কচিকাঁচার ভুবন

কচিকাঁচার ভুবন

Share

page dedicated to primary level students

25/07/2026

Teachers seem to be criminals here & teaching is the worst and horrific job in Bangladesh.

12/07/2026

আমার মামাতো বোন জাইফা সিদ্দিকা, প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ এ ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ!🎀
তার উজ্জ্বল ভবিষ্যত ও মঙ্গল কামনায় আপনাদের দোয়া ও আশীর্বাদ একান্তই কাম্য।

12/07/2026

আমাদের বিদ্যালয়ের কৃতি শিক্ষার্থী তাসনিম শাহরিয়ার ৫ম শ্রেণিতে সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি লাভ করেছে।
আলহামদুলিল্লাহ!♥️

#প্রাথমিক_বৃত্তি_পরীক্ষা_রেজাল্ট

22/06/2026

#প্রাথমিক শিক্ষাকে অনাথ আশ্রম ভাবার সংস্কৃতি বন্ধ হোক।বাংলাদেশের আর কোনো সরকারি বিভাগ বা পেশাজীবী গোষ্ঠী সম্ভবত এতটা মনস্তাত্ত্বিক ও প্রশাসনিক নিপীড়নের মধ্য দিয়ে যায় না, যতটা যান প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা। বর্তমান প্রশাসনিক কাঠামো মাঠপর্যায়ে এমন এক অদ্ভুত ও বৈষম্যমূলক সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে। অনেকেই ওত পেতে থাকেন—কখন, কাকে, কীভাবে সামান্য ত্রুটিতে ঘায়েল করা যায়।একটি দেশের আমলাতান্ত্রিক অহমিকা যখন চরমে পৌঁছায়, তখন টেকনিক্যাল বা বিশেষায়িত বিষয়ের ওপর নন-টেকনিক্যাল মানুষের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রাথমিক শিক্ষা কোনো সাধারণ কেরানিগিরি বা ফাইল গোছানোর কাজ নয়; এটি একটি অত্যন্ত জটিল মনস্তাত্ত্বিক, মানবিক ও শিক্ষাতাত্ত্বিক (Pedagogical) প্রক্রিয়া। অথচ দুর্ভাগ্যজনক ভাবে, মাঠপর্যায়ে অন্যান্য বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারাও যখন প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে যান, তাঁরাও শিক্ষকের পাঠদানের ভুল ধরতে শুরু করেন। যে মানুষটি কোনোদিন একটি শিশুকে বর্ণমালা শেখানোর মনস্তত্ত্ব বা কৌশল নিয়ে পড়াশোনা করেননি, তিনিও মুহূর্তেই শিক্ষকের ‘শিক্ষক’ বনে যান!বিদ্যালয় পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত ছিল ‘সুপারভিশন’ বা মেন্টরিং—যার অর্থ পরম যত্নে শিক্ষককে সহমর্মিতা ও সহযোগিতা করা। কিন্তু আমাদের দেশের প্রচলিত সংস্কৃতি একে রূপান্তর করেছে ‘ইন্সপেকশন’ বা ফল্ট-ফাইন্ডিং-এ। কর্মকর্তারা অনেক সময় বিদ্যালয়ে যান গঠনমূলক সংস্কারের জন্য নয়, বরং কোন শিক্ষক কখন একটু অসতর্ক হলেন, কাকে একটু ধমক দেওয়া যাবে, কার শোকজ করা যাবে—সেই প্রশাসনিক ক্ষমতা প্রদর্শনের।যখন একটি সমাজ বা শাসনব্যবস্থা শিক্ষকদের ক্রমাগত নজরদারি, শঙ্কা ও ভয়ের মধ্যে রাখে, তখন সেই শিক্ষা ব্যবস্থার মেরুদণ্ড ভেতর থেকে ভেঙে পড়ে।একজন শিক্ষক যখন জানেন যে যেকোনো মুহূর্তে যেকোনো বিভাগের একজন কর্মকর্তা এসে তাঁকে অপদস্থ করতে পারেন, তখন ক্লাসরুমে তাঁর স্বাভাবিক ও স্বতঃস্ফূর্ত সৃজনশীলতা হারিয়ে যায়। তিনি তখন ‘শিক্ষা’ দেওয়ার চেয়ে ‘কাগজপত্র ও ফাইল ঠিক রাখা’ এবং ‘কর্মকর্তাদের সন্তুষ্ট রাখার’ যান্ত্রিক চিন্তায় ব্যস্ত থাকেন। সবচেয়ে বড় আঘাতটি আসে তখন, যখন কোমলমতি শিশুদের সামনে তাদের শ্রদ্ধেয় শিক্ষককে জবাবদিহিতার নামে হেনস্তা করা হয়। এতে শিশুদের মন থেকে শিক্ষকের প্রতি শ্রদ্ধা চিরতরে উঠে যায়। যে সমাজ শিক্ষককে সম্মান দিতে পারে না, সেই সমাজ কোনোদিন আদর্শ নাগরিক তৈরি করতে পারে না। বর্তমানে শিক্ষার যে ভঙ্কুর অবস্থা এটা থেকে
উত্তরণের জন্য চাই কাঠামোগত সংস্কার।
শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়া বা মানসম্মত শিক্ষার অভাব—এটি একদিনে তৈরি হয়নি। দীর্ঘদিনের কাঠামোগত, পরিবেশগত ও সামাজিক সংকটের ফল। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য দরকার আন্তরিক ও সহানুভূতিশীল প্রচেষ্টা, ব্লেম-গেম বা ধমক কালচার নয়। সরকার শিক্ষার মানোন্নয়নে যে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা করেছেন এটা নিঃসন্দেহে ভালো উদ্যোগ।তবে
পরিদর্শনের একচ্ছত্র অধিকার কেবল বিশেষজ্ঞদের।বিদ্যালয় পরিদর্শনের দায়িত্ব কেবল পিটিআই (PTI) instructor এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট দক্ষ কর্মকর্তাদের ওপর ন্যস্ত থাকতে হবে—যাঁদের এই বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা, দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও পেশাদার প্রশিক্ষণ আছে। প্রাথমিক শিক্ষা কোনো অনাথ আশ্রম বা সাধারণ ক্ষেত্র নয় যে যার যখন ইচ্ছা এসে উপদেশ এবং ধমক দিয়ে চলে যাবে। এটিকে একটি স্বায়ত্তশাসিত, মর্যাদাপূর্ণ এবং বিশেষায়িত পেশাদারী বিভাগ হিসেবে গড়ে তুলুন।এটাকে ‘ড্রীম প্রফেশন’ করুনশিক্ষকদের মাথার ওপর থেকে ভয়ের তলোয়ার এবং খবরদারির সংস্কৃতি সরিয়ে না নিলে, কোটি কোটি টাকা খরচ করে নতুন কারিকুলাম বা আধুনিক অবকাঠামো তৈরি করলেও প্রাথমিক শিক্ষার মান কোনোদিন উন্নত হবে না। ভাঙা মেরুদণ্ড নিয়ে কোনো শিক্ষক যেমন সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারেন না, তেমনি ভয়ার্ত শিক্ষক দিয়ে একটি আত্মবিশ্বাসী ও উন্নত জাতি গঠন অসম্ভব।আজ কেন তরুণরা বুক ভরা স্বপ্ন নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষক হতে চায় না? কেন জীবনের শেষ বিকল্প হিসেবে, স্রেফ ঠেকায় পড়ে মানুষকে এই পেশায় আসতে হবে? যে পেশাটিকে সবচেয়ে বেশি মর্যাদাপূর্ণ করার কথা ছিল, সেটিকে পদে পদে লাঞ্ছিত করার এই ধারা বন্ধ হোক। প্রাথমিক শিক্ষকতাকে একটি ‘ড্রীম প্রফেশন’ বা স্বপ্নের পেশায় রূপান্তর করুন—যাতে মেধা, মর্যাদা এবং ভালোবাসা নিয়ে দেশের সেরা মানুষেরা এই আঙিনায় সমাজ গড়ার কারিগর হতে আসেন।

🖋️ মারজিনা পুষ্প

18/06/2026

ইচ্ছেমতো আঁকিবুকিতে শিশু শ্রেণীর শিক্ষার্থী তাসনীম হাসানের অঙ্কিত চিত্র "স্মৃতিসৌধ"।

16/06/2026

অপ্রিয় হলেও সত্য।
ডাক্তাররা আমাদের বলেন কী করতে হবে। আইনজীবীরা আমাদের বলেন কী করতে হবে।
কিন্তু শিক্ষকদের ক্ষেত্রে যেন উল্টো নিয়ম।
যারা কখনো শ্রেণিকক্ষে দাঁড়াননি, যারা কখনো শিক্ষার্থীদের শেখানোর দায়িত্ব নেননি, তারাই প্রায়শই শিক্ষকদের বলে দেন কীভাবে পড়াতে হবে, কীভাবে মূল্যায়ন করতে হবে, এমনকি কীভাবে তাদের কাজ করতে হবে।
শিক্ষকতা শুধু একটি পেশা নয়, এটি অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও দায়িত্বের সমন্বয়। তাই শিক্ষকদেরও সেই সম্মান ও পেশাগত স্বাধীনতা প্রাপ্য, যা আমরা অন্য পেশাজীবীদের দিয়ে থাকি।
শিক্ষকদের ওপর আস্থা রাখুন। কারণ শিক্ষকরাই আগামী প্রজন্ম গড়ে তোলেন।

21/05/2026

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের পরীক্ষার হলে প্রশ্নপত্র বুঝিয়ে দেওয়া বা বুঝিয়ে পড়ার বিষয়ে আমাদের দেশে প্রচলিত নিয়ম ও আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বিষয়টি আলোচনার জন্য নিচে প্রাসঙ্গিক তথ্য ও উদাহরণ তুলে ধরা হলো:

​১. প্রচলিত নিয়ম ও নীতি
​জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB) এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (DPE) নীতিমালা অনুযায়ী, প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার মূল উদ্দেশ্য হলো তাদের নিজস্ব বুদ্ধিমত্তা ও অর্জিত জ্ঞান যাচাই করা।

​শিক্ষকের ভূমিকা: পরীক্ষার হলে শিক্ষক কেবল একজন 'তত্ত্বাবধায়ক' বা 'ইনভিজিলেটর' হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার মূল কাজ হলো পরীক্ষার পরিবেশ শান্ত রাখা এবং নকল প্রতিরোধ করা।

​প্রশ্নপত্র বুঝিয়ে দেওয়া: নিয়ম অনুযায়ী, কোনো শিক্ষকই প্রশ্নপত্রের বিষয়বস্তু বা উত্তর বুঝিয়ে দিতে পারবেন না। এটি মূল্যায়নের স্বচ্ছতা নষ্ট করে এবং শিক্ষার্থীর স্বাধীন চিন্তার বিকাশ ব্যাহত করে।

​২. বিশেষ ক্ষেত্র (যেখানে ছাড় দেওয়া যেতে পারে)
​তবে কিছু ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যবস্থায় কিছুটা নমনীয়তা দেখানো হয়ে থাকে, যা পুরোপুরি "প্রশ্ন বুঝিয়ে দেওয়া" নয়, বরং "প্রক্রিয়া সহজীকরণ":

​পাঠ বুঝতে সহায়তা: যদি কোনো শিশু প্রশ্নের ভাষা বুঝতে না পারে, শিক্ষক কেবল সেই শব্দের অর্থ বা সাধারণ নির্দেশিকা (যেমন—"এখানে কী করতে হবে তা প্রশ্নপত্রে স্পষ্টভাবে লেখা আছে, ভালো করে পড়ো") বুঝিয়ে দিতে পারেন। কিন্তু উত্তরের দিকে নির্দেশ করা বা ইঙ্গিত দেওয়া কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।

​বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু (CWSN): অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা নীতিমালা অনুযায়ী, যে সকল শিশু শারীরিকভাবে অক্ষম (যেমন—দৃষ্টিহীন বা হাত ব্যবহারের অক্ষমতা), তাদের ক্ষেত্রে 'স্ক্রাইবার' বা 'লিখিয়ে' ব্যবহারের অনুমতি থাকে। এই ব্যক্তি প্রশ্ন পড়ে শোনাতে পারেন, তবে কোনোভাবেই উত্তরের সহায়তা করতে পারেন না।

​৩. কেন প্রশ্ন বুঝিয়ে দেওয়া অনুচিত (নেতিবাচক প্রভাব)
​পরীক্ষায় প্রশ্ন বুঝিয়ে দেওয়া একটি বড় ধরনের অনিয়ম।

এর নেতিবাচক প্রভাবগুলো হলো:

​মেধার সঠিক মূল্যায়ন হয় না: শিক্ষক বুঝিয়ে দিলে শিক্ষার্থী আসলে কতটুকু শিখেছে, তা বোঝার উপায় থাকে না।

​শিক্ষার্থীর আত্মবিশ্বাস কমে: শিশুরা নিজের চেষ্টায় সমস্যা সমাধান করতে শেখে না, ফলে তাদের মধ্যে সৃজনশীল চিন্তার অভাব দেখা দেয়।

​আইনি ও প্রশাসনিক ঝুঁকি: পরীক্ষার হলে এ ধরনের কাজ "পরীক্ষা সংক্রান্ত অনিয়ম" হিসেবে গণ্য হয়। সরকারি কর্মচারী হিসেবে এটি সরকারি চাকরিবিধি (Bangladesh Service Rules) অনুযায়ী গুরুদণ্ডযোগ্য অপরাধ। এতে বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ণ হয় এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

​৪. উদাহরণ ও সঠিক পদ্ধতি
​উদাহরণ: ধরা যাক, একটি অংকের প্রশ্নে একটি সমীকরণ সমাধান করতে বলা হয়েছে।

​ভুল পদ্ধতি: শিক্ষক যদি বলেন, "তুমি এই সংখ্যাটিকে ওই সংখ্যা দিয়ে ভাগ করো," তবে এটি সরাসরি অসদুপায় অবলম্বন।

​সঠিক পদ্ধতি: শিক্ষক কেবল প্রশ্নটি পড়ে দিতে পারেন (যদি শিশুটি পড়তে অক্ষম হয়) অথবা বলতে পারেন, "প্রশ্নে যা করতে বলা হয়েছে, তা মনোযোগ দিয়ে পড়ো।"

​একজন দায়িত্বশীল শিক্ষক হিসেবে লক্ষ্য হওয়া উচিত শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার পরিবেশ সম্পর্কে পূর্বেই অভ্যস্ত করে তোলা।

পরীক্ষার আগে টিউটোরিয়াল বা মক টেস্টের মাধ্যমে তাদের প্রশ্নের ধরন বুঝিয়ে দেওয়া যেতে পারে, যাতে পরীক্ষার হলে তাদের কোনো জড়তা না থাকে।

কিন্তু মূল পরীক্ষার সময় প্রশ্ন বুঝিয়ে দেওয়া নৈতিক এবং প্রশাসনিক—উভয় দিক থেকেই গ্রহণযোগ্য নয়।

Photos from কচিকাঁচার ভুবন's post 21/05/2026

সকাল ১০.০০ টার দিকে রাত নেমে এসেছিল স্কুলে। এরপর শুরু হলো বজ্রসহ মুষলধারে বৃষ্টি। ⛈️

19/05/2026

মোটা চিকন চিনি

16/05/2026

প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ উপলক্ষে বিদ্যালয়ে "অংক দৌড়" প্রতিযোগিতায় বালক, বালিক উভয় গ্রুপের অংশগ্রহণ।

Want your school to be the top-listed School/college in Rajshahi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address

Rajshahi