এক সময় ভালো STUDENT ছিলাম

এক সময় ভালো STUDENT ছিলাম যা কিছু মজার, ব্যাতিক্রম সব কিছু একসাথে এখানে পাবেন

সেই স্বর্ণ যুগ আর নেই। এক সময় স্কুলে, পরিবারে, এলাকায় ভালো student হিসাবে ভালোই খ্যাতি থাকলেও কালের গহ্বরে আজ সবই সৃতি। ক্রমান্বয়ে স্কুলের বড় ক্লাস, কলেজ থেকে ভার্সিটি আসতে আসতে ভিতরতা অন্তঃসার শুন্য হয়ে গেছে। সেই সব সময় কাঁপানো studentরা আমরা এখানে। দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলতেই হচ্ছে,এক সময় ভালো student ছিলাম। আসুন একসাথে মনের দুঃখ শেয়ার করি।

24/11/2024

শেখ হাসিনা ফোনকলে বলেছেন আবু সাইদ যে গুলি খেয়েছে তার প্রমাণ কী? রক্ত কোথায়? উনি রক্ত দেখলে কী বলতেন তা আমরা ৫ মে, ২০১৩ সালেই দেখেছি। স্মৃতি ঝালাইয়ের জন্য ভিডিও দেখুন।

22/11/2024

আওয়ামি লিগের অনলাইন লাঠিয়ালবাহিনী বিশাল একটি গুপ্ত তথ্য আবিষ্কার করে ফেলেছে— জুলাই অভ্যুত্থানে 'মির মুগ্ধ' নামে কেউ নিহত হয়নি, জানাজা হয়নি, কবরও হয়নি; 'মির স্নিগ্ধ' নামে যাকে এখন জীবিত দেখা যাচ্ছে, আসলে সে-ই মুগ্ধ, একই ব্যক্তি মুগ্ধ ও স্নিগ্ধের ভূমিকায় অভিনয় করছে। বট অ্যাকাউন্টগুলোর পাশাপাশি 'আলো আসবেই' গংয়েরও কেউ-কেউ এই কুৎসিত প্রোপাগান্ডায় অংশ নিয়েছিল। বলাই বাহুল্য— মুগ্ধ-স্নিগ্ধ ভিন্ন ব্যক্তি, যমজ ভাই এবং পরিবারটি পাদপ্রদীপের বাইরে থাকতে চাওয়া রুচিশীল মন-মানসিকতার। গুজবটি কয়েক ঘণ্টার বেশি স্থায়ী হয়নি অবশ্য। আওয়ামি লিগের অনলাইনবাহিনী যত শুভবুদ্ধিসম্পন্ন হতো, তা হলে তারা যে-কাজটি করত; তা হলো— দলকে প্রকাশ্যে কাঠগড়ায় তুলত, দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে তুলোধুনো করত, প্রশ্ন উত্থাপন করত কার-কার অযোগ্যতা-অথর্বতা-অবিমৃশ্যতার কারণে কোটা-আন্দোলনের মতো একটি আপাতনিরীহ ইশু এত ভয়ংকর রক্তপাতের দিকে গেল, কেন মুগ্ধদের খুন হওয়ার মতো প্রেক্ষাপট তৈরি হলো, কেন দল ও দেশকে অরক্ষিত-অনবহিত রেখে দলের সভাপতি শুধু নিজের বোনকে নিয়ে হেলিকপ্টারে চেপে পালিয়ে গেলেন, কেন দলের সাধারণ সম্পাদক এখনও গর্ত থেকে মুখ বের করছেন না, শেখ হাসিনা কেন ওবায়দুল কাদেরের মতো একজন নিকৃষ্ট নরাধমকে টানা তিনবার সাধারণ সম্পাদক বানিয়েছিলেন, সারাদেশের মানুষের কাছে আওয়ামি লিগ কেন ও কীভাবে এতটা অজনপ্রিয় হয়ে উঠল, কেন শেখ হাসিনা টানা তিনটা ভুয়া নির্বাচন আয়োজন করেছিলেন, শেখ বংশের দোর্দণ্ড প্রতাপশালী ভূস্বামীরা এখন কই, হাসিনা কেন দলের নেতাকর্মীদেরকে অব্যবহৃত ও নিষ্ক্রিয় রেখে পুলিশ আর আমলা দিয়ে সরকার চালাচ্ছিলেন, কেন একজনের পলায়নের সাথে-সাথে আওয়ামি লিগের এত বড় একটা দলকে ঝাড়ে-বংশে পালাতে হলো। লাঠিয়ালবাহিনী সেই আলোচনায় নেই, আছে একজন শহিদকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সহজ ও সস্তা মিশনে।

জুলাইয়ে টেলিভিশন টকশোয় এসে একজন উপস্থাপকের সাথে জঘন্য দুর্ব্যবহার করে এবং 'রাজাকারের বাচ্চা' বলে গালাগাল করে আওয়ামি লিগের পতনকে আরো ত্বরান্বিত করেছিলেন সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক। মানিকের বদমায়েশির প্রেক্ষিতে হতবিহ্বল উপস্থাপক চিৎকার করে বারংবার বলছিলেন— 'আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান।' চার মাস পর এসে আওয়ামি লিগের অনলাইন মাস্তানরা এখন সেই উপস্থাপককে বিতর্কিত করার মিশনে নেমেছে, প্রমাণ করতে চাইছে উপস্থাপকের পরিবারের কেউ মুক্তিযোদ্ধা না, উপস্থাপকের বাবা লম্পট। পেশাগত দায়িত্বের অংশ হিশেবে উপস্থাপকটি জামায়াতের আমিরের সাক্ষাৎকার নেওয়ার পর থেকে আওয়ামি মাস্তানরা আরো বেশি মাস্তানি করতে শুরু করেছে। অথচ আওয়ামি লিগের সমর্থকদের উচিত ছিল আওয়ামি লিগের সভাপতিকে প্রশ্ন ছুড়ে দেওয়া— মানিকের মতো একজন মানসিক ভারসাম্যহীন সর্বজনস্বীকৃত বদ্ধউন্মাদকে কেন বিচারপতি বানানো হলো, সাঈদীর যুদ্ধাপরাধমামলার মতো স্পর্শকাতর মামলায় বিচারক হিশেবে কেন মানিককেই রাখা হলো, মানসিক রোগী জানার পরও মানিককে কেন আওয়ামি লিগের তরফ থেকে ধারাবাহিকভাবে টেলিভিশন টকশোয় পাঠানো হলো, টানা দেড় দশক ক্ষমতায় থেকেও আওয়ামি লিগ কেন এমন কিছু বুদ্ধিজীবী উৎপাদন করতে পারল না যারা টেলিভিশন টকশোয় আওয়ামি লিগের পক্ষে কথা বলতে পারেন, নির্বাচনের প্রাক্কালে আওয়ামি লিগের পক্ষে কলাম লিখতে কেন লোক ভাড়া করতে হয়; নিজামীর মতো যুদ্ধাপরাধীকে পাশে বসিয়ে শেখ হাসিনা নব্বইয়ের দশকে কেন সাংবাদিকসম্মেলন করেছিলেন, জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে কেন আন্দোলন করেছিলেন, শেখ হাসিনা কেন রাজাকারপরিবারে নিজের মেয়ে বিয়ে দিয়েছিলেন, স্বঘোষিত রাজাকারের ছেলেকে কেন নিজের প্রেস সচিব বানিয়েছিলেন। এই বুদ্ধিবৃত্তিক আলাপে আওয়ামি লিগ নেই। কেননা, এই আলাপ তুললেই নগ্ন আওয়ামি লিগ আরো বেশি নগ্ন হয়ে যায়। এর চেয়ে সোজা একজন উপস্থাপকের পরিবার নিয়ে রসালো গুজব ছড়ানো। উপস্থাপক কেন জামায়াতের আমিরের সাক্ষাৎকার নেয়, এই প্রশ্ন তোলার ক্ষমতা আওয়ামি লিগের লাঠিয়ালবাহিনীর আছে; নেই শেখ হাসিনা কেন জামায়াতের আরেক আমির নিজামীকে পাশে বসিয়ে সাংবাদিকসম্মেলন করলেন— সেই প্রশ্ন তোলার মুরোদ।

নিজেদের পক্ষে বলার মতো কিছুই নেই আওয়ামি লিগের, যা সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করবে। মুক্তিযুদ্ধ আর বঙ্গবন্ধুকে বেচে খেতে-খেতে ঐ দুই পুঁজিও শেষ। বাকি নেই কিছুই আর। সামান্যতম অপরাধবোধ বা ন্যূনতম লজ্জা তো আওয়ামি লিগের এমনিতেই নেই। এখন আছে জুলাইয়ের জীবিত ও মৃত ঐতিহাসিক চরিত্রগুলোকে অতর্কিতভাবে ধরে-ধরে বিতর্কিত করা। কিন্তু আওয়ামি লিগের প্রতি মানুষের ঘৃণা তাতে কমবে না। বাড়বে, বাড়তেই থাকবে, জীবনে আর কখনও ক্ষমতার মুখ দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা কমতেই থাকবে। নিজেদের কারিশমায় আওয়ামি লিগ তো আর কখনোই ফিরতে পারবে না; ফেরার জন্য অপেক্ষা করতে হবে এর-ওর করুণার আশায়, ক্ষমতায় যেতে চাইলে অপেক্ষা করতে হবে সব সরকারের ব্যর্থতার আশায়। অন্য সবার ওপর বিরক্ত হয়ে মানুষ যদি আওয়ামি লিগের দিকে আবার একটু তাকায়— এই আশায় তাকিয়ে থাকা ছাড়া আওয়ামি লিগের আর কিছুই করার নেই। তিন মাসেই আওয়ামি লিগ হাঁপিয়ে উঠেছে, ক্ষমতার বাইরে থাকতে তাদের আর ভালো লাগছে না। তাদের এখনই ক্ষমতা চাই— আগামীকাল সকালের মধ্যে। কিন্তু আত্মমুগ্ধ আওয়ামি লিগের আত্মসমালোচনা নেই, আছে মৃত মুগ্ধদেরকে নিয়েও নিকৃষ্ট নোংরামি।

©আখতারুজ্জামান আজাদ

ঈদের ছুটিতে সয়াবিনের বাজার পর্যবেক্ষণের জন্য রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট রাজশাহী সফর করেন। সফর শেষে তিনি গত ১০ মে তারিখে ধুমকেতু...
15/05/2022

ঈদের ছুটিতে সয়াবিনের বাজার পর্যবেক্ষণের জন্য রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট রাজশাহী সফর করেন। সফর শেষে তিনি গত ১০ মে তারিখে ধুমকেতু এক্সপ্রেস ট্রেনে ঢাকা গমন করেন। এ সময় ট্রেইন টিকেটিং এ বিপ্লব ঘটিয়ে ফেলা সহজ লিমিটেড এর ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং চালু হতে যাওয়া বাংলাদেশ-রাশিয়া-ইউক্রেন বিরতিহীন রেল সার্ভিসের টিকেটিং এর দায়িত্ব তাদের দিতে মৌখিক সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন। শেষ খবর পাওয়া প্রেসিডেন্ট পুতিন মহাখালীতে কলেরা হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানা যায় নাই, তবে বিশ্বস্ত সূত্র নিশ্চিত করেছে যে ধূমকেতু ট্রেইনে কাটলেট খাওয়ার পর থেকে সমস্যার সূত্রপাত।

বাংলাদেশ রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সাহসী সিপাহি রুবেল হোসেনের একক সাহসীকতায় তিন জন পাথর নিক্ষেপ কারী গ্রেপ্তার। জানা যায় ...
21/10/2021

বাংলাদেশ রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সাহসী সিপাহি রুবেল হোসেনের একক সাহসীকতায় তিন জন পাথর নিক্ষেপ কারী গ্রেপ্তার।
জানা যায় আজ সকালে একতা এক্সপ্রেস ট্রেন বিমানবন্দর থেকে পঞ্চগড়ের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়ার সময় ৩জন অপরাধী ট্রেনটি লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করে।
এসময় রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সিপাহী রুবেল হোসেন তা দেখে দৌড়ে গিয়ে হাতেনাতে তাদের ০৩ জনকে আটক করে। এবং রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর বিমানবন্দর চৌকিতে নিয়ে যান।
সেখান থেকে বিমানবন্দর রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর অফিসার ইনচার্জ ফিরোজ সাহেবের উপস্থিতিতে বিমানবন্দর রেলওয়ে পুলিশের কাছে আসামিদের হস্তান্তর করা হয়।

05/08/2021
04/08/2021

জীবনে এভাবেই সবাইকে দেখিয়ে মরা লাগবে...

16/04/2021

১১৫ রানে ৬ উইকেট পড়ল তখন পাকিস্তানের দরকার ৩০ রান। জিতে গেল ৩ উইকেটে।

বাংলাদেশ হইলে এইখান থেকে দুইজন বতক মারত, একজন ডাউন দ্যা উইকেটে এসে স্ট্যাম্পড আর একজন প্রেস কনফারেন্সে এসে বলত "আমরা শিখছি, সমালোচনা করবেন না।"

Address

সেইসব ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য যারা এক সময় ভাল STUDENT ছিল
Rajshahi
6000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when এক সময় ভালো STUDENT ছিলাম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category