A Doctor’s Notes

A Doctor’s Notes

Share

দেখা হবে বিজয়ে..! "মেধাবী নয়, তোমাকে হতে হবে জঘন্য রকমের পরিশ্রমী"!

20/05/2026

ছবিটিতে যে অবস্থাটি দেখা যাচ্ছে তা হলো **মেরুদণ্ডের ডিস্ক সরে গিয়ে (Disc Herniation / Slip Disc)** পাশের স্নায়ুর উপর চাপ দিচ্ছে। একে সাধারণভাবে **স্লিপ ডিস্ক** বা **লম্বার ডিস্ক প্রোলাপ্স** বলা হয়।

এটি এমন একটি অবস্থা যেখানে দুই কশেরুকার মাঝখানের নরম ডিস্ক বেরিয়ে এসে নার্ভে চাপ সৃষ্টি করে, ফলে ব্যথা, অবশভাব, ঝিনঝিন বা পায়ে ছড়িয়ে যাওয়া ব্যথা (Sciatica) হতে পারে।

---

**কিনোট লক্ষণ:**

1. বিশ্রামে ব্যথা বাড়ে, নড়াচড়ায় কমে
2. সকালে stiffness বেশি
3. ঠান্ডা ও ভেজা আবহাওয়ায় সমস্যা বাড়ে
4. গরমে আরাম লাগে (Arnica)
5. টান ধরার মতো ব্যথা
6. প্রথম নড়াচড়ায় কষ্ট, পরে স্বস্তি
7. রাতে ব্যথা বাড়ে
8. অতিরিক্ত পরিশ্রমের পর সমস্যা
9. কোমর শক্ত লাগে
10. বৃষ্টি হলে ব্যথা বেড়ে যায়

---

# # ২. **Bryonia alba**

**কিনোট লক্ষণ:**

1. সামান্য নড়াচড়ায়ও ব্যথা বাড়ে (Rhus tox এর বিপরীত)
2. একদম স্থির থাকলে আরাম
3. তীব্র, ছুরির মতো ব্যথা
4. শুকনো মুখ ও তৃষ্ণা বেশি
5. চাপ দিলে আরাম লাগে
6. শুয়ে থাকলে ভালো লাগে
7. বিরক্তি ও একা থাকতে চায়
8. ঠান্ডা হাওয়ায় সমস্যা
9. হঠাৎ শুরু হওয়া ব্যথা
10. কোষ্ঠকাঠিন্য থাকে

---

# # ৩. **Arnica montana**

**কিনোট লক্ষণ:**

1. আঘাত বা চোটের পর ব্যথা
2. শরীর ভেঙে যাওয়ার অনুভূতি
3. স্পর্শ সহ্য করতে পারে না
4. বলে “আমি ঠিক আছি” (অস্বীকার প্রবণতা)
5. বিছানা শক্ত লাগে
6. নীলচে কালশিটে ভাব
7. পেশীতে ব্যথা
8. বিশ্রামে ব্যথা কমে
9. অতিরিক্ত পরিশ্রমের পর সমস্যা
10. আঘাতের ইতিহাস থাকে

---

# # ৪. **Hypericum perforatum**

**কিনোট লক্ষণ:**

1. নার্ভ ইনজুরির ব্যথা
2. শিরশির বা ইলেকট্রিক শকের মতো অনুভূতি
3. ব্যথা নিচে ছড়ায় (Sciatica)
4. আঘাতের পর নার্ভ পেইন
5. স্পর্শে ব্যথা বেড়ে যায়
6. ঝিনঝিন অনুভূতি
7. মেরুদণ্ডে সংবেদনশীলতা
8. কেটে যাওয়া বা চাপের পর সমস্যা
9. তীব্র স্নায়বিক ব্যথা
10. ঠান্ডায় ব্যথা বাড়ে

---

# # ৫. **Calcarea fluorica**

**কিনোট লক্ষণ:**

1. ডিস্ক ডেজেনারেশন বা দীর্ঘদিনের সমস্যা
2. শক্ত বা গিঁটের মতো অবস্থা
3. লিগামেন্ট দুর্বলতা
4. পুরনো ইনজুরি
5. ধীরে ধীরে ব্যথা বৃদ্ধি
6. শক্ত জায়গায় ব্যথা
7. ঠান্ডায় সমস্যা
8. অস্থি ও জয়েন্ট সমস্যা
9. দীর্ঘস্থায়ী কোমর ব্যথা
10. মোটা বা দুর্বল টিস্যু

🛡️ কিভাবে নিরাপদ থাকবেন

✔️ দীর্ঘ সময় একভাবে বসে থাকবেন না
✔️ সঠিক ভঙ্গিতে বসা ও দাঁড়ানো অভ্যাস করুন
✔️ ভারী জিনিস তোলার সময় হাঁটু ভাঁজ করুন
✔️ নিয়মিত হালকা ব্যায়াম ও স্ট্রেচিং করুন
✔️ ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন
✔️ শক্ত বা সমান বিছানায় ঘুমান
✔️ হঠাৎ ঝুঁকে কাজ করা এড়িয়ে চলুন
✔️ প্রয়োজনে ফিজিওথেরাপি নিন

---

# # ⚠️ গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা

✔️ অভিজ্ঞ চিকিৎসকের মাধ্যমে Chiropractic osteopathic চিকিৎসা
✔️ ফ্রিতে পরামর্শ

💊 যৌন দূর্বলতা
💊 ডায়াবেটিস
💊 হৃদরোগ
💊 কিডনি
💊 রক্ত ও ত্বকের রোগসহ বিভিন্ন জটিল সমস্যার চিকিৎসা শুধুমাত্র অভিজ্ঞ চিকিৎসক দিয়েই করে থাকবেন।

19/05/2026

প্রতিদিন ১ কাপ টক দই বাচ্চার হজমশক্তি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।আমলকী,কমলা,লেবু,জাম্বুরাতে প্রচুর ভিটামিন C থাকে,যা শরীরকে সুস্থ রাখে।গাজর, ব্রকলি, বিটরুট,পালং শাক ও টমেটোতে প্রচুর ভিটামিন এ থাকে ও ডিমে থাকা প্রোটিন বাচ্চার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।।কাঠবাদাম ও আখরোটের ভিটামিন E এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে যা বাচ্চাকে সুস্থ রাখে।

Photos from A Doctor’s Notes's post 19/05/2026

জরুরি সতর্কতা: ভ্যাক্সিন নিয়েছিলেন, তবুও মারা গেলেন কেন?

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে মাত্র এক সপ্তাহে ৫ জনের মৃত্যু। একটি পাগলা কুকুরের কামড়ে জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত হয়ে গত এক সপ্তাহে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে, অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন শিশু ও নারীসহ আরও ৯ জন।

অনেকেই জিজ্ঞেস করছেন — ভ্যাক্সিন নিয়েও কেন মরলেন?

উত্তরটা লুকিয়ে আছে একটাই জায়গায়: সাবান-পানি দিয়ে ধোয়া হয়নি।

❓ মুখে কামড় কেন বেশি বিপজ্জনক?

কুকুরের কামড় বা আঁচড় যদি ঘাড় বা মাথায় হয় তাহলে ইনকিউবেশন পিরিয়ড কমে আসে। সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমের যত কাছাকাছি কামড় বা আঁচড়, তত দ্রুত রোগ ছড়ায়।

অর্থাৎ, পায়ে কামড় দিলে হয়তো ৩ মাস সময় থাকে — কিন্তু মুখ বা মাথায় কামড় দিলে ভাইরাস দিন কয়েকের মধ্যেই মস্তিষ্কে পৌঁছে যেতে পারে। ভ্যাক্সিন সেই দ্রুততার সাথে কাজ করার সুযোগ পায় না।

🧼 সাবান-পানি কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

এটা শুধু "পরিষ্কার করা" নয়। এটা ভাইরাস সরানো।

সঠিকভাবে ধোয়ার মাধ্যমে শরীরে প্রবেশের আগেই ভাইরাসের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ দূর করা সম্ভব।

কামড় দিলে বা আঁচড় কাটলে যদি কোনো ধরনের ক্ষত তৈরি হয়, তাহলে ক্ষতস্থান তাৎক্ষণিকভাবে ১৫ থেকে ২০ মিনিট সময় নিয়ে কাপড় ধোয়ার ক্ষারযুক্ত সাবান দিয়ে ফেনা উঠিয়ে ধুতে হবে।

ভাবুন — ভ্যাক্সিন হলো শেষ প্রতিরক্ষা। আর সাবান-পানি হলো প্রথম প্রতিরক্ষা। প্রথম প্রতিরক্ষা না থাকলে শেষ প্রতিরক্ষা একা কাজ করতে পারে না।

*** বিশেষ সতর্কতা: ক্যাটাগরি ৩ মানে RIG ইনজেকশনও লাগবে

মাথায়, বুকে বা ঘাড়ে কুকুরের কামড় বা আঁচড়ে রক্তপাত হোক বা না হোক, সেটিকে ক্যাটাগরি ৩ ধরা হয়। বিশেষ করে ক্যাটাগরি ৩ কামড়ের জন্য অ্যান্টি র‌্যাবিস ইমিউনোগ্লোবিউলিন (RIG) ইনজেকশনও নিতে হবে।

শুধু সাধারণ ভ্যাক্সিন নয়, RIG ইনজেকশন না নিলে সুরক্ষা অসম্পূর্ণ থাকে — এই তথ্যটি অনেকেরই জানা নেই।

✅ কুকুর কামড় দিলে সঠিক ক্রম:

১. সাথে সাথে সাবান-পানি দিয়ে ১৫-২০ মিনিট ধুন

২.যত দ্রুত সম্ভব ভ্যাক্সিন নিন

৩. মুখ/মাথা/ঘাড়ে কামড় হলে অবশ্যই RIG ইনজেকশনও নিন

৪. হলুদ, চুন, মরিচ গুঁড়া কখনো লাগাবেন না⁉️

চূড়ান্ত কথা:

জলাতঙ্ক শতভাগ প্রতিরোধযোগ্য, আবার শতভাগ প্রাণঘাতী।বিড়ালের সামান্য আঁচড় কিংবা কুকুরের কামড়কে তুচ্ছ মনে করার যে সংস্কৃতি সমাজে প্রচলিত, তা অনেক ক্ষেত্রেই জীবননাশের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

18/05/2026

প্রাণঘাতী ইবোলা ভাইরাসের সংক্রমণ আ/শঙ্কাজনক রূপ নেওয়ায়...
#ইবোলা #বিশ্ব #স্বাস্থ্য #সংস্থা

18/05/2026

আপনার কি মাঝে মাঝে বুকের ভিতর চাপ চাপ লাগে?
হাঁটলে আগের মতো শক্তি পান না?
সিঁড়ি উঠলে হাঁপিয়ে যান?
রাতে হঠাৎ বুক ধড়ফড় করে?
তারপর নিজেকেই বুঝ দেন,
“… গ্যাস…”
“বয়স বাড়তেছে…”
“এত টেনশন করলে এমন হবেই…”

৫৮ বছরের একজন মানুষ
একদম সাধারণ জীবন।
সকাল হলে কাজে যেতেন, মানুষের সাথে হাসতেন, বাজার করতেন, পরিবার নিয়ে চিন্তা করতেন।
বড় কোনো অসুখ ছিল না।
কমপক্ষে উনি তাই ভাবতেন।
তারপর একদিন সকালে বুকের ভিতর ভারী লাগা শুরু হলো।
তীব্র ব্যথা না।
শুধু মনে হচ্ছিল বুকের উপর কেউ পাথর চাপা দিয়ে রেখেছে।
তিনি ভাবলেন একটু পর ঠিক হয়ে যাবে।
হার্টের রক্তনালী আস্তে আস্তে সরু হয়ে যাচ্ছিল বছরের পর বছর ধরে।
আমরা যেভাবে ঘরের পাইপের ভিতরে ময়লা জমে পানি চলার রাস্তা ছোট হয়ে যায়,
ঠিক সেভাবেই রক্ত চলার পথ ছোট হয়ে যায়।

অল্প কাজেই ক্লান্ত লাগা
বুকের মাঝখানে চাপ লাগা
হাঁটলে দম ফুরিয়ে যাওয়া
আগের মতো শক্তি না পাওয়া
হঠাৎ ঘাম হওয়া
বাম হাত বা চোয়ালে অস্বস্তি
এগুলাকে অবহেলা করবেন না

আমরা বিশ্বাস করতে চাই, “আমার কিছু হবে না।”
কিন্তু হার্ট অ্যাটাক সময় দেয়না...

প্লিজ অবহেলা করবেন না।

কি করলে হার্ট ভালো থাকবে?
বরং প্রতিদিনের ছোট ছোট কিছু অভ্যাসই হার্টকে ধীরে ধীরে বাঁচায়… আবার ধ্বংসও করে।

হার্ট সুস্থ রাখতে যা করবেন:
•১/ প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন
জিম করতে হবে না।
নিয়মিত হাঁটাটাই অনেক বড় ওষুধ।
২/ ধূমপান বাদ দিন
একটা সিগারেটও হার্টের রক্তনালীর ক্ষতি করে।
“মাঝে মাঝে খাই” বলেও অনেক মানুষ ICU তে যায়।
৩/ তেল-চর্বি কমান
প্রতিদিন গরু-খাসি, ফাস্টফুড, ভাজাপোড়া…
এগুলো ধীরে ধীরে রক্তনালী বন্ধ করে।

৪/ ঘুম ঠিক করুন
রাত জেগে থাকা, অল্প ঘুম, অতিরিক্ত স্ট্রেস…
এসব হার্টের উপর ভয়ংকর চাপ ফেলে।

৫/ সুগার, প্রেসার, কোলেস্টেরল চেক করুন
অনেক মানুষের এগুলো থাকে কিন্তু টেরই পায় না।
আর ভিতরে ভিতরে হার্ট নষ্ট হতে থাকে।

৬/ ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন
পেটের মেদ শুধু সৌন্দর্যের সমস্যা না।
এটা হার্টেরও শত্রু।

৭/ রাগ, টেনশন, অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা কমান
সব চিন্তা একা মাথায় রাখবেন না।

যদি মাঝে মাঝে বুক চাপ লাগে, হাঁটলে হাঁপান, বাম হাতে অস্বস্তি হয়, অকারণে ঘাম হয়…
একটা ECG, Echo বা ডাক্তার দেখানো আপনার জীবন বাঁচিয়ে দিতে পারে।
হার্ট ভালো রাখার জন্য শুধু ওষুধ না,
জীবনযাপনও বদলাতে হয়।

এমবিবিএস, ৪র্থ বর্ষ।
মোঃ লায়ন কবির

18/05/2026

ছোট বাচ্চাদের শুস্ক কাশি?করণীয়?
Butamirate Citrate Pediatric Drop
(Brand Name-Bukof/Mirakof Pediatric Drop etc)
প্রতি কেজিতে ২ ফোটা। অর্থাৎ বাচ্চার ওজন যদি ৬ কেজি হয় তবে ১২ ফোটা করে ২/৩ বেলা-০৫/০৭ দিন।
বাচ্চাদের যেকোনো সমস্যায় আপনার নিকটস্থ শিশু ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

18/05/2026

সকালের হালকা রোদ, ভিটামিন D তৈরিতে সাহায্য করে, যা হাড় ও দাঁতের বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

18/05/2026

আজকের (১৭ মে, ২০২৬) এই খবরটি প্রতিটি মা-বাবার বুক কাঁপিয়ে দেওয়ার মতো!

হাম এবং নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের শরীরে এখন জীবনরক্ষাকারী অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করছে না বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

সামান্য অসচেতনতা আর অবহেলা কীভাবে মহামারি ডেকে আনছে তা এই খবরটি দেখলেই স্পষ্ট বোঝা যায়।

এই নীরব মহামারির পেছনে যেমন রয়েছে অভিভাবকদের অসচেতনতা তেমনই রয়েছে চিকিৎসা ব্যবস্থার ত্রুটি।

অনেক সময় আমরা সন্তানের দ্রুত সুস্থতার টেনশনে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে খাওয়াই। আবার শিশু একটু ভালো বোধ করলেই ওষুধের কোর্স শেষ না করে মাঝপথে বন্ধ করে দিই। না বুঝে করা আমাদের এই ছোট ছোট ভুলগুলোই জীবাণুকে ওষুধের বিরুদ্ধে আরও শক্তিশালী করে তোলে, চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় যাকে 'অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স' বলা হয়।

পাশাপাশি আমাদের চারপাশের ফার্মেসিগুলোতে প্রেসক্রিপশন ছাড়া সহজে ওষুধ পাওয়ার সুযোগ এবং রোগ পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়ার আগেই উচ্চশক্তির অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের প্রবণতাও এই পরিস্থিতিকে জটিল করছে।

এটি একটি সম্মিলিত সামাজিক সংকট, যা থেকে আমাদের সন্তানদের রক্ষা করতে সবাইকে একসঙ্গে সচেতন হতে হবে।

সন্তানের সুরক্ষায় আমাদের ছোট্ট একটি সঠিক সিদ্ধান্তই যথেষ্ট। যেকোনো অসুস্থতায় রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, সঠিক নিয়মে ওষুধ খাওয়ান এবং অবশ্যই ওষুধের পুরো কোর্সটি শেষ করুন।

আপনার একটু সচেতনতাই পারে একটি শিশুর ভবিষ্যৎ নিরাপদ করতে।

Photos from A Doctor’s Notes's post 14/05/2026

বাঁচা গেল।

PCOS বা পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোম একটি মেটাবোলিক ডিজঅর্ডার, যেখানে পুরুষ হরমোনের (এন্ড্রোজেন) আধিক্য থাকার ফলে ওভুলেশন হয়না। এদের ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স থাকার ফলে শরীরে ইন্সুলিন লেভেল বেড়ে যায় সেটা আবার এন্ড্রোজেন লেভেল বাড়ায়। ডিম্বানুগুলো বড় হতে পারে না এবং অসংখ্য বড় হবার প্রতীক্ষায় থাকা এবং বড় না হয়ে এট্রেটিক হয়ে যাওয়া ফলিকলগুলো ছোট ছোট সিস্টের মত হয়ে থাকে। এজন্যই বলা হোত পলসিস্টিক ওভারী।

সনোলজিস্ট যখনই পলিসিস্টিক ওভারী লিখে দিত, পেশেন্টের সমস্ত দুশ্চিন্তা যেয়ে পরত ঐ সিস্টের উপরে। এরা যে আসলে কোন সিস্ট নয় এটা বুঝাতে জান কয়লা হয়ে যেত।

যেহেতু PCOS নামকরন মেটাবলিক ডিজঅর্ডারকে হাইলাইট করেনা তাই নতুন নামকরন হোল
PMOS ( PolyEndocrine Metabolic Ovarian Syndrome ).

আর কেউ আলট্রাসনোগ্রাম করে PCOS লিখবেনা। ওভারীতে সিস্ট এর সমস্যার হাত থেকে পেশেন্টরা মুক্তি পেল।

Photos from A Doctor’s Notes's post 08/05/2026

এটি একজন কিডনি রোগীর প্রস্রাব তাপ দেওয়ার পরের ছবি। বাচ্চাটির নেফ্রোটিক সিনড্রোম রোগ টি হয়েছে। তীর চিহ্ন দেওয়া অংশটি প্রোটিন, যা তাপ দেওয়ার কারনে জমে সাদা হয়ে গেছে।
অনেকেই প্রশ্ন করেন নেফ্রোটিক সিনড্রোম কেনো হয়?
এই অসুখে কিডনির ছাঁকনির ছিদ্র বড় হয়ে যাওয়ায় শরীর থেকে প্রোটিন বের হয়ে যায়, তখন প্রস্রাবে প্রোটিন পাওয়া যায়।
আমরা নেফ্রোটিক বাচচার মায়েদের বাসায় সবসময় প্রস্রাব পরীক্ষা করতে বলি। যদি এইরকম পর পর তিন দিন প্রস্রাব জমে যায় তাহলে শিশু কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ দেখাতে হবে।

Photos from A Doctor’s Notes's post 07/05/2026

এটা একটি বাচচার সিটি ইউরোগ্রাম(CT Urogram) রিপোর্ট। বাচচার বয়স ১ বছর ৩ মাস। এরো দেওয়া জিনিসটা ডান কিডনি( ঘুরিয়ে দেখানোতে এক একবার একেক দিকে দেখা গেছে)।
এই বাবু মায়ের পেটে থাকা অবস্থা থেকেই কিডনিতে পানি ছিলো। কিন্তু অতি বুঝদার (!) বাবা মা একবছর পর্যন্ত কোনও ডাক্তারই দেখায় নি, সবসময় জ্বর লেগে থাকতো আর তারা ফার্মেসী থেকে ওষুধ নিয়ে খাওয়াতো। একবছর পর যখন পেট ফুলতে শুরু করলো তখন তারা ডাক্তার দেখালো। এরপর অপারেশন করলো,কিন্তু তাতে কোন লাভ হলো না। কিডনির অবস্থা এখন এতোটাই খারাপ যে সেটা কোনও কাজ করছে না।
বাচচার এই অবস্থার জন্য দায়ী তার বাবা মায়ের অসচেতনতা। এই বাবু যদি জন্মের পর পর ফলোআপে আসতো, ২-৩ মাসের মধ্যে অপারেশন করে ফেলতো তাহলে তার কিডনির কর্মক্ষমতা পুরোপুরি ভালো থাকতো। এখন এই কিডনি কেটে বাদ দেওয়া ছাড়া আর উপায় নেই।
এইজন্য সবসময় বলি, বাচচার কিডনির কোন সমস্যা থাকলে নিয়ে বসে থাকবেন না, শিশু কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ দেখাবেন।

Want your school to be the top-listed School/college in Rajshahi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Rajshahi