28/01/2022
নবম- দশম শ্রেণীদের জন্যঃ
জীববিজ্ঞান ১ম অধ্যায়ঃ
*** সর্টকাটঃ জীববিজ্ঞান কে ইংরেজিতে বলা হয় - Biology - জনক অ্যারিস্টটল
Bios(জীবন) Logos ( জ্ঞান) এই দুইটির মিলে জীববিজ্ঞান উৎপত্তি।
জীববিজ্ঞান কে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
১। প্রাণীবিজ্ঞান - অ্যারিস্টটল
২। উদ্ভিদবিজ্ঞান- থ্রিওফাস্টাস
জ্ঞানের বিষয় ভিত্তিতে জীববিজ্ঞানকে দুইটি শাখায় ভাগ করা হয়।
১।মৌলিক বা ভৌত শাখা
২।ফলিত শাখা
সহজ নিয়মে যেসব শাখার নামের শেষে "বিদ্যা"শব্দ থাকবে তাদের ভৌত শাখার অংশ বলা যায়। ব্যতিক্রমঃ এন্ডোকাইনোলজি,হিস্টোলজি
আবার যাদের নামের শেষে "বিজ্ঞান" শব্দ থাকবে তারা ফলিত শাখার অন্তর্ভুক্ত। ব্যতিক্রমঃ পরজীবিবিদ্যা,ফ্যার্মেসী,ব্যায়োনফর্মেটিক্স।
জীবজগতে এই পর্যন্ত পাওয়া তথ্য মতে উদ্ভিদ চার লক্ষ্য আর প্রাণী তেরো লক্ষ্য। মোট সতেরো লক্ষ্য উদ্ভিদ ও প্রাণী। তবে এর সংখ্যা বিজ্ঞানীদের মতে এক কোটিরও বেশি হতে পারে।
প্রয়োজনের তাগিদে জীববিজ্ঞানের একটি স্বতন্ত্র শাখা গড়ে উঠেছে যাকে বলা হয় শ্রেণীবিন্যাস বিদ্যা বা ট্যাক্সোনমি। সুইডিস প্রকৃতবিদ ক্যারোলাস লিনিয়াস কে শ্রেণীবিন্যাসের জনক বলা হয়। তিনি ১৭৩৫ সালে আপসালা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিকিৎসা বিষয়ে ডিগ্রী লাভ করেন এবং পরে তিনি অ্যানাটমি বিভাগে অধ্যাপক হিসাবে নিযুক্ত হন।
শ্রেণীবিন্যার মূল উদ্দেশ্য হলো প্রতিটি জীবের দল উপদল সম্পর্কে জ্ঞান আহরণ করা।
জীববিজ্ঞান কে দুইটি রাজ্যে ভাগ করেন ক্যারোলাস লিনিয়াস।
১। সুপার কিংডম ওয়ান
২। সুপার কিংডম ট্রু
কিন্তুু বিজ্ঞানী R.H.Whittaker ১৯৬৯ সালে জীবজগৎ কে পাঁটি রাজ্যে ভাগ করেন। যাকে বলা হয় পাইভ কিংডম।
*** মন দিয়ে-- মনেরা
*** পড়লে-- প্রোটিস্টা
*** ফাইন্যাল -- ফানজাই
*** পরিক্ষায়-- প্লান্টি
*** অন্যায়সে পাস--- অ্যানামিলিয়া
পরে আবার মারগুলিস ১৯৭৪ সালে এর কিছু বিস্তারিত রুপ দেন।
মনেরা রাজ্যঃপ্রোক্যারিওটা আদি কোষী। সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না। শুধু রাইবোজোম থাকে। নিউক্লিয়ার পর্দা নেই। ফটোসিনথেসিস প্রকিয়ায় খাদ্য শ্বসন করে। যেমনঃ ব্যাটেরিয়া, নীলাভ সবুজ শৈবাল ( Nostoc)
প্রোটিস্টা রাজ্যঃ এরা ইউক্যারিওটা। অথ্যাৎ এক কোষী বা বহু কোষী হতে পারে। এদের সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে। নিউক্লিয়ার পর্দা থাকে DNA ও RNA তে এদের পাওয়া যায়। যেমনঃ অ্যামিবা, ডায়াটম
ফানজাই রাজ্যঃ এরা মাইসেলিমায় ( সরু সুতার মতো) এরা এক কোষী, পরজীবি ও মৃতজীবি হতে পারে। এদের কোষপ্রাচীর কাইটিন নির্মিত। যেমনঃ পিনিসিলাম, ছত্রাক, ইস্ট।
প্লান্টি রাজ্যঃ এদের কোষে উন্নত টিস্যু বিদ্যামান। এদের কোষ প্রাচীর পুরু শক্ত। এরা হেটারোট্রফিক। যেমনঃ কাঁঠাল গাছ।
প্লান্টি রাজ্যকে চার ভাগে ভাগ করা যায়।
* মশা -- মর্সবর্গীয়
* ফানি-- ফ্রানবর্গীয়
* লগ্নে-- নগ্নবীজি
* আসিবে-- আবৃতবীজি
অ্যানিমেলিয়া রাজ্যঃ এরা পরোভজি ও মাংসাশী প্রাণী। সকল প্রোটোজোয়া প্রাণী ব্যত্তিত।
যেমনঃ বাঘ
সবার ভালোবাসা পেলে বাকি টুকু লিখে দিবো। নিজের একক প্রচেষ্টায় করলাম ভুল ত্রুটি ক্ষমা করবেন।