সাহসী মানুষ

সাহসী মানুষ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from সাহসী মানুষ, Personal coach, Rajshahi.

21/09/2026

একবার এক ব্যাঙ ভেবেছিল, পাহাড়ের চূড়ায় উঠবে। সেই উদ্দেশ্যে সে পাহাড়ে চড়া শুরু করলো। কিন্তু নিচে বাকি সব ব্যাঙ চিৎকার করতে লাগলো যে, এটা অসম্ভব কাজ। আজ পর্যন্ত কেউ এই পাহাড়ের চূড়ায় উঠতে পারিনি। তুমি পারবেনা। শেষে জীবনটাই চলে যাবে।

কিন্তু ব্যাঙটি শেষ পর্যন্ত পাহাড়ে চূড়ায় পৌঁছেই গেল। তোমরা কি কেউ বলতে পারো, যেখানে কেউ যাওয়ার সাহস করেনি ,সেখানে ব্যাঙটি কিভাবে একদম চূড়ায় পৌঁছে গেল?

কারণ ব্যাঙটি কানে শুনতো না, আর সে নিচে সব ব্যাঙদের চিৎকার করতে দেখে ভেবেছিল, সবাই মনে হয় তাকে উৎসাহ দিচ্ছে।

তাই তোমাদের যদি লক্ষ্যে পৌঁছাতে হয়, তাহলে যারা কোন কাজের নয় সেই সব লোকদের কথা শুনবে না। এসব লোক কিছু বললে বয়রা হয়ে যাবে।।

18/09/2026

একবার এক লোক যে কিনা ছিল অনেক টাকার মালিক কেন যেন তার কিছুতেই রাতে ঘুম আসছিল না। রাত তিনটা বাজে। তারপর তার ঘুম আসছিল না। অস্থির লাগছিল। হঠাৎ তার না জানি কি চিন্তা এল, সে তার গাড়ি নিয়ে বের হলো মসজিদের উদ্দেশ্যে।

মসজিদে পৌঁছে সে দেখল এক লোক সেখানে বসে আল্লাহর কাছে হাত উঠিয়ে কান্নাকাটি করছে। সে লোকটিকে জিজ্ঞেস করল - "তুমি কাঁদছো কেন?" লোকটি বলল-" আমার ছেলে হসপিটালে ভর্তি। খুব খারাপ অবস্থা। যদি কাল তার অপারেশন করা না হয়, তাহলে হয়তো তাকে বাঁচানো যাবে না। কিন্তু আমার কাছে তো অপারেশন করবার টাকা নেই। ধনী ব্যক্তিটি তখন তার পকেট থেকে টাকা বের করে লোকটিকে দিল। আর বলল - "এই টাকা রাখো যদি আরো প্রয়োজন হয় তাহলে আমার ঠিকানাটা রাখো । আমার সঙ্গে দেখা করবে। "

লোকটি হেসে বলল - "না আপনার ঠিকানা আমার প্রয়োজন নেই। আমার কাছে তার ঠিকানা আছে না।"
ধনী ব্যক্তিটি বলল - "কার ঠিকানা? কার কথা বলছো? লোকটি তাকে বলল - "আমার আল্লাহ ঠিকানা। যদি আমার আল্লাহ আমার কষ্ট দেখে রাত তিনটার সময় সাহায্য করার জন্য আপনাকে আমার কাছে পাঠাতে পারেন, তাহলে আমার বিশ্বাস আমার উপরে যে কোন মুসিবতে আসুক না কেন, আমাকে আল্লাহর কাছে আসতে হবে এবং তিনি আমার সকল সংকট দূর করে দেবেন ।ইনশাআল্লাহ।

ধনী ব্যক্তিটি তখন নিশ্চিন্তে হাসি হেসে বলল ঠিকই বলেছ। এই বলে এসে বাসায় চলে গেল এবং সে শান্তির একটা ঘুম দিল।

আসলে আমরা একটা উসিলা মাত্র কারো সাহায্য করার জন্য। যদি তোমার আল্লাহর প্রতি ভরসা থাকে তাহলে তিনি সঠিক সময়ে তোমার কাছে সঠিক সাহায্য পৌঁছে দেবেন। আর কখনো কখনো তুমিও আল্লাহর ইচ্ছায় কারো সাহায্যকারী হয়ে যাবে।

17/09/2026

মায়ের কাছে চিঠি


কেমন আছ তুমি? কতদিন,কত সহস্ৰ দিন তোমাকে দেখি না মা, কত সহস্র দিন তোমার কন্ঠ শুনি না,
কত সহস্ৰ দিন কোনও স্পর্শ নেই তোমার।
তুমি ছিলে, কখনও বুঝিনি ছিলে।
যেন তুমি থাকবেই, যতদিন আমি থাকি ততদিন তুমি—যেন এরকমই কথা ছিল।

আমার সব ইচ্ছে মেটাতে যাদুকরের মত। কখন আমার ক্ষিধে পাচ্ছে, কখন তেষ্টা পাচ্ছে, কি পড়তে চাই, কী পরতে, কখন খেলতে চাই, ফেলতে চাই, মেলতে চাই হৃদয়, আমি বোঝার আগেই বুঝতে তুমি।
সব দিতে হাতের কাছে, পায়ের কাছে, মুখের কাছে। থাকতে নেপথ্যে।

তোমাকে চোখের আড়ালে রেখে, মনের আড়ালে রেখে যত সুখ আছে নিয়েছি নিজের জন্য। তোমাকে দেয়নি কিছু কেউ, ভালবাসেনি, আমিও দিইনি, বাসিনি।
তুমি ছিলে নেপথ্যের মানুষ। তুমি কি মানুষ ছিলে? মানুষ বলে তো ভাবিনি কোনওদিন,
দাসি ছিলে, দাসির মত সুখের যোগান দিতে।
যাদুকরের মত হাতের কাছে, পায়ের কাছে, মুখের কাছে যা কিছু চাই দিতে, না চাইতেই দিতে।

একটি মিষ্টি হাসিও তুমি পাওনি বিনিময়ে, ছিলে নেপথ্যে, ছিলে জাঁকালো উৎসবের বাইরে নিমগাছতলে অন্ধকারে, একা। তুমি কি মানুষ ছিলে! তুমি ছিলে সংসারের খুঁটি, দাবার ঘুটি, মানুষ ছিলে না।
তুমি ফুঁকনি ফোঁকা মেয়ে, ধোঁয়ার আড়ালে ছিলে, তোমার বেদনার ভার একাই বইতে তুমি, তোমার কষ্টে তুমি একাই কেঁদেছ। কেউ ছিল না তোমাকে স্পর্শ করার, আমিও না।

যাদুকরের মত সারিয়ে তুলতে অন্যের অসুখ বিসুখ, তোমার নিজের অসুখ সারায়নি কেউ, আমি তো নইই, বরং তোমাকে, তুমি বোঝার আগেই হত্যা করেছি।
তুমি নেই, হঠাৎ আমি হাড়েমাংসেমজ্জায় টের পাচ্ছি তুমি নেই। যখন ছিলে, বুঝিনি ছিলে। যখন ছিলে, কেমন ছিলে জানতে চাইনি। তোমার না থাকার বিশাল পাথরের তলে চাপা পড়ে আছে আমার দম্ভ।

যে কষ্ট তোমাকে দিয়েছি, সে কষ্ট আমাকেও চেয়েছি দিতে, পারিনি। কি করে পারব বল! আমি তো তোমার মত অত নিঃস্বার্থ নই, আমি তো তোমার মত অত বড় মানুষ নই।

16/09/2026

এক রাজা তিনি ঘোষণা করলেন, যে ব্যক্তি তার একটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারবে, তাকে এক থলি স্বর্ণমুদ্রা পুরস্কার দেওয়া হবে।

প্রশ্নটি ছিল: "দুনিয়ার সবচেয়ে ধারালো জিনিস কী?"
রাজার দরবারে দেশের বড় বড় পণ্ডিত, বিজ্ঞানী এবং যোদ্ধারা জমা হলেন।

কেউ বললেন, "সবচেয়ে ধারালো হলো লোহার তলোয়ার।"
কেউ বললেন, "সবচেয়ে ধারালো হলো হীরার ছুরি।"
আবার কেউ বললেন, "সবচেয়ে ধারালো হলো বাজপাখির নখ।"

রাজা কারও উত্তরেই সন্তুষ্ট হলেন না। কারণ তলোয়ার বা ছুরি দিয়ে পাথর কাটা যায় না, আর এগুলো একসময় ভোঁতা হয়ে যায়।

পরদিন এক দরিদ্র কৃষক তার ছোট্ট মেয়েটিকে সাথে নিয়ে রাজদরবারে হাজির হলো। মেয়েটির বয়স ছিল মাত্র ১০ বছর। মেয়েটি রাজাকে প্রণাম করে বলল, "মহারাজ, দুনিয়ার সবচেয়ে ধারালো জিনিস কোনো অস্ত্র নয়।

সবচেয়ে ধারালো জিনিস হলো মানুষের কথা বা বাণী।"
রাজা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, "কীভাবে?"
মেয়েটি একটি মাটির পাত্র এনে সজোরে মেঝেতে আছাড় দিয়ে ভেঙে ফেলল। তারপর বলল, "মহারাজ, এই মাটির পাত্রটি যদি ভেঙে যায়, তবে কাদা আর জল দিয়ে একে আবার জোড়া লাগানো সম্ভব।

কিন্তু মানুষের মুখের একটি খারাপ বা ধারালো কথা যদি কারও মন ভেঙে দেয়, তবে দুনিয়ার কোনো কিছু দিয়েই সেই মন আর আগের মতো জোড়া লাগানো যায় না। তলোয়ারের আঘাতের ক্ষত শুকিয়ে যায়, কিন্তু কথার আঘাতের ক্ষত সারা জীবন থেকে যায়।

রাজা মেয়েটির গভীর বুদ্ধিমত্তা এবং সঠিক উত্তর দেখে অত্যন্ত খুশি হলেন এবং তাকে পুরস্কৃত করলেন।

আমাদের মুখের কথা তলোয়ারের চেয়েও বেশি শক্তিশালী এবং ধারালো হতে পারে। তাই সব সময় ভেবেচিন্তে কথা বলা উচিত।

বুদ্ধি বা জ্ঞান বয়স দেখে আসে না, তা আসে সঠিক উপলব্ধি থেকে।

07/08/2026

এক সাপ অনেক খুশিতে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল। পথে একটা করাত পড়ে ছিল। সাপটি চলতে চলতে সেই করাতের সাথে ধাক্কা খেলো এবং কিছুটা জখম হলো।

সাপ চিন্তা করলো, এই করাতের এত বড় সাহস? আমাকে আঘাত করে?
ওকে দেখাচ্ছি মজা।

এই বলে সাপটি করাতটিকেট ছোবল মারার চেষ্টা করল। কিন্তু ছোবল মারার সাথে সাথেই সাপের চেহারাও খুব বাজে ভাবে জখম হলো।
এবার সাপটি রেগে তার হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলল এবং পুরো শক্তি দিয়ে সে করাতটিকে পেচাতে শুরু করল শাস্তি দেয়ার জন্য।

কিন্তু করাতের ধারে সাপটির শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখম হতে লাগলো,
আর শেষ পর্যন্ত সাপটি মারাই গেল।

ঠিক এমনটা আমাদের সাথে হয়।
আমরা ভাবি -
ও আমাকে এটা বলতে পারল?
ওর এত বড় সাহস?

এসব ফালতু মানুষের, ফালতু কথায় রিয়েক্ট করতে গিয়ে নিজেরা নিজেদের অনেক বড় ক্ষতি করে ফেলি।

কখনো কখনো জীবনে কিছু পরিস্থিতিকে এবং কিছু মানুষকে এভোয়েড করে সামনের দিকে চলতে হয়।

আর তা না হলে জীবনে ক্ষতি বিনা, কোন লাভ হয় না।

💢একটি বাস্তব জীবন কাহিনীঃহাজার হউক মা-বাবা বাবা মা‌র বিচ্ছেদ যে‌ দিন---------সে দিনটির কথা আমি কখনোই ভুলবো না, কোর্টে বা...
02/08/2026

💢একটি বাস্তব জীবন কাহিনীঃ
হাজার হউক মা-বাবা

বাবা মা‌র বিচ্ছেদ যে‌ দিন---------
সে দিনটির কথা আমি কখনোই ভুলবো না, কোর্টে বাবা মায়ের সেপারেশনের সময় জজ সা‌হেব মাকে জিজ্ঞাসা করেছিল, "আপনি কাকে চান ? ছেলে কে না মেয়েকে?
মা তখন তার ছেলেকে চেয়ে ছিল, আমাকে চায়নি। মে‌য়ে ব‌লে বাবাও তখন আমার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল। কারণ তিনি আবার বিয়ে করে নতুন সংসার করার স্বপ্ন দেখেছিলেন, অযথা আমাকে নিয়ে নতুন সংসারে বোঝা বাড়াতে চাননি।
কাঠের বেঞ্চিতে বসে যখন অঝোরে কাঁদছিলাম তখন বুকে আগলে ধরে ছিলেন এক লেডি কনস্টেবল। আশ্রয় দিয়ে ছিলেন তার বাড়িতে। কিন্তু তার মাতাল স্বামীর লোলুপ দৃষ্টি পড়েছিল আমার উপর। শিশু বয়সে অত কিছু না বুঝলে ও কেমন যেন খারাপ লাগতো। রাতে যখন আন্টি বাসায় ফিরতেন, আমি তাকে সব বলে দিতাম। মহিলা দুঃশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলেন। অতঃপর আমার নিরাপত্তার কথা ভেবে তিনি আমাকে একটা এতিমখানায় রেখে আসলেন। যাবার সময় আমাকে দু হাতে জড়িয়ে ধরে যেমন করে কাঁদলেন, আমার মাও আমাকে রেখে যাওয়ার সময় ও ভাবে কাঁদেনি।
দিন যায়-মাস যায়, এতিম খানাতেই জীবন কাটতে থাকে আমার। খুব অসহায় লাগতো নিজেকে। বাবা মা বেঁচে থাকতে ও যে শিশুকে এতিমখানায় থাকতে হয় তার থেকে অসহায় বুঝি আর কেউ নেই!!

বছর দু'য়েক পরের কথা। এক নিঃসন্তান ডাক্তার দম্পতি আমাকে দত্তক নেন। জীবনটাই পাল্টে গেল আমার। হেসে খেলে রাজকীয় ভাবে বড় হতে লাগলাম আমি। আমার নতুন বাবা মা আমাকে তাঁদের মতই ডাক্তার বানাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আমার একগুঁয়ে ইচ্ছে ছিল একটাই, আমি ল'ইয়ার হবো। আল্লাহ তাআলার অশেষ রহমতে আজ আমি একজন ডিভোর্স ল' ইয়ার। যারাই আমার কাছে তালাকের জন্য আসে, আগেই আমি বাচ্চার কাস্টোডির জন্য তাদের রাজি করাই। কারণ বাবা মা ছাড়া একটা শিশু যে কতটা অসহায়, তা আমি ছাড়া কেউ জানে না!!

চেম্বারে বসে খবরের কাগজ পড়ছিলাম। হঠাৎ একটা নিউজে চোখ আটকে গেল। এক বৃদ্ধা মহিলাকে তার ছেলে আর বউ মিলে বস্তায় ভরে রেলস্টেশনে ফেলে রেখে গেছে। পুলিশ উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে। নিচে বৃদ্ধা মহিলার ছবি দেয়া। মুখটা খুব চেনা চেনা লাগছিল। কাছে এনে ভালো করে ছবিটা দেখলাম। বুকের মাঝে ধক করে উঠলো। এ তো সেই মহিলা যে আমাকে অনেক বছর আগে আদালতে ছেড়ে গিয়েছিল, আমার মা। নিজেই গাড়ি ড্রাইভ করে ছুটে গেলাম হাসপাতালে।

সেই মুখটা কিন্তু চেনার উপায় নেই। চামড়াটা কুঁচকে আছে, শরীরটা রোগে শোকে জরাজীর্ণ হয়ে গেছে। ঘুমন্ত মুখটার দিকে তাকিয়ে খুব মায়া লাগছে, ভেতরটা ভেঙে ভেঙে যাচ্ছে। আচ্ছা, সেদিন কি তার একটু ও কষ্ট লাগেনি, যেদিন তার ১০ বছরের শিশু কন্যাটি মা-মা করে পিছু পিছু কাঁদতে কাঁদতে দৌড়াচ্ছিল?? হয়তো লাগেনি। নয়তো এভাবে ফেলে যেতে পারতো না।
একবার ভেবেছিলাম চলে যাবো। হঠাৎ দেখি তিনি ঘুম ভেঙে চোখ পিটপিট করে আমার দিকে তাকিয়ে আছেন। বুঝলাম চিনতে পারেন নি, চেনার কথা ও নয়!! আমি আমার পরিচয় দিলাম। কয়েক সেকেন্ড নিষ্পলক তাকিয়ে থেকে হাউমাউ করে কেঁদে ওঠে। নিজের কৃতকর্মের জন্য বারবার ক্ষমা চাইতে থাকে। নিজের বুকের সাথে শক্ত করে জড়িয়ে ধরি মাকে।
মাকে পাওয়ার পর বাবার জন্য ও মনটা উতলা হয়ে উঠে। মায়ের কাছ থেকে ঠিকানা নিয়ে বাবার অফিসে যোগাযোগ করি। জানতে পারি, কয়েক বছর আগেই রিটায়ার্ড করেছেন তিনি। বাসার ঠিকানায় গিয়ে দেখি উনি নেই। উনার দ্বিতীয় পক্ষের ছেলেমেয়েদের জিজ্ঞেস করে জানলাম, রিটায়ার্ড করার কিছু দিনের মধ্যেই তিনি প্যারালাইজড হয়ে বিছানায় পড়েন। অযথা একটা রুম দখল করে নোংরা করত, তাই বিরক্ত হয়ে ছেলেমেয়েরা তাকে একটা সরকারি বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসে, অযথা ঘরে বোঝা বাড়িয়ে কি লাভ!!!
ওদের কাছ থেকে ঠিকানা নিয়ে বৃদ্ধাশ্রম গেলাম। চিনতে খুব কষ্ট হচ্ছিলো, মনে হলো একটা জীবিত লাশ পড়ে আছে বিছানায়। পাশে বসে হাতটা ধরলাম, পরিচয় দিতেই মুখ ফিরিয়ে কাঁদতে লাগলেন।
বাবা মা এখন আমার সাথে একই বাড়িতে আছেন। একসময় তারা আমাকে ছেড়ে গিয়েছিলেন, কিন্তু আমি পারিনি ছাড়তে। হাজার হোক আমার বাবা মা তো।

সংগৃহীত ...

22/07/2026

এক কৃষকের বাড়িতে একটি গাধা, আরেকটি কুকুর ছিল। গাধা খেয়াল করলো যে, ও সারাদিন কাজ করে আর কুকুর শুধু খেলাধুলাই করে, ঘুরে বেড়ায়, খায় আর ঘুমায়।

এটা দেখে গাধা ভাবল, আমি সারাদিন কাজ করি কিন্তু কুকুর সারাদিন আনন্দ ফুর্তি করে, খায় আর ঘুমায়। তারপরও মালিক তাকে কিছু বলে না। আমার সাথে এটা বৈষম্য করা হচ্ছে। কাল থেকে আমি কুকুরের মত কোন কাজ করবো না। যেই ভাবা, সেই কাজ।

পরের দিন গাধা কোন কাজ করল না। কৃষক গাধাকে ভীষণ বকাঝকা করল এবং খাবার বন্ধ করে দিল। গাধা মন খারাপ করে বসে ছিল। তখন কুকুর এসে বলল, ভাই তোমার কাছে মনে হয় না যে, আমি কোন কাজ করি না?

কিন্তু রাতে যখন তোমরা সবাই গভীর ঘুমে থাকো, তখন আমি সারারাত জেগে পাহারা দেই। আমার কারণে আমার মালিক নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারে।
গাধা এই কথা শুনে তার ভুল বুঝতে পারল এবং নিজের কাজে মনোযোগী হল।

ঠিক তেমনি, প্রত্যেকেরই আলাদা আলাদা কাজ থাকে। দায়িত্ব থাকে। কেউ শারীরিক পরিশ্রম করে, আবার কেউ ব্রেইন ওয়ার্ক করে।

কিন্তু আমাদের সমাজে যেমন কিছু গাধা আছে, তেমনি আমাদের পরিবারেও কিছু গাধা আছে, যারা কেবল দৃশ্যমান শারীরিক পরিশ্রমকেই কাজ মনে করে,

বুদ্ধি খাটিয়ে, মেথা খাটিয়ে বা ব্রেন ওয়ার্ক কে তারা মনে করে আরাম করা।
কিছু মানুষ কেন যেন এটা মানতেই চায় না যে, শারীরিক পরিশ্রমের চেয়ে ব্রেনওয়ার্ক করলে এনার্জি লস হয় বেশি। বেশি ক্লান্তি আসে এবং পর্যাপ্ত রেস্টের প্রয়োজন হয়।

শারীরিক পরিশ্রম আপনি চাইলে একটানা অনেক ঘন্টা করতে পারবেন। কিন্তু ব্রেইনকে যদি নির্দিষ্ট সময় পর পর রেস্ট দেয়া না হয় তাহলে ব্রেইন কাজ করা বন্ধ করে দেয়।

19/07/2026

এক রাজা পুরো রাজ্যে ঘোষণা করে দিল,
যে তার রাজ্যে যে সবচেয়ে সুন্দর কথা বলবে তাকে ৫০০ মোহর উপহার দেয়া হবে।

একদিন রাজা কোন এক জায়গা যাচ্ছিলেন। তখন সেখানে দেখলেন এক নব্বই বছরের বৃদ্ধ মহিলা একটা ফলের গাছ লাগাচ্ছে।
রাজা মহিলাকে বললেন, তুমি হয়তো আর বড়জোর ৫ ১০ বছর বাঁচবে কিন্তু এই গাছ তো ২০ বছর পর ফল দেবে।
তাহলে এই কষ্ট করার কি দরকার?
বৃদ্ধা বললো, আমরা যে ফল খাচ্ছি তাও আমাদের পূর্বপুরুষরা লাগিয়ে গিয়েছিল আর আমি এই গাছ লাগাচ্ছি যেন আমাদের পরের প্রজন্ম খেতে পারে।

রাজার সেই বৃদ্ধার কথা পছন্দ হলো, তাই তাকে সে ৫০০ মোহর উপহার দিলেন।
বৃদ্ধা মোহর দেখে হাসতে লাগলো।
রাজা জিজ্ঞেস করলেন, কেন হাসছো?
বৃদ্ধা বলল, আমার লাগানো গাছ তো ২০ বছর পর ফল দেবে। কিন্তু আমি তো আমার ফল এখনই পেয়ে গেছি।

বৃদ্ধার এই কথাও রাজার কাছে খুব ভালো লাগলো। রাজা আবার তাকে ৫০০ মোহর উপহার দিল।
বৃদ্ধা আবার হাসতে লাগলো।
রাজা জিজ্ঞেস করলেন, এখন আবার হাসছো কেন? বৃদ্ধা বলল, আমার গাছ তো বছরে একবার ফল দেয়। কিন্তু আমি তো আমার ফল দুইবার পেয়ে গেছি।
রাজা বৃদ্ধার এই কথাও খুব ভালো লাগলো, তাই বৃদ্ধাকে আরও ৫০০ মোহর দিয়ে দ্রুত সে স্থান ত্যাগ করলেন।

মন্ত্রী, রাজা কে জিজ্ঞেস করলেন,
হুজুর, আপনি এত দ্রুত কেন চলে আসলেন?
রাজা বললেন, আমি যদি আর কিছু সময় সেই বৃদ্ধার কাছে থাকতাম, আমার সব খাজানা শেষ হয়ে যেত। কিন্তু সে বৃদ্ধার ভালো কথা শেষ হতো না।

বন্ধুরা,
ভালো কথা সবসময় মন ভরে দেয়।
নম্র ভদ্র আচরণ শত্রুকেও বন্ধু বানিয়ে দিতে পারে।

সুন্দর কথা সবসময় পৃথিবীতে বন্ধু বাড়ায় আর শত্রু কম করে।

এটা সত্যি যে,
টাকা থাকলে সব কিছু কেনা যায়।

কিন্তু মন কেনা যায় শুধুমাত্র ব্যবহার আর সুন্দর কথা দিয়ে।।।।।

একটি বাজারে মাত্র ৫০০ টাকায় গোলাম বিক্রি হচ্ছিল। সে বাজারের সামনে দিয়ে এক লোক যাচ্ছিল। লোকটি ভাবল, মাত্র ৫০০ টাকায় গো...
02/07/2026

একটি বাজারে মাত্র ৫০০ টাকায় গোলাম বিক্রি হচ্ছিল।
সে বাজারের সামনে দিয়ে এক লোক যাচ্ছিল।
লোকটি ভাবল, মাত্র ৫০০ টাকায় গোলাম বিক্রি হচ্ছে? যাই, গোলামটাকে কিনেই ফেলি।
লোকটি গোলামের মালিক কে জিজ্ঞেস করল, তুমি এত কম দামে কি করে গোলাম বিক্রি করছ?কাম চোর নাকি ও?

গোলাম এর মালিক বলল না একেবারেই কামচোর নয়, বরং অনেক বেশি পরিশ্রমি।
সব গুন আছে ওর। শুধুমাত্র ওর একটা স্বভাব আছে।ও কুট কথা বলে। লোকটি ভাবল, ঘরে তো আমি আর আমার স্ত্রী থাকি। তাহলে ও কুটনামি করবে কার কাছে?

তাই সে গোলামটিকে কিনে নিয়ে গেল।
কিছুদিন বেশ ভালোই চলল। খুব ভালোভাবে কাজ করলো। দিন ভালোই কাটতে লাগলো।
কিন্তু একদিন ওর মাথায় কুটনামির ভূত চাপলো।
ও গিয়ে লোকটির স্ত্রীর কাছে বলল, মেম সাহেব আপনি কি জানেন সাহেবেরও বাইরে অন্য এক মহিলার সাথে সম্পর্ক আছে?
এটা শুনে লোকটির স্ত্রী জোরে জোরে কাঁদতে লাগলো। গোলাম বলল, আরে মেম সাহেব আপনি কাঁদবেন না। আমার কাছে এর সমাধান আছে।

আমি একজন ফকির বাবাকে চিনি, যে আপনার এই সমস্যার সমাধান করতে পারবে।
আপনাকে শুধু একটা ছোট কাজ করতে হবে।
সাহেব রাতে যখন সাহেব ঘুমিয়ে পড়বে, তখন তার মাথার কয়েকটা চুল কেটে আমাকে দেবেন। সে রাজি হয়ে গেল।

এরপর গোলাম তার সাহেবের কাছে গেল গিয়ে বলল, সাহেব আপনি কি জানেন? মেমসাবের বাইরে এক লোকের সাথে সম্পর্ক আছে?
এই কথা শুনে লোকটি গোলাম কে জোরে একটা থাপ্পর মারলো। বলল, তুই আমার স্ত্রীর উপর অপবাদ দিচ্ছিস?

গোলাম বলল, আপনার যদি আমার কথা বিশ্বাস না হয় তাহলে রাতে ঘুমানোর নাটক করবেন। আপনার স্ত্রী তার প্রেমিকের সাথে পরামর্শ করেছে। আজ রাতেই আপনার স্ত্রী আপনাকে মারতে আসবে।
লোকটি রাজি তো হল, কিন্তু বলল, যদি তোর কথা মিথ্যা হয় তাহলে আমি তাকে মেরে ফেলবো।

রাত হল। লোকটি ঘুমের নাটক করল। ওই দিকে তার স্ত্রী তার মাথার চুল কাটার জন্য একটি কাঁচি নিয়ে বিছানার কাছে যেতেই লোকটি দ্রুত জেগে গেল। লোকটি মনে তো গোলামের কথা চলছিল,ই তার উপরে এই দৃশ্য দেখে সে কোন কথা না ভেবে দ্রুত তার স্ত্রীর হাত থেকে কে নিয়ে স্ত্রীর গলায় বসিয়ে দিল।
স্ত্রী সেখানেই মৃত্যু হল।

এই খবর যখন তার স্ত্রীর পরিবারের কাছে পৌঁছল তখন তারা রেগে লোকটিকে হত্যা করল।
এই খবর লোকটির পরিবারে পৌঁছাবার মাত্রই দুই পরিবারের মধ্যে এমন যুদ্ধ লেগে গেল যে দুটো পরিবারই প্রায় শেষ হয়ে গেল।

এজন্যই বলা হয়, শরীরে যদি বিষ প্রবেশ করে তাহলে তার চিকিৎসা আছে।

কিন্তু কানের ভিতরে বিষ প্রবেশ করলে তার চিকিৎসা এই দুনিয়ার কোথাও নেই।

এটা এমন একটা বিষ যা পুরো অস্তিত্বকেই মিটিয়ে দিতে পারে।

তাই যেকোন বিষয় শুনলে সেটার উপর গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

শোনা কথায় কখনো বিশ্বাস করা উচিত নয়।

Address

Rajshahi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সাহসী মানুষ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category