Dream University - স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়

  • Home
  • Bangladesh
  • Rajshahi
  • Dream University - স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়

Dream University - স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয় 🎓 Study | Motivation | Growth

Dream big, work hard, stay focused,
turn your dreams into reality.
(3)

একটা জনপদ মুহূর্তেই শে/ ষ হয়ে গেলো!🙂আহারে কত বাচ্চা, বুড়ো, ছেলে মেয়ে ছিল।নেপাল এর অবস্থা এটি! ©
26/08/2026

একটা জনপদ মুহূর্তেই শে/ ষ হয়ে গেলো!🙂
আহারে কত বাচ্চা, বুড়ো, ছেলে মেয়ে ছিল।

নেপাল এর অবস্থা এটি! ©

হ্যাঁ..💯✅
26/08/2026

হ্যাঁ..💯✅

বিশ্বের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয় 💞📍 ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়
26/08/2026

বিশ্বের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয় 💞
📍 ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়

না মামা, তেমন পড়ি না। 🙂
26/08/2026

না মামা, তেমন পড়ি না। 🙂

😒
26/08/2026

😒

চিরচেনা রূপে ঢাবি ক্যাম্পাস 💞
26/08/2026

চিরচেনা রূপে ঢাবি ক্যাম্পাস 💞

৩৮ লাখ+ মাসিক বেতন!😮
26/08/2026

৩৮ লাখ+ মাসিক বেতন!😮

একটি লাল-সবুজ পতাকা, একটি স্বপ্ন আর পৃথিবীকে কাছ থেকে দেখার অদম্য আকাঙ্ক্ষা—এই তিনকে সঙ্গী করে ২৬ বছর ধরে ছুটে চলেছেন না...
26/08/2026

একটি লাল-সবুজ পতাকা, একটি স্বপ্ন আর পৃথিবীকে কাছ থেকে দেখার অদম্য আকাঙ্ক্ষা—এই তিনকে সঙ্গী করে ২৬ বছর ধরে ছুটে চলেছেন নাজমুন নাহার। বাংলাদেশের এই নারী পরিব্রাজক এবার পা রেখেছেন বিশ্বের ১৮৫টি দেশে। ৭ আগস্ট ২০২৬ ভুটান সফরের মধ্য দিয়ে তিনি ১৮৫তম দেশের মাইলফলক স্পর্শ করেন। এই অর্জনের মধ্য দিয়ে তিনি প্রথম বাংলাদেশি এবং বিশ্বের প্রথম মুসলিম নারী হিসেবে ১৮৫টি দেশ ভ্রমণের অনন্য রেকর্ড গড়েছেন।

নাজমুন নাহারের এই বিশ্বভ্রমণের গল্পের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ই তাঁর ভ্রমণের স্বপ্ন বাস্তব রূপ পেতে শুরু করে। ২০০০ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে দ্বিতীয় বর্ষে পড়ার সময় বাংলাদেশ গার্লস গাইড অ্যাসোসিয়েশনের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্য হিসেবে ভারতের পাঁচমারীতে আন্তর্জাতিক অ্যাডভেঞ্চার প্রোগ্রামে অংশ নেন তিনি। বিশ্বের প্রায় ৮০টি দেশের গার্লস গাইড ও স্কাউটদের সেই আয়োজনে বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন নাজমুন। সেটিই হয়ে ওঠে তাঁর বিশ্বভ্রমণের প্রথম বড় পদক্ষেপ।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করার পর তাঁর যাত্রা আরও বিস্তৃত হয়। ২০০৬ সালে সুইডেনের লুন্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তি নিয়ে এশিয়ান স্টাডিজ বিষয়ে উচ্চশিক্ষা নিতে যান তিনি। পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ করে অর্থ সঞ্চয় করতেন এবং সেই অর্থ দিয়েই শুরু করেন নতুন নতুন দেশ আবিষ্কারের অভিযান। পরবর্তী সময়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতেও মানবাধিকার ও এশিয়া বিষয়ে পড়াশোনা করেন।

নাজমুনের ভ্রমণ নিছক পর্যটন নয়। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেড়ানোর সময় তাঁর হাতে থাকে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা। ২৬ বছরের অভিযাত্রায় বিশ্বের পর্বতশৃঙ্গ, দুর্গম পাহাড়, মরুভূমি, সমুদ্র, মহাসাগর, দ্বীপ ও ঐতিহাসিক স্থাপনাসহ ১ হাজার ২৯৪টিরও বেশি স্থানে বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছেন তিনি। তাঁর লক্ষ্য—বিশ্বের মানুষের কাছে বাংলাদেশকে পরিচিত করে তোলা এবং একজন বাংলাদেশি নারীর সাহস ও সক্ষমতার গল্প পৌঁছে দেওয়া।

একক ভ্রমণকারী হিসেবে নাজমুনের পথ সব সময় সহজ ছিল না। দুর্গম সীমান্ত, দীর্ঘ সড়কযাত্রা, অচেনা পরিবেশ এবং নানা অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়েই তাঁকে এগিয়ে যেতে হয়েছে। বিশ্বের স্থলবেষ্টিত দেশগুলো তিনি সড়কপথে ভ্রমণ করেছেন। ঝুঁকি ও প্রতিকূলতা তাঁর যাত্রাকে থামাতে পারেনি; বরং প্রতিটি নতুন দেশ তাঁকে আরও দূরে যাওয়ার সাহস দিয়েছে।

নাজমুনের রেকর্ড গড়ার পথটিও ছিল দীর্ঘ। ২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ে সফরের মাধ্যমে তিনি ১০০তম দেশ ভ্রমণের মাইলফলক অর্জন করেন। ২০২১ সালের ৬ অক্টোবর সাও টোমে অ্যান্ড প্রিন্সিপে সফরের মধ্য দিয়ে তাঁর দেশের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৫০। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ভানুয়াতু সফরে ১৭৫তম এবং ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে বাহামা সফরে ১৮৪তম দেশের মাইলফলক স্পর্শ করেন। এরপর ২০২৬ সালের আগস্টে ভুটান হয়ে গেল তাঁর ১৮৫তম দেশ।

তাঁর ভ্রমণের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো সামাজিক বার্তা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গিয়ে তিনি শুধু বাংলাদেশের কথা বলেন না, বরং বিশ্বশান্তি, পরিবেশ সংরক্ষণ ও বাল্যবিয়ে বন্ধের বার্তাও ছড়িয়ে দেন। ‘নো ওয়ার, অনলি পিস’, ‘সেভ দ্য প্ল্যানেট’ এবং ‘স্টপ চাইল্ড ম্যারেজ’—এসব বার্তা তাঁর ভ্রমণ অভিযানের অংশ। বিভিন্ন দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন, স্থানীয় মানুষের সঙ্গে মিশে তাঁদের সংস্কৃতি ও জীবনযাপন জানেন এবং একই সঙ্গে বাংলাদেশ সম্পর্কে তাঁদের জানান।

ভুটান সফরের মধ্য দিয়ে ১৮৫তম দেশের মাইলফলক অর্জন তাঁর দীর্ঘ অভিযাত্রায় নতুন অধ্যায় যোগ করেছে। হিমালয়ের এই দেশেও বাংলাদেশের পতাকা হাতে পাহাড়, উপত্যকা ও ঐতিহাসিক স্থানে ঘুরেছেন তিনি। তাঁর ভাষায়, ভুটান ছিল তাঁর জীবনের অন্যতম রোমাঞ্চকর অ্যাডভেঞ্চারাস ভ্রমণ।

লক্ষ্মীপুরে বেড়ে ওঠা সেই মেয়েটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস থেকে যে স্বপ্নের যাত্রা শুরু করেছিলেন, দুই দশকেরও বেশি সময় পরে সেটিই তাঁকে নিয়ে গেছে পৃথিবীর ১৮৫টি দেশে। শিক্ষার্থীজীবনে ভারতের একটি আন্তর্জাতিক অ্যাডভেঞ্চার প্রোগ্রাম থেকে শুরু হওয়া সেই পথ এখন পরিণত হয়েছে বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের পতাকা বহনের এক অনন্য অভিযাত্রায়।

নাজমুন নাহারের গল্প তাই শুধু ১৮৫টি দেশ ভ্রমণের গল্প নয়। এটি একজন বাংলাদেশি নারীর সাহস, আত্মবিশ্বাস, অধ্যবসায় এবং সীমা অতিক্রম করে স্বপ্ন দেখার গল্প। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই শিক্ষার্থী দেখিয়েছেন—একটি স্বপ্নকে আঁকড়ে ধরে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিলে পৃথিবীর মানচিত্রও একসময় নিজের গল্পের অংশ হয়ে উঠতে পারে। আর সেই গল্পের প্রতিটি অধ্যায়ে যদি লাল-সবুজের পতাকা থাকে, তবে ব্যক্তিগত অর্জনটিও হয়ে ওঠে বাংলাদেশের গর্বের গল্প।

বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়ে একজন প্রকৌশলী কীভাবে বিশ্বের লাখো প্রকৌশলীর নেতৃত্বে পৌঁছাতে পারেন—প্রফেসর ড. সাই...
26/08/2026

বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়ে একজন প্রকৌশলী কীভাবে বিশ্বের লাখো প্রকৌশলীর নেতৃত্বে পৌঁছাতে পারেন—প্রফেসর ড. সাইফুর রহমানের জীবন যেন তারই এক অসাধারণ উদাহরণ। ইলেকট্রিক্যাল ও কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের এই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত গবেষক শুধু যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়েই নিজের জায়গা করে নেননি, নেতৃত্ব দিয়েছেন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ প্রযুক্তিবিষয়ক পেশাজীবী সংগঠন IEEE-এর।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক সম্পন্ন করার পর উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান তিনি। এরপর Stony Brook University থেকে মাস্টার্স এবং Virginia Tech থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেন। উচ্চশিক্ষা শেষে তাঁর কর্মজীবনের বড় অংশ কেটেছে Virginia Tech-এ। ১৯৭৯ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যুক্ত থাকা সাইফুর রহমান বর্তমানে সেখানকার Joseph R. Loring Professor of Electrical and Computer Engineering। একই সঙ্গে তিনি Virginia Tech-এর Advanced Research Institute-এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তবে তাঁর পরিচয়ের সবচেয়ে আলোচিত অধ্যায় IEEE। প্রায় ৪ লাখ ৬০ হাজার প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদ নিয়ে বিশ্বের ১৯০টিরও বেশি দেশে বিস্তৃত এই সংগঠনের ২০২৩ সালের প্রেসিডেন্ট ও CEO নির্বাচিত হন তিনি। IEEE-এর মতো বৈশ্বিক প্রযুক্তি সংগঠনের সর্বোচ্চ নেতৃত্বে পৌঁছানো তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় অর্জন।

তাঁর নেতৃত্বের পরিধিও ছিল বিস্তৃত। IEEE-এর প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের পাশাপাশি প্রকৌশলীদের সামাজিক দায়িত্ব, টেকসই উন্নয়ন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করেছেন। তাঁর উদ্যোগের অন্যতম স্মরণীয় দৃষ্টান্ত হলো ‘IEEE Jagadish Chandra Bose Medal in Wireless Communications’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ। বাংলাদেশের বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসুর নামে এই আন্তর্জাতিক পদক প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বৈশ্বিক প্রযুক্তি অঙ্গনে বাংলাদেশের এক ঐতিহাসিক বিজ্ঞানীর নামকে নতুনভাবে সামনে আনার সুযোগ তৈরি হয়।

গবেষণার জগতেও সাইফুর রহমানের অবদান বিস্তৃত। তাঁর প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সংখ্যা ১৫০-এর বেশি। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে অনুষ্ঠিত ৫০০-এরও বেশি আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও বৈজ্ঞানিক আয়োজনে তিনি অংশ নিয়েছেন। IEEE-এর বিভিন্ন কার্যক্রমের সঙ্গেও তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা রয়েছে। শুধু অংশগ্রহণ নয়, নিজেও আয়োজন করেছেন অসংখ্য আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি ও প্রকৌশলভিত্তিক অনুষ্ঠান।

তাঁর গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবস্থা, স্মার্ট গ্রিড, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি দক্ষতা এবং ভবিষ্যতের টেকসই বিদ্যুৎব্যবস্থা। এসব বিষয়ে তাঁর কাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগারেই সীমাবদ্ধ থাকেনি; যুক্তরাষ্ট্রের National Science Foundation, Department of Defense ও Department of Energy-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন গবেষণা প্রকল্পের সঙ্গেও তিনি কাজ করেছেন।

সাইফুর রহমানের গল্পের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো গবেষণা ও বাস্তব প্রয়োগের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরির চেষ্টা। বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা হবে, কিন্তু সেই গবেষণা যেন শিল্প, সরকার ও সমাজের কাজে আসে—এই ধারণাকে তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন। Virginia Tech-এর Advanced Research Institute প্রতিষ্ঠার পেছনেও ছিল গবেষণা, সরকারি সংস্থা এবং শিল্পখাতের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর এমন একটি লক্ষ্য।

একজন বাংলাদেশি প্রকৌশলীর এই বৈশ্বিক উত্থান তাই শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যের গল্প নয়; এটি বাংলাদেশের জন্যও একটি প্রশ্ন রেখে যায়। যে দেশের একজন প্রকৌশলী বিশ্বের প্রায় অর্ধমিলিয়ন প্রকৌশলীর নেতৃত্ব দিতে পারেন, সেই দেশ কেন তাঁর মতো বৈশ্বিক মানের গবেষক ও প্রকৌশলীদের জ্ঞানকে দেশের প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে পারছে না?

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে সামনে আসে গবেষণার সীমিত সুযোগ, পর্যাপ্ত অর্থায়নের অভাব, শিল্প ও বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্বল সংযোগ এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রযুক্তিনীতি না থাকার মতো বিষয়। অথচ বিশ্বে এমন বহু উদাহরণ আছে, যেখানে দেশের বাইরে থাকা বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীদের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও নেটওয়ার্ককে কাজে লাগিয়ে নিজ দেশে প্রযুক্তি শিল্প গড়ে উঠেছে।

তাইওয়ানের দিকে তাকালে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়। Morris Chang যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ ক্যারিয়ার গড়ার পর তাইওয়ানে ফিরে Taiwan Semiconductor Manufacturing Company—TSMC প্রতিষ্ঠা করেন। আজ সেই প্রতিষ্ঠান বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শক্তি। প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশের বিশ্বমানের প্রকৌশলী ও গবেষকদের ক্ষেত্রে এমন কোনো দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় উদ্যোগ কি আমরা নিতে পারি না?

প্রফেসর ড. সাইফুর রহমানের জীবন অন্তত একটি বিষয় স্পষ্ট করে—মেধার কোনো ভৌগোলিক সীমান্ত নেই। বুয়েট থেকে শুরু করে Stony Brook, Virginia Tech, এরপর IEEE-এর বৈশ্বিক নেতৃত্ব—একজন বাংলাদেশি প্রকৌশলী নিজের যোগ্যতা, গবেষণা ও নেতৃত্বের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে কতদূর যেতে পারেন, তাঁর ক্যারিয়ার তার উজ্জ্বল উদাহরণ।

কিন্তু তাঁর গল্পের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হয়তো সাফল্যের শেষ প্রান্তে নয়, বরং শুরুর জায়গায়। বাংলাদেশ এমন মানুষ তৈরি করতে পারে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় এমন শিক্ষার্থী তৈরি করতে পারে। আমাদের তরুণদের মধ্যেও বৈশ্বিক নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা আছে। এখন প্রয়োজন সেই মেধাকে দেশে ধরে রাখা, বিদেশে থাকা মেধাকে দেশের সঙ্গে যুক্ত করা এবং গবেষণাকে বাস্তব প্রযুক্তি ও শিল্পে রূপ দেওয়ার মতো একটি কার্যকর পরিবেশ তৈরি করা।

কারণ সাইফুর রহমানের মতো মানুষ কেবল বাংলাদেশের গর্ব নন—তাঁরা একই সঙ্গে একটি সম্ভাবনারও প্রমাণ। প্রশ্ন শুধু, সেই সম্ভাবনাকে আমরা কতটা কাজে লাগাতে পারি।

ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা যাচাইয়ের অন্যতম স্বীকৃত পরীক্ষা IELTS। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়, প্রতিষ্ঠান ও অভিবাসন কর্...
26/08/2026

ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা যাচাইয়ের অন্যতম স্বীকৃত পরীক্ষা IELTS। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়, প্রতিষ্ঠান ও অভিবাসন কর্তৃপক্ষ এই পরীক্ষার স্কোরকে গুরুত্ব দেয়। আর সেই পরীক্ষাতেই Overall Band Score 9.0 অর্জন করা মানে ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছানো। বাংলাদেশের তরুণদের মধ্যে এমন স্কোর অর্জন নিঃসন্দেহে বিরল। সেই অসাধারণ অর্জন করেছেন রাইসা শাম্মা।

IELTS-এর স্কোর ০ থেকে ৯-এর মধ্যে নির্ধারিত হয়। যেখানে ৯ হলো সর্বোচ্চ Band Score এবং এর অর্থ হলো পরীক্ষার্থী ইংরেজি ব্যবহারে ‘Expert User’ পর্যায়ের দক্ষতা প্রদর্শন করেছেন। Listening, Reading, Writing ও Speaking—চারটি অংশের সমন্বিত ফলাফলের ভিত্তিতে Overall Band Score নির্ধারণ করা হয়। রাইসা শাম্মার Overall 9.0 অর্জন তাই শুধু একটি পরীক্ষার ফল নয়; এটি ইংরেজি বোঝা, লেখা, পড়া ও বলার অসাধারণ সক্ষমতার স্বীকৃতি।

রাইসার একাডেমিক যাত্রাও তাঁর এই অর্জনকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের Institute of Statistical Research and Training (ISRT) থেকে Applied Statistics বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। একাডেমিক জীবনে ভালো ফলাফলের পাশাপাশি গবেষণার সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করেছেন এবং পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান International Food Policy Research Institute (IFPRI)-এর বাংলাদেশ কার্যালয়ে Research Analyst হিসেবে কাজ করেছেন।

তাঁর কাজের ক্ষেত্রও বেশ বিস্তৃত। কৃষি, খাদ্যনিরাপত্তা, পুষ্টি, দারিদ্র্য, স্বাস্থ্য ও উন্নয়ননীতির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গবেষণার সঙ্গে যুক্ত তিনি। বাংলাদেশের কৃষি যান্ত্রিকীকরণ, খাদ্য ও পুষ্টিনিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণায় তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে। অর্থাৎ IELTS-এর মতো আন্তর্জাতিক মানের ইংরেজি দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি গবেষণাক্ষেত্রেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি।

তবে IELTS-এ ৯ পাওয়া সহজ কোনো বিষয় নয়। পরীক্ষাটির চারটি অংশেই পরীক্ষার্থীকে অত্যন্ত উচ্চমানের ভাষাগত দক্ষতা দেখাতে হয়। Listening-এ দ্রুতগতির কথোপকথন বা বক্তব্য বুঝে সঠিক উত্তর দেওয়া, Reading-এ জটিল ও দীর্ঘ লেখা বিশ্লেষণ করা, Writing-এ সুসংগঠিত ও নির্ভুলভাবে নিজের বক্তব্য উপস্থাপন করা এবং Speaking-এ সাবলীলভাবে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলার সক্ষমতা—সব মিলিয়েই তৈরি হয় IELTS-এর চূড়ান্ত ফল।

বিশেষ করে Writing ও Speaking-এ সর্বোচ্চ ব্যান্ড পাওয়া অনেক পরীক্ষার্থীর জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ এখানে শুধু ইংরেজি জানা যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন শব্দচয়ন, ব্যাকরণ, coherence, pronunciation, fluency এবং যুক্তি উপস্থাপনের দক্ষতার সমন্বয়। তাই Overall 9.0 অর্জন একজন পরীক্ষার্থীর দীর্ঘদিনের ভাষা অনুশীলন, একাডেমিক প্রস্তুতি এবং যোগাযোগ দক্ষতার প্রতিফলন।

রাইসা শাম্মার গল্পের বিশেষ দিক হলো—IELTS তাঁর সাফল্যের একমাত্র পরিচয় নয়। বরং আন্তর্জাতিক গবেষণা অঙ্গনে কাজ করার পাশাপাশি তিনি ইংরেজি ভাষায় এমন একটি দক্ষতার মানদণ্ড স্থাপন করেছেন, যা উচ্চশিক্ষা ও আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করতে পারে।

বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য IELTS দিতে যাওয়া বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের কাছে ৬.৫, ৭ বা ৭.৫ ব্যান্ড অনেক সময় বড় লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়। সেখানে রাইসা শাম্মার ৯.০ দেখিয়ে দেয়, সঠিক প্রস্তুতি, ধারাবাহিক অনুশীলন ও ভাষার ওপর গভীর নিয়ন্ত্রণ থাকলে সর্বোচ্চ স্তরও অর্জন করা সম্ভব।

একদিকে পরিসংখ্যান ও গবেষণার জগতে তাঁর একাডেমিক ও পেশাগত পথচলা, অন্যদিকে IELTS-এ নিখুঁত ৯—দুটি অর্জন মিলিয়ে রাইসা শাম্মার গল্পটি শুধু একটি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ স্কোর পাওয়ার গল্প নয়। এটি আন্তর্জাতিক একাডেমিক ও পেশাগত পরিসরে নিজেকে প্রস্তুত করে তোলার গল্পও। তাঁর IELTS Band 9.0 তাই বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকতে পারে।

Address

Rajshahi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dream University - স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয় posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category