Omics-Lab BD

Omics-Lab BD

Share

"Computational Biology and Chemistry, Network Pharmacology, Biomarker Identification, PanCancer Analysis "

02/03/2025

বিনামূল্যে অসৎ গবেষক শনাক্তকরণের টুলস
বর্তমানে প্রায়ই শোনা যায় বিভিন্ন গবেষকের গবেষণাপত্র রিট্র্যাক্ট (Retract) হয়েছে। অনেক সময় এই ধরনের খবর শুনে আমরা ধরে নিই যে, ওই গবেষক কিংবা গবেষণাপত্রের সকল অথরই অসৎ বা প্রতারক। কিন্তু বাস্তবতা হলো, একটি গবেষণাপত্রে একাধিক গবেষক যুক্ত থাকেন এবং অনেক সময় একজন-দুইজন গবেষকের অনৈতিক কাজের কারণে পুরো গবেষণাপত্র রিট্র্যাক্ট হতে পারে। এতে নিরপরাধ অথররাও কলঙ্কিত হন। তাই শুধু রিট্র্যাকশনের খবর শুনে সব গবেষককে দোষী সাব্যস্ত করা উচিত নয়।
গবেষণায় কারও সাথে কোলাবোরেশন করার আগে সংশ্লিষ্ট গবেষকের অতীত কাজ যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমেই দেখতে হবে ঐ গবেষকের আগে কোনো গবেষণাপত্র রিট্র্যাক্ট হয়েছে কিনা। যদি হয়ে থাকে, তবে অবশ্যই রিট্র্যাকশনের কারণ খুঁজে দেখা উচিত। অনিচ্ছাকৃত ত্রুটি, যেমন পদ্ধতিগত ভুল বা প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণে রিট্র্যাক্ট হলে সেটি ভিন্ন বিষয়। কিন্তু তথ্য জালিয়াতি (Data Fabrication), প্লেজারিজম (Plagiarism) বা ইমেজ ম্যানিপুলেশন-এর মতো অনৈতিক কাজের কারণে রিট্র্যাক্ট হলে ওই গবেষকের সাথে কোলাবোরেশন করা একেবারেই নিরাপদ নয়।
এই যাচাই প্রক্রিয়াকে সহজ করতে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে Scitility নামের একটি প্রযুক্তি স্টার্টআপ Argos নামে একটি টুল চালু করেছে। এটি প্রথমবারের মতো উন্মুক্তভাবে গবেষকদের রিট্র্যাকশন ইতিহাস যাচাই করার সুযোগ দিচ্ছে। Argos টুলটি Retraction Watch Database এবং Crossref-এর মতো নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে। শুধু গবেষকের নাম অথবা কোনো নির্দিষ্ট আর্টিকেলের DOI নম্বর দিলেই সংশ্লিষ্ট গবেষকের রিট্র্যাকশন ইতিহাস, গবেষণাপত্রের তথ্য, প্রকাশক এবং রিট্র্যাকশনের কারণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেখিয়ে দেয়। যে কেউ যেকোনো সময় বিনামূল্যে এই সাইটে লগইন করে যে কোনো অথর সম্পর্কেই জানতে পারবে।
এই টুল ব্যবহার করে খুব সহজেই বোঝা যায়, সংশ্লিষ্ট গবেষকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অনিচ্ছাকৃত ভুলের কারণে নাকি ইচ্ছাকৃত প্রতারণার জন্য। এতে গবেষণার মান নিশ্চিত করা সহজ হয় এবং ভবিষ্যতে নিজের কর্মজীবনকে কলঙ্কমুক্ত রাখা যায়। গবেষণায় কোলাবোরেশন করার আগে অবশ্যই Argos টুল ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট গবেষকের রিট্র্যাকশন ইতিহাস যাচাই করা উচিত। এতে গবেষণার মান এবং বৈজ্ঞানিক সততা দুটোই বজায় থাকবে।
লিংক প্রথম কমেন্টে দেওয়া আছে!!
©Azizul Haque

26/02/2025

রিসার্চ ফিল্ডে বহুল ব্যবহৃত শব্দগুলোর পরিচয়-আকাশ হোসেন রায়হান ;

১। সাইটেশন (Citation):

সাইটেশন হচ্ছে আপনি আপনার লেখায় যে তথ্য দিলেন সে তথ্যাটা কোথা থেকে পেলেন, সেই তথ্যসূত্রটা উল্লেখ করা দেওয়ার পদ্ধতির নাম।

আর এই কাজটাকে বলে সাইট করা।

সাইট করার মাধ্যমে আপনি আপনার লেখাটির তথ্যসূত্র আপনার পাঠকের কাছে অবগত করতে পারেন, যা আপনার লেখাটাকে ও তথ্যগুলোকে মানসম্মত করতে সহায়ক। এতে পাঠক আপনার লেখায় থাকা তথ্যের বা লেখার গভীরতা বা কোয়ালিটি ধরতে পারেন, তাতে উল্লিখিত সোর্স দেখে।

এটা হচ্ছে আপনি আপনার লেখায় অপর কোনো উৎস থেকে যে তথ্যসূত্র ব্যবহার করেছেন সেই তথ্যসূত্রের সংক্ষিপ্ত, alphanumeric প্রকাশ যা লেখকের লেখার মাঝেই হাইপারলিংক করে বা সাধারণভাবে তথ্যসূত্র তুলে ধরা হয়।[1]

এর ফলে পাঠক কখনো আপনার লেখার মান বা উপস্থাপিত তথ্য নিয়ে তার মনে সন্দেহ বা সংশয় জাগ্রত হলে সে সহজেই আপনার সাইট করা তথ্যসূত্র থেকে মূল লেখা থেকে তথ্যটি খুঁজে নিতে পারে।

এছাড়া কারো কষ্টকর গবেষণালব্ধ তথ্যকে আপনি আপনার লেখায় ব্যবহার করে আপনার লেখাকে সমৃদ্ধ করছেন আর যার তথ্যকে ব্যবহার করলেন তাকে সম্মান দেবেন না বা তার ক্রেডিট জানাবেন না, তা কি উচিত?

সাইট করার দ্বারা তাকে সম্মান জানানো বা তার ক্রেডিট স্বীকার করে নেওয়ার কাজটাই সাধিত হয়। এতে লেখা বা তথ্য চুরি করার বদনাম থেকেই বাঁচা যায়।[2]

তবে সাইট করার মূল উদ্দেশ্য কেবল কাউকে ক্রেডিট দেওয়া নয়, এর আরও উদ্দেশ্য আছে।

যেমন সাইট করলে আপনার লেখার গ্রহণযোগ্যতা ও নির্ভরতা বাড়ে।

সাইট করার ফলে পাঠক আপনার লেখায় ব্যবহৃত তথ্যটার পূর্বতন সোর্স খুঁজে পায়; ফলে মূল তথ্যটাকে আরও গভীরভাবে জানতে পারে।

©আকাশ হোসেন রায়হান

25/02/2025

গবেষণায় সাইটেশন কী এবং কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?

গবেষণায় সাইটেশন (Citation) হল কোনো তথ্য, তত্ত্ব বা উদ্ধৃতি যে উৎস থেকে নেওয়া হয়েছে, তা উল্লেখ করা। এটি মূলত অন্য গবেষকদের কাজকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখা জন্য ব্যবহৃত হয়।

সাইটেশনের উদ্দেশ্য:

✅ তথ্যের উৎস নির্ধারণ করা – তথ্য কোথা থেকে এসেছে তা স্পষ্ট করা
✅ মূল লেখককে কৃতিত্ব দেওয়া – প্লেজিয়ারিজম (চৌর্যবৃত্তি) এড়ানো
✅ বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি করা – গবেষণার মান উন্নত করা

সাইটেশনের ধরন:

1. ইন-টেক্সট সাইটেশন – লেখার মধ্যেই উৎস উল্লেখ করা (e.g., Smith et al., 2020)

2. রেফারেন্স লিস্ট – গবেষণাপত্রের শেষে বিস্তারিত উৎস তালিকা

উদাহরণ (APA স্টাইলে):

✔ ইন-টেক্সট: (Rahman, 2023)
✔ রেফারেন্স লিস্ট: Rahman, M. (2023). Pharmacology Research and Development. Oxford University Press.

25/02/2025

গবেষণা কী?

গবেষণা হলো জ্ঞানের নতুন দিক উন্মোচনের একটি কাঠামোবদ্ধ প্রক্রিয়া। এটি মূলত কোনো নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে গভীরভাবে অনুসন্ধান, তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং নতুন তত্ত্ব বা সমাধান খুঁজে বের করার কাজ। গবেষণা দুই ধরনের হতে পারে—মৌলিক গবেষণা (Basic Research), যেখানে নতুন জ্ঞান অর্জনের চেষ্টা করা হয়, এবং প্রয়োগমূলক গবেষণা (Applied Research), যা কোনো বাস্তব সমস্যার সমাধান খোঁজার জন্য পরিচালিত হয়।

গবেষণা কেন প্রয়োজন?

গবেষণা প্রয়োজন কারণ এটি নতুন আবিষ্কার ও উন্নয়নের প্রধান মাধ্যম। বিজ্ঞানের উন্নতি, প্রযুক্তির বিকাশ, চিকিৎসা বিজ্ঞানের অগ্রগতি—এসবের মূলেই গবেষণা রয়েছে। গবেষণা ছাড়া কোনো দেশ বা সমাজের অগ্রগতি সম্ভব নয়।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: নতুন ওষুধ, উন্নত চিকিৎসা পদ্ধতি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ইলেকট্রনিক্স বা মহাকাশ গবেষণা সবই গবেষণার ফল।

অর্থনীতি ও ব্যবসা: নতুন বাজার বিশ্লেষণ, ব্যবসার কৌশল উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য গবেষণা অপরিহার্য।

পরিবেশ ও স্বাস্থ্য: জলবায়ু পরিবর্তন, দূষণ, খাদ্য নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গবেষণার গুরুত্ব অপরিসীম।

সামাজিক উন্নয়ন: সমাজে বিদ্যমান সমস্যা যেমন দারিদ্র্য, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন বা আইনগত সংস্কার গবেষণার মাধ্যমেই সম্ভব।

কারা গবেষণা করবে?

গবেষণা করার জন্য নির্দিষ্ট কোনো পেশার প্রয়োজন নেই, তবে কিছু শ্রেণির মানুষ গবেষণায় বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে—

বিজ্ঞানী ও গবেষক: যারা নতুন আবিষ্কার ও উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করেন।

শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা: শিক্ষার উন্নয়ন এবং জ্ঞানের নতুন দিক খোঁজার জন্য গবেষণা করা জরুরি।

চিকিৎসক ও ফার্মাসিস্ট: নতুন ওষুধ, চিকিৎসা পদ্ধতি এবং রোগের কারণ উদ্ঘাটনে গবেষণা অপরিহার্য।

ব্যবসায়ী ও নীতিনির্ধারক: অর্থনীতি ও সামাজিক নীতির উন্নয়নে গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ।

সাধারণ কৌতূহলী মানুষ: যারাই নতুন কিছু জানতে চায়, তারা গবেষণার মাধ্যমে নতুন তথ্য ও ধারণা আবিষ্কার করতে পারে।

গবেষণা করার জন্য শুধু ডিগ্রি থাকা জরুরি নয়, বরং জিজ্ঞাসু মনোভাব, ধৈর্য এবং সত্য অনুসন্ধানের ইচ্ছাই একজনকে ভালো গবেষক করে তুলতে পারে।

Want your school to be the top-listed School/college in Rajshahi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Rajshahi