মাথা ভার ভার লাগে?
অল্পতে রেগে যান?
মোবাইলে কথা বলতে অনিহা?
বেশী কথা বলা মানুষকে থাব্রাইতে ইচ্ছা করে?
আড্ডা ,গান ,ভালোবাসা ,হইচই তিতা লাগতেছে? প্রিয়জনের সাথে সুন্দর করে কথা বলেন না?
বাচ্চারে ছ্যাচা মাইর দিতাছেন?
কাউরে বিশ্বাস করতে পারতেছেন না?
কাউকে হাসতে দেখলে দাঁত খুলে নিয়া আসতে ইচ্ছা করতেছে?
এইসব লক্ষণ টের পেলে বুঝবেন আপনি রাজনীতি রোগ এ ভুগছেন। লাষ্ট স্টেজ। নিজেকে বাচাতে এবং এই রোগে নি:স্ব হওয়ার আগে রাজনীতি মুক্ত থাকুন। আপাতত ৬ মাস রাজনীতি বিষয়ক সকল খবর, আলোচনা থেকে দুরে থাকুন। অন্যকে সংক্রামনের হাত থেকে বাঁচান। নিজে বাচুন।।
Ratan Diary
Education for law and explore Bangladesh.
সমাজের সংস্কার চাই।।
আর
আমি সংস্কারের বাইরে থাকতে চাই।।
একটা চালাক মানুষ আরেকটা চালাক মানুষকে পছন্দ করেনা।।
একটা বোকা মানুষ আর একটা বোকা মানুষকে পছন্দ করে।।
বর্তমানে বাংলাদেশের প্রত্যেকটা মানুষ চালাক হয়ে গেছে----
এজন্য কেউ কাউকে পছন্দ করছে না।।
যা দেখা যায় তা রাজনীতি নয়।।
বিএনপি কি আন্দোলন থেকে কোন শিক্ষা নিয়েছে??
আজকের সমাবেশ দেখে মনে হচ্ছে বিএনপি বাংলাদেশ দখল করে নিয়েছে??
দেশ সংস্কার করার সাথে সাথে রাজনৈতিক দলগুলোর সংস্কার প্রয়োজন।
বিএনপি এবং আওয়ামী লীগ মুদ্রার এপিট ওপিট।।
সাধারণ জনগণ এ দুটি দল থেকে কিছুই পাবে না।।
ভালো থাকার সহজ উপায়।।
আপনার মুখটি বন্ধ রাখুন।।
জমি কেনার আগে অবশ্যই আপনাকে কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। বিশেষ করে বিক্রেতার মালিকানা এবং জমির বিভিন্ন দলিল ভালোভাবে যাচাইবাছাই করতে হবে; নইলে পড়তে পারেন বিপদে, এমনকি প্রতারিতও হতে পারেন। জমির দলিলপত্র যাচাই না করে জমি কেনা উচিত নয়।
কী কী যাচাই করতে হবে:
১. জরিপের মাধ্যমে প্রণীত রেকর্ড অর্থাৎ খতিয়ান ও নকশা যাচাই করতে হবে।
২. জমির তফসিল অর্থাৎ জমির মৌজা, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর উক্ত দাগে জমির মোট পরিমাণ জানতে হবে।
৩. প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সিএস; এসএ; আরএস পরচা দেখাতে হবে।
৪. বিক্রেতা ক্রয়সূত্রে ভূমির মালিক হয়ে থাকলে তার ক্রয় দলিল বা ভায়া দলিল রেকর্ডের সঙ্গে মিল করে বিক্রেতার মালিকানা নিশ্চিত হতে হবে।
৫. বিক্রেতা উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত হলে সর্বশেষ জরিপের খতিয়ান বিক্রেতা বা তিনি যাঁর মাধ্যমে প্রাপ্ত তাঁর নামে অস্তিত্ব (যোগসূত্র) মিলিয়ে দেখতে হবে।
৬. জরিপ চলমান এলাকায় বিক্রেতার কাছে রক্ষিত মাঠ পরচা যাচাই করে দেখতে হবে।
৭. উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমি বিক্রেতার শরিকদের সঙ্গে বিক্রেতার সম্পত্তি ভাগাভাগির বণ্টননামা (ফরায়েজ) দেখে নিতে হবে।
৮. বিক্রেতার কাছ থেকে সংগৃহীত দলিল, খতিয়ান/পরচা ইত্যাদি কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসে গিয়ে তলবকারী /স্বত্বলিপি রেজিস্টারের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হবে।
৯. সর্বশেষ নামজারি পরচা ডিসিআর খাজনা দাখিল (রসিদ) যাচাই করে দেখতে হবে। জমির খাজনা বকেয়া থাকলে এবং বকেয়া খাজনাসহ জমি ক্রয় করলে বকেয়া খাজনা পরিশোধের দায় ক্রেতার।
১০. বিবেচ্য জমিটি সার্টিফিকেট মোকদ্দমা ভুক্ত কি না, কখনো নিলাম হয়েছে কি না, তা তহশিল অফিস / উপজেলা ভূমি অফিস থেকে জেনে নিতে হবে। সার্টিফিকেট মামলাভুক্ত সম্পত্তি বিক্রয়যোগ্য নয়।
১১. বিবেচ্য ভূমি খাস, পরিত্যক্ত/অর্পিত, অধিগ্রহণকৃত বা অধিগ্রহণের জন্য নোটিশকৃত কি না, তা তহশিল, উপজেলা ভূমি অফিস বা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এল এ শাখা থেকে জেনে নিতে হবে।
১২. বিবেচ্য ভূমি কোনো আদালতে মামলা–মোকদ্দমাভুক্ত কি না, তা জেনে নিতে হবে। মামলাভুক্ত জমি কেনা উচিত নয়।
১৩. বিবেচ্য জমিটি সরেজমিনে যাচাই করে এর অবস্থান নকশার সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হবে এবং দখল সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে বিক্রেতার মালিকানা ও দখল নিশ্চিত হতে হবে।
১৪. সাব–রেজিস্ট্রারের অফিসে তল্লাশি দিয়ে জমির সর্বশেষ বেচাকেনার তথ্য জেনে নেওয়া যেতে পারে।
১৫. প্রস্তাবিত জমিটি ঋণের দায়ে কোনো ব্যাংক /সংস্থার কাছে দায়বদ্ধ কি না।
১৬. প্রস্তাবিত জমিতে যাতায়াতের রাস্তা আছে কি না, তা–ও দেখা প্রয়োজ...
#জমিকিনারাগেওপরেকরনীয়
#জমি_কিনার_আগে_করনীয়
#জমি_কিনার_পর_করনীয়
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Address
6000