ভাটোপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
MD RIFAT ALI
ক্ষমতার দৌড় মৃত্যু পর্যন্ত
পরিবারের মায়া কবর পর্যন্ত
নেক আমল জান্নাত পর্যন্ত
পুরুষের শারীরিক চাহিদা পূরণ হলেই তার মানসিক শান্তিটা চলে আসে। তবে নারীদের ক্ষেত্রে বিষয়টা ভিন্ন। একজন নারী মানসিক শান্তি পেলে তবেই শারীরিক চাহিদা দেখায়।নারী এবং পুরুষের চাহিদার মধ্যে পার্থক্য আছে।
পুরুষের সমস্ত ডিপ্রেশন এবং ক্লান্তি দূর হয় সঙ্গীর সাথে Physical Attachment এ থাকলে। আপনি যখন আপনার পুরুষ সঙ্গীকে খুশি করতে চাইবেন, তবে অবশ্যই তার সাথে শারীরিক Attachment হতে হবে এমনকি তা পুরোপুরি মন থেকেই।
পুরুষের তুলনায় নারীদের এই একটা কারণেই সবচেয়ে বেশি মুড সুইং হয়। নারী এবং পুরুষ দুই ভিন্ন মেরুর জিনিস। এখানে বুঝতে হবে, আপনার সঙ্গী ঠিক কিসে নিজেকে Satisfy মনে করে। সঙ্গীর চাহিদা অনুযায়ী যদি তা পূরণ করতে পারেন, তবেই আপনি একজন ভালো সঙ্গী। এখানে কেউ কারো চাহিদা এড়িয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
তবে নারীরা Physical Attachment এর চাইতে Mentally Attachment এ বেশি গুরুত্ব দেয়। আপনার নারী সঙ্গীর যদি মন ভালো থাকে, তবেই কেবল সে শারীরিক Attachment এ আগ্রহ দেখাবে। তবে মানসিক অবস্থা যদি ভালো না থাকে, তবে সে কোনোকিছুর প্রতিই আগ্রহ দেখাবে না।
নারীরা সবসময় তার মনকে গুরুত্ব দেয়।
মন যদি সায় না দেয়, তবে তার ধারেকাছেও যাওয়া যায় না। আপনি যখন আপনার নারী সঙ্গীর মনের প্রতি বেশি খেয়াল রাখবেন, সে তখন আপনাআপনিই আপনার ডাকে সাড়া দিবে।
পুরুষ এবং নারীর চাহিদার এই পার্থক্যের কারণেই দাম্পত্য জীবনে কেউ কাউকে বুঝতে চায় না সহজে। আর পুরুষ সঙ্গীর ক্লান্তি, হতাশা দূর করতে পারলে, সে অবশ্যই আপনার প্রতি দুর্বলতা দেখাবে। পরস্পর যদি পরস্পরের শরীর এবং মনের যত্ন নেয়, তবেই পরস্পরের চাহিদা পূরণ হয়। চাহিদা অপূর্ণ রেখে একে-অপরকে দোষারোপ করে, শুধুমাত্র দায়ে পড়ে সংসার করার কোনো মানে নেই
চাইলেই - একজন নারী একজন পুরুষকে বহু রকম ভাবে তৈরি করতে পারে।
একজন নারী চাইলেই - একজন পুরুষকে সম্মানের দিক থেকে অনেক উঁচুতে উঠাতে পারে। আবার অসম্মানের একদম নিম্ন মানের জায়গাতেও নামিয়ে এনে দাঁড় করাতে পারে!
একজন নারী চাইলেই - একজন পুরুষকে অনেক আর্থিক এবং সম্পদশালী করে গড়ে তুলতে পারে। আবার সেই নারীই একজন পুরুষকে ভিক্ষুক হিসেবে কিংবা সমাজের একদম গরীব পুরুষ হিসেবে পরিণত করতে পারে!
একজন নারী চাইলেই - একজন পুরুষকে মা-বাবা ভাই-বোন ছাড়া করে সে একাই রাজত্ব বহণ করতে পারে। আবার চাইলেই সে নারী একজন পুরুষের, মা-বাবা ভাই-বোন এর সাথে মিলেমিশে নিজ
মায়ের জোড়াজুড়িতে বিয়ে করতে হলো এক বিধবা মহিলাকে।
মহিলা না, মেয়েই বটে। বয়স বেশি না, আমার চেয়ে এক দু বছরের ছোট হবে,
তবে বাচ্চা মেয়ে আছে একটা। আমার একদম ইচ্ছা ছিলনা বিয়েতে
যেচে এরকম পূর্ব বিবাহিত মেয়েকে বিয়ে করে আমার জীবন ন'ষ্ট করার মানে নেই
কিন্তু মায়ের বান্ধবীর মেয়ে হওয়ায় জোর করেই বিয়ের পিড়িতে বসতে হলো।
আজ আমার বাসর রাত। মনে একপ্রকার ঘৃ'ণা নিয়েই ঘরে ঢুকলাম
সুন্দর করে ফুল দিয়ে সাজানো বিছা'নায় একটা লাল শাড়ি পরিহিত মেয়ে মাথা নিচু করে বসে আছে
মেয়ে মাশাল্লাহ খুব সুন্দরী। কিন্তু আমার প্রবলেম তার মেয়ে নিয়ে
আমি ভেতরে গিয়ে মাথার পাগড়ি ছু'ড়ে মা*রলাম বিছানায়। চমকে উঠল মেয়েটা,
" দেখুন, আমি আপনাকে আমার স্ত্রী হিসেবে মানতে পারবনা
মায়ের ইচ্ছাতে বিয়েটা করেছি। ব্যস, এ পর্যন্তই। আমার কাছে আর ঘেষতে আসবেন না
আর আপনার মেয়েকেও আমার কাছ থেকে দূরে রাখবেন
স্ত্রীর অধিকার আমার উপর ফ'লাবেন না, প্লিজ। "
ধরাম করে দরজা সজোরে লাগিয়ে বেরিয়ে এলাম ঘর থেকে
মেয়েট ফোঁপাতে ফোঁপাতে কাঁদতে লাগল৷ আমি ছাদে গিয়ে দাঁড়ালাম
আকাশে এতো মধুর রূপোর থালার মত চকচকে চাঁদ থাকা সত্ত্বেও আমার সেটা ভাল লাগছেনা। আমার জীবনটাই যে ব'রবাদ হয়ে গেল
শেষে কিনা এক বিধবার সাথেই বিয়ে করতে হলো
মায়ের উপর খুব রাগ হচ্ছে
কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে ঠান্ডা বাতাসে মন ফুরফুরে করে, আরেক রুমে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম।
পরদিন থেকে আমি ইগনোর করতে লাগলাম তাদের
মেয়েটা মাথা নিচু করে কাজের লোকের মত বাড়ির সব কাজ করে, কিন্তু আমি সারাদিন বাইরে বাইরে থাকি
তার এক বছরের মেয়েটা হামাগুড়ি দিতে দিতে, আর মুখে অস্পষ্ট কিছু উচ্চারণ করতে করতে সারা বাড়ি ঘুরে বেড়ায়
বাড়িতে শুধু আমরা তিনজনই থাকি। সারাদিন কাজ শেষে যখন বাড়ি ফিরি,
তখন দেখি বাচ্চা মেয়েটা হামাগুড়ি দিতে দিতে আমার সামনে আসে
আমার দিকে তার মায়াবী চোখ দিয়ে তাকায়। বিরক্ত লাগে আমার তাকে দেখলে
আমি পাশ কাটিয়ে নিজের রুমে চলে যাই। ওর মা চুপচাপ আমায় খাবার
দিয়ে যায়,
একটা বারও মাথা উঁচু করে তাকায় না
আমিও কিছু না বলে চুপচাপ
খেয়ে নেই
আর নিজের কাজ নিজে করে যাই। ওরা আলাদা রুমে ঘুমায়
আর আমি আলাদা রুমে ঘুমাই।
একদিন বাড়ি ফিরে এসে নিজের রুমে গিয়ে দেখি সব লন্ড ভন্ড হয়ে আছে
নিশ্চয়ই ওই বাচ্চা মেয়েটা করেছে এইরকম। আমি চটে গেলাম
আমার মাথায় র*ক্ত উঠে গেল। আমি রাগে ফোসাতে ফোসাতে
চিৎকার দিয়ে উঠলাম,
" আয়েশা....."
আমার বিধবা বউটা দৌড়াতে দৌড়াতে আসল রুমে
মাথা নিচু করে কাঁদো কাঁদো গলায় জিজ্ঞেস করল,
" জি…জি, কি হয়েছে? "
" এই কি হাল হয়েছে আমার রুমের। কে করেছে এমন
নিশ্চয়ই আপনার মেয়েটা। কতবার বলবো ওকে আমার থেকে দূরে রাখবেন৷ একটা কথা একবার বললে কানে যায়না? "
আয়েশা কাঁদতে কাঁদতে আমার পা'য়ে প'ড়ে গেল,
" এই…এই কি করছেন? "
" প্লিজ…প্লিজ ওকে ক্ষমা করে দিন
অনেক বড় ভুল হয়ে গেছে। আর কোনোদিন হবেনা। প্লিজ। "
আয়েশার অশ্রুজল টপ টপ করে আমার পায়ে পড়ছে। যতসব আদিখ্যেতা
আমি ঘর থেকে বেরিয়ে চলে গেলাম বাইরে। আবার ফিরে
এলাম গভীর রাতের দিকে। আমি সোজা চলে গেলাম আমার ঘরে
রুমে ঢুকেই আমি চমকে গেলাম। খুব সুন্দর করে পরিপাটি ভাবে গোছানো ঘর
এমনকি আগের চেয়েও সুন্দর ভাবে। সেটা দেখে আমার মনটা একটু ভাল হলো
ক্লান্ত শ'রীরটা এ'লিয়ে দিলাম বি'ছানায়। লাইট, ফ্যান অফ করে শুয়ে পড়লাম
খুব ঠান্ডা পড়েছে। পিনপতন নীরবতার মাঝে হঠাৎ আমার কানে ভেসে আসল করুণ ফোঁপানির আওয়াজ
বুঝতে পারলাম আয়েশা পাশের রুমে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছে। আমি তোয়াক্কা না করে শুয়ে পড়লাম।
চলবে..?
গল্প : #বিধবা
পর্ব- ০১
আমার বুকের স্তন তুমি খুবলে খেয়েছ৷ পিঠে নখের দাগ বসিয়ে দিয়েছ৷ সেখানে তুমি কেবলই দেখেছ কামুকতা৷ অথচ অন্তর্বাসের নিচে শুধু স্তন না৷ স্তনের নিচে চামড়ার ওপাশে একটা সুপ্ত হৃদপিন্ড থাকে৷ সেটার খোঁজ নেওনি৷
বুকে কখনও কান পেতে শোনোনি প্রতি মিনিটে ৭২ বার স্পন্দিত করে কি বলে৷ তুমি শুধু দেখেছ উন্মুক্ত বুকে মাংস পিন্ড৷
সবাই ঘুমিয়ে গেলে প্রতিরাতে চুল ধরে প্রহার করেছ, অথচ কখনও চুলে নাক ডুবিয়ে বলোনি "চুলে কি শ্যাম্পুর বদলে অ্যালকোহল মাখো? এতো নেশাভরা ঘ্রাণ কেনো তোমার চুলে!
প্রতিরাতে সঙ্গমে নিজের যৌনদাসী করে চিৎকার শুনেছ৷ অথচ জানতে চাওনি প্রতিমাসে পাঁচদিন পিরিয়ডের সময় আমি কেমন আছি।
তুমি শুধু পরনের শাড়ি খুলতে শিখেছ৷ অথচ কখনও নিজে শাড়ি পরিয়ে দেওনি৷ শাড়ির কুচি ঠিক করতে গিয়ে নাভী স্পর্শ করে বলোনি "শাড়ি পরলে তোমাকে মায়াবতি লাগে"
সে**ক্স, কামুকতা ছাড়াও একটা মানুষের যে আরও অনেক কিছু চাওয়ার আছে সেটা তুমি বোঝোনি৷ বুঝতেও চাওনি৷ মনে রেখো! এসব তুমি বুড়ো হয়ে গেলেই ফুরিয়ে যাবে, ক্ষয় হয়ে যাবে, আজ আছে তো কাল নেই৷
10/11/2024
আসলে আমি তোমাকে
ভুলতে চাইনি বলেই মনে রেখে রেখেছি!
প্রেম করা উচিত একজন ম্যাচিউর ছেলে মেয়ের সাথে; যে ভবিষ্যত নিয়ে দিকনির্দেশনা দিতে পারবে। নীরবতা বুঝবে, পারিবারিক সমস্যা না বললেই বুঝে নিতে পারবে, ফিনান্সিয়াল ক্রাইসিস বুঝবে। যার সাথে সকল অসুবিধার কথা মন খুলে বলা যাবে। 😊
শুধু "আমি তোমাকে ভালোবাসি আর তুমি আমাকে ভালোবাসো" তিনবেলা নিয়ম করে শোনবার জন্য আর বলবার জন্য প্রেম করা মানে সময়ের অপচয়। 💔পৃথিবীতে ভালোবাসবার জন্য বহু মানুষ থাকে; মন দিয়ে মনের কথা বলার আর শুনবার মানুষ একজনও থাকে না!💔
হঠাৎ চোখ আটকে গেলো এই ভিডিও তে...
কার কার মনে আছে?
Rajshahi College
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Telephone
Website
Address
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 17:00 |
| Tuesday | 09:00 - 17:00 |
| Wednesday | 09:00 - 17:00 |
| Thursday | 09:00 - 17:00 |
| Sunday | 09:00 - 17:00 |