Ummah Matrix

Ummah Matrix

Share

" তোমরাই হলে সর্বোত্তম উম্মত, মানবজাতির কল্যানের জন্যেই তোমাদের উদ্ভব ঘটানো হয়েছে...."

27/03/2026

Wonderful Moroccan Architecture 🏯👌🏻
Have a blessed Friday
Joumua Moubarka Everyone

11/03/2026

পবিত্র হেরা গুহাটি জাবালে নূর পাহাড়ে অবস্থিত, যেটা মক্কা নগরের নিকটেই অবস্থিত। এই গুহাটি ইসলামের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানেই প্রথমবার কুরআনের ওহি নাযিল হয়।

হযরত মুহাম্মদ(সা.) নবুয়তের পূর্বে প্রায়ই এই গুহায় নির্জনে ধ্যান-চিন্তা ও ইবাদত করার জন্য আসতেন।

৬১০ খ্রিস্টাব্দে রমজান মাসে, তিনি যখন এই গুহায় অবস্থান করছিলেন, তখন জিব্রাঈল (আ.) এসে তাকে প্রথম ওহি প্রদান করেন এবং বলেন: “ইকরা” (পড়ো বা পাঠ করো)।

এই সময় কুরআনের প্রথম আয়াতসমূহ নাযিল হয়, যা সূরা আলাকের প্রথম পাঁচটি আয়াত (৯৬:১-৫)।

গুহার দৈর্ঘ্য প্রায় ৩.৭ মিটার।
প্রস্থ প্রায় ১.৬ মিটার।
ভেতরে প্রায় ৪–৫ জন মানুষ বসতে পারে।
গুহার প্রবেশমুখ থেকে কাবা শরীফ দেখা যায়।

এটি কাবা থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার দূরে এবং সেখানে উঠতে প্রায় ৬০০টির বেশি সিঁড়ি অতিক্রম করতে হয়।

07/02/2026

God please cure our hearts....

The Source Of River Nile Still Mystifies After Thousands Of Years 30/12/2025

মহানবী (সা.) মিরাজে গিয়ে জান্নাতের চারটি নদী দেখেছেন। দুটি বাহ্যিক ও দুটি আভ্যন্তরিক। বাহ্যিক নদী দুটি দুনিয়ায় প্রবহমান, নীল ও ফুরাত। (মুসলিম ১৬৪)

অন্য এক বর্ণনায় আছে, রসুলল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘(শামের) সাইহান ও জাইহান, (ইরাকের) ফুরাত এবং (মিশরের) নীল প্রত্যেক নদীই জান্নাতের নদ-নদীসমূহের অন্যতম। (মুসলিম ২৮৩৯)

উক্ত নদীগুলি জান্নাতের মানে হল, সেগুলির মূল জান্নাতের; যেমন মানুষের মূল হল জান্নাত। অথবা উক্ত নদীগুলির বিশেষ বরকতের জন্য জান্নাতের নদী বলা হয়েছে। আর আল্লাহই ভাল জানেন।

The Source Of River Nile Still Mystifies After Thousands Of Years The origin of the Nile's waters fascinated the ancient Egyptians and is still not fully understood

Does God Exist? | Javed Akhtar vs M***i Shamail Nadwi 30/12/2025

The existence of the creation must not be like its Creator...

Does God Exist? | Javed Akhtar vs M***i Shamail Nadwi A live historic and academic dialogue examining the question “Does God Exist?” featuring Javed Akhtar and M***i Shamail Nadwi. A reasoned, respectful exchang...

29/12/2025

Euro-Med Human Rights Monitor–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গাজায় ছোট কোয়াডকপ্টার ড্রোন ব্যবহার করছে, যা শুধু নজরদারি বা সামরিক অভিযানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এগুলোকে সন্ত্রাস ও মানসিক নির্যাতনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে:

* ড্রোনগুলো খুব নিচু উচ্চতায় বেসামরিক আশ্রয়কেন্দ্র, তাঁবু ও বাড়ির ওপর ঘোরে এবং এসব ড্রোন থেকে ভীতিকর শব্দ তৈরি করা হয়। যেমন: ' 'মানুষের চিৎকার
'শিশুদের ওপর কুকুর আক্রমণের শব্দ
'নারীদের কান্না
'অ্যাম্বুলেন্সের সাইরেন

* এসব শব্দের উদ্দেশ্য হলো:
'ভয়, আতঙ্ক ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা
'বাস্তুচ্যুত মানুষদের মানসিকভাবে ক্লান্ত ও ভীত করে তোলা। '
'কখনো কখনো ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় টেনে এনে তাদেরকে স্নাইপার এর টার্গেটে পরিণত করা ।

কিছু ক্ষেত্রে কোয়াডকপ্টার ড্রোন রাতে সরাসরি ঘরের ভেতরে ঢুকে পড়ে।
ড্রোনগুলো ঘুমন্ত পরিবারগুলোর ওপর ভেসে থাকে, ভিডিও ধারণ করে, তারপর চলে যায়। এর ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও মানসিক আঘাত সৃষ্টি হচ্ছে।

ড্রোনগুলো শুধু ভয় দেখানোর জন্য নয়, বরং সরাসরি প্রাণঘাতী অস্ত্র হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।

প্রতিবেদনের দাবি অনুযায়ী, ভয় বা শব্দে প্রতিক্রিয়া দেখালে কখনো কখনো ড্রোন থেকে গুলি চালানো হয়।

ড্রোন থেকে গ্রেনেড ফেলে বেসামরিক এলাকা অবস্থিত মানুষের ওপর হামলা করা হচ্ছে।

ড্রোনগুলো চীনা কোম্পানি Autel-এর Evo ধরনের বাণিজ্যিক ড্রোন, যেগুলো সাধারণত ফটোগ্রাফির জন্য তৈরি।
এছাড়াও ভারত ও ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা শিল্প সহযোগিতার অংশ হিসেবে ভারতে ড্রোন তৈরি করা হচ্ছে এবং সেগুলো ইসরায়েলে সরবরাহ করা হচ্ছে।

17/12/2025

মহানবী (সা.) মিরাজে গিয়ে জান্নাতের চারটি নদী দেখেছেন। দুটি বাহ্যিক ও দুটি আভ্যন্তরিক। বাহ্যিক নদী দুটি দুনিয়ায় প্রবহমান, নীল ও ফুরাত। (মুসলিম ১৬৪)

অন্য এক বর্ণনায় আছে, রসুলল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘(শামের) সাইহান ও জাইহান, (ইরাকের) ফুরাত এবং (মিশরের) নীল প্রত্যেক নদীই জান্নাতের নদ-নদীসমূহের অন্যতম। (মুসলিম ২৮৩৯)

উক্ত নদীগুলি জান্নাতের মানে হল, সেগুলির মূল জান্নাতের; যেমন মানুষের মূল হল জান্নাত। অথবা উক্ত নদীগুলির বিশেষ বরকতের জন্য জান্নাতের নদী বলা হয়েছে। আর আল্লাহই ভাল জানেন।

Surah Al-Qamar, Verse 11:
فَفَتَحْنَا أَبْوَابَ السَّمَاءِ بِمَاءٍ مُّنْهَمِرٍ

তখন আমি খুলে দিলাম আকাশের দ্বার প্রবল বারিবর্ষণের মাধ্যমে।

12/12/2025

কোনো গ্রহে একটি দিনের দৈর্ঘ্য নির্ধারিত হয় সেই গ্রহটি তার অক্ষে একবার ঘূর্ণন সম্পূর্ণ করতে যত সময় নেয় তার উপর। পৃথিবীতে একটি দিন প্রায় ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট—অর্থাৎ প্রায় ২৪ ঘণ্টা। কিন্তু আমাদের সৌরজগতের অন্যান্য গ্রহে দিনের দৈর্ঘ্য অনেক ভিন্ন।
উদাহরণস্বরূপ, লাল গ্রহ মঙ্গল (Mars) পৃথিবীর তুলনায় সামান্য বেশি সময় নেয়—২৪ ঘণ্টা ৩৭ মিনিটে একদিন সম্পূর্ণ হয়। বৃহস্পতি (Jupiter), যা সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ, সবচেয়ে দ্রুত ঘোরে এবং মাত্র ৯ ঘণ্টা ৫৫ মিনিটে একদিন শেষ হয়। শনি (Saturn) গ্রহের একটি দিন প্রায় ১০ ঘণ্টা ৩৩ মিনিট।
ইউরেনাস (Uranus) প্রায় ১৭ ঘণ্টা ১৪ মিনিটে ঘূর্ণন সম্পূর্ণ করে, আর নেপচুনের (Neptune) একটি দিন ১৬ ঘণ্টা।
বুধ (Mercury) খুব ধীরে ঘোরে—একটি দিন শেষ করতে ৫৮.৬ পৃথিবী দিন লাগে। শুক্রগ্রহ (Venus) আরও ধীরে ঘোরে—একটি দিনের দৈর্ঘ্য ২৪৩ পৃথিবী দিন।
বামন গ্রহ প্লুটোতে (Pluto) একটি দিন প্রায় ৬.৪ পৃথিবী দিন।
গ্রহগুলোর ঘূর্ণন গতি ও দিনের দৈর্ঘ্যের এই পার্থক্য সৃষ্টি হয় গ্রহের আকার, গঠন এবং কক্ষপথগত গতিবিদ্যার মতো বিভিন্ন কারণে।

কোরআনে আল্লাহ বলেছেন:
Surah Yunus, Verse 5-6:
هُوَ الَّذِي جَعَلَ الشَّمْسَ ضِيَاءً وَالْقَمَرَ نُورًا وَقَدَّرَهُ مَنَازِلَ لِتَعْلَمُوا عَدَدَ السِّنِينَ وَالْحِسَابَ مَا خَلَقَ اللَّهُ ذَٰلِكَ إِلَّا بِالْحَقِّ يُفَصِّلُ الْآيَاتِ لِقَوْمٍ يَعْلَمُونَ

তিনিই সে মহান সত্তা, যিনি বানিয়েছেন সুর্যকে উজ্জল আলোকময়, আর চন্দ্রকে স্নিগ্ধ আলো বিতরণকারীরূপে এবং অতঃপর নির্ধারিত করেছেন এর জন্য মনযিল সমূহ, যাতে করে তোমরা চিনতে পার বছরগুলোর সংখ্যা ও হিসাব। আল্লাহ এই সমস্ত কিছু এমনিতেই সৃষ্টি করেননি, কিন্তু যথার্থতার সাথে। তিনি প্রকাশ করেন লক্ষণসমূহ সে সমস্ত লোকের জন্য যাদের জ্ঞান আছে।

إِنَّ فِي اخْتِلَافِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ وَمَا خَلَقَ اللَّهُ فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ لَآيَاتٍ لِّقَوْمٍ يَتَّقُونَ

নিশ্চয়ই রাত-দিনের পরিবর্তনের মাঝে এবং যা কিছু তিনি সৃষ্টি করেছেন আসমান ও যমীনে, সবই হল নিদর্শন সেসব লোকের জন্য যারা ভয় করে।

09/12/2025

Surah Al-Ankaboot, Verse 60:
وَكَأَيِّن مِّن دَابَّةٍ لَّا تَحْمِلُ رِزْقَهَا اللَّهُ يَرْزُقُهَا وَإِيَّاكُمْ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ

এমন অনেক জন্তু আছে, যারা তাদের খাদ্য সঞ্চিত রাখে না। আল্লাহই রিযিক দেন তাদেরকে এবং তোমাদেরকেও। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

The blue whale, the largest animal ever to have lived on Earth, eats about 16 tons of small fish called krill every day in the North Pacific Ocean.

Scientists say the whale consumes these shrimp-like crustaceans using a feeding system that includes a filter in its mouth, employing baleen plates containing keratin, the same natural substance found in human fingernails.

The blue whale is the size and weight of a Boeing 737, larger than the great dinosaurs, can reach lengths of up to 33 meters and weigh up to 200 tons.
According to statistics, a blue whale that consumes 16 tons a day could eat 1,600 tons a year.

Want your school to be the top-listed School/college in Rajshahi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address

Pabna
Rajshahi
6600