কচিকাঁচার ভুবন

কচিকাঁচার ভুবন page dedicated to primary level students

শিক্ষককে অপমানের সংস্কৃতিঃ আমরা কত নিচে নামছিবিস্তারিত কমেন্টে..............
19/08/2026

শিক্ষককে অপমানের সংস্কৃতিঃ আমরা কত নিচে নামছি
বিস্তারিত কমেন্টে..............

16/08/2026
শিক্ষকদের আন্তরিকতা-পরিশ্রমে টিকে আছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়এডুকেশন টাইমস১২ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৪২ PMশিক্ষকদের আন্তরিকতা-পর...
13/08/2026

শিক্ষকদের আন্তরিকতা-পরিশ্রমে টিকে আছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
এডুকেশন টাইমস

১২ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৪২ PM

শিক্ষকদের আন্তরিকতা-পরিশ্রমে টিকে আছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
দেশজুড়ে যেখানে শুধু প্রাথমিক শিক্ষা তথা শিক্ষক সমাজের বদনাম, এ অবস্থায় মনে পড়ল শিল্পী কাঙ্গালিনী সুফিয়ার একটি গানের কলি, ‘বুড়ি হইলাম তোর কারণে’ অনুরূপভাবে স্বাধীনতার পর থেকে শিক্ষক সংকট, অবকাঠামোগত অসুবিধা, শিক্ষকদের আর্থিক অনটন, সংশ্লিষ্টদের সমস্যা সমাধানে সময়ক্ষেপণ বা অবহেলা, পাঠদান বহির্ভূত অসংখ্য কাজের চাপসহ ছোট্ট শিশুদের সীমাহীন যন্ত্রণার মাঝে প্রাথমিক শিক্ষকরা তাদের কাজ যথারীতি কঠিন পরিশ্রমে আন্তরিকতার সঙ্গে করে আসছেন।
নানা সমস্যার মাঝে প্রাথমিক শিক্ষকরা কীভাবে প্রাথমিক শিক্ষার অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে, সে বিষয়ে আলোকপাত করছি:

প্রথমে আসা যাক ছোট্ট অসংখ্য শিশুর যন্ত্রণা সম্পর্কে: আমাদের বাড়ি-ঘরে এক বা একাধিক শিশু থাকলে তাদের দেখভাল তথা নজরদারিতে পরিবারের সবাই ব্যস্ত থাকে। বিদ্যালয়ে অসংখ্য শিশুর হৈচৈ, মারামারি, দৌড়াদৌড়ি, ছোটখাটো আঘাত, বিচার-আচার শাসনবিহীন অবস্থায় পরস্পরের সন্তুষ্টি অর্জন করতে হয়ে থাকে। এমতাবস্থায় শিশুকে আদর, সোহাগ, ভালোবাসা অর্জন করে শিক্ষাদান করতে হচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষকরা শিশু শিক্ষায় ট্রেনিংয়ের যন্ত্রণায় অভ্যস্ত বিধায় তারা কাজটি সহজে করতে পারেন। বড় বড় সমালোচক তারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১ দিনের বেশি ক্লাস করলে অনেকটা মাথায় যন্ত্রণার সাথে পেট খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা হয়ে পড়বে। সকল পর্যায়ের শিক্ষার মধ্যে কঠিন হলো শিশু শিক্ষা। অবুঝ শিশুকে মানব শিশুতে রূপান্তরিত করার কাজ। অথচ সমাজ, রাষ্ট্র সবাই মিলে অবহেলা করে যাচ্ছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষাকে। চরমভাবে অবহেলার শিকার আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নাগরিক গড়ার কারিগর প্রাথমিক শিক্ষকদের।



দ্বিতীয়: স্বাধীনতার পর থেকে অবিরাম শিক্ষক সংকটে চলে আসছে সরকারি প্রাথমিক শিক্ষা। অনেকটা ট্রাকের তেলের ট্যাংকিতে লেখা ‘জন্ম থেকে জ্বলছি’-এর মতো। ২/৩/৪ বছর পর পর শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকে। ফলে মৃত্যু, অবসর, অন্য পেশায় চলে যাওয়া, সি ইন এডসহ নানা প্রশিক্ষণ, মাতৃত্ব, চিকিৎসা ছুটিসহ নানাবিধ কারণে শিক্ষক সংকট প্রকট হতে থাকে। অনেকটা ‘নদীর এ কূল ভাঙে, ও কূল গড়ে, এ তো নদীর খেলার মতো’, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রমে একদিকে নিয়োগ অন্যদিকে পদ শূন্য হতে থাকে।

স্বাধীনতার দীর্ঘ সময় পরে প্রাথমিক শিক্ষার চরম বেহাল দশা বর্তমানে বিরাজমান। সারা দেশে প্রায় ৩৫ হাজার প্রধান শিক্ষক, কয়েক হাজার সহকারী শিক্ষকের পদ, অসংখ্য সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার, কর্মচারীর পদ শূন্য রয়েছে। এ প্রসঙ্গে এক বিদেশি নাস্তিক স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে ঘুরতে এসে তার অভিজ্ঞতার বর্ণনা উপস্থাপন করছি: বিদেশি নাস্তিক ভদ্রলোক সারা দেশ ঘুরে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের মানুষের দূষিত পানি খাওয়াও ব্যবহার নিয়ে তিনি মন্তব্য করলেন, এ দেশের দূষিত পানি খেয়ে, এরা কীভাবে বেঁচে আছে। নানা ভাবনার পর তার মাঝে দৃশ্যমান হলো, ঈশ্বর ছাড়া তাদের বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব নয়। আমাদের রাষ্ট্র, সমাজসহ সুধীসমাজ কারোই ভাবনা একবারও আসে না, অর্ধেকের বেশি শিক্ষক নেই, অথচ নানা ঘাত প্রতিঘাতের পরও সরকারি প্রাথমিক শিক্ষার অস্তিত্বকে কঠিন শ্রম ও আন্তরিকতা দিয়ে অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে প্রাথমিক শিক্ষকেরা। পুরো জাতির অনেকের এ উপলব্ধিবোধ নেই।

সারা দেশের প্রাথমিক শিক্ষার বেহাল চিত্রের মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার খণ্ড চিত্র তুলে ধরছি। উপজেলায় মোট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ২১৯টি। ২১টি ইউনিয়ন পরিষদ ও ১টি পৌরসভায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫৭ হাজার ৪০০ জন।

এদের মধ্যে প্রধান শিক্ষক আছেন ৯০ জন। প্রধান শিক্ষক নেই ১২৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। তৃণমূলের প্রাথমিক শিক্ষা দেখভালের জন্য ১১ জন সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদের মধ্যে আছেন ১ জন কর্মরত। ৫ জন অফিস সহায়ক পদের মধ্যে কর্মরত ১ জন, উচ্চমান সহকারীর পদটি শূন্য।

একদিকে বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটে পাঠদান বিঘ্নিত হচ্ছে, এ অবস্থায়ও বিদ্যালয় থেকে শিক্ষক এনে অফিসের কাজ করানো হচ্ছে। এ বেহাল অবস্থা সারাদেশে বিরাজমান। অথচ যারা এ অচল অবস্থার জন্য দায়ী রাষ্ট্রের কর্তা ব্যক্তিসহ শিখন ও রিডিং স্কিলের ঘাটতির জন্য নিজেদের দায়ীর বিষয়ে কিছু মনে না করে ‘যত দোষ নন্দ ঘোষ’-এর মতো শিক্ষকদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা গোল্লায় গেল-অপবাদ দিয়ে বেড়াচ্ছে। এ পর্যুদস্ত অবস্থায়, প্রাথমিক শিক্ষকরা যে মাত্রাধিক পরিশ্রম ও আন্তরিকতা দিয়ে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেছে, এর কৃতজ্ঞতাবোধ রাষ্ট্র বা সমাজের মধ্যে খুব বেশি দৃশ্যমান নয়।

শিক্ষক তথা প্রাথমিকের সমস্যা দূরীকরণের বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ে সীমাহীন অবহেলা বা সময়ক্ষেপণ বিষয়ে কারো কোনো দোষারোপ নেই। সবার মাঝে তেলা মাথায় তেল দেওয়ার প্রবণতা দৃশ্যমান। আর প্রাথমিক শিক্ষকদের মাথায় তেল নেই, শুকনো মাথায় তেল কেহ দেয় না। বরং মাথায় তেল না থাকার জন্য অপবাদ দিয়ে বেড়াচ্ছে।

প্রাথমিক শিক্ষকরা রাষ্ট্রের চরম অবহেলার মাঝে তাদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। রাষ্ট্র, সমাজ, সুধীজনের কাছ থেকে যথাযথ সম্মান আশা করে থাকেন। তবে সংশ্লিষ্টদের দায়ের জন্য বদনাম নিজেদের ঘাড়ে নিতে কষ্ট হয়। এককভাবে শিক্ষকদের নয়, সকলের জবাবদিহি নিশ্চিত হোক।

লেখক: মো. সিদ্দিকুর রহমান, শিক্ষাবিদ।
এসএস/

⚠️আমাদের শিক্ষকদের অন্যের সন্তানকে মানুষ করতে হয় নিজেদের সন্তানকে সবকিছু থেকে বঞ্চিত করে! অথচ এর পরেও সকল মহলের যত গঞ্জন...
09/08/2026

⚠️আমাদের শিক্ষকদের অন্যের সন্তানকে মানুষ করতে হয় নিজেদের সন্তানকে সবকিছু থেকে বঞ্চিত করে! অথচ এর পরেও সকল মহলের যত গঞ্জনা, প্রবঞ্চনা, কুৎসা শুনতে ও সহ্য করতে হয় মুখে কুলুপ এঁটে শুধু শিক্ষকদেরই।⚠️

৫ বছরের মেয়েকে তালাবদ্ধ রেখে স্কুলে যেতে হয় মাকে

পটুয়াখালীর বাউফলের দাসপাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক উম্মে হাফছা সুমা তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন। ইতোমধ্যে তার এই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং মানুষের হৃদয়ে নাড়া দিয়েছে।

ফেসবুক পোস্টে শিক্ষক উম্মে হাফছা সুমা লিখেছেন, ‘আমার একটি মাত্র মেয়ে। তার বয়স পাঁচ বছর সাত মাস। প্রতিদিন এই ছোট্ট মেয়েটিকে বাসায় একা তালাবদ্ধ রেখে স্কুলে যেতে হয়। বাসায় দেখাশোনার মতো আর কেউ নেই। যত নিয়ম, যেন শুধু চাকরিজীবী মায়েদের সন্তানদের জন্যই। সন্তানরা কতটা অসহায়...’

স্থানীয়রা জানান, তিনি স্কুল থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার দূরে নাজিরপুর বাংলাবাজার এলাকায় থাকেন। শিশুটির বাবা কর্মজীবী। তিনি ঢাকায় চাকরি করেন। একদিকে পেশাগত দায়িত্ব পালন এবং অন্যদিকে সন্তান লালন-পালনের এই দ্বৈত চাপে মায়েরা প্রতিনিয়ত যে মানসিক যন্ত্রণার শিকার হন, তা এই ঘটনার মধ্য দিয়ে আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে পাঁচ বছরের বেশি বয়সের একটি শিশুকে একা বাসায় তালাবদ্ধ রেখে কর্মস্থলে যাওয়ার বিষয়টি শুধু ওই মায়ের জন্যই নয় বরং শিশুটির নিরাপত্তার জন্যও চরম ঝুঁকিপূর্ণ।

তারা আরও জানান, কর্মজীবী মায়েদের সন্তানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন বা কর্মঘণ্টায় কিছুটা নমনীয়তা আনার বিষয়টি গভীরভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক উম্মে হাফছার কালবেলাকে বলেন, ‘বাসায় আমি আমার ৫ বছর বয়সী মেয়েকে নিয়ে থাকি। মাঝে মধ্যে তাকে আমার সঙ্গে করে স্কুলে নিয়ে যেতাম। কিন্তু নানা সমস্যার কারণে পরে আর তাকে আমার সঙ্গে নিই না। তারপর থেকে তাকে পরিচিতজনদের বাসায় রেখে যেতাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে দেশে শিশু নির্যাতনের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় কয়েকদিন ধরে তাকে ঘরে তালাবদ্ধ করে রেখে যায়। ওই রুমে একটি সিসি ক্যামেরা লাগানো ছিল, যার সংযোগ আমার মোবাইলেও আছে। অফ টাইমে স্কুলে বসে মেয়েকে দেখতাম এবং তার সঙ্গে কথা বলতাম। এই কষ্ট থেকে আমি সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট দিই। যেন কর্তৃপক্ষের নজরে এলে অন্তত একটা ব্যবস্থা নেন। কিন্তু নানাজনের নানা কথাবার্তার কারণে পোস্টটি ডিলেট করে দিই।’

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সালেহ আহমেদ বলেন, ‘ঘটনাটি দুঃখজনক। আমার জানামতে সরকারি ভাবে উপজেলা বা জেলায় কোনো ডে-কেয়ার নেই। তবে কর্মজীবী মায়েদের যাদের ছোট বাচ্চা আছে তাদের জন্য ডে-কেয়ার থাকা দরকার।’

05/08/2026

মাথার চুল কোথায় যায় জানেন?😂🤣

#প্রাক_প্রাথমিক #প্রাথমিক_বিদ্যালয়

02/08/2026

ব্যায়াম-4️⃣: হাত ও ঘাড়ের ব্যায়াম- প্যাঁচা🦉

শারীরিক ও পেশীজ কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে ব্যায়াম সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

#প্রাক_প্রাথমিক #প্রাথমিক_বিদ্যালয়

Teachers seem to be criminals here & teaching is the worst and horrific job in Bangladesh.
25/07/2026

Teachers seem to be criminals here & teaching is the worst and horrific job in Bangladesh.

আমার মামাতো বোন জাইফা সিদ্দিকা, প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ এ ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ!🎀তার উ...
12/07/2026

আমার মামাতো বোন জাইফা সিদ্দিকা, প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ এ ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ!🎀
তার উজ্জ্বল ভবিষ্যত ও মঙ্গল কামনায় আপনাদের দোয়া ও আশীর্বাদ একান্তই কাম্য।

আমাদের বিদ্যালয়ের কৃতি শিক্ষার্থী তাসনিম শাহরিয়ার ৫ম শ্রেণিতে সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি লাভ করেছে। আলহামদুলিল্লাহ!♥️       #প...
12/07/2026

আমাদের বিদ্যালয়ের কৃতি শিক্ষার্থী তাসনিম শাহরিয়ার ৫ম শ্রেণিতে সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি লাভ করেছে।
আলহামদুলিল্লাহ!♥️

#প্রাথমিক_বৃত্তি_পরীক্ষা_রেজাল্ট

Address

Rajshahi

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কচিকাঁচার ভুবন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category