংখ্যার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ তার গবেষণা যাত্রা। অনার্সে অধ্যয়নরত অবস্থাতেই তার নামে রয়েছে মোট ১৩টি ফার্স্ট অথর গবেষণা প্রকাশনা। এর মধ্যে ৭টি প্রকাশিত হয়েছে কিউ১ জার্নালে—যেগুলো গবেষণা জগতে সর্বোচ্চ মানের বৈজ্ঞানিক জার্নাল হিসেবে স্বীকৃত।
একজন অনার্স শিক্ষার্থীর জন্য এমন গবেষণা আউটপুট শুধু ব্যতিক্রমীই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও অত্যন্ত বিরল। এই গবেষণা কাজের ধারাবাহিকতা, বিষয়ভিত্তিক গভীরতা এবং বৈশ্বিক মানের প্রকাশনাই তার প্রোফাইলকে নিয়ে গেছে একেবারে অন্য উচ্চতায়।
এই অর্জনেরই স্বীকৃতি হিসেবে, অনার্স শেষ হওয়ার আগেই আবির পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের আইভি লিগ প্রতিষ্ঠান Cornell University থেকে পিএইচডি অফার। ফল ২০২৬ সেমিস্টারে কম্পিউটার সায়েন্স সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রোগ্রামে পিএইচডি অধ্যয়নের এই সুযোগ তার একাডেমিক যাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
বুয়েটের একজন অনার্স শিক্ষার্থী হয়েও Cornell University–এর মতো শীর্ষ গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি অফার পাওয়া প্রমাণ করে—বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক গবেষণার দরজা বন্ধ নয়। সঠিক প্রস্তুতি, গবেষণায় গভীর মনোযোগ এবং ধারাবাহিক পরিশ্রম থাকলে অনার্স পর্যায় থেকেই বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছানো সম্ভব।
বুয়েটিয়ান আবিরের এই পথচলা তাই শুধু একটি ব্যক্তিগত সাফল্যের গল্প নয়; এটি দেশের তরুণ শিক্ষার্থীদের জন্য একটি স্পষ্ট বার্তা—স্বপ্ন বড় হলে প্রস্তুতিটাও হতে হয় আন্তর্জাতিক মানের।
অনেক অনেক অভিনন্দন ও শুভ কামনা রইল 👏👏
23/01/2026
গবেষণা না শিখে বিদেশে উচ্চশিক্ষায় যাবেন না!
এমনটাই বলেছেন ড.মোহা. ইয়ামিন হোসেন!
♦️GRE ব্যাচে এবং ওয়ান টু ওয়ান পড়তে পারবেন আর SAT ওয়ান টু ওয়ান♦️
23/01/2026
Congratulations and best wishes 👏👏
♦️GRE ব্যাচে এবং ওয়ান টু ওয়ান পড়তে পারবেন আর SAT ওয়ান টু ওয়ান♦️
21/01/2026
"আপনার একটি ছোট্ট 'মিথ্যা' কি আপনার বাচ্চার ভাগ্য বদলে দিতে পারে? এডিসনের জীবনের সেই গোপন চিঠি! 💡✉️
১৮৫৪ সালের কথা। একদিন ছোট্ট আলভা এডিসন স্কুল থেকে বাসায় ফিরে মায়ের হাতে একটি চিঠি দিয়ে বলল, "শিক্ষক এটি আপনাকে দিতে বলেছেন।"
মা ন্যান্সি এডিসন চিঠিটি পড়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন। এরপর ছেলের চোখের দিকে তাকিয়ে জোরে জোরে পড়লেন: "আপনার ছেলে একজন জিনিয়াস। আমাদের এই ছোট স্কুলের তাকে শেখানোর মতো ক্ষমতা নেই। দয়া করে আপনি নিজেই তাকে বাড়িতে পড়ানোর ব্যবস্থা করুন।"
বাকিটা ইতিহাস। হাজারেরও বেশি আবিষ্কারের মাধ্যমে এডিসন পৃথিবীকে বদলে দিয়েছিলেন। কিন্তু মায়ের মৃত্যুর বহু বছর পর আলভা সেই পুরনো চিঠিতে আসল সত্যটি খুঁজে পান। সেখানে লেখা ছিল: "আপনার ছেলে মানসিকভাবে পিছিয়ে পড়া (Addled)। তাকে আর আমাদের স্কুলে আসার প্রয়োজন নেই।"
পেছনের বিজ্ঞান: (The Pygmalion Effect) 🧠 বিজ্ঞান বলছে, কোনো মানুষের প্রতি আমাদের উচ্চ প্রত্যাশা এবং ইতিবাচক ধারণা তার পারফরম্যান্সকে অবিশ্বাস্যভাবে বাড়িয়ে দিতে পারে। একে বলা হয় পিগম্যালিয়ন এফেক্ট।
ন্যান্সি এডিসন যদি সেদিন সত্যটি বলতেন, তবে এডিসনের ব্রেইন হয়তো 'গাধা' বা 'নির্বোধ' লেবেলটিকে নিজের পরিচয় হিসেবে মেনে নিত। কিন্তু মায়ের সেই ইতিবাচক বিশ্বাস এডিসনের Neuroplasticity কে এমনভাবে প্রভাবিত করেছিল যে তিনি নিজেকে একজন 'জিনিয়াস' হিসেবেই গড়ে তুলেছিলেন।
লেবেলিং কেন বিপজ্জনক? 🚫 আমরা যখন বাচ্চাকে "গাধা", "অলস" বা "তোকে দিয়ে কিছু হবে না" বলি, তখন তার প্রি-ফ্রন্টাল কর্টেক্স (ব্রেইনের লজিক্যাল অংশ) সংকুচিত হয়ে যায়। বাচ্চা তখন নিজেকে সেই নেতিবাচক লেবেল অনুযায়ী পরিচালনা করতে শুরু করে। একে বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় 'Self-fulfilling prophecy'।
আমাদের জন্য শিক্ষা: আপনার বাচ্চা স্কুলের পরীক্ষায় খারাপ করতে পারে, তার কথা বলতে দেরি হতে পারে কিংবা সে অন্যদের চেয়ে চঞ্চল হতে পারে। কিন্তু মনে রাখবেন, পুরো পৃথিবী তাকে যে নামেই ডাকুক না কেন, আপনার দেওয়া 'নাম' বা 'পরিচয়' থেকেই সে নিজের ভবিষ্যৎ গড়ে নেবে।
আপনার কাছে প্রশ্ন: আপনি কি কখনো আপনার বাচ্চার সামনে এমন কোনো লেবেল ব্যবহার করেছেন যা তার আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দিতে পারে? আজ থেকে কি আমরা তাকে নেতিবাচক লেবেলের বদলে ইতিবাচক অনুপ্রেরণা দিতে পারি? কমেন্টে আপনার মতামত জানান। 👇
Parenting related আরো পোস্ট পড়তে অথবা আপনার মতামত জানাতে যুক্ত হতে পারেন আমাদের Parenting Guide with Kiddification community তে"
©️Kiddification
21/01/2026
এই ডক্টর আতিউর রহমানের জীবনের গল্পটা মোট 5-6 বার পড়েছি 2006-2024 পর্যন্ত! যতবারই পড়েছি গা শিউরে উঠতো, চোখে পানি চলে আসতো! বিশেষ করে হাটে গামছা পেতে টাকা তুলে গ্রামবাসীর সহযোগিতার লাইন টা পড়লেই দুচোখে পানি আসতো, কখনও বা গড়িয়ে পড়তো মাটিতে! মোটিভেশনের অভাব হলেই গুগলে সার্চ করে পড়তাম। আবার পেপার এর কলাম কেটে রেখেছিলাম সযত্নে তাকে নিয়ে লেখা অথচ 2025 এ এসে প্রথম বার শুনি এই কাহিনী (টাকা আত্ম/সাৎ)
আজ আবার এই নিউজ সামনে এলো! তার গল্পের কথা আজও মনে হলো কিন্ত গা শিউরে উঠলো না, চোখে পানিও আসলো না! শুধু মন থেকে ঘৃণা আসলো তার উপর এবং ডা/কা/ত কথাটা মনের অজান্তেই বের হয়ে গেল!
21/01/2026
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (Kushtia) ফার্মেসি বিভাগের ২০১৭–১৮ শিক্ষাবর্ষের প্রথম ব্যাচের মেধাবী শিক্ষার্থী আনিছুর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব হিউস্টন-এ রসায়ন (কেমিস্ট্রি) বিষয়ে পিএইচডি প্রোগ্রামে ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ অর্জন করেছেন।
তার এই গৌরবময় সাফল্য ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের। বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
তার এই অর্জন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। আমরা তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও গবেষণা জীবনের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করি।
♦️♦️GRE ব্যাচে এবং ওয়ান টু ওয়ান পড়তে পারবেন আর SAT ওয়ান টু ওয়ান♦️♦️